07/04/2026
🌐🌹 #বিশ্ব_স্বাস্থ্য_দিবসে_শ্রীশ্রীঠাকুরের_কিছুকথা।🌹➕
••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••••
🔴 িশ্ব_স্বাস্থ্য_দিবসে_শ্রীশ্রীঠাকুর_অনুকূলচন্দ্রের_স্বাস্থ্য_সচেতনতার_উল্লেখযোগ্য *দিকগুলি -এখানে তুলে ধরা হলো:->
👉আসুন আজ ৭ই এপ্রিল বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে জেনে নিই স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র কি কি উপদেশ দিয়েছেন:->
♈ #পরমপ্রেমময়_শ্রীশ্রীঠাকুর_সবার_ভালো_থাকার_জন্য_বলেছেন:--
✓১। #শ্রীশ্রীঠাকুর :--- ভোরে ওঠার অভ্যাস করে ফেলতে হয়। সমস্ত কাজগুলি এমন ভাবে বিন্যস্ত করে ফেলতে হয়,যাতে সময়মত শোওয়া যায় এবং ভোর বেলায় ওঠা যায়। আবার, এমন হয় অনেক রাত্রে শুয়েও ঠিক সময় ওঠা যায়।
✓২। শ্রীশ্রীঠাকুর:--- শারীরিক স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য, আধ্যাত্মিক স্বাস্থ্য --এই তিনটি সুসমন্বিত হলে তখনই তুমি সুস্থ।তার আগে সুস্থ বলে জিনিস নেই। আর, নিজে সুস্থ্য যখন, তখনই পারবে তুমি মানুষকে সুস্থির পথে নিতে।
✓৩। ভিজে পায়ে খাওয়া, শুকনো পায়ে শোওয়া কেন?
*শ্রীশ্রীঠাকুর:--- ভিজে পায়ে খেলে upper blood circulation (উপরদিকের রক্ত সঞ্চালন) বাড়ে, তাতে হজম ক্রিয়ার সুবিধা হয় এবং শুকনো পায়ে শুলে মাথার রক্ত সঞ্চালন কমে, তাতে ঘুম ভাল হয়।
✓৪। ইসবগুল ও থানকুনী সেবনে—
*শ্রীশ্রীঠাকুর:--- নিয়মিত ইসবগুল খেলে অনেক কিছু বদমাল বের করে দেয়। সহজে বার্ধক্য আসতে দেয় না। থানকুনীও শরীরবিধানকে বেশ শক্ত করে তোলে।
✓৫। শ্রীশ্রীঠাকুর:--- ভোরে উঠে সূর্য্যোদয়ের প্রাক্কালে সবুজ দিগন্তের দিকে তাকান চোখের পক্ষে খুব ভাল।তিলের নাড়ু, তিলের বড়া, তিলের তক্তি খাওয়া ভাল। আর, মুখ ধোওয়ার সময় চোখে জলের ঝাপটা দিতে হয়। চোখ খোলা অবস্থায় চোখ বন্ধ রেখে নয়।
✓৬। #কোমরের_ব্যথায় :---
*শ্রীশ্রীঠাকুর:--- সৈন্ধবাদি তেল ভাল ক'রে মালিশ করা লাগে।তারপর নিশিন্দা- পারার সেঁক দেওয়া লাগে। বেশীদিন ধ'রে করতে হয়। Daily (রোজ) করতে--করতে সেরে যায়। হয়তো পাঁচ- সাত দিনের মধ্যে সেরে যায়।কিন্ত অনেক দিন ধ'রে maintain (পালন) করা লাগে।
✓৭। #অম্বল_গ্যাস_বদহজমে :---
* শ্রীশ্রীঠাকুর:--- পাথরচুরের পারার এক চামচ, একটু চিনি দিয়ে রোজ সকালে খালিপেট যদি খাওয়া হয় তাহ'লে অম্বল, গ্যাস,বদহজম, এসব সেরে যায়।
✓৮। ঝাল খাওয়া:---
*শ্রীশ্রীঠাকুর: --- শুকনো লঙ্কা না খেয়ে কাঁচা লঙ্কা খেলে অতো ক্ষতি করে না। কাঁচা লঙ্কার fresh (তাজা) 'সি'' -ভিটামিন খুব বেশী। তাও মাত্রামত খেতে হয়। ঝাল বেশি খাওয়া যেমন ক্ষতি, স্বাভাবিক অবস্থায় একেবারে না -খাওয়াও তেমনি ক্ষতি। ঝাল হিসাবে গুলমরিচ ও আদা ভাল। সবই মাত্রামত।
✓৯। লিভার খারাপ আর পেটের গোলমালে:---
*শ্রীশ্রীঠাকুর -- নিমগুলঞ্চ, কালমেঘ, কুলেখাড়া, গোলমরিচ, একত্র বেটে কুলের মতো পরিমাণ বড়ি ক'রে শুকিয়ে রেখে রোজ সকালে খেলে উপকার হ'তে পারে। বহুদিন ধরে খেতে হয়।
✓১০। একজন জিজ্ঞেস করলেন লঙ্কা বেশি খাওয়া কি ভাল?
