Law Castle solutions by Advocate Shimul

Law Castle solutions by Advocate Shimul Legal Services
Helping Hand
(1)

24/09/2026

কোনো কোম্পানির নামে চেক ইস্যু করা হলে সেই কোম্পানিই চেকের payee বা holder in due course। কোম্পানির কোনো Manager বা Assistant Manager নিজে থেকে সেই চেকের holder in due course হয়ে যান না। কোম্পানি একটি corporate body হওয়ায় তার পক্ষে authorised officer বা agent কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেন। কিন্তু কেবল authorization থাকলেই সেই ব্যক্তি নিজে Section 138 এর আইনে “holder in due course” হয়ে যান না।

ধরা যাক, A একটি কোম্পানির নামে ১০ লাখ টাকার চেক দিলেন। চেকটি dishonour হওয়ার পর কোম্পানির একজন কর্মকর্তা নিজের নামে Section 138 এর মামলা করলেন। তখন প্রশ্ন হবে, চেকটি কি তাঁর নামে ইস্যু হয়েছিল? তিনি কি consideration এর বিনিময়ে চেকটির holder in due course হয়েছেন? নাকি তিনি কেবল কোম্পানির কর্মকর্তা হিসেবে অভিযোগটি দাখিল করেছেন? এই পার্থক্যটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ Section 141(a) এর statutory requirement পূরণ না হলে শুধু মামলাটি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে বা সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে এই কারণে একটি আইনগতভাবে অযোগ্য অভিযোগ বৈধ হয়ে যায় না।

তবে প্রতিটি মামলার ফল একই হবে এমন নয়। আদালতকে সংশ্লিষ্ট চেক, complaint, authorization বা power of attorney, কোম্পানির resolution এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি দেখে প্রকৃত অবস্থান নির্ধারণ করতে হবে। কোনো ব্যক্তি প্রকৃত payee বা holder in due course না হয়ে কেবল outsider হিসেবে অভিযোগ করলে এবং Sections 138 ও 141 এর মৌলিক শর্ত পূরণ না হলে, পরবর্তী বিচার কার্যক্রমও প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। এই ধরনের ত্রুটি থাকলে আদালত facts and circumstances বিবেচনায় proceeding quash করতেও পারেন।

এই নীতির বাস্তব গুরুত্ব এখানেই। চেক dishonour হওয়ার পর শুধু টাকা পাওয়ার দাবি থাকলেই যথেষ্ট নয়; কার নামে চেক, কে statutory complainant, চেকটি কীভাবে তাঁর কাছে এসেছে এবং complaint করার আইনগত ক্ষমতা কোথা থেকে এসেছে, এসব বিষয় শুরুতেই সঠিকভাবে পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

এই নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হলো Md. Mosharaf Hossain Vs. The State and another, Criminal Miscellaneous Case No. 37122 of 2022, judgment dated 10.01.2024। আদালত দেখতে পান, চেক দুটি M/S Harun and Brothers এর নামে ইস্যু হলেও অভিযোগ করেছিলেন তাদের Assistant Manager Md. Ismail Hossain এবং তাঁর পক্ষে কোনো valid power of attorney বা company resolution দাখিল করা হয়নি। আদালত তাঁকে holder in due course না হয়ে outsider হিসেবে বিবেচনা করেন এবং Sections 138 ও 141 এর statutory requirement পূরণ না হওয়ায় proceeding-টি abuse of process of the court হিসেবে quash করেন।

Legal Takeaway: Section 138 এর মামলায় শুধু চেক dishonour হওয়াই যথেষ্ট নয়; কে অভিযোগ করছেন এবং তিনি আইনের দৃষ্টিতে payee বা holder in due course কি না, সেটিই প্রথমে দেখতে হবে।

06/09/2026

দিল্লি হাইকোর্টের সাম্প্রতিক এক গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে—DNA evidence যৌন সম্পর্কের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে পারে; কিন্তু সেই যৌন সম্পর্ক consensual ছিল নাকি non-consensual ছিল, তা DNA একা প্রমাণ করতে পারে না।

মামলায় DNA পরীক্ষায় প্রমাণিত হয় যে অভিযুক্ত ব্যক্তি prosecutrix-এর সন্তানটির biological father। কিন্তু আদালত স্পষ্ট করে যে, এই রিপোর্ট থেকে শুধু যৌন সম্পর্কের fact প্রতিষ্ঠিত হয়। কোন পরিস্থিতিতে সেই সম্পর্ক হয়েছিল, সেখানে consent ছিল কি না, coercion, threat বা intoxication ছিল কি না—এসব প্রশ্ন DNA report একা নির্ধারণ করতে পারে না।

এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ evidentiary distinction আছে:

DNA proves the biological/physical fact.
It does not, by itself, prove the legal character of that act.

