European Visa Services

European Visa Services European Visa Services is a reputable company specializing in visa-related solutions for individuals and businesses.

Our dedicated team of visa experts ensures a seamless application process for European visas, catering to travel purposes like leisure, business, and family visits. As an authorized service provider, we prioritize customer satisfaction, offering personalized assistance and up-to-date information. Rest assured, your visa applications are handled with confidentiality and professionalism, making your

dream of traveling to Europe a reality. Trust European Visa Services to navigate the complexities and secure your visa efficiently.

বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেন জার্নি যা পর্তুগাল থেকে মালয়েশিয়া পর্যন্ত হতে পারে এক অদ্বিতীয় অভিজ্ঞতা!যাত্রার দৈর্ঘ্য: ২১ দিন...
05/12/2024

বিশ্বের দীর্ঘতম ট্রেন জার্নি যা পর্তুগাল থেকে মালয়েশিয়া পর্যন্ত হতে পারে এক অদ্বিতীয় অভিজ্ঞতা!

যাত্রার দৈর্ঘ্য: ২১ দিন
মোট দূরত্ব: প্রায় ১৮,৭৫৫ কিলোমিটার
অতিক্রান্ত দেশ: ১৩টি

এক অভাবনীয় ট্রেন জার্নি যা শুরু হয় ইউরোপের পশ্চিম প্রান্ত, পর্তুগালের লিসবন শহর থেকে এবং শেষ হয় এশিয়ার দক্ষিণ-পূর্ব কোণে, মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে। এই যাত্রা আপনাকে দুই মহাদেশ, ১৩টি দেশ এবং অসংখ্য সাংস্কৃতিক ও ভৌগলিক বৈচিত্র্যের মধ্য দিয়ে নিয়ে যাবে। এটি একক কোনো ট্রেন যাত্রা নয়; আপনাকে বিভিন্ন দেশের সীমানায় ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে এবং ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

যাত্রাপথের ভৌগলিক বিশ্লেষণঃ-

১. পর্তুগাল:- যাত্রার শুরু লিসবন সান্তা আপোলোনিয়া স্টেশন থেকে।
• আকর্ষণ: পুরনো শহর, ট্যাগাস নদীর তীর, এবং বিখ্যাত বেলেম টাওয়ার।
• পরিবেশ: আরামদায়ক শুরুর পথ, রোলিং পাহাড় আর আটলান্টিক উপকূলের মনোরম দৃশ্য।

২. স্পেন:- পর্তুগাল থেকে স্পেনে প্রবেশ করলে যাত্রা চলে মাদ্রিদ এবং বার্সেলোনা হয়ে।
• আকর্ষণ: গথিক স্থাপত্য, ফ্লামেঙ্কো নৃত্য, এবং পাইরিনিস পর্বতের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।

৩. ফ্রান্স:- স্পেন থেকে ফ্রান্সে পা রাখলে আপনি প্যারিসের মোহনীয় শহর এবং তারপরে পূর্ব দিকে রাইন নদীর তীরে যাত্রা করবেন।
• আকর্ষণ: আইফেল টাওয়ার, লুভর মিউজিয়াম, এবং খ্যাতনামা ওয়াইন তৈরির এলাকা।

৪. জার্মানি:- ফ্রান্স থেকে জার্মানিতে প্রবেশের পর যাত্রা বার্লিন, হামবুর্গ, এবং ড্রেসডেনের মতো শহর পেরিয়ে যাবে।
• আকর্ষণ: ইতিহাসে ভরা শহর, ব্ল্যাক ফরেস্ট, এবং ড্যানিউব নদীর তীর।

৫. পোল্যান্ড:- পোল্যান্ডে যাত্রা শুরু হবে ওয়ারশ থেকে ক্রাকো পর্যন্ত।
• আকর্ষণ: ঐতিহাসিক দুর্গ, পুরনো শহরের চিত্র, এবং অসাধারণ ভৌগলিক বৈচিত্র্য।

৬. বেলারুশ:- পোল্যান্ড থেকে বেলারুশে পা রাখলে যাত্রা চলবে মিনস্ক শহরের মধ্য দিয়ে।
• আকর্ষণ: বিশাল সবুজ প্রান্তর এবং প্রাচীন স্থাপত্য।

৭. রাশিয়া:- বেলারুশের পরে বিশ্বের সবচেয়ে বড় দেশ রাশিয়ার বিস্তৃত ভূমিতে প্রবেশ। এখানে যাত্রার বেশিরভাগ সময় কাটবে।
• ট্রান্স-সাইবেরিয়ান রেলওয়ে: রাশিয়ার মধ্য দিয়ে ৯,২৮৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই যাত্রা হবে অন্যতম প্রধান অংশ।
• আকর্ষণ: মস্কো, লেক বাইকাল, ইউরাল পর্বতমালা, এবং সাইবেরিয়ার বন।

৮. মঙ্গোলিয়া:- রাশিয়া থেকে মঙ্গোলিয়ার বিশাল তৃণভূমিতে যাত্রা শুরু।
• আকর্ষণ: বিশাল তৃণভূমি, জার্ম ঘরবাড়ি, এবং সুমেরু মরুভূমি।

৯. চীন:- মঙ্গোলিয়া থেকে চীনে প্রবেশ করলে যাত্রা চলে বেইজিং, সাংহাই, এবং গুয়াংজু শহরের মধ্য দিয়ে।
• আকর্ষণ: চীনের প্রাচীর, ইয়াংজে নদী, এবং আধুনিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনার সংমিশ্রণ।

১০. লাওস:- চীনের দক্ষিণে লাওস, যেখানে যাত্রা ধীর ও শান্তিময় হয়ে ওঠে।
• আকর্ষণ: গ্রাম্য পরিবেশ, মেকং নদী, এবং লুয়াং প্রাবাং শহরের বৌদ্ধ মন্দির।

১১. থাইল্যান্ড:- লাওস থেকে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংকক হয়ে মালয়েশিয়ার দিকে যাত্রা।
• আকর্ষণ: চাও ফ্রায়া নদীর তীর, সোনালী মন্দির, এবং থাই সংস্কৃতি।

১২. মালয়েশিয়া:- অবশেষে এই দীর্ঘ যাত্রার সমাপ্তি হয় মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে।
• আকর্ষণ: পেট্রোনাস টাওয়ার, আধুনিক স্থাপত্য, এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংস্কৃতির অপূর্ব মেলবন্ধন।

এই যাত্রার বিশেষত্বঃ-

ভ্রমণের অভিজ্ঞতা:- বিশ্বের দুটি মহাদেশ এবং ১৩টি দেশ একক ভ্রমণে দেখা। স্থানীয় সংস্কৃতি, ভাষা, খাবার, এবং পরিবেশের অনন্য অভিজ্ঞতা।

প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ:- রোলিং হিল, হিমবাহ, মরুভূমি, তৃণভূমি, এবং নদী পেরিয়ে যাত্রা।বিভিন্ন ঋতুর বৈচিত্র্যময় রূপ উপভোগ।

ঐতিহাসিক স্থান পরিদর্শন:- প্যারিসের লুভর থেকে চীনের প্রাচীর পর্যন্ত অসংখ্য ঐতিহাসিক নিদর্শন।

