Law & The Rights

Law & The Rights International law now grants rights to all human beings and peace, not only to citizens. Gmail: [email protected]
(1)

Right
21/09/2026

Right

সংবিধান / সাংবিধানিক আইন সম্পর্কিত কেসসমূহ (পার্ট ২)*পার্ট ১ এর লিংক কমেন্টে দেয়া*I do not have any coaching, nor do I i...
17/09/2026

সংবিধান / সাংবিধানিক আইন সম্পর্কিত কেসসমূহ (পার্ট ২)
*পার্ট ১ এর লিংক কমেন্টে দেয়া

*I do not have any coaching, nor do I intend to have any. Sharing for educational purposes.

*এখানে, ব্র‍্যাকেটের লিখাগুলো কোন বিশেষ অর্থবহন করেনা। শুধুমাত্র নিজের মনে রাখার জন্য লিখা হয়েছিলো

*HCD নাকি AD এর decision, কোন সালের কেস এবং কোন ল' রিপোর্টে এসেছে এগুলো লিখা নেই। গুগল করে যোগ করে নিবেন যদি আগ্রহী থাকেন।

13/09/2026

বাংলাদেশের সংবিধানে ৫ ধরনের Writ রয়েছে

১️.Habeas Corpus — বেআইনিভাবে আটক ব্যক্তিকে আদালতের সামনে হাজির করার জন্য।

২️.Mandamus — কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষকে তার আইনগত দায়িত্ব পালন করতে নির্দেশ দেওয়ার জন্য।

৩️.Certiorari — নিম্ন আদালত/কর্তৃপক্ষের বেআইনি আদেশ বাতিলের জন্য।

৪️.Prohibition — কোনো আদালত বা ট্রাইব্যুনালকে তার এখতিয়ারের বাইরে কার্যক্রম চালানো থেকে বিরত রাখার জন্য।

৫️.Quo Warranto — কোনো ব্যক্তি কী কর্তৃত্বে সরকারি পদে আছেন, তা জানতে চ্যালেঞ্জ করার জন্য।

12/09/2026

কখনো মক্কেলের বন্ধু হবেন না: কিংবদন্তী আমেরিকান ট্রায়াল আইনজীবী এডওয়ার্ড বেনেট উইলিয়ামস

09/09/2026

(নুসরাত জাহান রাফি হত্যা মামলা)

[উচ্চ আদালতের রায় ও বিচারিক সংবেদনশীলতার এক ঐতিহাসিক দৃষ্টান্ত]

১. মামলার নাম
রাষ্ট্র বনাম এস.এম. সিরাজউদ্দৌলা এবং অন্যান্য।

২. আদালতের নাম
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগ (ফৌজদারি আপিল এখতিয়ার)।

৩. রায়ের তারিখ
২৪ আগস্ট, ২০২৬।

৪. পক্ষসমূহ

আবেদনকারী: রাষ্ট্র।

দণ্ডিত আসামী (condemned-prisoners): এস.এম. সিরাজউদ্দৌলা (মাদ্রাসার অধ্যক্ষ), শাহাদাত হোসেন শামীম, নূর উদ্দিন এবং আরও ১৩ জন।

৫. মামলার ঘটনা (Facts of the Case):

সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আলিম পরীক্ষার্থী নুসরাত জাহান রাফিকে ২৭ মার্চ ২০১৯ তারিখে মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সিরাজউদ্দৌলা তার অফিসে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানি করেন। এই ঘটনায় নুসরাতের মা মামলা করলে অধ্যক্ষ গ্রেপ্তার হন। অধ্যক্ষের অনুসারীরা মামলা প্রত্যাহারের জন্য নুসরাতকে চাপ দিতে থাকে। ৬ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে নুসরাত পরীক্ষা দিতে গেলে তাকে কৌশলে সাইক্লোন সেন্টারের ছাদে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে বোরকা পরিহিত চারজন ব্যক্তি তাকে মামলা তুলে নিতে চাপ দেয় এবং অস্বীকার করায় নুসরাতের হাত-পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। ১০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুসরাত মৃত্যুবরণ করেন।

৬. আইনি ইস্যু (Legal Issues):

