Find My Lawyer

Find My Lawyer যে কোন আইনি পরামর্শ ও সেবা প্রদান করা হয়।

ইফফাত রাতে ঘুমাচ্ছিলেন। ঘুমন্ত অবস্থায় চোখে মোবাইলের টর্চের আলো অনুভব করায় ঘুম ভেঙ্গে যায়। কেউ একজন মোবাইলের ফ্ল্যাশ দিয়...
02/10/2025

ইফফাত রাতে ঘুমাচ্ছিলেন। ঘুমন্ত অবস্থায় চোখে মোবাইলের টর্চের আলো অনুভব করায় ঘুম ভেঙ্গে যায়। কেউ একজন মোবাইলের ফ্ল্যাশ দিয়ে গোপনে উনার ভিডিও ধারণ করছিলেন। উনি চিৎকার করে উঠেন। লোকটিকে ধরে ফেলেন।

ইফফাত একজন সরকারি শিক্ষিকা। ঢাকায় স্বামী সন্তানসহ থাকেন। জমি সংক্রান্ত কাজে গিয়েছিলেন পাবনায়। উঠেন বান্ধুবীর বাসায়। বান্ধুবীর সাথে পাবনা ঘুরে বেড়ান। হাসিখুশি মাখা ছবি তুলেন।

কিন্তু তিনি কল্পনাও করতে পারেননি রাতে উনার জন্য কী অপেক্ষা করছেন।

তো, সেদিন রাতে ঘুমাচ্ছিলেন ইফফাত। পাশে ছিলো বান্ধুবী তানিয়া। সেই রুমে ঢুকে পড়েন বান্ধুবীর ভাই মামুন। মোবাইলের ফ্ল্যাশ জ্বালিয়ে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করতে থাকে। চোখে ফ্লাশের আলো অনুভব করায় উনার ঘুম ভেঙ্গে যায়।

ঘুম ভেঙ্গে উনি দেখতে পান মামুনকে। ইফফাত চিৎকার করতে থাকেন। পাশে থাকা বান্ধুবীর ঘুম ভেঙ্গে যায়।

বান্ধুবী সব শোনার পর ভাইকে বাঁচাতে বলে, 'যা হয়েছে হয়েছে। এখানেই দ্য ইন্ড কর। ঝামেলা বাড়াইও না।'

ইফফাত বারবার বলতে থাকে, 'আমি দেখতে চাই কী ভিডিও করেছে।'

কারণ সে জানে একটি মেয়ের জীবন ধ্বংস করার জন্য পর্ণগ্রাফি কতটা ভয়ঙ্কর হতে পারে। মানুষ কখনও দেখতে যাবে না। সেটি জোরপূর্বক নাকি গোপণে ধারণকৃত।

ইফফাত প্রমাণ রাখার জন্য এবং ঐ ভিডিও ডিলিট করার জন্য বারবার দেখতে চায় ভিডিওগুলো।

কিন্তু ওরা কিছুতেই দেখতে দিবে না। কারণ ফোন চেক করতে দিলে তো ভাই অপরাধী প্রমাণিত হয়ে যাবে।

এমন অবস্থায় আইনের আশ্রয় নেওয়ার হুমকি দিয়ে ইফফাত ঢাকায় চলে আসে। ইফফাতকেও বারবার তারা ফোন করে হুমকি দিতে থাকে। তুমি যদি আইনের আশ্রয় নাও। তাহলে আমরা তোমার নামে চুরির মামলা দিবো।

ইফফাত ঢাকায় জিডি করে। অন্যদিকে পাবনায় তাঁর বান্ধুবী চুরির মামলা করে। যেখানে উল্লেখ করা হয়, 'ইফফাত আমাদের বাসায় এসে কফির মধ্যে ঘুমের মেডিসিন খাইয়ে। অজ্ঞান করে আমার ২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করে ঢাকায় পালিয়ে গিয়েছে।' সংবাদ সম্মেলনেও তানিয়া এও দাবি করে যে, চুরির আগেরদিন সকালে সে বেশ কিছু গহনা গায়ে দিয়ে ইফফাতকে নিয়ে পাবনা ঘুরেছেন।'

আমাদের দেশের মহামান্য আদালতও মামলা আমলে নিয়ে পাবনায় ইফফাতকে তলব করে।

ইফফাতের উকিল আদালতকে জানায়, একজন সরকারি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকা। দুই বাচ্চার মা। সে ঢাকা থেকে বান্ধুবীর বাসায় গিয়ে সবাইকে অজ্ঞান করে ২০ ভরি স্বর্ণ চুরি করবে। জেনে শুনে এই ঝুঁকি কেউ নিবে? এটা তো কমনসেন্স নাকি? একজন অবিবাহিত মেয়ের কাছে ২০ ভরি স্বর্ণ কী আদৌ থাকা সম্ভব?