যাত্রার চ্যালেঞ্জ এবং প্রস্তুতিঃ-
ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া:- বিভিন্ন দেশের সীমানায় কাস্টমস এবং ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়ার জন্য সময় লাগতে পারে।ভিসা:- প্রতিটি দেশের জন্য পূর্ব-নির্ধারিত ভিসা প্রয়োজন।ট্রেন পরিবর্তন:- যাত্রার মধ্যে বেশ কয়েকবার ট্রেন পরিবর্তন করতে হবে।
খরচ:- ২১ দিনের এই দীর্ঘ যাত্রার জন্য প্রায় $১০,০০০ থেকে $১৫,০০০ খরচ হতে পারে।

এই ২১ দিনের ট্রেন জার্নি শুধুমাত্র একটি ভ্রমণ নয়, এটি একটি জীবনের অভিজ্ঞতা। এই যাত্রা আপনাকে বিশ্বের ভিন্ন ভিন্ন সংস্কৃতি, ইতিহাস, এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে পরিচিত করাবে। একক ভ্রমণে এত দেশ অতিক্রম করার সুযোগ বিরল। তাই, জীবনে যদি কখনো সুযোগ আসে, তবে এই যাত্রাটি অবশ্যই আপনার করা উচিত।

“একটি ট্রেন জার্নি আপনাকে শুধু গন্তব্যে নিয়ে যায় না; এটি আপনাকে শেখায় পৃথিবী কতোটা বিশাল এবং বৈচিত্র্যময়।”

কারো সাহায্য ছাড়াই নিজে কীভাবে পাসপোর্ট করবেন.. বাংলাদেশে পাসপোর্ট করার জন্য আপনি নিজেই আবেদন করতে পারেন। ই-পাসপোর্ট (ই...
02/11/2024

কারো সাহায্য ছাড়াই নিজে কীভাবে পাসপোর্ট করবেন.. বাংলাদেশে পাসপোর্ট করার জন্য আপনি নিজেই আবেদন করতে পারেন। ই-পাসপোর্ট (ইলেকট্রনিক পাসপোর্ট) করতে হলে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে, যা সহজভাবে সম্পন্ন করা যায়। নিচে ধাপগুলো দেওয়া হলো:

ধাপ ১: আবেদন ফর্ম পূরণ
************************
১.১. ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে প্রবেশ-
প্রথমেই আপনাকে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্টের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যেতে হবে।

১.২. রেজিস্ট্রেশন-
যদি আপনি নতুন ব্যবহারকারী হন, তাহলে "Create Account" বা "নতুন একাউন্ট তৈরি করুন" অপশনে ক্লিক করে রেজিস্ট্রেশন করবেন। রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনাকে নিচের তথ্য দিতে হবে:
- নাম
- ইমেইল আইডি
- মোবাইল নম্বর
- পাসওয়ার্ড তৈরি করতে হবে
এরপর আপনার মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) যাবে, যা দিয়ে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।

১.৩. ফর্ম পূরণ-
লগইন করার পর আপনাকে আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। এই ফর্মে নিচের তথ্যগুলো চাওয়া হয়:
- ব্যক্তিগত তথ্য (নাম, জন্ম তারিখ, ঠিকানা)
- জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর (NID)
- পেশাগত তথ্য (যদি প্রযোজ্য হয়)
- পাসপোর্টের ধরন নির্বাচন (৫ বছর বা ১০ বছরের মেয়াদ)

১.৪. ফর্ম সাবমিশন ও প্রিন্ট-
আপনি যখন অনলাইনে ফর্ম পূরণ করবেন, তখন আপনাকে তা যাচাই করতে হবে। যাচাই করার পর ফর্মটি সাবমিট করে তার প্রিন্ট কপি সংরক্ষণ করুন। এটি পরবর্তীতে প্রয়োজন হবে।

ধাপ ২: পাসপোর্ট ফি জমা করা
***************************
২.১. ফি নির্ধারণ-
আপনার ই-পাসপোর্টের জন্য ফি নির্ধারিত থাকে। এর উপর নির্ভর করে আপনার জমা দিতে হবে:
**৫ বছরের মেয়াদ (৪৮ পৃষ্ঠা): সাধারণ ৩,৪৫০ টাকা (দ্রুত ফি ৬,৯০০ টাকা)
**১০ বছরের মেয়াদ (৬৪ পৃষ্ঠা): সাধারণ ৫,৭৫০ টাকা (দ্রুত ফি ৯,২০০ টাকা)

২.২. ফি জমা দেওয়ার পদ্ধতি-
আপনি নিচের যেকোনো মাধ্যম দিয়ে পাসপোর্ট ফি জমা দিতে পারবেন:
**ব্যাংক ডিপোজিট: নির্দিষ্ট ব্যাংকে গিয়ে সরাসরি জমা দিতে পারেন।
**অনলাইন পেমেন্ট: ব্যাংক ট্রান্সফার, মোবাইল ব্যাংকিং (যেমন বিকাশ, নগদ), অথবা ডেবিট/ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে অনলাইন পেমেন্ট করতে পারেন।

ধাপ ৩: বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান
****************************
৩.১. নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিতি-
আপনার ফর্ম এবং ফি জমা দেওয়ার পর আপনাকে একটি তারিখ দেওয়া হবে। সেই তারিখে নির্দিষ্ট পাসপোর্ট অফিস বা ই-পাসপোর্ট সেন্টারে উপস্থিত হতে হবে।

৩.২. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র-
বায়োমেট্রিক তথ্যের দিন আপনার সাথে নিচের কাগজপত্রগুলো নিয়ে যাবেন:
**প্রিন্ট করা আবেদন ফর্ম
**জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা জন্ম সনদ
**আগের পাসপোর্ট (যদি থাকে)
**পাসপোর্ট ফি জমার রশিদ

৩.৩. বায়োমেট্রিক প্রক্রিয়া-
সেন্টারে গিয়ে আপনাকে নিচের কাজগুলো করতে হবে:
**আপনার ফিঙ্গারপ্রিন্ট (আঙুলের ছাপ)
**আপনার ছবি তোলা হবে
**স্বাক্ষর প্রদান

ধাপ ৪: পাসপোর্ট সংগ্রহ
*********************
৪.১. পাসপোর্ট প্রস্তুতির সময়
বায়োমেট্রিক তথ্য জমা দেওয়ার পর পাসপোর্ট প্রস্তুতির জন্য কিছু সময় নেয়। সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ কর্মদিবস সময় লাগতে পারে, যদি দ্রুত সেবা না নেন।

৪.২. এসএমএস নোটিফিকেশন-
পাসপোর্ট প্রস্তুত হলে আপনাকে মোবাইলে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে। এছাড়াও ই-পাসপোর্ট ওয়েবসাইটে লগইন করেও আপনার পাসপোর্টের অবস্থা দেখতে পারবেন।

৪.৩. পাসপোর্ট সংগ্রহ-
এসএমএস পাওয়ার পর নির্দিষ্ট কেন্দ্রে গিয়ে আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং প্রাপ্তি স্লিপ দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে পারবেন।

