Tahmina Borno

Tahmina Borno আসসালামু আলাইকুম। আমি তাহমিনা বর্ণ।শিক্ষানবিশ আইনজীবী,ঢাকা জজকোর্ট।
এটা আমার আইন বিষয়ক একমাত্র পেইজ। Tahmina Borno is a Bangladeshi Model ,street performer.

17/06/2023

দলিল মূলে মালিক হলে নামজারী ছাড়া আপনি জমি বিক্রয় করতে পারবেন না।

সূত্রঃ ধারা-৫৩ (গ), সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২

25/10/2022

জমির পরিমাণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ধারনাঃ
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০ কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২ বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=
২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১ হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ২৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের গন্ডা পরিমাপক ১ গন।

#লেখা_সংগৃহীত

04/04/2022

🔴আজকের আলোচ্য বিষয়সমূহঃ

• Confession বা স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার কি?
• Confession এর ব্যবহার?
• কনফেশন স্বেচ্ছাপ্রণোদিত (Voluntary) কিনা তা নির্ণয়ে প্রশ্নমালা?
• ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় Confession বুঝতে কোন আইনসমূহ জানা জরুরি?

• Confession বা স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার কি?

সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা প্রদান করা হলেও স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার এর কোনো সংজ্ঞা সাক্ষ্য আইনে দেওয়া হয়নি। তবে বিভিন্ন ধারা পর্যালোচনা করে বলা যায় -
কোন উক্তি বা বিবৃতি দ্বারা যদি অপরাধ স্বীকার করা হয় তাহলে তাকে স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার বলে। দোষ স্বীকার সম্পূর্ণ বা আংশিক হতে পারে। অর্থাৎ কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ যদি তিনি আংশিক বা সম্পূর্ণ স্বীকার করে নেন তাহলে তাকে স্বীকারোক্তি বা দোষ স্বীকার বলে।
দোষ স্বীকার দুই প্রকার হতে পারে যথাঃ
(ক) বিচারক স্বীকারোক্তি
(judicial confession)
(খ) বিচার-বর্হিত স্বীকারোক্তি
(Extra judicial confession)

• Confession এর ব্যবহারঃ
সংবিধানের Rule of Prohibition ও Privilege against Self-Incrimination নীতি দ্বারা বারিত (রেফারেন্স: ১৯৭২ সালের গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগের (মৌলিক অধিকার) অনুচ্ছেদ নং ৩৫ (৪) দ্রষ্টব্য)৷

• কনফেশন স্বেচ্ছাপ্রণোদিত (Voluntary) কিনা তা নির্ণয়ে প্রশ্নমালাঃ

(ক) আসামীকে পুলিশ কবে, কখন এবং কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে?

(খ) গ্রেপ্তারের পর আসামী মোট কত ঘন্টা পুলিশ হেফাজতে ছিল?

(গ) গ্রেপ্তারের পর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট উপস্থাপনের পূর্বে ২৪ ঘন্টার অধিক কত ঘন্টা পুলিশ হেফাজতে ছিল?

(ঘ) আসামী গ্রেপ্তারের পর জামিন ছাড়া কতদিন জেল হাজতে ছিল?

(ঙ) জেল হাজতে থাকা অবস্থায় কবে পুলিশ আসামীকে রিমান্ডে নেয়?

(চ) আসামী কতদিন পুলিশ রিমান্ডে ছিল?

(ছ) পুলিশ রিমান্ডে থাকা অবস্থায় কোন নির্যাতন করা হয়েছিল কিনা?

(জ) পুলিশ রিমান্ডে থাকার সময় কি কি নির্যাতন করা হয়েছে?

(ঝ) পুলিশ রিমান্ড থেকে ফেরত আসার পর কোন তারিখে কনফেশন করলো?

বিঃদ্রঃ

প্রত্যেক মামলায় একই ধরণের প্রশ্ন থাকবে তা নয়। পরিস্থিতি ভেতে প্রশ্ন সমূহ ভিন্ন ভিন্ন হতে পারে।

===== উদাহরণ নং - ০১ =====

(ক) আসামীকে গ্রেপ্তারের পর পুলিশ ২৪ ঘন্টার অধিকাকাল পুলিশ হেফাজতে রেখেছে।

(খ) পুলিশ বেআইনি হেফাজত সময়ে আসামীকে

01/04/2022

রিভিশন কি এবং কোন কোন আদালতের রিভিশন
এখতিয়ার আছে?

