Lawgoo

Lawgoo বাংলাদেশের আইন ও অধিকার নিয়ে সহজ, নির্ভরযোগ্য ও প্রয়োজনীয় তথ্য। আইন জানুন, অধিকার বুঝুন ⚖️

বাংলাদেশের আইন ও অধিকার নিয়ে সহজ, নির্ভরযোগ্য ও প্রয়োজনীয় তথ্য। আইন জানুন, অধিকার বুঝুন। ⚖️

06/10/2026

"চাঁদা না দিলে ঘর ভেঙে দেব, মেরে ফেলব!" এই ধরনের হুমকি-ধামকির ঘটনা প্রায়ই শোনা যায় - কিন্তু ফোনকলের এই কথাগুলো আইনের চোখে কতটা গুরুতর?

রফিক সাহেবের ছোট দোকান। অচেনা নম্বর থেকে হুমকি এল। তিনি ভাবছেন, জিডি করবেন, নাকি মামলা?

দণ্ডবিধির ধারা ৩৮৩ থেকে ৩৮৭ আর ৫০৩-৫০৬ অনুযায়ী ঘটনা অনুযায়ী ধারা বদলায়। মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে চাঁদা চাওয়ার চেষ্টাই যাবজ্জীবন বা ন্যূনতম ৭ বছর কারাদণ্ডের বিধানে পড়তে পারে। ফোনে হুমকি হলে টেলিযোগাযোগ আইনও আসে।

কোন ধারায় কত শাস্তি আর হুমকি পেলে প্রথমে কী করবেন, দেখে নিন। 👇

ব্যবসায়ী বা দোকানদার কেউ চেনেন? পাঠিয়ে দিন। আপনার এলাকায় কি এমন হুমকির কথা শুনেছেন? কমেন্টে বলুন।

(সাধারণ আইনি তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।)

"চাঁদা না দিলে ঘর ভেঙে দেব, মেরে ফেলব!" এক ফোনকলের এই কথাগুলো আইনের চোখে কতটা গুরুতর?রফিক সাহেবের ছোট একটা দোকান। একদিন ...
06/10/2026

"চাঁদা না দিলে ঘর ভেঙে দেব, মেরে ফেলব!" এক ফোনকলের এই কথাগুলো আইনের চোখে কতটা গুরুতর?

রফিক সাহেবের ছোট একটা দোকান। একদিন অচেনা নম্বর থেকে ফোন: "মাসে ২০ হাজার দিবি। না দিলে দোকান ভেঙে দেব, তোকেও মেরে ফেলব।" রফিক সাহেব ভাবলেন, থানায় জিডি করবেন, নাকি মামলা? আর এই হুমকির জন্য ওই লোকের কী শাস্তি হতে পারে?

আইন এখানে অনেক বেশি স্পষ্ট। ঘটনা কেমন, তার ওপর ধারা বদলায়।

দণ্ডবিধি, ১৮৬০ অনুযায়ী

ধারা ৩৮৩-৩৮৪: ক্ষতির ভয় দেখিয়ে চাঁদা (donation বা subscription সহ), সম্পত্তি বা মূল্যবান কিছু দিতে বাধ্য করলে সেটা extortion। শাস্তি সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড, বা জরিমানা, বা উভয়।

ধারা ৩৮৫: চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে কাউকে ক্ষতির ভয় দেখালে, বা ভয় দেখানোর চেষ্টা করলেই অপরাধ। শাস্তি সর্বোচ্চ ১৪ বছর, আইনে সর্বনিম্ন ৫ বছরের কথাও আছে।

ধারা ৩৮৬: মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে সত্যিই চাঁদা আদায় করে ফেললে সর্বোচ্চ ১০ বছর কারাদণ্ড এবং জরিমানা।

ধারা ৩৮৭: চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখালে, এমনকি চেষ্টা করলেও, শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা সর্বনিম্ন ৭ বছর, সঙ্গে জরিমানা। অর্থাৎ টাকা আদায় হয়ে যাওয়ার অপেক্ষা করতে হয় না।

