Legal Litigation

Legal Litigation We are committed to delivering top quality legal services

Eid Mubarak
30/03/2025

Eid Mubarak

27/07/2024

জাতীয় শিশু নীতি ২০১১ হলো বাংলাদেশে শিশু অধিকার বাস্তবায়নের একটি আইন। শিশুদের সুরক্ষা ও তাদের জীবন বিকাশের সরকার ২০১১ সালে আইন প্রণয়ন করেছে। এ আইনে শিশুদের বর্তমান ও ভবিষ্যৎ বিনির্মাণে সুদূরপ্রসারী রূপকল্প বহন করা হয়েছে। এনীতিতে শিশু বলতে ১৮ বছরের কম বয়সী এবং কিশোর বলতে ১৪ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের বুঝায়।

27/05/2024

লাপাত্তা নিখোঁজ ব্যক্তিদের ব্যাপারে আইন কি বলে ??

বিশ্বজুড়ে ‘গুম’ বা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা কম নয়। লাপাত্তা, নিখোঁজ, Missing ,Empty,Disappear, অনুপস্থিত প্রভৃতি শব্দ নিয়ে আইনের নানাবিধ ব্যাখ্যা আছে। আজ আমরা এখানে আলোচনা করবো প্রচলিত ভাষায় ‘লাপাত্তা’ বা ‘নিখোঁজ ব্যক্তি’ কে তা নিয়ে। দীর্ঘদিন যদি কোনো ব্যক্তির খোঁজ না মেলে, অর্থাৎ ওই ব্যক্তি মৃত নাকি জীবিত তা না জানা যায় তবে এমন ক্ষেত্রে নিখোঁজ ব্যক্তিকে মৃত ঘোষণা করার সুনির্দিষ্ট কোনো আইন নেই। নিখোঁজ ব্যক্তির সম্পদের কেউ উত্তরাধিকার দাবি করলে তাকে সাক্ষ্য আইনের ১০৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রমাণ করতে হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সাত বছরের বেশি সময় ধরে নিখোঁজ আছে। আর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিখোঁজ হওয়া নিয়ে বিরোধ দেখা দিলে সে ক্ষেত্রে আদালতের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোনো ব্যক্তির নিখোঁজের সময়সীমা সাত বছর অতিবাহিত হলেই কেবল সাক্ষ্য আইনের ১০৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী ধরে নিতে হবে তিনি মৃত। সে ক্ষেত্রে তার উত্তরাধিকারীরা সম্পদের অধিকারী হতে পারবে। তবে এ ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারীদের কিছু আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। অন্যথায় উত্তরাধিকারীদের সম্পদ হস্তান্তরে আইনি জটিলতায় পড়তে হতে পারে। ১৯৩৯ সালের মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন অনুযায়ী একজন স্ত্রী যেসব কারণে স্বামীর বিরুদ্ধে আদালতে বিবাহ বিচ্ছেদের আবেদন করতে পারেন। তার মধ্যে অন্যতম হল, যদি চার বছর যাবৎ স্বামী নিরুদ্দেশ বা নিখোঁজ থাকলে স্ত্রী স্বামীকে তালাকের আবেদন করতে পারেন। যখন কোনো ব্যক্তি জীবিত আছে নাকী মারা গেছে এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন আসে সেক্ষেত্রে প্রমাণের দায়ভার (Burden of Proof) কার তা সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ও ১০৮ ধারায় উল্লেখ আছে। ১০৭ ধারায় কোনো ব্যক্তি জীবিত না মৃত এবং তা দেখার জন্য বিগত ত্রিশ বছরের মধ্যে সেই ব্যক্তি জীবিত ছিল কিনা? তখন যে ব্যক্তি তাকে মৃত মর্মে দাবী করে, তা প্রমাণের দায়িত্ব সে ব্যক্তির উপর ন্যাস্ত থাকে। ১০৮ ধারায় বলা হয়েছে, ৭ বছর ধরে কোনো ব্যক্তির হাদিস পাওয়া না যায় এবং যদি উনি বেঁচে থাকতেন সেক্ষেত্রে স্বাভাবিকভাবে যাদের সাথে উক্ত ৭ বছরে যোগাযোগ হত তাদের সাথে যদি কোনো যোগাযোগ না হয় সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তি তাকে জীবিত বলে দাবী করে তার উপর প্রমাণের দায়ভার (Burden of Proof) বর্তায়। জীবন ও মৃত্যুর অনুমান সম্পর্কে মুসলিম আইনে বলা হয়েছে, কোন লোক ‘লাপাত্তা’ হলে তার জন্ম তারিখ হতে গননা শুরু করে ৯৯ বৎসর-যাবৎ সে জীবিত ছিল বলে ধরা হয়। হিন্দু আইনের বিধান মতে কোন লোককে মৃত বলে ধরতে হলে তার নিখোঁজ হওয়ার তারিখ হতে ১২ বৎসর সময় অতিবাহিত হতে হবে। মুসলিম আইনে কোনো লোক সম্পর্কে ৯৯ বৎসর যাবৎ কোনো খোঁজ খবর পাওয়া না গেলে তাকে মৃত অনুমান করে উত্তরাধিকার সূত্রে তার প্রাপ্ত সম্পত্তির মালিকানা বিবেচনা কালে তাকে নিখোঁজ হওয়ার দিন থেকে মৃত বলে ধরা হয়। কিন্তু প্রচলিত সাক্ষ্য আইন, মুসলিম ও হিন্দু আইনের উপরোক্ত অভিমত অনুমোদন করে না। কোনো ব্যক্তি নিখোঁজ হলে সাধারণ নিয়ম হলো তার উত্তরাধিকারীদের থানায় জিডি করতে হবে। তবে কেউ যদি জিডি না করে, তবে উত্তরাধিকারী হিসেবে ওই ব্যক্তির সম্পদের মালিকানা দাবি করলে তাকে সাক্ষ্য আইনের ১০৮ নম্বর ধারা অনুযায়ী প্রমাণ করতে হবে যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সাত বছরের বেশি নিখোঁজ রয়েছে। এ ক্ষেত্রে হাইকোর্টের একটি রায় প্রণিধানযোগ্য। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের (ইফা) কাছ থেকে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ মার্কেটের একটি দোকান বরাদ্দ নিয়েছিলেন মো. ইসমাইল নামের এক ব্যক্তি। ‘ক্যালকাটা গান (বন্দুক) রিপেয়ারিং ওয়ার্কস’ নামের ওই দোকানে বন্দুক মেরামত করা হতো। ইসমাইল হোসেন দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকার পর তাঁর উত্তরাধিকারী হিসেবে দোকানের মালিকানা দাবি করে ইফাতে আবেদন করেন খায়রুন নেসা। তিনি আবেদনে নিজেকে ইসমাইলের ভাগ্নি এবং একমাত্র উত্তরাধিকারী দাবি করেন। কিন্তু ইফা তাঁকে ওই দোকানের মালিকানা দিতে রাজি না হওয়ায় তিনি ১৯৮৮ সালে ঢাকার নিম্ন আদালতে মামলা করেন। ওই আদালত তাঁর আবেদন খারিজ করে দেন। এরপর তিনি ওই রায়ের বিরুদ্ধে ১৯৯৫ সালে হাইকোর্টে আপিল (প্রথম আপীল ৩৬৬/৯৫) করেন। এই মামলায় শুনানি শেষে হাইকোর্ট ১৯৯৭ সালের ২০ মে রায় দেন। ওই রায় খায়রুন নেসার পক্ষে যায়। ওই রায় অনুযায়ী দোকানের মালিকানা পান তিনি। সাক্ষ্য আইনের ১০৮ নম্বর ধারা বিবেচনায় নিয়ে হাইকোর্ট রায় দেন। এই বিশ্বে প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ নিখোঁজ হয়ে যান। ইন্টারন্যাশনাল কমিশন অন মিসিং পিপল বলছে, এসব ঘটনার বেশির ভাগের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র; বিশেষ করে মাদক পাচারকারীরা। এ ছাড়া বন্য প্রাণী চোরাচালান, মানব পাচার, প্রাকৃতিক সম্পদ চুরি এমন আরও অনেক অপরাধী চক্র মানুষের এভাবে হারিয়ে যাওয়ার পেছনে বড় ভূমিকা রাখছে। যেসব গুমের সঙ্গে কোনোভাবে রাষ্ট্র জড়িত; যেখানে একজন মানুষকে কেউ তুলে নিয়ে গেছে, গোপনে আটকে রেখেছে অথবা মেরে ফেলেছে এবং লাশটাকে লুকিয়ে ফেলেছে তাদের বেলায়ও একই কথা প্রযোজ্য। এই অপরাধের ধরন অনেক রকম হতে পারে: একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা, একসঙ্গে অনেক মানুষের গুম হয়ে যাওয়া, অথবা নির্দিষ্ট সময়ে পরস্পর সংযুক্ত একাধিক ঘটনা। পারিবারিক নির্যাতন, মানসিক কারণে বা পাওনাদারের পাওনা না দিতেও অনেকে অনির্দিষ্টকাল আত্মগোপন করে থাকতে পারে। এমন ঘটনাও কম নয়। চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশ পাচার, চিরতরে ফিরে না আসার ঘটনাও চোখে পড়ে। অনেকে আবার নিখোঁজ হন নিজের ইচ্ছাতেও। পাচারের শিকার হয়েও অনেকের নাম নিখোঁজের তালিকায় উঠে আসে। মুক্তিপণ দাবী, অপহরণ ও গুম এর ক্ষেত্রে জিডি এজাহার ইত্যাদি আইনী পদক্ষেপ থাকতে হয়। সুতরাং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নিখোঁজ হওয়া নিয়ে কোনো বিরোধ দেখা দিলে সেক্ষেত্রে আদালতের সিদ্ধান্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অন্যথায় নানা আইনি জটিলতার সৃষ্টি হতে পারে। নিখোঁজ বা লাপাত্তা ব্যক্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে দাবীতে আদালতে ঘোষণামূলক মামলা করে একাধিক উত্তরাধিকারী থাকলে সকলকে মামলায় বিবাদী বা মোকাবিলা বিবাদী হিসেবে পক্ষভুক্ত করতে হবে। একাধিক বাদীও থাকতে পারে। এরপর আদালত থেকে নিজেদের দাবির পক্ষে রায় পাওয়া গেলেই কেবল নিখোঁজ ব্যক্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পদের মালিকানা দাবী করা যাবে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের তথ্য সংগ্রহ ও খুঁজে বের করতে বিজ্ঞান ভিত্তিক রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা আরো জোরদার করা প্রয়োজন। কেউ যেন এ ধরণের অপরাধের শিকার না হয় তজ্জন্যে সমাজ ব্যবস্থা আরো জোরদার হতে হবে।

