17/02/2025
স্বঘোষিত ‘শেরে আহলে হাদীস’ আবদুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাকের ‘আহলে হাদীস নাম’ নিয়ে মিথ্যা ধোঁকাবাজি ও প্রতারণার নমুনা
সম্প্রতি নিজেদের তথাকথিত ‘সালাফী কনফারেন্সে’ আবদুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক বলেছে: ‘’আহলে হাদীসের সন্তান প্রধান উপদেষ্টার দরবারে গিয়ে যখন নিজেকে আহলে হাদীস দাবি করে তখন কেন গায়ে জ্বলে! আমি কি নিজেকে আহলে হাদীস দাবি করতে পারি না!...
একজন আহলে হাদীস আলেমের সন্তান হিসাবে, আহলে হাদীস আকীদা লালনকারী হিসাবে পৃথিবীর যে প্রান্তেই আমাকে উপস্থিত করা হোক না কেন, পৃথিবীর যে কোনো জায়গায় আমাকে ডাকা হোক না কেন, সেই প্রত্যেকে জায়গায় আমি নিজেকে আহলে হাদীস বলেই পরিচয় দেব।‘’
অর্থাৎ, আব্দুল্লাহর দাবি অনুযায়ী বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে প্রদান উপদেষ্টার যে বৈঠকটি হয়েছিল, সেই বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টার সামনে সে নিজেকে আহলে হাদীস হিসাবে উল্লেখ করেছে। এবং এজন্য আহলে হাদীসেদের অনেক আলেম তার প্রতি হিংসা-বিদ্বেষ পোষণ করে থাকে। সে আরও দাবি করেছে যে, পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তে যে কোনো বৈঠকে সে নিজেকে আহলে হাদীস বলেই পরিচয় দেবে।
এবা আসুন আমরা দেখি, প্রধান উপদেষ্টার সাথে যে বৈঠকটি হয়েছিল সেখানে আসলে সে কী বলেছিল। ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকে আবদুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক নিজের পরিচয় সম্পর্কে উল্লেখ করেছে: ‘’আমি আবদুল্লাহ বিন আব্দুর রাজ্জাক, প্রায় তিন কোটি, সাড়ে তিন কোটি যে জনগন আছে তাদেরই একজন প্রতিনিধি… এই আমার সংক্ষিপ্ত পরিচয়।‘’
অর্থাৎ, প্রধান উপদেষ্টার সাথে বৈঠকের সময় সে আহলে হাদীস নামটা পর্যন্ত উচ্চারণ করেনি। বরং তিন কোটি জনগনের প্রতিনিধি হিসাবে নিজেকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে!!!
সম্মানিত ও বিজ্ঞ পাঠক আপনরা এইমাত্র মিথ্যুক বিন ইউসুফ তনয়ের ধোঁকাবাজি ও প্রতারণা সম্পর্কে আপনার অবগত হলেন। ইসলামি শরীয়তে মিথ্যা ধোঁকাবাজি ও প্রতারণার ভয়াবহতা সম্পর্কে সকলেই কমবেশি সকলেই জানেন। কলেবর বৃদ্ধির আশংকায় এ সম্পর্কিত কুরআনের আয়াত ও হাদীসগুলো উল্লেখ করা হতে বিরত রইলাম।
পরিশেষে বলতে চাই, কিছু অনুসারী আছে। ছাগলের সামনে যেমন কাঁঠাল পাতা রাখলে ‘ম্যা ম্যা’ করে ছুটে আসে, অনুরূপ এসব মূর্খদের সামনে দলিল-প্রমাণ উপস্থাপন করে আপনি তাদেরকে যতই বোঝান না কেন, শায়খের মূর্খ অনুসারীরা সেটা অমিয় সুধার মতো পান করে আর ‘ম্যা ম্যা’ করা ছাগলের মতো সকলে সমস্বরে চিৎকার করে বলে ওঠে ‘ঠিইইইইইইইইইক’!