YF Lucky

YF Lucky বিনামূল্যে আইনি পরামর্শ পেতে লাইক দিয়ে পেজটির সাথে থাকুন
প্রয়োজনেঃ 01797052358

27/03/2025

আজ ২৬ রমযান দিবাগত রাত পবিত্র লাইলাতুল কদর
দোয়া করি আল্লাহ যেনো সকলের মনের নেক ইচ্ছেগুলো পুরন করে দেন।

22/03/2025

আজ ২১ রমযান।নাজাতের শেষ ১০ দিনের প্রথম দিন
মহান আল্লাহর কাছে প্রর্থনা তিনি যেন আমাদের জীবনের সবগুলো গুনাহ মাফ করে দেন।

07/03/2025

বাংলাদেশী আইনে দস্যুতা বা ছিনতাইয়ের শাস্তি কি সেই ব্যাপারে সংক্ষিপ্ত আলোচনা।নিজে জানুন অন্যকে জানিয়ে দিন

06/03/2025

#ডাকাতি #চুরি #আইন #শাস্তি

দস্যুতা/ছিনতাই  নিয়ে আইনি বিশ্লেষন জেনে ———————————————————-নিনঃ- ———-আমাদের দেশে সাম্প্রতিক সময়ে প্রচুর ছিনতাই হচ্ছে কি...
05/03/2025

দস্যুতা/ছিনতাই নিয়ে আইনি বিশ্লেষন জেনে
———————————————————-
নিনঃ-
———-
আমাদের দেশে সাম্প্রতিক সময়ে প্রচুর ছিনতাই হচ্ছে কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ জানেন না দেশের প্রচলিত আইনে সুনির্দিষ্টভাবে ছিনতাইয়ের কোন ধারা নেই
ছিনতাই হচ্ছে জোরপূর্বক বল প্রয়োগ করে কারো নিকট থেকে কিছু ছিনিয়ে নেওয়া।
এজন্য এই অপরাধটিকে দস্যুতার ক্যাটাগরিতে রাখা হয়েছে
অথ্যাৎ কেউ যদি ছিনতাই করে তাহলে সে আইন অনুযায়ী দস্যুতা করেছে বলে গন্য
হবে।
আমাদের দন্ডবিধি-১৮৬০ এর ৩৯০ ধারায় দস্যুতার কথা বলা হয়েছে
কমপক্ষে ১-৪ জন লোক যদি জোরপূর্বক ভয়ভীতি প্রদর্শন বা আঘাত করে কারো নিকট থেকে কিছু ছিনিয়ে নেয় সেটি দস্যুতা বলে গন্য হবে।
দস্যুতার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন একজন থাকতে হবে এবং সর্বোচ্চ থাকবে চার জন
যদি ৫ বা ততোধিক হয় তাহলে সেটি আর দস্যুতা থাকবে না সেটি ডাকাতি হিসেবে গন্য হবে।

শাস্তিঃ-
———-
দন্ডবিধির ৩৯২ ধারায় দস্যুতার শাস্তির কথা হয়েছে
সাধারনত যদি কেউ দস্যুতা/ছিনতাই করে তাহলে তার ১০ বছরের শাস্তির বিধান রয়েছে তবে কেউ যদি ( সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয়ের আগ পর্যন্ত) দস্যুতা/
ছিনতাই করে তাহলে তিনি বা তাহারা ১৪ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ডে দন্ডিত হবে।
মনে রাখতে হবে এই অপরাধটি একটি যামিন অযোগ্য অপরাধ।
মোঃ আবু হানিফ রিফাত
এ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত-ঢাকা
শিক্ষানবিশ- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

এক বাদী যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলা করেছে স্বামীর বিরুদ্ধেযথারীতি স্বামী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আদালত ওয়ারেন্ট ইস্য...
02/03/2025