দৈনিক আজাদী

14/09/2022

"Not only are the varieties of morality innumerable, but some of them are conflicting with each other."

~ James Fitzjames Stephen

22/06/2022

দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়।সাধারণত দানের মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তাঁর ওয়ারিশ কিংবা অন্য যে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এটি আইন স্বীকৃত। সাধারণত কেনাবেচার ক্ষেত্রে দামের বিনিময় হয়, কিন্তু দানের ক্ষেত্রে এ রকম বিনিময় হয় না। দান করতে হলে দাতার এবং গ্রহীতার সম্পূর্ণ ইচ্ছা ও সম্মতি থাকতে হয়।

দান বৈধ হতে হলে ৩টি শর্ত পূরণ করতে হয় –

**দাতা কর্তৃক দানের (ইজাব) ঘোষণা প্রদান।
**গ্রহীতা তার পক্ষ হতে দান গ্রহণ করা বা স্বীকার করা।
**দাতা কর্তৃক গ্রহীতাকে দানকৃত সম্পত্তির দখল প্রদান।
**এছাড়া উক্ত দানের মধ্যে নিম্নোক্ত উপাদানসমূহ থাকতে হবে।

>দাতাকে সুস্থ মস্তিষ্কের সাবালক ব্যক্তি হতে হবে।
>দাতার জীবনকালের মধ্যে দান কার্য সম্পন্ন হতে হবে।
>দান গ্রহণের পূর্বে দাতার মৃত্যু হলে দান বাতিল বলে গণ্য হবে।
>দানের সময় সম্পত্তিতে দাতার মালিকানা ও দখল থাকতে হবে।
>দান স্বেচ্ছায় এবং পণবিহীন হতে হবে।
>দান গ্রহীতা মানসিক ভারসাম্যহীন বা নাবালক হরে তার পক্ষে অভিভাবক দান গ্রহণ করতে পারবেন। দান যে কেউ গ্রহণ করতে পারেন।
>মুসলিম আইন অনুযায়ী দাতা তার সমুদয় সম্পত্তি যে কাউকে দান করতে পারেন। দায়ভাগ মতে একজন হিন্দু যাদের ভরণপোষণে আইনত বাধ্য তাদের জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা রাখার পর বাকী সম্পত্তি দান করতে পারেন।
দখল হস্তান্তরের পূর্বে দান প্রত্যাহার করা যায়। দখল হস্তান্তরের পরে দান প্রত্যাহারের জন্য আদালতের ডিক্রি লাগবে।
দানকারী ঋণের দায় এড়ানোর বা অন্য কোন অসৎ উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলকভাবে দান করলে, পাওনাদারের আবেদনে ঐ দান বাতিলযোগ্য হতে পারে।
>মৃত্যুশয্যাকালীন দান উইলের ন্যায় কার্যকরী হবে অর্থাৎ ঐ দান অনাত্মীয়ের অনুকূলে করা যাবে কিন্তু মোট সম্পত্তির ১/৩ ভাগের বেশী দান করা যাবে না। তবে উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি থাকলে অনাত্মীয়কে ১/৩ ভাগের অধিক সম্পত্তি দান করা যাবে। এ অবস্থায় কোন উত্তরাধিকারীকে দান করা যাবে না।
>রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইন ২০০৪ এর ৭৮এ ধারা এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২৩ ধারা অনুযায়ী দান লিখিত ও রেজিস্ট্রিকৃত হতে হবে।
>অজাত ব্যক্তি বরাবরে দান করলে দানের তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে সে জন্ম গ্রহণ কররে সে দান বৈধ হবে।

** দান/হেবা রেজিস্ট্রেশন এর নিয়ম:
দান রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক। রেজিস্ট্রেশন (সংশোধন) আইন ২০০৪ এ নতুন সংযোজিত ৭৮এ ধারা অনুসারে স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হয়। দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি নিম্নরূপ:

=>স্বামী-স্ত্রী, পিতা-মাতা-সন্তান, দাদা-দাদী ও নাতি-নাতনী, সহোদর ভাই-ভাই, সহোদর বো-বোন এবং সহোদর ভাই ও সহোদর বোনের মধ্যে যে কোনো স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রি ফি ১০০ টাকা

=>উল্লিখিত সম্পর্কের বাইরের ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সম্পাদিত দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রির ফি হবে কবলা দলিল রেজিস্ট্রির জন্য প্রযোজ্য ফি’র অনুরূপ।
জীবন স্বত্ত্বে দান দলিল রেজিস্ট্রেশন ফি:

স্প্যাম্প এ্যাক্ট ১৯০৮ এর ৫৮ নং আর্টিক্যাল অনুসারে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, মসজিদ, মাদ্রাসা, কবরস্থান (মুসলিম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান) এর জন্য জীবন স্বত্ত্বে দানের বিধান হলো – যে প্রতিষ্ঠানের নামে সম্পত্তি দান করা হবে সে প্রতিষ্ঠান ঐ সম্পত্তি শুধু ভোগ-দখল করতে পারবে, সম্পত্তি কোনরূপ হস্তান্তর করতে পারবে না। এরূপ জমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করতে হবে দানকারীর নামে। কোন কারণে ঐ প্রতিষ্ঠানটি কার্যকর না থাকলে সম্পত্তি দানকারীর মালিকানায় চলে যাবে এবং দান দলিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
স্ট্যাম্প ফি ২%