*শ্রীশ্রীঠাকুর:--- বেশি খেলে পেট irritated (উত্তেজিত) হয়, মাথা irritated (উত্তেজিত) হয়। প্রয়োজন মত খাওয়া ভাল, যাতে system (শরীর-বিধান) উদ্ ব্যস্ত না হয়।
♦ #গ্রন্থসূত্র :-📚(আলোচনা প্রসঙ্গে:-- ২০,২২,১৮,৬ খণ্ড ও দীপরক্ষী:- ৪,৫ খণ্ড)।।🏵🙏
*দয়াল ঠাকুর শ্রীশ্রী অনুকূলচন্দ্র।🧡🏵️🙏🏻
✡️এছাড়াও আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে *শ্ৰীশ্ৰীঠাকুরের 'স্বাস্থ্য ও সদাচার' সম্পর্কে কিছু বাণী এখানে তুলে ধরা হল:-⤵
👉♀'অনুশ্রুতি' -(প্রথম খণ্ড)।
--শ্রীশ্রীঠাকুর।।
▪♈' #স্বাস্থ্য_ও_সদাচার '♈▪
সদাচারে বাঁচে-বাড়ে
লক্ষ্মী বাঁধা তা'র ঘরে । ১।
সদাচারে রত নয়
পদে-পদে তা'র ভয় । ২।
সদাচার বলে কা'রে
তা' কিরে তুই বুঝিস্ ?
যে-আচারে বাঁচে-বাড়ে
সদাচার তা' জানিস্ । ৩।
সদাচারে লক্ষ্য রেখে
যে-কাজ করিস্ চলিস্ দেখে,
অনাচারে বাড়বে ভয়
আনবে কতই বিপর্য্যয় । ৪।
স্বাস্থ্যটিকে নিয়ন্ত্রণে করি' দৃঢ়তর
থেকো তুমি সুজাগ্রত ওহে অনুক্ষণ----
পূজিবারে ইষ্টদেবে সার্থক আচারে
নীচ বুদ্ধি, অহমিকা করিয়া বর্জ্জন । ৫।
আচার বিনয় বিদ্যা কাজে
দেখবি যেমন দক্ষ যা'য়,
[ ৩৭ ]
তেমনি কুলের গরব নিয়ে
জন্মেছে সে এ ধরায় । ৬।
ইষ্টনেশায় তুষ্ট প্রাণ
সদাচারী হ'লে,
মনের স্বাস্থ্য জীবনশক্তি
অটুটভাবেই চলে । ৭।
ইষ্টনিষ্ঠ সদাচারী
নীচ জাতিও হ'লে,
অন্নপানীয়ে কমই দোষ
জাত যায় না ছুঁলে । ৮।
স্বতঃই তুষ্ট বিপত্তিতেও
নয়কো মনের ধাঁজ এমন,
সদাচারী স্বভাব-ঝোঁকা
রয় না যাহার অনুক্ষণ ;
পরিবার আর পাড়াপড়শীর
সেবা প্রীতি-অনুরাগে,
উচ্ছলতায় উন্নয়নে
ধায় না প্রীণন-প্লাবন-যাগে ;
আহার-বিহার চেষ্টা কাজে
সাম্যস্বভাব নয় যে-জন,
আগন্তুকী ব্যাধির পূজায়
কটায় জানিস্ ভরজীবন । ৯।
সদাচারী নয়কো যে-জন
ইষ্ট-বিহীন রয়,
পান ও ভোজন তাহার হাতে
বিষ-বহনী হয় । ১০।
ব্রাত্য-অন্ন দুষ্ট হবেই,
দ্বিজ-অন্ন নয়,
[ ৩৮ ]
শ্রদ্ধা-বিনয়ী সদাচারী
যদ্যপি সে হয় । ১১।
ঘুমিও তুমি ততটুকই
অবসাদ না আসে,
চেতন থাকাই বর বিধাতার
জড়ত্ব যা'য় নাশে । ১২।
কাজের ঝোঁকে চল্বি যতই
শরীর ভুলে থেকে,
শরীর হবে সহনপটু
স্বাস্থ্য আসবে হেঁকে । ১৩।
গম্যাগমন পুষ্ট করে
সর্ব্বদেহের স্নায়ুজাল,
অভাব বা তা'র অত্যাচারে
আয়ু স্নায়ু পয়মাল । ১৪।
মাদক-মাতাল হওয়া জানিস্
বড়ই নিঠুর পাপ,
বাতুল বিষাদ-উত্তেজনায়
আনেই অপলাপ । ১৫।
রোগ হ'লে তুই থাকিস্ স'রে
কিছুতেই তা' ছড়াবি না,
ছোঁয়াছুঁয়িতে নাকাল হ'বি
সাবধান ওটা চারাবি না । ১৬।
নাকে-মুখে আঙ্গুল দিয়ে
অমনি তাহা ধুতেই হয়,
নইলে কুটিল রোগের হাতে
নষ্ট মানুষ হয়ই হয় । ১৭।
[ ৩৯ ]
দাঁড়িয়ে হাগা, প্রস্রাব করা
দুই-ই মস্ত কু-অভ্যাস,
স্নায়ুশিথিল ক্লৈব্য আসে
থাকেই হ'য়ে ব্যাধির দাস । ১৮।
মুখে দিয়ে কোন-কিছু