রিভিশন:

👉রিভিশন হল ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ আদালত কর্তৃক নিম্ন আদালতের কোন মামলার সিদ্ধান্ত সঠিক করার জন্য সংশোধন আদেশ প্রদান করা ।

রিভিউ এবং রিভিশনের মধ্যে মূল পার্থক্য হল রিভিউ দায়ের করা হয় ডিক্রী প্রদানকারী আদালতে। অন্যদিকে রিভিশন দায়ের করা হয় ডিক্রী প্রদানকারী আদালতের রিভিশন ক্ষমতা সম্পন্ন উচ্চ আদালতে ।

যে ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায় ?

মূল মামলা বা আপীলে প্রদত্ত যে সকল আদেশ বা ডিক্রীর বিরুদ্ধে আপীল করা যায় না সেই সকল আদেশ বা ডিক্রীর বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের করা যায় ।

🔴কে রিভিশন দায়ের করতে পারে?

দেওয়ানী আদালতের ডিক্রী বা আদেশ দ্বারা সংক্ষুব্ধ পক্ষ রিভিশন আবেদন দায়ের করতে পারে ।

👉যে কারণে রিভিশন দায়ের করা হয়?

দেওয়ানী আদালতের সিদ্ধান্তের বিষয়ে রিভিশন মামলা দায়েরের প্রধান কারণ হল দেওয়ানী আদালতের আইনগত ভুল সনাক্ত করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও সম্পন্ন করা ।

👉যেসকল আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে:

দেওয়ানী কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুসারে দুই ধরনের আদালতের রিভিশন এখতিয়ার আছে। যথা -

(১) হাইকোর্ট বিভাগের এবং
(২) জেলা জজ আদালতের।

👉যখন যে আদালতে রিভিশন আবেদন দায়ের করতে হয়?

১। জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতের ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে

২। সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ এবং যুগ্ম জেলা জজ আদালতের ডিক্রীর বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে

৩। সহকারী জজ, সিনিয়র সহকারী জজ বা যুগ্ম জেলা জজ আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ।শর্ত থাকে যে, রিভিশন করা যাবে সে সকল ডিক্রী বা আদেশের বিরুদ্ধে যার বিরূদ্ধে আপীল চলে না এবং ডিক্রী বা আদেশটি মূল মামলায় বা আপীল মামলায় প্রদত্ত হতে হবে।

25/03/2022

🔴ওকালতি করা জায়েজ কি এবং এ ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা কতটুকু?

উত্তর : ইসলামের বিধান শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, সারা পৃথিবীর জন্য। আপনার প্রশ্নের মধ্যে এটি ভুল যে আপনি বিষয়টি বাংলাদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ করেছেন।

আইন পেশা, ওকালতিকে আল্লাহর রাসুল (সা.) সাধারণভাবেই জায়েজ করেছেন। ওকালতিকে আরবিতে আল-ওকালাহ বলা হয়ে থাকে। এ ব্যাপারে বিশাল বক্তব্য রয়েছে।

আল্লাহর বান্দারা সবাই সমান হয় না। অনেক হকদার ব্যক্তি আছেন, যিনি নিজের হকের কথা মুখে বলতে পারেন না। আবার এমন হকদারও আছে, যারা একেবারেই কথা বলতে পারে না, বোবা অথবা দুর্বল ব্যক্তি। নিজের অধিকার পেশ করার যোগ্যতা নেই, সেখানে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কোরআনে কারিমে সুরা আল-বাকারার ২৮২ নম্বর আয়াতের মধ্যেই এই বিষয়টি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, তাদের জন্য ওকালতের নির্দেশ দিয়েছেন, সেখানে তাদের পক্ষ থেকে লোক নিয়োগ দেবে, যিনি নির্দিষ্ট জায়গায় বা আদালতে তাদের বক্তব্য তুলে ধরবে। তাই ইসলামে ওকালতি জায়েজ।

