Ain Sheba

Ain Sheba With a growth rate of 7.1%, Bangladesh is currently the fastest growing major economy.

Although ongoing political unrest hampered investment and export activity throughout 2015, Bangladesh is gradually becoming a popular destination for foreign and local investors alike, a trend which has increased demand for transactional and regulatory advice in a global context from across the legal market. The agricultural, pharmaceutical and energy sectors saw significant activity throughout 20

16, and efforts have been made to develop the jurisdiction’s growing IT sector. This time period also saw a significant number of major financings, PPP projects and disputes across multifarious sectors. Full-service firms with strong domestic and international practices include Advocate Mohammad FerozeKhan.

ভাইভা পরামর্শবিভিন্ন ভাইভা পরীক্ষা নিয়ে কিছু পরামর্শ —-ভাইভা বোর্ডে যাওয়ার সময় কিছু বিষয়ে আপনার খেয়াল রাখতে পারলে ভালো —...
09/12/2018

ভাইভা পরামর্শ

বিভিন্ন ভাইভা পরীক্ষা নিয়ে কিছু পরামর্শ —-

ভাইভা বোর্ডে যাওয়ার সময় কিছু বিষয়ে আপনার খেয়াল রাখতে পারলে ভালো —

১- আপনার পোশাক যেন মার্জিত হয় । ছেলেরা formal সাদা শার্ট এবং কালো প্যান্ট এবং কালো জুতো পড়বেন ,কালো কোট ও টাই পড়বেন, মেয়েরাও সাদা জামা-পাজামা-ওড়না ও কালো কোর্ট-কালো সু পড়ে যাবেন ।

২- পিউপিলেস ডাইরি ও দরকারি সব কাগজাদি photocopy সহ নিয়ে যাবেন সত্যায়িত করে ।ভাইভা বোর্ডে সাথে মোবাইল না রাখাই শ্রেয়।

৩- আগের দিন অবশই ভালো একটা ঘুম না হলে আপনার মাথা সময়মত কাজ নাও করতে পারে,আগের দিনের ২-৩ ঘণ্টা বেশি স্টাডি করে খুব একটা লাভ হয়না।

৪- ভাইভা বোর্ডে চেয়ারের হাতলে বা টেবিলে হাত রাখবেন না , সোজা সাবলীলভাবে বসবেন।

৫- যা বলবেন স্পষ্টভাবে বলবেন , কথা বলার সময় হাত নাড়াবেন না ,তাড়াহুড়ো করবেন না ,সময় নিয়ে একটু চিন্তা করে উত্তর দিন এবং কথা বলুন ,মনে রাখবেন স্যাররা বোর্ডে বসে ভাবেন যে আপনি একজন অফিসার হিসেবে মানান কিনা বা এই পদের জন্য আপনি যোগ্য কিনা ?ওই ২-১ টা প্রশ্ন পারা না পারাতে কিচ্ছু আসেনা ,তবে আপনি যদি একদম সামান্য বিষয় যা সবাই জানে তা উত্তর দিতে না পারেন সেটা আপনার নেগেটিভ কিছু।

৬- নিজের যেকোনো মুদ্রাদোষ গুলোকে পরিহার করুন

৭- যারা ভাইভা নিয়ে থাকেন স্যাররা আমাদের মতই মানুষ , তাদের দৈত্য ভেবে ঘাবড়ে বসবেন না ,অজস্র পরীক্ষার্থী খুব ভালো প্রস্তুতি নিয়ে ভাইভা বোর্ডে গিয়ে সব গুলিয়ে ফেলে । যে যত easy থাকবে তার ভাইভা ভালো হবার সম্ভাবনা তত বেশি।

৮- অনেক সময় স্যাররা ঘাবড়ানোর বা রাগানোর চেষ্টা করতে পারেন ,তখন ঠাণ্ডা মাথায় defend করুন।

৯- ভাইভা রুমে ঢোকার আগে রুমের বাইরে নেমপ্লেত টা দেখে যান, ঢুকে সালাম দিয়ে দাড়িয়ে থাকবেন ,স্যাররা বসতে বললে পরে বসে একটা ধন্যবাদ দিন ।

১০- স্যাররা বাংলায় প্রশ্ন করলে বাংলায় এবং ইংরেজিতে প্রশ্ন করলে ইংরেজিতে উত্তর দিন । আমার পরিচিত এক বন্ধুকে বি সি এস ভাইভাতে স্যার রা প্রশ্ন জিজ্ঞেস করায় সে বোকার মত জিজ্ঞেস করেছিল যে ” স্যার বাংলায় নাকি ইংরেজিতে বলবো ?? ” উত্তরে স্যার নাকি বলেছিলেন ” তুমি গ্রীক ভাষায় বল ” , মানে তার impression তা শুরুতেই negative হয়ে গিয়েছিল । oversmartness দেখাতে যাবেন না ,বা বোকার মত প্রশ্ন করবেন না যে স্যার বাংলায় নাকি ইংলিশে বলব???

১১- এক কথায় নরমাল থাকবেন । আর একেকজন ভাইভা শেষ করে বের হবার সাথে সাথে মৌমাছির মত তার পেছনে ছুটে তা কে প্রশ্ন করার দরকার নেই ,কারন একেকজন বের হয়ে একেক কথা বলবে ,এতে আপনার মাত্থা গরম হবার সম্ভাবনা বাড়ে,প্রত্যেকের ভাইভার কিছু uncut version থাকে যা সে বের হয়ে সাধারণত বলেনা,সে হয়তবা এমন কিছু বলেছে যাতে স্যাররা মনঃক্ষুণ্ণ হয়েছেন ,মনে রাখবেন কারো সাথে কারো ভাইভার কোন মিল থাকেনা সাধারণত । কি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলো তার চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিন আপনার ভাইভা রুমে ঢোকা থেকে বের হওয়া পর্যন্ত যেন একটা ভালো presentation and attitude থাকে ।

১২- যা জিজ্ঞেস করবে তা উত্তর করে চুপ থাকুন ,বেশি বলে বিদ্যা জাহির করতে গেলে বিপদে পড়ার চান্স বেশি বৈকি ।

১৩- ওইদিনের ২ টা বাংলা এবং ২ টা ইংরেজি পত্রিকার শিরোনাম দেখে যাওয়ার চেষ্টা করবেন ।

১৪- মনে রাখবেন আপনি একজন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে যোগদান করার জন্যই ভাইভা দিতে এসেছেন ,প্রতিটা দেশের প্রতিটা সরকারের কিছু positive and negative বিষয় থাকে পজিটিভ গুলোকে তুলে ধরার চেষ্টা করুন ।।

বি:দ্র: হয়তোবা এই বিষয়গুলো আপনাদের জানা আছে ,তাও লিখলাম এজন্য যে আমরা তো মানুষ তাই সামান্য ভুল হতেই পারে ,সেগুলোকে এড়ানোই আমাদের লক্ষ্য ।লিখায় কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল হলে ক্ষমাপ্রার্থী ।

