09/04/2026
আইনের হাত বহুত লম্বা....
২০২০ সাল, দেশ জুড়ে লকডাউন। দোকানপাট সময় মেপে খুলে রাখাই দস্তুর কিন্তু তা সত্বেও বাবা আর ছেলে একটু বেশিক্ষণ ( ১৫ মিনিট) দোকান খুলে রেখেছিল।
তাদেরকে সেই অপরাধে থানায় তুলে নিয়ে আসা হয়।
এত দূর অবধি তো ঠিকই আছে। শক্ত হাতে আইন-কানুন রক্ষা করতে হবে। কিন্তু এরপর যা ঘটলো...
১৯শে জুন সন্ধ্যা ৭:৪৫— পরদিন ভোর ৩টে পর্যন্ত অকথ্য অত্যাচার চলে থানায়। নগ্ন করে মার, মলদ্বার থেকে রক্ত বেরোতে শুরু করে। কিন্তু কী আশ্চর্য, তা সত্ত্বেও মেডিক্যালি ফিট ঘোষণা করা হয় ২০ তারিখ।
আবার রিম্যাণ্ডে নেওয়া হয় তাদের।
ক্রমাগত রক্তপাতে একটু একটু করে শেষ হয়ে যাচ্ছিলেন দু'জন। ২২ তারিখ রাত নয়টায় প্রথমে ছেলে জেনিক্স আর ২৩ তারিখ ভোর ছয়টায় বাবা জয়রাজ চলে গেলেন। জয়রাজের ফুসফুস ফেটে গিয়েছিল ।
সিবিআই তদন্ত শুরু করে। থানার দশ জন অফিসারের (একজন কোভিডে মৃত) বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয় এবং তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।
২৩ মার্চ, ২০২৬, মাদুরাইয়ের বিশেষ আদালত এই ঘটনায় জড়িত ৯ জন পুলিশ সদস্যকেই দোষী সাব্যস্ত করেন। এবং ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে, মাদুরাইয়ের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালত এই ৯ জন পুলিশ সদস্যকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন।
আদালত এ-ও নির্দেশ দিয়েছেন যে, অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের সম্মিলিতভাবে নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।