Bangladesh Law Reports

Bangladesh Law Reports Bangladesh Law Reports is a monthly law journal in Bangladesh. We are committed to serve for the betterment of the legal field in Bangladesh.

28/01/2024

অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণকারী ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারক এবং ট্রাইবুনালের প্রতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনা:

ক) যদি আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭(২) ধারা অনুযায়ী কেস ডায়েরিতে উল্লেখিত তথ্যাদির অনুলিপি উপস্থাপন ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে যেকোন হেফাজতে আটকের জন্য প্রার্থনা করে, তাহলে মামলা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট, আদালত বা ট্রাইবুনাল তার কাছ থেকে জিম্মানামা গ্রহণ করে ১৬৯ ধারা অনুযায়ী তাকে মুক্তি দিবে।
খ) আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা যদি ইতোমধ্যে হেফাজতে আছে এমন কোন গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে অন্য কোন মামলায় গ্রেফতার দেখাতে চায় সে ক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট, বিচারক বা ট্রাইবুনাল আবেদন না মঞ্জুর করবেন যদি এই মামলার কেস ডায়েরি অনুলিপি সহ গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে তার সামনে হাজির না করা হয় এবং এই আবেদন সুপ্রতিষ্ঠিত না হয় ও ভিত্তিহীন হয়।
গ) উপরোক্ত শর্ত সাপেক্ষে, মামলার তদন্ত যদি গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে আটক করার পরে ১৬৭(২) ধারার বিধান মতে ১৫ দিনের মধ্যে শেষ না হয় এবং মামলাটি কেবল দায়রা আদালত বা ট্রাইবুনালে বিচারযোগ্য হয়, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট এই অভিযুক্ত ব্যক্তি কে ৩৪৪ ধারা অধীনে এক মেয়াদে ১৫ দিনের বেশি নয় এমন সময়ের জন্য রিমান্ডে প্রেরণ করতে পারবেন।
ঘ) ম্যাজিস্ট্রেট যদি ফরওয়ার্ডিং পত্র এবং কেস ডাইরিতে বর্ণিত কারণ গুলো বিবেচনা করে সন্তুষ্ট হন যে অভিযোগ বা তথ্য সুপ্রতিষ্ঠিত এবং হেফাজতে আটক করার মতো কেস ডাইরিতে তথ্যাদি রয়েছে, তাহলে উপযুক্ত এবং যথাযথ বলে বিবেচনা করলে উপযুক্ত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ না করা পর্যন্ত ম্যাজিস্ট্রেট তাকে যেকোনো হেফাজতে অধিকতর আটকের জন্য আদেশ দিতে পারেন।
ঙ) যদি পুলিশ ফরওয়ার্ডিং রিপোর্ট প্রকাশ পায় যে প্রতিরোধমূলক আটক এ রাখার উদ্দেশ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট কোন ব্যক্তিকে বিচারিক হেফাজতে আটকের আদেশ প্রদান করবেন না।
চ) ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৭ ধারার অধীনে এই ধরনের অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কিত আদেশ দেওয়ার আগে যেই ম্যাজিস্ট্রেট/ট্রাইব্যুনালের সামনে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হাজির করা হয়েছে সেই ম্যাজিস্ট্রেট/ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব হবে উক্ত শর্তাদি পূরণ হয়েছে কিনা তা যাচাই করা।
ছ) ম্যাজিস্ট্রেটের যদি বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে কাউকে আটক করার আইনগত কর্তৃত্বপ্রাপ্ত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কোন সদস্য বা কর্মকর্তা আইন বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট পেনাল কোড এর ২২০ ধারার অধীনে ঐ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কার্যক্রম গ্রহণ করবেন।
জ) যখনই আইন প্রয়োগকারী কর্মকর্তা কোন অভিযুক্ত ব্যক্তিকে রিমান্ডে নেন, রিমান্ডের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা তার দায়িত্ব এবং যদি পুলিশ প্রতিবেদন বা অন্য কোন ভাবে দেখা যায় গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মারা গেছেন, সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট একটি মেডিকেল বোর্ড দ্বারা ভুক্তভোগীকে পরীক্ষা করানোর নির্দেশ প্রদান করবেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির দাফন হয়ে থাকলে তিনি মৃতদেহ কবর থেকে তুলে মেডিকেল বোর্ড দ্বারা নতুন মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নির্দেশ দিবেন। মেডিকেল বোর্ডের রিপোর্টে যদি প্রকাশ পায় যে মৃত্যুর ঘটনাটি নরহত্যা প্রকৃতির, সেক্ষেত্রে তিনি ঐ কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ বা ঐ কর্মকর্তার সেই কমান্ডিং কর্মকর্তা যার হেফাজতে অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে, তার বিরুদ্ধে হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ এর ১৫ ধারার অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ বিচারার্থে আমলে গ্রহণ করবেন।
ঝ) ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যদি এমন কোন তথ্য থাকে যে কোন ব্যক্তি হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইন, ২০১৩ এর ২ ধারার সংজ্ঞাভুক্ত নির্যাতনের শিকার হয়েছে বা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করেছে, তাহলে নির্যাতনের ঘটনায় আঘাতের বিষয়টি নির্ধারণের জন্য ভুক্তভোগীকে নিকটতম ডাক্তারের কাছে পাঠাবেন এবং মৃত্যুর ঘটনায় মৃত্যুর কারণ সনাক্ত করার জন্য মেডিকেল বোর্ডের কাছে পাঠাবেন। ডাক্তারি পরীক্ষায় যদি দেখা যায়, আটককৃত ব্যক্তিকে নির্যাতন করা হয়েছে বা নির্যাতনের কারণে তিনি মারা গেছেন, সেক্ষেত্রে ঐ আইনের ৪ ও ৫ ধারায় মামলা করার জন্য অপেক্ষা না করে ম্যাজিস্ট্রেট স্বপনোদিত হয়ে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৯০(১)(সি) ধারার অধীন অপরাধ বিচার অর্থে আমলে গ্রহণ করবেন এবং আইন অনুযায়ী অগ্রসর হবেন।
বাংলাদেশ বনাম ব্লাস্ট, 8 SCOB (AD) (2016) 01.

