Mk Masud Khan

Mk Masud Khan Job

01/05/2025

আগামী ৬ জুন সৌদিতে পবিত্র 'ঈদুল আজহা'

জুমবাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। আমাদের মেসেঞ্জার চ্যানেলে Join করে আরও সহজে খবর পড়ুন।
Please Join: https://m.me/j/Abblc2nr4Eu9ZO39/

25/04/2025

#জমির_পর্চা_খতিয়ান_তোলার_নতুন_নিয়ম_২_০_২_৫।
⏭️CS, RS, SA, BS কপি অনলাইনে ডাউনলোড🙆‍♂️
⏭️বর্তমান সময়ের জমি দলিল, কাগজ পত্র পর্চা/খতিয়ান নিয়ে মানুষজন বিভিন্ন ভোগান্তি মধ্যে পড়তে হচ্ছে। অনেকেই তাদের জমি কোথায় আছে তাদের কাগজপত্র ঠিক আছে কিনা? তা যাচাই করতে পারে না । এতে করে অনেক সুবিধাভোগী নিজেদের নামে জমিন দখল করে নিয়ে যায় । ⏭️২০২৩ সাল থেকে সরকার এখন থেকে সকল কাগজপত্র অনলাইন সিস্টেমের আওতায় নিয়ে এসেছে । জমির খতিয়ান তোলার আগে অনলাইন থেকে যাচাই করে নিন।
⏭️অনলাইনে জমির খতিয়ান যাচাই করার পদ্ধতি
আপনার বাপ দাদাদের নামে কোন জমি জমা আছে কিনা তা সহজেই অনলাইন থেকে দেখতে পারবেন । তার জন্য আপনি কি কি পদ্ধতি অবলম্বন করে সহজে অনলাইন থেকে জমি নিজেদের নামে আছে কিনা তা দেখবেন, তা নিয়ে বিস্তারিত এখানে আলোচনা করা হয়েছে ।
⏭️পর্চা/খতিয়ান তোলার নিয়ম কি
অনেক সময় দেখা যায় জমির কাগজপত্র বলতে খতিয়ান বা পর্চা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেকের দলিল আছে কিন্তু খতিয়ান/পর্চা নাই। এই সকলকাগজ পত্র যাচাই করতে ভূমি অফিসে যেতে হয় । এতে করে সময় ও পয়সা দুটির অপচয় হয় । তা থেকে উত্তরনের জন্য আপনি ঘরে বসেই আপনার হাতের মোবাইল দিয়ে সহজেই দাগ অনুযায়ী দলিলের মধ্যে যে খতিয়ান নাম্বার বা পর্চা নাম্বার দেওয়া থাকবে তা দিয়েই আপনি জমির সিএস, এসএ, আরএস, ও বিএস এর তথ্য বের করতে পারবেন ।
⏭️পর্চা/খতিয়ান খোজার ৪টি সহজ পব্ধতি জেনে নিন এখান থেকে!
⏭️আপনি বুঝতে পারবেন এই জমিটা আপনার নামে ঠিক আছে কিনা এবং পর্চা/খতিয়ান আপনার কোথায় আছে । অনলাইন থেকে আপনি সহজেই এই পর্চা/খতিয়ান ডাউনলোড করতে পারবেন । এছাড়াও আপনারা পর্চা/খতিয়ান এর জন্য সার্টিফাইড কপি জন্য অনলাইন এর মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। তাই দেরি না করে আপনার জমির পর্চা/খতিয়ান তোলার নিয়ম কানুন এখান থেকে জেনে নিন ।
পর্চা/খতিয়ান তোলার সহজ পব্ধতি জানতে ভিজিট করুণ এখানে
যেহেতু অনেকেই এই সকল অনলাইন নিয়ম কানুন বা কিভাবে পর্চা/খতিয়ান ডাউনলোড করবেন জানেন না। এখান থেকে আশা করি সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়লে আপনি সহজেই অনলাইন থেকে কিভাবে পর্চা/খতিয়ান যাচাই করে উত্তলন করবেন তা বুঝতে পারবেন এবং বিনা খরচেই কিভাবে খতিয়ান উত্তোলন করা যায় তা নিয়ে এখানে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে । আসুন আমরা একে একে সব কিছু দেখি।
পর্চা/খতিয়ান তোলার গুলো জেনে নিন।
www.eporcha.gov.bd is a good place to start. ⏭️এখান থেকে নতুন একটি ইন্টারফেজ আসবে সার্ভে খতিয়ান অনুসন্ধান নামে।
CS, RS, SA, and BS have a history of discrimination against women. ⏭️এবার জমিটি যে মোজা অন্তর্ভুক্ত তা নির্বাচন করুণ।
⏭️এবার আপনি খতিয়ান বা পর্চা নম্বর দিয়ে অনুসন্ধান করুণ।
🤝🤝আশা করি উপরের দেওয়া নিয়ম থেকে আপনি সহজেই খতিয়ান এর বিস্তারিত দেখতে পাবেন। যদি আপনার দলিলের সাথে মিলে যায় তা হলে আপনি অনলাইন কপি সংগ্রহ করতে পারবেন।
⏭️আপনি সারটিফাইড কপি জন্য আবেদন করতে পারবেনএবং সময় লাগবে ৭দিন। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুণ এখানে। আপনি চাইলে ডাক যোগে পেতে পারেন পর্চা/খতিয়ান এর সাটিফাইট কপি।

