কবুতর বাজার মিরপুর এলাকা।

কবুতর বাজার মিরপুর এলাকা। Emran Hossain Rubel

কবুতরের ভিটামিন খাওয়া নিয়ে। শীতের শুরুতে ভিটামিন খাওয়ানোটা খুবই ভাল, এতে কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। পাখি বা ক...
07/05/2019

কবুতরের ভিটামিন খাওয়া নিয়ে। শীতের শুরুতে ভিটামিন খাওয়ানোটা খুবই ভাল, এতে কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। পাখি বা কবুতরের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এমন কোন ঔষধ আমাদের দেশে পাওয়া যায়না। হাঁস মুরগির জন্য যেসকল ঔষধ পাওয়া যায় সেগুলোই পাখিদের জন্য ব্যাবহার করা যাবে। Renata Limited এর তৈরি “Rena-WS” পাখিদের জন্য একটা ভাল ভিটামিন। এতে সকল ধরণের ভিটামিন বিভিন্ন মাত্রায় আছে। এটি একটি মাল্টি-ভিটামিন। 10 gram এর একটা প্যাকের দাম 30 টাকা। এটা পাওয়া যাবে যেকোনো পশুপাখির ঔষধের দোকানে।

ব্যাবহার:
1. অত্যধিক গরম বা শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে।
2. কৃমিনাশক ও অন্যান্য সংক্রামক রোগের চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে।
3. প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে।
4. শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য।

খাওয়ানোর পদ্ধতি:
10g এর প্যাকটি কিনে এনে একটা পরিষ্কার কাগজে পুরো ঔষধটা ঢেলে নিন। এবার সম্পূর্ণ ঔষধকে সমান 10 ভাগে ভাগ কর নিন। 10 ভাগের 1 ভাগ মানে 1g ঔষধ। এবার এই 1g পরিমাণ ঔষধ মেশাবেন প্রতি 6 লিটার পানিতে। 1/2g মেশাবেন 3 লিটার পানিতে। এভাবে আপনি একটা পরিমাপ করে নিবেন। প্রয়োগ বিধিটা প্যাকেটের গায়ে লিখা আছে।

রোগ প্রতিরোধের জন্য ভিটামিন মিশ্রিত পানি খাওয়াবেন 5-7 দিন, প্রতিকারের ক্ষেত্রে 3-5 দিন। এভাবে ভিটামিন খাওয়াতে পারেন। এতে আপনাদের পাখিরা আরও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে।

14/05/2017

post by kf sohel rabby sir.
কবুতরের সাধারন মাসিক ছকঃ (Pigeon General Monthly chart)

“Success is nothing more than a few simple disciplines, practiced every day.”- Jim Rohn

আপনি সফল হতে পারবেন কবুতর সেক্টরে যদি কিছু সঠিক নিয়ম মেনে চলেন। আর সেটা করতে হবে নিয়মিতভাবে। আর যারা এ সব নিয়মনীতি মেনে চলেন তারাই সফল হিসাবে পরিগণিত হন। যারা বিস্তারিত ছক অনুসরণ করতে পারেন না। তাদের জন্য এই তাদের জন্য এই সাধারন ছক। খামাররের নিয়ম অনুসারে ছকটিকে তিন ভাগে ভাগ করা যেতে পারে। যেমনঃ

ক) কর্তব্যঃ (Duty)
=============
১) আপনার খামারে রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে অন্যতম উপাদান হল, খাদ্য পরিস্কার বা নিয়মিত ফাঙ্গাস মুক্ত বা স্যাঁতসেঁতে মুক্ত রাখা। আর এই লক্ষে আপনাকে খাবার রোদে দিতে হবে মাঝে মাঝে বা আগুনে হালকা গরম করে নিতে পারেন।

২) ৪৫ দিন পর পর কৃমির ঔষধ প্রয়োগ করতে হবে। তবে অসুস্থ ও বাচ্চা যেগুলোর আছে সেগুলো কে বাদে বা যেগুলো ১-২ দিনের মধ্যে ডিম দিতে পারে এমন বা যে সমস্থ কবুতরের ৭ দিনের মধ্যে বাচ্চা ফুটবে বা অসুস্থ থেকে কেবল ভাল হয়েছে এমন কবুতর কে অনুগ্রহ করে ক্রিমির ঔষধ দিবেন না বা মানুষের গুলো দিবেন না।

৩) হাঁস মুরগীর ভ্যাকসিন কবুতর কে দিবেন না কবুতরের জন্য তৈরি নির্ধারিত ভ্যাকসিন দিবেন। তা না হলে হিতে বিপরীত ফল হবে।

৪) আপনার খামার পরিস্কার পরিছন্ন রাখারা চেষ্টা করবেন, আর এই লক্ষে আপনার খামারকে প্রতিদিন বা একদিন পরপর অন্তত ২-৩ দিন পর পর তাদের বিষ্ঠা বা মল পরিস্কার করা উচিৎ। আর পরিস্কার করার পাশাপাশি জীবাণু মুক্ত ঔষধ ছিটান উচিৎ। যেমন- VIROCID, FARM30, VIRCON S, HALAMID,OMNICIDE, TEMSEN ETC ১ লীটার পানিতে ১ গ্রাম মীক্স করে স্প্রে করা ভালো।