পাসপোর্ট প্রক্রিয়ার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস
************************************
**সব সময় ফর্ম পূরণ করার সময় সঠিক তথ্য প্রদান করবেন।
**ফি জমা দেওয়ার পর রশিদটি সাবধানে রাখুন।
**ছবি তোলার দিন পরিষ্কার পোশাক পরিধান করবেন এবং মুখ পরিষ্কার রাখতে হবে (ধূসর ব্যাকগ্রাউন্ডে ছবি তোলা হয়)।

আপনি পুরো প্রক্রিয়াটি নিজে সম্পন্ন করতে পারেন, কোনো মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন নেই।

জার্মানির অপরচুনিটি কার্ড ভিসা: একটি সংক্ষিপ্ত গাইড✒️ জার্মানি দক্ষ কর্মী আনার জন্য নতুন "অপরচুনিটি কার্ড" বা Chancenkar...
05/10/2024

জার্মানির অপরচুনিটি কার্ড ভিসা: একটি সংক্ষিপ্ত গাইড

✒️ জার্মানি দক্ষ কর্মী আনার জন্য নতুন "অপরচুনিটি কার্ড" বা Chancenkarte চালু করেছে, যা প্রবাসীদের সহজে কাজ খুঁজে পেতে এবং সেখানে বসবাস করার সুযোগ দিচ্ছে। এটি মূলত একটি পয়েন্ট-ভিত্তিক সিস্টেমের উপর ভিত্তি করে। দক্ষ পেশাজীবী, যেমন—প্রোগ্রামার, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, আইটি বিশেষজ্ঞ ইত্যাদি পেশার লোকদের জন্য এটি একটি বড় সুযোগ।

💧 পয়েন্ট সিস্টেম:
আপনার শর্ত অনুযায়ী ৬ পয়েন্ট অর্জন করতে হবে, যা নিম্নলিখিত ক্যাটাগরির উপর নির্ভর করে:

1. শিক্ষাগত যোগ্যতা: স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রি বা পেশাগত প্রশিক্ষণ।
2. কর্মজীবনের অভিজ্ঞতা: গত ৭ বছরে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে ৩ পয়েন্ট, ২ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে ২ পয়েন্ট।
3. ভাষাগত দক্ষতা: B2 স্তরের জার্মান জানলে ৩ পয়েন্ট, B1 স্তর জানলে ২ পয়েন্ট, A2 স্তর জানলে ১ পয়েন্ট।
4. বয়স: ৩৫ বছরের কম বয়স হলে ২ পয়েন্ট, ৪০ বছরের কম হলে ১ পয়েন্ট।
5. অতিরিক্ত পয়েন্ট: জার্মানিতে ৬ মাস থাকা থাকলে, বা সঙ্গী সহ আবেদন করলে ১ অতিরিক্ত পয়েন্ট।

💧 ভিসার বৈশিষ্ট্য:
- এটি প্রাথমিকভাবে ১ বছরের জন্য বৈধ থাকে এবং ২ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যায়।
- চাকরি খুঁজতে গেলে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা দেখাতে হবে, অর্থাৎ বছরে প্রায় €১২,৩২৪ ব্লকড অ্যাকাউন্টে রাখতে হবে।
- চাকরি খোঁজার সময়ে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত পার্ট-টাইম কাজের সুযোগ আছে।

💧 চাকরির সুযোগ ও সীমাবদ্ধতা:
অপরচুনিটি কার্ড আপনাকে সরাসরি জার্মানিতে প্রবেশ করে চাকরি খোঁজার সুযোগ দেবে। তবে চাকরি পাওয়ার পরই আপনি দীর্ঘমেয়াদী বসবাসের অনুমতি পাবেন।

💧 যে কাজের জন্য উপযুক্ত:
ডেটা সায়েন্স, আইটি, প্রকৌশল, চিকিৎসা ও গবেষণা ইত্যাদি উচ্চ চাহিদা সম্পন্ন ক্ষেত্রগুলিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য এটি বিশেষভাবে কার্যকর। তবে কিছু নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ করতে হবে, যেমন—যোগ্যতা ও পেশাগত অভিজ্ঞতা।

এটি বিশেষ করে দক্ষ কর্মীদের জন্য একটি সুবর্ণ সুযোগ যারা জার্মানিতে কাজ এবং ভবিষ্যৎ গড়তে ইচ্ছুক।

জার্মানিতে আসার পর অটোমোটিভে জব করার সুবিধাগুলো বলি?প্রথম কথা হচ্ছে যে কোম্পানিতে জব করবেন, সে কোম্পানির সব লেটেস্ট মডেল...
07/07/2024