রেজিস্ট্রেশন ফি ২.৫%, ই ফিস প্রযোজ্য

**দান আর উইল এক বিষয় নয়ঃ

অনেকে মুসলিম আইনে দানকে উইলের সঙ্গে মিলিয়ে ফেলেন। মনে রাখতে হবে, উইল জীবিতাবস্থায় কার্যকর করা যায় না। একমাত্র উইল ঘোষণাকারীর মৃত্যুর পর উইল কার্যকর হয়, কিন্তু দানের ক্ষেত্রে দাতার জীবিতাবস্থায় কার্যকর হয়। তবে দানের ক্ষেত্রে জীবিতাবস্থায় সম্পত্তি হস্তান্তর করে দিতে হবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জেনে রাখতে হবে, মুসলিম আইনে উইলের ক্ষেত্রে উত্তরাধিকারীদের অনুমতি ছাড়া সম্পত্তির এক-তৃতীয়াংশের বেশি কার্যকর হবে না, কিন্তু হেবা বা দান পুরো সম্পত্তিই করা যাবে।

**দান কি বাতিল করা যায়
একবার দান করার পর এবং সম্পত্তি হস্তান্তর করার পর আদালতের ডিক্রি ছাড়া বাতিল করা যাবে না। তবে দানপত্র সম্পাদন করলেও সম্পত্তিটি হস্তান্তর না করা হলে কিছু ক্ষেত্রে দানপত্র বাতিল করা যায়। যেমন স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে দান, দানগ্রহীতা যদি মারা যায়, যখন দাতা কিছুর বিনিময়ে গ্রহণ করবে, সম্পত্তি যখন ধ্বংস হয়ে যাবে প্রভৃতি।

**হেবা-বিল এওয়াজ:
মুসলিম আইন অনুসারে কোন কিছু বিনিময় নিয়ে দান করাকে বলে এওয়াজ বা হেবাবিল-এওয়াজ। সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২ এর ১১৮ ধারা অনুসারে দু’জন ব্যক্তি যে ক্ষেত্রে পরস্পর নিজেদের মালিকানাধীন কোন জিনিসের মালিকানা হস্তান্তর করে সেক্ষেত্রে কোন একটি জিনিস টাকা না হলে সে আদান-প্রদানকে বলে এওয়াজ বা বিনিময়। এতে বিক্রয় চুক্তির উপাদান বিদ্যমান থাকায় এটি মূলত এক ধরনের বিক্রয়। এওয়াজ দলিলে বর্ণিত সম্পত্তির একজন দাতা তার নিজের সম্পত্তি অপরজনকে দেওয়ার পর তার প্রাপ্য সম্পত্তি তিনি না পেলে তিনি তার প্রদত্ত সম্পত্তি ফেরত পাওয়ার অধিকারী হবেন। হেবা বিল এওয়াজ অগ্রক্রয়যোগ্য নয়।

**হেবা-বিল-এওয়াজ এর উপাদানসমূহ:
গ্রহীতাকে হেবা গ্রহণের বিনিময়ে দাতাকে অবশ্যই কিছু দিতে হবে।
দানের মাধ্যমে নিজেকে সম্পূর্ণরুপে নিঃস্বত্বে পরিণত করতে হবে।
হেবা-বিল এওয়াজের ক্ষেত্রে দখল দান আবশ্যক নয়।
হেবা-বিল-এওয়াজ প্রত্যাহারযোগ্য নয়।

TAQABBAL ALLAHU MINNA WA MINKUMMay Allah accept [good deeds] from you and us.
02/05/2022

TAQABBAL ALLAHU MINNA WA MINKUM

May Allah accept [good deeds] from you and us.

31/12/2021
আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক :আপনার ১২ ডিজিটের ই-টিআইএন থাকলেই আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। অযথা জরিমানা থেকে...
22/09/2021

আয়কর রিটার্ন দাখিল করা বাধ্যতামূলক :
আপনার ১২ ডিজিটের ই-টিআইএন থাকলেই আয়কর রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক। অযথা জরিমানা থেকে বিরত থাকুন, সঠিক সময়ে রিটার্ন দাখিল করুন, জরিমানা এড়াতে ৩০ শে নভেম্বর এর মধ্যে রিটার্ন দাখিল করুন।

26/08/2021

ঘোড়ার মাংস বিক্রি নিয়ে মামলায় আসামিদের অব্যাহতি।

পঞ্চগড়ে ঘোড়ার গোশত খাওয়া হালাল বলে আদেশ জারি করলো আদালত।
ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে ও ঘোড়ার মাংস বিক্রির
মামলায় আসামিদের অব্যাহতি, দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে তিরস্কার ।
পঞ্চগড়ের অতিরিক্ত চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক◼️মো. মতিউর রহমান গত মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) এ আদেশ দেন ।