এক বাদী যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলা করেছে স্বামীর বিরুদ্ধে
যথারীতি স্বামী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় আদালত ওয়ারেন্ট ইস্যু করলো এবং কয়েকদিন পর পুলিশ আসামীকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরন করলো।
উক্ত আসামীর মা ছেলের জামিনের জন্য আমার কাছে আসলে আমি মামলাটি গ্রহন করে বাদীর আইনজীবীর সাথে কথা বললাম যে কোন সমোঝতা করা যায় কিনা।
বিজ্ঞ আইনজীবী আমাকে জানালেন বাদীর পরিবারের কেউ বাদীকে সংসার করাতে চায়না।
কারন হিসেবে ছেলের বিভিন্ন সমস্যা ইত্যাদির কথা বললেন এবং আমাকে জানালেন তারা দেনমোহর এবং অন্যান্য জিনিসপত্র ফেরতসহ ছেলের কাছ থেকে তালাক চায়।
বুঝলাম ব্যাপার টি গুরুতর
প্রথম শুনানীর ১ সপ্তাহ পর কোর্টে আমি আসামীর পক্ষে জামিন চাইলাম বাদীপক্ষ জামিনের তীব্র বিরোধীতা করলো
আদালত উভয়পক্ষের কথা শুনে আমার সাবমিশনে সন্তুষ্ট হয়ে আসামী কে জামিন দিলো।
কোর্ট থেকে বের হয়ে আমি বাদীকে জিজ্ঞেস করলাম আপনি কি করতে চান..?
বাদী বললো আমি আমার স্বামীর সাথে সংসার করতে চাই এবং তিনি মামলাটি দেওয়ার বিভিন্ন কারন উল্লেখ করলেন।
সবকিছু শুনে বুঝলাম এটি পারিবারিক মনমালিন্য হয়েছে
ব্যাপারটি তালাক দেওয়ার মতো গুরুতর কোন বিষয় নয়।
তারপর উভয়পক্ষ চেম্বারে বসে সবকিছু সমাধান করলাম এবং আমরা সবাই মিলে মেয়েটিকে স্বামীর বাড়ি পাঠিয়ে দিলাম।
একটা ব্যাপার বুঝলাম বাঙ্গালী মেয়েরা সহজে একটি সংসার নষ্ট করতে চায়না
বেশীরভাগ সময় অন্যদের প্ররোচনায় পরে তারা ভুল সিন্ধান্তটি গ্রহন করে।

মো. আবু হানিফ রিফাত
এ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত-ঢাকা
শিক্ষানবিশ-বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

আজ ছিলো পবিত্র মাহে রমযানের আগে সপ্তাহেরশেষ কার্যদিবসসবাইকে পবিত্র মাহে রমযানের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।               ...
27/02/2025

আজ ছিলো পবিত্র মাহে রমযানের আগে সপ্তাহের
শেষ কার্যদিবস
সবাইকে পবিত্র মাহে রমযানের অগ্রিম শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।
আবু হানিফ রিফাত
এ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত-ঢাকা
শিক্ষানবিশ- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

দন্ডবিধিতে মৃত্যুদন্ডের ধারাগুলো সম্পর্কে জেনে নিনঃ————————————————————-দন্ডবিধি'র সর্বমোট ১০ টি ধারায় অপরাধে ক্ষেত্রে ম...
26/11/2024

দন্ডবিধিতে মৃত্যুদন্ডের ধারাগুলো সম্পর্কে জেনে নিনঃ
————————————————————-

দন্ডবিধি'র সর্বমোট ১০ টি ধারায় অপরাধে ক্ষেত্রে মৃত্যুদন্ডের বিধান রয়েছেঃ-

১) ১২১ ধারাঃ বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষনা করলে।
২) ১৩২ ধারাঃ সেনাবাহিনীর কতৃক বিদ্রোহ সহায়তা এবং এর ফলে বিদ্রোহ হলে।
৩) ১৯৪ ধারাঃ মৃত্যুদন্ডের উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য দান করলে।
৪) ৩০২ ধারাঃ খুন করলে।
৫) ৩০৩ ধারাঃ যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক খুন হলে (একমাত্র শাস্তি)
৬) ৩০৫ ধারাঃ নাবালক বা উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যায় সাহায্য করলে।
৭) ৩০৭ ধারাঃ যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কর্তৃক নরহত্যা।
৮) ৩২৬(ক) ধারাঃ এসিড জাতীয় পদার্থ দ্বারা মুখমন্ডল বা ২ চোখে গুরুতর জখম করলে।
৯) ৩৬৪(ক) ধারাঃ ১০ বছরের কম বয়সী ছেলে বা মেয়েকে খুনের উদ্দেশ্য অপহরণ করলে।
১০) ৩৯৬ ধারাঃ ডাকাতি'র সময় খুন করলে।

মোঃ আবু হানিফ রিফাত
এ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত-ঢাকা
শিক্ষানবিশ-বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