উগরে সেটি খাস্নে ফিরে
ওতেও কিন্তু স্পর্শি' লালায়
অনেক ব্যাধি ধরেই ঘিরে । ১৯।
বাহ্যি-প্রস্রাব-শৌচ সেধে
পা-হাত-মুখ ধুয়েই ফেলিস্ ,
উড়ুক্কু মল প্রস্রাব-কণা
বয়ই ব্যাধির অশেষ বিষ । ২০।
পরের গামছা কাপড় পরা
বিছানা-বালিশে শোওয়া,
ব্যাধির বিপাক দুর্দ্দশাকে
কুড়িয়ে দেহে নেওয়া । ২১।
বাহ্যি ক'রে ময়লা ঘেঁটে
হাতটি ধুয়ে ফেলে,
ভাল ক'রে মাটি-জলে
শুদ্ধি নাহি পেলে,
চর্ম্মরেখায় মলের কণা
লুকিয়ে ধ'রে লক্ষ ফণা,
চোখ আড়ালে ছোবল দিয়ে
মারেই বিষটি ঢেলে । ২২।
বিছানার চাদর বালিশের ওয়াড়
নিত্য-ব্যবহারী কাপড়-জামা,
জলে ধুয়ে রৌদ্র-তপ্ত
না করলে ঘটে ঢের হাঙ্গামা । ২৩।
[ ৪০ ]
সূঁচ-কাঠি আর ছুরি কিংবা
আর যা'-কিছু হোকই না,
ভাল ক'রে না শুধরে তা'য়
দিবি না মুখে, খুঁটবি না ;
এটি করা বেজায় দোষের
হঠাৎ বিপদ আসে প্রাণের,
শক্ত রোগের বাগে প'ড়ে
দিগ্বিদিক্ তুই দেখবি না । ২৪।
হরদম রোগ লেগেই থাকে----
দ্যাখ্ আগে তুই ছেলের মাকে,
নিশ্চয় বেকুব অজান বেটী
আচার-বুদ্ধি নেইকো খাঁটি,
পরিপাটি নয় কর্ম্ম তাহার
ধারে না বিধি-নিষেধের ধার,
ভাল-মন্দ জানে না কিসে
বেটী এমনি হারাদিশে,
তাইতো অমন রোগ-বালাই
শোধরান ছাড়া ওষুধ নাই । ২৫।
পাক-পোষণী রক্তচাপ
অধিকভোজীর বেড়েই যায়,
মস্তিষ্ক না পোষণ পেয়ে
ক্রমেই চলে ক্ষীণতায় । ২৬।
ছেলে হ'তে নিঃস্রাব যত
হ'য়ে হয় তা' পচনশীল,
প্রাণধ্বংসী বীজাণুতে
বিষিয়ে দেয় প্রতি তিল । ২৭।
শুদ্ধ হাওয়া মৃদুল আলো
চলতে পারে এমনি ক'রে,
[ ৪১ ]
আঁতুড় ঘরটি একটু দূরে
রাখবি কিন্তু তৈরী ক'রে । ২৮।
চোখের জল বা পিচুটি মুছে
চোখ-হাত ধুয়ে ফেলাই ভাল,
নইলে কিন্তু হ'বি সবই
হরেক ব্যাধির কুজঞ্জাল । ২৯।
একই পাত্রে অনেক জনে
ছোঁয়াছুঁয়ি ক'রে খাওয়া,
এটা কিন্তু রোগবাহী
অভ্যাসেরই লাই দেওয়া । ৩০।
একই জলে বারবার
হরেক জিনিস ধোওয়া,
মরণ-কণা বহন ক'রে
পরিচ্ছন্ন রওয়া । ৩১।
বাজার থেকে এনে জিনিস
না ধুয়ে, ফুটিয়ে, রৌদ্রে দিয়ে,
খাওয়ায় কিংবা ব্যবহারে
আসেই ব্যাঘাত ও-পথ বেয়ে । ৩২।
শিক্নি ঝেড়ে ধোয় না হাত
বক্ষব্যাধির হয় উৎপাত । ৩৩।
মলত্যাগ আর প্রস্রাব ক'রে
উপযুক্ত শৌচে যাবি,
নইলে জানিস্ খল ব্যাধিতে
হঠাৎ কিন্তু নষ্ট পাবি । ৩৪।
দাঁত, মুখ, জিভ্ রাখবি সুস্থ
উদরটাকেও তেমনিই,
[ ৪২ ]
রইবে সুস্থ দেহ-জীবন
এ নীতিটা এমনই । ৩৫।
জলাশয়ে প্রস্রাব ক'রে
কলসী ক'রে সে-জল আনে,
তাই খাইয়ে মৃদুল বিষে
পরিজনের জীবন হানে । ৩৬।
বাঁচাবাড়ার ধার ধারে না
অভ্যাস-আচার মলিন,
অসৎ-বংশ-উচ্ছ্রিত সে
বোঝে না সমীচীন । ৩৭।
ঘৃণা যতই উথলে ওঠে
অপ্রবৃত্তি ফোটে,
মনে আসে চঞ্চলতা
অস্বস্তিও জোটে ;
এমনতর স্থান-পাত্র
কিংবা কিছু হ'তে
এড়িয়ে চলিস্ , ধরিস্ না তা'----
হীনস্বাস্থ্য ওতে । ৩৮।
মনটা দুষ্ট হ'লেই জানিস্
রোগের আথাল হয়,
