Advocate, Md. Abdul Momen Halder.

Advocate, Md. Abdul Momen Halder. Know your Legal & Constitutional Right and Islamic & International Law. Know about Huma Rights .

30/12/2025
15/08/2025

Advocate Abdul Momen Halder:
আমার গর্বের এ মহান ভারতের ৭৯তম স্বাধীনতার সমগ্র আপামর ভারতীয়দের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা , অভিনন্দন ও অফুরন্ত ভালোবাসা

স্বাধীনতা আন্দোলনে মাদ্রাসার ভূমিকা:-

ভূমিকা

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সমাজসংগঠন ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে মাদ্রাসাগুলো শুধু ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং রাজনৈতিক চেতনা গড়ে তোলা, জাতীয়তাবাদ প্রচার এবং স্বাধীনতার সংগ্রামে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান রেখেছে। মাদ্রাসাগুলো মুসলিম সমাজের মধ্যে ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব গড়ে তুলতে এবং নেতৃত্ব তৈরিতে কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।

---

১. রাজনৈতিক সচেতনতা সৃষ্টিতে ভূমিকা

ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে মুসলিম সমাজকে সংগঠিত করার জন্য মাদ্রাসার শিক্ষক ও আলেমরা ইসলামের ন্যায়, সমতা ও স্বাধীনতার আদর্শ তুলে ধরতেন। Friday জুমার খুতবা, বক্তৃতা ও দারসে ব্রিটিশ শাসনের অন্যায় দিকগুলো ব্যাখ্যা করা হত।

---

২. নেতা ও কর্মী তৈরির কেন্দ্র

দারুল উলূম দেওবন্দ ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামীদের এক প্রধান শিক্ষাকেন্দ্র। এখান থেকে মাওলানা মাহমুদুল হাসান, মাওলানা উবাইদুল্লাহ সিন্ধি, হুসাইন আহমদ মাদানী প্রমুখ নেতারা উঠে আসেন, যারা সশস্ত্র ও অসশস্ত্র উভয় আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।

বাংলার আলিয়া মাদ্রাসা, ফুরফুরা শরীফের খানকাহ ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনা করা বহু শিক্ষার্থী পরবর্তীতে রাজনৈতিক মঞ্চে সক্রিয় হন।

---

৩. খিলাফত আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ

১৯১৯ সালের খিলাফত আন্দোলনে মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা সামনের সারিতে ছিল।

দেওবন্দ ও অন্যান্য মাদ্রাসা থেকে খিলাফত কমিটির সভায় অংশগ্রহণ, লিফলেট বিতরণ, জনসভা আয়োজন এবং অসহযোগ আন্দোলনের সমর্থনে বিদ্যালয় ত্যাগের আহ্বান জানানো হয়েছিল।

---

৪. বিপ্লবী কার্যক্রমে সহায়তা

অনেক মাদ্রাসা বিপ্লবীদের আশ্রয় দিত এবং গোপন বার্তা আদান-প্রদানে সহায়তা করত।

মাওলানা মাহমুদুল হাসানের “সিল্ক লেটার মুভমেন্ট” ছিল এক গোপন পরিকল্পনা, যা তুরস্ক, আফগানিস্তান ও অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রের সহায়তায় ব্রিটিশদের ভারত থেকে উৎখাতের উদ্দেশ্যে চালানো হয়।

---

৫. সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত আন্দোলনে ভূমিকা

মাদ্রাসাগুলো শুধু রাজনৈতিক আন্দোলনে নয়, মুসলিম সমাজের সাংস্কৃতিক পরিচয় রক্ষা ও ভাষাগত ঐতিহ্য সংরক্ষণেও কাজ করেছে। বাংলায় উর্দু, ফার্সি এবং আরবি ভাষা শেখানো, ইসলামী ইতিহাস প্রচার এবং ধর্মীয় সাহিত্য প্রকাশের মাধ্যমে জাতীয় চেতনা শক্তিশালী করা হয়।