অর্থাৎ, DNA থেকে বলা যেতে পারে—“এই ব্যক্তির সঙ্গে এই নারীর sexual relationship হয়েছিল।” কিন্তু DNA থেকে একা বলা যায় না—“সেই relationship consent ছাড়া হয়েছিল।”

এই distinction criminal trial-এ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ prosecution-কে শুধু sexual in*******se হয়েছে—এটি দেখালেই হবে না; অভিযোগ যদি r**e বা absence of consent-এর ওপর নির্ভর করে, তাহলে অভিযোগের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোও প্রমাণ করতে হবে।

এই মামলায় Trial Court prosecution evidence শুধু DNA report-এর ভিত্তিতে মূল্যায়ন করেনি। বরং prosecutrix-এর বক্তব্য, পূর্ববর্তী বক্তব্য, alleged intoxication, threats, pregnancy ও অন্যান্য surrounding circumstances—সব evidence cumulatively বিবেচনা করেছে।

আদালত আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করেছে—sexual offence-এর ক্ষেত্রে কোনো নারী ঘটনার পর কীভাবে আচরণ “করার কথা ছিল”—এমন stereotypical ধারণার ভিত্তিতে তার testimony বিচার করা যাবে না। একইভাবে, শুধু FIR/complaint করতে দেরি হয়েছে বলেই prosecution case বাতিল করা যাবে না।

তবে এর অর্থ এই নয় যে conduct এবং surrounding circumstances কখনোই relevant নয়।

যখন আদালতের সামনে prosecution ও defence-এর competing versions থাকে এবং প্রশ্ন হয় prosecution তার অভিযোগ beyond reasonable doubt প্রমাণ করতে পেরেছে কি না, তখন surrounding circumstances এবং evidence-এর internal consistency আদালত বিবেচনা করতে পারে।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ legal takeaway:

DNA establishes the fact of sexual in*******se—not, by itself, the absence of consent.

আর criminal jurisprudence-এর মৌলিক নীতি হলো—অভিযোগের প্রতিটি essential ingredient prosecution-কে আইনগত মানদণ্ডে প্রমাণ করতে হবে।

এই মামলায় Delhi High Court মনে করেছে Trial Court evidence properly appreciated করেছে এবং acquittal-এর conclusion একটি reasonably possible view। তাই appellate court acquittal-এ হস্তক্ষেপ করার প্রয়োজন দেখেনি।

Citation: 2026 LiveLaw (Del) 815

টাকা দিয়েছেন, চুক্তি করেছেন—তারপরই কি ৪০৬/৪২০ ধারায় মামলা হতে পারে?ধরুন, আপনি কারও সঙ্গে জমি উন্নয়ন, ব্যবসা, ফ্ল্যাট, বি...
26/08/2026

টাকা দিয়েছেন, চুক্তি করেছেন—তারপরই কি ৪০৬/৪২০ ধারায় মামলা হতে পারে?

ধরুন, আপনি কারও সঙ্গে জমি উন্নয়ন, ব্যবসা, ফ্ল্যাট, বিনিয়োগ বা অন্য কোনো চুক্তি করলেন। চুক্তির সময় টাকা দিলেন। পরে কোনো কারণে কাজ হলো না, টাকা ফেরত পাওয়া গেল না, অথবা অপর পক্ষ সম্পত্তি অন্য কারও কাছে বিক্রি করে দিল। তখন অনেকেই স্বাভাবিকভাবেই মনে করেন—“আমার সঙ্গে প্রতারণা হয়েছে, তাই ৪২০; আর টাকা আত্মসাৎ করেছে, তাই ৪০৬।”