25/04/2025

◆ এজমালি জমি কাকে বলে? এজমালি সম্পত্তি বণ্টন প্রক্রিয়া কি?
☆ যৌথ মালিকানা সম্পত্তি যখন একের অধিক ব্যক্তির মিলেমিশে ব্যবহার করে, ভোগ দখল করে, তখন সেই সম্পত্তিকে এজমালি সম্পত্তি বলা হয়।
☆ এজমালি সম্পত্তি কখনো না কখনো একক মালিকের মালিকানাধীন ছিল। আপনি এখন যে জমির মালিক, আপনার মৃত্যুর পর আপনার সন্তান সন্তানদের মাঝে যখন উক্ত সম্পত্তি বণ্টন করা হবে, তখন তারা প্রত্যেকে আলাদা আলাদা ভাবে নিজ নামে সম্পত্তি বণ্টন করে নিবে। এই বণ্টন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত উক্ত সম্পত্তিকে বলা হবে এজমালি সম্পত্তি যা সকলের জন্য উন্মুক্ত।
☆ এজমালি সম্পত্তি বণ্টন করতে হবে; এটাই ফাইনাল, তখন কি করতে হবে সেটা নিয়ে আসুন কথা বলি। ধরুন, আপনার বাবার মৃত্যুর পর আপনার ৩ ভাই বোনের মধ্যে সম্পত্তি বণ্টন করতে হবে। ধরুন আপনার ২ ভাই ১ বোন। আপনার বাবার মৃত্যুতে এজমালি সম্পত্তিকে আপনারা আপনাদের ইচ্ছেমত সকলের সম্মতিতে বণ্টন করতে পারেন, আবার কেউ কাউকে না মানলে আদালতের দ্বারস্থ হতে পারেন। কোনটা ভালো? শেষ পর্যন্ত একটা কথাই বলে যাবো যে, একদমই কোন উপায় না পেলে কেবলমাত্র তখনি আদালতে যাবেন, এর আগে নয়। বিশ্বাস না হলে খবর নিয়ে জেনে নিন, শেষ কবে কেউ বাটোয়ারা মামলা করে দুই-চার বছরের মধ্যে রায় পেয়েছে? আর বাটোয়ারা মামলায় যেহেতু ভাই বোন সবাইকে পক্ষ হতে হয়, আবার, ভাই বোন কারো মৃত্যুতে তার ওয়ারিশদের পক্ষ করতে হয়। সেহেতু মামলা করলে আদালতে আসা যাওয়াতেই যে খরচ হবে সেটাই হিসেব করে দেখলে অবাক হবেন। অথচ আপোষে নিজেরা বণ্টন করে নিলে কোনপ্রকার বাড়তি খরচ ছাড়া মাত্র ২৭৬০/- টাকা বা তার চেয়ে কিছু বেশি অর্থ পরিশোধ করে আপনারা সাব রেজিস্ট্রি অফিসে বাটোয়ারা সম্পন্ন করতে পারেন। অথচ, আপনি আপনার বাসা থেকে ৪ জন মানুষ নিয়ে বছরে ১২ বার আদালতে উপস্থিত হতেই তার চেয়ে বেশি টাকা যাতায়াত খরচ দিতে হবে, উকিল খরচ বাদই দিলাম। কিন্তু আপোষে বণ্টন করে নিলে দিনে দিনেই সাব রেজিস্ট্রি অফিস থেকে বণ্টন দলিল সম্পন্ন করে নিজ নিজ নামে জমা খারিজ করিয়ে নিতে পারবেন।
☆ আপোষে বণ্টন করতে না পারলে শেষ পর্যন্ত আদালতে গিয়ে বাটোয়ারা মামলা করতে হবে৷ মৃত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ, ওয়ারিশান সনদ এবং সম্পত্তির সকল কাগজপত্র ইত্যাদির প্রয়োজন হবে৷ তখন আদালত প্রয়োজনে কমিশন গঠন করে হলেও সম্পত্তি বাটোয়ারা করে দিবেন, যদিও সেটা বেশ সময় সাপেক্ষ।