কিন্তু উকিলকে যেই কাজের অনুমোদন বা দায়িত্ব দেওয়া হবে, তিনি শুধু সেই কাজটিই করবেন। সে ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট কোনো হারাম কাজের সঙ্গে যদি তিনি জড়িত না হন, তাহলে তার এই ব্যবসা বা পদ্ধতি বা পেশা হারাম হওয়ার কিছুই নেই। কিন্তু ইচ্ছাকৃতভাবে যদি তিনি মিথ্যা বলেন, তাহলে ওকালতি ছাড়াও যে ক্ষেত্রেই মিথ্যা বলেন না কেন, আপনি গুনাহগার হবেন। মিথ্যা সব ক্ষেত্রেই নাজায়েজ।

সূত্রঃ এনটিভি

25/03/2022

🔴 ত্যাজ্যপুত্র

'ত্যাজ্যপুত্র' বলে একটা কথা সমাজে প্রচলিত আছে।
পুত্র পিতার অতিরিক্ত অবাধ্য হলে, কিংবা পিতার অমতে বিয়ে বা এ জাতীয় গুরুতর অপরাধ করলে সেই পুত্রকে ত্যাজ্য করার কথা শুনি। বিশেষ করে বাংলা সিনেমা দেখে এই ধারণা রীতিমতো আমাদের বিশ্বাসে পরিণত হয়েছে।

সবাই ধরে নেন, পুত্রকে ত্যাজ্য করলে সেই পুত্র পিতার সম্পত্তির উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হবেন।

সহজ করে বলি, ত্যাজ্যপুত্র বলে কোন কিছুর অস্তিত্ত্ব আইনে নেই। পুত্রকে ত্যাজ্য ঘোষণা করলেই ত্যাজ্য হয়ে যায়না। এমনকি নোটারী করে বা দলিল করে ত্যাজ্য করলেও এর কোন আইনগত কার্যকারিতা নেই। পিতার অবর্তমানে ত্যাজ্য পুত্র পিতার সম্পত্তিতে অংশ পাবেন অন্য ভাইদের সমান। একটুও কম নয়।

মুসলিম আইন বা হিন্দু আইনে ত্যাজ্যপুত্র বলে কোন কিছু নেই। এমনকি রাষ্ট্রীয় আইনেও নয়।

তা সত্ত্বেও পুত্রকে ত্যাজ্য ঘোষণা করার একটা রেওয়াজ সমাজে চালু আছে। এমনকি মহাত্মা গান্ধীর মতো আইন জানা ব্যারিস্টার মানুষও তাঁর চারপুত্রের একজন হরিলালকে ত্যাজ্য করেছিলেন।

সমাজে আইন নিয়ে অনেক ভূল ধারণা প্রচলিত আছে।

'ত্যাজ্যপুত্র' এমন একটি প্রচলিত ভুল।

25/03/2022

🔴রীট কাকে বলে? রীট কত প্রকার ও কি কি?

রীটের উৎপত্তি ও বিকাশঃ
রীটের উৎপত্তি ও বিকাশ ইংল্যান্ডে। প্রথমে রীট ছিল রাজকীয় বিশেষ অধিকার। রাজা বা রাণী বিচারের নির্ধারক হিসাবে রীট জারি করতে পারত।। এক মাত্র রাজা বা রাণীর রীট জারির ক্ষমতা ছিল বলে বিশেষাধিকার রীট বলা হত। রাজা বা রাণী তাদের কর্মচারী বা অফিসারদের, তাদের কাজে বাধ্য থাকার জন্য অথবা কোন অবৈধ্য কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য রীট জারি করত। পরবর্তীতে রাজা বা রাণীর এই বিশেষ অধিকার নাগরিকদের অধিকারে চলে আসে। নাগরিকগণ সরকাররি কর্মকর্তাদের আচরণে ও কাজে সংখুব্ধ হয়ে রাজার কাছে আসতো, রাজা তার বিশেষ অধিকার বলে রীট জারি করত। রাজা বা রাণীর প্রতিনিধি হিসেবে ইংল্যান্ডের দুই ধরনের আদালতে নাগরিকদের আবেদনের প্রেক্ষিতে রীট জারি করত।

