03/09/2026
নির্দোষ হিসেবে অনুমান, নাকি কার্যত দোষী হিসেবে বিবেচনা?
বাংলাদেশের নিম্ন ফৌজদারি আদালতে নির্দোষিতার অনুমানের ব্যবহারিক ক্ষয়
“Presumption of innocence has almost been substituted by the presumption of guilt” — অর্থাৎ, নির্দোষিতার অনুমান প্রায় দোষের অনুমান দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েছে — এই বক্তব্যটি ইচ্ছাকৃতভাবেই provocative।
আইনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা নির্দোষিতার অনুমান পরিত্যাগ করেছে, এমন কথা বলা সঠিক হবে না। বরং আইনগত অবস্থান সুস্পষ্ট। একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হন এবং ফৌজদারি অভিযোগের অপরিহার্য উপাদানগুলো reasonable doubt-এর ঊর্ধ্বে প্রমাণ করার চূড়ান্ত দায়িত্ব prosecution-এর উপরই থাকে। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টও বারবার এই মৌলিক নীতিকে স্বীকৃতি দিয়েছে।
কিন্তু বক্তব্যটির প্রকৃত তাৎপর্য আসে যখন একে ফৌজদারি বিচারপ্রক্রিয়ার ব্যবহারিক প্রয়োগের সমালোচনা হিসেবে দেখা হয়।
প্রশ্নটি এই নয় যে কোনো নিম্ন আদালত বিচার শেষ হওয়ার আগেই প্রকাশ্যে অভিযুক্তকে দোষী ঘোষণা করে কি না। আরও সূক্ষ্ম প্রশ্ন হলো:
আইন যেখানে অভিযুক্তকে নির্দোষ হিসেবে বিবেচনা করে, সেখানে বিচারপ্রক্রিয়ার বিভিন্ন পর্যায়ে তাকে কি এমনভাবে আচরণ ও আত্মপক্ষ সমর্থন করতে হচ্ছে যেন অভিযোগটিই ইতোমধ্যে সত্য বলে ধরে নেওয়া হয়েছে?
এখানেই মূল সমস্যাটি নিহিত।
⸻
১. নির্দোষিতার অনুমান মূলত burden of proof-এর নীতি
নির্দোষিতার অনুমান শুধু একটি নৈতিক বা মানবিক ধারণা নয়। এটি ফৌজদারি বিচারের পুরো কাঠামো নির্ধারণ করে।
Evidence Act-এর section 101-এর মৌলিক নীতি হলো, যে ব্যক্তি কোনো asserted fact-এর ভিত্তিতে আদালতের কাছ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত চান, সেই fact প্রমাণ করার দায়িত্ব তার।
ফৌজদারি মামলায় এর অর্থ হলো prosecution-কে অপরাধের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো প্রমাণ করতে হবে।
অতএব, মূল প্রশ্ন:
“Prosecution কি অভিযোগটি প্রমাণ করতে পেরেছে?”
এটি নয়:
“Accused কি প্রমাণ করতে পেরেছে যে সে অপরাধটি করেনি?”
এই পার্থক্যটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যখন prosecution evidence দুর্বল, অসম্পূর্ণ বা পরস্পরবিরোধী।
একটি দুর্বল defence prosecution-এর অপূর্ণ case পূরণ করতে পারে না।
অবশ্যই কিছু আইনে accused-এর উপর নির্দিষ্ট বিষয়ে evidential burden থাকতে পারে। Evidence Act-এর section 105 তার একটি উদাহরণ। কিন্তু কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে evidential burden থাকা এবং prosecution-এর উপর থাকা criminal guilt-এর ultimate burden সম্পূর্ণভাবে accused-এর উপর স্থানান্তরিত হওয়া এক বিষয় নয়।
সুতরাং আইনের ভিত্তি সুস্পষ্ট। আসল প্রশ্ন হলো, এই ভিত্তি কি judgment পর্যন্ত অপেক্ষা না করে criminal process-এর প্রতিটি পর্যায়ে কার্যকর থাকে?