28/01/2024

নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের অধীনে ডাক্তারি পরীক্ষার সনদ প্রস্তুতকারী ডাক্তারের মৌখিক সাক্ষ্য ছাড়াও সেই সনদ সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হতে পারে:

ডাক্তারি প্রমাণাদি এটা প্রমাণ করে যে আঘাত গুলো অভিযোগে বর্ণিত পদ্ধতিতে ঘটানো হতে পারে এবং গুরুতর বা সাধারণ আঘাত যেটাই হোক, সেটা এই ধরনের কারণেই হয়েছে। নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ২৩ ধারার অধীনে এমনকি ডাক্তারি পরীক্ষার সনদ প্রস্তুতকারী ডাক্তারের মৌখিক সাক্ষ্য ছাড়াও সেই সনদ সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হতে পারে। বিশেষজ্ঞের প্রতিবেদনটি প্রমাণের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং অন্য প্রমাণ গুলির দ্বারা প্রমাণিত হলে তা দৃঢ় বিশ্বাসের ভিত্তি হতে পারে। আদালতে এগুলোকে দরকারি প্রমাণ হিসেবে বিবেচনা করা হয় কারণ রোগীর চিকিৎসা চলাকালীন ঘটনার দলিলাদি সত্য এবং নিরপেক্ষ বলে ধরা হয়, তবে তা প্রমাণ সাপেক্ষে। কোন চিকিৎসক কেবল শরীরের আঘাতের প্রকৃতি ও প্রভাব, আঘাত করার পদ্ধতি বা কি দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল এবং আঘাতগুলো সাধারণ নাকি গুরুতর প্রকৃতি ছিল-এ সম্পর্কে মতামত দিতে পারেন। আঘাতটি সাধারণ বা গুরুতর প্রকৃতি ছিল-এই সম্পর্কে কোনও সাধারণ ব্যক্তির দ্বারা এটি নির্ণয় করা উচিত না, কারণ সাধারণ উপলব্ধি আইনি অর্থ হতে ভিন্ন হতে পারে। এটি বলা ভুল যে ডাক্তারি প্রমাণাদি কেবল মতামতের প্রমাণ; এটি অবশ্যই আক্রান্ত ব্যক্তির দেহে প্রাপ্ত তথ্যের প্রত্যক্ষ প্রমাণ (শ্রীমতি মজিন্দ্র বালা মেহরা বনাম সুলীল চন্দ্র, AIR 1960 SC 706. যদিও ডাক্তারি প্রমাণাদি সর্বদা বিবেচ্য ঘটনায় কোন আঘাত কিভাবে করা হয়েছিল তা প্রত্যক্ষ প্রমাণ নয়, তবে এটি কিভাবে সমস্ত সম্ভাবনার মধ্যেই ঘটেছিল তা বোঝায়। কারা ভিকটিমকে আহত করেছিল সেই অভিযোগ মৌখিক প্রমাণ দ্বারা প্রমাণিত হতে পারে তবে এ ধরনের আঘাতের প্রকৃতি অর্থাৎ সেটা সাধারণ নাকি গুরুতর আঘাত, তা ডাক্তারি প্রমাণাদি দিয়ে প্রমাণ করা যায়। তাই নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের অধীনে ডাক্তারি পরীক্ষার সনদ প্রস্তুতকারী ডাক্তারের মৌখিক স্বাক্ষর ছাড়াও সেই সনদ সাক্ষ্য হিসেবে গৃহীত হতে পারে।
উৎপল কুমার রায় বনাম মেঘনাথ সাহা, 25 BLC (HCD) (2020) 857.