বান্ধুবী আদালতে চুরির পক্ষে কোন প্রমাণ দেখাতে পারেনি। অন্যদিকে ইফফাতের উকিল সে নির্দোষ এর স্বপক্ষে সেদিনের ঘুরাঘুরির ছবি প্রমাণ আদালতে উপস্থিত করেন। যেখানে তানিয়ার গায়ে কোন গহনা ছিলো না।

এই সমস্ত বিষয় আমলে এনে আদালত বর্তমানে ইফফাতকে জামিন দিয়েছেন।

কোন কিছু প্রমাণের আগেই তাঁর লাইফটা বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল ওর চরিত্র নিয়ে মিথ্যা নিউজ ছড়িয়ে জাহান্নাম বানিয়ে ফেলেছে। শিক্ষার্থীদের সামনেও মুখ দেখাতে পারছেন না উনি।

উনি বলেছেন, আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তদন্ত হোক। সেই অনুযায়ী বিচার হোক।

ইফফাত দুই সন্তানের মা। একজন শিক্ষিকা। একজন স্ত্রী।

নিজ সম্মান, সম্ভ্রম বাঁচাতে গিয়ে হয়ে গেলেন চোর। তাও তাঁর বান্ধুবীই তার পিঠে চাকু মেরেছে।

সব ক্ষত শারীরিক নয়, কিছু ক্ষত আসে বিশ্বাসঘাতকতার আঘাতে।
বন্ধুত্ব কেবল হাসি-আনন্দ ভাগাভাগি নয়, বরং আস্থার জায়গা।

কখনও কী নিজেকে প্রশ্ন করেছি? কাকে বন্ধু বানাচ্ছি?

একজন বন্ধুর আচার আচরণ কথা বার্তার মধ্যে কোন না কোনভাবে তাঁর চরিত্রের পোস্টমর্টেম করা যায়। সেই অনুযায়ী সতর্ক হওয়া যায়। এই সুরৎহাল রিপোর্ট অনেকে বুঝতে পারে। অনেকে পারে না। অনেকে টের পেয়েও একসাথে খায়, ঘুমায় ঘুরে। একদিন ধরা খায়।

ছেলেদের বন্ধু বিশ্বাসঘাতকতা করলে সর্বোচ্চ মারধোর করে আহত নিহত করে। কিন্তু মেয়েদের বান্ধুবী বিশ্বাসঘাতকতা করলে সেটার শুরুটা হয় চরিত্রের অস্ত্রপাচার দিয়ে।

নারীকে ভাঙতে হলে চরিত্র নিয়ে আঘাত করাই সবচেয়ে সহজ অস্ত্র। তাই সাবধান।

(এই পোস্ট লেখার পর: অনেকেই প্রশ্ন করেন ''কেন স্বামীকে ছাড়া ঐ বাসায় গিয়েছে। কেন দরজা না লাগিয়ে ঘুমিয়েছে। বান্ধুবী কেন আলাদা ঘুমিয়েছে?"

এই পোস্টটি ভিক্টিম ইফফাতের চোখে পড়েছে। যাকে আমি চিনিনা। উনি কমেন্ট করে এসব প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়েছেন। তাই পোস্টে সেসব উত্তর যোগ করে দেওয়া হয়েছে)



✍ অন্তর মাশঊদ

বন্ধুত্ব তো এমনই হওয়া উচিত ❤️ যতবার লেখাটা পড়েছি মুগ্ধ হয়েছি,বন্ধুত্ব তো এমনি হয়!মা'ইল'স্টো'নে দূ*র্ঘট*নার পর বেঁ'চে যা...
22/07/2025