জার্মানিতে আসার পর অটোমোটিভে জব করার সুবিধাগুলো বলি?
প্রথম কথা হচ্ছে যে কোম্পানিতে জব করবেন, সে কোম্পানির সব লেটেস্ট মডেলের পার্সোনাল কার পাবেন। জেনারেলি যে কার ড্রাইভ করতে ৫০ হাজার ইউরো লাগবে, সে কার আপনি নামমাত্র খরচে পার্সোনালি ব্যবহার করতে পারবেন। ৬ মাস পর এই কার ভালো লাগছে না? জাস্ট কোম্পানির পোর্টালে ঢুকে নতুন কারের রিকোয়েস্ট দিয়ে নতুন কার নিয়ে নিবেন। যারা কার Enthusiast তাদের জন্যে মার্কেটের নতুন কার ড্রাইভ করা একটা ক্রেজ, এবং এই সিস্টেমে অলঅয়েজ আপনি লেটেস্ট কারগুলো ড্রাইভ করতে পারবেন।
দ্বিতীয় কথা হচ্ছে, হোম অফিস। বেশিরভাগ কোম্পানিতেই হোম অফিস। বাসায় বসে, ঘরের খাবার খেয়ে, ট্রাফিকের প্যারা আর বরফের দিনে ওই ঠাণ্ডার কষ্ট ছাড়া জব করার শান্তি যারা হোম অফিস করে শুধু তারাই বোঝে।
তৃতীয় হচ্ছে, ইংরেজি মাধ্যম। জার্মানির নাম শুনলেই অনেকে এখনো ভয় পায় জার্মান ভাষা শিখার নাম শুনে। কিন্তু অটোমোটিভ কোম্পানিতে হাজার হাজার জব আছে ইংরেজিতে। কিন্তু শুধু মার্সেডিজ-ব্যাঞ্জেই যতগুলো ইংরেজি জব, সেগুলো এপ্লাই করে শেষ করতে করতে আপনার এক-দেড় মাস লেগে যেতে পারে।
চতুর্থ হচ্ছে, ইন্টার্নেশনাল কালচার। একটি টিমে বিভিন্ন দেশের মানুষ পেয়ে যাবেন। সবার থেকে তাদের কালচার, খাবার-দাবার, এবং ভাষা সম্পর্কে জানতে পারবেন। আর ইন্টার্নেশনাল কালচারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে আপনাকে কিছুর জন্যে জাজ করা হবেনা। আপনি চুল বড় রাখেন, বা হাফ প্যান্ট করে অফিসে জান, কারো কিছুই যায় আসে না।
পঞ্চম হচ্ছে, জার্মান ভাষা ফ্রীতে শেখার সুযোগ। জার্মানিতে জার্মান ভাষা শিখতে সাধারণত মাসে ১০ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়। কিন্তু কোম্পানিতে জার্মান ভাষা ফ্রীতেই শেখানো হয়, তাও আবার অনলাইন বা অফলাইন - আপনার যেভাবে সুবিধা। কোর্স এবং পরীক্ষার সব খরচ কোম্পানির - তাতে আপনার যতদিনই লাগুক না কেনো।
ষষ্ঠ হচ্ছে, ক্যারিয়ার গ্রোথ। সাধারণত ভার্সিটির পর, ক্যারিয়ার গ্রোথের জন্যে বিভিন্ন প্রফেশনাল কোর্স এবং সার্টিফিকেশনের দরকার পর। প্রতিটা কোম্পানিতে সবাইকে প্রায় ২ লাখ থেকে ৩ লাখ টাকার লার্নিং বাজেট দেওয়া হয়। এই টাকা দিয়ে আপনি যা ইচ্ছা শিখতে পারেন এবং সার্টিফিকেশন নিতে পারেন।
সপ্তম হচ্ছে, কোম্পানির টাকায় ঘুরাঘুরি, ঐ যে লার্নিং বাজেটের কথা বললাম? এটা দিয়ে অনেকে বিভিন্ন দেশ ঘুরেও আসে। কিভাবে? লার্নিং বাজেট হচ্ছে প্রায় ৩ লাখ টাকা। কোন কোর্স করতে এতো টাকা লাগে? কোর্স নেয়া যায় অন্য একটা দেশে, তাতে করে সেই দেশে যাওয়া, থাকা, কোর্স করা, এবং আনুষঙ্গিক সব খরচ এই টাকা দিয়ে কাভার করা যায়। আমার মনে হয় ২৫০০ ইউরো দিয়ে ইউরোপ, সুইজারল্যান্ড, বা ইউকে থেকে কোর্স করে আসতে এর চেয়ে বেশি খরচ লাগার কথা না। আর বাড়তি কিছু লাগলে আপনি নিজে কাভার করতে পারবেন।
অষ্টম হচ্ছে, প্রতি মাসেই আলাদা কিছু টাকা দেওয়া হয় Health Coverage এর জন্যে। যেমন জিম, Yoga - বা এমন স্বাস্থ্য বিষয়ক খাতে এই টাকা আপনি ব্যয় করতে পারেন।
নবম হচ্ছে, জব সিকিউরিটি। জার্মান অটোমোটিভ কোম্পানিগুলোতে জব সিকিউরিটি অনেক হাই। ম্যাক্সিমাম কোম্পানিত IG Metall - এর আওতাভুক্ত। তাই জব সিকিউরিটি অনেক বেশি। এ ব্যপারে আরও জানতে 'IG Metall' দিয়ে গুগলে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন।
দশম হচ্ছে, জার্মানির বাইরে থেকেও জব করার সুযোগ। জার্মানির নিয়ম হচ্ছে, জার্মানিতে রিমোট জব করতে হলেও জার্মানিতে অবস্থান করতে হয়। তবে বেশিরভাগ কোম্পানিতে বছরে অন্তত ৩০ দিন জার্মানির বাইরে থেকেও জব করার পার্মিশন দেয়।
পরিশেষে একটা পয়েন্ট যেটা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, সেটা হচ্ছে আত্মতৃপ্তি। ঘরে বসে বসে কোন ফিচারে কাজ করছেন, কিন্তু বাইরে বেরুলেই যখন দেখবেন এই গাড়িগুলোতে আপনার কন্ট্রিবিউশনগুলো হাতছানি দিয়ে আপনাকে অভিবাদন জানাচ্ছে, এই অনুভূতিতা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। আর ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স অনন্য। সারা জার্মানিতেই ওভারটাইম বা উইকেন্ডে কাজ করা তেমন একটা এপ্রিশেয়েট করা হয়না। ওয়ার্ক-লাইফ ব্যালেন্স খুবই ভালো।
উল্লেখ্য শুধু অটোমোটিভ নয় জার্মানিতে অন্যান্য ইন্ড্রাস্ট্রিও এই সুবিধাগুলোর অনেকগুলোই দিয়ে থাকে। তবে আমি যেহেতু অটোমোটিভ আছি, তাই এই ইন্ড্রাস্ট্রি নিয়ে লিখলাম।
লেখাটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করবেন। আর কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। ❤
স্কেচ: এই পোস্টের জন্যেই স্কেচটি করেছি 😊

আমাদের পেজটি ফলো করুন এবং আরও তথ্যের জন্য লাইক দিন follow and share : # # # হাঙ্গেরি ভিসার জন্য চেকলিস্ট (বাংলাদেশের নাগ...
10/06/2024

আমাদের পেজটি ফলো করুন এবং আরও তথ্যের জন্য লাইক দিন follow and share :

# # # হাঙ্গেরি ভিসার জন্য চেকলিস্ট (বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য)

১. **ভিসা আবেদন ফর্ম**:
- সঠিকভাবে পূরণ করা আবেদন ফর্ম।
- আবেদন ফর্মে প্রয়োজনীয় সব তথ্য পূরণ করুন।

২. **পাসপোর্ট**:
- কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট।
- পাসপোর্টের প্রথম এবং শেষ পৃষ্ঠার ফটোকপি।

৩. **ছবি**:
- সাম্প্রতিক রঙিন পাসপোর্ট সাইজ ছবি (২ কপি)।
- ছবি সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে এবং ৩.৫ সেমি x ৪.৫ সেমি।

4. **কভার লেটার**:
- ভিসা আবেদন এবং ভ্রমণের উদ্দেশ্য সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণসহ।

5. **ফ্লাইট বুকিং**:
- রিটার্ন ফ্লাইটের বুকিং কপি।

6. **আবাসন প্রমাণ**:
- হোটেল বুকিং বা থাকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত প্রমাণপত্র।

7. **ভ্রমণ বীমা**:
- ভিসার মেয়াদ অনুযায়ী যথাযথ কভারেজ সহ ভ্রমণ বীমা।

8. **আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ**:
- ব্যাংক স্টেটমেন্ট (সর্বশেষ ৬ মাসের)।
- ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট।

9. **চাকরির প্রমাণ (যদি প্রযোজ্য হয়)**:
- চাকরির নিয়োগপত্র, ছুটির অনুমতি পত্র, এবং স্যালারি স্লিপ।

10. **বিজনেস প্রমাণ (যদি প্রযোজ্য হয়)**:
- বিজনেস ট্রেড লাইসেন্স, ট্যাক্স সার্টিফিকেট।

11. **শিক্ষার্থীদের জন্য (যদি প্রযোজ্য হয়)**:
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র, বোনাফাইড সার্টিফিকেট।

12. **প্রয়োজনে অন্যান্য প্রমাণপত্র**:
- বিবাহ সনদ, জন্ম সনদ, ইনভাইটেশন লেটার ইত্যাদি।

# # # আবেদন প্রক্রিয়া

১. **তথ্য সংগ্রহ**:
- হাঙ্গেরি দূতাবাসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করুন।

২. **আবেদন ফর্ম পূরণ**:
- অনলাইনে বা প্রিন্ট করে সঠিকভাবে আবেদন ফর্ম পূরণ করুন।

৩. **দূতাবাসে জমা দিন**:
- সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সহ ভিসা আবেদন ফর্ম হাঙ্গেরি দূতাবাসে জমা দিন।
- আবেদন ফি প্রদান করুন।

৪. **বায়োমেট্রিক ডেটা প্রদান**:
- আবেদন জমা দেয়ার সময় বায়োমেট্রিক তথ্য (ছবি এবং আঙ্গুলের ছাপ) প্রদান করতে হবে।

৫. **ভিসা প্রসেসিং**:
- আবেদন প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হলে দূতাবাস থেকে নোটিফিকেশন পাবেন।

৬. **ভিসা সংগ্রহ**:
- দূতাবাস থেকে পাসপোর্ট ও ভিসা সংগ্রহ করুন।

আশা করি এই চেকলিস্ট এবং নির্দেশনা আপনার হাঙ্গেরি ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সহজ করবে। আরও তথ্যের জন্য আমাদের পেজটি ফলো করতে ভুলবেন না!