✅নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ৪(১) এবং ৩০ ধারার অধীনে বিচারিক আদালতের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকবে কি না।

✅ প্রত্যায়িত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি (Retracted Confession) এবং মৃত্যুপূর্ব জবানবন্দির (Dying Declaration) আইনগত গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা কতটুকু।

✅ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি হত্যাকাণ্ড তা নির্ধারণ করা।

৭. পক্ষসমূহের যুক্তি (Arguments of the Parties)

✅ রাষ্ট্রপক্ষ: আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি এবং মৃত্যুপূর্ব জবানবন্দি একে অপরের পরিপূরক। আলামত উদ্ধার এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য অপরাধ প্রমাণে যথেষ্ট।

✅আসামিপক্ষ: ঘটনার কোনো প্রত্যক্ষদর্শী নেই। নুসরাতের আত্মহত্যার প্রবণতা ছিল। স্বীকারোক্তিগুলো রিমান্ডে নির্যাতনের মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে এবং নুসরাত তার জবানবন্দিতে আসামিদের নাম সরাসরি উল্লেখ করেননি।

৮. গুরুত্বপূর্ণ মোড় (The Turning Points)

✅মৃত্যুপূর্ব জবানবন্দি: ঘটনার ৭ ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকের কাছে দেওয়া নুসরাতের জবানবন্দি, যেখানে তিনি বোরকা পরিহিত চারজনের কথা বলেন।

✅ষড়যন্ত্রের প্রমাণ: জেলখানায় সিরাজউদ্দৌলার সাথে আসামিদের সাক্ষাৎ এবং পরবর্তীতে হোস্টেলে নুসরাতকে হত্যার ষড়যন্ত্রের বৈঠক।
* আলামত উদ্ধার: আসামিদের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পুকুর ও খাল থেকে বোরকা এবং কেরোসিনের ব্যাগ উদ্ধার।

৯. রায় বা সিদ্ধান্ত (Judgment/ Decision):

হাইকোর্ট বিভাগ নিম্ন আদালতের ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় পরিবর্তন করে নিচের সিদ্ধান্ত প্রদান করেন:

✅এস.এম. সিরাজউদ্দৌলা এবং শাহাদাত হোসেন শামীমের মৃত্যুদণ্ড বহাল রাখা হয়।

✅নূর উদ্দিন, সাখাওয়াত হোসেন জাবেদ, সাইফুর রহমান মোঃ জোবায়ের এবং উম্মে সুলতানা পপির মৃত্যুদণ্ড পরিবর্তন করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

✅বাকি ১০ জন আসামীকে (কামরুন নাহার মনি, হাফেজ আব্দুল কাদের প্রমুখ) খালাস দেওয়া হয়।

১০. যুক্তিনির্ভরতা (Reasoning):

আদালত মনে করেন, মৃত্যুপূর্ব জবানবন্দি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষ্য যা বানোয়াট হওয়ার সুযোগ কম ছিল। তবে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি যদি প্রত্যাহার করা হয়, তবে তা কেবলমাত্র তখনই গ্রহণযোগ্য যখন অন্য কোনো স্বাধীন সাক্ষ্য বা আলামত দ্বারা তা সমর্থিত হয়। খালাসপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে প্রত্যক্ষ বা পারিপার্শ্বিক প্রমাণের অভাব ছিল বলে আদালত মনে করেন।

১১. সিদ্ধান্তমূলনীতি (Ratio Decidendi):

মৃত্যুপূর্ব জবানবন্দিতে আসামিদের নাম না থাকলেও যদি তা বিশ্বাসযোগ্য এবং দ্রুত রেকর্ড করা হয়, তবে তা দণ্ড প্রদানের ভিত্তি হতে পারে। এছাড়া, প্রত্যাহারকৃত স্বীকারোক্তি অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে হলে তার সাথে অবশ্যই পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যের মিল থাকতে হবে।

১২. রায়ের গুরুত্ব (Significance):