৫) দূষিত পানির কারনে বা বিশুদ্ধ পানির অভাবে পাতলা পায়খানা হতে পারে, আর এই কারনে আপনাকে ফুটান পানি, ফিল্টার পানি বা গভির নলকূপের পানি ব্যাবহার করতে হবে। পানির ও খাবারের পাত্র নিয়মিত পরিস্কার রাখতে হবে।

৬) যদি পাতলা বা সবুজ পায়খানা করা, বা লোম ফুলিয়ে ঝিমান মানেই কবুতর অসুস্থ না। যদি খাওয়া দাওয়া করে তাহলে কোন প্রকার ঔষধ প্রয়োগ না করা ভাল।

খ) করনীয়/প্রয়োজনঃ (Role / Need)
==========================
১) সাল্মনেল্লা কোর্স- ২ টেবিল চামচ শাফি+ ২ টেবিল চামচ ফেবনিল+মারবেলাস ১ চামচ= ১ লিটার পানিতে মিক্স করে ৪-৫ দিন সাধারন খাবার পানি হিসাবে পরিবেশন করবেন (একটানা)। অথবা (হোমিও ব্যাপ্তেসিয়া ৩০, ১ সিসি =১ লিটার পানিতে মিক্স করেও ৫ দিন আপনি এই কোর্স করাতে পারবেন।

(বিঃদ্রঃ এই কোর্স চলাকালীন কবুতর সবুজ পায়খানা করতে পারে, আর এই অবস্থাই ঔষধ বন্ধ করা যাবে না, এটা ভিতরের জীবাণু তাকে বের করে সাহায্য করে। একটানা করাতে হবে ও ধরে খাওয়ান যাবে না।)

২) ৪-৫ দিন ভিটামিন বি কমপ্লেক্স হিসাবে (toxynil ২ দিন ও ৩-৪ দিন, biovit, Rena B+C) ১ সিসি/গ্রাম= ১ লিটার পানিতে মিক্স করে সাধারন খাবার পানি হিসাবে পরিবেশন করবেন।

৩) ৩-৫ দিন ক্যালসিয়াম ও ই ভিটামিনের জন্য (Calcium Forte or Calfast etc ) এইধরনের ভাল মানের ভিটামিন প্রয়োগ করতে পারেন, ১ সিসি/গ্রাম= ১ লিটার পানিতে মিক্স করে ৩-৪ দিন সাধারন খাবার পানি হিসাবে পরিবেশন করবেন (একটানা)।এর সাথে AD3e মিক্স করে দিতে পারেন।

৪) ৪-৫ দিন লিভার টনিক দিন।( অধিকাংশ কবুতর লিভার জনিত সমস্যায় বেশি ভুগে থাকে। তাই লিভার এর ব্যাপারে একটু খেয়াল রাখা জরুরি।১-২ চামচ ১ লিটার পানিতে এক্ষেত্রে Hamdard এর Cinkara, Icturn, Karminaইত্যাদি যেকোনো ১টি ব্যাবহার করা যেতে পারে।)

৫) ৪-৫ দিন মাল্টি ভিটামিন দিয়া ভাল।( এক্ষেত্রে All Vit Ma(Made in Germany) দিয়া যেতে পারে। এতে শরীর গরম রাখতে সাহায্য করবে। সকল ভিটামিন ও মিনারেলস এর অভাব পুরন করবে।

গ) করা উচিৎ /করা ভালঃ (Should do/better to do)
=====================================
১) মাসে ১ দিন রসুন বাঁটা +মধু+লেবুর রস।(১ লিটার পানিতে ২ চা চামচ রসুন বাটা,২ চা চামচ মধু আর ১ চামচ লেবুর রস মিক্স করে দিলে ভাল।তবে পানি অবশ্য ছেকে নিতে হবে। আর লেবু চিপার সময় গ্লভস বা লেমন ইস্কুইজার ব্যাবহার করবেন। এটা শরীর গরম রাখতে সাহায্য করবে।তবে খেয়াল রাখতে হবে যে এই কোর্স করার আগে ক্রিমির ঔষধ দিয়া আছে কিনা টা জেনে নিবেন।কারন ক্রিমি থাকলে এটা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।)

২) ১৫ দিন পর পর ১দিন করে অ্যাপেল সিডার ভিনেগার দিন।( এক্ষেত্রে আমিরিকার তৈরি অ্যাপেল সিডার দিয়া উত্তম। ১ লিটারে ১ সিসি বা তার কম, বেশি প্রয়োগ করবেন না তাতে বিপরিত ফল হতে পারে।)

৩) মাঝে মাঝে স্যালাইন(ভেট এর) বা লেবুর রস ও লবন যোগ করে দিতে পারেন বা ভিটামিন সি প্রয়োজন মত ব্যাবহার বা প্রয়োগ করতে পারেন। এ দিন আপনি লিকার চা বা গ্রীন টি দিতে পারেন ।(এটা কাঙ্কার প্রতিরোধ ও ভাল ব্যাকটেরিয়া উৎপাদনে সাহায্য করবে।) এটি প্রবায়টিক হিসাবেও ভাল কাজ করবে।