কিন্তু ফৌজদারি আইনে বিষয়টি এতটা সরল নয়।

প্রথম প্রশ্ন হলো—আপনার টাকা নেওয়ার সময়ই কি অপর পক্ষের প্রতারণা করার উদ্দেশ্য ছিল? যদি কেউ শুরু থেকেই জানতেন যে তিনি প্রতিশ্রুতি পালন করবেন না, কিন্তু সেই বিষয়টি গোপন করে আপনাকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে টাকা দিতে প্ররোচিত করেন, তাহলে সেটি প্রতারণার দিকে যেতে পারে। কিন্তু চুক্তি করার সময় উভয় পক্ষেরই চুক্তি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্য ছিল, পরে কোনো কারণে কাজটি ব্যর্থ হলো—শুধু এই ব্যর্থতা দিয়ে বলা যায় না যে শুরু থেকেই আপনাকে প্রতারণা করার পরিকল্পনা ছিল।

আবার টাকা ফেরত না দিলেই ৪০৬ ধারা হয়ে যায় না। ৪০৬-এর ক্ষেত্রে দেখতে হবে, আপনার কোনো সম্পত্তি বা অর্থ আইনগতভাবে অপর পক্ষের কাছে অর্পিত হয়েছিল কি না এবং সেই অর্পিত সম্পত্তি পরে সে অসাধুভাবে আত্মসাৎ বা নিজের ব্যবহারে নিয়েছে কি না। শুধু “আমার টাকা আটকে রেখেছে”—এই অভিযোগের সঙ্গে আরও নির্দিষ্ট ঘটনা থাকতে হবে।

এখানে সাধারণ মানুষের জন্য একটি সহজ পার্থক্য মনে রাখা যায়।

৪২০-এর প্রশ্ন: “আমার কাছ থেকে টাকা নেওয়ার সময়ই কি আমাকে ঠকানোর উদ্দেশ্য ছিল?”

৪০৬-এর প্রশ্ন: “আমার কাছে অর্পিত টাকা বা সম্পত্তি পরে কি অসাধুভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে?”

দুটি প্রশ্ন দেখতে কাছাকাছি মনে হলেও আইনের দৃষ্টিতে এগুলো এক নয়।

আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো—একই টাকা নিয়ে একই ঘটনার ভিত্তিতে ৪০৬ এবং ৪২০ দুটো অভিযোগ করা হলে আদালত অভিযোগের প্রকৃত ভিত্তি পরীক্ষা করবে। যদি বলা হয়, টাকা প্রথমে বৈধভাবে অর্পিত হয়েছিল এবং পরে আত্মসাৎ করা হয়েছে, আবার একই সঙ্গে বলা হয়, শুরু থেকেই প্রতারণা করে সেই টাকা নেওয়া হয়েছিল—তাহলে এই দুই অবস্থানের মধ্যে মৌলিক অসামঞ্জস্য তৈরি হতে পারে। একই factual foundation-এর উপর দুটো অপরাধকে শুধু পাশাপাশি লিখে দিলেই তা টেকসই হয়ে যায় না।

ধরুন, আপনি একটি জমির উন্নয়ন প্রকল্পে টাকা দিলেন। পরে দেখা গেল জমিটির অনুমোদনে সমস্যা আছে এবং প্রকল্পটি আর হলো না। এখানে শুধু প্রকল্প ব্যর্থ হয়েছে বলেই অপর পক্ষকে প্রতারক বলা যাবে না। প্রথমে দেখতে হবে—চুক্তির সময় সে কি জানত যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন সম্ভব নয় এবং সেই তথ্য জেনেও আপনাকে টাকা দিতে প্ররোচিত করেছিল? নাকি তখন প্রকল্প বাস্তবায়নের বাস্তব চেষ্টা ছিল, কিন্তু পরে কোনো আইনি বা বাস্তব সমস্যার কারণে তা ব্যর্থ হয়েছে? এই পার্থক্যই অনেক সময় একটি দেওয়ানি বিরোধকে ফৌজদারি অপরাধ থেকে আলাদা করে।

তাই কোনো ব্যক্তি যখন বলেন, “আমি টাকা দিয়েছি, কিন্তু ফেরত পাচ্ছি না—এখন কী করব?”, তখন শুধু টাকা ফেরতের কথা চিন্তা করলেই হবে না। দেখতে হবে টাকা কী উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছিল, কী চুক্তি হয়েছিল, কী প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, প্রতিশ্রুতির সময় অপর পক্ষের জ্ঞান ও উদ্দেশ্য কী ছিল, টাকা বা সম্পত্তি কীভাবে অর্পিত হয়েছিল এবং পরবর্তীতে কী ঘটেছে।