এই মামলাটি বাংলাদেশে যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং তার ভয়াবহ পরিণতির এক প্রতীকী বিচার। রায়টিতে বিচারিক সংবেদনশীলতার (Judicial Sensitivity) ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং বিনা বিচারে বা দুর্বল তথ্যে সাজা দেওয়ার পরিণাম সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে।

১৩. রায়ে ব্যবহৃত মামলা উল্লেখ (Case citations):

রায়ে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নজির ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন:

✅Fatema Begum Vs. Aminur Rahman
✅Sukur Ali Vs. State
✅Nurjahan Begum Vs. State
✅State Vs. Abdul Kader @ Mobile Kader

পরিশেষেঃ

হাইকোর্ট বিভাগ নিম্ন আদালতের বিচারকের "বিচারিক সংবেদনশীলতার অভাব" এবং "কাণ্ডজ্ঞানহীন সাজা" প্রদানের কঠোর সমালোচনা করেন এবং তাকে সংশোধন না হওয়া পর্যন্ত সেশন এখতিয়ারের বাইরে রাখার নির্দেশ দেন।

09/09/2026

দেওয়ানি মামলায় Order VI Rule 17 অনুযায়ী আরজি সংশোধনের সুযোগ আছে।

তবে এর অর্থ এই নয় যে, মামলা অনেকদূর এগিয়ে যাওয়ার পর বাদী ইচ্ছেমতো মামলার ভিত্তি, cause of action, সীমানা বা prayer পরিবর্তন করতে পারবেন।
আদালতের মূল প্রশ্ন হবে প্রস্তাবিত সংশোধনটি কি প্রকৃত বিরোধ (real questions in controversy) নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয়, নাকি এর মাধ্যমে একটি নতুন বিরোধ সৃষ্টি হচ্ছে?

সংশোধন সাধারণত করা যেতে পারে যদি তা মামলার প্রকৃত বিরোধ নির্ধারণে সহায়ক হয়। এমনকি শুধু দেরিতে আবেদন করা হয়েছে এই কারণে সবসময় সংশোধন বাতিল করা যাবে না। প্রয়োজন হলে আপিল পর্যায়েও সংশোধন হতে পারে। কিন্তু সীমারেখাও আছে। যদি সংশোধনের মাধ্যমে মামলার nature and character মৌলিকভাবে পরিবর্তিত হয়, নতুন ও সম্পূর্ণ ভিন্ন cause of action সৃষ্টি হয়, পূর্বের cause of action পরিবর্তন বা প্রতিস্থাপিত হয়, অপর পক্ষের ইতোমধ্যে অর্জিত legal right ক্ষতিগ্রস্ত হয়, পূর্বে স্বীকার করা বিষয় পরে অস্বীকার করার চেষ্টা করা হয়, অথবা মামলার lacuna বা দুর্বলতা পূরণ করার চেষ্টা করা হয় তাহলে আদালত সেই সংশোধন প্রত্যাখ্যান করতে পারেন।

সহজ ভাষায়: আরজি সংশোধনের উদ্দেশ্য হলো পুরোনো মামলাকে পরিষ্কার ও কার্যকর করা; নতুন মামলা তৈরি করে পুরোনো মামলার মধ্যে ঢুকিয়ে দেওয়া নয়।

ধরা যাক, জমি নিয়ে একটি মামলায় বাদী নির্দিষ্ট একটি তারিখকে তার cause of action-এর ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করলেন। পরে বিচার শেষ হওয়ার পর তিনি সেই তারিখ পরিবর্তন করে বললেন, প্রকৃত ঘটনা কয়েকদিন আগেই ঘটেছিল এবং সেটিই ছিল মূল cause of action।
এটি শুধু “তারিখ সংশোধন” নাও হতে পারে। এর মাধ্যমে যদি মামলার মূল cause of action-ই পরিবর্তিত হয়ে যায়, তাহলে আদালত সেই সংশোধন অনুমোদন নাও করতে পারেন।
একইভাবে, জমির পরিচয়, সীমানা বা দাবির মৌলিক ভিত্তি এমনভাবে পরিবর্তন করা হলে যাতে বিবাদীকে কার্যত একটি নতুন মামলার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা তৈরি করতে হয়, সেটিও সাধারণ সংশোধনের পর্যায়ে পড়ে না।

