BD LAW Suggest

BD LAW Suggest Md. Mizanur Rahman (kayes)
I am an Advocate of Bangladesh Supreme Court.
01836-796699.
(5)

হাইকোর্ট এর নতুন বেঞ্চ
26/09/2026

হাইকোর্ট এর নতুন বেঞ্চ

সম্মানিত সুধী আসসালামু আলাইকুম আজকে আমরা জানব বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বিচারপতি জনাব ফরিদ আহমদ এর ...
26/09/2026

সম্মানিত সুধী আসসালামু আলাইকুম আজকে আমরা জানব বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগের মাননীয় বিচারপতি জনাব ফরিদ আহমদ এর জীবনী কর্ম এবং তার বিখ্যাত রায় নিয়ে। ফরিদ আহমেদ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক ছিলেন।

আহমেদ ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক এবং আইন বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন।
আহমেদ ১৭ অক্টোবর ১৯৮৫ সালে জেলা আদালতে আইনজীবী হিসেবে যোগদান করেন।
১৯৮৮ সালের ৬ অক্টোবর, আহমেদ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের একজন আইনজীবী হন।
৮ নভেম্বর ২০০৬ সালে, আহমেদকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী করা হয়।
আহমেদ বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি নিযুক্ত হন ৪ নভেম্বর ২০১০।

আহমেদ ও বিচারপতি এম শওকত হোসেন যমুনা গ্রুপের চেয়ারপারসন নুরুল ইসলাম বাবুল ও তার স্ত্রী সালমা ইসলামের বিরুদ্ধে ২০০৬-২০০৮ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মেয়াদে দায়ের করা দুর্নীতির মামলার কার্যক্রম বন্ধ করে দেন।

​জাস্টিস ফরিদ আহমদ সাংবিধানিক বিষয়, নির্বাচনী বিষয়, দেওয়ানি এবং ফৌজদারি বিষয়ে অনেক রায় প্রদান করেছেন যা পরবর্তীতে অনুসরণের জন্য নজির হিসেবে কাজ করে। তাঁর বিচারিক রায়গুলোর মাধ্যমেই তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। আজকে আমরা বিচারপতি ফরিদ আহমদ এর “Validity of Advocates Certificate” এর উপর বিখ্যাত একটি রায় নিয়ে আলোচনা করব যেই রায়টি রেফারেন্স ভুক্ত হয়েছে:- 76DLR(HCD)1

High Court Division
(Criminal Miscellaneous Jurisdiction)
Mr. Justice Farid Ahmed
Mr. Justice Md. Atoar Rahman
Criminal Miscellaneous Case No 35976 of 2021.
Rowshan Sheikh and another ---------- Accused-Petitioners
-vs-
State and another ---------- Opposite Parties
Judgement Date : June 01, 2023
SM Shafiqul Islam Babul with Muhammad Robiul Islam Rana Advocates—For the Petitioners
Kamrul Alom Kamal, Advocate—For Opposite Party No. 2. Abdul Wahab, DAG with Prince-Al Masud with Sabiha Yasmin with Md Ashikuzzaman Bablu, AAGs—For Opposite Party No. 1 State.

JUDGMENT

Farid Ahmed, J: This Rule was issued on an application under section 561A of the Code of Criminal Procedure.

2. Facts of the case in short is that petitioners Rowshan Sheikh and Babu Sheikh as petitioners filed this application against the order dated 17-2-2021 passed by the learned Sessions Judge, Narail in Criminal Revision No.23 of 2020 arising out of Lohagora Police Station Case No.25 dated 17-2-2018 under sections 302/34 of the Penal Code corresponding to GR No.70 of 2018 (L).

3. Learned Senior Counsel Mr SM Shafiqul Islam Babul along with learned Advocate Mr Muhammad Robiul Islam Rana appearing on behalf of the accused-petitioners submits that these accused persons named in the FIR in serial Nos. 8 and 7 of the above noted case.

4. Police after investigation submitted charge-sheet by non-sent up these two petitioners and prayed to discharge them from the murder charge. Against that the informant filed naraji petition. Thereafter inquiry was held but result was same. There was no accusation against the present accused-petitioners. Ultimately it was turned to file criminal revision before the Sessions Judge, Narail being Criminal Revision No.23 of 2020. Learned Sessions Judge considered the whole case pros and cons and observed that the matter may be further investigated by the Police Bureau of Investigation and thereby allowed the revision and set-aside the order dated 4-3-2020. Upon delivering the judgment by the revisional court an an application under section 439A. In the garb of filing application under section 561A actually it is the 2nd revision, it is not maintainable. In this case same circumstance appeared. Above all of the observation it is apparent from the record that the accused petitioners are not accused on record after submission of charge-sheet except them, in the Lohagora PS Case No.25 dated 17-2-2018. It is very astonished since they are not accused how and why they have filed an application under section 561A of the Code of Criminal Procedure. On this single count the application filed under section 561A of the Code of Criminal Procedure is not maintainable.