বন্ধুত্ব তো এমনই হওয়া উচিত ❤️


যতবার লেখাটা পড়েছি মুগ্ধ হয়েছি,
বন্ধুত্ব তো এমনি হয়!
মা'ইল'স্টো'নে দূ*র্ঘট*নার পর বেঁ'চে যাওয়া একজন
ছাত্র তার আ*হত বন্ধুকে ক্লাসরুম থেকে ফিরিয়ে
আনতে গিয়েছিল।
ফা*য়ার ব্রি'গে'ডের অ'ফিসার বা'ধা দিয়ে বললেন,
"এর কোনো লাভ নেই! তোমার বন্ধু অবশ্যই মা*রা
যাবে"।
কিন্তু ছাত্রটি তখনও গিয়ে তার বন্ধুকে একা একা ফিরিয়ে আনল।
মৃ*তদে*হ দেখে ফায়ার ব্রি'গে'ডের অ*ফিসার বলে, "আমি তোমাকে বলেছিলাম এর কোন মূ'ল্য নেই।
সে মা*রা গেছে"।
ছাত্র'টি উত্তর দেয়: 'না স্যার, এটা সত্যিই মূল্যবান ছিল। যখন আমি তার কাছে গেলাম, সে তখনও জী"বিত ছিলো - আমার বন্ধু আমাকে দেখে, হাসল এবং তার শেষ কথাটা বলল:
❝আমি জানতাম তুমি আসবে❞।
— সংগৃহীত।

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আপাতত দেশের ২১টি সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ে এ আধুনিক অটোমেশন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। জুলাই মাসের ম...
02/06/2025

ভূমি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, আপাতত দেশের ২১টি সাব-রেজিস্টার কার্যালয়ে এ আধুনিক অটোমেশন পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। জুলাই মাসের মধ্যে দেশের সব রেজিস্ট্রি অফিসেই এটি কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

কোন কোন দলিলে লাগবে না নামজারি?

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নিচের সাত শ্রেণির দলিলের ক্ষেত্রে আলাদা করে নামজারি করতে হবে না:

বিক্রয় কবলা (সাব কবলা) দলিল
জমি বিক্রি ও ক্রয়ের মাধ্যমে সম্পাদিত এই দলিল স্বয়ংক্রিয়ভাবে নামজারি হয়ে যাবে।

হেবা দলিল
রক্ত সম্পর্কের মধ্যে বিনামূল্যে সম্পত্তি হস্তান্তরের এই দলিলেও এখন নামজারি প্রক্রিয়া নিজে থেকেই সম্পন্ন হবে।

হেবা-বি-লাওজ দলিল
রক্ত সম্পর্কের বাইরেও হেবার মাধ্যমে হস্তান্তরিত জমির দলিলেও একই সুবিধা পাওয়া যাবে।

বন্টননামা দলিল
পারিবারিক সম্পত্তি বন্টনের ক্ষেত্রে করা দলিলেও নামজারি হবে অটোমেটেডভাবে।

ওসিয়তনামা দলিল
কারো মৃত্যুর পর ওসিয়ত অনুযায়ী যিনি মালিক হবেন, দলিল রেজিস্ট্রেশনের দিনেই তার নামেও মিউটেশন সম্পন্ন হবে।

এওয়াজ বদল দলিল
জমি বিনিময়ের মাধ্যমে সম্পাদিত এই দলিলেও স্বয়ংক্রিয়ভাবে নামজারি হবে।

না দাবি দলিল
যেখানে কোনো পক্ষ জমির ওপর দাবি ত্যাগ করে, সেই দলিলেও আর আলাদা নামজারি করার প্রয়োজন হবে না।

একসঙ্গে তিনটা নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে আজ। পল্লবীর একটা বাড়ির পঞ্চম তলা থেকে এক সঙ্গে বের হলো দুটো নিথর দেহ আর একটা জীবনব...
30/05/2025

একসঙ্গে তিনটা নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে গেছে আজ। পল্লবীর একটা বাড়ির পঞ্চম তলা থেকে এক সঙ্গে বের হলো দুটো নিথর দেহ আর একটা জীবনব্যাপী অনুশোচনা।

একটা মেয়ের ছলনা, এক ছেলের অন্ধ ভালোবাসা, আর আরেকটা স্বামীর নিরীহ উপস্থিতি—সব মিলিয়ে রক্তাক্ত তিনটি পরিবারের স্বপ্ন।