ধারা ৫০৩ ও ৫০৬ (ফৌজদারি ভীতি প্রদর্শন): জান, সম্মান বা সম্পত্তির ক্ষতির হুমকি দিয়ে ভয় দেখালে সাধারণত সর্বোচ্চ ২ বছর। মৃত্যু, গুরুতর আঘাত বা আগুনে সম্পত্তি ধ্বংসের হুমকি হলে সর্বোচ্চ ৭ বছর।
খেয়াল করুন, "ঘর ভেঙে দেব" আর "আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেব" ধারা ৫০৬-এর বিশেষ অংশে একভাবে লেখা নেই। তবে ঘর ভাঙার হুমকিও ঘটনা অনুযায়ী ফৌজদারি ভীতি প্রদর্শন বা চাঁদাবাজির আওতায় আসতে পারে।

ফোন বা মেসেজে হুমকি হলে?
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১-এর ধারা ৬৯(গ) অনুযায়ী চাঁদা আদায়ের উদ্দেশ্যে টেলিযোগাযোগ মাধ্যমে হুমকিমূলক বা ভীতিকর বার্তা পাঠালে সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড, বা ৫ লাখ টাকা জরিমানা। এই অপরাধ আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য। তবে ফোন বা মেসেজ হলেই শুধু এই ধারা খাটবে, তা নয়। ঘটনা অনুযায়ী দণ্ডবিধির ধারাগুলোও একসঙ্গে প্রযোজ্য হতে পারে।

গ্রেপ্তার কি হবেই?
মামলা করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রেপ্তার হয় না। দণ্ডবিধির ধারা ৩৮৫ ও ৩৮৭ ফৌজদারি কার্যবিধির তফসিলে আমলযোগ্য, অর্থাৎ নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারে। তবে সেটা কার্যবিধির শর্ত পূরণের ওপর নির্ভর করে।

এমন হুমকি পেলে কী করবেন
১. প্রমাণ রাখুন। কল রেকর্ড বা কলের তথ্য, নম্বর, মেসেজ বা চ্যাটের স্ক্রিনশট, অ্যাকাউন্ট বা প্রোফাইলের তথ্য সংরক্ষণ করুন। সামনাসামনি হুমকি হলে তারিখ, সময়, স্থান ও সাক্ষীদের নাম লিখে রাখুন।
২. থানায় লিখিত অভিযোগ বা এজাহার করুন। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৫৪ অনুযায়ী আমলযোগ্য অপরাধের তথ্য থানায় লিখিতভাবে নথিভুক্ত হওয়ার বিধান আছে। জিডি শুধু ঘটনার একটা নথি, মামলা নয়।
৩. পরিস্থিতি জরুরি হলে নিজের নিরাপত্তাকে আগে রাখুন এবং ৯৯৯-এ কল করুন।
৪. একজন আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন, কোন ধারায় অভিযোগ দেবেন তা ঠিক করতে।

মনে রাখবেন, এগুলো সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান। শাস্তি কত হবে, তা আদালত ঘটনার প্রমাণ দেখে ঠিক করেন।

⚠️ এটি সাধারণ আইনি তথ্য, নির্দিষ্ট কোনো ঘটনার আইনি পরামর্শ নয়। আপনার ক্ষেত্রে কী প্রযোজ্য, তা জানতে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।

আপনার এলাকায় কি এমন হুমকির কথা শুনেছেন? কমেন্টে জানান। দোকানদার বা ব্যবসায়ী কারও কাজে লাগবে মনে হলে শেয়ার করুন।

সূত্র: দণ্ডবিধি, ১৮৬০, ধারা ৩৮৩, ৩৮৪, ৩৮৫, ৩৮৬, ৩৮৭, ৫০৩, ৫০৬; বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ আইন, ২০০১, ধারা ৬৯(গ), ৭৭(১); ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮, ধারা ৫৪, ১৫৪

05/10/2026

যতক্ষণ পর্যন্ত আইনজীবীরা আইনের মারপ্যাঁচের জায়গাটাকে সঠিক ভাবে ইন্টারপ্রিট করে শক্তিশালীভাবে মেরুদন্ড সোজা করে দাড়াতে না পারবে ততক্ষন এই গাউন এই কোটের যথাযথ মর্যাদা তারা পাবে না : শিশির মনির (আইনজীবী)

05/10/2026

কাবিনের ১৮ নম্বর ঘর ফাঁকা, তাহলে কি স্ত্রীর মুক্তির পথ বন্ধ? 🤔

সুমাইয়াকে সবাই বলল, "ঘর ফাঁকা, তুমি তো তালাক দিতেই পারবে না।" কথাটা অর্ধেক সত্য।