শহর,কিংবা গ্রাম, ফ্লাট, মার্কেট প্রতি ইঞ্চি জমি অনেক মূল্যবান তাই ১০০%ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি জরিপ করা হয় |
বাংলাদেশের সকল জেলায় আমরা ডিজিটাল সার্ভের কাজ করে থাকি | ডিজিটাল পেন্টাগ্রাফ ম্যাপ তৈরি করা হয় ডিমারকেশন করা হয় এবং সকল মৌজার ম্যাপ সরবরাহ করা হয় ভূমি বিষয়ের যেকোনো তথ্য সেবা এবং ভূমি পরিমাপের জন্য যোগাযোগ করুন |

আতিক হাসান মন্ডল লেবু
সিভিল কোর্ট কমিশনার
জেলা ও দায়রা জজ আদালত ্
যুগ্ন আহবায়ক
বাংলাদেশ সার্ভেয়ার অ্যাসোসিয়েশন
ইমু &হোয়াটসঅ্যাপ 01737-132014

25/04/2025

একজনের জমিতে অন্যজন যদি জোরপূর্বক রাস্তা তৈরি করে তাহলে আপনার প্রতিকার এবং করণীয় |
ফৌজদারি প্রতিকার:
জমি দখলকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টির আশঙ্কা দেখা দিলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার চাইতে পারেন। এ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার চাইতে হবে প্রথম শ্রেণীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে। আর এ মামলা করতে হবে বেদখল হয়ে গেলে কিংবা বেদখল হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেওয়ার দুই মাসের মধ্যে। কোনো মামলা করলে ম্যাজিস্ট্রেট প্রতিপক্ষের ওপর সমন জারি করবেন। পরবর্তী সময়ে উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনবেন এবং সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে সম্পত্তির দখলদার কে তা নির্ধারণ করবেন। প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্তের আদেশ দিতে পারেন পুলিশকে। তাদের দেওয়া প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রকৃত দখলদার কে, সে বিষয়ে রায় দেবেন। তবে ১৪৫ ধারায় প্রতিকার চাইতে গেলে এখানে স্বত্ব বা মালিকানা দাবি করা যাবে না। এর মাধ্যমে শুধু প্রকৃত দখলদার নির্ণয় করার জন্য প্রতিকার চাওয়া যাবে।

মালিকানা দাবির দেওয়ানী প্রতিকার:

জমির মালিকানা বা স্বত্ব দাবির জন্য দেওয়ানি আদালতের আশ্রয় নিতে হবে। জমি অবৈধভাবে দখলচ্যুত হলে দখল পুনরুদ্ধারের জন্য সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার পেতে পারেন। এ আইনের ৮ ধারা অনুযায়ী জমির মালিক নির্ধারিত পদ্ধতিতে জমিটি পুনরুদ্ধার করার জন্য প্রতিকার চাইতে পারেন। তবে এ ধারা অনুযায়ী, দখলচ্যুত ব্যক্তিকে জমিতে তাঁর স্বত্ব বা মালিকানা আছে কিংবা মালিকানার দাবি রয়েছে, তার ঘোষণা চাইতে হবে। না হলে এ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার পাওয়া সম্ভব হয় না। ৮ ধারার স্বত্ব প্রমাণসহ মামলা করার ক্ষেত্রে বেদখল হওয়ার পর থেকে ১২ বছরের মধ্যে মামলা করার সময়সীমা নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের মামলাকে সাধারণত স্বত্ব সাব্যস্ত খাস দখলের মামলা বলা হয়।
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা অনুযায়ী প্রতিকার চাইতে হলে মালিকানা প্রমাণের দরকার নেই। শুধু জমি থেকে দখলচ্যুত হয়েছেন—এটি প্রমাণ করলেই চলবে। ৯ ধারায় উল্লেখ আছে, যদি কোনো ব্যক্তি বেদখল হন, তবে তিনি বা তাঁর মাধ্যমে দাবিদার কোনো ব্যক্তি মোকদ্দমার মাধ্যমে এর দখল পুনরুদ্ধার করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে যেসব দিক বিবেচনা করা হয়, সেগুলো হলো—বাদী অর্থাৎ যিনি প্রতিকার দাবি করেছেন, তিনি জমিটি দখল করে আসছিলেন কি না; বিবাদী তাঁকে জোরপূর্বক বেদখল করেছেন কি না; বিবাদী বেআইনিভাবে জমিতে প্রবেশ করেছেন কি না।
তবে বাদীকে অবশ্যই বেদখল হওয়ার ছয় মাসের মধ্যে মামলা করতে হবে। অন্যথায় এ ধারায় মামলা করার অধিকার হারাতে হবে তাঁকে। তবে সরকারের বিরুদ্ধে এ ধারায় প্রতিকার চাওয়া যাবে না।

কোথায় ও কীভাবে আইনের আশ্রয় নেবেন:

জমিজমার মালিকানা নিয়ে প্রতিকারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট এখতিয়ারাধীন আদালতে মামলা করতে হবে। মামলার মূল্যমান চার লাখ টাকার কম হলে সহকারী জজ আদালতে এবং চার লাখের বেশি হলে অসীম এখতিয়ার পর্যন্ত যুগ্ম জেলা জজ আদালতে প্রতিকার চাইতে হবে। মামলা দায়ের করতে হবে আইনজীবীর মাধ্যমে। মালিকানাসহ দখলের প্রতিকার চাইলে জমির মূল্য বাবদ অ্যাড-ভ্যালোরেম (মূল্যানুপাতে) কোর্ট ফি দিতে হবে। ৯ ধারা অনুযায়ী শুধু দখলের জন্য প্রতিকার চাইলে সম্পত্তির মূল্য অনুসারে যে কোর্ট ফি তার অর্ধেক, অর্থাৎ অ্যাড-ভ্যালোরেম (মূল্যানুসারে) কোর্ট ফির অর্ধেক পরিমাণ কোর্ট ফি দিতে হবে। জমির মালিকানাসহ দখল কিংবা শুধু দখল চেয়ে প্রতিকারের ক্ষেত্রে যদি বাদী মনে করেন, তাঁর জমিটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে, তাহলে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চাইতে পারেন পৃথক আবেদনের মাধ্যমে।

25/04/2025

✅ জমির দলিল আছে দখল নাই। তাহলে করণীয় কী?
আপনার কাছে জমির দলিল আছে, খতিয়ান আছে কিন্তু জমিটি ভোগ করতেছে অন্য কেউ। এ ক্ষেত্রে আপনি কী করবেন? এক্ষেত্রে আপনি কি জোর খাটিয়ে থানা পুলিশের মাধ্যমে জমির দখলে যাবেন নাকি আদালতে যাবেন; বুঝতে পারেন না। কোনটি করলে আপনি আপনার জমি ফেরত পাবেন?