মামলার পটভূমি:
Criminal Miscellaneous Case No. 35976 of 2021 — আসামি-আবেদনকারী রওশন শেখ ও অপর একজন নড়াইলের দায়রা জজ কর্তৃক প্রদত্ত ১৭-২-২০২১ তারিখের আদেশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৬১(ক) ধারায় আবেদন করেন। মূল মামলাটি ছিল লোহাগড়া থানার মামলা নং ২৫, তারিখ ১৭-২-২০১৮, দণ্ডবিধির ৩০২/৩৪ ধারায় (খুন) দায়েরকৃত।

মূল বিষয়বস্তু:
পুলিশ তদন্ত শেষে এই দুই আবেদনকারীকে অভিযোগপত্র থেকে বাদ দেয় (discharge)। এর বিরুদ্ধে বাদী নারাজি দরখাস্ত করলে পুনঃতদন্তেও একই ফল আসে। পরবর্তীতে বাদী দায়রা জজের কাছে ফৌজদারি রিভিশন (নং ২৩/২০২০) দাখিল করেন, যেখানে দায়রা জজ মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) দ্বারা পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিয়ে পূর্বের আদেশ বাতিল করেন। এই রিভিশনের আদেশের বিরুদ্ধেই বর্তমান ৫৬১(ক) ধারার আবেদন দাখিল করা হয়।

হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত:
আদালত পর্যবেক্ষণ করেন যে, যেহেতু আবেদনকারীরা অভিযোগপত্র দাখিলের পর মামলায় অভিযুক্ত হিসেবে অন্তর্ভুক্ত নন, তাই তাদের পক্ষে ৫৬১(ক) ধারায় আবেদন দাখিল করার কোনো এখতিয়ার নেই। এছাড়া এটি কার্যত দ্বিতীয় রিভিশন হওয়ায় তা রক্ষণীয় নয়। এই একক কারণেই আদালত রুলটি খারিজ করে দেন (discharged as not maintainable)।

দ্বিতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ — অ্যাডভোকেট সার্টিফিকেট সংক্রান্ত অপব্যবহার:
মামলা নিষ্পত্তির পরও আদালত একটি ভিন্ন ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন —

1. ঘটনা: আবেদনকারীদের আইনজীবী প্রথমে ২১-৬-২০২১ তারিখে আবেদন দাখিল করে রুল ও স্থগিতাদেশ পান এবং সে অনুযায়ী সার্টিফিকেট ইস্যু করেন। পরে মূল নথি তিন মাস হারিয়ে যাওয়ায় লিখিত আদেশ জারি হয়নি। নথি পুনরুদ্ধারের পর একই আবেদন পুনরায় দাখিল করে শুধু রুল (স্থগিতাদেশ ছাড়া) পাওয়া যায়, কিন্তু নিম্ন আদালতকে জানানো হয়নি যে পূর্বের স্থগিতাদেশ আর কার্যকর নেই। ফলে নিম্ন আদালত ভুলবশত দীর্ঘদিন কার্যক্রম স্থগিত রাখে।

2. জবাবদিহি: জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আদালতে ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং ভবিষ্যতে এমন পুনরাবৃত্তি না হওয়ার আশ্বাস দেন। আদালত তাকে সতর্ক করে ভবিষ্যতে একই কাজ করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন।

3. উদাহরণ: আদালত আরও চারটি মামলার (Cri. Misc. Case Nos. 31817-31820 of 2017) দৃষ্টান্ত তুলে ধরেন, যেখানে একই আইনজীবী বারবার সার্টিফিকেট ইস্যু করে নিম্ন আদালতে বিচারকাজ বছরের পর বছর স্থগিত রাখেন, অথচ প্রকৃতপক্ষে হাইকোর্টে কোনো কার্যকর স্থগিতাদেশ ছিল না।

আইনগত নীতিমালা ও নির্দেশনা:
আপিল বিভাগের ৪৪ DLR (AD) ২১৯ মামলার সিদ্ধান্ত উদ্ধৃত করে বলা হয় যে নিম্ন আদালতের সার্টিফিকেটের সত্যতা বিশ্বাস করা উচিত, তবে এর অপব্যবহার রোধ করতে হবে।
আদালত পর্যবেক্ষণ করেন যে কিছু আইনজীবী নির্দিষ্ট আদেশ ছাড়াই সার্টিফিকেট ইস্যু করে একটি "সমান্তরাল ছায়া হাইকোর্ট" (shadow high court) তৈরি করছেন, যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১১ ও ৩৫(৩) লঙ্ঘন করে।

