22/05/2026
কঠুর আইন প্রয়োগের পাশাপাশি ধর্ষণ বন্দে আমার কিছু মতামত তুলে ধরলাম। আপনাদের কারো সাথে মতের পার্থক্য হতে পারে।খারাপ ভাবে না নিয়ে আপনাদের মতামত জানাবেন।
------------------------------------------------------------------;-
১।প্রত্যেক জেলা শহরে একটা ব্রোতাল নির্মাণ করতে হবে। খাবারের চাহিদার মত শারীরিক চাহিদাও বয়সের সাথে সাথে তৈরি হয়।সেই চাহিদা পূরণ করতে না পারলে মানুষ আইন ভুলে যায়। তখন হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে বেআইনি কাজ করে বসে ।
২।বিয়ের বয়সের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতে হবে ২০ বছরের মধ্যে বাধ্যতামূলক বিয়ে করাতে হবে মেয়েদের বিয়ের বস ১৫ / ১৪ করে দিতে হবে। কম বয়সে মেয়েদের বিয়ে হলে সন্তান জন্ম দেওয়ার সময় সমস্যা হতে পারে। সে ক্ষেত্রে বাচ্চা জন্মের বয়স মেয়েদের জন্য ১৮ নির্ধারণ করা যেতে পারে। যৌতুক সহ স্ত্রী নির্যাতন মামলা জামিন যোগ্য করতে হবে। প্রমাণ হলে বিচার হবে। তাহলে মিথ্যা মামলার সংখ্যা কমবে। অনেকেই তার চাহিদা মেটানোর জন্য দ্বিতীয় বিয়ে করতে পারে না বউয়ের ভয়ে। কিছু হলেই বউরা মিথ্যা যৌতুক ও নির্যাতনের মামলা করে।
৩। কারাগারকে শাস্তির ঠিকানা নির্ধারণ না করে সংশোধনাগার হিসেবে নির্মাণ করতে হবে। ১০ বছর হাজতে থাকলেও যদি সংশোধন না হয় তাহলে সরকারের দানাপানি নষ্ট ছাড়া আর কিছুই না। সংশোধিত হওয়ার সবচেয়ে উপযুক্ত মাধ্যম হচ্ছে প্রত্যেকের ধর্মীয় চর্চা। কারাগারে হিন্দুদের জন্য পুরোহিত মুসলমানদের জন্য ইমাম এবং প্রত্যেক ধর্মের জন্য ধর্মের চর্চার ব্যবস্থা করে তা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
৪।কঠুর আইনের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বাড়াতে হবে। প্রত্যেক গার্জিয়ান কে সঠিক গার্ডিয়ানশিপ শেখাতে হবে। কিভাবে সন্তানদের সঠিক গাইডলাইন করবে অনেক গার্জিয়ানতা জানে না।
বড্ড ভয় হয় আমাদের প্রত্যেকেরই মেয়ে /বোন আছে
মানুষের মন সুন্দর হলেই সমাজ সুন্দর হবে। সবার মন সুন্দর হোক সেই প্রত্যাশাই সবাইকে ধন্যবাদ।