⸻
২. অভিযোগ থেকে অভিযুক্ত: প্রক্রিয়াটিই কখনো কখনো burden হয়ে ওঠে
একটি সাধারণ ফৌজদারি মামলা মোটামুটি এভাবে এগোয়:
FIR → arrest → remand → bail → investigation → charge-sheet → charge → evidence → section 342 examination → judgment
শুরুতে থাকে একটি অভিযোগ।
কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই সেই ব্যক্তি হয়ে উঠতে পারেন arrested person, remanded person, accused in a charge-sheet এবং এমন একজন ব্যক্তি যাকে ক্রমাগত নিজের বিরুদ্ধে ওঠা পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিতে হচ্ছে।
অথচ তখনও আদালত তার guilt নির্ধারণ করেনি।
এখানেই functional presumption of guilt তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দেয়।
এটি কোনো আইনগত presumption নয়।
এটি তৈরি হতে পারে process-এর cumulative operation-এর মাধ্যমে।
অর্থাৎ, প্রতিটি procedural step আলাদাভাবে বৈধ হলেও তাদের সম্মিলিত প্রভাব এমন হতে পারে যে একজন unconvicted ব্যক্তি এমন সব burden এবং consequences বহন করছেন, যা সাধারণত conviction-এর পর দেখা যায়।
⸻
৩. Pre-trial detention ও delay: অভিযোগ যখন শাস্তির মতো পরিণতি সৃষ্টি করে
Arrest এবং pre-trial detention নিজেরাই presumption of innocence-এর সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। আইনসম্মত তদন্ত পরিচালনা এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে অভিযুক্তের liberty সীমিত করার ক্ষমতা রাষ্ট্রের থাকতে হবে।
সমস্যা শুরু হয় তখন, যখন justice administration-এর প্রয়োজন মেটানোর জন্য নেওয়া temporary measures দীর্ঘস্থায়ী হয়ে অভিযোগের নিজস্ব consequence-এ পরিণত হয়।
একজন accused conviction-এর আগেই liberty, employment, income, mobility এবং reputation হারাতে পারেন। Bail বারবার প্রত্যাখ্যাত হওয়ার পর যদি trial-ও দীর্ঘায়িত হয় witness non-appearance, adjournment, delayed investigation বা অন্য procedural কারণে, তাহলে detention-এর মূল justification এবং শুধু অভিযুক্ত হওয়ার কারণে আটক থাকার মধ্যে পার্থক্য ক্রমশ অস্পষ্ট হয়ে যেতে পারে।
এর অর্থ এই নয় যে bail প্রত্যাখ্যান করলেই presumption of innocence লঙ্ঘিত হয়েছে। Nor does presumption of innocence mean that every accused must automatically be released.
মূল প্রশ্ন হলো:
মামলা এগিয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে continued detention কি এখনও legitimate pre-trial objectives দ্বারা justified, নাকি detention ধীরে ধীরে accusation-এর practical consequence-এ পরিণত হয়েছে?
কারণ pre-trial detention আইনগতভাবে punishment নয়। কিন্তু conviction-এর আগে দীর্ঘদিন কারাবাস এমন বাস্তব consequences সৃষ্টি করতে পারে যা punishment-এর সঙ্গে কার্যত তুলনীয়।
ধরা যাক, A 2022 সালে গ্রেফতার হলো এবং দীর্ঘ বিচার শেষে 2027 সালে খালাস পেল।
আইনের দৃষ্টিতে 2022 থেকে 2027 পর্যন্ত পুরো সময় A ছিল presumed innocent।
কিন্তু বাস্তবে সেই পাঁচ বছর সে custody-তে কাটিয়েছে এমন একটি অভিযোগের জন্য, যা শেষ পর্যন্ত prosecution প্রমাণই করতে পারেনি।
এখানে paradox স্পষ্ট:
একজন ব্যক্তি আইনগতভাবে নির্দোষ থাকতে পারেন, অথচ বাস্তবে এমন consequences ভোগ করতে পারেন যা সাধারণত দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর সৃষ্টি হয়।
এ কারণে delay শুধু justice বিলম্বিত করে না। এটি pre-trial liberty সংক্রান্ত প্রতিটি পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের প্রভাব বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
সুতরাং speedy and public trial-এর constitutional guarantee কেবল procedural aspiration নয়। এটি presumption of innocence-কে বাস্তবে কার্যকর রাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ safeguard।
⸻
৪. Remand: যেখানে judicial scrutiny অপরিহার্য
Pre-trial detention-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়গুলোর একটি হলো Code of Criminal Procedure-এর section 167-এর অধীনে police custody বা remand।
Remand নিজেই guilt-এর presumption সৃষ্টি করে না। আইনের requirements পূরণ হলে Magistrate lawful custody authorise করতে পারেন।
সমস্যা হলো mechanical remand।
Bangladesh v BLAST মামলায় Appellate Division emphasise করেছে যে section 167-এর অধীনে Magistrate-এর ভূমিকা judicial। Police-এর custody request কেবল mechanically গ্রহণ করা যাবে না। Magistrate-কে materials এবং statutory requirements স্বাধীনভাবে বিবেচনা করতে হবে এবং police custody অনুমোদনের ক্ষেত্রে reasons record করার গুরুত্বও আদালত তুলে ধরেছে।
এখানে presumption of innocence-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ practical dimension রয়েছে।
Magistrate-এর প্রশ্ন হওয়া উচিত নয়:
“Police এই ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করেছে। তাহলে custody না দেওয়ার কারণ কী?”
বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত:
“এই unconvicted ব্যক্তির liberty এই পর্যায়ে হরণ করার জন্য State কী আইনগত ও যথেষ্ট justification দেখিয়েছে?”
প্রথম পদ্ধতিতে accusation-ই custody-এর justification হয়ে উঠতে পারে।
দ্বিতীয় পদ্ধতিতে coercive power প্রয়োগের জন্য State-কে justification দিতে হয়।
এই পার্থক্যই judicial scrutiny-এর মূল বিষয়।
⸻
৫. FIR ও charge-sheet: accusation যেন fact-এ পরিণত না হয়
FIR এবং charge-sheet criminal process-এর গুরুত্বপূর্ণ অংশ। কিন্তু কোনোটিই judicial finding of guilt নয়।
FIR মূল অভিযোগটি ধারণ করে। Charge-sheet তদন্তকারী সংস্থার এই conclusion প্রকাশ করে যে accused-এর বিরুদ্ধে prosecution চালানোর মতো material রয়েছে।
কিন্তু কোনোটিই prosecution-কে trial-এ guilt প্রমাণের দায়িত্ব থেকে মুক্ত করে না।
সমস্যা দেখা দেয় যখন FIR বা charge-sheet-এর narrative trial-এর factual template হয়ে ওঠে।
ধরা যাক FIR-এ বলা হলো A, B এবং C যৌথভাবে অপরাধ করেছে। কিন্তু trial-এ C-এর involvement-এর পক্ষে evidence দুর্বল, contradictory বা independent corroboration-বিহীন।
তখন প্রশ্ন হওয়া উচিত নয়:
“C কেন তার involvement-এর satisfactory explanation দিতে পারেনি?”
প্রশ্ন হওয়া উচিত:
“C-এর participation-এর পক্ষে admissible evidence কী?”
কারণ initial accusation একটি confirmation bias তৈরি করতে পারে। একবার prosecution narrative-কে মামলার framework হিসেবে গ্রহণ করা হলে পরবর্তী evidence-কে কখনো কখনো সেই narrative-এর সঙ্গে মিলিয়ে দেখা শুরু হয়, বরং narrative-টি objectively proved হয়েছে কি না তা যাচাই করা হয় না।
Charge-sheet তাই হওয়া উচিত:
prosecution case-এর শুরু, judicial inquiry-এর সমাপ্তি নয়।
⸻
৬. সবচেয়ে বড় ঝুঁকি: burden-এর নীরব স্থানান্তর
Presumption of innocence-এর সবচেয়ে গুরুতর ক্ষয় সবসময় কোনো আদালতের স্পষ্ট ঘোষণার মাধ্যমে ঘটে না।
কখনো তা ঘটে reasoning-এর মাধ্যমে।
ধরা যাক কোনো মামলায়:
* prosecution witnesses-এর মধ্যে material contradiction রয়েছে
* গুরুত্বপূর্ণ evidence অনুপস্থিত
* independent corroboration নেই
* investigation-এ serious deficiency রয়েছে
* accused satisfactory explanation দিতে পারেনি।
সঠিক প্রশ্ন হবে, prosecution-এর সামগ্রিক evidence কি guilt beyond reasonable doubt প্রমাণ করেছে?
বিপজ্জনক reasoning হতে পারে:
“Accused circumstances-এর satisfactory explanation দিতে পারেনি, অতএব prosecution case বিশ্বাসযোগ্য।”
এতে accused-এর failure to explain prosecution evidence-এর deficiency পূরণ করতে শুরু করে।
কোনো formal reversal of burden ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু বাস্তবে burden নীরবে স্থানান্তরিত হয়েছে।
প্রশ্নটি তখন বদলে যায়:
“Prosecution কী প্রমাণ করেছে?”
থেকে:
“Accused কীভাবে এই case-টি খণ্ডন করেছে?”