ফাঁকা থাকলে স্ত্রী একতরফা তালাক দিতে পারেন না। কিন্তু খুলা আছে, আর আদালতের পথও খোলা, যেখানে স্বামীর সম্মতি লাগে না। কোন কোন কারণে আদালত বিয়ে ভাঙতে পারে, রিলে দেখুন। 👇

বিয়ের কথা চলছে এমন কাউকে পাঠিয়ে দিন। আপনি কি এটা জানতেন? কমেন্টে বলুন।

(সাধারণ আইনি তথ্য, আইনি পরামর্শ নয়। আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন।)

#কাবিননামা #বিবাহবিচ্ছেদ #নারীরঅধিকার #পারিবারিকআইন #খুলা #আইনজানুন

কাবিননামায় ১৮ নম্বর ঘর ফাঁকা? তাহলে কি স্ত্রীর মুক্তির পথ বন্ধ?সুমাইয়ার বিয়ের পাঁচ বছর হয়েছে। স্বামী দুই বছর ধরে খরচ ...
05/10/2026

কাবিননামায় ১৮ নম্বর ঘর ফাঁকা? তাহলে কি স্ত্রীর মুক্তির পথ বন্ধ?

সুমাইয়ার বিয়ের পাঁচ বছর হয়েছে। স্বামী দুই বছর ধরে খরচ দেয় না, কথায় কথায় কষ্ট দেয়। সুমাইয়া আর পারছে না। কেউ একজন তার কাবিননামা দেখে বলল, "কাবিনের ১৮ নম্বর ঘরটা তো ফাঁকা, তুমি তো তালাক দিতেই পারবে না।"

কথাটা অর্ধেক সত্য। আর বাকি অর্ধেক না জানলে অনেকেই ভুল জায়গায় থেমে যান।

১৮ নম্বর ঘরে আসলে কী লেখা থাকে?

কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে জানতে চাওয়া হয়, স্বামী স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা অর্পণ করেছেন কি না, করলে কী শর্তে। এই ক্ষমতাকে বলে তালাক-ই-তাফউইজ। ঘরটা ফাঁকা থাকলে স্ত্রী নিজে থেকে একতরফা তালাক দিতে পারেন না।

কিন্তু শুধু এটুকুই বন্ধ হয়। বিবাহ বিচ্ছেদের অধিকার বন্ধ হয় না।

তাহলে স্ত্রীর হাতে কী কী পথ খোলা?

১. খুলা: স্ত্রী বিচ্ছেদ চাইলে এবং স্বামী সম্মত হলে। বাস্তবে এটা অনেকটা আপসে বিচ্ছেদ।

২. আদালতের মাধ্যমে বিচ্ছেদ: এখানে স্বামীর সম্মতি লাগে না। মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯-এর ধারা ২ অনুযায়ী পারিবারিক আদালতে মামলা করা যায়। পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩-এর ধারা ৫ অনুযায়ী বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা পারিবারিক আদালতের এখতিয়ারে। স্ত্রী যেখানে সাধারণত বসবাস করেন, সেখানকার আদালতেও মামলা করা যায়।

আদালত বিয়ে ভাঙতে পারে যেসব কারণ প্রমাণ হলে (ধারা ২):

স্বামীর খোঁজ ৪ বছর ধরে পাওয়া না গেলে
স্বামী ২ বছর ধরে ভরণপোষণ না দিলে
স্বামীর ৭ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড হলে
স্বামী যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া ৩ বছর দাম্পত্য দায়িত্ব পালন না করলে
বিয়ের সময় থেকে স্বামী পুরুষত্বহীন থাকলে
স্বামী ২ বছর ধরে মানসিক ভারসাম্যহীন থাকলে (আইনে আরও কিছু নির্দিষ্ট রোগের কথা আছে)
স্বামী নিষ্ঠুর আচরণ (cruelty) করলে
মুসলিম আইনে বৈধ অন্য কোনো কারণ থাকলে

দুটো ভুল ধারণা ভাঙি

❌ "ক্ষমতা নেই, তাই স্ত্রী তালাক চাইতেই পারবে না"
✅ একতরফা তালাক দিতে পারবেন না, কিন্তু বিচ্ছেদ পাওয়ার অধিকার আছে।