ফেসবুক ইনবক্স থেকে প্রতারণার যে গল্পটা শুরু হয়েছিল, তার চূড়ান্ত পরিণতি লাশের গন্ধে।
গোপালগঞ্জের মেয়ে দোলনা আক্তার। রাজধানীর উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে এলএলএম করছেন। সাবলেট থাকতেন মিরপুর-১১ নম্বরে একটি ভবনের পাঁচতলায়। ভালোবেসে বিয়ে করেন বরগুনাতে ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করা পাপ্পুকে।
স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে মাঝেমধ্যেই ঢাকায় আসা-যাওয়া করতেন পাপ্পু। দুই দিন আগেও তিনি বরগুনা থেকে ঢাকায় আসেন।
দোলনা ভালোবেসে বিয়ে করলেও ফেসবুকের সূত্র ধরে জড়িয়েছিলেন এক ভিন্ন সম্পর্কে। নিজের বিয়ের খবর গোপন রেখে সৌদি প্রবাসী গাউস মিয়ার সঙ্গে দহরম-মহরম চলছিল।
প্রিয়তমার সঙ্গে দেখা করার উদ্দেশ্যে সৌদি থেকে দেশে আসেন গাউস মিয়া। কয়েকবার দেখা-সাক্ষাৎও করেন দুজনে। কিন্তু আজ স্বামী সঙ্গে থাকায় গাউস মিয়ার ফোন ধরেছিলেন না দোলনা। এদিকে গাউস মিয়াও জানতেন না দোলনা বিয়ে করেছেন আগেই।
ফোন না ধরায় পূর্বে দেওয়া ঠিকানার সূত্র ধরে দোলনার খোঁজে আসেন গাউস।
এদিকে সকালে বাসার বাইরে একটি খাবার হোটেলে নাশতা করতে গিয়েছিলেন দোলনা ও তাঁর স্বামী পাপ্পু। গাউস মিয়া তাঁদের দুজনকে একসঙ্গে দেখে অনুসরণ করতে থাকেন। দোলা ও পাপ্পুকে একসঙ্গে বাসায় উঠতেও দেখেন তিনি। বিষয়টির খোঁজ করতে গিয়ে জানতে পারেন, দোলা আগেই বিয়ে করেছেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বাসা থেকে দুটি ছুরি নিয়ে দোলার বাসায় যান গাউস। পরে দোলা ও তাঁর স্বামী পাপ্পুকে কুপিয়ে হত্যা করেন।

এক কাপ চায়ের মতো ভালোবাসা যখন ঠান্ডা হয়, তখন তা বিষ হয়ে ওঠে। সেই বিষই উগরে দিলেন গাউস মিয়া। যদিও ভালোবাসা কখনও খুন করতে শেখায় না।

একটা মিথ্যা সম্পর্ক আর ছলাকলায় তিনটা পরিবার আজ বোবা। এই ঘটনা কেবল প্রেমঘটিত নয়, এটা সততার অভাব, আবেগের অন্ধত্ব, আর সম্পর্কের দায়িত্বশূন্যতার এক রক্তমাখা দলিল। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মারণাস্ত্রের চেয়েও ভয়ংকর হয়ে উঠেছে পরকীয়া।

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!! মৌরিতানিয়ার হজ্জ্ব যাত্রীদের বিমান দুর্ঘটনা! লোহিত সাগরের তীরে, পবিত্র মক্কায়...
28/05/2025

ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!!

মৌরিতানিয়ার হজ্জ্ব যাত্রীদের বিমান দুর্ঘটনা! লোহিত সাগরের তীরে, পবিত্র মক্কায় যাওয়ার পথে বিমান দুর্ঘটনার কবলে পড়ে, ২১০ জনেরও বেশি হজ্জযাত্রী শাহাদাত বরণ করেন!!
আল্লাহ সবাইকে জান্নাতের উচ্চ মাকাম দান করুন!