চূড়ান্ত নির্দেশনা:
কোনো অ্যাডভোকেট সার্টিফিকেট নির্দিষ্ট স্থগিতাদেশ ছাড়া গ্রহণযোগ্য হবে না।
সার্টিফিকেট ইস্যুর ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট আদেশের সার্টিফাইড কপি নিম্ন আদালতে জমা দিতে হবে, অন্যথায় সার্টিফিকেটের কার্যকারিতা শেষ হয়ে যাবে।

আদেশ স্বাক্ষরের আগে কোনো আইনজীবী সার্টিফিকেট ইস্যু করতে পারবেন না।
সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রারকে নির্দেশ দেওয়া হয় যেন অবিলম্বে সকল অধস্তন আদালতে একটি সার্কুলার জারি করা হয়, যাতে নির্দিষ্ট স্থগিতাদেশ ছাড়া কোনো অ্যাডভোকেট সার্টিফিকেট গ্রহণ না করার নির্দেশনা থাকে।

মুল সারমর্ম: মূল আবেদনটি রক্ষণীয় না হওয়ায় খারিজ হলেও, রায়ের মূল গুরুত্ব হলো নিম্ন আদালতে অ্যাডভোকেট সার্টিফিকেটের অপব্যবহার রোধে হাইকোর্ট বিভাগের সুস্পষ্ট নির্দেশনা ও সতর্কবার্তা, যা বিচারবিভাগীয় বিলম্ব ও মামলাজট কমাতে সহায়ক হবে বলে আদালত আশা প্রকাশ করেন।

Md.Mizanur Rahman (Kayes)
Advocate Bangladesh Supreme Court
01836-796699

​
​ #বিচারপতিফরিদআহমদ
​
​
​ ​

26/09/2026

ইভটিজিং বা শ্লীলতাহানি কি? ​ #ইভটিজিং_বন্ধ_করুন #নারী_সুরক্ষা

প্রজ্ঞাপনরাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, ...
26/09/2026

প্রজ্ঞাপন
রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক বিচারপতি জনাব দেবাশীষ রায় চৌধুরী-কে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারক নিয়োগদান করেছেন।​

26/09/2026
নিখোঁজ স্বামীর বিষয়ে বিধান ​ ​  ​ #নিখোঁজ_স্বামী​
25/09/2026

নিখোঁজ স্বামীর বিষয়ে বিধান ​
​ ​ #নিখোঁজ_স্বামী
​

সম্মানিত সুধী আসসালামু আলাইকুম আজকে আমরা জানব বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনে...
25/09/2026

সম্মানিত সুধী আসসালামু আলাইকুম আজকে আমরা জানব বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের প্রাক্তন সভাপতি এবং সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল জামিল মোহাম্মদ আলী, যিনি এজে মোহাম্মদ আলী ( AJ MOHAMMAD ALI) নামে বিশেষভাবে পরিচিত, এর জীবনী কর্ম এবং বিখ্যাত রায় নিয়ে।

আবদুল জামিল মোহাম্মদ আলী ১৯৫১ সালের ১৫ ডিসেম্বর তৎকালীন বৃহত্তর রাজশাহী জেলার মহকুমা শহর (বর্তমানে জেলা) নওগাঁয় তাঁর মাতামহের বাসস্থান তারাফদারপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন, যা বিখ্যাত তারাফদার পরিবারের নামে নামকরণ করা হয়েছিল। তাঁর বাবা ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী। তিনি ঢাকার উইল্স লিট্ল ফ্লাওয়ার স্কুলে লেখাপড়া করেন। সপ্তম শ্রেণী থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত তিনি চট্টগ্রামের ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজে পড়াশোনা করেন। কুমিল্লা বোর্ডের অধীনে ১৯৬৮ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে প্রথম বিভাগে মাধ্যমিক (এসএসসি) পাস করেন। এরপর ১৯৭০ সালে বিজ্ঞান বিভাগ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় মেধা তালিকায় ২০ তম স্থান অধিকার করে স্টার মার্কসহ দুটি লেটার পান। এই ফলাফলের জন্য পরবর্তীতে তিনি মেধা বৃত্তি লাভ করেন। তিনি ১৯৭৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে দ্বিতীয় শ্রেণীতে স্নাতক (সম্মান - বিএসএস) এবং ১৯৭৪ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর (এমএসএস) ডিগ্রি অর্জন করেন। স্নাতকোত্তর কোর্সের পাশাপাশি তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ধানমন্ডি ল কলেজে আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেন এবং ১৯৭৬ সালে দ্বিতীয় শ্রেণীতে এলএলবি ডিগ্রি লাভ করেন।