তামাদির বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ
শুধু amendment-এর মাধ্যমে এমন কোনো পুরোনো দাবি ফিরিয়ে আনা যাবে না, যা limitation-এর কারণে ইতোমধ্যে বাধাগ্রস্ত এবং যার মধ্যে দিয়ে বিবাদীর কোনো আইনগত অধিকার অর্জিত হয়েছে। অর্থাৎ,amendment-এর ক্ষমতা ব্যবহার করে limitation-এর বিধানকে পাশ কাটানো যায় না।

একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির
Abdul Alim and another vs. Hazi Md. Aiyub and others Civil Revision No. 05 of 2024
Judgment dated: 16 November 2025
High Court Division, Supreme Court of Bangladesh.

এই মামলায় আদালত দেখতে পান যে প্রস্তাবিত সংশোধনের মাধ্যমে মামলার cause of action পরিবর্তন, নতুন বিরোধ সৃষ্টি, plaint-এর lacuna পূরণ এবং limitation-এর কারণে ইতোমধ্যে অর্জিত অধিকারে প্রভাব পড়ার প্রশ্ন তৈরি হচ্ছিল। ফলে আপিল আদালতের amendment অনুমোদনের আদেশ বাতিল করা হয় এবং ১০,০০০ টাকা খরচসহ amendment application প্রত্যাখ্যান করা হয়। একই সঙ্গে আপিল আদালতকে মামলাটি merits-এর ভিত্তিতে দ্রুত নিষ্পত্তির নির্দেশ দেওয়া হয়।

মনে রাখার মতো কথা
“Amendment is meant to decide the real controversy—not to change the very nature of the suit or create a new cause of action.”
অর্থাৎ, আরজি সংশোধনের সুযোগ আছে, কিন্তু ইচ্ছেমতো নয়। আদালত সবসময় দেখবেন সংশোধনটি কি প্রকৃত বিরোধের পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তির জন্য প্রয়োজনীয়, নাকি এটি বাদীকে তার মামলার দুর্বলতা কাটিয়ে নতুন মামলা দাঁড় করানোর সুযোগ দিচ্ছে। দেওয়ানি মামলায় Order VI Rule 17 অনুযায়ী আরজি সংশোধনের সুযোগ আছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, মামলা অনেকদূর এগিয়ে যাওয়ার পর বাদী ইচ্ছেমতো মামলার ভিত্তি, cause of action, সীমানা বা prayer পরিবর্তন করতে পারবেন।

Law & The Rights

08/09/2026

POV: You and Your best friend became prosecutors on the same case. 💥

07/09/2026

⚖️ সাফাই সাক্ষী (Defense Witness) কী?

ফৌজদারি মামলায় আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হলো সাফাই সাক্ষ্য।

ফৌজদারি মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ বা বাদীপক্ষের সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারার অধীনে আসামিকে পরীক্ষা করেন। এ সময় আসামির বিরুদ্ধে উপস্থাপিত সাক্ষ্য ও পরিস্থিতি সম্পর্কে তার বক্তব্য জানতে চাওয়া হয়।

এরপর আসামিপক্ষ চাইলে নিজের পক্ষে সাক্ষী ও অন্যান্য গ্রহণযোগ্য প্রমাণ আদালতে উপস্থাপন করতে পারে।

- সাফাই সাক্ষী কাকে বলে?
আসামির পক্ষে তার নির্দোষিতা বা আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য আদালতে যে ব্যক্তি সাক্ষ্য দেন, তাকে সাধারণভাবে সাফাই সাক্ষী (Defense Witness) বলা হয়।

- কে সাফাই সাক্ষী হতে পারেন?
১. আসামি নিজে
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪০(২) ধারার শর্তসাপেক্ষে আসামি নিজেও নিজের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে পারেন।

২. অন্য কোনো ব্যক্তি
যিনি ঘটনার বিষয়ে প্রত্যক্ষ জ্ঞান রাখেন অথবা আসামির পক্ষে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিতে পারেন, তাকে সাক্ষী হিসেবে আদালতে হাজির করা যেতে পারে। যেমন—আসামি ঘটনাস্থলে ছিলেন না, এমন তথ্য প্রমাণ করতে সক্ষম ব্যক্তি।