কারণ একই ঘটনার মধ্যে দেওয়ানি দায় এবং ফৌজদারি দায়—দুটো এক জিনিস নয়। কোনো কোনো ঘটনায় দেওয়ানি প্রতিকারই যথাযথ হতে পারে; আবার কোনো কোনো ঘটনায় চুক্তির আড়ালে প্রকৃত প্রতারণা বা আত্মসাৎ থাকলে ফৌজদারি প্রতিকারও প্রয়োজন হতে পারে। সঠিক প্রতিকার নির্ভর করে ঘটনার প্রকৃত কাঠামোর উপর।

আবার উল্টো দিকটিও গুরুত্বপূর্ণ। আপনার বিরুদ্ধে ৪০৬/৪২০-এর মামলা হয়েছে মানেই আপনি অপরাধী—এমন নয়। অভিযোগে যে ধারা দেওয়া হয়েছে, তার প্রতিটি আইনগত উপাদান বাস্তব ঘটনার সঙ্গে মেলে কি না, সেটি পরীক্ষা করা জরুরি। অনেক সময় এফআইআরে “প্রতারণা”, “আত্মসাৎ”, “বিশ্বাসভঙ্গ”—এ ধরনের শব্দ থাকে; কিন্তু সেই শব্দগুলোর পেছনে প্রয়োজনীয় নির্দিষ্ট ঘটনাই থাকে না। তখন মামলার শুরুতেই আইনি অবস্থান পর্যালোচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই জায়গাতেই মামলার ধারা দেখে নয়, ঘটনার কাঠামো বুঝে আইনি কৌশল নির্ধারণ করা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। একটি অভিযোগে কী লেখা হয়েছে তার পাশাপাশি কী লেখা হয়নি—সেটিও অনেক সময় সমান গুরুত্বপূর্ণ।

এই নীতির সাম্প্রতিক একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হলো G. Saminathan & Another v. The State, represented by the Sub-Inspector of Police & Another, 2026 INSC 772। মামলাটিতে একই ৩ কোটি টাকার বিষয়ে ৪০৬ ও ৪২০-এর অভিযোগ আনা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট অভিযোগের প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে দেখতে পায় যে প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে না এবং বিরোধটি মূলত দেওয়ানি প্রকৃতির। শেষ পর্যন্ত ফৌজদারি কার্যক্রম বাতিল করা হয়, তবে দেওয়ানি প্রতিকারের পথ খোলা রাখা হয়।
সাধারণ মানুষের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো—মামলায় কোন ধারা দেওয়া হয়েছে সেটি দেখেই সিদ্ধান্ত নেবেন না। আপনার ঘটনার সঙ্গে সেই ধারার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো সত্যিই মেলে কি না, সেটিই আসল প্রশ্ন।

আর সেই প্রশ্নের উত্তর বের করতে হলে শুধু অভিযোগের কাগজ নয়—চুক্তি, টাকা দেওয়ার প্রমাণ, কথাবার্তার নথি, নোটিশ, সম্পত্তির কাগজ, এফআইআর এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো একসঙ্গে দেখে পুরো ঘটনাটিকে আইনগতভাবে বিশ্লেষণ করতে হয়। অনেক মামলার ফল নির্ভর করে এই প্রাথমিক বিশ্লেষণ কতটা সঠিক হয়েছে তার উপর।

মামলা: G. Saminathan & Another v. The State, represented by the Sub-Inspector of Police & Another, 2026 INSC 772, decided on 31 July 2026.

আইনের ভাষায় একটি ধারা শুধু একটি অভিযোগ; কিন্তু একজন মানুষের জন্য সেটি হতে পারে স্বাধীনতা, সম্পত্তি ও ভবিষ্যতের প্রশ্ন। তাই অভিযোগের ধারা নয়—ঘটনার প্রকৃত আইনগত চরিত্র বুঝে পদক্ষেপ নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।।।।

25/08/2026

561A (কোয়াশমেন্ট) - আপিল বিভাগ Abdul Huq vs The state কেসে সেটেল করে দিয়েছে, কগনিজেন্স নেয়ার পরই কোয়াশমেন্টে আসতে বাঁধা নেই