❌ "স্বামীর অনুমতি ছাড়া কিছুই করা যাবে না"
✅ আদালতের মাধ্যমে বিচ্ছেদ স্বামীর সম্মতির ওপর নির্ভর করে না।

সুমাইয়ার মতো অবস্থায় কী করবেন

কাবিননামা, বিয়ের তথ্য ও ভরণপোষণ না পাওয়ার প্রমাণ গুছিয়ে রাখুন
কত দিন ধরে কী ঘটছে, তারিখসহ লিখে রাখুন
একজন পারিবারিক আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন, কোন কারণটা আপনার ক্ষেত্রে খাটে তা তিনি বলবেন
আর বিয়ের আগে থাকলে কাবিননামা পড়ে সই করুন, বিশেষ করে ১৮ নম্বর কলামটা দেখে নিন

⚠️ এটি সাধারণ আইনি তথ্য, নির্দিষ্ট কোনো মামলার আইনি পরামর্শ নয়। আপনার ক্ষেত্রে কী প্রযোজ্য, তা জানতে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন। এখানে আলোচিত বিষয় মুসলিম বিবাহের আইন।

আপনি কি জানতেন কাবিনের ১৮ নম্বর ঘর ফাঁকা থাকলেও আদালতের পথ খোলা থাকে? কমেন্টে জানান। বিয়ের কথা চলছে এমন কাউকে পাঠিয়ে দিন।

সূত্র: মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯, ধারা ২; পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ (২০২৩ সনের ২৬ নং আইন), ধারা ৫; কাবিননামার ১৮ নং কলাম

04/10/2026

সিন্ডিকেট করে এমন পর্যায়ে নিয়ে গেছে তারা যে বাংলাদেশের মানুষের মালয়েশিয়াতে যাওয়াটাই বন্ধ হয়ে গেছে - রুহুল কুদ্দুস কাজল (অ্যাটর্নি জেনারেল )

04/10/2026

আপনার বিয়ের কথা পাকা। সবাই বলছে ছেলের এটা প্রথম বিয়ে। কিন্তু আপনার মায়ের মনে খটকা, আগে কিছু হয়ে থাকলে? 🤔
তবে এসব চিন্তার দিন শেষ হতে যাচ্ছে! এবার বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ডিজিটাল হচ্ছে। NID আর জন্মনিবন্ধনের সঙ্গে মিলিয়ে আগের বিয়ে-তালাকের নিবন্ধিত তথ্য যাচাই করা যাবে।

তবে সারা দেশে এখনো চালু হয়নি। আপাতত পাইলট, ১০ জেলার ১০২ ইউনিয়নে।

বিয়ের কথা চলছে এমন কাউকে পাঠিয়ে দিন। আপনার এলাকায় চালু হলে কি ভরসা পাবেন? কমেন্টে বলুন।

#বিবাহনিবন্ধন #ডিজিটালবাংলাদেশ #বহুবিবাহ #পারিবারিকআইন #আইনজানুন #নাগরিকঅধিকার

বিয়ের আগে পাত্রের আগের বিয়ের খবর কি এবার অনলাইনেই মিলবে?নাজমার বিয়ের কথা প্রায় পাকা। ছেলে ভালো চাকরি করে, পরিবারও ভদ...
04/10/2026

বিয়ের আগে পাত্রের আগের বিয়ের খবর কি এবার অনলাইনেই মিলবে?

নাজমার বিয়ের কথা প্রায় পাকা। ছেলে ভালো চাকরি করে, পরিবারও ভদ্র। সবাই বলছে এটা ওর প্রথম বিয়ে। তবু নাজমার মায়ের মনে একটা খটকা, "আগে কিছু হয়ে থাকলে?" কাকে জিজ্ঞেস করবেন? মুখের কথার বাইরে যাচাইয়ের কোনো পথ তো নেই।

এই জায়গাতেই বদল আনতে চাইছে সরকার। বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন এবার ডিজিটাল হচ্ছে, আর সেটা জোড়া লাগছে NID ও জন্মনিবন্ধনের ডাটাবেজের সঙ্গে।