(১)সাইবার নিরাপত্তা আইনে কখন মামলা করা যায়..?(২)কোন ব্যাক্তির গোপন ছবি বা ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করলে বা করার হুমক...
05/11/2024

(১)সাইবার নিরাপত্তা আইনে কখন মামলা করা যায়..?
(২)কোন ব্যাক্তির গোপন ছবি বা ভিডিও সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করলে বা করার হুমকি দিলে কোন ধারায় মামলা করা যাবে..?
——————————————————
অনেকেই জানতে চেয়েছেন সাইবার অপরাধ সংঘটিত হলে কোন আইনে কোথায় মামলা দায়ের করবেন এবং কেও গোপন ভিডিও বা ছবি প্রকাশ করলে বা হুমকি প্রদান করলে কোন ধারায় কিভাবে মামলা করবেন..?
আজ এই সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত একটি আলোচনা করবো।

(১)ডিজিটাল যোগাযোগ মাধ্যম বা সোস্যাল
মিডিয়ার মাধ্যমে যেকোন ধরনের অপরাধ সংঘটন করলে সাইবার আইনে মামলা করা যায়।
বর্তমান সাইবার আইনটি (সাইবার নিরাপত্তা আইন,২০২৩) নামে পরিচিত
সাইবার আইনে মামলার সকল বিচার হবে সাইবার ট্রাইবুনালে।
বাংলাদেশের একমাত্র সাইবার ট্রাইবুনালটি অবস্থিত ঢাকা জেলা জজ আদালতের ৫ম তলায়।
পর্যায়ক্রমে আরো কয়েকটি বিভাগীয় শহরে সাইবার ট্রাইবুনাল স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

(২) যদি কোন ব্যাক্তি কারো গোপন ভিডিও বা ছবি সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করে বা করার হুমকি দেয় তাহলে সাইবার নিরাপত্তা আইনের ২৪(২) ২৪(৩) এবং ২৫(২) ২৫(৩) ধারায় সংশ্লিষ্ট ট্রাইবুনালে পিটিশন মামলা দায়ের করতে পারেন।
এবং ট্রাইবুনাল এক্ষেত্রে তদন্তের জন্য সিআইডি কে নির্দেশ দিতে পারেন।
বিঃ দ্রঃ সাইবার ট্রাইবুনালের মামলার তদন্ত লম্বা সময় ধরে চলমান থাকে চুড়ান্ত তদন্তের পর বিবাদীকে অভিযুক্ত করে রিপোর্ট দিলে আসামীর প্রতি গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারীর মাধ্যমে মামলার মুল কার্যক্রম শুরু হয়।
তবে তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার পূর্বে বাদী চাইলে বিবাদীর সাথে সমোঝতাপূর্বক মামলটি তুলে নিতে পারেন বা প্রত্যাহার করতে পারেন এক্ষেত্রে বিবাদী মামলা থেকে অব্যহতি পাবে।
মো. আবু হানিফ রিফাত
আইনজীবী
জেলা ও দায়রা জজ আদালত,ঢাকা
(শিক্ষানবিশ-বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

02/11/2024

সোস্যাল মিডিয়ায় বা অন্য যে কোন ভাবে কারো
“গোপন ** ভিডিও লিংক” ভাইরাল করা আইনত দন্ডনীয় অপরাধ
হতে পারে মারাত্বক ধরনের শাস্তি
ভিডিওটি দেখে জেনে নিতে পারেন
আবু হানিফ রিফাত
এ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত-ঢাকা
(শিক্ষানবীশ- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

দন্ডিবিধি ১৮৬০ এর ৩২৬ ধারা কি এবং কেনো..?——————————————————-অনেকেই জানতে চেয়েছেন আমি মারামারির মামলাতে ৩২৬ ধারা যুক্ত ক...
01/11/2024