ঐটাকে তুই এড়িয়ে চলিস্
করবি ব্যাধি জয় । ৩৯।
মন যেমন তোর থাকলে শুদ্ধ
সুস্থ সবল হ'বি,
পড়শী তেমনি না হ'লেও কি
স্বাস্থ্যে অটুট র'বি ? । ৪০।
[ ৪৩ ]
আঁতুড়ে যেয়ে ছুঁয়ে-নেড়ে
বাইরে এসে শুদ্ধ গায়ে
অন্য কিছু ছোঁয়া-নাড়া
করবি, নইলে পড়বি দায়ে । ৪১।
আঁতুড়ে গিয়ে ছুঁয়ে-নেড়ে
পরিশুদ্ধ না হ'য়ে কেউ
ছুঁয়ে-নেড়ে একশা করলে
সইতে হবেই রোগের ঢেউ । ৪২।
ঋতুমতী নারী হ'লেই
তিন কিংবা চারটি দিন,
খাওয়া-শোওয়ার জিনিসপত্র
ছোঁয়া নয়কো সমীচীন ;
অন্তঃরুদ্ধ সঞ্চিত বিষ
শোণিত-স্রাবে ধৌত হয়,
ছোঁয়া-নাড়া স্পর্শদোষে
উহাই কিন্তু সঞ্চরয় ;
সুস্থ দেহে ঐ বিষেতে
দুষ্ট রোগের হয় আবাস,
পরিবারটি ঘিরে ধরে
ফলে-মূলে হয় নিকাশ । ৪৩।
ঋতুগায়ে নারী যা'রা
ছোঁওয়া-নাড়া করে,
নিজেও নষ্ট হয় তাহারা
মারেও অপরে । ৪৪।
সদাচারে রয় না নারী
বয় না আচারে সন্ততি,
অশ্রদ্ধাতে স্বামী ভজে
অতৃপ্ত রয় দম্পতি,
[ ৪৪ ]
আহার-বিহার পয়সা-কড়ি
এতেই বাতুল রতি যা'র,
প্রেষ্ঠস্বার্থে নয় পটু মন
বৃত্তিস্বার্থই বোধের সার,
পরিচ্ছন্ন ব্যবস্থিতি
কাজে-কর্ম্মে কভু নয়,
ঢালা-ফেলা খাওয়া-দাওয়া
বেহিসাবে ক'রেই রয়,
এমন নারীর চতুর্দ্দিকেই
বালাইভরা রোগের জাল,
দৈন্যভরা ব্যাধি-পিশাচ
ধ'রেই চলে চণ্ডতাল । ৪৫।
ঋতুগায়ে তিনচার দিন
নারীর ছোঁয়া-নাড়ার দোষ,
এই স্বভাবে বয়ই নারী
জীবনভরা শোক-আপসোস । ৪৬।
অন্নে জানিস্ মন বয়
অন্ন-মাফিক প্রবৃত্তি হয় । ৪৭।
বাহ্যি-প্রস্রাব সেরে কিন্তু
শৌচ ক'রে যথারীতি
পা-হাত-মুখ অমনি ধুবি----
স্নায়ু পাবে স্থৈর্য্য-স্থিতি । ৪৮।
যে-সংসর্গে পালন-পোষণ
যেমন অন্ন খায়,
সেই সংস্কার পুষ্টি পেয়ে
জীবন-পথে ধায় । ৪৯।
না নেয়ে যায় রান্নাঘরে
এঁটো ধোওয়ার নাই রেওয়াজ,
[ ৪৫ ]
যে যা'র খুশি পাক ছুঁয়ে দেয়
তা' খেতে তুই হ'স্ নারাজ । ৫০।
লোক-সমাগম ছোঁয়া-নাড়া
হামেশা যেথায় হ'তে পারে,
তা'র তফাতে আঁতুড়-ঘরটি
রাখিস্ ক'রে একটি ধারে । ৫১।
রাঁধা-বাড়া খাদ্য যত
সক্ড়ি বলে তা'য় নিয়ত,
ধরা-ছোঁয়ার সতর্কতায়
রাখতে-ঢাকতে হয় ;
সক্ড়ি যা' সব পচন-প্রবণ
রোগজীবাণু বয়,
ছোঁয়া-নাড়ায় সাবধান তা'য়
ধুলেই শুচি হয় । ৫২।
চুমুক দিয়ে খেয়ে কিছু
না ধুয়ে পাত্র খাস্নে আবার,
জীবাণু অযুত লালার সাথে
করতে পারে ঢুকে সাবাড় । ৫৩।
যা' ছুঁলে যা' ধরলে রে তোর
শরীর-জীবন বিষাক্ত হয়,
সেই ধরা, সেই করাগুলিতেই
অস্পৃশ্যতার নীতি রয় । ৫৪।
সুষ্ঠু দেওয়ায় বাড়ে মায়া
সু-আহারে পুষ্ট কায়া । ৫৫।
অধিক ভোজন যা'রাই করে
দরিদ্রতায় প্রায়ই ধরে । ৫৬।
[ ৪৬ ]
বিপ্রও যদি কদাচারী
শীল ও শ্রদ্ধা-হারা,
তা'রও দত্ত ভোজ্য অন্ন
বয় বিষেরই ধারা । ৫৭।
ইষ্টনিষ্ঠ নিখুঁত চলায়
শুদ্ধ সদাচারী,
বিনয়ভরা শ্রদ্ধাশীল যে
ভোজ্য অন্ন তা'রই । ৫৮।
ব্যাধিমুক্ত গুরু ছাড়া