👉প্রথমে দেখি আপনি আপনার জমি থেকে কী কী কারণে বেদখল হতে পারেন?

✏️প্রভাবশালী মহল কতৃক জোরপূর্বক বেদখল,

🖍️বেদখল হওয়ার সময় নাবালক ছিলেন,

🖍️অন্যান্ন মালিকেরা আপনার অংশ সহ বিক্রি করে দিয়েছে,

🖍️ওয়ারিশ হিসেবে আপনার ভাগ আপনি পাননি।

🖍️জমির মালিক জমি বিক্রি করার পর পুনরায় অন্য কাউকে বিক্রি করেছেন এবং সে ব্যক্তিই এখন দখলে আছেন।

✅👉দখল উদ্ধারের সাথে যে আইনগুলি সম্পর্কিত:

👉ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮; ধারাসমূহ: ১৪৪, ১৪৫
👉সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭; ধারাসমূহ: ৮, ৯, ৪২
👉তামাদি আইন, ১৯০৮; ধারাসমূহ: ৫, ৮, ২৮

✅ সাধারণত ভুক্তভোগী যেখানে প্রতিকার চাইতে পারে:

১. এলাকার বা মহল্লার মাতব্বর বা সভাপতি, মেম্বার-চেয়ারম্যান বা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী ব্যক্তি:
এভাবে সালিশ বসিয়ে বিরোধের সমাধান করতে পারলে ভালো, তবে ঘুষের লেনদেন না করা উচিত। কারণ সালিশের সিদ্ধান্ত আদালতের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় শুধু দু পক্ষ মেনে নিলেই এর গ্রহণযোগ্যতা থাকে। আর সালিশের মাধ্যমে সমাধান করতে গিয়ে যেন কোনভাবেই কাল ক্ষেপন না করেন। বিশেষ করে সর্বোচ্চ এক মাসের মধ্যে সমাধান করা ভালো।কারণ কালক্ষেপন করার ফলে আপনি অনেক আইনি প্রতিকার থেকে বঞ্চিত হতে পারেন।
দুষ্ট পক্ষের সালিশের নামে ষড়যন্ত্র ও করতে পারে যাতে করে কালক্ষেপন করে আপনার আইনি প্রতিকার পাওয়া থেকে বঞ্চিত করতে পারে।

২. থানা:
জমিজমার মালিকানা বা বিরোধ বিষয়ে থানা পুলিশের কোন ভূমিকা বা সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা নেই। যদিও থানায় বসে কেউ কেউ জমি বিরোধের নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। অবশ্য এ ক্ষেত্রে ঘুষের লেনদেন থেকে বিরত থাকা উচিত কেননা থানার সিদ্ধান্ত দেয়ার কোন ক্ষমতা নেই যে কারণে এটি অমান্য করলে থানার কিছু করার থাকেনা। জমি বিরোধের ক্ষেত্রে পুলিশ আনুষঙ্গিক ভূমিকা পালন করে, আইন অনুযায়ী আদালতের নির্দেশ পালনে কাজ করে কিন্তু প্রত্যক্ষ ভাবে পুলিশের কোন ভূমিকা নেই। জমির মালিকানা ইস্যুতে একমাত্র দেওয়ানি আদালতকে একচ্ছত্র সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। কিন্তু জমি নিয়ে বিরোধের ফলে দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টি হলে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে পুলিশ দায়িত্ব পালন করে।

৩. ফৌজদারি আদালত:
বেদখল হওয়ার প্রথম শ্রেণীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় মামলা করা। আইনি প্রতিকার পার্টটি দেখুন।

৪. দেওয়ানি আদালত:
এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতে মামলা করা। আইনি প্রতিকার পার্টটি দেখুন।