15/05/2025
রাতে ভাত খেয়ে ঘুমিয়েছিল মেয়েটা। পাশের রুমে বাবা-মাও ছিল। তারপর মধ্যরাতের দিকে বাবা-মা জান্নাতী, জান্নাতী বলে মেয়েটাকে ডে...
15/05/2025

রাতে ভাত খেয়ে ঘুমিয়েছিল মেয়েটা। পাশের রুমে বাবা-মাও ছিল। তারপর মধ্যরাতের দিকে বাবা-মা জান্নাতী, জান্নাতী বলে মেয়েটাকে ডেকে তুলে।

ঘুম থেকে তুলে বলে একটু বাইরে বের হব চল।

মেয়েটা ঘুমঘুম চোখে অবাক হয়। এতরাতে কোথায় যাবে জিজ্ঞেস করতে থাকে। বাবা-মা কোন প্রকার উত্তর না দিয়েই বাইরে যাওয়ার জন্যে জোর করতে থাকে।

যেহেতু বাবা-মা বলছে তাই মেয়েটা আর না করে না। চোখে ঘুম আর কৌতূহল নিয়েই বের হয় তাদের সাথে।

কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা লক্ষ্য করে তার চাচি শাহিনা বেগমও তাদের সাথে যাচ্ছেন। মেয়েটা মনে করেছিল হয়তো সবাই একসাথে কোন দরকারি কাজে যাচ্ছে।

কিন্তু কিছুদূর যাওয়ার পরই মেয়েটা খেয়াল করে তার বাবা-মা বসতবাড়ির রাস্তা ছেড়ে কৃষি জমির দিকে যাচ্ছে।

মেয়টা অবাক হয়েই জানতে চেয়েছিল তারা এখানে কেন এসেছে। কিন্তু বাবা-মা আর চাচি তাকে চুপ করে থাকতে বলে। মেয়েটার চোখেমুখে তখনও ঘুমঘুম ভাব ছিল।

কিছুক্ষণ পরই তারা একটা ভুট্টা ক্ষেতের কাছাকাছি আসে। এখানে এসেও কৌতূহলী হয়ে বাবা-মা আর চাচিকে জিজ্ঞেস করতে চেয়েছিল তারা এত রাতে এখানে কেন এসেছে।

কিন্তু তার আগেই পেছন থেকে জান্নাতীর হাত এবং মুখ জাপটে ধরে, যাতে চিৎকার করতে না পারে। তারপর মাথায় এবং শরীরে রড দিয়ে জোরে অঘাত করে।

মেয়েটা ছুটে দৌড় দিতে চেয়েছিল কিন্তু আকস্মিক আঘাতের কারণে আর পারে না।

তারপর বাবা-মা এবং চাচি শাহিনা বেগম মিলে ধারালো দা দিয়ে কোপাতে থাকে মেয়েটাকে। মেয়েটা তখন অনেকটাই নিস্তেজ, তীব্র যন্ত্রণায় গোঙ্গাচ্ছিল শুধু।

তিনজন মিলে অনবরত কোপাতে থাকে মেয়েটাকে, চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে পড়ে। অতঃপর সেখানেই মারা যায় মেয়েটা।

পূর্ব পরিকল্পনায় অংশ হিসেবে বাবা-মা এবং চাচি মিলে মেয়েটাকে মেরে ওই ভুট্টা খেতেই রেখে চলে আসে। এ ঘটনা শনিবারের।

পরদিন সকালে স্থানীয় কৃষকেরা যখন জমিতে কাজ করতে যায় তখন সেখানে জান্নাতীর লা*শ দেখতে পায়।

লা*শ দেখতে পেয়ে খোঁজ দেয় বাবা-মাকে। তারা এসে কতক্ষণ কান্নাকাটির নাটক করে যাতে কেউ বুঝতে না পারে।

তারপর মেয়ের চাচা এবং বাবা-মা মিলে প্রতিবেশী ২৭ জনের নামে মামলা করে। তারপর পুলিশ তাৎক্ষণিক সেই প্রতিবেশীদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

কিন্তু পুলিশ কিছুতেই সুরাহা করতে পারছিল না। সবাই অস্বীকার করছিল। পুলিশ আরও জোর দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে কিন্তু কাজ হয় না।

এর দুইদিন পর পুলিশ লাশের ময়নাতদন্ত করে কিছু ক্লু পায়। সেই ক্লু ধরে পুলিশ মেয়েটার বাবা-মা এবং চাচা চাচিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্যে থানায় নিয়ে আসে।

তারা থানায় এসেই ওই প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে থাকে এবং তাদেরকে ফাঁসি দিতে বলে।

বাবা-মা বারবার বলতে থাকে আমার মেয়েটাকে ওই প্রতিবেশীরাই মিলে মেরেছে। কিন্তু পুলিশ সেই কথায় পাত্তা না দিয়ে তাদের স্বাভাবিক ইনভেস্টিগেশন চালিয়ে যেতে শুরু করে।