রীট কাকে বলে?
রীট কথাটির অর্থ হলো আদালত বা যথাযথ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক ঘোষিত বিধান বা আদেশ । আদি এখতিয়ার দিয়েছে তা হল সংবিধানের ১০২ নং অনুচ্ছে সংবিধানের ৪৪ নং অনুচ্ছেদে দেশের সকল নাগরিককে দিয়েছে মৌলিক অধিকার । নাগরিকের এরূপ মৌলিক অধিকার লঙ্গিত হলে তা বলবত করার এবং বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনাকে কার্যকর এখতিয়ারই হল হাইকোর্ট বিভাগের রিট এখতিয়ার ।তাই কোন নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষার জন্য সংবিধানের ৪৪ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে হাইকোর্ট বিভাগে যে আবেদন করতে পারেন তাই হল রিট আবেদন । এইরূপ রিট আবেদন পেলে হাইকোর্ট বিভাগ সংবিধানের ১০২ নং অনুচ্ছেদের ক্ষমতা বলে মৌলিক অধিকার বলবত করার যে আদেশ দিতে পারেন তাই হল রিট ।
অন্যভাবে বলা যায়, রীট বলতে আমরা বুঝি উচ্চ আদালতের আদেশ।

রীট কত প্রকার ও কি কি?
রীট পাঁচ (৫) প্রকারঃ-
১। বন্দী প্রদর্শন রীট,
২। পরমাদেশ বা হুকুম জারি রীট
৩। নিষেধাজ্ঞামুলক রীট
৪। উৎপ্রেষণ রীট
৫। কারন দর্শাও রীট ।

25/03/2022

🔴সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সমূহ কি কি?

বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৬(১) উপ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের যোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
সংসদ সদস্য হওয়ার যোগ্যতা:
১. বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
২. তার বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর পূর্ণ হতে হবে।

বাংলাদেশ সংবিধানের ৬৬(২) উপ অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্যদের অযোগ্যতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
সংসদ সদস্য হওয়ার অযোগ্যতা:
১. তিনি যদি বাংলাদেশে এর নাগরিক না হন।
২. তার বয়স ২৫ এর কম হয়।
৩. তিনি যদি কোন আদালত কর্তৃক এই পদে নির্বাচনের জন্য অযোগ্য ঘোষিত হয়ে থাকেন।
৪. তিনি যদি ঋণ খেলাপী হন।
৫. তিনি যদি বিল খেলাপী হন।
৬. যদি তিনি সরকারের কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন।
৭. তিনি যদি দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ার পর দায়মুক্তি সনদ গ্রহণ না করে থাকেন।
৮. তিনি যদি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধের জন্য দন্ডিত হয়ে থানে এবং দন্ড ভোগ করার পর যদি ৫ বছর অতিক্রান্ত না হয়ে থাকে তবে তিনি অযোগ্য।
৯. তিনি যদি বিদেশী নাগরিকত্ব গ্রহণ করে থাকেন।
১০. তিনি যদি পাগল বা অপ্রকৃতিস্থ হয়ে থাকেন।

25/03/2022

🔴আইনজীবীরা কেন কালো কোট পরেন?

আইনজীবিদের এ ধরনের পোশাক পরিধানের পেছনে দুই ধরনের ব্যাখ্যা প্রচলিত আছে।

প্রথমত: কালো গাউন পরার অর্থ হলো "আইন অন্ধ "।আইন অন্ধ শব্দটির ব্যাখ্যা দাড়ায় যে, বিচারক এবং আইনজীবীরা আদালতে প্রদও সাক্ষাদির বাইরে গিয়ে কোন মতামত বা রায় দিতে পারবেন না। মামলার বিষয়াদি ও সাক্ষাদির আলোকেই একজন আইনজীবিকে আদালতে বক্তব্য রাখতে হয় তেমনি বিচারককে তার ভিওিতেই রায় লিখতে হয়।

দ্বিতীয়: কালো গাউন পরিধানের কারণ হলো নিজের পরিচয় গোপন রাখা।গলায় সাদা বো বা ব্যান্ড ব্যবহারের কারণ হলো অন্ধকার থেকে সত্যকে বের করা যা এ পেশার মহান দ্বায়িত্ব। এটিকে ধরা হয় সত্যের প্রতীক।মাথায় পরচুলা পরিধানের অর্থ হচ্ছে বয়োঃবৃদ্ধ মাতার মতো স্নেহ পরায়ন হয়ে তার সন্তানদের বিচার করতে বিচারালয়ে বসেছেন বিচারক। দুই পক্ষই তার সন্তান দুই পক্ষের কথা তাকে শুনতে হবে।

25/03/2022

🔴পুলিশের কাছে দোষ স্বীকার কতটা আইনসিদ্ধ?