31/07/2026

কোম্পানি ব্যতীত কোনো ব্যক্তির ইতিপূর্বে কখনো কর নির্ধারণ না হয়ে থাকলে এবং তার ব্যবসা খাতে করযোগ্য আয় থাকলে উপকর কমিশনার স্পটে কর নির্ধারণ করতে পারেন।

আয়কর আইন,২০২৩-এর ধারা ১৯৫ অনুযায়ী, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রগুলোতে স্পটে কর নির্ধারণ (Spot Assessment) করা হতে পারে:

■ ব্যক্তির ব্যবসা খাতে করযোগ্য আয় থাকে।

■ আইন অনুযায়ী আয়কর রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতা থাকে।

■ আয়কর আইনের কোনো বিধান পরিপালনের বাধ্যবাধকতা থাকে।

■ আয়কর আইনের কোনো বিধান কার্যকর বা পরিপালনে ব্যর্থ হলে।

উল্লেখ্য,কর কমিশনার তাঁর এখতিয়ারের অধীন যেকোনো উপকর কমিশনারকে এই ধারার অধীনে স্পটে কর নির্ধারণের ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন।

゚viralシfypシ゚ ゚viralシfypシ゚viralシalシ
আয়কর রিটার্ন জমা ও দাখিল

31/07/2026

📢 আয়কর আইন, ২০২৩ | ধারা ৬৭: "অন্যান্য উৎস হতে আয়" – যেসব বিষয়ে সতর্ক থাকবেন

আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ৬৭ অনুযায়ী, কিছু অর্থ বা সুবিধা আপনার নিয়মিত আয় না হলেও "অন্যান্য উৎস হতে আয় (Income from Other Sources)" হিসেবে গণ্য হতে পারে এবং করযোগ্য হতে পারে।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো এক নজরে—

✅ অজানা উৎসের ব্যাংক জমা বা নগদ অর্থের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে না পারলে তা "অন্যান্য উৎস হতে আয়" হিসেবে গণ্য হবে।।

✅ আয় ও বৈধ উৎসের তুলনায় সম্পদ বা ব্যক্তিগত ব্যয় বেশি হলে অতিরিক্ত অংশ করযোগ্য আয় হিসেবে ধরা হবে।

✅ বাজারমূল্যের তুলনায় অস্বাভাবিক কম দামে সম্পদ কিনলে বাজারমূল্য ও ক্রয়মূল্যের পার্থক্য "অন্যান্য উৎস হতে আয়" হিসেবে গণ্য হতে পারে।

✅ চুক্তি বাতিল বা পরিবর্তনের বিনিময়ে ক্ষতিপূরণ, কমিশন বা ফি পেলে অনুরূপ অর্থ করযোগ্য হবে।

✅ ঋণ মওকুফ (Loan Waiver) হলে প্রাপ্ত লাভ বা সুবিধা করযোগ্য হবে। তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে, যেমন—
📌 ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক ব্যক্তির ঋণ মওকুফ।
📌 নির্দিষ্ট সীমার মার্জিন লোন মওকুফ।
📌 স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা, সন্তান, আপন ভাই বা বোনের ঋণ দানে রূপান্তরিত হলে এবং উভয়ের রিটার্নে প্রতিফলিত থাকলে।

✅ লটারি, অনলাইন গেম বা কার্ড গেমে জেতা অর্থ "অন্যান্য উৎস হতে আয়" হিসেবে করযোগ্য।

✅ ব্যাংকিং চ্যানেল ছাড়া নগদে শেয়ার মূলধন, ঋণ বা ডিপোজিট গ্রহণের ক্ষেত্রে (আইনে নির্ধারিত শর্তসাপেক্ষে) তা কোম্পানির করযোগ্য আয় হিসেবে বিবেচিত হবে।

✅ স্বাভাবিক ব্যক্তির ক্ষেত্রে ৫ লক্ষ টাকার বেশি নগদ ঋণ বা ডিপোজিট ক্রসড চেক বা ব্যাংক ট্রান্সফার ছাড়া গ্রহণ করলে তা করযোগ্য আয় হিসেবে গণ্য হবে। ব্যাংক ট্রান্সফারে নেওয়া ৫ লক্ষ টাকার বেশি ঋণ ৬ বছরের মধ্যে পরিশোধ না করলেও নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে তা করযোগ্য হতে পারে।