👉এবার দেখি জমি থেকে বেদখল হলে আইন কী কী সুরক্ষা দেয়? তামাদি মেয়াদ অনুসারে আলোচনা।

১. বেদখল হওয়ার ২ মাসের মধ্যে প্রতিকার: এটি একমাত্র ফৌজদারি প্রতিকার। এটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর, তৎক্ষণাৎ প্রতিকার। মামলার সিদ্ধান্ত দ্রুততার সাথে নেয়া হয়। দেওয়ানি মামলার মতো দীর্ঘসূত্রিতা নাই। ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৪৫ ধারা বলে জমি থেকে বেদখল হওয়ার ২ মাসের মধ্যে প্রথম শ্রেণীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে এ মামলা করা হয়। এক্ষেত্রে একই আইনের ১৪৪ ধারা ও সংযুক্ত করা যায়। উক্ত আদালতে ১৪৫ ধারায় অভিযোগ দায়ের করার পর তিনি অভিযোগ টি আমলে নিলে অভিযুক্ত পক্ষকে একটি নোটিশ দিবেন। নোটিশে স্থান ও তারিখ উল্লেখ করে হাজির হয়ে বক্তব্য পেশ করার জন্য বলবেন। এছাড়া তিনি পুলিশকে দখল বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন। এটি একটি নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কতৃক ফৌজদারি প্রতিকার। "যিনি দখলে আছেন তিনিই দখলে থাকবেন" এই নীতি অনুসরণ করা হয়। অর্থাৎ এ আদালতে জমির প্রকৃত মালিকানা কার যাচাই করা হয় না। শুধুমাত্র শান্তিপূর্ণ দখলে কে ছিল তা তদন্ত করে দেখা হয়। তাই শান্তিপূর্ণ দখলদার ব্যক্তি জমির প্রকৃত মালিকানা না হলেও তিনি এই প্রতিকার পাবেন অর্থাৎ তিনি দখল ফেরত পাবেন। এসময় প্রকৃত মালিকের প্রতিকার হলো দেওয়ানি আদালতে মামলা করা। আর প্রকৃত মালিক ও যদি অন্য কারো দ্বারা বেদখল হন তিনিও এই প্রতিকার পাবেন। এটিতে মামলার খরচাপাতি দেওয়ানি মামলা থেকে অনেক কম এবং সময় সাশ্রয়ী। তাই বেদখল হওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব এই ব্যবস্থা নিলে মামলার খরচ থেকে বেঁচে যায়।

২. বেদখল হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে প্রতিকার : বেদখল হওয়ার ২ মাস অতিক্রান্ত হয়ে গেলে এ পদক্ষেপ নেয়া যায়। অবশ্য ৬ মাসের মধ্যে এ পদক্ষেপ নিতে হবে। এটি একটি দেওয়ানি প্রতিকার। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারা মোতাবেক এই প্রতিকার প্রদান করা হয়। এজন্য দেওয়ানি আদালতে দখল উচ্ছেদের মামলা করতে হবে। এ মামলায় ১৪৫ ধারার মতো মালিকানা কার যাচাই করা হয় না। শুধু প্রকৃত দখল কার ছিল সেটিই প্রমাণ করা হয়। তাই মালিকানা বিষয়ক প্রমাণাদি এ মামলায় তেমন গুরুত্ব বহন করেনা। যিনি প্রমান করতে পারবেন, তিনি শান্তিপূর্ণ দখলে ছিলেন, অপরপক্ষ বেআইনি ভাবে অনুপ্রবেশ করে তাকে বেদখল করেছেন। তাকেই আদালত দখল ফেরত পেতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। এই মামলার খরচ দেওয়ানি আদালতের চেয়ে কম অর্থাৎ মামলার মূল্যমানের উপর এডভোলারাম কোর্ট ফি এর অর্ধেক। এ মামলায় প্রকৃত মালিক যদি তার জমির অধিকার থেকে বঞ্চিত হয় তার করণীয় হলো সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ধারা ও ৪২ ধারায় মামলা করতে হবে।