কারু এঁটোই খেতে নাই,
এতে কিন্তু ধ'রেই থাকে
জীবনভরই রোগবালাই । ৫৯।
বাসী কিংবা পচা জিনিস
বাহন কিন্তু অশেষ রোগের,
ওর ব্যাভারে সাবধান র'বি
বাহক ও-সব দুর্ভোগের । ৬০।
সহজ আহার, শ্রম স্বাভাবিক
সহজ সুখে বসবাস,
উন্নয়নেই তৎপরতা
দক্ষকর্ম্মী ন্যায়ের দাস ;
যত সহজ এই যেখানে
স্বাস্থ্য সেথায় হাস্যমুখ,
অমনতর স্বাস্থ্য পেলেই
দেহের আয়ু প্রাণের সুখ । ৬১।
রবি গুরু পৌর্ণমাসী আর চতুর্দ্দশী
অমাবস্যা, সংক্রান্তি কিংবা একাদশী
এ-ক'টা দিন অন্ততঃ থাকিস্
পাতলা-পুতলি খেয়ে,
[ ৪৭ ]
ব্যতিক্রমে পয়মালে যায়
ঘৃষ্ট আঘাত পেয়ে । ৬২।
আপদে রোগে বিধিমত
আমিষে দোষ হয় না তত । ৬৩।
খাস্নে মাদক-পিঁয়াজ-রসুন
মাছ-মাংস নানাবিধ,
ওতে বিধান বিষাক্ত হয়
অযথা হয় উত্তেজিত,
যা'র ফলে বাঁচাবাড়া
সহজভাবে পায় না সাড়া,
মরণ-তরণ চলন যে-সব
হ'য়েই পড়ে বিক্ষোভিত । ৬৪।
সঙ্গীতে হয় শ্বাসের ব্যায়াম
দেহের ব্যায়াম নাচে,
এই ব্যায়ামই সহজ ব্যায়াম
নাই কিছু এর কাছে । ৬৫।
জ্ঞান-গবেষণ নিত্য করিস্
তপস্যাতে রত থেকে,
বিরোধ-বুদ্ধি হটিয়ে চলিস্
সদাচার আর শৌচ রেখে ;
এই চলনে চ'লে রে তুই
ভেবে সংস্কার সাক্ষাৎ কর,
মস্তিষ্কটার তীক্ষ্ণ প্রভায়
হ'তে পারিস্ জাতিস্মর । ৬৬।
স্পর্শ-দোষে জীবাণু ধায়
সংস্রবেতে মন----
[ ৪৮ ]
এই বুঝে তুই চলিস্-ফিরিস্
বুঝলি বিচক্ষণ ? । ৬৭।
ক্ষুধাই যদি জাগে----
তেমনি খাস্ যা'য় সতেজ থাকিস্
এড়িয়ে লোভের রাগে । ৬৮।
ঊষার রাগে উঠবি জেগে
শৌচে শীতল হ'বি,
সন্ধ্যা-আহ্নিক জপ-সাধনায়
ঈশের আশিস্ ল'বি ;
কুতূহলে পড়শী ঘুরে
দেখবি সযতনে,
আছে কেমন কোথায় কী জন
মন দিবি রক্ষণে ;
তারপরেতে বাড়ী এসে
শৌচে যথাযথ,
গৃহস্থালীর উন্নয়নী
অর্জ্জনে হ' রত ;
স্নানটি সেরে আহ্নিক ক'রে
ক্ষুধামতন খাবি ,
একটু চ'লে বিশ্রাম নিয়ে
আগুয়ানে ধাবি ;
এমনি তালে সচল চালে
চ'লে সন্ধ্যা এলে,
শৌচে শুদ্ধ হ'য়ে করিস্
আহ্নিক হৃদয় ঢেলে ;
উন্নয়নের আমন্ত্রণী
গল্প-গুজব শীলে,
[ ৪৯ ]
হৃষ্টমনে আলোচনায়
কাটাস্ সবাই মিলে ;
পড়শীদিগের অভাব-নালিশ
থাকেই যদি কিছু,
তা'র সমাধান যেমন পারিস্
করিস্ লেগে পিছু ;
করণ-চলন ধরন-ধারণ
যজন-যাজন কিবা
সকল কাজেই ইষ্টস্বার্থে
চলিস্ রাত্রি-দিবা ;
আদর-সোহাগ উদ্দীপনী
কথায়-কাজে ঝুঁকে,
স্বার্থ-কেন্দ্র সবার হ'বি
ধরবি ইষ্টমুখে ;
বিশ্রামেরই সময় গা'টি
ঘুমল হ'য়ে এলে,
ইষ্ট-চলন মনন নিয়ে
ঘুমে গা' দিস্ ঢেলে । ৬৯।
[ ৫০ ]
❇শ্রীশ্রীঠাকুরকে একবার প্রশ্ন করা হল, আমাদের স্বাস্থ্য ভাল করার জন্য কী কী করা প্রয়োজন?
🌼উত্তরে শ্রীশ্রীঠাকুর বললেনঃ- স্বাস্থ্য ভাল রাখতে হ'লে-প্রথমেই চাই পারিবারিক শান্তির ব্যবস্থা। স্বাস্থ্যের নিয়ন্ত্রণে প্রধান ও প্রকৃষ্ট শিক্ষক যদি নিজ-নিজ পরিবারই হয়, তো তার চাইতে সুন্দর ব্যবস্থা আর কী হ'তে পারে?