প্রক্রিয়াটা কেমন হবে

১. বিয়ে নিবন্ধনের সময় NID বা জন্মনিবন্ধনের তথ্য দিয়ে পরিচয় ও বয়স যাচাই হবে।

২. ডিজিটাল ডাটাবেজে ওই ব্যক্তির বিয়ে ও তালাকের নিবন্ধিত তথ্য মিলিয়ে দেখা যাবে।

৩. আগে কোনো বিয়ে নিবন্ধিত থাকলে এবং তার তালাক নিবন্ধিত না থাকলে, সেই তথ্য ধরা পড়বে।

৪. যাচাই শেষ হলে তবেই নতুন বিয়ের নিবন্ধন এগোবে।

৫. নতুন বিয়ে ও তালাকের তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকবে এবং ডিজিটাল সনদ পাওয়া যাবে।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামানের কথায়, NID ও জন্মনিবন্ধন ডাটাবেজের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকায় একজনের তথ্য এক ক্লিকেই যাচাই করা যাবে। লক্ষ্য জাল কাগজপত্র, বাল্যবিবাহ আর গোপন বহুবিবাহ ঠেকানো। পর্যায়ক্রমে এই তথ্য পাসপোর্টের সার্ভারের সঙ্গেও যুক্ত হওয়ার কথা বলা হয়েছে।

কিন্তু এখনই কি সারা দেশে চালু?

না। এখন এটা পাইলট পর্যায়ে, ১০টি জেলার ১০টি উপজেলার ১০২টি ইউনিয়নে। পাইলটের চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত। নিকাহ রেজিস্ট্রারদের প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে, পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই ব্যবস্থায় আনার পরিকল্পনা আছে। আপনার এলাকা পাইলটে না থাকলে আপাতত পুরনো পদ্ধতিই চলবে। কে কতটা তথ্য দেখতে পারবেন, সেই নিয়মের বিস্তারিতও এখনো স্পষ্ট নয়।

আইন আগে থেকেই কী বলে

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬ অনুযায়ী, প্রথম স্ত্রী থাকা অবস্থায় আরেকটি বিয়ে করতে আর্বিট্রেশন কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি লাগে। অনুমতি ছাড়া বিয়ে করলে সঙ্গে সঙ্গে আগের স্ত্রীর পুরো দেনমোহর পরিশোধ করতে হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ ১ বছর কারাদণ্ড বা ১০ হাজার টাকা জরিমানা, বা দুটোই হতে পারে। ডিজিটাল ব্যবস্থা এই নিয়ম মানাটা সহজ করবে, আইনটা নতুন নয়।

ব্যবস্থা পুরোপুরি চালু হওয়ার আগে বিয়ের আগে যা করবেন

মুখের কথায় ভরসা না করে কাগজ দেখতে চান, আগের বিয়ে থাকলে তালাকের কাগজও।
NID ও কাবিননামার তথ্য মিলিয়ে নিন।
সন্দেহ থাকলে বিয়ের আগেই আইনজীবীর পরামর্শ নিন।

⚠️ এটি সাধারণ আইনি তথ্য, আপনার নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের আইনি পরামর্শ নয়। আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলুন। এখানে আলোচিত বহুবিবাহের আইনি অংশ মুসলিম পারিবারিক আইনের, অন্য ধর্মের ক্ষেত্রে ভিন্ন আইন প্রযোজ্য।

আপনার এলাকায় এই ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু হলে কি আপনি ভরসা পাবেন? কমেন্টে জানান। বিয়ের কথা চলছে এমন কাউকে পোস্টটা পাঠিয়ে দিতে পারেন।

সূত্র: আইনমন্ত্রীর বক্তব্য ও পাইলট প্রকল্প সম্পর্কিত সংবাদ প্রতিবেদন (বাংলা ট্রিবিউন, ঢাকা ট্রিবিউন বাংলা, রাইজিংবিডি, শিক্ষা সংবাদ); মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১, ধারা ৬(১), ৬(৫)

04/10/2026
03/10/2026

পূর্ববর্তী স্ত্রীর অনুমতি বাদে আপনি বিয়ে আর রেজিস্ট্রি করতে পারবেন না : মোঃ আসাদুজ্জামান (আইনমন্ত্রী)

Address

House 12, Road 5, Gulshan-1, Dhaka 1212
Dhaka
1000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lawgoo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share