28/01/2024

ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা এবং অন্যান্য লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ভুক্তভোগীদের কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগের কতিপয় নির্দেশনা:

নারীপক্ষ বনাম বাংলাদেশ মামলায় বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা এবং অন্যান্য লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ভুক্তভোগীদের কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য কতিপয় নির্দেশনা প্রদান করেছিল, যা সকলের জন্য মান্যকর। ঐ মামলার রায়টি 13 ALR (HCD) (2018) 21, 25 BLC (HCD) 569 এবং 6 CLR (HCD) (2018) 01 ইত্যাদি জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। রায়ের বিষয়বস্তু নিম্নে উল্লেখ করা হলো;

ধর্ষণ, যৌন সহিংসতা এবং অন্যান্য লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার ভুক্তভোগীদের কার্যকর সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বিদ্যমান পদ্ধতিগত কাঠামোগুলো পর্যাপ্ত নয়। এই শূন্যতা পূরণ করার জন্য নির্দেশিকা আকারে নিম্নলিখিত নির্দেশনা জারি করা হলো, যা জারি করার ক্ষমতা সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ এর অধীনে এই আদালতের রয়েছে এবং সংবিধানের ১১১ অনুচ্ছেদ এর পরিপেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সকলের জন্য এগুলো বাধ্যতামূলক এবং আইনসভা কর্তৃক প্রয়োজনীয় আইন প্রয়োগের মাধ্যমে এই জাতীয় আইনি শূন্যতা পূরণ না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হবে:
১) ঘটনার স্থান নির্বিশেষে ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন বা এ ধরনের আমলযোগ্য অপরাধ সংক্রান্ত প্রতিটি তথ্য অবিলম্বে থানার অফিসার ইনচার্জ রেকর্ড করবেন।
২) একটি নির্ধারিত ওয়েবসাইট খোলা উচিত যাতে করে তথ্যদাতা তার অভিযোগ অনলাইনে নিবন্ধন করতে সক্ষম হন।
৩) পর্যাপ্ত কারণ ছাড়া থানার সংশ্লিষ্ট অফিসার কর্তৃক এই জাতীয় মামলা লিপিবদ্ধ করতে অসম্মত হওয়া বা ব্যর্থতার বিষয়ে নির্দিষ্ট বিধান থাকতে হবে।
৪) প্রতিটি থানায় একটানা ২৪ ঘন্টা ধরে অবশ্যই কনস্টেবলের পদমর্যাদা নিচে নয় এমন একজন করে মহিলা পুলিশ অফিসার কে রাখতে হবে। ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের অপরাধের তথ্য প্রাপ্তির পরে ডিউটি অফিসার তথ্য রেকর্ড করে থানায় উপস্থিত মহিলা পুলিশ অফিসার কে ফোন করবেন এবং ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের চিন্তা মুক্ত করবেন।
৫) সমস্ত পর্যায়ে ভুক্তভোগীর পরিচয় গোপন রাখতে হবে।
৬) সকল থানায় সহায়তার হতে পারে এমন একজন মহিলা সমাজকর্মীর একটি তালিকা রাখতে হবে।
৭) ভুক্তভোগীর বক্তব্য কোন আইনজীবী বা তার মনোনীত বন্ধু বা কোন সমাজকর্মী বা সুরক্ষা কর্মকর্তার উপস্থিতিতে রেকর্ড করতে হবে।
৮) ভুক্তভোগীকে রাষ্ট্র থেকে তার সুরক্ষার অধিকার এবং তিনি ওই বিষয়ে কোন তথ্য চাইলে তা পাওয়ার অধিকার সম্পর্কে অবহিত করতে হবে।
৯) তথ্য প্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে ডিউটি অফিসার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারকে অবহিত করবেন।
১০) প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে, বিশেষ করে ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের শিকার মহিলা বা প্রতিবন্ধী নারীদের জন্য ইন্টারপ্রিটেশন সার্ভিসের ব্যবস্থা রাখতে হবে।