দন্ডিবিধি ১৮৬০ এর ৩২৬ ধারা কি এবং
কেনো..?
——————————————————-
অনেকেই জানতে চেয়েছেন আমি মারামারির মামলাতে ৩২৬ ধারা যুক্ত করার পরও বিচারক ধারাটি ধারাটি কেটে দিয়েছেন এমনটি করেছেন কেনো.?
উত্তর হচ্ছে দন্ডবিধির ৩২৬ ধারায় গুরুতর আঘাতের কথা বলা হয়েছে
অথ্যাৎ আঘাতটি যদি গুরুতর হয় তাহলেই আপনি এই ধারাটি যুক্ত করতে করতে পারবেন।
এখন প্রশ্ন আসে গুরুতর আঘাত কোনগুলো..?
দন্ডবিধির ৩২৬ ধারায় ৮ শ্রেনীর আঘাত কে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে-
১. পুরুষত্বহীনকরন
২. স্থায়ীভাবে ২ চোখের যে কোন একটি নষ্ট করা
৩. স্থায়ীভাবে ২ কানের যে কোন একটি নষ্ট করা
৪. যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্টসাধন করা
৫. যে কোন অঙ্গ গ্রন্থির কর্মশক্তি সমূহের বিনাশ বা স্থায়ী ক্ষতিসাধন করা
৬. মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃত করা
৭. শরীরের কোন অংশের হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
৮. এমন আঘাত যা জীবন বিপন্ন করতে পারে বা টানা ২০ দিন দৈহিক যন্ত্রনা দেয়।
এই ৮ শ্রেনীর আঘাত থাকলেই কেবলমাত্র ৩২৬ ধারা যুক্ত করতে পারবেন অন্যাথায় ম্যাজিস্ট্রেট ধারাটি আমলে নিবেন না।
(এই ধারার অপরাধটি একটি জামিন অযোগ্য অপরাধ)
মো. আবু হানিফ রিফাত
আইনজীবী
জেলা ও দায়রা জজ আদালত-ঢাকা
(শিক্ষানবিশ- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

আগাম জামিন কি এবং কেনো…?________________________আসুন আজকে আমরা আগাম জামিন (Anticipatory bail) সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে জেন...
28/10/2024

আগাম জামিন কি এবং কেনো…?
________________________
আসুন আজকে আমরা আগাম জামিন (Anticipatory bail) সম্পর্কে সংক্ষিপ্তভাবে জেনে নেই………
সাধারনত কারো বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারী হলে সাময়িকভাবে গ্রেপ্তার এড়ানোর জন্য বিচারপ্রার্থী আগাম জামিন নিয়ে থাকেন
আমাদের ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারায় আগাম জামিন সম্পর্কে বলা হয়েছে।
মুলত ২ টি কোর্ট থেকে আগাম জামিন নেওয়ার বিধান রয়েছে
১। জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে
২। মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগ থেকে
তবে অধিকাংশ মানুষ মহামান্য হাইকোর্ট থেকেই আগাম জামিন নিয়ে থাকেন এইক্ষেত্রে আদালত
৪ সপ্তাহ ৬ সপ্তাহ এবং ৮ সপ্তাহের জামিন দিয়ে থাকেন।

কখন আগাম জামিন নিবেন..?
—————————————
যদি কোন ব্যাক্তি যেকোন কারনে আপনার বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী অভিযোগ দায়ের করেন
এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়ে যায় তাহলে আপনি বিচলিত না হয়ে মামলা মোকাবেলার মানুষিক প্রস্তুতির জন্য বিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে
আদালতে আগাম জামিনের দরখাস্ত দায়ের করবেন।আদালত আপনার অপরাধ বিবেচনায় জামিন দিতে পারেন আবার নাও দিতে পারেন
এটি আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
তবে বিজ্ঞ আইনজীবী যদি গুরুত্বপূর্ন নথিপত্রের মাধ্যমে আদালত কে বুঝাতে সক্ষম হন তাহলে আপনি একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত আগাম জামিন পেতে পারেন।
এই সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট মোকাদ্দমায় আপনি সম্পূর্ন গ্রেপ্তারের আওতামূক্ত থাকবেন।
তবে আগাম জামিনের সময় শেষ হওয়ার পূর্বে আপনি আপনার প্রস্তুতি সম্পর্ন করে যেই আদালতে আপনার ফৌজদারী মামলাটি চলমানে সেই আদালতে আত্মসমর্পনপূর্বক জামিন চাইবেন।
অন্যথায় আগাম জামিনের সময় শেষ হওয়ার পর আপনার উপর পূর্বের গ্রেপ্তারি পরোয়ানার আদেশ বহাল থাকবে এবং আপনি যে কোন সময় গ্রেপ্তার হতে পারেন।

মো. আবু হানিফ রিফাত
আইনজীবী
জেলা ও দায়রা জজ আদালত-ঢাকা
(শিক্ষানবিশ- বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট)

Address

Ha Noi
Yen Nguu
80

Telephone

+8801797052358

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when YF Lucky posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share