ফৌজদারী মামলার আসামীর স্বীকারোক্তি কখন অপ্রাসঙ্গিক?
Confession বা স্বীকারোক্তি শব্দের অর্থ- দোষ স্বীকার করা, মালিকানা দেওয়া বা স্বীকার করা। অন্য কথায়, আমরা বলতে পারি যে, স্বীকারোক্তির অর্থ এমন কিছু ব্যক্তিগত সত্যকে স্বীকৃতি দেওয়া যা কোন ব্যক্তি অবশ্যই গোপন রাখতে পছন্দ করে।
ফৌজদারী মামলায় সাক্ষ্য হিসাবে কোন স্বীকারোক্তি ব্যবহার করতে হলে স্বীকারোক্তি অবশ্যই প্রাসঙ্গিক হতে হবে। যদিও কোন ক্ষেত্রে একটি স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হবে তা বাংলাদেশ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এ উল্লেখ করা হয় নি, তবে কোন কোন ক্ষেত্রে স্বীকারোক্তি অপ্রাসঙ্গিক তা সাক্ষ্য আইনের ২৪, ২৫, ২৬ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।

যে সব ক্ষেত্রে ফৌজদারী মামলায় আসামীর স্বীকারোক্তিমূলক বক্তব্য (Confession) অপ্রাসঙ্গিক তা নিম্নরুপঃ

১. প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতির কারণে প্রদত্ত স্বীকারোক্তি
সাক্ষ্য আইনের ২৪ ধারা অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক প্রদত্ত স্বীকারোক্তি অপ্রাসঙ্গিক বলে গণ্য হবে যদি আদালত মনে করে যে, এটি প্রলোভন, ভীতি প্রদর্শন বা প্রতিশ্রুতি ইত্যাদির মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে।কিন্তু প্রলোভন, ভীতি ও প্রতিশ্রুতি অপসারণ করার পর স্বীকারোক্তি প্রদত্ত হলে তা প্রাসঙ্গিক হতে পারে। কোন স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য কিনা তা নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে আদালত দুইটি বিষয় বিবেচনা করতে পারে।

স্বীকারোক্তিটি স্বেচ্ছামূলক (Voluntary) কিনা; এবং
এটা সত্য কিনা?
Reg Vs. Smith মামলায় ব্যারাক রুমে যুদ্ধ করার সময় একজন সৈনিক খুনের জন্য অভিযুক্ত হয়। যুদ্ধের কিছু পর, সার্জেন্ট-মেজর তার সহযোদ্ধাদের প্যারেডে দাড় করায় এবং বলে যতক্ষণ পর্যন্ত না সে জানতে পারছে কে খুন করেছে ততক্ষন পর্যন্ত সে তাদের সবাইকে প্যারেডে দাড় করে রাখবে।

এখানে প্রলোভনের বিষয়টি অত্যন্ত পরিষ্কার যে, যদি খুনী দোষ স্বীকার করে তাহলে কমান্ডার তাদেরকে প্যারেড থেকে মুক্তি দিবে। কাজেই মামলায় সিদ্ধান্ত হয় যে, স্বীকারোক্তিটি অপ্রাসঙ্গিক।

উদাহরণঃ

‘করিম’ একটি দস্যুতার অভিযোগে অভিযুক্ত। দোষ স্বীকার করলে এবং ঘটনার বিবরণ দিলে তাকে এক লক্ষ টাকা দেয়া হবে। ‘করিম’ এই প্রলোভনে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট তার দোষ স্বীকার করে। এই ক্ষেত্রে করিমের স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হবে না।