তিনি এমএইচ খন্দকারের অধীনে শিক্ষানবিশ হিসেবে তাঁর আইন পেশা শুরু করেন এবং ১৯৭৮ সালে প্র্যাকটিসের জন্য সনদ লাভ করেন। পরবর্তীতে তিনি দু'বছর প্র্যাকটিস করেন ​ঢাকা জেলা আদালত, ২-২-১৯৮০ তারিখে হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন এবং তারপর থেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে নিয়মিত প্র্যাকটিস করে আসছিলেন; ১০-৩-১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন এবং জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত সেখানে আইন পেশায় নিয়োজিত ছিলেন।

​এজে মোহাম্মদ আলী (AJ MOHAMMAD ALI) সাংবিধানিক বিষয়, নির্বাচনী বিষয়, দেওয়ানি, ফৌজদারি, ভ্যাট,কাস্টমস এবং প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল সংক্রান্ত বিষয় এ অসংখ্য মামলা পরিচালনা করেছেন যা পরবর্তীতে অনুসরণের জন্য নজির হিসেবে কাজ করে। তাঁর পরিচালিত রায়গুলোর মাধ্যমেই তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। আজকে আমরা ​এজে মোহাম্মদ আলীর বিখ্যাত একটি রায় নিয়ে আলোচনা করব যেই রায়টি রেফারেন্স ভুক্ত হয়েছে :- BLC 30(AD)202

Appellate Division
Civil
Mr. Justice Hasan Foez Siddique, Chief Justice
Mr. Justice Md. Nuruzzaman
Mr. Justice M. Enayetur Rahim
Mr. Justice Md. Ashfaqul Islam
Mr. Justice Md. Abu Zafor Siddique
Mr. Justice Jahangir Hossain
Civil Petition for Leave to Appeal No. 2014 of 2019. CP No. 2013 of 2019.
Jamila Nahar ------- Petitioner (In CP No. 2014/19)
Fawzia Shahed and others ----- Petitioners (In CP No. 2015/19)
-Vs-
Md Atiqur Rahman and others --------- Respondents (In both the cases)
Judgement Date : February 09, 2023
Khair Ezaz Maswood, Senior Advocate (with AM Mahbubuddin, Senior Advocate) instructed by Taufique Hossain, Advocate-on-Record—For Petitioners (In both the cases) AJ Mohammad Ali Senior Advocate with Norul Amin Senior Advocate, Probir Neogi, Senior Advocate and Mehedi Hassan Chowdhury, Senior Advocate instructed by Zainul Abedin, Advocate-on-Record and Nahid Sultana, Advocate-on-Record—For Respondent Nos.1-5 (In both the cases) None represented —For respondent Nos. 6-11(In CP 2014/19) None represented —For respondent Nos. 6-13 (In CP 2015 of 2019)

JUDGMENT
Mr Hasan Foez Siddique CJ: Civil Petition for Leave to Appeal Nos. 2014 of 2019 and 2015 of 2019 have been heard analogously and they are being disposed of by this common judgment.

2. On 11-8-1986, Neamat Ali Sheikh, predecessor-in-interest of the petitioners of Civil Petition for Leave to Appeal No. 2015 of 2019, instituted Title Suit NO. 210 of 1986 (which was renumbered as Title Suit No.95 of 2015) for specific performance of contract, stating, inter alia, that Habibur Rahman, predecessor-in-interest of the respondents, admitted owner of the suit land, received a sum of Taka 3,30,000 (three lac thirty thousand) from Shah Newaz, second son of Neamat Ali for the purpose of his treatment in London. Thereafter, Neamat Ali paid a sum of Taka 2,00,000 to him. On 12-10-1978, defendant Habibur Rahman executed a "bainanama" in favour of the plaintiff fixing consideration of a sum of Taka 7,00,000 of the suit land measuring an area of one bigha of holding No. I, Road No. 135 (old), House No. SE (B)-1 of Gulshan Model Town. That is, defendant No. 1 Habibur Rahman had received a sum of Taka 5,30,000 (five lac thirty thousand) as consideration of the suit land out of the fixed Consideration. The plaintiff, on 12-3-1985, issued a legal notice to the defendants No. 1-6 for getting the sale deed executed and registered but they did not respond. Hence, was the suit.