---

৬. বিশিষ্ট মাদ্রাসা-শিক্ষিত স্বাধীনতা সংগ্রামী

মাওলানা মাহমুদুল হাসান – “শেখুল হিন্দ”, সিল্ক লেটার মুভমেন্টের নেতা।

মাওলানা উবাইদুল্লাহ সিন্ধি – বিপ্লবী পরিকল্পনার অন্যতম কৌশলবিদ।

মাওলানা হুসাইন আহমদ মাদানী – অসহযোগ আন্দোলনের অন্যতম নেতা।

বাংলায় মাওলানা আকরাম খাঁ, মাওলানা আবুল কাশেম – মুসলিম সমাজে স্বাধীনতার চেতনা জাগিয়ে তুলেছেন।

ওহাবী আন্দোলনের ভূমিকা-

ওহাবী আন্দোলন উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ভারতের মুসলমানদের মধ্যে এক গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সংস্কার আন্দোলন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল ইসলামের মৌলিক নীতিতে ফিরে যাওয়া, কুরআন-সুন্নাহ অনুসরণে সমাজ সংস্কার করা এবং বিদেশি শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রাম চালানো।

---

১. উৎপত্তি ও নামকরণ

নামকরণ: আরবের মক্কা অঞ্চলের ধর্ম সংস্কারক মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওহাব (১৭০৩–১৭৯২ খ্রি.)-এর চিন্তাধারা অনুসারে আন্দোলনটি “ওহাবী আন্দোলন” নামে পরিচিত হয়।

ভারতে এই মতবাদ প্রচার করেন সাইয়্যেদ আহমদ শাহীদ বেরেলভী ও শাহ ইসমাইল শহীদ।

মূল কেন্দ্র ছিল উত্তর ভারতের রায়বেরেলি, দিল্লি ও পরে বাংলার পাটনা।

---

২. উদ্দেশ্য

1. ধর্মীয় শুদ্ধি: ইসলামের মূলনীতি থেকে গড়ে ওঠা বিদআত ও কুসংস্কার দূর করা।

2. নৈতিক সংস্কার: মুসলিম সমাজের নৈতিক অবক্ষয় রোধ।

3. রাজনৈতিক স্বাধীনতা: ব্রিটিশ শাসন ও অমুসলিম শাসকদের বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা।

4. আর্থসামাজিক পরিবর্তন: মুসলিম সমাজে ন্যায়বিচার ও সমতা প্রতিষ্ঠা।

---

৩. প্রধান নেতা ও ব্যক্তিত্ব

সাইয়্যেদ আহমদ শাহীদ বেরেলভী – আন্দোলনের প্রধান নেতা; ১৮২৬ সালে আফগানিস্তান ও সীমান্ত অঞ্চলে জিহাদ শুরু করেন।

শাহ ইসমাইল শহীদ – ধর্মীয় সংস্কার ও জিহাদের তাত্ত্বিক ভিত্তি প্রদান করেন।

বিলায়েত আলী, ইনায়েত আলী, উইলায়েত আলী, এনায়েত আলী – পাটনার ওহাবী নেতৃত্ব।

---

৪. আন্দোলনের বিস্তার

উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ, আফগান সীমান্ত, পাঞ্জাব, পাটনা (বিহার) এবং বাংলায় ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলার পাটনা ছিল এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যেখানে মাওলানা মুহাম্মদ আলী ও অন্যান্য আলেমরা আন্দোলন চালাতেন।

---

৫. ব্রিটিশ বিরোধী কর্মকাণ্ড

ওহাবীরা ব্রিটিশ শাসনকে “অইসলামিক” বলে ঘোষণা করে।

সীমান্ত অঞ্চলে সশস্ত্র জিহাদ চালিয়ে যায়, যা ব্রিটিশদের কাছে গুরুতর হুমকি ছিল।

ব্রিটিশ সরকার এই আন্দোলন দমন করতে একাধিক সামরিক অভিযান চালায় এবং বহু নেতা গ্রেপ্তার ও মৃত্যুদণ্ড পান।

