Rukaiya & Associates Limited

Rukaiya & Associates Limited Legal and Business Consultancy

ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম সম্পর্কে পিরোজপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক আলমগীর হোসেনের বক্তব্য |📝এই ভিডিওতে ইঞ্জিনিয়ার এ ক...
13/04/2026

ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম সম্পর্কে পিরোজপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক আলমগীর হোসেনের বক্তব্য |

📝
এই ভিডিওতে ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম-এর কর্মময় জীবন, সমাজসেবা, রাজনৈতিক অবদান ও মানবাধিকার কার্যক্রম সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেছেন পিরোজপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক জননেতা আলমগীর হোসেন।

ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম একজন সুপরিচিত কলামিস্ট, সমাজসেবক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মানবাধিকার কর্মী। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্র-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং দীর্ঘদিন ধরে দেশ ও সমাজের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

🔹 তাঁর রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা:
• সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল
• সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক – জিয়া পরিষদ
• সাবেক সদস্য – যুক্তরাজ্য বিএনপি
• সাবেক সদস্য – ঝালকাঠি জেলা বিএনপি
• সাবেক সহ-সভাপতি – কাউখালী উপজেলা বিএনপি
• সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক – সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ (যুক্তরাজ্য শাখা)
🔹 শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠাতা:
• সাতুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার একেএম রেজাউল করিম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, রাজাপুর, ঝালকাঠি
• আলহাজ্জ্ব কে.এম. আবদুল করিম জামিয়া ইসলামীয়া ইয়াতিমখানা, পূর্ব আমড়াজুরি, কাউখালি, পিরোজপুর
• আলহাজ্জ্ব কে.এম. আবদুল করিম জামিয়া ইসলামীয়া বহুমুখী দাখিল মাদ্রাসা
• মোস্তফা হায়দার একাডেমী
🔹 অন্যান্য দায়িত্বসমূহ:
• বিশেষ সংবাদদাতা – দৈনিক যায়যায়দিন
• চেয়ারম্যান – শের-ই-বাংলা একে ফজলুল হক রিসার্চ ইনস্টিটিউট
• চেয়ারম্যান – সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট
• চেয়ারম্যান – ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টার (ডিআরসি)
• চেয়ারম্যান – আলহাজ্ব কে এম আব্দুল কারীম (রহিমাহুল্লাহ) ট্রাস্ট
• প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান – জীবনানন্দ দাশ গবেষণা কেন্দ্র

👉 ভিডিওটি দেখুন এবং জানুন একজন সমাজসেবক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে তাঁর অবদান সম্পর্কে মূল্যায়ন।

🔖


ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম সম্পর্কে পিরোজপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক আলমগীর হোসেনের বক্তব্য |📝এই ভিডিওতে ইঞ্জিন...

24/03/2026
21/03/2026

দক্ষিণ সাতুরিয়া খানবাড়ি জামে মসজিদে পবিত্র ঈদের নামাজ শেষে দেশবরেণ্য কলামিস্ট, সমাজসেবক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, মানবাধিকার কর্মী ও রাজনীতিবিদ—ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য প্রদান করেন।

তিনি তাঁর বক্তব্যে ঈদের প্রকৃত তাৎপর্য, পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধ, সহমর্মিতা এবং সমাজে ন্যায় ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশ ও জাতির কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।

এই সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য উপস্থিত সকলের মাঝে অনুপ্রেরণা জাগিয়ে তোলে।

#ঈদুলফিতর #ঈদেরনামাজ #ঝালকাঠি #সম্প্রীতি #মানবিকতা

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।মহান একুশে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসে আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি...
20/02/2026

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম।

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবসে আমি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি ভাষা আন্দোলনের সকল শহীদকে—যাঁদের আত্মত্যাগে আমাদের মাতৃভাষা বাংলা রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা লাভ করেছে এবং বিশ্বদরবারে আজ আমাদের জাতিসত্তা সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত।

১৯৫২ সালের এই দিনে মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবিতে ঢাকার রাজপথ রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল। সেই অমর আত্মত্যাগের ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে আছেন শহীদ আবদুস সালাম, আবুল বরকত, রফিকউদ্দিন আহমদ, আবদুল জব্বার, এবং শফিউর রহমান। তাঁদের রক্তের ঋণ কখনো শোধ হবার নয়; বরং সেই আত্মত্যাগ আমাদের নৈতিক দায়িত্বকে চিরদিন জাগ্রত রাখে।

ভাষা আন্দোলনের বীজ রোপিত হয়েছিল ১৯৪৮ সালে। তৎকালীন পূর্ব বাংলার ছাত্রসমাজ, বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক কর্মীদের নেতৃত্বে সংগঠিত হয় ঐতিহাসিক প্রতিবাদ। রাষ্ট্রভাষা সংগ্রামের পথ ধরে জাতি এগিয়ে যায় স্বাধীনতার সংগ্রামে—যার চূড়ান্ত ফসল ১৯৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ। একুশ তাই কেবল ভাষার দাবির আন্দোলন নয়; একুশ মানে মাথা নত না করা, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের চেতনায় দৃঢ় অবস্থান।