✅ গাড়ি ভাড়া ব্যবসা ছাড়া অন্য কোনো কোম্পানি বিলাসবহুল মোটরকার বা জিপ ক্রয় করলে যার মূল্য পরিশোধিত মূলধনের ১০% অতিক্রম করে, অতিরিক্ত অংশের ৫০% করযোগ্য হবে। দীর্ঘদিন বাকিতে নির্মাণসামগ্রী কেনার ক্ষেত্রে রিয়েল এস্টেট ব্যবসার বাইরে কোনো করদাতা নির্মাণসামগ্রী বাকিতে কিনে ২ আয়বর্ষের মধ্যে মূল্য পরিশোধ না করলে, তা পরবর্তীতে করযোগ্য আয় হবে।।

✅ সংশোধিত রিটার্নে নতুন করে করমুক্ত বা হ্রাসকৃত করহারের আয় দেখানোর কিছু ক্ষেত্রে।

⚠️ মনে রাখবেন: অপ্রদর্শিত আয়, নগদ লেনদেন, ঋণ, সম্পদের উৎস ও ব্যাংকিং চ্যানেল সংক্রান্ত বিধানগুলো এখন অনেক বেশি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হয়। তাই প্রতিটি লেনদেনের যথাযথ প্রমাণ সংরক্ষণ করুন এবং রিটার্নে সঠিক তথ্য প্রদর্শন করুন।

30/07/2026

চেক ডিজঅনার মামলার মূল উদ্দেশ্য অর্থ আদায়, কারাদণ্ড নয় : হাইকোর্টের রায়

চেক ডিজঅনার মামলার মূল উদ্দেশ্য অর্থ আদায়, কারাদণ্ড নয় : হাইকোর্টের রায়
নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস (এনআই) অ্যাক্টের অধীনে করা মামলার মূল উদ্দেশ্য হলো চেকের অর্থ আদায় নিশ্চিত করা, চেকদাতাকে (আসামি) কারাগারে পাঠানো নয়—এমন পর্যবেক্ষণ দিয়ে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রায়ে আদালত স্পষ্ট করে বলেছেন যে, এনআই অ্যাক্টের মামলায় কারাদণ্ড প্রদান শুধুমাত্র উপযুক্ত ও বিশেষ পরিস্থিতিতেই দেওয়া উচিত।

মো. আলাউদ্দিন বনাম রাষ্ট্র এবং অন্যান্য মামলার রায়ে এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বরিশালের এক গবাদিপশু ব্যবসায়ীর চেক ডিজঅনার সংক্রান্ত ফৌজদারি রিভিশন আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি ড. মো. বশির উল্লাহর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২২ জুলাই এই রায় দেন। রায়ের লিখিত অনুলিপি বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) প্রকাশ করা হয়েছে।

রায়ে অর্থদণ্ড বহাল রেখে আসামির কারাদণ্ড বাতিল করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

আদালতে আসামি পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. সাইফুল আলম। ঋণ প্রদানকারীর পক্ষে ছিলেন আইনজীবী দেব দুলাল বড়াল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. সফিকুল ইসলাম, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ফারহানা আবেদীন, হেমায়েত উদ্দিন এবং কে এম সাইফুল ইসলাম।

রায়ে আদালত ‘আমান উল্লাহ বনাম রাষ্ট্র’ মামলার নজির উল্লেখ করে বলেন, এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারার বিচারে কারাদণ্ড প্রদান করা একটি অতি কঠোর সাজা, যা থেকে কোনো শাস্তিমূলক উদ্দেশ্য সাধিত হয় না। উক্ত নীতি ও পর্যবেক্ষণের সঙ্গে আমি সম্পূর্ণ একমত পোষণ করছি।

