26/09/2026
পুলিশ কখন ও কীভাবে warrant ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে?
এটি মূলত ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ও ১৬৭ ধারায় গ্রেফতার ও রিমান্ডের ক্ষমতা এবং নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষার সীমা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আপিল বিভাগের রায়। রায়ের তারিখ ২৪ মে ২০১৬।
নিচে রায়টির ঘটনা, আইনি প্রশ্ন, আদালতের যুক্তি, নির্দেশনা এবং ব্যবহারিক গুরুত্ব ধাপে ধাপে বিশ্লেষণ করা হলো।
১. মামলার পটভূমি
মামলাটির সূত্রপাত Writ Petition No. 3806 of 1998 থেকে। BLAST, Ain-o-Salish Kendra, Shomilito Shamajik Andolon এবং কয়েকজন ব্যক্তি জনস্বার্থে রিটটি করেন।
তাদের মূল অভিযোগ ছিল—পুলিশ Code of Criminal Procedure-এর section 54 ব্যবহার করে অনেক সময় যথাযথ আইনগত ভিত্তি ছাড়াই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করছে এবং পরে section 167 ব্যবহার করে পুলিশ বা জুডিশিয়াল রিমান্ড নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে সংবিধানের Articles 27, 31, 32, 33 ও 35-এ প্রদত্ত অধিকার ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। 63, Police arrest guidelines.pdf
অর্থাৎ মামলার কেন্দ্রে ছিল দুটি প্রশ্ন:
পুলিশ কখন ও কীভাবে warrant ছাড়া কাউকে গ্রেফতার করতে পারবে?
এবং
গ্রেফতারের পর পুলিশ custody/remand দেওয়ার ক্ষেত্রে Magistrate কী কী বিষয় যাচাই করবেন?
২. Section 54 কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?
রায়ে আদালত section 54-এর বিভিন্ন ক্ষেত্র উল্লেখ করেছে। এই ধারায় নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পুলিশ Magistrate-এর order বা warrant ছাড়াই গ্রেফতার করতে পারে।
যেমন—কোনো ব্যক্তি cognizable offence-এ জড়িত বলে reasonable complaint, credible information বা reasonable suspicion থাকলে নির্দিষ্ট শর্তে তাকে গ্রেফতার করা যায়। 63, Police arrest guidelines.pdf
কিন্তু আপিল বিভাগ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করেছে:
Section 54 পুলিশের সীমাহীন ক্ষমতা নয়।
রায়ে বলা হয়েছে, এটি ব্যক্তির liberty-তে হস্তক্ষেপকারী ক্ষমতা। তাই section 54-এর অধীনে গ্রেফতার বৈধ হতে হলে ধারাটিতে উল্লেখিত পরিস্থিতি বাস্তবে বিদ্যমান থাকতে হবে। শুধু পুলিশ কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ধারণা বা ইচ্ছা যথেষ্ট নয়।
এটি রায়টির অন্যতম মৌলিক নীতি।
৩. “Reasonable suspicion” মানে পুলিশ যা খুশি করতে পারবে না
রায়ের আলোচনায় High Court Division-এর findings-ও বিস্তারিতভাবে এসেছে।
বিশেষ করে বলা হয়েছিল—
* কোনো ব্যক্তিকে reasonable suspicion-এর ভিত্তিতে গ্রেফতার করলে সেই suspicion-এর কারণ record করতে হবে;
* police source কোনো তথ্য দিলে শুধু source-এর কথার ভিত্তিতে গ্রেফতার না করে তথ্য যাচাইয়ের উদ্যোগ নিতে হবে;
* গ্রেফতারের কারণ case diary/record-এ থাকতে হবে;
* Magistrate-এর কাছে arrested person-কে উপস্থাপনের সময় পুলিশকে বলতে হবে কেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে investigation শেষ করা সম্ভব হয়নি;
* কেন accusation বা information-টি well-founded বলে মনে হচ্ছে, সেটিও ব্যাখ্যা করতে হবে।
ব্যবহারিক অর্থ
ধরা যাক, পুলিশ বলল:
“আমাদের কাছে সন্দেহ হয়েছে যে তিনি অপরাধের সঙ্গে জড়িত।”
এটুকু বলাই যথেষ্ট নয়।
প্রশ্ন হবে:
কী কারণে সন্দেহ হলো?
কী তথ্য পাওয়া গেছে?
কোন ঘটনার ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হলো?
সেই কারণ কি আইনগতভাবে section 54-এর মধ্যে পড়ে?