মূল ঘটনা
১৯৮৬ সালের ১১ আগস্ট নিয়ামত আলী শেখ (মামলাকারীদের পূর্বসূরি) গুলশান মডেল টাউনে অবস্থিত এক বিঘা জমির জন্য "চুক্তি বলবৎকরণ" (specific performance of contract) মামলা দায়ের করেন জমির মালিক হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে।

দাবি ছিল:- হাবিবুর রহমান লন্ডনে চিকিৎসার জন্য নিয়ামত আলীর দ্বিতীয় ছেলে শাহ নেওয়াজের কাছ থেকে ৩ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা গ্রহণ করেন পরে ঢাকায় ফিরে আরও ২ লক্ষ টাকা গ্রহণ করেন।
মোট ৫ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা অগ্রিম হিসেবে নিয়ে ১২ অক্টোবর ১৯৭৮ তারিখে ৭ লক্ষ টাকা মূল্যে জমি বিক্রির "বায়নানামা" সম্পাদন করে।
১৯৮৫ সালে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো সত্ত্বেও দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়নি।

অন্যদিকে হাবিবুর রহমান (পরে তার উত্তরাধিকারীরা) পাল্টা মামলা করেন নিয়ামত আলীকে ভাড়াটিয়া হিসেবে উচ্ছেদের জন্য।
আদালতের ধারাবাহিক সিদ্ধান্ত
বিচারিক আদালত উভয় মামলা একসাথে শুনে: চুক্তি বলবৎকরণের মামলা খারিজ করে এবং উচ্ছেদের মামলার পক্ষে ডিক্রি দেয়।

হাইকোর্ট বিভাগেও আপিল খারিজ হয়ে যায়, যার ফলে আপিল বিভাগে লিভ পিটিশন দাখিল করা হয়।

আদালতের পর্যবেক্ষণ ও কারণ:-
আপিল বিভাগ নিম্নলিখিত কারণে পিটিশন খারিজ করে:
১. পরস্পরবিরোধী বক্তব্য: এজাহারে বলা হয়েছিল টাকা লন্ডনে দেওয়া হয়েছে, কিন্তু জেরায় সাক্ষী (নিয়ামত আলী নিজে) স্বীকার করেন যে টাকা লন্ডনের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছিল, প্রকৃত অর্থে হাবিবুর রহমান লন্ডনে গিয়েছিলেন কিনা তাও তিনি নিশ্চিত করে বলতে পারেননি। ডলার বা পাউন্ড স্টার্লিং পেমেন্ট সংক্রান্ত কোনো কাগজপত্রও ছিল না।

২. মূল সাক্ষীর অনুপস্থিতি: যিনি প্রকৃতপক্ষে টাকা দিয়েছেন বলে দাবি করা হয়, সেই শাহ নেওয়াজকে সাক্ষী হিসেবে হাজির করা হয়নি।

৩. কার্যকারণের অসঙ্গতি: মামলার কারণ (cause of action) একাধিক তারিখে (১২-১০-১৯৭৮, ১২-১০-১৯৮২, ৫-৮-১৯৮৩, ৪-২-১৯৮৪ এবং ২১-১১-১৯৮৪) উল্লেখ থাকায় আদালত এটিকে "সুইং প্রকৃতির" বলে আখ্যায়িত করেন এবং বলেন বাদীর একটি নির্দিষ্ট কার্যকারণে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত ছিল।

৪. প্রস্তুতি ও ইচ্ছার প্রমাণের অভাব: আদালত উল্লেখ করেন, চুক্তি বলবৎকরণের জন্য বাদীকে নির্দিষ্ট তারিখে বাকি মূল্য পরিশোধে প্রস্তুত ও ইচ্ছুক থাকার এবং বিবাদীর অস্বীকৃতির নির্দিষ্ট তারিখ প্রমাণ করতে হয়— যা এই মামলায় করা হয়নি।

৫. আংশিক সম্পাদনের নীতি: আদালত স্মরণ করিয়ে দেন যে সম্পূর্ণ চুক্তি ছাড়া আংশিক সম্পাদন (part performance) হতে পারে না; যা করা হয়েছে তা অবশ্যই চুক্তির শর্তানুযায়ী ও চুক্তির বলে হতে হবে।

৬. স্পেসিফিক পারফরম্যান্সের বিবেচনামূলক প্রকৃতি: আদালত মূলনীতি হিসেবে বলেন, স্পেসিফিক পারফরম্যান্সের প্রতিকার বিচারকের বিবেচনাধীন এবং এটি কেবল আইনসম্মত বলেই দেওয়া হয় না; ন্যায্যতার ভিত্তিতে আদালতকে সন্তুষ্ট হতে হয়।

চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত
নিম্ন আদালত ও হাইকোর্ট বিভাগের অনুসন্ধান — যে "বায়নানামা" প্রতারণামূলক এবং টাকা প্রদানের দাবি অবিশ্বাস্য — তার সাথে আপিল বিভাগ একমত পোষণ করে এবং উভয় পিটিশন খারিজ করে দেয়।

Md.Mizanur Rahman (Kayes)
Advocate Bangladesh Supreme Court
01836-796699

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করলে
25/09/2026

অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার আদেশ অমান্য করলে

24/09/2026

ব্যভিচারের আইন ভাইরাস আইন #ব্যভিচার_আইন

সম্মানিত সুধী আসসালামু আলাইকুম আজকে আমরা জানব বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপীল বিভাগের মাননীয় বিচারপতি  জনাব সিদ্দিকুর রহমান ...
24/09/2026

সম্মানিত সুধী আসসালামু আলাইকুম আজকে আমরা জানব বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আপীল বিভাগের মাননীয় বিচারপতি জনাব সিদ্দিকুর রহমান মিয়া এর জীবনী কর্ম এবং তার কিছু বিখ্যাত রায় নিয়ে। সিদ্দিকুর রহমান মিয়া বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপীল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারক এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের সাবেক সভাপতি। তিনি এবি ব্যাংকের শরীয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান।তিনি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের একজন পরিচালক।

২০০৩ সালের মে মাসে মিয়া এবং বিচারপতি আব্দুর রশিদ সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছিলেন যে কেন বাংলাদেশের জেলার দায়িত্বে নিযুক্ত মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের অবৈধ ঘোষণা করা উচিত নয়।
মিঞা ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্র হত্যা মামলায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজশাহী শাখার আমির আতাউর রহমানের জামিন আবেদন নাকচ করে দেন।
২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিয়া ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। তিনি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারম্যান হিসেবে আহসানুল ইসলাম টিটুর স্থলাভিষিক্ত হন। মিয়া ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৭ পর্যন্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া নিজেকে একজন দক্ষ, সৎ এবং পরিশ্রমী বিচারক হিসেবে প্রমাণ করেছেন। তাঁর সিদ্ধান্ত এবং রায়গুলো আমাদের দেশের বিভিন্ন আইন সাময়িকীতে (Law Journals) প্রকাশিত হয়েছে। রায়গুলো অত্যন্ত চমৎকার এবং আইনের বিভিন্ন বিষয়ের সঠিক ব্যাখ্যা এতে প্রতিফলিত হয়েছে। তিনি অত্যন্ত যত্ন ও সতর্কতার সাথে তাঁর আইনি কাজগুলো সম্পাদন করতেন। তিনি ছিলেন একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব এবং তরুণ ও বয়োজ্যেষ্ঠ সকলের প্রতি তাঁর আচরণ ছিল অত্যন্ত আন্তরিক।. “The judgments are remarkable and reflected true expositions of law on various subjects. He used to perform his legal work in meticulous care and caution. He was a gentleman per excellence and his attitude towards the young and aged was extremely cordial”

​জাস্টিস সিদ্দিকুর রহমান মিয়া সাংবিধানিক বিষয়, নির্বাচনী বিষয়, দেওয়ানি এবং ফৌজদারি বিষয়ে অনেক রায় প্রদান করেছেন যা পরবর্তীতে অনুসরণের জন্য নজির হিসেবে কাজ করে। তাঁর বিচারিক রায়গুলোর মাধ্যমেই তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। আজকে আমরা বিচারপতি সিদ্দিকুর রহমান মিয়া বিখ্যাত একটি রায় নিয়ে আলোচনা করব যেই রায়টি DLR 65(AD)300 পেজে উল্লেখ রয়েছে।

Appellate Division
Civil
Mr. Justice Surendra Kumar Sinha
Mr. Justice Abdul Wahhab Miah
Mr. Justice Syed Mahmud Hossain
Mr. Justice Siddiqur Rahman Miah
Mr. Justice A.H.M. Shamsuddin Chowdhury
Civil Petition for Leave to Appeal No. 23 of 2012.

(From the judgment and order dated 11-8-2011 passed by the High Court Division in Civil Revision No. 4596 of 2007).
Head Mistress, Hazrat Shah Ali Girls' High School, Mirpur, Dhaka -----Petitioner
Vs.
Mohammad Ibrahim and others ----- Respondents

Judgement Date : May 06, 2013
Sufia Khatun, Advocate-on-Record ----- For the Petitioner. Khair Azaz Masud, Advocate instructed by Syed Mahbubur Rahman, Advocate-on-Record ----- For the Respondents.

