01/06/2025
ভারত বাংলাদেশ কে মেধা শুন্য করার জন্য শুধুই যে ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে থেমে ছিলো তা না, পরবর্তিতে মুজিব সরকার ক্ষমতায় আসলে ভারত তাদের সাহিত্য, কবিতা, ছোট গল্প থেকে শুরু করে তাদের সাহিত্য সংস্কৃতি আমাদের পাঠ্যবইয়ে খুব সুদূর চিন্তা ধারা দিয়ে বাস্তবায়ন করে।(কবি কাজী নজরুল ইসলাম, জসিমউদদীন ও ডক্টর মো: শহিদুল্লাহ) বাংলাদেশের এতো মেধাবি কবি সাহিত্যিক থাকা সত্ত্বেও ভারত তাদের কবি সাহিত্যিক ( রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রমথ চৌধুরী, থেকে শুরু করে আরো অনেক ভারতীয় কবি সাহিত্যিক দিয়ে শেখ মুজিব এর হাত ধরে বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যাবস্থাকে ধ্বংস শুরু করে ভারত। একটু খেয়াল করলেই বুঝতে অসুবিধা হবেনা তারা কিভাবে আমাদের চিন্তা ধারাকে সেই গ্রাম্যজীবনের সাথেই বিচরণ রেখেছিলো তাদের গল্প, সাহিত্য সংস্কৃতি দিয়ে, "বিলাসী" গল্প যা কি না একজন বেদের মেয়ের জীবন কাহিনি যা বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটের সাথে যায়না, "হৈমন্তী" গল্প পড়লেও বুঝতে পারবেন, এসব গল্পের মূল খোরাক ছিলো ভারতীয় গ্রাম্যজীবনের গল্প। কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যে একজন মুসলিম বিদ্বেষী কবি ছিলেন তার এসব লেখা পড়লেই বুঝবেন, (কাবুলি ওয়ালা, দুরাশা, পুরান, সমস্যা) এছারা গোরা উপন্যাসে আমাদের রাসুল (স:) কে নিয়ে এমন কিছু বাজে কথা লিখছেন সেখান থেকে একটা লাইন তুলে ধরলাম "ভালো মানুষী ধর্ম নয়: তাতে দুষ্ট মানুষকে বাড়িয়ে তোলে। তোমাদের 'মোহাম্মদ' সে কথা বুঝতেন তাই তিনি ভালো মানুষ সেজে ধর্ম প্রচার করেনি" এ কথা দিয়ে বুঝায় আমাদের নবী খারাপ মানুষ ছিলেন। (নাউজুবিল্লাহ) এসব লেখাই সে সরাসরি মুসলমান ধর্মকে আক্রমণ করে কথা বলেছন যেই বাংলাদেশ কিনা ৯০% মুসলিম দেশ। কই আমাদের কোন মুসলিম কবি তো কখনো অন্য কোন ধর্মকে ছোট করে কিছু লেখেনি? অথচ আমরা তাকে বাংলাদেশের জাতীয় কবি হিসেবে আখ্যায়িত করে রেখেছিলাম, আর এসবের মুল কারণ ছিলো ততকালীন মুজিব সরকার। অথচ আমাদের কবি কাজী নজরুল ইসলাম, কবি জসিমউদদীন রা বাংলাদেশের সাংস্কৃতি নিয়ে ইসলাম নিয়ে যতোটুকু সুযোগ পেয়েছিলো লিখে গেছেন। যতটা সুযোগ ভারতীয় কবি সাহিত্যিকরা পেয়েছিলো বাংলাদেশের পাঠ্যবইয়ে লেখার ততটা আমাদের বাংলাদেশের কবিরা পাইনি। ভারতীয় কবি সাহিত্যিকরা কখনো অদুর ভবিষৎ এর প্রযুক্তি নির্ভর পৃথিবী নিয়ে কোন কিছুই লেখেনি যা পড়ে বাংলাদেশিরা বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে শিখবে। তারা তাদের নিচু সংস্কৃতি ভাব আমাদের পাঠ্যবই এ ঢুকিয়ে দিয়ে আমাদেরকে এসব শিখতে বাধ্য করেছিলো আর তাদের পাঠ্যবই পড়লে বুঝবেন সেখানে তারা তাদের ধর্মীয় জ্ঞ্যান চর্চা আর জ্ঞ্যান-বিজ্ঞ্যান নিয়ে লিখেছেন যার কারণে আজকে ভারতীয়রা উন্নত বিশ্বে এসে প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন করে সেটা হোক আমেরিকা অথবা কানাডা অথবা ইউরোপীয় কোন দেশে, আর আমরা বাংগালীরা এসব যায়গায় এসে নতুন করে শিখতে হচ্ছে।
একজন শিশুর মেধা বিকাশ হয়, অ,আ, ক, খ দিয়ে আর সেই শুরু তেই আমরা পড়ে এসেছি নিম্ন মানের গল্প কাহিনি যা কিনা আমাদের মেধার বিকাশ কে জ্ঞ্যান বিজ্ঞ্যান এর জ্ঞ্যান চর্চা থেকে দুরে রেখেছিলো সাথে আমাদের ইসলাম ধর্মীয় চর্চাকেও বাধা দিতো। ঠিক তার বাবার পথ ধরেই ততকালীন সরকারের শাসন আমল ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত আমাদের শিক্ষা ব্যাবস্থাকে পঙ্গু করে দিয়ে গেছে। সেই শিক্ষা ব্যাবস্থা নিয়েও আমি ১৪ মে ২০২৪ তারিখে ফেসবুকে লিখেছিলাম!
পরিশেষে একটা কথায় বলবো, আজকের বাংলাদেশ যতটা উন্নত দেখছেন এর থেকেও বেশি উন্নত হতো যদি ভারত আমাদের ভালো চাইতো।
আ্যডভোকেট সামির