আজ, আন্তর্জাতিকভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি স্বীকৃত হয়েছে মাতৃভাষার মর্যাদার প্রতীক হিসেবে। এটি কেবল বাংলাদেশের গৌরব নয়; এটি বিশ্বমানবতার ঐতিহ্য। ভাষার অধিকার মানেই মানুষের অধিকার—পরিচয়ের অধিকার, সংস্কৃতির অধিকার, আত্মমর্যাদার অধিকার।

কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো, স্বাধীনতার বহু বছর পরও সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রয়োগ নিশ্চিত করা যায়নি। উচ্চশিক্ষা, বিচারব্যবস্থা ও প্রশাসনে বাংলা এখনো পূর্ণ মর্যাদা পায়নি। ভাষার বিকৃতি, ভাষিক নৈরাজ্য ও সাংস্কৃতিক আগ্রাসন আমাদের ভাষা-সংস্কৃতিকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। মাতৃভাষাকে অবজ্ঞা করে কোনো জাতি টেকসই উন্নয়ন বা আত্মমর্যাদার আসনে পৌঁছাতে পারে না।

আমাদের প্রয়োজন—
সর্বস্তরে বাংলা ভাষার কার্যকর প্রয়োগ
প্রাতিষ্ঠানিক গবেষণা ও আধুনিক প্রযুক্তিতে বাংলার বিস্তার
ভাষার শুদ্ধ চর্চা ও বিকৃতি রোধ
নতুন প্রজন্মের মাঝে ভাষা-সংস্কৃতির গৌরববোধ জাগ্রত করা
একুশের চেতনা আমাদের শিক্ষা দেয়—সাম্য, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের ভিত্তিতে রাষ্ট্র নির্মাণ করতে হবে। ভাষার মর্যাদা রক্ষা মানেই মানুষের মর্যাদা রক্ষা।

আমি বিশ্বাস করি, একুশের অমর আত্মত্যাগকে ধারণ করে আমরা দেশ থেকে স্বৈরাচার, বৈষম্য ও অন্যায়ের সংস্কৃতি দূর করে একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।

মহান ভাষা শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।
তাঁদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা।

ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম
কলামিস্ট, সমাজসেবক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মানবাধিকার কর্মী
চেয়ারম্যান – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্র
চেয়ারম্যান – সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট
চেয়ারম্যান – ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টার (ডিআরসি)

🌺 শহীদদের রক্তঋণ আমাদের চেতনার প্রেরণা হয়ে থাকুক চিরদিন। 🇧🇩

13/02/2026
ধর্মতত্ত্ব বনাম পুরুষতন্ত্র: ইসলামি রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের সংকট ও সম্ভাবনাইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিমএকবিংশ শতাব্দ...
05/02/2026

ধর্মতত্ত্ব বনাম পুরুষতন্ত্র: ইসলামি রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের সংকট ও সম্ভাবনা

ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম

একবিংশ শতাব্দীতেও যখন শোনা যায়—“রাষ্ট্র পরিচালনার যোগ্যতার শর্ত পুরুষ হওয়া”—তখন প্রশ্নটা কেবল নারী–পুরুষ সমতার নয়; বরং ইসলামের জ্ঞানতাত্ত্বিক ভারসাম্য, ন্যায়বোধ ও ব্যাখ্যার পদ্ধতি—সবকিছুকেই নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। সাম্প্রতিক কিছু লেখায় ইসলামি রাষ্ট্রচিন্তাকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে যেন রাজনৈতিক নেতৃত্ব স্বভাবগতভাবেই পুরুষের জন্য নির্ধারিত। এই দৃষ্টিভঙ্গি পর্যালোচনা করা জরুরি—ধর্মতত্ত্বের আলোকে, ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে এবং বাস্তব জগতের প্রমাণের ভিত্তিতে।

১. একটি হাদিস, একটি প্রেক্ষাপট, এবং একটি সাধারণীকরণের ঝুঁকি
নারী নেতৃত্বের অযোগ্যতার পক্ষে সবচেয়ে বেশি উদ্ধৃত হয় আবু বাকরাহ্ (রা.) বর্ণিত হাদিস: “যে জাতি কোনো নারীকে তাদের নেতা বানাবে, তারা সফল হবে না।”
কিন্তু হাদিসটি কোন প্রেক্ষাপটে বলা হয়েছিল, সেটাই আলোচনার কেন্দ্রে আনা দরকার।

ঐতিহাসিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, এটি ছিল পারস্য সাম্রাজ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়কার একটি মন্তব্য—যেখানে উত্তরাধিকার সংকট ও অদক্ষ শাসনের প্রসঙ্গ ছিল মুখ্য। একটি নির্দিষ্ট ঘটনার প্রেক্ষাপটভিত্তিক বক্তব্যকে চিরস্থায়ী রাজনৈতিক বিধান হিসেবে দাঁড় করানো—এটি ইসলামের ব্যাখ্যার ঐতিহ্যগত পদ্ধতির সঙ্গেও পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