Judgment
Siddiqur Rahman Miah J: This Petition for Leave to Appeal is against the judgment and order dated 11-8-2011 passed by the High Court Division in Civil Revision No. 4596 of 2007 making the Rule absolute and decreeing the suit with a direction upon the defendant opposite parties to appoint the petitioner afresh with effect from the order of dismissal by setting-aside judgment and decree dated 4-6-2007 passed by learned Joint District Judge, 2nd Court, Dhaka in Title Appeal No. 192 of 2006 dismissing the appeal and affirming the judgment and decree dated 23-11-2005 passed by the learned Assistant Judge, 1st court in Title suit No.313 of 2005 rejecting the plaint.

2. The short facts leading to this petition are that the respondent No.1 as plaintiff filed original suit No. 313 of 2005 praying for a declaration to the effect that the Letter dated 12-6-1999 issued by the defendant No.1 is illegal, improper, unjust and out of jurisdiction and the recommendation Letter dated 26-7-2000 regarding dismissal by the Board is illegal and out of jurisdiction. Hence the plaintiff filed the suit for declaration in the court of Assistant Judge, 1st court, Dhaka.

3. The defendant petitioner filed written statement contending, inter alia, that the suit is not maintainable and the suit is barred by limitation and that the plaintiff petitioner has no cause of action in the plaint and therefore, the plaint is liable to be rejected.

মামলার পক্ষ :- হেড মিস্ট্রেস, হযরত শাহ আলী গার্লস হাই স্কুল, মিরপুর, ঢাকা বনাম মোহাম্মদ ইব্রাহিম ও অন্যান্য
আপিল বিভাগ, সিভিল পিটিশন ফর লিভ টু আপিল নং ২৩/২০১২
রায়ের তারিখ: ৬ মে, ২০১৩

মামলার পটভূমি:
হাইকোর্ট বিভাগের সিভিল রিভিশন নং ৪৫৯৬/২০০৭-এ ১১-৮-২০১১ তারিখে প্রদত্ত রায় ও আদেশের বিরুদ্ধে এই লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়। হাইকোর্ট বিভাগ রুল অ্যাবসলিউট করে বিবাদী পক্ষকে আদেশ দিয়েছিলেন যে, বরখাস্তের আদেশ বাতিল করে বাদীকে পুনরায় নিয়োগ দিতে হবে। এর মাধ্যমে যুগ্ম জেলা জজ, ২য় আদালত, ঢাকা-এর টাইটেল আপিল নং ১৯২/২০০৬-এর রায় ও ডিক্রি (যা সহকারী জজ, ১ম আদালতের টাইটেল স্যুট নং ৩১৩/২০০৫-এর প্লেইন্ট বাতিলের রায় বহাল রেখেছিল) বাতিল হয়ে যায়।

মূল ঘটনাপ্রবাহ:
বাদী (প্রতিপক্ষ নং ১) ১২-৬-১৯৯৯ তারিখের চিঠি (যা তাকে বরখাস্ত করে) এবং ২৬-৭-২০০০ তারিখের বরখাস্ত সংক্রান্ত সুপারিশপত্রকে অবৈধ ও এখতিয়ারবহির্ভূত ঘোষণার জন্য মামলা দায়ের করেন।
- বিবাদী (বর্তমান পিটিশনার) লিখিত জবাবে দাবি করেন যে, মামলাটি চলনযোগ্য নয়, তামাদি দ্বারা বারিত এবং বাদীর কোনো মামলা করার অধিকার (cause of action) নেই।

- বিবাদী দেওয়ানি কার্যবিধির অর্ডার ৭, রুল ১১ অনুযায়ী প্লেইন্ট বাতিলের আবেদন করেন এই যুক্তিতে যে, বাদী অস্থায়ী ভিত্তিতে সহকারী শিক্ষক নিযুক্ত হয়েছিলেন এবং তিনি একটি আর্মি স্কুলের নামে ভুয়া সার্টিফিকেট জমা দিয়েছিলেন। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট এবং নিয়োগপত্রের শর্ত ৬ অনুযায়ী তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।

- সহকারী জজ ২৩-১১-২০০৫ তারিখে "কোনো cause of action নেই" এই যুক্তিতে প্লেইন্ট বাতিল করেন।
- বাদী আপিল করলে (টাইটেল আপিল নং ১৯২/২০০৬) যুগ্ম জেলা জজ ৪-৬-২০০৭ তারিখে নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন।