১১) তথ্য লিখিতভাবে রেকর্ড করার পরে তদন্তকারী কর্মকর্তা এবং নারী পুলিশ দেরী না করেই ভুক্তভোগীকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাবেন।
১২) ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারকে সতর্ক থাকতে হবে এবং সর্বদা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে উদ্ধারের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
১৩) ধর্ষণ বা যৌন নির্যাতনের সমস্ত ঘটনার বাধ্যতামূলকভাবে ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে।
১৪) ডিএনএ এবং অন্যান্য নমুনা-তর্কিত ঘটনার ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট ফরেন্সিক সাইন্স ল্যাব বা ডিএনএ প্রফাইলিং সেন্টারে প্রেরণ করতে হবে।
১৫) প্রতিবেদন সংগ্রহ বা ক্ষতিগ্রস্তকে নিকটতম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে কোন ধরনের দায়িত্বের ব্যর্থতা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
১৬) তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্তটি যথাসম্ভব দ্রুত সম্পন্ন করার চেষ্টা করবেন।
১৭) চিত্র, অডিও এবং নির্ধারিত ওয়েবসাইট সহ প্রিন্ট মিডিয়ায় নারী, মেয়ে বা শিশুদের বিরুদ্ধে সহিংসতা সম্পর্কিত ন্যাশনাল লাইন নম্বর 10921 এর বিস্তৃত প্রচার হতে হবে।
১৮) উপরোক্ত বিষয়গুলো ছাড়াও প্রয়োজনীয় সুরক্ষা, চিকিৎসা, রাসায়নিক ও পরামর্শদানের সহযোগিতা এবং ভুক্তভোগীকে সুরক্ষিত করার উদ্দেশ্যে প্রতিটি মেট্রোপলিটন সিটিতে একটি অফিস প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

Membership of a Bar Association is Mandatory:A person has to pass the MCQ, Written and Viva-Voce examination conducted b...
18/04/2023

Membership of a Bar Association is Mandatory:

A person has to pass the MCQ, Written and Viva-Voce examination conducted by the enrollment committee of the Bar Council for obtaining an Advocateship license from the Bar Council. After getting the license from the Bar Council a person has to admit as a member of his/her desired District/Chouki Bar Association as per [Rule- 06(1)]. Therefore, an Advocate who is not a member of any recognized Bar Association of Bangladesh, is not entitled to appear, act and plead before any Court, Tribunal or revenue authority of Bangladesh.

Copied.

09/04/2023

হিন্দু বিবাহিত মহিলার পৃথক বাসস্থান ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত মামলা দাখিলের নিয়মাবলী:
১৯৪৬ সালের Hindu Married Women's Right to Separate Residence and Maintenance Act এর বিধান অনুসারে একজন হিন্দু বিবাহিত মহিলা পৃথক বাসস্থান এবং খোরপোষের জন্য উপযুক্ত আদালতে মামলা দায়ের করার অধিকারী। এ ধরনের মামলা পারিবারিক আদালত স্থাপনের পূর্বে সাধারণত জেলা জজ আদালতে দায়ের করা হতো। এখনও কোন কোন জেলার জেলা জজ আদালতেই এ ধরনের মামলা দায়ের করা হয়ে থাকে। তবে ১৯৮৫ সালে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এ ধরনের মামলা পারিবারিক আদালতে দায়ের করাই বাঞ্ছনীয়। বর্ণিত আইনের ২ এবং ৩ ধারার বিধান অনুসারে অনুরূপ মামলা দায়ের করা হয়ে থাকে।

