Advocate ।। আইনজীবী ।।

Advocate ।। আইনজীবী ।। To ensure the rights of the citizen of Bangladesh and to give them knowledge about how to establish the rights which they have.

28/07/2026

NI Act-এর ১৩৮ ধারার সাজাপ্রাপ্ত আসামীর আপিল ও ৫০% টাকা জমা ছাড়া জামিন লাভ: আইনগত ব্যাখ্যা

​The Negotiable Instruments Act, 1881-এর ১৩৮ ধারার অধীন চেক ডিজঅনার মামলায় বিচারিক আদালত (Trial Court) কর্তৃক কোনো আসামী সাজাপ্রাপ্ত হলে, আপিল করার উদ্দেশ্যে ৫০% টাকা জমা না দিয়েই সাজা প্রদানকারী আদালত থেকে জামিন পাওয়ার স্পষ্ট আইনগত সুযোগ রয়েছে।

​বিষয়টি ফৌজদারী কার্যবিধি ও NI Act-এর ধারাসমূহের সমন্বয়ে নিম্নরূপ:

​১. আপিল দায়েরের পূর্বে বিচারিক আদালতের (Trial Court) জামিন
​আইন: ফৌজদারী কার্যবিধি (CrPC), ১৮৯৮-এর ৪২৬(২এ) ধারা

​প্রক্রিয়া: বিচারিক আদালত যখন আসামীকে দণ্ড প্রদান করেন, তখন আসামী যদি উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চতর আদালতে আপিল করার অভিপ্রায় প্রকাশ করেন, তবে বিচারিক আদালতই আসামীকে আপিল দায়েরের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমার (যেমন: ১ বা ২ মাস) জন্য অন্তর্বর্তীকালীন জামিন প্রদান করতে বাধ্য বা ক্ষমতাবান।
​টাকা জমার বাধ্যবাধকতা: এই ধাপে NI Act-এর ১৩৮A ধারার ৫০% টাকা জমা দেওয়ার নিয়মটি প্রযোজ্য হয় না। ফলে আসামী কোনো টাকা জমা না দিয়েই আইনগতভাবে বিচারিক আদালত থেকে জামিন পেয়ে মুক্ত হতে পারেন এবং আপিলের প্রস্তুতি নিতে পারেন।

​২. আপিল আদালতে আপিল গ্রহণ ও চূড়ান্ত জামিন
​আইন: NI Act, ১৮৮১-এর ১৩৮A ধারা এবং CrPC-এর ৪২৬ ধারা

​প্রক্রিয়া: বিচারিক আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর আসামী যখন নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপিল আদালতে (যেমন: দায়রা জজ আদালত) আনুষ্ঠানিকভাবে আপিল মেমো (Appeal Petition) দাখিল করতে যান, তখন NI Act-এর ১৩৮A ধারা কার্যকর হয়।

​টাকা জমার বাধ্যবাধকতা: আপিলটি আদালতে দাখিল ও শুনানির জন্য গ্রহণ (Admission) করানোর পূর্বশর্ত হিসেবে দণ্ডিত টাকার কমপক্ষে ৫০% জমা দিতে হয়। ৫০% টাকা জমা দেওয়ার পর আপিল আদালত ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২৬ ধারা অনুযায়ী সাজা স্থগিত রেখে আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আসামীর জামিন মঞ্জুর বা বর্ধিত করেন।

16/07/2026
14/07/2026

উচ্চ আদালতের নজির (১৪ ডিএলআর, পৃষ্ঠা-৪৬৫) অনুযায়ী, কোনো স্ত্রী যদি কোনো যৌক্তিক ও আইনসঙ্গত কারণ ছাড়াই স্বামীর অবাধ্য হন এবং পৃথক বসবাস করেন, তবে তিনি ভরণপোষণ পাওয়ার অধিকার হারান।

মুসলিম পারিবারিক আইনে স্ত্রীর এই "অবাধ্যতা" বা "Disobedience"-কে আইনগত ভাষায় 'নাশুজ' (Nushuz) বলা হয়।

​পারিবারিক আদালতের বিভিন্ন মামলার রায় এবং আইনি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, স্ত্রীর "অবাধ্যতা" বলতে সাধারণত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোকে বোঝানো হয়:

​১. যৌক্তিক কারণ ছাড়া স্বামীর সাথে বসবাস করতে অস্বীকার করা
​যদি স্বামী তার আইনগত ও সামাজিক দায়িত্ব (যেমন: নিরাপদ বাসস্থান, মোহরানা প্রদান ও মৌলিক ভরণপোষণ) যথাযথভাবে পালন করার পরও স্ত্রী কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই স্বামীর দেওয়া ঘরে বা সাথে থাকতে অস্বীকৃতি জানান।

​২. স্বামীর আইনসঙ্গত নির্দেশ অমান্য করা
​পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনের সীমানার মধ্যে স্বামী যদি কোনো বৈধ, যৌক্তিক এবং আইনসঙ্গত নির্দেশ দেন, এবং স্ত্রী যদি ইচ্ছাকৃতভাবে তা দিনের পর দিন অমান্য করেন। (তবে মনে রাখতে হবে, স্বামী যদি কোনো অবৈধ, অনৈতিক বা ইসলামের দৃষ্টিতে নিষিদ্ধ কোনো কাজের নির্দেশ দেন, তবে তা অমান্য করা অবাধ্যতা নয়)।

​৩. স্বামীর অনুমতি ছাড়া দীর্ঘ সময় বা স্থায়ীভাবে বাপের বাড়ি বা অন্য কোথাও অবস্থান করা ​স্বামী যদি তার স্ত্রীর প্রতি কোনো নিষ্ঠুরতা বা অন্যায় আচরণ না করেন, তবুও স্ত্রী যদি স্বামীর অনুমতি ছাড়া স্বেচ্ছায় এবং দীর্ঘ মেয়াদে বাপের বাড়ি বা অন্য কোথাও চলে যান এবং বারবার তাগিদ দেওয়ার পরও ফিরে আসতে অস্বীকার করেন।

​৪. বৈবাহিক দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি
​কোনো শারীরিক অসুস্থতা বা বৈধ কারণ (যেমন: মোহরানা বাকি থাকা) ছাড়া যদি স্ত্রী স্বামীর সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক ও দাম্পত্য অধিকার বজায় রাখতে অস্বীকার করেন।

​⚠️ গুরুত্বপূর্ণ আইনি ব্যতিক্রম (যা অবাধ্যতা বলে গণ্য হবে না):

​আদালত শুধুমাত্র স্বামীর মুখের কথায় স্ত্রীকে "অবাধ্য" ঘোষণা করে না। যদি স্ত্রী নিম্নলিখিত কারণে পৃথক থাকেন বা স্বামীর কথা না শোনেন, তবে আইনগতভাবে তাকে অবাধ্য বলা যাবে না এবং তিনি ভরণপোষণ পাবেন:

​** cruelty বা নিষ্ঠুরতা:** স্বামী যদি স্ত্রীর ওপর শারীরিক বা মানসিক নির্যাতন করেন।

​মোহরানা বাকি থাকা: বিয়ের পর যদি স্ত্রী প্রম্ট বা তাৎক্ষণিক মোহরানা (Prompt Dower) দাবি করেন এবং স্বামী তা পরিশোধ না করেন, তবে মোহরানা না পাওয়া পর্যন্ত স্ত্রী স্বামীর থেকে পৃথক থাকলেও তিনি অবাধ্য নন এবং ভরণপোষণ পাবেন।

​অন্য স্ত্রীর প্রতি বৈষম্য: স্বামীর একাধিক স্ত্রী থাকলে এবং তিনি সবার সাথে সমান আচরণ বা পৃথক বাসস্থানের ব্যবস্থা না করলে।
​নিরাপত্তাহীনতা: স্বামীর ঘরে স্ত্রীর জীবন, স্বাস্থ্য বা নৈতিকতার কোনো হুমকি থাকলে।

​সহজ কথায়: স্ত্রী যদি কোনো আইনসঙ্গত কারণ ছাড়া তার বৈবাহিক দায়িত্ব পালনে অস্বীকৃতি জানান এবং স্বামীর বাড়ি ত্যাগ করেন, তবেই কেবল তাকে আইনের দৃষ্টিতে 'অবাধ্য' বলা যাবে এবং স্বামী তার ভরণপোষণ বন্ধ করার আইনি অধিকার পাবেন।

Address

Dhaka Judge Court
Dhaka
1100

Telephone

+8801816005051

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate ।। আইনজীবী ।। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocate ।। আইনজীবী ।।:

Shortcuts

Share