একপর্যায়ে যখন জোরলো জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে এবং ক্লু গুলো সামনে নিয়ে আসে তখন চাচি শাহিনা বেগম পুলিশের কাছে স্বীকার করে ফেলে যে তারাই মেয়েটাকে শনিবার রাতে মেরেছে।

বাবা-মা তখনও স্বীকার করেনি। কিন্তু চাচি শাহিনা বেগমের স্বীকারোক্তির পর বাবা-মা ও বুঝে যায় বাঁচার আর কোন পথ নেই।

তারপর মেয়েটার বাবা জাহিদুল ইসলাম এবং মা মোর্শেদা বেগমও স্বীকার করে যে তারা তিনজন মিলেই মেয়েটাকে নির্মমভাবে মেরেছে।

তারপর মারার কারণ জিজ্ঞেস করায় তারা জানায়- প্রতিপক্ষ প্রতিবেশীদের ফাঁসাতেই তারা নিজ মেয়েকে মেরেছে।

প্রতিবেশীদের সাথে তাদের একটা ৩২ বিঘা জমি নিয়ে ঝামেলা চলছিল বহুদিন ধরেই। তাই চাচি শাহিনা বেগম তাদেরকে প্ল্যান দিয়েছিল নিজ মেয়েকে মেরে ওই জমিতে রেখে আসতে।

তারপর তারা মামলা করবে প্রতিবেশীদের নামে।

এতে করে মামলায় প্রতিবেশীদের জেল হলে তারা সহজেই ৩২ বিঘা জমিটা দখল দিয়ে নিজেদের করে নিতে পারবে।

এজন্যেই তারা ২৭ জন প্রতিবেশীর নামে মামলা করেছিল যাতে ওই পরিবারের সবার জেল হয়।

এ স্বীকারোক্তি গুলো কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইন চার্জ মো. হাবিবুল্লাহ সংগ্রহ করেছেন এবং ভেরিফাই করে সত্যায়িত করেছেন।

তাছাড়া মেয়েটাকে কিভাবে কিভাবে মারা হয়েছিল সে ঘটনার স্বীকারোক্তিও বাবা-মায়ের কাছ থেকেই পুলিশ নিয়েছে।

জান্নাতী মেয়েটার বয়স খুব বেশি না, ১৫ বছর বয়স মাত্র। পড়াশোনা করত ক্লাস নাইনে।

গ্রামের সবাই এ ঘটনায় খুবই অবাক হয়েছে এবং মেয়েটার জন্যে শোকাহত হয়ে কেঁদে কেঁদে বলছিল- মেয়েটার আচার ব্যবহার খুবই ভালো ছিল।

মেয়েটার স্কুলের শিক্ষক এবং সহপাঠীরাও জানিয়েছে- মেয়টা পড়াশোনায় অনেক ভালো ছিল। বেঁচে থাকলে সামনের বছরই এসএসসি পরীক্ষা দিতো। হয়তো ভালো একটা রেজাল্টও করতো।

আমাদের চারপাশে কতশত দম্পতির সন্তান হয়না বিধায় এ হসপিটাল থেকে ও হসপিটালে দৌড়াদৌড়ি করে দিন পার করে। একটা সন্তানের জন্যে কত হাহাকার করে।

অথচ সামান্য কিছু জমির জন্যে নিজ বাবা-মা আর চাচির হাতেই খুন হতে হলো হাসিখুশি মেয়ে জান্না

কি আর বলবো ভাষা নাই আল্লাহ সবাই কে হেদায়াত দান করুক আমীন।
সংগৃহীত

২০২৫ সালের দেওয়ানি কার্যবিধিতে যুগান্তকারী সংস্কার➤ মৌখিক জবানবন্দির পরিবর্তে লিখিত এফিডেভিট: এখন বাদী ও বিবাদীকে দিনের ...
14/05/2025

২০২৫ সালের দেওয়ানি কার্যবিধিতে যুগান্তকারী সংস্কার

➤ মৌখিক জবানবন্দির পরিবর্তে লিখিত এফিডেভিট: এখন বাদী ও বিবাদীকে দিনের পর দিন আদালতে এসে মৌখিক জবানবন্দি দিতে হবে না। তারা এখন এফিডেভিট আকারে লিখিত জবানবন্দি দাখিল করতে পারবেন, যা মামলার গতি বৃদ্ধি করবে।