- এরপর বাদী হাইকোর্ট বিভাগে সিভিল রিভিশন নং ৪৫৯৬/২০০৭ দায়ের করেন। হাইকোর্ট বিভাগ ২-৮-২০১১ তারিখে শুনানি করে ১১-৮-২০১১ তারিখে রুল অ্যাবসলিউট করে রায় দেন যে, সালিশি কমিটির পূর্বানুমতি ছাড়া বরখাস্তের আদেশ দেওয়া হয়েছিল বিধায় তা সম্পূর্ণ অবৈধ, এবং বাদীকে বরখাস্তের তারিখ থেকে পুনরায় নিয়োগ দিতে নির্দেশ দেন।

বিলম্ব ও লিভ পিটিশন দায়েরের কারণ:
পিটিশনার ও অন্যান্য বিবাদীরা এই রায়ের বিষয়ে কিছুই জানতেন না। ৯-১২-২০১১ তারিখে বাদী রায় বাস্তবায়নের জন্য আবেদন করলে এবং রায়ের ফটোকপি সংযুক্ত করলে বিষয়টি প্রথম জানা যায়। এরপর পিটিশনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে আইনজীবীর মাধ্যমে ১৮-১২-২০১১ তারিখে সার্টিফায়েড কপির জন্য আবেদন করেন এবং তা পেয়ে অল্প কিছুদিনের মধ্যে আপিল দায়ের করেন।

পক্ষগণের যুক্তি:
পিটিশনারের পক্ষে অ্যাডভোকেট-অন-রেকর্ড সুফিয়া খাতুন বলেন—বাদীর মামলায় কোনো cause of action নেই এবং মামলাটি চলনযোগ্য নয়; সহকারী জজ ও আপিল আদালত সঠিকভাবেই প্লেইন্ট বাতিল করেছেন, কিন্তু হাইকোর্ট বিভাগ আইনের ভুল ধারণার বশে উভয় আদালতের রায় বাতিল করে অবৈধ রায় দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, বাদী প্রতারণামূলকভাবে রুলটি এক তরফা (ex-parte) শুনানি করিয়ে বিভ্রান্তিকর বক্তব্যের মাধ্যমে পুনর্নিয়োগের নির্দেশসহ রায় আদায় করেছেন, যা এখতিয়ারবহির্ভূত এবং বিচার প্রক্রিয়ার গুরুতর ব্যত্যয় ঘটিয়েছে।

প্রতিপক্ষের আইনজীবী খায়ের আজাজ মাসুদ বলেন, প্লেইন্টে cause of action স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে এবং মামলাটি চলনযোগ্য; হাইকোর্ট বিভাগের রায় সঠিক এবং তাতে হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই।

আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণ ও সিদ্ধান্ত:
আপিল বিভাগ মূল প্রশ্ন হিসেবে বিবেচনা করেন—বাদীর বিরুদ্ধে ভুয়া স্কুল সার্টিফিকেট জমা দেওয়ার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণের সুযোগ না দিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ চূড়ান্তভাবে মামলার নিষ্পত্তি করতে পারেন কি না। আদালত এর উত্তর দেন—না। সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণ ছাড়া মামলাটি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করা যায় না। হাইকোর্ট বিভাগ বিচারপূর্ব পর্যায়ে যা করার এখতিয়ার নেই তা করে ফেলেছেন এবং সরাসরি কর্তৃপক্ষকে বাদীকে পুনর্নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশ দিয়ে এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে কাজ করেছেন।

আদালত প্রতিপক্ষের আইনজীবীর যুক্তিতে সারবত্তা খুঁজে পান এবং হস্তক্ষেপের পর্যাপ্ত কারণ থাকায় হাইকোর্ট বিভাগের ১১-৮-২০১১ তারিখের রায় ও আদেশ বাতিল করেন। বিলম্ব মওকুফের আবেদন সন্তোষজনক বিবেচনায় গৃহীত হয় এবং বিলম্ব ক্ষমা করা হয়।

চূড়ান্ত আদেশ:লিভ পিটিশন নিষ্পত্তি করা হয় এবং মামলাটি পুনরায় শুনানির জন্য হাইকোর্ট বিভাগে প্রত্যাবর্তন (remand)করা হয়।

Md.Mizanur Rahman (Kayes)
Advocate Bangladesh Supreme Court
01836-796699

​
​
​ #বিচারপতি_সিদ্দিকুর_রহমান_মিয়া
​ ​
​ ​

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when BD LAW Suggest posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share