29/11/2018

উকিলের বুদ্ধিঃ

ভিড় রাস্তায় এক উকিলের সাইকেলের মাডগার্ডে লেগে ভবেশবাবুর ধুতি ছিঁড়ে গেলো!
ভবেশবাবু সাথে সাথে উকিলকে হাত ধরে সাইকেল থেকে নামিয়ে বললেন- যাচ্ছেন কোথায়? আমার ধুতির দাম দিয়ে যান!
উকিল জিজ্ঞেস করলেন- ধুতির দাম কত? ভবেশবাবু বললেন ২০০ টাকা।
উকিল ভালো মানুষের মতো পকেট থেকে দুশো টাকা বের করে দিয়ে দিলেন!
এবার ভবেশবাবু খুশিমনে দুশো টাকা পকেটে পুরে যেই রওয়ানা হবেন, উকিল মহাশয় তার হাত চেপে ধরে বললেন- যাচ্ছেন কোথায়? আগে আমার ধুতি খুলে দিয়ে যান! ধুতির দাম দিয়ে দিয়েছি, এখন এই ধুতি আমার। ভবেশ বাবুর চোখ কপালে! উকিলের ‘আব্দারে’ তিনি ক্ষেপে উঠলেন।

কিন্তু আইনওয়ালা নাছোড় বান্দা। ধুতিটি না নিয়ে যাবেন-ই না।
হৈ চৈ শুনে তখন সেখানে বেশ কিছু লোক জমে গেছে, তারাও ন্যায় বিচারে ব্যস্ত হলেন এবং বিস্তর বুদ্ধি খাটিয়ে ভবেশ বাবুকে বললো- উনি যখন আপনাকে ধুতির মূল্য দিয়ে দিয়েছেন, তাহলে তো উনি এখন ধুতির মালিক; আপনি ধুতি খুলে উকিলবাবুকে দিয়ে দিন!
ক্রুদ্ধ ভঙ্গিতে ভবেশবাবু বললেন- উনাকে ধুতি দিয়ে দিলে আমি কি এই লোকভরা রাস্তায় উলঙ্গ হয়ে ঘরে যাবো?
জাবাবটা দিলেন উকিল- অতশত জানি না, বুঝিও না। শুধু জানি ধুতিটি আমার কেনা এখন। আপনি আমার ধুতি আমাকে দিয়ে যান।

এমন গ্যাড়াকলে জড়িয়ে ভবেশবাবুর ভবলীলা সাঙ্গ হওয়ার মতো অবস্থা হলো ক্রোধে। কিন্ত শেষে বাধ্য হয়ে বললেন- আপনি আপনার দুশো টাকা ফেরত নিয়ে নিন, আমি ছেঁড়া ধুতিতেই কোনমতে বাড়ি ফিরতে পারবো।
কিন্তু উকিল বললেন- আমার ধুতি আমি দুই হাজার টাকার কমে বেচবো না, লাগলে বলুন!
কি আর করা! ভবেশবাবু উল্টো নিজের গাঁটের দুই হাজার টাকা দিয়ে ছেঁড়া ধুতিতেই ঘরে ফিরলেন।
ফেরার পথে শুধু ঠোঁট কামড়ালেন একথা মনে করে- লোকটা যে উকিল ছিল আমি প্রথমে বুঝতে পারিনি...কেন!?
[সংগৃহীত]

27/11/2018

বার কাউন্সিল এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য সংক্ষিপ্ত সাজেশন "২০১৯" সালঃ
""""''"'''"''"""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
#সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ঃ
++++++++------++++++++----+++++
# দেওয়ানী মোকদ্দমা দায়ের এর মাধ্যমে বাদী পক্ষ যে প্রার্থনা করেন ,সেই প্রার্থনা অনুযায়ী আদালত ডিক্রীর মাধ্যমে যেই প্রতিকার প্রদান করে তাহাকে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার বলে।
#এই সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটির মূল ভিত্তি যে ধারা টি তা হচ্ছে ৫ ধারা , এই ধারায় পুরো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনটি কেই বর্ণনা করা হয়েছে।
যেমন্নঃ
#ধারা ঃ৫ এই ধারায় ৫ পদ্ধতিতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রধানের কথা বলা হয়েছে ।
ক) নির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহন করে এবং তাহা বাদী/দাবীদার কে অর্পণ করা (যাহা সম্পর্কে ধারা ৮ হতে ১১ ধারা পর্যন্ত উল্লেখ্য আছে)
খ) কোন কাজ কোন পক্ষের উপর বাধ্যকর ,সেই কাজ সম্পাদনের আদেশ প্রদান (যাহা ১২ ধারা হতে ৩০পর্যন্ত উল্লেখ্য আছে এবং ৫৫ ধারা )
গ)কোন কাজ কোন পক্ষের উপর না করা বাধ্যকর ,সেই কাজ হতে বিরত রাখার আদেশ প্রদান (যাহা ধারা ৫২ হতে ৫৪, পর্যন্ত উল্লেখ্য আছে এবং ৫৭ ধারা )
ঘ) ক্ষতিপূরন ছাড়া অন্য অধিকার এবং ঘোষণা মূলক আদেশ (যাহা ধারা ৩১ হতে ৪৩ ধারা র্যন্ত উল্লেখ্য আছে )
ঙ) রিসিভার (ধারা ৪৪)
এর মাঝে
৬ ধারাতে আছে নিবর্তনমূলক প্রতিকার
৭ ধারাতে দন্ডমূলক আইন কার্যকর এর ক্ষেত্রে এই আইন প্রযোজ্য হহে।
এই ভাগ টা বুঝে পড়লে আপনার পুরো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন এর ধারা সহ বেসিক মনে থাকবে গল্পের মতো।।
#যে_সকল_ধারাসহ_তত্ত্বীয় আপনার মনে রাখতেই হবে এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য তাহা হলো ঃ
ধারাসমূহ ; ৮, ৯
ধারাসমূহ ঃ ১২, ১৩, ১৪, ১৫
ধারাসমূহঃ ২১, ২১ক
ধারাসমূহঃ ৩১, ৩৫, ৩৯
ধারাসমূহঃ ৪২
ধারাসমূহঃ ৫৩, ৫৫,৫৭ (৫৪, ৫৬)
#যে_সকল_ধারাসমূহ শুধু মনে রাখলেই হবে
ধারাসমূহঃ ৬, ৭, ১০, ১১
ধারাসমূহঃ ২২, ২৩, ২৭, ২৮ এবং ৪০
আশা করি এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য এর বাইরে পড়ার দরকার হবে না ।