মামলার প্রেক্ষাপট

গবাদিপশুর ব্যবসার উদ্দেশ্যে আসামি মো. আলাউদ্দিন বাদীর (যিনি বরিশালের তৃতীয় যুগ্ম দায়রা আদালতের বাদী ছিলেন) কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা ঋণ নেন। উক্ত ঋণ পরিশোধের নিমিত্তে আলাউদ্দিন রূপালী ব্যাংক লিমিটেড, বরিশাল বাজার রোড শাখার একটি চেক প্রদান করেন। ২০২০ সালের ২ নভেম্বর চেকটি ব্যাংকে জমা দিলে পর্যাপ্ত তহবিল না থাকার কারণে তা (চেক) নাকচ (ডিজঅনার) হয়। পরবর্তী সময়ে আইনি নোটিশ প্রদান ও নির্দিষ্ট মেয়াদে টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় বাদী ২০২০ সালের ২০ ডিসেম্বর বরিশালের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলি আদালত) আদালতে এনআই অ্যাক্টের আইনে (সি.আর.) মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে তা বরিশাল দায়রা জজ আদালতে পাঠান। দায়রা জজ মামলাটি বরিশাল তৃতীয় যুগ্ম দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করেন। ওই আদালত ২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর এআই অ্যাক্টর ১৩৮ ধারায় আসামি আলা উদ্দিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন।

এরপর ২০২২ সালের ১৮ জানুয়ারি বরিশালের তৃতীয় যুগ্ম দায়রা জজ আদালত আসামি মো. আলাউদ্দিনকে এনআই অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং চেকের সমপরিমাণ ৫ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করেন। পরে অর্থদণ্ডের অর্ধেক (২ লাখ ৫০ হাজার) টাকা জমা দিয়ে বরিশাল দায়রা জজ আদালতে আপিল করেন আসামি আলাউদ্দিন। পরে আপিল আদালত (বরিশাল দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ দায়রা জজ) ২০২২ সালের ১৪ ডিসেম্বর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড বহাল রেখে আসামির আপিল খারিজ করে দেন।

বিচারিক আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে আসামি আলাউদ্দিন হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন। গত ২২ জুলাই হাইকোর্ট বিচারিক আদালতের রায় বাতিলে জারি করা রুল খারিজ করে অর্থদণ্ড বহাল রাখেন। পাশাপাশি বিচারিক আদালতের রায়ের সাজার অংশটি ন্যায় বিচারের স্বার্থে সংশোধন করে তা (কারাদণ্ড) বাতিল করে দেন। অর্থাৎ আসামির অর্থদণ্ড বহাল রেখে কারাদণ্ড বাতিল করে দেন আদালত।

রায়ের কপি প্রাপ্তির তিনি মাসের মধ্যে আসামিকে (আলাউদ্দিন) ডিজঅনার চেকের অবশিষ্ট অংশ অর্থাৎ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন আদালত। অনাদায়ে আসামিকে দুই মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে কারাদণ্ড ভোগ করলেও তিনি জরিমানা পরিশোধের দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন না এবং ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৮৬ ধারা অনুযায়ী আদালত উক্ত টাকা আদায় করা হবে বলে রায়ে উল্লেখ করেছেন আদালত।

25/07/2026

2026-27 কর বর্ষে টার্নওভার ট্যাক্স একটি আতঙ্কের নাম যা অবশ্যই একটি কালো আইন।

14/07/2026
14/07/2026

হয়রানিমূলক চেকের মামলা থেকে বাঁচবেন যেভাবে: উচ্চ আদালতের নতুন নজির

: হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন (Negotiable Instruments Act, 1881)-এর ১৩৮ ধারায় চেকে স্বাক্ষর থাকলেই আসামির সাজা এখন আর নিশ্চিত নয়। সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ বেশ কিছু যুগান্তকারী রায়ে স্পষ্ট করেছেন যে—চেক ডিজঅনার মামলার ক্ষেত্রে কেবল চেক উপস্থাপনই যথেষ্ট নয়, বরং এর পেছনের লেনদেনের বৈধতা এবং সত্যতা প্রমাণ করা বাদীর জন্য বাধ্যতামূলক।

উচ্চ আদালতের এমন কিছু যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিচে তুলে ধরা হলো, যা ফাঁকা বা জামানতের চেকের মামলায় আসামির খালাস পাওয়ার পথ সুগম করেছে:

১. খণ্ডনযোগ্য অনুমান (Rebuttable Presumption)
যদিও এন.আই অ্যাক্টের ১৩৯ ধারায় বলা আছে, চেক থাকা মানেই ধরে নেওয়া হবে দেনা আছে। কিন্তু উচ্চ আদালত বলছেন, এটি একটি ‘খণ্ডনযোগ্য অনুমান’। আসামি যদি যুক্তিসঙ্গত প্রমাণ বা পারিপার্শ্বিক তথ্য দিয়ে প্রমাণ করতে পারেন যে, চেকটি সিকিউরিটি হিসেবে ছিল বা হারিয়ে গিয়েছিল এবং কোনো বাস্তব লেনদেন হয়নি, তবে তিনি খালাস পাবেন।