 #**ট্রাভেল হিস্ট্রি বাড়াতে চাইলে কি কি করতে হবে।**একটি দেশে যখন আপনি ভ্রমণ ভিসায় যাবেন সেখানে কতদিন আপনি অবস্থান করবে...
09/06/2024

#**ট্রাভেল হিস্ট্রি বাড়াতে চাইলে কি কি করতে হবে।**

একটি দেশে যখন আপনি ভ্রমণ ভিসায় যাবেন সেখানে কতদিন আপনি অবস্থান করবেন বা কতদিন আপনাকে থাকতে হবে।

বিশেষ করে আমরা যারা গ্রুপ টুরে যাই ,সে ক্ষেত্রে আমরা কিছু ভুল করে থাকি। এই ভুল গুলো দিকে একটু নজর দিবেন তাহলে আমরা গ্রুপ টুর এ গিয়ে যেই টাকা গুলো খরচ করছি তা কিছুটা হলে কাজে লাগবে আপনার ট্রাভেল হিট্রি তৈরি করতে বা বাড়াতে ।

অনেক আছে আমরা ট্রাভেল হিট্রি তৈরি করার জন্য থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম,কম্ভডিয়া, মালদ্বীপ,সিলঙ্কা, দুবাই ইত্যাদি দেশ গুলো তে আমরা যাচ্ছি আমাদের ট্রাভেল হিট্রি তৈরি করতে বা আমাদের পাসপোর্ট স্ট্রং করতে। সেজন্য আপনাদের বলি আপনার যেখানেই ট্রাভেল এ যান না কেন নূন্যতম ৭২ ঘন্টা থাকাতে হবে। ৭২ ঘন্টা থাকলে সেই ট্রাভেল হিট্রিটি স্ট্রং হয়।

আপনি একটি দেশে আজকে গেলে কালকে ফিরে আসলেন এটি আসলে ট্রাভেল হিট্রি মধ্যে পরে না। কিছু কিছু দেশ আছে সেখানে আপনাকে দেখাতে হবে যে আপনি আগে যেই দেশে ঘুরতে গিয়েছিলেন সেখানে আপনি কত দিন ছিলেন মানে আপনার পাসপোর্ট এ যে সিল আছে এগুলোর স্কেন কপি দেখাতে হয় এবং লিখে ও দিতে হবে আপনি কত তারিখ গিয়েছে, কত দিন ছিলেন, কত তারিখ এ বের হয়েছেন। আমরা অনেকেই এই বিষয় গুলো জানি না তাই এই ভুল গুলো করে থাকি।

আমরা কম খরছে প্যাকেজ ট্যুর খুঁজি কিন্তু আমরা এটা বুঝি না যে আমাদের ট্রাভেল হিট্রি কখন স্ট্রং হবে কত দিন থাকতে হবে।

আমরা মনে করি আমারা একটা দেশে প্রবেশ করলাম বের হয়ে গেলাম পাসপোর্ট এ দুইটা সিল পরলো এতে ট্রাভেল হিট্রি তৈরি হয়ে গেলে এটা আমাদের একদম ভুল ধারনা এটা ট্রাভেল হিট্রি কাতারে পরে না।

আমি বলছি আপনি কি করে আপনার ট্রাভেল হিট্রি তৈরি করবেন থাইল্যান্ড,কম্ভডিয়া,লাউস, ভিয়েতনাম এই চারটি দেশ আপনি একসাথে ঘুরে আসতে পারেন অথবা থাইল্যান্ডে, কম্ভডিয়া,লাউস এই তিনটি দেশ এক সাথে ঘুরে আসতে পারেন কিন্তু অবশ্যই প্রতিটি দেশে তিন রাত করে অবস্থান করতে হবে।

আরেটি আছে ফিলিপাইন , সিংঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এর সাথে ইন্দোনেশিয়া রাখতে পারেন, আর যদি না যেতে চান তাহলে ইন্দোনেশিয়া স্কিপ করতে পারেন কিন্তু যেই দেশে যান ট্রাভেল হিট্রি স্ট্রং করার জন্য তিন দিন অবশ্যই থাকতে হবে।

আরেটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে আমার এক সাথে তিনটি দেশ ঘুরে আসার পর পরবর্তী ট্যুর কিছু দিন সময় নিয়ে পরবর্তী ট্যুর প্ল্যান করা , তা হতে পারে দুই তিন মাস পর পর ।

আর আমরা যদি সিঙ্গেল ভাবে ট্যুর প্ল্যান করি সেই ক্ষেত্রে ও আমারা একটি বিষয় খেয়াল রাখবো যে একটি ট্যুর এর পর যাদে পরবর্তী ট্যুর গ্যাপ যাতে দুই তিন মাস পয পর হয় তাহরে আমাদের স্ট্রং ট্রাভেল হিট্রি ক্রিয়েট হবে।

বিদেশে পড়তে যাওয়ার ১ বছর আগে থেকেই কি কি করণীয়(যেকোনো দেশে পড়তে গেলে, এই তথ্যগুলো আশা করি আপনাকে সহায়তা করবে),,১ আপনার ন...
09/06/2024