19/11/2018

দণ্ডবিধি ১৮৬০ (গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহ)
# জজ (ধারা- ১৯)
#সাধারণ অভিপ্রায়( ধারা-৩৪)
# শাস্তির প্রকারভেদ(ধারা-৫৩)
#মৃত্যুদণ্ড হ্রাসকরণ( ধারা-৫৪)
#যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হ্রাসকরণ(ধারা- ৫৫)
#রাষ্ট্রপতির বিশেষ অধিকার( ধারা- ৫৫ক)
#দণ্ডের মেয়াদসমূহের ভগ্নাংশ শমুহ(ধারা -৫৭)
#কারাদণ্ড সশ্রম বা বিনাশ্রম হতে পারে ( ধারা -৬০)
#অর্থদণ্ডের পরিমান(ধারা-৬৩)
# অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড( ধারা-৬৪)
#শুধুমাত্র অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হলে( ধারা-৬৭)
#নির্জন কারাবাস( ধারা -৭৩)
#নির্জন কারাবাসের সীমা (ধারা -৭৪)
#ব্যাক্তিগত প্রতিরক্ষা(ধারা ৯৬)
#শরীর ও শম্পত্তির ব্যাক্তিগত অধিকার(ধারা ৯৭)
#যেসকল ব্যাক্তির বিষয়ে আত্মরক্ষা করা যায় (ধারা৯৮)
#ব্যাতিক্রম( ধারা ৯৯)
#যে ক্ষেত্রে দেহ রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু ঘটানো জায়(ধারা ১০০)
#অপরাধে সহায়তা( ধারা ১০৭)
# দুষ্কর্মে সহায়তাকারী( ধারা ১০৮)
# প্ররোচনার শাস্তি(ধারা শাস্তি ১০৯)
# অপরাধ্মুলক ষড়যন্ত্রের সংজ্ঞা ( ধারা ১২০ক)
#অপরাধ্মুলক ষড়যন্ত্রের সাস্তি(ধারা ১২০ খ)
#রাষ্ট্রদোহী তা( ধারা ১২৪ ক)
#বেআইনি সমাবেশ( ধারা ১৪১)
# বেআইনি সমাবেশের শাস্তি( ধারা ১৪৩)
#দাঙ্গা ( ধারা ১৪৬)
# দাঙ্গার সাস্তি(ধারা ১৪৭)
#মারামারি( ধারা ১৫৯)
#মারামারির শাস্তি( ধারা ১৬০)
#মিথ্যা সাক্ষ্যদান( ধারা ১৯১)
#মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করে( ধারা ১৯২)
#নিন্দনীয় নরহত্যা( ধারা ২৯৯)
# খুন( ধারা ৩০০)
# খুনের শাস্তি( ধারা ৩০২)
# যাবজ্জীবন দণ্ডিত ব্যাক্তি দ্বারা খুনের শাস্তি( ধারা ৩০৩)
#নিন্দনীয় নরহত্যার শাস্তি( ধারা ৩০৪)
#অবহেলার কারনে মৃত্যু( ধারা ৩০৪ ক)
# বেপরোয়া জান চালানোর মাধ্যমে মৃত্যু( ধারা ৩০৪খ)
#আত্মহত্যায় সহায়তা( ধারা ৩০৬)
# খুনের চেষ্টা( ধারা ৩০৭)
# আত্মহত্যার চেষ্টা( ধারা ৩০৯)
#আঘাত (ধারা ৩১৯)
# গুরুতর আঘাত( ধারা ৩২০)
#আঘাতের শাস্তি ( ধারা ৩২৩)
#গুরুতর আঘাতের শাস্তি (ধারা ৩২৬)
#অবৈধ বাধা (ধারা ৩৩৯)
# অবৈধ বাধাদানের শাস্তি( ধারা ৩৪১)
# অবৈধ আটক( ধারা ৩৪০)
# অবৈধ আটকের শাস্তি( ধারা ৩৪২)
# অপহরণ( ধারা ৩৫৯)
# বাংলাদেশ থেকে অপহরণ( ধারা ৩৬০)
# আইনানুগ অভিভাবক হতে অপহরণ( ধারা ৩৬১)
# আপবাহন ( ধারা ৩৬২)
#লোক অপহরনের শাস্তি( ধারা ৩৬৩)
#ধর্ষণ ( ধারা ৩৭৫)
# ধর্ষণের শাস্তি( ধারা ৩৭৬)
#চুরি( ধারা ৩৭৮)
# চুরির শাস্তি( ধারা ৩৭৯)
#বাসগৃহ হইতে চুরি( ধারা ৩৮০)
# কেরানি বা চাকর হইতে চুরি( ধারা ৩৮১)
# বলপূর্বক গ্রহন( ধারা ৩৮৩)
# বলপূর্বক গ্রহনের শাস্তি( ধারা ৩৮৪)
#দস্যুতা( ধারা ৩৯০)
# দস্যুতার শাস্তি( ধারা ৩৯২)
# ডাকাতি( ধারা ৩৯১)
# ডাকাতির শাস্তি( ৩৯৫)
# খুনসহ ডাকাতি( ধারা ৩৯৬)
# অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ( ধারা ৪০৩)
#অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ( ধারা ৪০৫)
# অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের শাস্তি( ধারা ৪০৬)
# প্রতারনা( ধারা ৪১৫)
# প্রতারনার শাস্তি( ধারা ৪১৭)
#অনিষ্ট( ধারা ৪২৫)
#অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ( ধারা ৪৪১)
#মানহানি( ধারা ৪৯৯)
# মানহানির শাস্তি( ধারা ৫০০)
collected.