বাসগৃহাদি যথোপযুক্ত বায়ু ও আলো চলাচলের মতন যা'তে হয়, জল তৃপ্তি-পুষ্টিপ্রদ, রোগনাশক যা'তে হয় তার দিকে বিশেষ নজর রাখা উচিত।
পরিবারের প্রত্যেকে প্রত্যেকের ভিতর যা'তে উন্নতিমুখর উৎফুল্লতাকে চারিয়ে দিতে পারে, এমন একটা সহজ চলন, বলন প্রত্যেকের ভিতর যাতে বজায় থাকে-তার দিকে পারিবারিক একটা সমবেত নজর থাকা নেহাৎ নিতান্তই বাঞ্ছনীয়। কারণ, হতাশ্বাস ও অবসাদ হতেই সাধারণত: স্বাস্থ্য ভাঙ্গতে সুরু করে, অনাচার ও অনিয়ম তা'কে আরো তীব্র ক'রে তোলে।
◆প্রত্যেকেরই-বিশেষতঃ প্রত্যেক মেয়েদেরই বিশেষভাবে জানা থাকা উচিত, কী অবস্থায় কেমনতর আহার, শুশ্রূষা ও সেবার প্রয়োজন। শিক্ষার-বিশেষতঃ স্ত্রীশিক্ষার দিক দিয়ে এটা নেহাৎই বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত, আমি এই-ই মনে করি। কারণ, পোষণোপযুক্ত বলপ্রদ আহার্য্যই জীবনকে ক্রমাগত শক্তি যোগাতে থাকে, আর এরই অভাবে শারীরিক প্রত্যেক বিধানেরই আয়ুর গতি বিকৃত ও মন্দ হয়ে ওঠে।
তারপর চাই, প্রত্যেকেরই পারিপার্শ্বিকের যথোপযুক্ত সেবা ও সম্বর্দ্ধনা, আর, তা' হতে পুষ্টির আহরণ। এ পুষ্টি কিন্তু শারীরিক ও মানসিক দুই-ই আর, এ করতে গেলেই সম্যক্ ও উপযুক্ত চেষ্টা ও চলনের প্রয়োজন। এই চেষ্টা ও চলনকে এমনতরভাবে নিয়ন্ত্রিত করতে হবে-যাতে এ হ'তে পরিশ্রমজনিত যে অবসাদ আসে, তা শারীরিক ও মানসিক উন্নতিকেই আমন্ত্রণ করে। এই চেষ্টা ও চলনগুলি উপযুক্তভাবে ঘটাতে না পারলেই শারীরিক উন্নতির জন্য কিছু-কিছু ব্যায়ামেরও প্রয়োজন হয়।
তারপর আর একটা প্রধান জিনিস হচ্ছে উপযুক্ত বিবাহ। যে বিবাহে মানুষের বৃত্তিগুলি তুষ্ট ও পুষ্ট হয়ে উন্নত- প্রগতিপরায়ণ হয়, সাধারণত: তাহাই প্রাণদ এবং সর্ব্বপ্রকার উন্নতিকে উদ্দীপ্ত করে তোলে। তাই বিবাহের প্রতি বিশেষ নজর রেখে তা' নিয়ন্ত্রিত করা উচিত মনে করি। এই আমার মোটের উপর স্বাস্থ্য ভাল রাখবার চুম্বক কথা।
✴️শ্রীশ্রীঠাকুর স্বাস্থ্য নিয়ে আরো বলেছেন:->⤵
"কষ্ট হো'ক--
তা'তে বড় বেশী ক্ষতি নেইকো,
তোমার স্বাস্থ্যকে
এমনতর সুদৃঢ় ও সুস্থ ক'রে রাখ--
যাতে কাবু হ'য়ে না পড়,
যা'র স্বাস্থ্য কাবু--
তা'র কষ্টসহ শক্তি কম,
তাই, স্বাস্থ্যের আচার---
ধর্ম্মাচার যা'কে বলে;
কুলের আচার---
যা জীবনীয়,---
বিহিত তাৎপর্য্যে
সেগুলিকে সংস্থ ক'রে রাখ--
যা'তে তা' স্বাস্থ্যে সঙ্গত হ'য়ে
তোমাকে সমীচীনভাবে
সহজ শক্তিমান ক'রে তুলতে পারে,
পটু ক'রে তুলতে পারে--
শ্রমসুখপ্রিয় তাৎপর্য্যে;
এ যদি না কর--
দুর্ব্বলতার ইন্ধন
সব জায়গাতেই ছিটিয়ে আছে কিন্তু,
অতর্কিতভাবে
শিষ্টতার অনুশাসন ভেঙ্গে--
তুমি তা'র দ্বারা অাক্রান্ত হবে;
তাই, সাবধান।" ৮৬।
---শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র।
[স্বাস্থ্য ও সদাচার- সূত্র ]।🙏
🔆আসুন এবার জেনে নিই শ্রীশ্রীঠাকুর কথিত স্বাস্থ্য-কথার, শ্রীশ্রীঠাকুরের দেওয়া আরো কিছু সমাধান---
•◆•|| অর্শ ||•◆•
**রোজ তিলবাটা খাওয়া ভাল, আর টোটকা হিসাবে শুনেছি দু-একটা ওষুধে ভাল কাজ হয়।
🔹১) জঙ্গী হরিতকী, নাগেশ্বর ফুলের রেণু, দুর্ব্বা মূল সমভাগে একত্রে আমলা ভিজান জলে পিষে কুল আঁটির মত বড়ি ক'রে শুকিয়ে রাখতে হয়। এই বড়ি ঘোলের সঙ্গে দুবেলা দুটি সেবন করলে অন্তর্ব্বলি ও বহির্ব্বলি-- দুই রকমের অর্শই আরোগ্য হয়।
🔹২) একরতি আফিং, চার রতি কর্পূর ও আটরতি সজিমাটি একত্রে গাওয়া ঘি-এর সঙ্গে মেড়ে প্রলেপ দিলে অর্শের ব্যাথা নিবারণ হয় ও বলি শুকিয়ে যায়।
আসুন সকলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলি সুস্থ, সুন্দর জীবন যাপন উপভোগ করি। পরিশেষে শ্রীশ্রীঠাকুরের একটি অমোঘ নির্দেশিত বাণী উল্লেখ করে শেষ করছি।
এই বুঝে তুই চলিস্-ফিরিস্
বুঝলি বিচক্ষণ ?