---

৬. দমন ও পতন
১৮৩১ সালে বালাকোটের যুদ্ধে সাইয়্যেদ আহমদ শহীদ ও শাহ ইসমাইল শহীদ শহীদ হন।

তবুও পাটনার ওহাবীরা গোপনে আন্দোলন চালাতে থাকে।

১৮৬৩–১৮৭০ সালের মধ্যে ব্রিটিশরা ধারাবাহিকভাবে ওহাবী বিচার (Wahhabi Trials) চালিয়ে আন্দোলনকে দমন করে।

---

৭. গুরুত্ব ও প্রভাব

মুসলিম সমাজে ধর্মীয় শুদ্ধি ও আত্মসম্মানবোধ তৈরি করে।

মুসলমানদের রাজনৈতিক ঐক্য ও স্বাধীনতার প্রয়োজনীয়তা জাগ্রত করে।

পরোক্ষভাবে ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের পথ প্রশস্ত করে।

---

উপসংহার

ওহাবী আন্দোলন ধর্মীয় সংস্কার ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা আন্দোলনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত। যদিও ব্রিটিশরা কঠোরভাবে দমন করেছিল, তবুও এই আন্দোলন মুসলিম সমাজে স্বাধীনতার চেতনা, আত্মত্যাগ এবং ধর্মীয় শুদ্ধির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছিল।
মাদ্রাসাগুলোর অবদান কেবল ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ায় সীমাবদ্ধ ছিল না; এগুলো ছিল রাজনৈতিক চেতনার কেন্দ্র, যেখানে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, আত্মমর্যাদার বোধ এবং জাতীয়তাবাদ গড়ে উঠেছিল। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্দোলনে অংশ নিয়েছে, কারাবরণ করেছে, এমনকি শহীদও হয়েছে। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে মাদ্রাসার ভূমিকা তাই চিরস্মরণীয়। ওহাবী আন্দোলন।

13/06/2025

আজ আমেদাবাদে যে বিমানটি ভেঙে পড়েছে সেই বিমানটি Boeing কোম্পানির বিমান। Boeing 787-8 ড্রিমলাইনার।
Boeing আমেরিকার কোম্পানি, পুরো নাম "The Boeing Company".

এই কোম্পানিতে ৩২ বছর ধরে কোয়ালিটি কন্ট্রোল ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছিলেন এই লোকটি।
জন বার্নেট।
ইনি ২০১৭ সালে বোয়িং 787 Dreamliner প্রজেক্টে কাজ করার সময় ভয়াবহ অনিয়ম দেখতে পান এবং তা চেপে না রেখে সাহসিকতার সাথে ফাঁস করেন।
এই কাজের জন্য উনি "হুইসেলব্লোয়ার" হিসেবে পরিচিত।
Boeing 787 তে ত্রুটিপূর্ণ পার্টস ব্যবহার,অক্সিজেন সরাবরাহের সমস্যা এবং প্ল্যান্টের ভেতরের কিছু সমস্যা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের Federal Aviation Administration (FAA) এবং OSHA (Occupational Safety and Health Administration)-তে লিখিত অভিযোগ জানান। এমনকি কোর্টেও যান।

তদন্ত হয়। জন বার্নেটের অভিযোগ সঠিক প্রমাণ হয়। FAA Boieng কোম্পানিকে সংশোধনের নির্দেশ দেয়।

শুরু এখানেই৷
এরপর কোম্পানি স্বাভবিকভাবেই লাগে জন বার্নেটের পিছনে। সে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়।
তারপর বেশ কিছু বছর কেটে গিয়ে আসে ২০২৪ সাল।
৯ই মার্চ। উনি সমস্ত প্রমাণ সহ আদলতে Boeing এর বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে গিয়েছিলেন। উঠেছিলেন দক্ষিণ ক্যারোলিনা'র চার্লসটনের একটি হোটেলে। কিন্তু ঠিক সেদিনই হোটেলের পার্কিং লটে তার ট্রাকের ভেতরে তাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
স্বাভাবিকভাবেই পুলিশ আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়।