ফিকহি আলোচনায় সব সময় একটি নীতি বিবেচনায় থাকে: টেক্সট, প্রেক্ষাপট, উদ্দেশ্য (মাকাসিদ)—এই তিনের সমন্বয়। একটি হাদিসের আংশিক পাঠ নিয়ে অর্ধেক মানবজাতির রাজনৈতিক সক্ষমতা বাতিল করা ইসলামের সার্বিক ন্যায়বোধের সঙ্গে কতটা সঙ্গতিপূর্ণ—এ প্রশ্ন আজ বৈধভাবেই উঠছে।

২. আয়েশা (রা.): সমালোচনামূলক বুদ্ধিবৃত্তির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত
যারা মনে করেন নারীর বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা সীমিত—তাদের জন্য ইসলামের প্রথম যুগ থেকেই শক্ত জবাব রেখে গেছেন উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রা.)। তিনি শুধু হাদিস বর্ণনাকারী ছিলেন না; ছিলেন বিশ্লেষক, সমালোচক এবং সংশোধক।

ইতিহাসে একাধিক ঘটনা আছে যেখানে তিনি প্রভাবশালী সাহাবীদের বর্ণনা সংশোধন করেছেন:
অশুভ লক্ষণ প্রসঙ্গে—ঘর, নারী ও ঘোড়াকে অমঙ্গলজনক বলা হয়েছিল। আয়েশা (রা.) স্পষ্ট করেন, এটি নবীজি (সা.)-এর মত নয়; বরং জাহেলি সমাজের কুসংস্কারের বর্ণনা।
নামাজ ভঙ্গ হওয়া নিয়ে—নারী সামনে দিয়ে গেলে নামাজ নষ্ট হয়—এই ধারণাকে তিনি প্রত্যাখ্যান করেন বাস্তব ঘটনার সাক্ষ্য দিয়ে।

মৃতের জন্য কান্না প্রসঙ্গে—তিনি কোরআনের নীতির আলোকে সংশোধন করেন যে কেউ অন্যের গুনাহের বোঝা বহন করে না।

এই ঘটনাগুলো দেখায়:
নারী শুধু ধর্মীয় জ্ঞানে অংশগ্রহণ করেননি, বরং ব্যাখ্যার ভ্রান্তি সংশোধনে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এটি বুদ্ধিবৃত্তিক কর্তৃত্বেরই এক রূপ।

৩. কোরআনের বর্ণনায় নারী শাসক: সাবার রানী বিলকিস
নারী নেতৃত্বের প্রশ্নে কোরআনের একটি সুস্পষ্ট দৃষ্টান্ত প্রায়ই উপেক্ষিত হয়—সাবার রানী বিলকিস।
তাঁর শাসনব্যবস্থাকে কোরআন যে ভাষায় বর্ণনা করেছে, তা নেতিবাচক নয়; বরং প্রশংসাসূচক বৈশিষ্ট্যে ভরপুর।
তিনি একক সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেননি; পরিষদের সঙ্গে পরামর্শ করেছেন
অকারণ যুদ্ধ না করে কূটনৈতিক প্রজ্ঞা দেখিয়েছেন
বাস্তবতা বোঝার পর সত্য গ্রহণে দ্বিধা করেননি

যদি নারী নেতৃত্ব স্বভাবগতভাবে ব্যর্থতার প্রতীক হতো, তবে কোরআন তাঁর শাসনকে এইভাবে ইতিবাচক আলোকে উপস্থাপন করত না।

৪. “ক্ষমতা” বনাম “দায়িত্ব”: বিভ্রান্তির মূল এখানেই

অনেক সময় বলা হয়—ইসলাম নারীদের ওপর রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ব দেয়নি।
এটি একটি ধর্মতাত্ত্বিক বিতর্ক হতে পারে। কিন্তু এখান থেকে যদি সিদ্ধান্ত টানা হয়—নারীরা স্বভাবগতভাবেই নেতৃত্বে অক্ষম—তাহলে তা ধর্মতত্ত্বের সীমানা ছাড়িয়ে জৈবিক ও মানসিক সাধারণীকরণের জায়গায় চলে যায়।
আর এই জায়গাতেই ইতিহাস বাস্তবতা ভিন্ন কথা বলে।
বিশ্ব রাজনীতিতে অসংখ্য নারী রাষ্ট্রনায়ক সফল নেতৃত্বের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন—
মার্গারেট থ্যাচার, অ্যাঙ্গেলা মার্কেল, জাসিন্ডা আর্ডার্ন, ইন্দিরা গান্ধী, জর্জিয়া মেলোনি, মেটে ফ্রেডরিকসেন, ক্লাউডিয়া শেইনবাউম, ভিগদিস ফিনবোগাদোত্তির—এরা সবাই প্রমাণ করেছেন নেতৃত্বের সক্ষমতা কোনো একক লিঙ্গের একচেটিয়া সম্পদ নয়।

হ্যাঁ, সামাজিক কাঠামো, সুযোগের বৈষম্য, ঐতিহাসিক প্রতিবন্ধকতা—এসব কারণে নারীর অংশগ্রহণ কম হতে পারে। কিন্তু ক্ষমতার অভাব—এই দাবি তথ্যসমর্থিত নয়।