--শ্রীশ্রীঠাকুর।।🙏🏻
📙 #তথ্যসূত্রঃ - (আলোচনা প্রসঙ্গে- ১১খণ্ড ও স্বাস্থ্য ও সদাচার- সূত্র, অনুশ্রুতি-১ম খণ্ড)।।🏵🙏
--পরম প্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র।🌼🩷🌼🙏🏻
❣❣❣❣❣❣❣❣❣❣❣❣❣❣❣❣❣
🔶লেখার শেষ করার আগে, আজ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস(World Health Day)-এ সবাইকে ফের *আরো কিছু কথা মনে করিয়ে দিতে চাই:- *বাহ্যিকভাবে সুস্থ থাকাই কিন্তু সুস্থ থাকা নয়; আমাদের মানসিক ও শারিরীক সুস্বাস্থ্যে বজায় থাকলে তবেই আমরা সুস্থ থাকবো।
🌐বিশ্ব স্বাস্থ্য *ক্যাম্পেইনটি 1948 সালে WHO দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং তারপরে 1950 সালে "বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস" হিসাবে এই(7ই এপ্রিল) তারিখটিকে চিহ্নিত করা হয়েছিল।🧡💐🙏
🎯👉*সুস্থ থাকার জন্য শ্রীশ্রীঠাকুরের সদাচারের নিয়ম গুলো সঙ্গে সঙ্গে ➡নিচের কয়েকটি সাধারণ নিয়ম অবশ্যই মেনে চলুন:>⤵
1. প্রতিদিন 7-8 ঘন্টা ঘুম নিশ্চিত করুন এবং রাত 11টার মধ্যে অবশ্যই ঘুমিয়ে যান।
2. প্রতিদিন কমপক্ষে 30 মিনিট হাটুন।
3. সুষম খাবার খান, এক প্লেট খাবারে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ভিটামিন, মিনারেলস ও প্রোটিন, ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট রাখুন।
4. শারিরিক সমস্যায় নিজে থেকে ওষুধ বা ডায়েট না করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিন।
5. প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর মেডিকেল চেকআপ করান।
6. এই গরমে প্রচুর জল পান করুন।
7. নিজের ও পরিবারের সকলের মানসিক স্বাস্থ্যর প্রতি যত্নশীল হন, প্রয়োজনে সহায়তা গ্রহন করুন।
8. মনে রাখবেন *অতিরিক্ত "দুশ্চিন্তা" করলে আপনার দেহে রোগের জন্ম দেয়।
🔵বর্তমান সময়ে আমাদের পৃথিবী, বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। পৃথিবীর সমস্যা মানে, পৃথিবীতে বসবাসরত প্রাণী জগতেরও সমস্যা। পৃথিবী সুস্থ নেই মানে, পৃথিবীতে বসবাসরত প্রাণীজাতেরাও সুস্থ নেই। বর্তমানে মহামারি চলমান, জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশগত সমস্যা। যদি পৃথিবী সুস্থ থাকে, তবেই তো আমরাও সুস্থ থাকবো।
2012 সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরিপ মতে, পৃথিবীতে প্রায় এক কোটি 26 লাখ মানুষ অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য মারা যায়; অর্থাৎ প্রতি চারজনে একজনের মৃত্যু ঘটে এ কারণে। এর জন্য দায়ী অস্বাস্থ্যকর:- বায়ু, জল, রাসায়নিক দ্রব্য, পরিবেশ ইত্যাদি। এসব বস্তু মানুষের শরীরে প্রায় 100 প্রকারের রোগ সৃষ্টিতে সক্ষম। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এসব ব্যাপার কমিয়ে, স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ আনার জন্য বদ্ধপরিকর।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রামক এবং অসংক্রামক সব ব্যাধির জন্যই বর্তমানে জলবায়ু পরিবর্তন দায়ী। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে আমাদের মানসিক প্রশান্তি নষ্ট হচ্ছে, দুর্যোগ বাড়ছে, বাড়ছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। ফলে দীর্ঘমেয়াদি বিভিন্ন অসংক্রামক রোগ বাসা বাঁধছে আমাদের শরীরে। ফলে মানব স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে আমাদের পৃথিবীর স্বাস্থ্যের দিকে আরও বেশি করে নজর দিতে হবে। পৃথিবী ভালো থাকলে, পৃথিবীতে বসবাস করা মানুষসহ অন্যান্য প্রাণী এবং জীববৈচিত্র্যও ভালো থাকবে।
# 2021 সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের থিম ছিল -- 'Building a fairer, healthier world for everyone'।
# 2022 অর্থাৎ বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসের থিম ছিল
" Our Planet Our Health "
# 2023-বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস এর থিম হল - 'Health for All.' অর্থাৎ সবার জন্য স্বাস্থ্য ।
# 2024 - বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস এর থিম হল - 'My health, my right’. 'আমার স্বাস্থ্য, আমার অধিকার'।
# 2025: World Health Day থিম: -- 'Healthy beginnings, hopeful futures'.
♀️ িম_হল :-
“Together for Health: Stand with Science”
বাংলায়: “স্বাস্থ্যের জন্য একসাথে — বিজ্ঞানের পাশে দাঁড়ান।”
♈বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস ২০২৬ | World Health Day 2026:-
“Together for Health: Stand with Science.”