➤ রায় কার্যকরে আইনের বল প্রয়োগ: দেওয়ানি আদালত এখন প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশসহ যেকোনো আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে রায় ও আদেশ কার্যকরে নির্দেশ দিতে পারবে।

➤ কারাদণ্ডের ব্যয়ে রাষ্ট্রীয় বহন: দেওয়ানি মামলায় কোনো পক্ষ জেলে গেলে, তার খরচ আর প্রতিপক্ষকে বহন করতে হবে না। এই ব্যয় সরকার বহন করবে, যা ন্যায়বিচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি।

➤ জারি মামলা বাতিল: রায় পাওয়ার পর আর পৃথকভাবে জারি মামলা করতে হবে না। মূল মামলার অধীনেই জারি কার্যক্রম চলবে, ফলে মামলার প্রক্রিয়া হবে আরও সরল ও দ্রুত।

➤ অযথা সময় চাওয়ার সুযোগ সীমিত: মামলার প্রলম্বন ঠেকাতে সময় চেয়ে বারবার আবেদন করার প্রবণতায় নিয়ন্ত্রণ এসেছে, যা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিকে ত্বরান্বিত করবে।

➤ হয়রানিমূলক মামলায় ক্ষতিপূরণ বৃদ্ধি: ইচ্ছাকৃত হয়রানিমূলক দেওয়ানি মামলার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে, যা এমন মামলা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা বিষয়ক নির্দেশনা।
14/05/2025

ভার্চুয়াল মাধ্যম ব্যবহার করে আদালতের কার্যক্রম পরিচালনা বিষয়ক নির্দেশনা।

হতেই পারে আপনার জমির কাগজপত্র হারিয়ে গেছে অথবা পুড়ে বিনষ্ট হয়ে গেছে। একটি জমির যে সকল উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট থাকে তা হল...
02/05/2025

হতেই পারে আপনার জমির কাগজপত্র হারিয়ে গেছে অথবা পুড়ে বিনষ্ট হয়ে গেছে।
একটি জমির যে সকল উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট থাকে তা হলো

➥১.পর্চা বা খতিয়ান।
➥২.দলিল।
➥৩.ম্যাপ বা নকশা।

এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।

সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।

নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।

➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?

জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো,

১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।
২/উপজেলা ভূমি অফিস।
৩/জেলা ডিসি অফিস।
৪/সেটেলমেন্ট অফিস।

➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস

ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।

➤উপজেলা ভূমি অফিস

যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না

➤জেলা ডিসি অফিস

এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।

➤সেটেলমেন্ট অফিস

শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।
পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।

❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?
উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।

➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?

দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।

১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।
২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।

➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।

➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম

এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়। যদি কোন দলিল সঠিকভাবে তল্লাশি করে না পাওয়া যায়। তাহলে আপনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করার মধ্য দিয়ে আপনার কাঙ্খিত দলিলখানা সংগ্রহ করতে
পারবেন।

❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?

উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?

সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো

১/জেলা ডিসি অফিস
২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।

➤জেলা ডিসি অফিস:

এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।
সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।

➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।

সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ
সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।
এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।

❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?

উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।

পাকিস্তানি একজন লেখক বলেছিলেন—“আমার জানাজায় আসলে একটু সময় মত আসার চেষ্টা করবেন; দা`ফন যারা করে তারা “আমার” মত অপেক্ষা কর...
02/05/2025

পাকিস্তানি একজন লেখক বলেছিলেন—

“আমার জানাজায় আসলে একটু সময় মত আসার চেষ্টা করবেন; দা`ফন যারা করে তারা “আমার” মত অপেক্ষা করবেনা।”

কত গভীর এই দুইটা লাইন। অপেক্ষা কি; সে কেবল ওই মানুষটা জানে, যে ফিরবেনা জেনেও অপেক্ষা করে গেছে একটা দীর্ঘ সময়।

সাগরের মাঝখানে ডুবে যাওয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ত চারদিকে তাকিয়ে একটু ঠাই পাওয়ার অপেক্ষায় যেমন মানুষ ছটফট করে। অপেক্ষার সময় টা হয়তো তেমনই।

লেখা - Ashraf Ahmed

Address

Puran Bogra

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Find My Lawyer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share