রায়টির দর্শন হলো—arrest-এর power থাকলেও সেই power-এর exercise reason-based হতে হবে।
৪. Arrest memorandum অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
রায়ে পূর্ববর্তী Saifuzzaman v State, 56 DLR 324 মামলার নির্দেশনাও আলোচনা করা হয়েছে।
সেখানে বলা হয়েছিল, arrest করার পর পুলিশ কর্মকর্তাকে memorandum of arrest প্রস্তুত করতে হবে এবং তাতে arrested person’s signature, arrest-এর date ও time উল্লেখ করতে হবে। 63, Police arrest guidelines.pdf
এর উদ্দেশ্য হলো:
“কখন, কোথায় এবং কী কারণে একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে”—এ বিষয়ে পরবর্তীতে যেন কোনো অস্পষ্টতা না থাকে।
এটি custodial abuse প্রতিরোধের একটি গুরুত্বপূর্ণ procedural safeguard।
৫. পরিবারের সদস্য বা বন্ধুকে জানানোর অধিকার
রায়ে Saifuzzaman মামলার নির্দেশনা উল্লেখ করে বলা হয়েছে—গ্রেফতারের পর যত দ্রুত সম্ভব, এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, arrested person’s nearest relative-কে গ্রেফতারের তথ্য জানাতে হবে।
Relative না থাকলে arrested person’s suggested friend-কে জানাতে হবে।
এছাড়া arrest-এর কারণ, arrest-এর স্থান, custody-এর স্থান এবং সংশ্লিষ্ট তথ্য record করার বিষয়ও গুরুত্ব পেয়েছে।
কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ?
কারণ একজন ব্যক্তিকে সম্পূর্ণভাবে বাইরের পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখার সুযোগ থাকলে custodial abuse বা unlawful detention গোপন করা সহজ হয়।
৬. Police station-এর record ও case diary
রায়ে বারবার diary/case diary-এর গুরুত্ব এসেছে।
গ্রেফতারের কারণ, information/complaint-এর উৎস এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য record করতে হবে।
এমনকি arrested person-কে Magistrate-এর সামনে হাজির করার সময় relevant diary entries-এর copy দেওয়ার বিষয়ও নির্দেশনায় এসেছে। 63, Police arrest guidelines.pdf
অর্থাৎ:
Police arrest → record → Magistrate → judicial scrutiny
এই chain-টি রায়ে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
৭. ২৪ ঘণ্টার মধ্যে Magistrate-এর সামনে হাজির করা
সংবিধানের Article 33 এবং CrPC-এর relevant provisions-এর সঙ্গে section 167-এর সম্পর্ক রায়ে বিস্তারিতভাবে বিবেচনা করা হয়েছে।
পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করার পর investigation ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শেষ করতে না পারলে তাকে Magistrate-এর সামনে হাজির করে detention/remand চাইতে হবে।
কিন্তু Magistrate-এর কাজ শুধু পুলিশের আবেদন গ্রহণ করা নয়।
Magistrate-কে judicial mind প্রয়োগ করতে হবে।
পুলিশকে ব্যাখ্যা করতে হবে:
1. কেন ২৪ ঘণ্টায় investigation শেষ হয়নি;
2. accusation/information-এর ভিত্তি কী;
3. case diary-তে কী material আছে;
4. custody কেন প্রয়োজন।
রায়ে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে section 167-এর requirements পূরণ না হলে Magistrate-এর police remand দেওয়া উচিত নয়।
৮. “Mechanical remand” রায়টির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
আদালত এমন remand order-এর সমালোচনা করেছে যেখানে Magistrate পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে যথাযথ বিচারিক বিশ্লেষণ ছাড়াই custody অনুমোদন করেন।
রায়ে High Court-এর finding হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যে guideline না থাকলে Magistrate অনেক ক্ষেত্রে mechanical বা “parrot-like” order দিতে পারেন, যার ফলে custodial death-এর ঝুঁকি তৈরি হয়। 63, Police arrest guidelines.pdf
তাই Magistrate-এর ভূমিকা
Magistrate কেবল forwarding authority নন।
তিনি একটি constitutional safeguard হিসেবে কাজ করবেন।
⸻
৯. Police remand মানেই torture-এর অনুমতি নয়
এটি রায়টির অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
আদালত স্পষ্ট করেছে—কোনো ব্যক্তিকে police custody-তে নেওয়ার আইনগত ক্ষমতা থাকলেও তাকে নির্যাতন করার কোনো ক্ষমতা পুলিশকে দেওয়া হয়নি।
রায়ের আলোচনায় বলা হয়েছে, information বা clue বের করার জন্য torture করা সংবিধানের Articles 27, 30, 31, 32, 33 ও 35-এর সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
অর্থাৎ:
Remand ≠ Torture
Police custody-এর অর্থ হলো আইনসম্মত investigation-এর জন্য custody; নির্যাতনের লাইসেন্স নয়।
১০. Arrested person-এর lawyer-এর সঙ্গে যোগাযোগ
রায়ের guideline-এ বলা হয়েছে, arrested person চাইলে তাকে তার পছন্দের lawyer-এর সঙ্গে consultation-এর সুযোগ দিতে হবে অথবা nearest relation-এর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ দিতে হবে।
এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ procedural protection।
১১. Arresting officer-এর পরিচয় প্রকাশ
রায়ে guideline হিসেবে বলা হয়েছে, law-enforcement officer-কে তার পরিচয় প্রকাশ করতে হবে এবং arrested person বা উপস্থিত কেউ চাইলে identity card দেখাতে হবে। 63, Police arrest guidelines.pdf
এর ফলে:
* কে গ্রেফতার করল;
* কোন agency-এর কর্মকর্তা;