এই পরিবর্তনটিই presumption of innocence-কে presumption of guilt-এর কাছাকাছি নিয়ে যায়।
⸻
৭. Section 342: explanation যেন proof-এর বিকল্প না হয়
Code of Criminal Procedure-এর section 342 accused-কে prosecution evidence-এ তার বিরুদ্ধে appearing circumstances ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেয়।
এর উদ্দেশ্য protective।
সঠিক sequence:
Prosecution evidence → opportunity to explain → entire evidence-এর assessment
বিপজ্জনক sequence:
Weak prosecution evidence → inadequate explanation → adverse inference → conviction
Accused-এর explanation অবশ্যই relevant হতে পারে। কিন্তু prosecution যে essential ingredient প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে, accused-এর explanation সেই missing ingredient-এর substitute হতে পারে না।
Section 342 তাই হওয়া উচিত:
নিজের বিরুদ্ধে আনা case-এর উত্তর দেওয়ার সুযোগ
এটি হওয়া উচিত নয়:
নিজের innocence প্রমাণ করার indirect obligation।
⸻
৮. Limited statutory burdens এবং general presumption of guilt
একটি balanced analysis-এর জন্য এটিও স্বীকার করতে হবে যে Bangladesh law কিছু পরিস্থিতিতে accused-এর উপর evidential burden আরোপ করে।
Evidence Act-এর section 105 তার একটি উদাহরণ। এছাড়া বিশেষ কিছু আইন statutory presumption সৃষ্টি করতে পারে বা নির্দিষ্ট বিষয়ে accused-এর উপর evidential burden দিতে পারে।
তাই বলা যাবে না যে criminal proceedings-এ accused-এর উপর কখনো কোনো burden থাকতে পারে না।
মূল পার্থক্য হলো:
Evidential burden:
নির্দিষ্ট একটি issue সম্পর্কে evidence produce করার সীমিত দায়িত্ব।
Ultimate persuasive burden:
criminal guilt প্রতিষ্ঠার মৌলিক দায়িত্ব।
প্রথমটি থাকলেই দ্বিতীয়টি automatically accused-এর উপর চলে যায় না।
সমস্যা তখনই হয় যখন একটি limited evidential burden-কে এমনভাবে প্রয়োগ করা হয় যেন accused-এর উপর পুরো prosecution case disprove করার সাধারণ দায়িত্ব রয়েছে।
সুতরাং:
Statutory evidential burden আর general presumption of guilt এক বিষয় নয়।
⸻
৯. সাংবিধানিক মাত্রা
এই প্রশ্নটি শুধু law of evidence-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
Protection of law, personal liberty, arrest and detention-এর safeguards, speedy and public trial, protection against compelled self-incrimination এবং torture বা cruel, inhuman or degrading treatment-এর বিরুদ্ধে constitutional protections একজন accused ব্যক্তির অবস্থানকে একটি বৃহত্তর সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে স্থাপন করে।
Presumption of innocence-কে সেই কাঠামোর মধ্যেই কার্যকর হতে হবে।
FIR দায়ের হয়েছে, investigation শুরু হয়েছে বা charge-sheet submitted হয়েছে — এই কারণে accused তার constitutional protection হারান না।
তাই মৌলিক প্রশ্ন:
একজন ব্যক্তির guilt এখনও judicially established না হওয়া অবস্থায় State কতদূর coercive power প্রয়োগ করতে পারে এবং একই সঙ্গে কীভাবে তার presumption of innocence কার্যকর রাখা যায়?
উত্তরটি হলো, প্রতিটি coercive measure-কে আইনসম্মত, judicially scrutinised এবং legitimate purpose-এর সঙ্গে proportionate হতে হবে।
⸻
১০. সমস্যাটি শুধু বিচারকের নয়, ব্যবস্থাগতও
এ কথা বলা unfair এবং analytically unsound হবে যে বাংলাদেশের নিম্ন আদালতের বিচারকরা সাধারণভাবে accused ব্যক্তিকে guilty ধরে নেন।
আরও শক্তিশালী সমালোচনা হলো criminal justice system-এর institutional environment নিয়ে।
Heavy caseload, delayed investigation, witness non-appearance, inadequate forensic resources, repeated adjournments, prolonged custody এবং procedural congestion — এসব বিষয় সম্মিলিতভাবে presumption of innocence-এর practical operation-কে দুর্বল করতে পারে।
এর ফলে prosecution narrative মামলার practical starting point হয়ে উঠতে পারে এবং accused ক্রমাগত suspicion rebut করার চাপের মধ্যে থাকতে পারেন।
অর্থাৎ, সমস্যাটি সবসময় conscious judicial bias-এর ফল নাও হতে পারে।
⸻
১১. আইন বনাম বাস্তব অভিজ্ঞতা
পুরো বিষয়টি শেষ পর্যন্ত normative law এবং lived experience-এর পার্থক্য দিয়ে বোঝানো যায়।
আইনের অবস্থান
Accused → presumed innocent → prosecution proves guilt → conviction
সম্ভাব্য বাস্তব অভিজ্ঞতা
Accused → accusation → arrest → custodial proceedings → prosecution → prolonged trial → repeated demand for explanation → conviction or acquittal
আইন innocence স্বীকার করে।
কিন্তু accused-এর বাস্তব অভিজ্ঞতা কখনো কখনো এমন হতে পারে যে guilt judicially established হওয়ার আগেই process তার উপর guilt-এর মতো consequences আরোপ করেছে।
এই অর্থেই বলা যায় যে presumption of innocence formally intact হলেও functionally weakened হতে পারে।
⸻
১২. সবচেয়ে শক্তিশালী judicial test
Presumption of innocence বাস্তবে কার্যকর আছে কি না তা যাচাই করার জন্য প্রতিটি পর্যায়ে একটি মৌলিক প্রশ্ন করা যেতে পারে:
এই পর্যায়ে burden কার এবং ঠিক কী প্রমাণ করতে হবে?