ঘোড়ার মাংস বিক্রয় নিয়ে দায়ের করা মামলার আদেশ দিয়েছে আদালত। বুধবার (২৫ আগস্ট) বিকেলে পঞ্চগড় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মতিউর রহমান এ আদেশ দেন। এ সময় আদেশে মামলার বাদীদের তিরস্কার ও আসামিদের অব্যাহতি দেয়া হয়।

◾আদালতের আদেশে যা বলা হয়েছে, সহিহ হাদিস সমূহ পর্যালোচনায় ঘোড়ার মাংস খাওয়া হালাল ও বৈধ মর্মে উল্লেখ থাকায় তদন্তকারী কর্মকর্তা কর্তৃক আসামি মো. সানাউল্লাহ এবং হামিদুর রহমান দ্বয়ের বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ২৭৩ ধারায় প্রসিকিউশন দাখিলের আবেদন না মুঞ্জর করা হইলো।

◾ঘোড়ার মাংস খাওয়া হালাল সত্ত্বেও বিনা অপরাধে আসামিদের বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২৫ (গ) তৎসহ পেনাল কোডের ২৭৩ ধারায় এজাহার দায়ের করায় এজাহারকারী বোদা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক লিপন কুমার বসাককে তিরস্কার করা হয়।

◾এদিকে মামলার তদন্তে গাফিলতি পরিলক্ষিত হওয়ায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক জাহিদুল ইসলামকেও তিরস্কার করা হয়। সেই সঙ্গে ভবিষ্যতে মামলার তদন্তকালে নিজ দায়িত্ব পালনে সজাগ থাকার নির্দেশ দেয়া হয়। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে বোদা উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ আব্দুস সোবাহানকে দায়িত্ব পালনে আরও সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

◾উল্লেখ্য, গত ২৩ ডিসেম্বর ঘোড়ার গোশত বিক্রি করার অপরাধে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলা বাজারে সানাউল্লাহ (৩২) ও হামিদুল ইসলামকে আটক করা হয়। একই সঙ্গে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। ওই দিনই তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করে আদালত। পরে ৭ দিন পর আসামিদের জামিন দেয় আদালত।

আলহামদুলিল্লাহ। আগামী ২২.০৮.২০২১ থেকে সুপ্রীম কোর্ট এর হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন চালু হচ্ছে। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি আজ ম...
17/08/2021

আলহামদুলিল্লাহ। আগামী ২২.০৮.২০২১ থেকে সুপ্রীম কোর্ট এর হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন চালু হচ্ছে। এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি আজ মঙ্গলবার জারী করা হয়েছে।

21/07/2021

ঈদ মোবারক

30/06/2021

কাল থেকে সাত দিনের বিধিনিষেধ শুরু, প্রজ্ঞাপনে ২১ নির্দেশনা

নভেল করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সারা দেশে আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে সাত দিনের বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। আজ বুধবার দুপুরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের মাঠপ্রশাসন সমন্বয় অধিশাখা ২১ দফা বিধিনিষেধের এ প্রজ্ঞাপন জারি করে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস বন্ধ থাকবে এবং শিল্প কারখানা নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে। উন্মুক্ত স্থানে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত কাঁচা বাজার ও নিত্যপণ্য কেনাবেচা করা যাবে।

এ ছাড়া শপিংমল, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, পর্যটন ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধের পাশাপাশি সামাজিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সারা দেশে বিধিনিষেধ কার্যকরে সশস্ত্র বাহিনীর প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন থাকবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

১. সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিসসমূহ বন্ধ থাকবে।

২. সড়ক, রেল ও নৌ-পথে গণপরিবহন (অভ্যন্তরীণ বিমানসহ) ও সকল প্রকার যাচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।

৩. শপিংমল/মার্কেটসহ সকল দোকানপাট বন্ধ থাকবে।

৪. সব পর্যটন কেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদন কেন্দ্র বন্ধ থাকবে।

৫. জনসমাবেশ হয় এ ধরণের সামাজিক (বিবাহোত্তর ওয়ালিমা অনুষ্ঠান, জন্মদিন, পিকনিক, পার্টি ইত্যাদি), রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