08/04/2023

পারিবারিক আদালতে মামলা দাখিল করার নিয়মঃ
১৯৮৫ সনের পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশের ৫ ধারার বিধান মতে ঐ আদালতে খোরপোষ, মোহরানা, বিবাহ- বিচ্ছেদ, দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং অভিভাবকত্ব ও শিশু সন্তানের প্রতিপালন বিষয়ে পারিবারিক মামলা দায়ের করা যায়। সারাদেশের সকল সরকারি জজ/সিনিয়র সহকারী জজ নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে পারিবারিক আদালতে জজ হিসেবে বিবেচিত হন। যেকোনো ধর্মের ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত আইন দ্বারা অনুশাসিত উপরোক্ত পাঁচটি বিষয়ের যেকোনো বিষয়ে ঐ আদালতে মামলা দায়ের করার অধিকারী। ঐ আদালতে মামলা দায়ের করার আগে আরজি/দরখাস্ত প্রস্তুত করার সময় ব্যক্তিগত আইনের (যেমন মুসলিম আইন) বিধানসমূহ খুব সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। মাত্র ২৫ টাকার কোট ফিস প্রদান সাপেক্ষে এই আদালতে মামলা দাখিল করা যায়। পারিবারিক আদালতে একজন মুসলিম মহিলা কর্তৃক বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা দায়ের করার আগে ১৯৩৯ সনে প্রণীত মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনে উল্লেখিত বিষয় সমূহ গুরুত্ব সহকারে পাঠ করতে হয়। ইহা ছাড়াও ১৯৬১ সনে প্রণীত মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশে বর্ণিত বিষয়গুলির উপর দৃষ্টিপাত করার আবশ্যকতা রয়েছে। উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, স্বামী যদি কাবিননামায় তার স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা প্রদান করে থাকেন তাহলে স্ত্রী এই আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করার অধিকারী থাকেন না। সেক্ষেত্রে তালাক-ই-তৌফিজের ক্ষমতা বলে তিনি বিবাহ ও তালাক রেজিস্টার এর নিকট হাজির হয়ে তার স্বামীকে তালার প্রদান করতে পারেন। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তালাক প্রদানের জন্য এ আদালতে মামলা করা যায় না। কেন না একজন মুসলিম স্বামী তার স্ত্রীকে শরীয়তের বিধান এবং বর্তমানে প্রচলিত আইন অনুসারে যে কোন সময় উপযুক্ত কারণে তার স্ত্রীকে আদালতের বাইরে তালাক প্রদান করতে পারেন। এই আদালতে মামলার যেকোনো পক্ষ প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ১৯৮৫ এর ১৬(এ) ধারার বিধান মোতাবেক অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের প্রার্থনা করতে পারে। এই আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অসীম। পারিবারিক আদালতের রায়, ডিক্রি ও আদেশের বিরুদ্ধে উক্ত আইনের ১৭ ধারার বিধান মোতাবেক বিজ্ঞ জেলা জজ আদালতে পারিবারিক আপিল মোকদ্দমা দায়ের করা যায়।

08/04/2023

আরবিট্রেশন মোকদ্দমা দায়ের করার পদ্ধতিঃ
২০০১ সালে প্রণীত সালিস আইনের (Arbitration Act, 2001) অধীনে যে সমস্ত মোকদ্দমা/কার্যক্রম রুজু করতে হয় তা The Civil Rules and Orders (Volume -1) এর ৭৭৪ বিধিতে বর্ণিত মতে মিস কেইস বা ছানি মামলা হিসেবে দায়ের করতে হয়। সঙ্গত কারণেই অন্যান্য ছানি মামলায় যেভাবে কোর্ট ফিস আদায় করতে হয় এ ধরনের মামলাতেও একই হারে কোর্ট ফিস প্রদান করতে হয়।
বর্ণিত সালিস আইনের ১২ ধারার অধীনে আরবিট্রেটর নিয়োগের মামলা দাখিলের পূর্বে অপরপক্ষকে ৩০ দিনের সময় দিয়ে আরবিট্রেটর নিয়োগের নোটিশ প্রদান করতে হয়। নোটিশ পাওয়ার পর ঐ পক্ষ আরবিট্রেটর নিয়োগ করতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট জেলা জজ আদালতে উক্ত বিষয়ে মামলা দায়ের করতে হয়। আরবিট্রেটর নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় কার্যক্রম ১২ ধারার অধীনে সম্পাদন করতে হয়। সালিসী মামলা চলাকালে সালিস আইনের ৭ক ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট পক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আবেদন করতে পারে। সালিসী ট্রাইবুনাল কোন এওয়ার্ড বা রোয়েদাদ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সালিস আইনের ৪২ ধারা অনুসারে উক্ত রোয়েদাদ রদ-রহিতের জন্য মামলা করতে পারে।