নজির: মোঃ আবুল কাহের শাহিন বনাম ইমরান রশিদ এবং অন্যান্য, ২৫ বিএলসি (এডি), ১১৫।

২. বাদীর আর্থিক সামর্থ্য ও উৎসের প্রমাণ
বাদী চেকে উল্লেখিত বড় অঙ্কের টাকা আসামিকে দেওয়ার সামর্থ্য রাখতেন কি না, সেটি এখন আদালতের বড় বিবেচ্য বিষয়। নগদ টাকা দিয়ে থাকলে তার আয়ের উৎস এবং ইনকাম ট্যাক্স (Income Tax) ফাইলে সেই টাকার উল্লেখ আছে কি না, তা যাচাই করা হতে পারে। কোনো লিখিত চুক্তিপত্র বা বিশ্বস্ত সাক্ষী ছাড়া শুধু চেকের ওপর ভিত্তি করে মামলা হলে, আদালত আসামিকে ‘বেনিফিট অব ডাউট’ (Benefit of Doubt) বা সন্দেহের সুবিধা দিয়ে খালাস দিতে পারেন।

৩. মহাজনি ঋণ ও সুদের কারবার
অনেক সময় মক্কেলকে বা ঋণগ্রহীতাকে চাপে ফেলে অথবা অবৈধ সুদের ব্যবসার বিপরীতে ব্ল্যাঙ্ক (ফাঁকা) চেক লিখে নেওয়া হয়। বাদী যদি আদালতে বৈধ লেনদেন বা টাকা হস্তান্তরের অকাট্য প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হন, তবে আদালত একে “পাওনা টাকার অস্তিত্বহীনতা” হিসেবে গণ্য করবেন এবং আসামি দণ্ড পাবেন না।

নজির: ৬৪ ডিএলআর, পৃষ্ঠা ৪২০।

৪. জামানত বা সিকিউরিটি চেক
ব্যবসা বা অন্য কোনো চুক্তির জামানত (Security) হিসেবে চেক দেওয়া হলে এবং সেই চুক্তির শর্ত লঙ্ঘিত না হলে, চেক ডিজঅনার হলেও ১৩৮ ধারায় সাজা দেওয়া যাবে না।

নজির: আব্দুল আওয়াল বনাম রাষ্ট্র, ৬৩ ডিএলআর (আপিল বিভাগ), পৃষ্ঠা ৭২।

৫. প্রতিদানহীন চেক কার্যকর নয়
আইন অনুযায়ী, প্রতিদান (Consideration) বা কোনো বিনিময় মূল্য ছাড়া যেমন চুক্তি হয় না, তেমনি প্রতিদান ছাড়া কোনো হস্তান্তরযোগ্য দলিলও কার্যকর হয় না। মামলার বাদী যদি দেনা-পাওনা বা বৈধ লেনদেনের কোনো ভিত্তি প্রমাণ করতে না পারেন, তবে আসামি খালাস পাবেন।

নজির: লোকমান বনাম আয়ুব আলী এবং রাষ্ট্র, ৩৮ বিএলডি, পৃষ্ঠা ৬১৬-৬২০।

একটি জরুরি সতর্কতা
উচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্তগুলো মূলত ভুয়া, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে সাধারণ মানুষকে আইনি সুরক্ষার জন্য। তবে মনে রাখতে হবে—যদি উভয় পক্ষের মধ্যে বৈধ চুক্তি থাকে এবং লেনদেনটি ব্যাংকিং চ্যানেল বা কোনো অকাট্য দালিলিক প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়, তবে চেক ডিজঅনারের শাস্তি (১ বছরের কারাদণ্ড ও চেকের অঙ্কের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড) আগের মতোই কঠোরভাবে বলবৎ থাকবে।

Address

Room/805 (7th Floor)Dhaka Bar Association Building, Kotwali, Dhaka
Fulbaria

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law Castle solutions by Advocate Shimul posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Law Castle solutions by Advocate Shimul:

Shortcuts

Share