৫. আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা ও ইসলামের ন্যায়নীতির মিলন
আধুনিক রাষ্ট্র পরিচালনা ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজতন্ত্র নয়; এটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো, পরামর্শ, আইন ও জবাবদিহিতার ওপর দাঁড়ানো। এখানে নেতৃত্ব মানে একক শারীরিক শক্তি নয়, বরং বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা, নৈতিক দায়িত্ববোধ এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের দক্ষতা—যা নারী ও পুরুষ উভয়ের মাঝেই বিদ্যমান।
ইসলামের মৌলিক নৈতিক ভিত্তি হলো ‘আদল’ (ন্যায়বিচার)। কোনো ব্যাখ্যা যদি জন্মগত লিঙ্গের কারণে মানুষকে স্থায়ীভাবে অযোগ্য ঘোষণা করে, তবে তা এই ন্যায়নীতির সাথেই সংঘর্ষে জড়ায়।

সংস্কৃতি নয়, নীতির আলোকে ফিরে দেখা
ইসলামি রাজনৈতিক চিন্তায় বহু মতামত এসেছে নির্দিষ্ট সামাজিক বাস্তবতার ভেতর থেকে। কিন্তু প্রতিটি মতই চিরস্থায়ী ধর্মীয় বিধান—এমন নয়। আজ দরকার সংস্কৃতি ও ওহীর মধ্যে পার্থক্য করার সাহস।

আয়েশা (রা.) আমাদের শিখিয়েছেন—অন্ধ অনুসরণ নয়, জ্ঞান ও কোরআনের আলোকে যাচাই।
সাবার রানী দেখিয়েছেন—নারীও প্রজ্ঞা, কূটনীতি ও নেতৃত্বে সক্ষম।
আধুনিক বিশ্ব দেখাচ্ছে—সুযোগ পেলে নারীরা রাষ্ট্র পরিচালনায় সফল হতে পারেন।

অতএব প্রশ্নটি আর “নারী পারবে কি পারবে না”—এখানে সীমাবদ্ধ নয়।
প্রশ্ন হলো—আমরা কি ইসলামের ন্যায়ভিত্তিক চেতনাকে সামনে আনবো, নাকি ঐতিহাসিক পুরুষতান্ত্রিক ব্যাখ্যাকেই চিরন্তন সত্য ধরে রাখবো?

লেখক: ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম
কলামিস্ট, সমাজসেবক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও মানবাধিকার কর্মী
চেয়ারম্যান – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্র
চেয়ারম্যান – সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট
চেয়ারম্যান – ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টার (ডিআরসি)
চেয়ারম্যান – আলহাজ্ব কে এম আব্দুল করিম রাহিমাহুল্লাহ ট্রাস্ট

আদর্শ, উত্তরাধিকার ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায়ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিমবাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের শিক্ষা, সমাজসেবা ...
05/02/2026

আদর্শ, উত্তরাধিকার ও সংগ্রামের ধারাবাহিকতায়
ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম

বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের শিক্ষা, সমাজসেবা ও রাজনীতির ইতিহাসে কিছু নাম কেবল ব্যক্তি হিসেবে নয়, একটি ধারাবাহিক আদর্শের প্রতীক হিসেবে উচ্চারিত হয়। ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম তেমনই এক নাম—যিনি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া মানবিক মূল্যবোধকে আধুনিক রাষ্ট্রচিন্তা, গবেষণা ও গণতান্ত্রিক রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করে এগিয়ে চলেছেন নিরলসভাবে।

একাধারে রাজনৈতিক বিশ্লেষক, গবেষক, লেখক ও সংগঠক—ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্রের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় রাজনীতি, গণতন্ত্র, নির্বাচন ও মানবাধিকার প্রশ্নে তিনি নিয়মিত টেলিভিশন টকশো ও লেখালেখির মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর নীতিগত অবস্থান তুলে ধরছেন যুক্তিনিষ্ঠ ও তথ্যভিত্তিক ভঙ্গিতে।

মানবসেবার উত্তরাধিকার
ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম জন্মগ্রহণ করেছেন এমন এক পরিবারে, যেখানে শিক্ষা ও সমাজসেবা ছিল জীবনদর্শনের কেন্দ্রে। তাঁর পিতামহ হযরত মোসলেম আলী খান (রহ.) ও আব্দুর রব মোল্লা (রহ.), পিতা বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও সমাজসেবক আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহিমাহুল্লাহ), মাতা আলহাজ্ব ফাতিমা করিম, চাচা আব্দুল জলিল খান এবং ভাই হাফেজ শায়খ কে. এম. মোস্তফা কামাল—এই পরিবার সম্মিলিতভাবে যে মানবিক উত্তরাধিকার নির্মাণ করেছে, তা আজও দেশের নানা প্রান্তে সমাজসেবার মাধ্যমে প্রবহমান।
ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম বর্তমানে তাঁদের প্রতিষ্ঠিত শিক্ষা, দাতব্য ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের পরিচালনা ও উন্নয়নে সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন—যেখানে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য শিক্ষা ও কল্যাণমূলক কাজ অব্যাহত রয়েছে।

আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহ.): আলোকবর্তিকার মতো জীবন
২০১৬ সালের ১১ নভেম্বর আলহাজ্ব কে. এম. আব্দুল করিম (রহিমাহুল্লাহ)-এর ইন্তেকালের মধ্য দিয়ে একটি আলোকিত অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। তিনি ছিলেন ঝালকাঠীর রাজাপুর থানাধীন সাতুরিয়া হামিদিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক, খিলগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং খিলগাঁও মডেল হাই স্কুল ও কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা।

তাঁর হাতে গড়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে—সাতুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ, জামিয়া ইসলামিয়া বহুমুখী দাখিল মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানা, শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক রিসার্চ ইনস্টিটিউট এবং বাইতুর রহমত জামে মসজিদসহ একাধিক শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। ঘূর্ণিঝড় সিডর-পরবর্তী সময়ে মোসলেম আলী খান ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে পরিচালিত ত্রাণ কার্যক্রম দক্ষিণাঞ্চলে মানবিকতার অনন্য নজির স্থাপন করে।

“কারো উপকার করতে না পারলে, অন্তত কারো ক্ষতি কোরো না”—এই বাণীই আজ ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের জীবন ও রাজনীতির মূল প্রেরণা।

শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা
ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের শিক্ষাজীবন শুরু হয় খিলগাঁও মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। সাতুরিয়া এম. এম. হাই স্কুল থেকে এসএসসি সম্পন্ন করার পর তিনি উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। University of Westminster থেকে Graduate Diploma in Law, BPP University থেকে Bar Professional Training Course (BPTC), University of Westminster থেকে LPC–LLM এবং Chartered Institute of Legal Executives (CILEX) সম্পন্ন করেন। তিনি Honourable Society of Lincoln’s Inn-এর সদস্য।

শিক্ষা, গবেষণা ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার অংশ হিসেবে তিনি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপ, এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন। এই বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা তাঁর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিকে করেছে বাস্তববাদী, পরিমিত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন।

রাজনৈতিক দর্শন ও দায়িত্ব
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় গণতন্ত্রের দর্শনে বিশ্বাসী ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিম দীর্ঘদিন ধরে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। তিনি ঝালকাঠি-১ ও পিরোজপুর-২ আসনে একাধিকবার বিএনপির মনোনয়নপ্রার্থী ছিলেন এবং দলের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন—যার মধ্যে রয়েছে যুবদলের কেন্দ্রীয় সদস্য, জিয়া পরিষদের আন্তর্জাতিক সম্পাদক এবং যুক্তরাজ্য বিএনপি ও জেলা বিএনপির দায়িত্ব।

গবেষণা, লেখালেখি ও প্রতিষ্ঠান নির্মাণ
গবেষণা ও জ্ঞানচর্চাকে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত করাই ইঞ্জিনিয়ার রেজাউল করিমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তিনি শের-ই-বাংলা এ. কে. ফজলুল হক রিসার্চ ইনস্টিটিউট, জীবনানন্দ দাশ গবেষণা কেন্দ্র, সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট এবং ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টার প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনা করছেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ—জিয়াউর রহমানের বহুদলীয় চিন্তা ও তারেক রহমানের ৩১ দফা, শহীদ জিয়াউর রহমান রচনাবলী, জুলাই বিপ্লব ও পরবর্তী রাজনীতি, বহুমাত্রিক জীবনানন্দ, নির্বাচিত কলাম এবং আওয়ামী বাকশালিদের দুঃশাসনের খতিয়ান—সমসাময়িক রাজনীতি ও রাষ্ট্রচিন্তায় গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন।

একটি আদর্শের প্রতিচ্ছবি
ইঞ্জিনিয়ার এ. কে. এম. রেজাউল করিম কেবল একজন রাজনীতিবিদ নন; তিনি শিক্ষা, মানবিকতা, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের প্রশ্নে আপসহীন এক আদর্শের ধারক। পিতৃপুরুষের মানবিক উত্তরাধিকারকে আধুনিক গবেষণা ও রাষ্ট্রচিন্তার সঙ্গে যুক্ত করে তিনি আগামীর বাংলাদেশ নির্মাণে ভূমিকা রাখতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তাঁর বিশ্বাস—নৈতিক রাজনীতি, জ্ঞানভিত্তিক রাষ্ট্র এবং মানবিক সমাজই পারে বাংলাদেশকে সত্যিকারের মুক্তির পথে এগিয়ে নিতে।

h শোকবার্তাবাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের নাম বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর ইন্তেকালে...
30/12/2025

h শোকবার্তা

বাংলাদেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়ের নাম বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর ইন্তেকালে জাতি আজ এক গভীর শূন্যতার মুখোমুখি। আমি ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম গভীর শোক ও শ্রদ্ধার সঙ্গে বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী, বিএনপি চেয়ারপারসন, আপসহীন গণতান্ত্রিক নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে জাতির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করছি।

বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন কেবল একজন রাজনৈতিক নেত্রী নন—তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের প্রতীক, জাতীয় স্বার্থের অতন্দ্র প্রহরী এবং আপসহীন নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রবর্তন, নারী শিক্ষার প্রসার, অর্থনৈতিক অগ্রগতি এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর অবদান জাতির ইতিহাসে চিরভাস্বর হয়ে থাকবে।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি নির্যাতন, কারাবরণ ও অসুস্থতাসহ অমানবিক আচরণের শিকার হয়েছেন; তবু কোনো অবস্থাতেই তিনি মাথানত করেননি। দৃঢ়তা, ধৈর্য ও দেশপ্রেমের অনন্য সংমিশ্রণে তিনি প্রমাণ করেছেন—গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার রক্ষার সংগ্রামে আপসের কোনো স্থান নেই। তাঁর এই অবিচলতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রেরণার এক অমলিন উৎস হয়ে থাকবে।

একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে দক্ষিণ এশিয়ার সমকালীন ইতিহাসের এক মহীয়সী রাষ্ট্রনায়কে রূপান্তর—বেগম খালেদা জিয়ার জীবনগাথা সংগ্রাম, ত্যাগ ও সাফল্যের অনন্য দলিল। তিনি জাতীয় ঐক্যের প্রতীক ছিলেন; তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বদরবারে মর্যাদার সঙ্গে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

আমি তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, দলীয় নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন—আমিন।

ইঞ্জিনিয়ার এ কে এম রেজাউল করিম
কলামিস্ট, সমাজসেবক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক, মানবাধিকার কর্মী ও রাজনীতিবিদ
চেয়ারম্যান — বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী গবেষণা কেন্দ্র
চেয়ারম্যান — সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড হিউম্যান ডেভেলপমেন্ট
চেয়ারম্যান — ডেমোক্রেসি রিসার্চ সেন্টার (ডিআরসি)
সাবেক কেন্দ্রীয় সদস্য — বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল
সাবেক আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক — জিয়া পরিষদ
সাবেক সদস্য — যুক্তরাজ্য বিএনপি
সাবেক সদস্য — ঝালকাঠি জেলা বিএনপি
সাবেক সহ-সভাপতি — কাউখালী উপজেলা বিএনপি
সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক — সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ, যুক্তরাজ্য শাখা
প্রতিষ্ঠাতা — সাতুরিয়া ইঞ্জিনিয়ার একে এম রেজাউল করিম
কারিগরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ
রাজাপুর, ঝালকাঠি

Khaleda Zia’s Farewell: The Departure of the Last Pillar Against HegemonyHistory, Struggle, and the Legacy of a Persecut...
30/12/2025

Khaleda Zia’s Farewell: The Departure of the Last Pillar Against Hegemony

History, Struggle, and the Legacy of a Persecuted Leader

Engineer A K M Rezaul Karim

Bangladesh today stands immersed in profound grief. Begum Khaleda Zia—symbol of national sovereignty, uncompromising resistance to hegemony and authoritarianism, and one of the most consequential political figures in the country’s history—has passed away. The Almighty Allah has taken His oppressed servant back into His divine care.
Indeed, to Allah we belong and to Him we shall return.

Begum Khaleda Zia served three times as the elected Prime Minister of Bangladesh and was the Chairperson of the Bangladesh Nationalist Party (BNP). She was a rare and exceptional Muslim leader in the contemporary history of South Asia. Born on August 15, 1945, in Jalpaiguri of undivided Bengal, she was raised by her father Iskandar Majumder and mother Begum Tayeba Majumder in an environment shaped by faith, dignity, and moral values.

From Homemaker to Stateswoman

Khaleda Zia did not emerge from a traditional political background. Her life began as that of a devoted homemaker. Yet history assigned her a far greater role. As the wife of Shaheed President Ziaur Rahman—an iconic military officer who resisted Indian aggression in 1965 and later became the proclaimer of Bangladesh’s independence—she witnessed the making of a nation at close quarters.
The Liberation War of 1971, the birth of Bangladesh, Ziaur Rahman’s role as Army Chief, the historic 7 November Soldiers–People’s Uprising, and his tenure as President all unfolded before her eyes. After the assassination of President Ziaur Rahman on May 30, 1981, history compelled Khaleda Zia to step forward—not merely as a successor, but as a leader in her own right.

Resistance to Autocracy and Hegemony

Khaleda Zia’s leadership during the anti-Ershad movement marked a decisive turning point in Bangladeshi politics. The mass uprising of 1990, the restoration of parliamentary democracy, and the 1991 general election established her as a central architect of democratic revival. She emerged as one of the leading Muslim women prime ministers of the world and took significant initiatives in expanding female education and social development.
However, her defining political stance remained her uncompromising opposition to foreign domination and domestic collaborators. This position repeatedly made her the target of conspiracies, vendettas, and systematic persecution.