৬. বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট আদালতসমূহের বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

৭. ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি।

৮. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন-কৃষি পণ্য ও উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য খাদ্যদ্রব্য পরিবহণ, বিতরণ, স্বাস্থ্য সেবা, টিকা প্রদান, রাজস্ব আদায় সম্পর্কিত কার্যাবলি, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবা, ব্যাংক, ফার্মেসি ও ফার্মাসিটিক্যালসসহ অন্যান্য জরুরি/অত্যাবশ্যকীয় পণ্য সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহের কর্মচারী ও যানবাহন প্রাতিষ্ঠানিক পরিচয়পত্র দেখিয়ে যাতায়াত করতে পারবে।

৯. পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক/লরি/কাভার্ড ভ্যান/কার্গো ভেসেল নিষেধাজ্ঞার আওতাবহির্ভূত থাকবে।

১০. বন্দরসমূহ (বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল) এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বহির্ভূত।

১১. শিল্প-কারখানাসমূহ স্বাস্থ্যবিধি মেনে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় চালু থাকবে।

১২. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বেচাকেনা করা যাবে। সংশ্লিষ্ট বাণিজ্য সংগঠন/বাজার কর্তৃপক্ষ/স্থানীয় প্রশাসন বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

১৩. অতি জরুরি প্রয়োজন ছাড়া (ঔষধ ও নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ইত্যাদি) কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে বের হওয়া যাবে না। নির্দেশনা অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৪. টিকা কার্ড প্রদর্শন সাপেক্ষে টিকা গ্রহণের জন্য যাতায়াত করা যাবে।

১৫. খাবারের দোকান, হোটেল-রেস্তোরাঁ সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খাবার বিক্রয় (অনলাইন/টেকঅ্যাওয়ে) করতে পারবে।

১৬. আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু থাকবে এবং বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেট দেখিয়ে গাড়ি ব্যবহার করে যাতায়াত করতে পারবেন।

১৭. স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসজিদে নামাজের বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় নির্দেশনা দেবে।

১৮. ‘আর্মি ইন এইড টু সিডিল পাওয়ার’ বিধানের আওতায় মাঠ পর্যায়ে কার্যকর টহল নিশ্চিত করার জন্য সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ প্রয়োজনীয় সংখ্যক সেনা মোতায়েন করবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় সেনা কমান্ডারের সাথে যোগাযোগ করে বিষয়টি নিশ্চিত করবেন।

১৯. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট জেলা পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করে সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ, র্যাব ও আনসার নিয়োগ ও টহলের অধিক্ষেত্র, পদ্ধতি ও সময় নির্ধারণ করবেন। সে সঙ্গে স্থানীয়ভাবে বিশেষ কোনো কার্যক্রমের প্রয়োজন হলে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিবেন। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়/বিভাগসমূহ এ বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।

২০. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করবে।

২১. স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক তাঁর পক্ষে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ বাহিনীকে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে প্রয়োজনীয় ক্ষমতা প্রদান করবেন।

এর আগে গত শনিবার সরকারের উচ্চপর্যায়ের এক বৈঠকে ‘সীমিত আকারের লকডাউন’ ও ‘সর্বাত্মক লকডাউনের’ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সেই সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সভাপতিত্ব করেন। সভা শেষে সরকারের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুরথ কুমার সরকার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘২৮ জুন (সোমবার) থেকে সীমিত লকডাউন থাকবে। অনেক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের জুন ক্লোজিং আছে। এজন্য ১ জুলাই (বৃহস্পতিবার) থেকে সারা দেশে টোটাল (সর্বাত্মক) লকডাউন শুরু হবে।’

২৭ জুন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক এক অনুষ্ঠানে বলেন, এবারের লকডাউনে পুলিশ, বিজিবির বাইরে সেনাবাহিনী থাকবে।

Address

Dhaka
1217

Opening Hours

Monday 15:30 - 21:00
Wednesday 15:30 - 21:00
Friday 11:00 - 14:00
17:00 - 21:00
Saturday 11:00 - 14:00
17:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Litigation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Legal Litigation:

Share