Arrest
Arrest কি আইনগতভাবে justified?
Remand
Custodial detention কি যথাযথভাবে justified?
Bail এবং continued detention
মামলা এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে detention-এর justification কি এখনও বহাল আছে?
Charge
Proceed করার মতো sufficient legal basis কি রয়েছে?
Trial
Prosecution কি offence-এর প্রতিটি essential ingredient প্রমাণ করেছে?
Section 342
Accused কি prosecution evidence-এর বিরুদ্ধে genuine opportunity to explain পেয়েছে?
Judgment
Evidence কি guilt beyond reasonable doubt প্রতিষ্ঠা করে?
সবচেয়ে বড় warning sign দেখা দেয় যখন প্রশ্নটি বদলে যায়:
“Prosecution কি charge প্রমাণ করেছে?”
থেকে:
“Accused কেন conviction হওয়া উচিত নয় তা কি দেখাতে পেরেছে?”
এই পরিবর্তনটি আপাতদৃষ্টিতে সামান্য হলেও criminal responsibility-এর burden-এর ক্ষেত্রে মৌলিক পরিবর্তন নির্দেশ করে।
⸻
উপসংহার
“Presumption of innocence has almost been substituted by the presumption of guilt” — এই বক্তব্যকে তাই বাংলাদেশের আইনে presumption of innocence আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত হয়েছে এমন দাবি হিসেবে দেখা উচিত নয়। বরং এটি criminal process-এর practical operation-এর একটি সমালোচনা।
আইনের অবস্থান পরিষ্কার। Accused presumed innocent এবং prosecution-এর উপর guilt beyond reasonable doubt প্রমাণের ultimate burden রয়েছে।
সমস্যা তৈরি হতে পারে process-এর cumulative operation-এর মাধ্যমে।
একটি অভিযোগ arrest এবং detention-এর দিকে নিয়ে যেতে পারে। detention দীর্ঘায়িত হতে পারে। FIR ও charge-sheet-এর narrative মামলার factual framework হয়ে উঠতে পারে। এরপর accused-কে এমন circumstances-এর explanation দিতে হতে পারে, যা prosecution নিজেই যথেষ্টভাবে প্রমাণ করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত সেই explanation-এর inadequacy একটি দুর্বল prosecution case-কে শক্তিশালী করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে।
কোনো একক পর্যায়ে আদালত হয়তো সরাসরি বলেনি:
“Accused is guilty.”
কিন্তু পুরো process-এর cumulative effect এমন হতে পারে যে:
guilt-এর consequences, guilt-এর proof-এর আগেই শুরু হয়ে গেছে।
এটাই এই proposition-এর গভীরতর অর্থ।
ফৌজদারি আদালতের প্রশ্ন তাই পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে একই থাকা উচিত:
“Prosecution কী প্রমাণ করেছে?”
এই প্রশ্ন যেন কখনো পরিণত না হয়:
“Accused কীভাবে নিজের বিরুদ্ধে আনা case-টি খণ্ডন করেছে?”
প্রথম প্রশ্নটি presumption of innocence-এর ভিত্তি।
দ্বিতীয়টি presumption of guilt-এর দিকে এগিয়ে যায়।
অতএব, নিম্ন ফৌজদারি আদালতের সামনে প্রকৃত challenge শুধু judgment-এ presumption of innocence ঘোষণা করা নয়। বরং arrest থেকে remand, pre-trial detention থেকে trial, এবং evidence থেকে final judgment পর্যন্ত প্রতিটি পর্যায়ে সেই presumption-কে কার্যকর রাখা।
Aziz M Anwarul (Kanak )
Barrister-at-Law
Advocate
Supreme Court of Bangladesh.
Photo credit : Internet