৩. দলিল ও অন্যান্য প্রমাণ
প্রাসঙ্গিক ক্ষেত্রে দলিল, সিসিটিভি ফুটেজ, অডিও-ভিডিওসহ অন্যান্য গ্রহণযোগ্য প্রমাণও আসামিপক্ষ আদালতে উপস্থাপন করতে পারে।

মনে রাখবেন:
ফৌজদারি বিচারব্যবস্থার একটি মৌলিক নীতি হলো—অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে দোষী হিসেবে গণ্য করা যায় না।

তবে আসামির নির্দোষিতা প্রমাণের দায় সব ক্ষেত্রে আসামির ওপর বর্তায়—এমন নয়। সাধারণভাবে অপরাধ সংঘটনের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো প্রমাণ করার দায় রাষ্ট্রপক্ষের ওপর থাকে।

তাই সাফাই সাক্ষ্য আসামিপক্ষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ হলেও, এটি প্রতিটি মামলায় বাধ্যতামূলক নয়। কোন সাক্ষী বা প্রমাণ উপস্থাপন করা হবে, তা মামলার বাস্তবতা ও আইনি কৌশলের ওপর নির্ভর করে।

07/09/2026

Doctrine of Public Interest Immunity.

Doctrine of Public Interest Immunity পূর্বে Crown Privilege নামে পরিচিত ছিল।এটা হলো কমন ল-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। সাধারণ বিচারে ন্যায়বিচারের মূল কথা হলো "All relevant evidence must be disclosed" (সকল প্রাসঙ্গিক প্রমাণ প্রকাশ করতে হবে)। তবে PII নীতিটি এই নিয়মটির একটি প্রধান ব্যতিক্রম।

এর মূল কথা হলো—যদি রাষ্ট্র প্রমাণ করতে পারে যে কোনো বিশেষ তথ্য বা দলিল প্রকাশ করলে তা জাতীয় নিরাপত্তা বা জনস্বার্থের মারাত্মক ক্ষতি করবে, তবে রাষ্ট্র সেই তথ্য আদালত, সংসদ বা জনগণের কাছে প্রকাশ করা থেকে immunity বা অনাক্রম্যতা বা অব্যাহতি লাভ করবে।

সংবিধানের কয়েকটি অনুচ্ছেদে এই নীতির প্রতিফলন হয়েছে।
​যেমন
​অনুচ্ছেদ ১৪৫ক (আন্তর্জাতিক চুক্তি): সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী আন্তর্জাতিক চুক্তি সংসদে উন্মুক্তভাবে উপস্থাপনের কথা থাকলেও, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে রাষ্ট্র চুক্তিটি প্রকাশ্য অধিবেশনের বদলে গুপ্ত বৈঠকে (Secret session) উপস্থাপনের অনাক্রম্যতা লাভ করে।

আবার ​অনুচ্ছেদ ৩৩(৫) (নিবর্তনমূলক আটক): নিবর্তনমূলক আটকে আটক ব্যক্তি তার আটকের কারণ জানার মৌলিক অধিকার রাখলেও, রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও জনস্বার্থ বিরোধী মনে করলে কর্তৃপক্ষ সেই তথ্য প্রকাশে সরাসরি অস্বীকৃতির সুরক্ষা/অনাক্রম্যতা পায়।
​ অনুচ্ছেদ ১৪৫ক ও ৩৩(৫)—উভয় ক্ষেত্রেই তথ্য প্রকাশের সাধারণ বাধ্যবাধকতা শিথিল করে ব্যক্তিস্বার্থ বা স্বচ্ছতার চেয়ে Doctrine of Public Interest Immunity-এর ভিত্তিতে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তজনিত জনস্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

07/09/2026

অ্যাকশন এবং ইনঅ্যাকশন উভয়ক্ষেত্রেই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমরা প্রতিকার চাইতে পারি:
সংসদে আইনমন্ত্রী মো: আসাদুজ্জামান।

Follow us for getting more Legal vedio.

Address

Dhaka
1210

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Law & The Rights posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share