12/11/2018

বাংলাদেশের সংবিধান থেকে ১৫১টি প্রশ্ন??
"""""'"'"'"'''''""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""
1. প্রশ্ন: যুদ্ধপরাধীদের বিচারসংক্রান্ত সংবিধানের অনুচ্ছেদটি হলো -
উত্তর: ৪৭
2.প্রশ্ন: বাংলাদেশ সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাকশাল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
উত্তর: চতুর্থ
3.প্রশ্ন: বাংলাদেশ সংবিধানের কোন ভাগে মৌলিক অধিকারের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: তৃতীয় ভাগে
প্রশ্ন: বাংলাদেশ সংবিধানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত হয়েছে?
উত্তর: ১১৭
4. প্রশ্ন: “আইনের চোখে সব নাগরিক সমান।” – বাংলাদেশের সংবিধানের কত নম্বর ধারায় এ নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে?
উত্তর: ধারা ২৭
5. প্রশ্ন: তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে রদ করা হয়েছে?
উত্তর: ১৫ তম
6) বাংলাদেশের সংবিধানের প্রনয়ণের প্রক্রিয়া শুরু হয় কবে?
উঃ- ২৩ মার্চ, ১৯৭২।
7) বাংলাদেশের সংবিধান কবে উত্থাপিত হয়?
উঃ- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২।
8) গনপরিষদে কবে সংবিধান গৃহীত হয়?
উঃ- ০৪ নভেম্বর,১৯৭২।
9) কোন তারিখে বাংলাদেশের সংবিধান বলবৎ হয়?
উঃ- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
10) বাংলাদেশে গনপরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
উঃ- ১০ এপ্রিল, ১৯৭২।
11) সংবিধান প্রনয়ণ কমিটি কতজন সদস্য নিয়ে গঠন করা হয়?
উঃ- ৩৪ জন।
12) সংবিধান রচনা কমিটির প্রধান কে ছিলেন?
উঃ- ডঃ কামাল হোসেন।
13) সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য কে ছিলেন?
উঃ- বেগম রাজিয়া বেগম।
14) বাংলাদেশ সংবিধানের কয়টি পাঠ কয়েছে?
উঃ- ২ টি। বাংলা ও ইংরেজি।
15) কি দিয়ে বাংলাদেশের সংবিধান শুরু ও শেষ হয়েছে?
উঃ- প্রস্তাবনা দিয়ে শুরু ও ৭টি তফসিল দিয়ে শেষ।
16) বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি ভাগ আছে?
উঃ- ১১ টি।
17) বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ/ধারা কতটি?
উঃ- ১৫৩ টি।
18) বাংলাদশের প্রথম হস্তলেখা সংবিধানের মূল লেখক কে?
উঃ- আবদুর রাউফ।
19) প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া কোন কাজ রাষ্ট্রপতি এককভাবে করতে সক্ষম?
উঃ- প্রধান বিচারপতির নিয়োগ দান।
20) রাষ্ট্রপতির মেয়াদকাল কত বছর?
উঃ- কার্যভার গ্রহনের কাল থেকে ৫ বছর।
21) একজন ব্যক্তি বাংলাদশের রাষ্ট্রপতি হতে পারবেন কত মেয়াদকাল?
উঃ- ২ মেয়াদকাল।
22) কার উপর আদালতের কোন এখতিয়ার নেই?
উঃ- রাষ্ট্রপতি।
23) জাতীয় সংসদের সভাপতি কে? উঃ- স্পিকার।
24) রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করতে চাইলে কাকে উদ্দেশ্য করে পদত্যাগ পত্র লিখবেন?
উঃ- স্পিকারের উদ্দেশ্যে।
25) প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদের নিয়োগ প্রদান করেন কে?
উঃ- রাষ্ট্রপতি।
26) এ্যার্টনি জেনারেল পদে নিয়োগ দান করেন কে?
উঃ- রাষ্ট্রপতি।
27) সংবিধানের প্রধান বৈশিষ্ট্য আছে কতটি?
উ:১২টি।
28) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত কোনটি?
উঃ- সুপ্রীম কোর্ট।
29) সুপ্রীম কোর্টের কয়টি বিভাগ আছে?
উঃ- ২টি । আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ
30) সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের মেয়াদকাল কত?
উঃ- ৬৭ বছর পর্যন্তু।
31) বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম মূলনীতি কি ছিল?
উঃ- ধর্মনিরপেক্ষতা, জাতীয়তাবাদ, গনতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র।
32) কোন আদেশবলে সংবিধানের মূলনীতি “ধর্মনিরপেক্ষতা” বাদ দেয়া হয়?
উঃ- ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।
33) কোন আদেশবলে সংবিধানের শুরুতে “বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম” সন্নিবেশিত হয়?
উঃ- ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।
34) কোন আদেশবলে বাংলাদেশের নাগরিকগণ “বাংলাদেশী” বলে পরিচিত হন?
উঃ- ১৯৭৮ সনে ২য় ঘোষনাপত্র আদেশ নং ৪ এর ২ তফসিল বলে।
35) সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “গনতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের” নিশ্বয়তা দেয়া আছে?
উঃ- ১১ অনুচ্ছেদ।
36) সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “কৃষক ও শ্রমিকের” মুক্তির কথা বলা আছে?
উঃ- ১৪ অনুচ্ছেদ।
37) সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ” এর কথা বলা হয়েছে?
উঃ- ২২ অনুচ্ছেদ।
38) “সকল নাগরিক আইনের চোখে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী” বর্ণিত কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ২৭ অনুচ্ছেদে।
39) জীবন ও ব্যক্তি স্বাধীনতার অধিকার রক্ষিত রয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩২ অনুচ্ছেদে।
40) গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কিত রক্ষাকবচের কোন অনুচ্ছেদ?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৩ অনুচ্ছেদে।
41) জবরদস্তি নিষিদ্ধ করা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৪ অনুচ্ছেদে।
42) চলাফেরার স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৬ অনুচ্ছেদে।
43) সমাবেশের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৭ অনুচ্ছেদে।
44) সমিতি ও সংঘ গঠনের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৮ অনুচ্ছেদে।
45) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে।
46) বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৯(২) ক অনুচ্ছেদে।
47) সংবাদপত্রের স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৩৯ (২) খ অনুচ্ছেদে।
48) পেশা ও বৃত্তির স্বাধীনতা দেয়া হয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৪০ অনুচ্ছেদে।
49) ধর্মীয় স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৪১ অনুচ্ছেদে।
50) সম্পত্তির অধিকারের কথা বর্ণিত হয়েছে কোন অনুছেদে?
উঃ- ৩য় ভাগে, ৪২ অনুচ্ছেদে।
51) স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ কোনটি?
উঃ- ৭৪ অনুচ্ছেদ।
“বইওয়ালা বিসিএস সল্যুশন” এর সাথেই থাকুন।
52) ন্যায়পাল নিয়োগ সংক্রান্ত কথা বলা হয়েছে?
উঃ- ৭৭ অনুচ্ছেদে।
53) জাতীয় সংসদে ন্যায়পাল আইন কবে পাস হয়?
উঃ- ১৯৮০ সালে।
54) বাংলাদশের সংবিধানের এ পর্যন্তু মোট কতটি সংশোধনী আনা হয়েছে?
উঃ- ১৬ টি।
55) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কবে জারী করা হয়?
উঃ- ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৫।
56) ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ কবে বাতিল করা হয়?
উঃ- ১২ নভেম্বর, ১৯৯৬।
58) বাংলাদেশের আইন সভার নাম কি?
উঃ- জাতীয় সংসদ।
59) জাতীয় সংসদ ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর কবে স্থাপন করা হয়?
উঃ- ১৯৬২ সালে।
60) জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
উঃ- লুই আই কান।
61) লুই আই কান কোন দেশের নাগরিক?
উঃ- যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।
বইওয়ালা বিসিএস সল্যুশন এর সাথেই থাকুন।
62) জাতীয় সংসদ ভবনের ছাদ ও দেয়ালের স্ট্রাকচারাল ডিজাইনার কে?
উঃ- হ্যারি পাম ব্লুম।
63) জাতীয় সংসদ ভবনের নির্মাণ কাজ শুরম্ন হয় কবে?
উঃ- ১৯৬৫ সালে।
64) জাতীয় সংসদ ভবনের ভূমির পরিমান কত?
উঃ- ২১৫ একর।
65) জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করা হয়?
উঃ- ২৮ জানুয়ারী, ১৯৮২।
66) জাতীয় সংসদ ভবন কত তলা বিশিষ্ট?
উঃ- ৯ তলা।
67) জাতীয় সংসদ ভবনের উচ্চতা কত?
উঃ- ১৫৫ ফুট।
68) বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রতীক কি?
উঃ- শাপলা ফুল।
69) জাতীয় সংসদ ভবন কে উদ্বোধন করেন?
উঃ- রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার।
70) বর্তমান জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন কবে বসে?
উঃ- ১৫ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮২।
71) বাংলাদেশের সংসদের মোট আসন সংখ্যা কতটি?
উঃ- ৩৫০ টি।
72) বাংলাদেশের সংসদের সাধারন নির্বাচিত আসন সংখ্যা কতটি?
উঃ- ৩০০ টি।
73) সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন স্যখ্যা কতটি?
উঃ- ৫০ টি।
74) বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ১ নং আসন কোনটি?
উঃ- পঞ্চগড়-১।
75) বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন কোনটি?
উঃ- বান্দরবান।
76) জাতীয় সংসদের কাস্টি ভোট বলা হয়?
উঃ- স্পিকারের ভোটকে।
77) সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ব্যবধান কতদিন?
উঃ- ৬০ দিন।
78) গণতন্ত্র ও মানবাধিকার এবং মৌলিক অধিকার বলবৎকরন কোন কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
উত্তর: যথাক্রমে ১১ ও ৪৪ অনুচ্ছেদ।
79) সাধারন নির্বাচনের কতদিনের মধ্যে সংসদ অধিবশন আহবান করতে হবে?