বিদেশে পড়তে যাওয়ার ১ বছর আগে থেকেই কি কি করণীয়
(যেকোনো দেশে পড়তে গেলে, এই তথ্যগুলো আশা করি আপনাকে সহায়তা করবে)
,
,
১ আপনার নাম এবং আপনার পিতামাতার নামের সাথে মিল রেখে সার্টিফিকেটে কোনো ভুল থাকলে তা সংশোধন করবেন, হতে পারে নামের বানানে ভুল বা অন্য কিছু, এ সময়ে একটা জিনিস খেয়াল রাখবেন আপনার পিতামাতার ভোটার আইডিতে যে নাম আছে ঔ নাম ই যেন সার্টিফিকেটে থাকে, মোট কথা আপনার জন্মসনদ, সার্টিফিকেট এবং বাবামার এনআইডিতে যেন সেম নাম থাকে
,
,
২ পাসপোর্ট তৈরি ঃ পাসপোর্ট তৈরির সময় পূর্বের সার্টিফিটের মতো নাম এবং স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানার দিকে খেয়াল রাখবেন, এমন যেন না হয় জন্মসনদে আছে বর্তমান ঠিকানা বরিশাল কিন্তু পাসপোর্টে কোনোভাবে এসে গেছে নোয়াখালী
,
( ১,২ নং পয়েন্টে কোনোভাবে ভুল হলে এগুলো সংসোধন বিদেশে পরতে যান বা না যান এমনিতেই জরুরি এবং সংসোদন একটু সময় সাপেক্ষ বিষয়)
,
,
৩ SSC, HSC এর নম্বরপএ এবং সার্টিফিকেট বোর্ড থেকে সংগ্রহ করা এবং মাস্টার্সে যেতে চাইলে অনার্সের সার্টিফিকেট বিশব্বিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সংগ্রহ করে রাখা
,
৪ সার্টিফিকেট সংগ্রহের পর এগুলো শিক্ষা, এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সত্যায়িত করা
,
৫ IELTS preparation :আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রিপারেশন টা একটু আগে থেকেই নেওয়া ভালো, কারন অনেকের কাঙ্খিত স্কোর তুলতে অনেক বেশি সময় লেগে যায় এবং এই সময়ের কারণে, অনেকে বিশব্বিদ্যালয়ের সেশন মিস করে ফেলে, যার জন্য এডুকেশন গ্যাপ বেড়ে যায় যার জন্য ভিসা পাওয়া কঠিন হয়ে যায়
,
৬ স্কলারশিপ নিয়ে পড়াশোনা করার ইচ্ছা থাকলে আন্ডার-গ্র্যাজুয়েটের স্টুডেন্টদের জন্য SAT/ ACT পরীক্ষা এবং স্নাতকোত্তর ছাত্রীদের জন্য GRE/ GMAT পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আগে থেকে নেওয়া ভালো
,
৭ আপনার পরিচিত বা যে সকল শিক্ষকরা আপনাকে ভালো জানে, এই সকল শিক্ষকদের মধ্য থেকে দুইজন টিচারের রেকমেন্ডেশন লেটার সংগ্রহ করে রাখা
,
৮ SOP লেখার প্রিপারেশন ঃ বিদেশে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য SOP লেখা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি প্রিপারেশন অনেক আগে থেকেই নেওয়া ভালো, যে কিভাবে আপনি এটাকে লিখবেন, এর জন্য অভিজ্ঞ ভাইদের সহযোগিতা নেওয়া বা বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ বা অন্য কোথা থেকে সহযোগিতা নেওয়া এবং নিজের মতো করে এটাকে প্রস্তুতি নেওয়া যাতে SOP ভাষাটা নিজের মতো করে হয়
,
৯ ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল রেখে আপনি যে দেশে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই দেশের মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় খুঁজে বের করে রাখা এবং যে সাবজেক্টে পড়তে যেতে চাচ্ছেন ওই সাবজেক্টটা যেন আপনার পূর্বের পড়া সাবজেক্ট এর সাথে মিল খায়,ধরেন ধরেন আপনি সায়েন্স থেকে এইচএসসি পাশ করছেন সুতরাং আপনাকে এমন কোন সাবজেক্টই পরবর্তীতে চয়েজ করতে হবে যেটা সায়েন্স ব্যাকগ্রাউন্ড এর সাথে মিল খায় বা ব্যবসা শিক্ষা বিষয় থেকে আগে পড়াশোনা করে থাকলে এমন সাবজেক্ট পছন্দ করতে হবে যেটা যেন ব্যাবসা শিক্ষার সাথে মিল থাকে
,
১০ আপনার বাজেট, আপনার পছন্দের শহর সহ সব কিছু বিষয় মাথায় রেখে মিনিমাম পাঁচটা বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজ আগে থেকে পছন্দ করে রাখা
,
১১ আপনি যে সকল বিশ্ববিদ্যালয় পছন্দ করবেন সে সকল বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের ডেডলাইনের দিকে খেয়াল রাখা এবং সে অনুযায়ী আগে থেকেই আবেদন করা
,
১২ ভলেন্টিয়ার সংগঠনে যুক্ত ঃআপনি যদি খুব সহজেই বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন করে সিলেক্ট হতে চান বা স্কলারশীপ পেতে চান এবং সহজেই ভিসা পেতে চান তাহলে কিছু ভলেন্টিয়ার সংগঠনের সাথে যুক্ত থাকা এবং তার যথেষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ করে রাখা
,
১৩ বিদেশে গেলে বেশিরভাগ সময় আপনাকে নিজেকে নিজের রান্না করে খেতে হবে সুতরাং আগে থেকেই দেশ থেকে রান্না শিখে যাওয়া টা ভালো
,
১৪ যদি সম্ভব হয় ড্রাইভিং শেখা তাহলে শিখে ফেলুন, ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখুন এবং যদি আরও সম্ভব হয় তাহলে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে রাখতে পারেন
,
১৫ যদি সম্ভব হয় তাহলে কম্পিউটারে নিজের স্কিল দেশ থেকে আপগ্রেড করে যান যেমন microsoft-office, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফট পাওয়ারপয়েন্টের কাজ শেখা এবং সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে রাখতে পারেন এটা বিদেশে আপনাকে অনেক সাপোর্ট দিবে
,
আমার কাছে এই ১৫ টা পয়েন্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়ছিল, আশা করি অনেকের কাজে আসবে ।

**ইউরোপ যাওয়া আহামরি কোনো বিষয় না**আপনার যদি উদ্দেশ্য হয় ইউরোপ তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য।ইউরোপের ভিসার জন্য আপনাকে কি কি...
08/06/2024

**ইউরোপ যাওয়া আহামরি কোনো বিষয় না**
আপনার যদি উদ্দেশ্য হয় ইউরোপ তাহলে এই পোস্ট আপনার জন্য।

ইউরোপের ভিসার জন্য আপনাকে কি কি করতে হবে তা বলে দিচ্ছি.
১/ নিজেকে মানষিক ভাবে প্রস্তুত করতে হবে
২/ কে কি বলছে বা বলবে তা পরিহার করতে হবে।

নিম্নে আবেদনের প্রক্রিয়ার একটা সেম্পল দেওয়া হইলো

সেনজেন টুরিস্ট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াঃ

সেনজেন টুরিস্ট ভিসা আবেদন করতে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস,

সেনজেন টুরিস্ট ভিসা পেতে যে সকল ডকুমেন্ট প্রয়োজন হয়, তার সম্পূর্ণ তালিকা ও বিস্তারিত তথ্য নিচে দেয়া হলো। এই নির্দেশিকাটি আপনাকে সহজে এবং সঠিকভাবে ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সহায়তা করবে।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টসের তালিকা:

১. পাসপোর্ট
- মেয়াদ: আবেদন করার সময় পাসপোর্টের মেয়াদ কমপক্ষে ৬ মাস থাকতে হবে।
- খালি পাতা: পাসপোর্টে কমপক্ষে দুটি খালি পাতা থাকতে হবে।
- পূর্বের ভিসা কপি: পূর্বের শেঞ্জেন বা অন্য দেশের ভিসা থাকলে তার কপি সংযুক্ত করতে হবে।