৪. বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলে প্রতিকার: বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে আইনি প্রতিকার পাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। যদি ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে যায় তামাদি আইনের ৫ ধারায় তামাদি মার্জনার দরখাস্ত দাখিল করে আদালত উক্তরূপ মামলা করা যায়। এক্ষেত্রে ১২ বছর অতিক্রান্ত হওয়ার কারণ সমূহ আদালতের কাছে ব্যাখ্যা করতে হয়।

উপরিউক্ত তামাদি সময়সীমা নাবালক ও ওয়ারিশের ক্ষেত্রে একটু ব্যতিক্রম আছে।

৪. বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে গেলে প্রতিকার: বেদখল হওয়ার ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে আইনি প্রতিকার পাওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ে। যদি ১২ বছর অতিক্রান্ত হয়ে যায় তামাদি আইনের ৫ ধারায় তামাদি মার্জনার দরখাস্ত দাখিল করে আদালত।

24/04/2025

নিজের জমিতে বাড়ি বা ফ্ল্যাট নির্মাণের আগে জমির সঠিক পরিমাপ জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় ভুল পরিমাপের কারণে ভবিষ্যতে ঝামেলায় পড়তে হয়। তাই নিচে তুলে ধরা হলো জমি পরিমাপের কিছু প্রচলিত একক এবং তাদের রূপান্তরপদ্ধতি, যা আপনাকে সঠিকভাবে আপনার জমির আয়তন নির্ধারণ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় সহায়তা করবে।

---

সাধারণ হিসাব (ঢাকাসহ দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে প্রচলিত):

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ = ১.৬৫ শতাংশ = ১৬ ছটাক

২০ কাঠা = ১ বিঘা

৬০.৫ কাঠা = ১ একর

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট = ১৬০০ বর্গগজ = ৩৩ শতাংশ

১ শতাংশ = ৪৩৫.৬ বর্গফুট (প্রায়)

৫ শতাংশ = প্রায় ৩ কাঠা = ১৩০৬.৮ বর্গফুট

---

ছটাক ও অযুতাংশ:

১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট

১ অযুতাংশ = প্রায় ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি

---

চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য:

চট্টগ্রামের ভূমি পরিমাপে কিছুটা ভিন্নতা দেখা যায়। যেমন:

১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট = ৩৯ শতাংশ = ২৩.৫ কাঠা = ২০ গন্ডা

১ গন্ডা = ২ শতাংশ = ১.২১ কাঠা = ৮৪৯.৫ বর্গফুট (প্রায়)

> কানি দুই ধরনের হয়ে থাকে:

কাচ্চা কানি: ৪০ শতকে এক কানি

সাই কানি: কোথাও ১২০ শতক, কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়

---

একর ও বিঘা সম্পর্ক:

১ একর = ১০০ শতাংশ = ৬০.৫ কাঠা = ৩ বিঘা ৮ ছটাক = ৪০৪৭ বর্গমিটার

---

সহজ হিসাব:

৩ কাঠা জমি = ২১৬০ বর্গফুট

৫ কাঠা জমি = ৩৬০০ বর্গফুট

১০ কাঠা জমি = ৭২০০ বর্গফুট

---

আপনার জমির আকার জানলে, আপনি সহজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন—একতলা না বহুতল, কতটি ইউনিট, কত স্কয়ার ফিট ফ্ল্যাট ইত্যাদি। এই তথ্যগুলো শুধু নির্মাণের জন্য নয়, জমি বিক্রি বা কেনার সময়ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পরিশেষে বলা যায়, জমির মাপজোক সম্পর্কে জ্ঞান থাকলে সময় ও অর্থ দুই-ই সাশ্রয় করা সম্ভব। তাই আগে জানুন, পরে পরিকল্পনা করুন—আপনার জমি, আপনার ভবিষ্যৎ! See less

Address

Nalitabari
Sherpur
112234

Telephone

+8801731179596

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mk Masud Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category