উঃ- ৩০ দিন।
80) সংসদ অধিবেশন কে আহবান করেন?
উঃ- রাষ্ট্রপতি।
81) সংসদ অধিবেশনের কোরাম পূর্ন হয় কত জন সংসদ হলে?
উঃ- ৬০ জন।
বইওয়ালা বিসিএস সল্যুশন এর সাথেই থাকুন
82) সংবিধান সংশোধনের জন্য কত সংসদ সদস্যের ভোটের প্রয়োজন হয়?
উঃ- দুই-তৃতীয়াংশ।
83) একাধারে কতদিন সংসদে অনুপস্থিত থাকলে সংসদ সদস্য পদ বাতিল হয়?
উঃ- ৯০ কার্যদিবস।
84) গণ-পরিষদের প্রথম স্পিকার কে?
উঃ- শাহ আব্দুল হামিদ।
85) গণ-পরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার কে?
উঃ- মোহাম্মদ উল্ল্যাহ।
86) এ দেশের সংসদীয় রাজনীতির ইতিহাস কবে থেকে চর্চা শুরু হয়?
উঃ- ১৯৩৭ সালে।
87) কোন কোন বিদেশী প্রথম জাতীয় সংসদে ভাষণ দেন?
উঃ- যুগোশ্লেভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল জোসেফ টিটো-৩১ জানু, ১৯৭৪ এবং ভারতের প্রেসিডেন্ট ভি.ভি. গিরি-১৮ জুন, ১৯৭৪।
88) বাংলাদেশের অষ্টম জাতীয় সংসদ নিবার্চনে নির্বাচিত একজন সদস্য নিজেই নিজের শপথ বাক্য পাঠ করিয়েছেন, তিনি কে?
উঃ- এডভোকেট আবদুল হামিদ।
বইওয়ালা বিসিএস সল্যুশন এর সাথেই থাকুন
89) নির্বাচন কমিশন কার সমমর্যাদার অধিকারী?
উঃ- সুপ্রীম কোর্ট।
90) বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন কমিশনার কে?
উঃ- বিচারপতি এম ইদ্রিস।
91) বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচন কমিশনার কে?
উঃ- কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ
92) নির্বাচন কমিশন কেমন প্রতিষ্ঠান?
উঃ- স্বতন্ত্র ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
93) “তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল” কবে সংসদে পাশ হয়?
উঃ- ২৭ মার্চ, ১৯৯৬।
94) বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি কে?
উঃ- সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী)।
95) এডভোকেট আবদুল হামিদ বাংলাদেশের কততম প্রেসিডেন্ট?
উঃ- ২০তম।
96) বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?
উঃ- তাজউদ্দিন আহমেদ।
97) শেখ হাসিনা বর্তমানে বাংলাদেশের কততম প্রধানমন্ত্রী?
উঃ- ১৪ তম।
98) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হতে হলে বয়স কমপক্ষে কত হবে?
উঃ- ৩৫ বছর।
99) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে হলে বয়স কমপক্ষে কত হতে হবে?
উঃ- ২৫ বছর।
100) জাতীয় সংসদের সদস্য হতে হলে বয়স কমপক্ষে কত হতে হবে?
উঃ- ২৫ বছর।
101. প্রশ্ন: সংবিধান অনুযায়ী মালিকানা কয় ধরনের?
উত্তর: ৩
102. প্রশ্ন: মানুষের মৌলিক চাহিদা কতটি?
উত্তর: ৫
103. প্রশ্ন: যুদ্ধাপরাধীর বিচার সংক্রান্ত সংবিধানের অনুচ্ছেদটি হলো--
উত্তর: ৪৭
104. প্রশ্ন: সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন” বলা আছে?
উত্তর: ২৮ (২) নং অনুচ্ছেদে
105. প্রশ্ন: সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন?
উত্তর: ৬ (২)
106. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা পায়?
উত্তর: ২৮
107. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর উদ্দেশ্য কি ছিল?
উত্তর: ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দির বিচার অনুষ্ঠান
108. প্রশ্ন: গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কোন তারিখ থেকে?
উত্তর: ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২
109. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থা সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে পুনঃপ্রবর্তিত হয়?
উত্তর: দ্বাদশ
110. প্রশ্ন: চতুর্দশ সংশোধনীর প্রধান বৈশিষ্ট্য কি?
উত্তর: মহিলাদের সংরক্ষিত আসন
111. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের কত ধারা মোতাবেক রাষ্ট্রপতি মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নিযুক্তি দেন ?
উত্তর: ৫৬ (২) ধারা
112. প্রশ্ন: 'অর্থ বিল' সম্পর্কিত বিধানাবলী আমাদের সংবিধানের কোন আর্টিক্যালে উল্লেখ আছে?
উত্তর: ৮১ (১)
113. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ কর্মকমিশন গঠিত হয়?
উত্তর: ১৩৭
114. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে কে যুদ্ধ ঘোষণা করতে পারেন?
উত্তর: জাতীয় সংসদ
115. প্রশ্ন: সংবিধানের কত ধারা অনুযায়ী দ্রুত বিচার ট্রাইবুন্যাল অধ্যাদেশ-২০০২ করা হয়েছে?
উত্তর: ৯৩ (১)
116. প্রশ্ন: 'প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ' ঘোষণাটি বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
উত্তর: ৭
117. প্রশ্ন: সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ 'ন্যায়পাল' নিয়োগের বিধান আছে?
উত্তর: ৭৭ নং অনুচ্ছেদে
118. প্রশ্ন: ইংরেজীতে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সাংবিধানিক নাম -
উত্তর: House of Nation
119. প্রশ্ন: সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন' বলা আছে?
উত্তর: ২৮ (২) নং অনুচ্ছেদে
120. প্রশ্ন: সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সর্বাধিক কতজনকে Technocrat মন্ত্রী নিয়োগ করা যায়?
উত্তর: এক-দশমাংশ
121. প্রশ্ন: সংবিধান বা শাসনতন্ত্র হচ্ছে -
উত্তর: রাষ্ট্রের মৌলিক আইন
122. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ (২) ধারায় বলা হয়েছে "সকল সময়ে ---- চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য"। শূন্যস্থানটি পূরণ কর।
উত্তর: জনগনের সেবা করিবার
123. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী জাতীয় সংসদের কোন তারিখে পাস হয়েছিল?
উত্তর: ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫
124. প্রশ্ন: জরুরী অবস্থা জারির বিধান সংবিধানে সন্নিবেশিত হয় -
উত্তর: দ্বিতীয় সংশোধনীতে
125. প্রশ্ন: বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিকের সম্পত্তি অর্জন, ধারণ, হস্তান্তর বা অন্যভাবে বিলি-ব্যবস্থা করার অধিকার থাকবে' বলে বলা হয়েছে বাংলাদেশ সংবিধানের -
উত্তর: ৪২ নং অনুচ্ছেদ
126. প্রশ্ন: বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন একটি -
উত্তর: সাংবিধানিক সংস্থা
127. প্রশ্ন: সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: ১১৮ নং অনুচ্ছেদে
128. প্রশ্ন: সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা বাংলাদেশে উপ-রাষ্ট্রপতি পদ বিলুপ্ত করা হয়?
উত্তর: দ্বাদশ
129. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি ভাগ বা অধ্যায় আছে?
উত্তর: ১১ টি
131. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানে আইনের ব্যাখ্যা দেয়া আছে কোন অনুচ্ছেদে?
উত্তর: ১৫২
132. প্রশ্ন: সংসদের 'বিশেষ অধিকার কমিটি' কোন ধরনের কমিটি?
উত্তর: সাংবিধানিক স্থায়ী কমিটি
133. প্রশ্ন: ইসলামকে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয় কত সালে?
উত্তর: ১৯৮৮
134. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের এখন পর্যন্ত কতটি সংশোধনী আনা হয়েছে?
উত্তর: ১৭
135. প্রশ্ন: বাংলাদেশ সংবিধানের তফসিল কতটি?
উত্তর: ৭ টি
137. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের কত ধারায় শিক্ষার জন্য সাংবিধানিক অঙ্গীকার ব্যক্ত আছে?
উত্তর: ১৭ নং ধারা
138. প্রশ্ন: বাংলাদেশের অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারী করেন কে?
উত্তর: শেখ মুজিবুর রহমান
139. প্রশ্ন: বাংলাদেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সর্বপ্রথম কোন সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তন করা হয়?
উত্তর: ৮ম
140. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য -
উত্তর: বেগম রাজিয়া বানু
141) বাংলাদেশে কোন ধরনের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা প্রচলিত?
উঃ- সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র।
142) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন কি?
উঃ- সংবিধান।
143) কোন দেশের কোন লিখিত সংবিধান নাই?
উঃ- বৃটেন, নিউজিল্যান্ড, স্পেন ও সৌদি আরব।
144) বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবিধান কোন দেশের?
উঃ- ভারত।
145) বিশ্বের সবচেয়ে ছোট সংবিধান কোন দেশের?
উঃ- আমেরিকা।
146. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ নং ধারায় প্রতিষ্ঠিত সংস্থা কোনটি?
উত্তর: বাংলাদেশ সরকারী কর্মকমিশন
147. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক কে?
উত্তর: সুপ্রিমকোর্ট
148. প্রশ্ন: সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকার বিধান বর্ণিত আছে?
উত্তর: ১২১ নং অনুচ্ছেদে
149. প্রশ্ন: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধনের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন -
উত্তর: দুই-তৃতীয়াংশ
150. প্রশ্ন: সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকগণ 'বাংলাদেশী' বলিয়া পরিচিত হবেন?
উত্তর: ৬ (২)
151. প্রশ্ন: বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরীর ক্ষমতা পায়?
উত্তর: ২৮ (৪)