কিন্তু যদি কোনরূপ প্রলোভন ছাড়াই সে নিজের দোষ স্বীকার করে, তবে তা প্রাসঙ্গিক বা গ্রহণযোগ্য হবে।ধারা-২৮.
2. পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত স্বীকারোক্তি স্বাক্ষ‍্য আইনের ২৫ধারায় বলা হয়েছে ; কোন অপরাধে অভিযুক্ত ব‍্যক্তি দোষ স্বীকার করলে উক্ত অপরাধীর বিরুদ্ধে প্রমাণ করা যাবেনা।অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধি 1898 এর 164 ধারায় বর্ণিত পন্থা ব‍্যাতিত পুলিশের নিকট স্বীকারোক্তি গ্রহণযোগ্য নহে।
Empresses of india vs. Pancham [(1882)ILR 4 ALL 198].এই মামলার ঘটনা হলো - পঞ্চম একটি মেয়েকে খুন করার জন‍্য অভিযুক্ত। সে পুলিশকে একটি ছুরি দিয়ে বলেছিলো...যে, এটা হলো সেই ছুরি যেটা দিয়ে সে খুন করেছে।সে আরও বল

25/03/2022

🔴 চুক্তি আইন কাকে বলে?
বাংলাদেশে প্রযোজ্য ১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২(জ) ধারায় বলা হয়েছে যে, আইনে বলবৎযোগ্য সম্মতি হচ্ছে চুক্তি।

দুই বা ততোধিক ব্যক্তি যখন কোন বিষয়ে ঐক্যমত পোষণ করে অর্থাৎ এক ব্যক্তির প্রস্তাব অন্য ব্যক্তি গ্রহণ করে এবং সমর্থনে কোন প্রতিদান থাকে, তবে তাদের মধ্যে এক অঙ্গীকারের সৃষ্টি হয়। এ অঙ্গীকার বা একরারের সমর্থনে যদি ১০ ধারায় বর্ণিত উপাদানগুলি বর্তমান থাকে তবে তাদের মধ্যে একটি চুক্তি গঠিত হয় এবং পারস্পারিক বাধ্যবাধকতার সৃষ্টি করে।

উদাহরণ

‘ক’ তার গাভীটি ‘খ’ এর নিকট পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রয় করার প্রস্তাব দেয়। ‘খ’ তাতে সম্মত হয়। এই সম্মতি জ্ঞাপনের সাথে সাথেই তাদের মধ্যে এক অঙ্গীকার বা একরারের সৃষ্টি হয়, কিন্তু আইনগত বাধ্যবাধকতাকতার সৃষ্টি করে না। নিম্নোক্ত উপাদানগুলি বর্তমান থাকলে বাধ্যবাধকতার সৃষ্টি করেঃ

‘ক’ ও ‘খ’ উভয়ের যদি চুক্তি করার যোগ্যতা থাকে অর্থাৎ তারা যদি নাবালক না হয় কিংবা অসুস্থ মনের অধিকারী বা অপ্রকৃতিস্থ না হয় কিংবা কোন আইনে তাদের যোগ্যতা খর্ব না করা হয়ে থাকে;
উভয় পক্ষই স্বাধীনভাবে তাদের মতামত ব্যক্ত করে থাকে অর্থাৎ কোন প্রকার চাপ, ভীতি প্রদর্শন, প্রতারণা, ভ্রান্তি ও মিথ্যা বিবরণ জড়িত না থাকে;
চুক্তির প্রতিদান বৈধ হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে গাভীটি অর্পণ ও এর মূল্য প্রদান পারস্পারিক প্রতিদান যা নিঃসন্দেহে বৈধ। চুক্তি আইনের ২৩ ধারা অনুযায়ী যে প্রতিদান আইনে নিষিদ্ধ নয়, কিংবা প্রচলিত আইনের কোন বিধানের পরিপন্থী নয়, কিংবা অন্যের শরীর বা সম্পত্তির ক্ষতিকারক নয়, কিংবা নৈতিকতা বা জননীতির পরিপন্থী নয় তা বৈধ।
এরুপ বিক্রয়ের উদ্দেশ্য অবৈধ না হয়ে থাকে;
প্রচলিত কোন আইনে এ বিক্রয় নিষিদ্ধ না হয়ে থাকে।
অতএব, লক্ষ করা যায় যে, সকল অঙ্গীকারই চুক্তির পর্যায়ে পড়ে না। যে সকল অঙ্গীকার চুক্তি আইনের নির্দেশ মত গঠিত হয় সেগুলি চুক্তি এবং চুক্তি আইনের আওতাভূক্ত। অর্থাৎ কোন কোন অঙ্গীকার চুক্তির মর্যদা পাবে তা নির্দেশ করে চুক্তি আইন।