এভাবেই পুঁজিবাদ এগিয়ে যায়। দৌড়াতে দৌড়াতে। Boieng ড্রিমলাইনে উড়তে উড়তে।
আর বেসরকারিকরণের সাথে পুঁজিবাদের সম্পর্ক নিবিড়।
এয়ার ইন্ডিয়া,আমেদাবাদ এয়ারপোর্টে দুটোই বেসরকারি।

বেসরকারী হলে পরিষেবা ভালো অবশ্যই হয়।
সেটা পুঁজিবাদের পরিষেবা। মানুষের নয়।

©️ Ramiz Mehedi

07/06/2025

তাকাব্বাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম -সাহাবিদের যুগে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা বিনিময় করার একটি সুপরিচিত রীতি ছিল, যেটি হাদীস ও সালাফদের বর্ণনা থেকে পাওয়া যায়। ঈদের দিনে তারা একে অপরকে বলতেন:

تقبل الله منا ومنكم
"তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিংকুম"
অর্থ: আল্লাহ আমাদের এবং আপনাদের পক্ষ থেকে (আমাদের ইবাদতসমূহ) কবুল করুন।

---

দলীল:

এ বিষয়ে ইবনে হজর আল-আসকালানী (রহ.) তার বিখ্যাত হাদীস গ্রন্থ ফাৎহুল বারী-তে উল্লেখ করেছেন:

> كان أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم إذا التقوا يوم العيد يقول بعضهم لبعض: تقبل الله منا ومنكم
(ইমাম আহমদ, ইবনু আবী শাইবা এবং অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ এটি বর্ণনা করেছেন)

---

অতিরিক্ত তথ্য:

এই দো’আটি ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহা উভয় ঈদের জন্যই প্রযোজ্য।

সাহাবীরা সাধারণত এই বাক্য দ্বারা একে অপরকে ঈদের শুভেচ্ছা জানাতেন, এর পেছনে ইসলামী ভাবগম্ভীরতা এবং ইবাদতের মূল উদ্দেশ্য প্রকাশ পায়।

আজকাল মুসলমানরা অনেক সময় এর সাথে আধুনিক ভাষায় “ঈদ মোবারক” ইত্যাদিও বলে থাকেন, যা বৈধ, তবে সাহাবিদের রীতি অনুসরণ করলে তা অধিক ফযিলতপূর্ণ।

সাহাবিরা ঈদুল আযহার দিনে একে অপরকে "তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিংকুম" বলে শুভেচ্ছা জানাতেন।

06/05/2025

I got 10 reactions and comments on one of my posts last week! Thanks everyone for your support! 🎉

নতুন করে ওবিসি তালিকাভুক্ত করতে হেয়ারিং শুরু: শেখ, মল্লিক, মোল্লা, খান ভাটিয়া:- টাইটেল যাদের আছে শিক্ষিত যুবকদের ২৯/০৪...
28/04/2025

নতুন করে ওবিসি তালিকাভুক্ত করতে হেয়ারিং শুরু: শেখ, মল্লিক, মোল্লা, খান ভাটিয়া:- টাইটেল যাদের আছে শিক্ষিত যুবকদের ২৯/০৪/৩০ তারিখে বিজ্ঞাপনে উল্লিখিত স্থানে উপস্থিত থেকে হেয়ারিং এ অংশগ্রহণের আবেদন জানাই। মুসলিম ছাত্র যুবদের স্বার্থে পোস্টটি অনেক শেয়ার করুন।।

27/04/2025

এতো ছারপোকা মারতে গিয়ে খাট পোড়ানোর মত অবস্থা!

Address

Kolkata
034

Telephone

+919830714383

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate, Md. Abdul Momen Halder. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocate, Md. Abdul Momen Halder.:

Share

Category