12/11/2018

দেওয়ানী মামলা স্থানান্তরঃ

দেওয়ানী কার্যবিধির ২২ ও ২৪ ধারায় মোকদ্দমা স্থানান্তর সম্পর্কে বলা হইয়াছে।
২৪ ধারার ১ উপধারার বলা হইয়াছে যে, মোকদ্দমা যে কোনো পক্ষের আবেদনক্রমে সকল পক্ষকে নোটিশ দিয়া এবং তাহাদের কাহারও বক্তব্য শুনিবার ইচ্ছা থাকিলে তাহা শ্রবণ করিয়া অথবা কোনো নোটিশ না দিয়া স্বতঃপ্রবৃত্ত হইয়া হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা আদালত যে কোনো স্তরে
(ক) তাহার সম্মুখে বিচারধীন কোনো মোকদ্দমা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম তাহার অধীনস্থ কোনো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির স্থানান্তর করিতে পারেন, অথবা।
(খ) তাহার অধীনস্থ কোনো আদালত হইতে কোনো মামলা, আপিল বা অন্যান্য কার্যক্রম প্রত্যাহার করিতে পারেন এবং
(১) ইহার বিচার বা নিষ্পত্তি করিতে পারেন, অথবা
(২) ইহার বিচার বা নিষ্পত্তি করিবার যোগ্যতম কোনো আদালতে বিচার না নিষ্পত্তির জন্য স্থানান্তর করিতে পারেন, অথবা
(৩) যে আদালত হইতে উহা প্রত্যাহার করা হইয়াছিল, পুনরায় সেই আদালতে বিচার বা নিষ্পত্তির জন্য প্রেরণ করিতে পারেন।
২৭ ডি. এল. আর (পাতা-৪৩) শামসুল হুদা বনাম মোজাম্মেল হক মামলার সিদ্ধান্ত: মোকদ্দমা সম্পর্কে বাদীর নিজের ফোরাম পছন্দের অধিকার রহিয়াছে কিন্তু উপর্যুক্ত কারণ ছাড়া শুধু বাদীর ইচ্ছামত মোকদ্দমা স্থানান্তর হইতে পারে না।
২০ ডি. এল. আর (পাতা-৮৬৭) চৌধুরী মোহাম্মদ সরোয়ার বনাম শওকত হোসেন মামলার সিদ্ধান্ত: ২৪ ধারা হাইকোর্ট বিভাগ ও জেলা জজের উপর সুবিবেচনার প্রভূত ক্ষমতা প্রদান করে। কিন্তু সুবিবেচনার ক্ষমতা অবশ্যই ন্যায় বিচারের স্বার্থে প্রয়োগ করিতে হইবে।
২৪ ক ধারায় বলা হইয়াছে যে, কোনো পক্ষের দরখাস্তমূলে স্থানান্তরের আদেশ হইলে স্থানান্তরের আদেশের সময় পক্ষবৃন্দকে পরবর্তী তারিখ জানাইয়া দিতে হইবে।