* কার custody-তে ব্যক্তি আছে
এসব বিষয়ে accountability তৈরি হয়।
১২. Arrest-এর সময় injury থাকলে কী করতে হবে?
যদি arrested person’s শরীরে injury-এর চিহ্ন দেখা যায়, তাহলে তার কারণ record করতে হবে এবং তাকে নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়ে চিকিৎসকের certificate নিতে হবে—এমন guideline রায়ে এসেছে।
এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ কারণ custody-তে injury হয়েছে নাকি arrest-এর আগেই ছিল—তা পরবর্তীতে নির্ধারণে medical record গুরুত্বপূর্ণ evidence হতে পারে।
১৩. “এক মামলায় জামিন, আরেক মামলায় গ্রেফতার”—এই প্রবণতা
রায়ে Saifuzzaman v State, 56 DLR 324 মামলার ঘটনা বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।
সেখানে ব্যক্তিদের একটি মামলায় bail পাওয়ার পর অন্য মামলায় দেখানো গ্রেফতার করা হচ্ছিল এবং এভাবে তারা দীর্ঘ সময় custody থেকে বের হতে পারছিলেন না। High Court এটিকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে বিভিন্ন procedural safeguards দিয়েছিল।
এখান থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি আসে:
Bail পাওয়ার পর ব্যক্তিকে শুধু custody দীর্ঘায়িত করার উদ্দেশ্যে অন্য মামলায় mechanicalভাবে দেখানো যাবে না।
নতুন মামলায় সত্যিকার আইনগত ভিত্তি থাকতে হবে এবং Magistrate-কে তার judicial mind প্রয়োগ করতে হবে।
১৪. Preventive detention-এর উদ্দেশ্যে section 54 ব্যবহার
রায়ের guideline-এ একটি গুরুত্বপূর্ণ নিষেধাজ্ঞা আছে:
Section 54 ব্যবহার করে কাউকে গ্রেফতার করে পরে Special Powers Act, 1974-এর section 3-এর অধীনে preventive detention দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে custody-তে রাখা যাবে না। 63, Police arrest guidelines.pdf
অর্থাৎ এক আইনের ক্ষমতা ব্যবহার করে অন্য আইনের preventive detention-এর পথ তৈরি করা যাবে না।
১৫. Magistrate-এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
রায়ের শেষ পর্যায়ে Magistrate/Judge/Tribunal-এর জন্য আলাদা guideline দেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো হলো:
ক. Diary entries ছাড়া detention
Police যদি section 167 অনুযায়ী custody চায় কিন্তু প্রয়োজনীয় diary entries-এর copy না দেয়, তাহলে Magistrate-এর সেই বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে এবং guideline অনুযায়ী release-এর প্রশ্ন আসে। 63, Police arrest guidelines.pdf
খ. Already in custody ব্যক্তিকে “shown arrested”
কেউ আগে থেকেই custody-তে থাকলে তাকে অন্য মামলায় “shown arrested” করার আবেদন এলে সংশ্লিষ্ট case diary এবং material ছাড়া Magistrate/Judge/Tribunal সেই আবেদন মঞ্জুর করবেন না।
গ. ১৫ দিনের পর detention
Section 167(2)-এর পর্যায়ে ১৫ দিনের detention-এর পরও investigation শেষ না হলে নির্দিষ্ট শর্তে section 344-এর অধীনে further remand-এর বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে; তবে আদালতের jurisdiction ও statutory requirements মানতে হবে।
১৬. Custodial death হলে Magistrate-এর ভূমিকা
রায়ের শেষ অংশে custody-তে মৃত্যু বা নির্যাতনের ক্ষেত্রে Magistrate-এর ওপর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব আরোপ করা হয়েছে।
যদি Magistrate-এর কাছে তথ্য আসে যে কোনো ব্যক্তি custody-তে নির্যাতিত হয়েছেন বা মারা গেছেন, তাহলে medical examination/medical board-এর মাধ্যমে injury বা cause of death নির্ণয়ের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে।
Medical evidence-এ torture বা custodial death-এর প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী suo motu cognizance নেওয়ার নির্দেশনাও রয়েছে।
১৭. ২০১৩ সালের নির্যাতন ও হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন
একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—High Court Division section 176 ও 202 ইত্যাদি সংশোধনের সুপারিশ করলেও Appellate Division ২০১৩ সালের Nirjatan and Hefajate Mrityu (Nibaran) Ain-এর অস্তিত্ব বিবেচনা করেছে।
তাই judgment-এ বলা হয়েছে, ওই আইন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রকে cover করায় section 176 ও 202 সংশোধনের পুরনো recommendation অনুসরণ করার প্রয়োজন নেই।
১৮. আপিল বিভাগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হলো paragraph 224।
আপিল বিভাগ:
Appeal dismissed করেছে এবং recommendation ও guidelines বহাল রেখেছে।
একই সঙ্গে—
* Inspector General of Police-কে guidelines সব police station-এ circulate করতে;
* Director General, RAB-কে তাদের units/officers-এর মধ্যে circulate করতে;
* Registrar General-কে Magistrates-এর compliance-এর জন্য circulate করতে;
* সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্তৃপক্ষকে judgment-এর recommendations, observations ও guidelines অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে
নির্দেশ দিয়েছে।
১৯. এই রায়ের মূল Legal Principles
পুরো রায়টি সংক্ষেপ করলে কয়েকটি principle সামনে আসে:
Principle 1
Police cannot arrest a person under section 54 merely at their discretion.
Principle 2
Reasonable suspicion must have a factual/legal basis and the reasons should be recorded.
Principle 3
Arrest must be properly documented.
Principle 4
Arrested person’s relative/friend should be informed according to the prescribed safeguards.
Principle 5
The arrested person must be informed of the reason for arrest.
Principle 6
Police remand is not a licence to torture.
Principle 7
Magistrate must independently apply judicial mind before granting remand.
Principle 8
Case diary/material supporting detention is important for judicial scrutiny.
Principle 9
A person already in custody cannot mechanically be shown arrested in another case.
Principle 10
Custodial torture and custodial death require effective judicial and medical scrutiny.
২০. সাধারণ মানুষের জন্য রায়টির বাস্তব গুরুত্ব
একজন নাগরিককে পুলিশ গ্রেফতার করলে এই রায়ের আলোকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো হতে পারে:
১. আমাকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে?
২. কোন আইনের কোন ধারায় গ্রেফতার করা হয়েছে?
৩. গ্রেফতারের সময় ও স্থান record করা হয়েছে কি?
৪. Arrest memorandum হয়েছে কি?
৫. আমার পরিবার/বন্ধুকে জানানো হয়েছে কি?
৬. আমাকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে Magistrate-এর সামনে হাজির করা হয়েছে কি?
৭. Police remand চাইলে তার ভিত্তি কী?
৮. Case diary-এর relevant material Magistrate-এর সামনে আছে কি?
৯. Magistrate কি স্বাধীনভাবে বিষয়টি যাচাই করেছেন?
১০. custody-তে কোনো injury হলে medical examination হয়েছে কি?
এই প্রশ্নগুলোই মূলত রায়টির constitutional safeguards-এর practical application বোঝায়।
অর্থাৎ পুলিশের গ্রেফতারের ক্ষমতা আছে, কিন্তু সেই ক্ষমতা “absolute power” নয়; এটি আইন, সংবিধান এবং judicial scrutiny-এর অধীন।
আর এই রায়ের বিশেষ গুরুত্ব হলো, আপিল বিভাগ শুধু section 54 নিয়ে আলোচনা করেনি; arrest থেকে শুরু করে police custody, remand, Magistrate-এর ভূমিকা এবং custodial death/torture পর্যন্ত একটি পূর্ণাঙ্গ procedural safeguard framework তৈরি করেছে। রায়ের শেষে সেই guidelines পুলিশ, RAB ও Magistrates-এর compliance-এর জন্য circulate করার সরাসরি নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
মোঃ রোকনুজজামান
আইনজীবী
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।
লেখাটি শেয়ার করতে পারবেন তবে ডাইরেক্ট পোস্ট করে নিজের নামে চালিয়ে দিবেন না।