08/04/2023

দিয়ারা খতিয়ান কি?
'দরিয়া' শব্দ থেকে 'দিয়ারা' শব্দের উৎপত্তি। রূপান্তরিত এই প্রতিশব্দের অর্থ নদী বা সাগর। দিয়ারা জরিপের ঐতিহাসিক আলোচনায় দেখা যায় যে, নদী সিকস্তি বা পয়স্তির প্রতিশ্রুতিতে জমির পরিমাণ হ্রাস-বৃদ্ধি হয়। এই হ্রাস বৃদ্ধির উপর ভিত্তি করে সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব পুনঃনির্ধারণের প্রয়োজনে গঙ্গা নদীর তীরবর্তী রাজশাহী বিভাগীয় এলাকায় ১৮৪৭ সালের ৯ নং আইনের বিধান অনুসারে ১৮৭১ থেকে ১৮৭২ সালে সর্বপ্রথম দিয়ারা জরিপ হয়। ১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৬ ও ৮৭ ধারার বর্তমান বিধান মোতাবেক নদী ভাঙ্গনে সিকস্তি ও পয়স্থি বা প্রবৃদ্ধি প্রাপ্ত ভূমির সকল ব্যক্তির স্বত্বস্বার্থ বিলুপ্ত হয়ে সরকারে বর্তায়। অতএব দিয়ারা জরিপের মাধ্যমে সরকারের বিশেষ শ্রেণীর খাস জমির রেকর্ড পত্র সৃষ্টি হয়। অর্থাৎ সরকারের খাস জমির পরিমাণ বৃদ্ধির একটি বিরাট তথ্য হিসেবে এ রেকর্ড গণ্য হয়। বাংলাদেশের উপকূলবর্তী অঞ্চলে বি.এস. খতিয়ানকেও দিয়ারা খতিয়ান হিসেবে অবহিত করা হয়।

08/04/2023

আর. এস. খতিয়ান কিঃ
সি.এস. জরিপের মাধ্যমে প্রস্তুতকৃত নকশা ও রেকর্ডের ব্যাপক পরিবর্তন হওয়ায় উহা সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দেয়। জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে ভূমির ভাগ বন্টন যথেষ্ট বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বিষয়টি সরকার ১৮৭৫ সালের সার্ভে আইনের ৩ ধারা এবং ১৮৮৫ সালের Bengal Tenancy Act এর আওতায় পর্যায়ক্রমে সারাদেশের প্রত্যেক জেলায় স্বত্বলিপি সংশোধনের কাজে হাত দেয়। এই সার্ভে রিভিশনাল সার্ভে বা আর.এস. সার্ভে নামে পরিচিত হয়। এ খতিয়ানের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩.৫০ ইঞ্চি। এই খতিয়ানটি উপর-নিচ লম্বা ও দুই পৃষ্ঠার খতিয়ান হয়ে থাকে। এ খতিয়ানে প্রথম পৃষ্ঠার উপরিভাগে প্রথম লাইনে জেলা, মৌজা, খতিয়ান নং, দ্বিতীয় লাইনে থানা, জে.এঋ. নং ও তৌজি নং লিপিবদ্ধ থাকে। এই খতিয়ানের দ্বিতীয় পৃষ্ঠার দ্বিতীয় কলামে অর্থাৎ দাগ নং কলামের পাশের কলামে উক্ত দাগের উত্তর সীমানার দখলকারের নাম লিপিবদ্ধ থাকে এবং এই খতিয়ানের উপরে ডান দিকে একটি মাত্র খতিয়ান নম্বর থাকে।