২.সেনজেন ভিসা অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম
- ডাউনলোড: পর্তুগিজ MFA ওয়েবসাইট থেকে ফর্মটি ডাউনলোড করতে হবে। অথবা যে দেশের জন্য জমা দিবেন ঐদেশের ওয়েবসাইটে পাবেন।
- পূরণ ও সাইন: ফর্মটি সঠিকভাবে পূরণ করতে হবে এবং স্বাক্ষর করতে হবে। যদি আবেদনকারীর বয়স ১৮ বছরের কম হয়, তবে গার্ডিয়ানের সাইন প্রয়োজন।

৩. ছবি
- সাইজ: ভালো কোয়ালিটির ছবি, ৩৫x৪৫ মিমি সাইজ।
- ব্যাকগ্রাউন্ড: সাদা ব্যাকগ্রাউন্ডে তোলা।

৪. ট্রাভেল হেলথ ইন্সুরেন্স
- কভারেজ: কমপক্ষে ৩০,০০০ ইউরো সমপরিমাণ মেডিকেল এবং ইমারজেন্সি সিচুয়েশন কাভার করবে।
- ভ্যালিডিটি: শেঞ্জেনভুক্ত সব দেশে কাভার হবে এবং ভ্রমণের জন্য নির্ধারিত সময়ের চেয়েও বেশি সময়ের জন্য ভ্যালিড থাকবে।

৫. পেমেন্ট
- ফি: আশি ইউরো (প্রায় ১২০০+;টাকা)।
- পেমেন্ট মেথড: ভিসা আবেদন কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী পেমেন্ট করতে হবে।

৬. রিটার্ন এয়ার টিকেট
- বুকিং প্রমাণ: রিটার্ন এয়ার টিকেটের কপি সংযুক্ত করতে হবে।

৭. সেনজেন টুরিস্ট ভিসা কাভার লেটার
- ব্যক্তিগত তথ্য: আবেদনকারীর ব্যক্তিগত তথ্য প্রদান করতে হবে।
- ভ্রমণের কারণ: সেনজেন ভ্রমণের কারণ উল্লেখ করতে হবে।
- ভ্রমণের সময়সূচি: কোন তারিখে ভ্রমণ করবেন এবং কত তারিখে ফিরে আসবেন তা উল্লেখ করতে হবে।
- অন্য দেশ ভ্রমণ: পর্তুগাল ছাড়াও শেঞ্জেনের অন্য কোন দেশ ভ্রমণ করবেন কিনা তা উল্লেখ করতে হবে।
- পর্যটন পরিকল্পনা: কোন কোন দেশ ভ্রমণ করবেন তার তথ্য প্রদান করতে হবে।

৮. ব্যাংক স্টেটমেন্ট
- সাধারণত ৩-৬ মাসের: সাম্প্রতিক ৩-৬ মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট প্রদান করতে হবে।

৯. হোটেল রিজার্ভেশন বা টুরিস্ট অ্যাপার্টমেন্ট বুকিং কপি
- বুকিং প্রমাণ: থাকার ব্যবস্থা প্রমাণ করার জন্য হোটেল বা অ্যাপার্টমেন্ট বুকিংয়ের কপি সংযুক্ত করতে হবে।

১০. প্রোফেশন সম্পর্কিত তথ্য
- পেশাগত প্রমাণ: আপনার বর্তমান পেশা সম্পর্কিত সকল তথ্য প্রদান করতে হবে। যেমনঃ চাকরির সার্টিফিকেট, ব্যবসা হলে ব্যবসার লাইসেন্স।

সবগুলো ডকুমেন্ট অবশ্যই ইংরেজিতে সাবমিট করতে হবে। যে ডকুমেন্টগুলো বাংলায় রয়েছে সেগুলো ট্রান্সলেট করে ইংরেজিতে করতে হবে।

সেনজেন ভিসার সুবিধা:

একটি মাত্র শেঞ্জেন ভিসা দিয়ে ইউরোপের ২৯টি দেশে বিনা ভিসায় ভ্রমণ করতে পারবেন। এটি আপনাকে ইউরোপীয় দেশগুলোতে অবাধে ঘুরতে এবং উপভোগ করতে সহায়তা করবে।

সেনজেন টুরিস্ট ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে এই ডকুমেন্টগুলি সঠিকভাবে প্রস্তুত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি ধাপ সতর্কতার সাথে অনুসরণ করুন এবং প্রয়োজনীয় তথ্য ও ডকুমেন্ট সঠিকভাবে জমা দিন। এতে আপনার ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সহজ এবং সফল হবে।




ফ্রান্সের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া:বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সের ভিসার জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া বেশ কিছু ধাপ ও ডকুমেন্টেশনের প্...
03/06/2024

ফ্রান্সের ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া:

বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সের ভিসার জন্য আবেদন করার প্রক্রিয়া বেশ কিছু ধাপ ও ডকুমেন্টেশনের প্রয়োজন হয়। ফ্রান্সের ভিজিট ভিসা (শেনজেন ভিসা) ৯০ দিনের কম সময়ের জন্য ভ্রমণকারীদের জন্য দেওয়া হয়।

নিচে বিস্তারিত প্রক্রিয়া তুলে ধরা হলো-

ধাপ ১: ভিসার ধরন নির্ধারণ

আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং সময়কাল অনুযায়ী, আপনি কোন ধরনের ভিসার জন্য আবেদন করবেন তা নির্ধারণ করুন। সাধারণত, ফ্রান্সের জন্য শেনজেন ভিজিট ভিসা (শর্ট স্টে) পর্যটন, ব্যবসা, বা পরিবার ও বন্ধুদের সাথে দেখা করার জন্য হয়ে থাকে।

ধাপ ২: আবেদন ফর্ম পূরণ

ফ্রান্সের শেনজেন ভিজিট ভিসার জন্য আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে। এটি অনলাইনে পাওয়া যেতে পারে [France-Visas ওয়েবসাইটে](https://france-visas.gouv.fr/)।

ধাপ ৩: প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সংগ্রহ

নিম্নলিখিত ডকুমেন্টসগুলো সাধারণত ফ্রান্সের ভিজিট ভিসার জন্য প্রয়োজন হয়-

1. পাসপোর্ট: আপনার পাসপোর্টটি ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার তারিখ থেকে কমপক্ষে তিন মাস পর পর্যন্ত বৈধ হতে হবে এবং এতে অন্তত দুটি খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে।

2. আবেদন ফর্ম: সম্পূর্ণ পূরণ করা এবং স্বাক্ষর করা শেনজেন ভিসা আবেদন ফর্ম।

3. ফটো: সাম্প্রতিক পাসপোর্ট সাইজের ছবি (বায়োমেট্রিক ফটো)।

4. ফ্লাইট বুকিং: ফ্রান্সে আসা-যাওয়ার নিশ্চিত ফ্লাইট টিকেট।

5. হোটেল রিজার্ভেশন: ফ্রান্সে থাকার সময়কালীন হোটেল বুকিং বা থাকার ব্যবস্থা।

6. বীমা: ভ্রমণ স্বাস্থ্য বীমা, যা শেনজেন অঞ্চলে আপনার পুরো থাকার সময়কালের জন্য অন্তত ৩০,০০০ ইউরো পর্যন্ত কভার করবে।