12/11/2018

আদালতের এখতিয়ারঃ

বাংলাদেশের প্রতিটি আদালতের বিচারিক ক্ষমতা সংবিধান অথবা রাষ্ট্র কর্তৃক পাশ কৃত আইন দ্বারা সীমাবদ্ধ। সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং তৎক্রমনিম্নভাবে জেলা পর্যায়ে দেওয়ানি আদালত এবং ফৌজদারি আদালত রয়েছে। এছাড়াও বিশেষ মামলাসমূহের জন্য রয়েছে বিশেষ আদালত ও ট্রাইব্যুনাল। বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতের বিচারিক ক্ষমতা নিম্নে আলোচনা করা হলো-

বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট-

বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আদালত হবে সুপ্রীম কোর্ট যা দুটি ভাগে বিভক্ত-

ক) আপীল বিভাগ, এবং

খ) হাইকোর্ট বিভাগ।

আপীল বিভাগের ক্ষমতা-

১) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা সাজার বিরুদ্ধে আপীল শুনানীর ও নিষ্পত্তির ক্ষমতা রয়েছে আপীল বিভাগের।

২) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা সাজার বিরুদ্ধে আপীল বিভাগের নিকট অধিকারবলে আপীল করা যাবে যেক্ষেত্রে

ক) হাইকোর্ট বিভাগ এই মর্মে সার্টিফিকেট প্রদান করেন যে, মামলাটির সাথে আইনের গুরুত্বপুর্ণ প্রশ্ন জড়িত রয়েছে, অথবা

খ) কোন ব্যাক্তিকে মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করা হয়েছে, অথবা

গ) উক্ত বিভাগের অবমাননার জন্য কোন ব্যক্তিকে দন্ডদান করা হয়েছে এবং জাতীয় সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে অন্যান্য ক্ষেত্রে,

৩) হাইকোর্ট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে যে মামলায় এই অনুচ্ছেদের (২) দফা প্রযোজ্য নয় কেবল আপীল বিভাগের অনুমতিসাপেক্ষে উক্ত মামলায় আপীল চলবে।

(৪) সংসদ আইনের দ্বারা ঘোষণা করতে পারবে যে, এই অনুচ্ছেদের বিধানসমূহ হাইকোর্ট বিভাগের প্রসঙ্গে যেরূপ প্রযোজ্য, অন্য কোন আদালত বা ট্রাইব্যুনালের ক্ষেত্রেও তাহা সেইরূপ প্রযোজ্য।

হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ারঃ

বাংলাদেশ সংবিধান এবং অন্য কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর আদি, আপীল ও অন্য প্রকার এখতিয়ার, ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে-

ক) আদি এখতিয়ার- রীট, কোম্পানী এডমিরালটি ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়াদি,

খ) আপীল ও রিভিশনালএখতিয়ার- জেলা ও দায়রা জজ আদালত,অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, বিশেষ জজ, অর্থঋণ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি আদালতের রায় ও আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আপীল অথবা বিভিশন দায়ের করা যায়।

গ) আদালত অবমাননা সংক্রান্ত বিষয়াদি

অধস্তন আদালতঃ

দেওয়ানী আদালতঃ

ক) জেলা জজ আদালত

খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত

গ) যুগ্ম জেলা জজ আদালত

ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ আদালত

ঙ) সহকারী জজ আদালত

দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ারঃ

ক) জেলা জজ আদালত- রিভিশন এখতিয়ার, দেওয়ানী বিষয়বস্তুর আপীল যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পাচ কোটি টাকা , প্রবেট সংক্রান্ত বিষয়াদি ইত্যাদি।

খ) অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত সকল মামলাসমূহের বিচার অত্র আদালত কর্তৃক সম্পন্ন হয়ে থাকে।

গ) যুগ্ম জেলা জজ- ১) সকল প্রকার দেওয়ানী মামলা যার মূল্যমান পচিশ লক্ষ টাকা থেকে অসীম,

২) উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়াদি,

৩) রিভিশন- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,

৪) আপীল- জেলা জজ কর্তৃক প্রেরিত মামলাসমূহ,

ঘ) সিনিয়র সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান পনের লক্ষ টাকা থেকে পচিশ লক্ষ টাকা পর্যন্ত,

ঙ) সহকারী জজ- দেওয়ানী প্রকৃতির মামলার বিচার যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পনের লক্ষ টাকা।

চ) স্মল কজেস কোর্ট- স্মল কজেস আদালত ক্ষুদ্র মামলা নিস্পত্তি করে থাকে যার মূল্যমান সর্বোচ্চ পচিশ হাজার টাকা।

ছ) পারিবারিক আদালত- পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ অনুযায়ী অত্র আইনের অধীনে দায়েরকৃত পারিবারিক বিষয়াদি সংক্রান্ত বিষয়াদি যথাক্রমে- তালাক, দেনমোহর, ভরনপোষন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার এবং নাবালকের অভিভাকত্ব সংক্রান্ত বিষয়াদির মামলার বিচার অত্র আদালতে সম্পন্ন হয়ে থাকে।