08/04/2023

এস. এ. খতিয়ান কি:
১৯৫০ সালের জমিদারি উচ্ছেদ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের আওতায় ১৯৫৬ থেকে ১৯৬৩ সাল পর্যন্ত স্টেট একুইজিশান (এস. এ.) অপারেশনের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগীদের জন্য ক্ষতিপূরণ ধার্য, প্রজার খাজনা নির্ধারণ এবং স্বত্বলিপি প্রস্তুত করার ব্যবস্থা করা হয়। সমগ্র দেশে একসাথে এস.এ. অপারেশন পরিচালনার মাধ্যমে খতিয়ান বা স্বত্বলিপি প্রস্তুত করা হয়। এস.এ. পর্চাতেও জেলা, থানা/উপজেলা ও জে. এল. নম্বর লেখা থাকে। সি.এস. খতিয়ান ছাপা হওয়ার ৪৫ বছর পর এস. এ. খতিয়ান ছাপা হয়েছে। তাই স্বাভাবিক ভাবেই মালিকানার স্বত্ব পরিবর্তন হয়েছে। সরেজমিনে ভূমি পরিমাপ করে এস.এ. খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়নি। সি.এস. নকশা দেখে এবং পরবর্তী মালিকদের মালিকানা কাগজপত্র যাচাই করে অফিসে বসে উক্ত খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়। এজন্য এই খতিয়ানে ভুল ত্রুটির পরিমাণ অপেক্ষাকৃত বেশি থাকায় পরবর্তীতে রিভিশনাল সার্ভে জরিপ করা হয় । উক্ত জরিপ এখনো চলমান। বর্তমানে রিভিশনাল সার্ভে খতিয়ানকে বি. এস. খতিয়ান হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।

08/04/2023

সি.এস. খতিয়ান কিঃ
১৮৮৫ সালের Bengal Tenancy Act মোতাবেক ব্রিটিশ সরকার এই দেশে ভূমি জরিপ শুরু করে। এ জরিপের নাম সি.এস. জরিপ। সিএস মানে ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে বা কিস্তোয়ার জরিপ। ফরাসি "ক্যাডাস্টার" শব্দ থেকে "ক্যাডাস্ট্রাল"শব্দটির উৎপত্তি। ক্যাডাস্ট্রাল শব্দ অর্থ জনসাধারণের জমি জমার হিসাব লিপিবদ্ধ করে রাখার যে রেজিস্টার। প্লেইন টেবিল, গান্টার চেইন ও অন্যান্য সার্ভে যন্ত্রপাতি সাহায্যে ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে করা হয়, এজন্য একে স্থানীয়ভাবে চেইন সার্ভেও বলা হয়। বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে ১৮৮৮ সাল হতে ১৯৪০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের এলাকার জেলা সমূহে ক্যাডাস্ট্রাল জরিপ পরিচালিত হয়। এই জরিপে প্রতি ভূমি খন্ড জরিপের সাথে সাথে ভূমির পরিমাণ, ভূমির শ্রেণী, উদ্ধতন মালিক ভোগদখলকার, রায়তের শ্রেণী,‌ প্রদেয় খাজনার পরিমাণ, ইত্যাদি তথ্যসম্বলিত খতিয়ান সরেজমিনে এবং প্রকাশ্যে প্রণয়ন করা হয়। এই কারণেই সি.এস. জরিপে প্রণীত নকশা ও খতিয়ানের গ্রহণযোগ্যতা বেশি। উল্লেখ্য যে, ক্যাডাস্ট্রাল জরিপ কার্য বর্তমানে কক্সবাজার জেলার রামু হতে ১৮৮৮ সালে শুরু হয়ে ১৯৪০ সালে দিনাজপুরে শেষ হয়। অবশ্য বাংলাদেশের সিলেট জেলায় জরিপ আরো পরে সম্পাদিত হয়।