7. আর্থিক ক্ষমতার প্রমাণ: আপনার ভ্রমণ এবং ফ্রান্সে থাকার সময়কালের জন্য পর্যাপ্ত অর্থের প্রমাণ। এটি ব্যাংক স্টেটমেন্ট, চাকরির সার্টিফিকেট, বা স্পনসরশিপ লেটার হতে পারে।

8. কাভার লেটার: আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং বিস্তারিত বিবরণ সহ একটি চিঠি।

9. ভিসা ফি: নির্ধারিত ভিসা ফি জমা দেওয়া।

ধাপ ৪: ভিসা আবেদন জমা
ফ্রান্সের ভিসা আবেদন গ্রহণের জন্য নির্ধারিত ভিসা আবেদন কেন্দ্র (VFS Global) বা ফ্রান্সের দূতাবাসে ভিসা আবেদন জমা দিতে হবে। VFS Global বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে আছে।

ধাপ ৫: বায়োমেট্রিক তথ্য প্রদান
ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার সময়, আপনাকে আপনার বায়োমেট্রিক তথ্য (ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি) দিতে হবে।

ধাপ ৬: সাক্ষাৎকার
কিছু ক্ষেত্রে, ভিসা অফিসার সাক্ষাৎকারের জন্য আপনাকে ডাকতে পারেন। এই সময় আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য এবং অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য সম্পর্কে প্রশ্ন করা হতে পারে।

ধাপ ৭: ভিসা প্রসেসিং সময়
ভিসা আবেদন জমা দেওয়ার পর সাধারণত ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে ফলাফল জানা যায়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে এটি আরও বেশি সময় নিতে পারে।

ধাপ ৮: পাসপোর্ট সংগ্রহ
ভিসা অনুমোদিত হলে, আপনাকে ভিসা স্ট্যাম্প করা পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। আপনি VFS Global বা দূতাবাস থেকে এটি সংগ্রহ করতে পারেন।

এটি ফ্রান্সের ভিজিট ভিসার জন্য বাংলাদেশ থেকে আবেদন করার সাধারণ ধাপ। সঠিক এবং আপডেটেড তথ্যের জন্য ফ্রান্সের দূতাবাস বা VFS Global এর ওয়েবসাইট পরিদর্শন করা উচিত।

কানাডায় ভিসা আবেদনের নিয়ম:কানাডার ১০ বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিজিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম!!কিভাবে কানাডার ভিসার জন্য আবেদন...
02/06/2024

কানাডায় ভিসা আবেদনের নিয়ম:

কানাডার ১০ বছরের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিজিট ভিসা আবেদন করার নিয়ম!!
কিভাবে কানাডার ভিসার জন্য আবেদন করবেন।
প্রথমে আপনাকে Immigration,Refugees and Citizenship Canada(IRCC)
ওয়েবসাইটে গিয়ে GCKey তে একাউন্ট খুলতে হবে।তারপর আপনি আপনার একাউন্টে প্রবেশ করার পর। Start an application
এ যাবেন। Apply to come to Canada
ক্লিক করবেন। অপশন দেখাবে ভিসার ক্যাটাগরি
যেমন:
1)Visitor visa,Study and/Work permit
2)Express Entry(EE)
3)International experience Canada(IEC)
আপনি যে ক্যাটাগরির ভিসার জন্য আবেদন করতে চান সেই অপশনে ক্লিক করুন।
What is your current country/territory of residence? এখানে Bangladesh সিলেক্ট করুন।
তারপর আপনাকে একটা ডকুমেন্টস রিকোয়ারমেন্ট এর তালিকা দেওয়া হবে ভিসার ক্যাটাগরী অনুযায়ী।
ঐ অনুযায়ী আপনাকে আপলোড করতে হবে।
কানাডার ভিসার ক্ষেত্রে অন্যান্য দেশের তুলনায় মোটামুটি সহজ। আবেদন ফরম ফ্যামিলি ইনফর্মেশন ফর্ম। ইলেকট্রনিক সিস্টেম। আবেদন ফরম ডাউনলোড করে। টাইপিং করে ফিলাপ করে আপলোড করে দিন।
1)Application from (IMM5257)
2)Family Information (IMM5245)
3)Schedule 1(IMM5227)
★ Required Documents:
Note It’s depends on visa catagory
1)Application from
2)Travel history visa and Immigration entry exit stamps.
3)Passport copy
4)Bank statement bank solvency.
If student Certificate of enrollment and Student ID card.
Certificate of employee.Satff ID card,NOC
5)Digital photo.
6)Purpose of Travel/flight booking,hotel reservation/Travel itinerary
If invitation or sponsorship
7)family information
8)Schedule 1 from
9)Client information/Cover lettter
সবগুলা ডকুমেন্টস।স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে অরজিনাল কোন ডকুমেন্টস লাগবে না। আপলোড করার পর পেমেন্ট অপশন আসবে।ক্রেডিট কার্ড অথবা ইন্টারন্যাশনাল ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট করতে পারবেন।
আবেদন ফি।100 CAD Biometrics fee (VFS) global 85 CAD total 185 CAD
পেমেন্ট করার পর biomimetic request
আসবে। তারপর VFS global এ ফিঙ্গারপ্রিন্ট এবং ছবি তুলে রাখবে।অরজিনাল পাসপোর্ট বায়োমেট্রিক্স নেওয়ার পর সাথে সাথেই রিটার্ন করবে।
প্রসেসিং টাইম।কারও ক্ষেত্রে দেখা যায় 10 দিনের মধ্যে রেজাল্ট আবার কারো দুই মাস সময় লেগে যায়।মোটামুটি ভাবে তিন সপ্তাহের মত সময় লাগে।
বাংলাদেশ থেকে আবেদন করলে সিঙ্গাপুর অথবা ইন্ডিয়া থেকে ভিসা ইস্যু হয়।যদি Visa Application approved করে তাহলে পাসপোর্ট রিকুয়েস্ট করবে।তখন আবার VFS global এ পাসপোর্ট সাবমিশন করতে হবে। দশ দিন থেকে দুই সপ্তার মধ্যে হাতে ভিসা সহকারে পাসপোর্ট পাবেন।যদি কোন কারণে রিজেক্ট করা হয়।তাহলে GCkey একাউন্টে রিজেকশন লেটার দেওয়া হবে।
ওয়ার্ক পারমিট ভিসা এবং স্টুডেন্ট ভিসার ক্ষেত্রে মেডিকেল টেস্টের প্রয়োজন হয়।
তবে আগে থেকে করতে হয় না ircc থেকে যখন মেডিকেল রিকুয়েস্ট করবে তখনই করতে হবে।
একবার বায়োমেট্রিক্স দিলে 10 বছর মেয়াদ থাকে।কোন কারণে যদি রিজেক্ট হন। দ্বিতীয়বার অর্থাৎ reapply এর সময় বায়োমেট্রিক্স ফি দিতে হবে না।

Adresse

Landsberger Allee
Berlin
10249

Benachrichtigungen

Lassen Sie sich von uns eine E-Mail senden und seien Sie der erste der Neuigkeiten und Aktionen von European Visa Services erfährt. Ihre E-Mail-Adresse wird nicht für andere Zwecke verwendet und Sie können sich jederzeit abmelden.

Verknüpfungen

Teilen