ফৌজদারী আদালতঃ

ক) দায়রা আদালতঃ প্রত্যেক বিভাগে নিম্নবর্ণিত দায়রা আদালত থাকবে-

১) দায়রা জজ আদালত

২) অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত

৩)সহকারী দায়রা জজ আদালত

মেট্রোপলিটন এলাকার জন্যঃ ১) মহানগর দায়রা জজ আদালত

২) অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত

৩) যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ আদালত

খ) ম্যাজিস্ট্রেট আদালতঃ

১) চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত,

২) অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত,

৩) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

৪) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

৫) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত

মেট্রোপলিটন এলাকার জন্যঃ ১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

২) অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

৩) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট

ফৌজদারী আদালতের এখতিয়ার-

১) দায়রা জজ আদালত এবং অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত- আইনে উল্লেখিত সকল প্রকারের দন্ড প্রদানে অত্র আদালত সক্ষম তবে মৃত্যুদন্ড প্রদান করলে উক্ত রায় হাইকোর্ট কর্তৃক অনুমোদিত হতে হয়।

২) যুগ্ম দায়রা জজ আদালত- অত্র আদালত মৃত্যুদন্ড,যাবজ্জীবন কারাদন্ড অথবা দশ বছরের অধিক কারাদন্ড ব্যতীত আইনে উল্লেখিত সকল প্রকার সাজা প্রদানে সক্ষম।

৩) প্রথম শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত/ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত - অত্র আদালত পাচ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড এবং দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা প্রদানে সক্ষম।

৪) দ্বিতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত- অত্র আদালত তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড এবং পাচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা প্রদানে সক্ষম।

৫) তৃতীয় শ্রেনীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত- অত্র আদালত দুই বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদন্ড এবং দুই হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা প্রদানে সক্ষম।

ট্রাইব্যুনাল ও বিশেষ আদালতসমূহঃ

ক) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এ উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার অত্র ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক সম্পাদিত হয়।

খ) দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল- দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল আইন,২০০২ এর অধীনে সুনির্দিষ্ট কিছু অপরাধের বিচার অত্র আদালত কর্তৃক সম্পাদিত হয়।

গ) দ্রুত বিচার আদালত- অত্র আদালত কর্তৃক আইন, শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এ উল্লেখিত অপরাধসমূহের বিচার সম্পন্ন হয়।

ঘ) বিশেষ আদালত- বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এর অধীনে দায়েরকৃত অপরাধসমূহের বিচার অত্র আদালত কর্তৃক সম্পন্ন হয়।

ঙ) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল-- কোন সরকারী কর্মচারীর তার চাকুরীর শর্তাবলী সংক্রান্ত ক্ষুব্ধ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মচারী প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারেন।

চ) প্রশাসনিক আপীলেট ট্রাইব্যুনাল- প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক আপীলেট ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করা হয়ে থাকে।

ছ) শ্রম আদালত- বাণিজ্যিক কারনে এবং কল-কারখানা হতে উদ্ভত বিরোধের নিস্পত্তি শ্রম আদালতে করা হয়ে থাকে।

জ) শ্রম আপীল ট্রাইব্যুনাল- শ্রম আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে শ্রম আদালতে আপীল দায়ের করা হয়ে থাকে।

ঝ) ট্যাক্সেস আপীলেট ট্রাইব্যুনাল- যদি কোন করদাতা যুগ্ম আপীল কমিশনার অথবা কমিশনার (আপীল) প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয় তবে তিনি ট্যাক্সেস আপীলেট ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করতে পারেন।

ঞ) কাস্টমস, এক্সাইজ এবং ভ্যাট আপীলেট ট্রাইব্যুনাল- যদি কোন ব্যাক্তি কমিশনার অথবা কমিশনার (আপীল) কর্তৃক প্রদত্ত সিদ্ধান্ত অথবা আদেশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হন তবে তিনি কাস্টমস, এক্সাইজ এবং ভ্যাট আপীলেট ট্রাইব্যুনালে আপীল দায়ের করতে পারেন।

ট) অর্থঋন আদালত- ব্যাংক অথবা অন্যান্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃক প্রদত্ত ব্যাংক ঋণের টাকা আদায়ের নিমিত্তে অর্থঋণ আদালতে মামলা দায়ের করতে হবে।

ঠ) বিশেষ জজ আদালত- দুর্নীতি দমন আইন,১৯৫৭ এবং অপরাধ আইন সংশোধন আইন, ১৯৫৮ এর মামলাসমূহ অত্র আদালত কর্তৃক পরিচালিত হয়।

ড) ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল- ষ্টেট একুইজিশন এন্ড টেনেন্সী এক্ট, ১৯৫০ এর ধারা ১৪৫ক এর বিধান অনুযায়ী ভূমি জরীপ সংক্রান্ত বিরোধ অনুযায়ী ভূমি জরীপ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির নিমিত্ত অত্র আদালত স্থাপিত হয়েছে।

ঢ) মেরিন আদালত- অত্র আদালত নৌ দুর্ঘটনা, নৌযান ত্রূটি সংক্রান্ত মামলাসমূহ বিচার করে থাকে।

ণ) কোর্ট অব সেটেলমেন্ট- অত্র আদালত পরিত্যাক্ত ভবন (সম্পূরক অনুবিধি) অর্ডিন্যান্স, ১৯৮৫ অনুযায়ী স্থাপিত হয়েছে যে আদালত পরিত্যক্ত ভবন নিয়ে বিচার কার্য সম্পন্ন করে এবং দেওয়ানী আদালতের সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করে। অত্র আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল দায়েরের কোন সুযোগ নেই।

ত) সাইবার ট্রাইব্যুনাল- সাইবার অপরাধ সংক্রান্ত মামলাসমূহের বিচার অত্র ট্রাইব্যুনালে হয়ে থাকে।

থ) পরিবেশ আদালত- পরিবেশ সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে অত্র আদালতে মামলা করা হয়ে থাকে।

দ) পরিবেশ আপীল আদালত- পরিবেশ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি পরিবেশ আপীল আদালতে আপীল দায়ের করতে পারে।

ধ) স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল, সিকিউরিটি এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন- সিকিউরিটি এবং এক্সচেঞ্জ সম্পর্কিত বিষয়াদি সংক্রান্ত বিরোধ দেখা দিলে অত্র ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করা হয়ে থাকে।

ন) বন আদালত- বন আইন, ১৯২৭ অনুযায়ী বনের ভেতরে সংঘটিত সকল অপরাধের বিচার বন আদালতে সম্পন্ন হয়ে থাকে।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল- অত্র আদালত নিমোক্ত অপরাধের বিচার সম্পন্ন করে থাকে-

১) মানবাধিকারের বিরুদ্ধে অপরাধ,

২) শান্তির বিরুদ্ধে অপরাধ,

৩) গণহত্যা,

৪) যুদ্ধসংক্রান্ত অপরাধ,

৫) জেনেভা কনভেনশন, ১৯৪৯ এ উল্লেখিত মানবাধিকার ভংগকারী অপরাধ,

৬) আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সংঘটিত অন্য যে কোন অপরাধ।

Address

Akur Takur Taltola
Tangail
1900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ain Sheba posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ain Sheba:

Share