08/04/2023

ভূমি জরিপ এবং খতিয়ান পরিচিতিঃ
প্রাচীন যুগে ভূ-পৃষ্ঠের বেশিরভাগ ভূমি অনাবাদি ও বন জঙ্গলে পরিপূর্ণ ছিল। সভ্যতার ক্রমবিকাশে ভূমি আবাদী জমিতে পরিণত হয়েছে, ভূমির মালিকানা সৃষ্টি হয়েছে। মালিকানাকে সুনির্দিষ্ট করার জন্য ভূমির সুনির্দিষ্ট পরিচয় দেওয়ার প্রয়োজন দেখা দিয়েছে। প্রাচীন যুগে প্রচলিত নীতি ছিল এই যে, জঙ্গল পরিষ্কার করে যে ব্যক্তি চাষযোগ্য করে তুলবে সেই ভূমির মালিক হবে। আধুনিক কালে ভূমির এ ধরনের সুনির্দিষ্ট পরিচয় দেবার জন্য ভূমি জরিপ ব্যবস্থাপনা চালু হয়েছে। আধুনিক ভূমি জরিপ চালু হবার পূর্বে কোন জমি বা ভূমি খন্ডের পূর্বে/পশ্চিমে/উত্তরে/দক্ষিনে অন্য কোন ব্যক্তির ভূমি বা চৌহদ্দি পরিচয় দিয়ে কোন নির্দিষ্ট ভূমি খণ্ডকে বোঝানো হতো। ১৮৮৫ সালে "বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন" (Bengal Tenancy Act, 1885) নামে একটি আইন প্রণয়ন করে উক্ত আইনের অধীনে এদেশের ভূমি জরিপ কার্য শুরু হয়। এ জরিপ কার্য বর্তমানে কক্সবাজার জেলার রামু হতে ১৮৮৮ সালে শুরু হয়ে ১৯৪০ সালে দিনাজপুরে শেষ হয়। অবশ্য বাংলাদেশের সিলেট জেলায় জরিপ আরো পরে সম্পাদিত হয়। নিম্নে ভূমি জরিপ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করা হলোঃ
মৌজাঃ ভূমি জরিপ পদ্ধতিতে একটি উপজেলার ভূখণ্ডকে সুনির্দিষ্ট কিছু অংশে ভাগ করে প্রতিটি অংশকে নাম দেওয়া হয় মৌজা। মৌজা হল জরিপের একক। মৌজায় কি পরিমান ভূমি অন্তর্ভুক্ত থাকবে তার কোন বিধিবদ্ধ নিয়ম না থাকলেও কমপক্ষে ২০০ একরের উর্ধ্বে ভূমি নিয়ে একটি মৌজা গঠিত হয়। প্রতিটি মৌজাকে একটি স্থানীয় নামে ও একটি ক্রমিক সংখ্যায় প্রকাশ করা হয়। ক্রমিক সংখ্যাটিকে জে. এল. নাম্বার (Jurisdiction List Number) বলা হয়।

খতিয়ানঃ খতিয়ান হলো জরিপে প্রণীত জমি জমার পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। যেমন ভূমি মালিকের নাম, ভূমি দাগ নম্বর, পরিমাণ বা আয়তন, শ্রেণী/প্রকৃতি সরকারি দেওয়া জমার পরিমাণ, ইত্যাদি তথ্যসম্বলিত সরকারি বিবরণী। কোন মৌজায় এক বা একাধিক মালিকের ভূমি মালিকানা রেকর্ড যে ফর্মে পৃথক পরিচিতি নাম্বার দ্বারা চিহ্নিত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে। খতিয়ান সাধারণত দুই ধরনের হয়। জরিপ খতিয়ান ও মিউটেশন খতিয়ান।

(ক) জরিপ খতিয়ানঃ ভূমি জরিপ বিভাগ সরেজমিনে ভূমি পরিমাপ করে যে খতিয়ান প্রস্তুত করে তাকে জরিপ খতিয়ান বলে। জরিপ খতিয়ানের পাতাগুলো ১০০-২০০ টি করে বাধাই করে একটি বই প্রস্তুত করা হয়। তাকে ১নং রেজিস্টার বা জমাবন্দী রেজিস্টার বলে। ডেপুটি কমিশনার এর কার্যালয়ের রেকর্ডরুমে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস ও ইউনিয়ন ভূমি অফিস (তহশীল অফিসে) ১ নং রেজিস্টার বা জরিপ খতিয়ান সংরক্ষিত থাকে।

(খ) মিউটেশন খতিয়ানঃ সহকারি কমিশনার (ভূমি) নামজারি জমা খারিজ মোকদ্দমা বা মিউটেশনের মাধ্যমে যে খতিয়ান প্রস্তুত করে তাকে মিউটেশন খতিয়ান বলে।

Address

9/B-C, Meherba Plaza, 33, Topkhana Road
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bangladesh Law Reports posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share