এই থিম আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়তে বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা, গবেষণা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষ, প্রাণী এবং পরিবেশ—সবকিছুর স্বাস্থ্য একে অপরের সাথে জড়িত, তাই বিজ্ঞান ও সচেতনতার মাধ্যমেই আমরা একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়তে পারি।
Good health is the foundation of a brighter future. Every conscious step taken today shapes a healthier and more beautiful world tomorrow.
👉আসুন পরিবেশে দূষণ বন্ধ করি;
পৃথিবীর স্বাস্থ্য সুস্থ রাখি; আমরাও সুস্থ থাকি।💜🙏
"সুস্থ সূচনা, আশাবাদী ভবিষ্যৎ"
এই বছরের প্রতিপাদ্য আমাদের মনে করিয়ে দেয়—একটি সুস্থ জীবনের শুরু মানেই একটি সম্ভাবনাময় ভবিষ্যৎ।
এই বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে আসুন শপথ করি—
★ স্বাস্থ্যসেবা সবার জন্য সহজলভ্য করি,
★ সুস্থ জীবনের বার্তা ছড়িয়ে দিই চারিদিকে।
এবং
★ সুস্থ ভবিষ্যৎ গড়তে বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসার উপর গুরুত্ব দিই এবং সেই সাথে সবাইকে এ বিষয়ে সচেতন করি।
👉শরীরের যত্ন নেওয়া মানেই ভবিষ্যতের বিনিয়োগ।
🌐*'বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস'-এ সবার জন্য রইল প্রীতি শুভেচ্ছা/ অভিনন্দন এবং আগামী দিনের আগামী দিনের জন্য অনেক অনেক "শুভকামনা"।|➕💖💐🙏
📍নিবেদনে:- দয়াল ঠাকুর শ্রী শ্রী অনুকূল।🧡🏵️🙏🏻
🙏💮🙏🌻🙏🌷🙏🏵🙏🌼🙏🌸🙏🥀🙏💐🙏
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
# # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # #
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
📌সৌজন্যে:- নতুন * *গ্রুপে **জয়েন্ট করার *লিঙ্ক:-👇🏿
🩷পরম প্রেমময় শ্রীশ্রীঠাকুর অনুকূলচন্দ্র:-
https://www.facebook.com/share/g/1GTx9ScPDs/
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
°০¥০ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # # #০¥০
Ritayan Datta Ritayan Datta
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
°০¥০ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # # #০¥০
♈সবাইকে জানাই *রা'সিক্ত জয়গুরু।💮🙏
০¥০ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # #¥ # # # #০¥০
🚩 ➡আরো জানতে নিচের *ফেসবুক *গ্রুপে *জয়েন্ট করুন:-👉⤵
🩸◆👉•*সৎসঙ্গ ব্লাড ডোনেশন🩸 মানবতাইপরম ধর্ম।🙏:>⤵
➡https://www.facebook.com/groups/676259556734397/?ref=share
➕ # # # # # # # # # # # # # # #➕ # # # # # # # # # # # # # # # #➕
\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/\/
▪▪▪◆▪▪▪◆▪▪▪◆▪▪▪
🚩বিঃদ্রঃ▶কেও মনে করলে এই বিশেষ POST-টা *শেয়ার করে সবাইকে জানাতে পারেন।🌹🙏
# # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # # #
♊বিঃদ্রঃ->>> আরো জানতে *"নিচের ফেসবুক পেজগুলিতে" জয়েন্ট করুন:-⤵
•◆•🔴দয়াল ঠাকুর শ্রী শ্রী অনুকূল।➡ Facebook পেজ( )-এ জয়েন্ট করার লিঙ্ক:-⤵
https://www.facebook.com/%E0%A6%A6%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B2-%E0%A6%A0%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%80-%E0%A6%85%E0%A6%A8%E0%A7%81%E0%A6%95%E0%A7%82%E0%A6%B2-100453215472843/
💮🙏🌻🙏🌷🙏🏵🙏🌼🙏🌸🙏🥀🙏💐🙏
★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★★
🧡🌐বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবসে, *দয়াল ঠাকুর শ্রী শ্রী অনুকূল-এর কাছে প্রার্থনা করি ঠাকুর যেন সবাইকে ভালো/সুস্থ ও নিরাপদে রাখে। **সবাইকে আগামী দিনের জন্য অনেক অনেক "শুভকামনা" জানিয়ে এখানেই শেষ করছি।।💐🙏
🙏🌷 #সবাইকে জানাই *রা'নন্দিত জয়গুরু।🌷🙏
🔘 #বিঃদ্রঃ ➡কেউ মনে করলে এই বিশেষ -টা *শেয়ার করতে পারেন।💐🙏
🌻🙏❣️।। #জয়গুরু •◆• #বন্দেপুরুষোত্তমম্ ।।🌻🙏❣️