৪) কবুতর কে নিয়মিত গ্রিট দিবেন। যাদের বাচ্চা আছে তাদের কে প্রতিদিন ও অন্য গুলোকে ২ দিন পর পর দিলে ভাল। বাজারে যে সস্তা গ্রিট পাওয়া যায় তার সাথে মিনারেল মিক্স করে দিলে ভাল। তবে তার আগে সেই সব গ্রিট আগে গরম করে নিবেন। এ ধরনের গ্রিট এর মধ্যে মিক্স করার জন্য প্রস্তুতকৃত মিনারেলস পাওয়া যায়।

এই নিয়মটি ও যদি আপনি অনুসরণ করেন তাহলেও হবে। একটি জিনিষ খেয়াল রাখতে হবে। অনেকেই আছেন শীতের ভয়ে খামার কে আমন ভাবে বন্ধ করেন যাতে কোন প্রকার ঠাণ্ডা প্রবেশ তো দুরের কথা আলো বাতাস প্রবেশ করতে পারে না। অনর্থক খামারের জানালা বন্ধ করবেন না। আর যদি করেন তাহলে বহিঃ নির্গমন ফ্যান চালিয়ে রাখবেন। অনর্থক রুম হিটার চালাবেন না। মনে রাখবেন আপনার আমার শরীরের যে তাপমাত্রা তার থেকে কবুতররের শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেশী থাকে। শীতের সময় কবুতর কে গোসল করাতে ভুলবেন না যেন... তাহলেই আপনি সফল খামারি হিসাবে পরিনত হতে পারবেন।

15/02/2017
27/01/2017
অামার খামারে কবুতর।
12/01/2017

অামার খামারে কবুতর।

অামার বন্ধুবান্দব যারা কবুতর পছন্দ করেন তাদের কাছে আশা করি এই পেইজ টা  শেয়ার করবেন।
10/01/2017

অামার বন্ধুবান্দব যারা কবুতর পছন্দ করেন তাদের কাছে আশা করি এই পেইজ টা শেয়ার করবেন।

কবুতরের ভিটামিন খাওয়া নিয়ে। শীতের শুরুতে ভিটামিন খাওয়ানোটা খুবই ভাল, এতে কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। পাখি বা ক...
10/01/2017

কবুতরের ভিটামিন খাওয়া নিয়ে। শীতের শুরুতে ভিটামিন খাওয়ানোটা খুবই ভাল, এতে কবুতরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায়। পাখি বা কবুতরের জন্য বিশেষভাবে তৈরি এমন কোন ঔষধ আমাদের দেশে পাওয়া যায়না। হাঁস মুরগির জন্য যেসকল ঔষধ পাওয়া যায় সেগুলোই পাখিদের জন্য ব্যাবহার করা যাবে। Renata Limited এর তৈরি “Rena-WS” পাখিদের জন্য একটা ভাল ভিটামিন। এতে সকল ধরণের ভিটামিন বিভিন্ন মাত্রায় আছে। এটি একটি মাল্টি-ভিটামিন। 10 gram এর একটা প্যাকের দাম 30 টাকা। এটা পাওয়া যাবে যেকোনো পশুপাখির ঔষধের দোকানে।

ব্যাবহার:
1. অত্যধিক গরম বা শীতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে।
2. কৃমিনাশক ও অন্যান্য সংক্রামক রোগের চিকিৎসা চলাকালীন সময়ে।
3. প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে।
4. শরীরের স্বাভাবিক বৃদ্ধির জন্য।

খাওয়ানোর পদ্ধতি:
10g এর প্যাকটি কিনে এনে একটা পরিষ্কার কাগজে পুরো ঔষধটা ঢেলে নিন। এবার সম্পূর্ণ ঔষধকে সমান 10 ভাগে ভাগ কর নিন। 10 ভাগের 1 ভাগ মানে 1g ঔষধ। এবার এই 1g পরিমাণ ঔষধ মেশাবেন প্রতি 6 লিটার পানিতে। 1/2g মেশাবেন 3 লিটার পানিতে। এভাবে আপনি একটা পরিমাপ করে নিবেন। প্রয়োগ বিধিটা প্যাকেটের গায়ে লিখা আছে।

রোগ প্রতিরোধের জন্য ভিটামিন মিশ্রিত পানি খাওয়াবেন 5-7 দিন, প্রতিকারের ক্ষেত্রে 3-5 দিন। এভাবে ভিটামিন খাওয়াতে পারেন। এতে আপনাদের পাখিরা আরও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হবে।

Adresse

Democratic Republic Of The

Téléphone

+8801714757665

Site Web

Notifications

Soyez le premier à savoir et laissez-nous vous envoyer un courriel lorsque কবুতর বাজার মিরপুর এলাকা। publie des nouvelles et des promotions. Votre adresse e-mail ne sera pas utilisée à d'autres fins, et vous pouvez vous désabonner à tout moment.

Contacter L'entreprise

Envoyer un message à কবুতর বাজার মিরপুর এলাকা।:

Partager