Politics of Retaliation, Not Justice

The political transition of 1996, the landslide victory of the Four-Party Alliance in 2001, and the subsequent regional and international intrigues made her premiership exceptionally challenging. Attempts were made to brand her government under the global “War on Terror,” while destabilization campaigns continued, culminating in the military-backed events of January 11, 2007.

Following the controversial election of 2008, a prolonged period of authoritarian rule began. What followed was a deliberate campaign to politically eliminate Khaleda Zia—through fabricated cases, repeated court appearances, prolonged imprisonment, and denial of proper medical care. She spent more than nine years under incarceration, suffering grave health deterioration. This was not justice; it was calculated political persecution.
Unbroken Until the End
The tragic truth is that for the last fifteen years of her life, Khaleda Zia endured immense suffering driven by political vengeance. Her eviction from the cantonment residence—her long-time home associated with her late husband—was not a mere administrative decision; it symbolized a profound collapse of state morality.
Yet she never surrendered. Even in illness and confinement, she remained steadfast. Upon her release and transfer abroad for medical treatment, the nation once again hoped that she might return to play a unifying role in post-authoritarian Bangladesh.
But Allah is the Best of Planners. He freed His servant from worldly oppression and called her back to His mercy.
Legacy and Responsibility
Begum Khaleda Zia was a national guardian, a symbol of unity, and the final steadfast pillar of resistance against domination and authoritarianism. Though she is no longer among us, her struggle, sacrifice, and ideals now constitute a moral responsibility for the nation.
Today, we do not wish to stop at prayers alone. We appeal to Almighty Allah that those who committed injustice and oppression against her be held accountable in this world, so that tyrants receive a warning and the oppressed regain hope in justice.

May Allah grant us patience, and the strength to remain steadfast in truth and justice.
Ameen.

Author:
Engineer A. K. M. Rezoul Karim
Columnist, Social Worker, Political Analyst, Human Rights Activist, and Politician
Chairman — Bangladesh Nationalist Research Centre
Chairman — Center for Human Rights and Human Development
Chairman — Democracy Research Center (DRC)

তারেক রহমানের দেশে ফেরা: রাজনৈতিক রহস্য, ক্ষমতার সমীকরণ ও এক নেত্রীর চরম অসুস্থতাবিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্র...
29/11/2025

তারেক রহমানের দেশে ফেরা: রাজনৈতিক রহস্য, ক্ষমতার সমীকরণ ও এক নেত্রীর চরম অসুস্থতা

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে তাঁর অবস্থান ঘিরে উদ্বেগে আচ্ছন্ন পুরো দেশ। এমন সংকটের মুহূর্তে একটি প্রশ্ন সবচেয়ে আলোচিত—ছেলে তারেক রহমান কোথায়? কেন তিনি এই মুহূর্তে মায়ের পাশে নেই?

এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করলে সামনে আসে এক জটিল রাজনৈতিক সমীকরণ, নেপথ্যের শক্তি-প্রভাব আর রহস্যে ঘেরা এক অনিচ্ছুক প্রত্যাবর্তনের গল্প।

অগাস্ট-পরবর্তী রাজনীতির ধাঁধা

গত ৫ই অগাস্টের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমূল পরিবর্তন এসেছে। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন—যেকোনো মুহূর্তে তারেক রহমান দেশে ফিরবেন। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে, তাঁর অনুপস্থিতি ততটাই রহস্যজনক হয়ে উঠেছে।

শুরুতে যুক্তি দেওয়া হয়েছিল—খালেদা জিয়া লন্ডনে চিকিৎসা নিতে যাবেন, তাই তাদের একসঙ্গে দেশে আনা কঠিন। কিন্তু এই যুক্তি ছিল দুর্বল; পরে এটি আর কেউ গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারণও করেনি।
বর্তমান ব্যাখ্যা একটি—নিরাপত্তা ঝুঁকি।

কিন্তু প্রশ্ন হলো—এ ঝুঁকি কি সত্যিই এত বড়?

ড. ইউনূস, সেনাবাহিনী ও ক্ষমতার বাস্তবতা

ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ক্ষমতায় রেখে একদিকে সংবিধান সংস্কার, অন্যদিকে ভারতবিরোধী অর্থনৈতিক প্রকল্প—সবই অগ্রসর হয়েছে সেনাবাহিনীর সহযোগিতায়। এমনকি শেখ হাসিনাকেও নির্বিঘ্নে ভারতে পাঠানো হয়েছে, যেখানে তিনি কার্যত নির্বাসনে।

হাসিনার বিরুদ্ধে দুটি মামলায় দ্রুত রায়—একটিতে মৃত্যুদণ্ড, অন্যটিতে ২১ বছরের সাজা—প্রমাণ করে যে এই রাষ্ট্রযন্ত্র এই মুহূর্তে ক্ষমতার কাঠামো পুনর্গঠনের কঠিনতম কাজও করছে।

সেনাবাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সিদ্ধান্তপ্রসূত এ সব পদক্ষেপে কোনো বড় রাজনৈতিক বাধা দেখা যায়নি।

তাহলে প্রশ্ন জাগে—
যেখানে ড. ইউনূসকেও নিরাপত্তা দেয়া সম্ভব, সেখানে তারেক রহমানকে কেন নয়?