বৃটিশ কমন ল’য়েও অনুরুপ সংজ্ঞা দেখা যায়। স্যামন্ডের (Salmond) মতে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলির মধ্যে দায়-দায়িত্ব সৃষ্টি করে ও নির্ণয় করে এমন সম্মতিকে (Agreement) বলে। স্যার ফ্রেডারিক পোলকের (Po***ck) মতে সংজ্ঞানুসারে আইনে বলবৎযোগ্য প্রতিটি সম্মতি ও প্রতিশ্রুতিকে চুক্তি বলা যেতে পারে।

25/03/2022

ফৌজদারি কার্যবিধি

🔴জামিন ?
ফৌজদারি কার্যবিধিতে জামিনের কোন সংজ্ঞা প্রদান করা হয়নি। সাধারণত সংশ্লিষ্ট আদালতে সময়মত হাজির করার শর্তে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাময়িকভাবে আইনগত হেফাজত থেকে মুক্তি প্রদান করে জামিনদারের নিকট সম্পন্ন করাকে জামিন বলে। মামলার যেকোন পর্যায়ে জামিন মঞ্জুর করা যায়। এমনকি বিচার শুরু হবার পরও জামিন মঞ্জুর করা যায়।

কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন অপরাধের অভিযোগ থাকলেই তাকে দোষী বলা যায় না। আদালতে দোষী প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত তাকে নির্দোষ ধরতে হবে এটাই আইনের নীতি। তাই দোষী প্রমানিত হবার পুর্বে কাউকে আটকে রাখা হলে তা ন্যায় বিচারের পরিপন্থি হবে। এছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তি আটক থাকলে তার সামাজিক, পারিবারিক, শারিরিক, মানসিক নানাবিধ সমস্যা হতে পারে। তাই অহেতুক তাকে আটক রাখা আইনে সমর্থনীয় নয়। আবার বিচারের সময় অপরাধীকে আদালতে থাকা প্রয়োজন, তাই বিচারের সময় তার উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য ফৌজদারি কার্যবিধিতে জামিনের বিধান রাখা হয়েছে।

ফৌজদারি আইনে অপরাধগুলিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
ক) জামিন যোগ্য (bailable) এবং
খ) জামিন-অযোগ্য (Non bailable)।

ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে আসামী যে অবস্থায় মুক্তি পেতে পারে তা নিম্নে প্রদান করা হলো :

জামিন যোগ্য অপরাধ :
ধারা ৪৯৬। জামিনের অযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি ব্যতীত অপর কোন ব্যক্তি কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কর্তৃক বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার হলে বা আটক থাকলে, বা আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে, সে যদি উক্ত অফিসারের হেফাজতে থাকার সময় বা উক্ত আদালতের কার্যক্রমের কোন পর্যায়ে জামানত দিতে প্রস্তুত থাকে তা হলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে হবে।

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত অফিসার বা আদালত উপযুক্ত মনে করলে তার নিকট হতে জামানত গ্রহণের পরিবর্তে সে অতঃপর বর্ণিতভাবে হাজির হবার জন্য জামিনদার ব্যতীত মুচলেকা সম্পাদন করলে তাকে মুক্তি দিতে পারবেন।

তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই ধারার কোন বিধান ১০৭ ধারার (৪) উপধারা বা ১১৭ ধারার (৩) উপধারার কোন বিধানকে প্রভাবিত করবে বলে গণ্য হবে না।

জামিন-অযোগ্য অপরাধ :
ধারা ৪৯৭। যখন জামিনের অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে জামিন মঞ্জুর করা যাবে।

(১) জামিনের অযোগ্য অপরাধে অভিযুক্ত কোন ব্যক্তি থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার কর্তৃক বিনা ওয়ারেন্টে গ্রেফতার হলে বা আটক থাকলে অথবা আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়

Address

Uttara 10
Uttarati
1205

Telephone

+8801402951727

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tahmina Borno posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Tahmina Borno:

Share