তারেকের অনুপস্থিতি: নিরাপত্তা নাকি অন্য কোনো চাপ?

তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতার কথা বলে দেশে ফিরছেন না—এ দাবি অনেকের কাছে গ্রহণযোগ্য হলেও, অনেক তথ্যই এটিকে দুর্বল যুক্তি হিসেবে তুলে ধরছে।

হোয়াইট হাউজের ব্রেকফাস্ট মিটিং—বিশ্ব কূটনৈতিক অঙ্গনের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ—সেটিতেও তিনি যাননি। তাঁর স্থলে গিয়েছিলেন জাইমা রহমান।

বিদেশি মাঠে নিজের উপস্থিতি জানানোর সুযোগ তিনি কেন হারালেন?
সেনাবাহিনীর সাথে সামঞ্জস্য রেখে ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার যেভাবে চলছে, তাতে তারেককে দেশে ফেরালে আইনি ঝুঁকি তেমন নেই বলেই বিশ্লেষকদের মত।

এ অবস্থায় অনিবার্যভাবে প্রশ্ন উঠছে—

তিনি কি আসলে কোনো আড়ালের রাজনৈতিক, কূটনৈতিক বা গোয়েন্দা চাপের মুখে আছেন?

নাকি তাঁর দলীয় রাজনীতির ভেতরেই ‘মাইনাস’ করার একটি অদৃশ্য প্রচেষ্টা চলছে?

ক্ষমতার মাঠে পরিবর্তনের ঢেউ

বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। অতীতে যাদের ‘ভারতের চাপ’-এর কারণে সর্বোচ্চ শাস্তির মুখোমুখি করা হয়েছে—সেই জামায়াতে ইসলামীর ছাত্র সংগঠন শিবির-এর জোট ডাকসু, জাকসু, রাকসু, চাকসু—সব গুরুত্বপূর্ণ ছাত্রসংসদে বিস্ময়কর বিজয় পেয়েছে।
এটি দেখায়—

দেশে ধর্মভিত্তিক বা ইসলামিস্ট গ্রুপগুলোর প্রভাব বাড়ছে,
সেনাবাহিনী ও সরকার সেটি tacit approval দিচ্ছে,
রাষ্ট্রের ক্ষমতার কেন্দ্রগুলো এখন ভিন্ন পথ অনুসরণ করছে।
এই পরিবর্তনের মধ্যেও একটি মাত্র বিষয় অচলাবস্থায়—তারেক রহমানের দেশে ফেরা।

চূড়ান্ত প্রশ্ন: কেন তিনি ফেরেন না?

রাজনীতি কখনোই সম্পূর্ণ নিরাপদ স্থান নয়। মৃত্যুর হুমকি মাথায় নিয়েও নেতারা মাঠে থাকেন—এটাই রাজনীতির বাস্তবতা।
তারেক রহমানও যদি সত্যিই দেশের নেতৃত্ব নিতে চান, তবে—
নিরাপত্তা ড. ইউনূস দিতে পারবেন,
সেনাবাহিনীও দিতে পারে,
আইনগত সুরক্ষা তাঁর জন্য আগেই তৈরি আছে।
অথচ তিনি ফিরছেন না।

এমন পরিস্থিতিতে জনগণের মনেও প্রশ্ন জাগছে—
একজন ভবিষ্যৎ নেতা কি সংকটময় সময়ে নিজের মায়ের পাশে থাকতে পারেন না?

এ প্রশ্নের রাজনৈতিক প্রতিফলন ভোটের মাঠ পর্যন্ত গড়াতে পারে।

আগামী নির্বাচন ও আসন্ন সময়ের গুরুত্ব

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন। প্রস্তুতি প্রায় শেষ। নির্বাচনে ব্যালট কারচুপির সম্ভাবনা এবার খুবই কম—এ তথ্য রাজনৈতিক বিশ্লেষণের নির্ভরযোগ্য অংশ। ভারত ও সেনাবাহিনীর দিকেও বিএনপি ঝুঁকেছে—এটিও এখন প্রকাশ্য।

এ অবস্থায় তারেক রহমানের অনুপস্থিতি শুধু দলের জন্য নয়, তাঁর নিজের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্যও মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

শেষ কথা

এখনই সময়—তারেক রহমানের ফিরে আসার।
এটি শুধু একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়—এটি ব্যক্তিগত দায়িত্ব, পারিবারিক মানবিকতার দাবি এবং তাঁর নিজের নেতৃত্বের পরীক্ষার মুহূর্ত।

দলের ভেতরের বিভ্রান্তিকর পরামর্শ দূরে রেখে যদি তিনি দেশে ফেরেন—তাহলে নেতৃত্ব আরও শক্ত হবে। আর যদি না ফেরেন—তাঁর ভাবমূর্তি, গ্রহণযোগ্যতা, এবং ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব—সবই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
দেশ, দল এবং তাঁর মা—সবাই এখন তাঁর অপেক্ষায়।

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপ.....

Address

Saturia

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rukaiya & Associates Limited posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rukaiya & Associates Limited:

Share