Practicing as Lawyer in the Judge Court of Pabna

Practicing as Lawyer in the Judge Court of Pabna Any other problem solution...

৮ জন মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পুনঃবন্টন করা হয়েছে...... তাদের তালিকা নিম্নরুপমাননীয় প্রতিমন্ত্রী গণের দায়িত্ব/দপ্তর ...
05/03/2026

৮ জন মাননীয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পুনঃবন্টন করা হয়েছে......
তাদের তালিকা নিম্নরুপ
মাননীয় প্রতিমন্ত্রী গণের দায়িত্ব/দপ্তর পুনর্বণ্টন সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন....২০২৬ ইং

20/12/2024

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে....
============================
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================
১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================
১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================
১ শতাংশ =৪৩৫.৬ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================
১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================
১ গন্ডা = ১৬৯৯০ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================

কানিঃ
কানি দুই প্রকার।
যথা- (ক) কাচ্চা কানি এবং
(খ) সাই কানি
(ক) কাচ্চা কানিঃ
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।

সাই কানিঃ
(খ) এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।
==========================
কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনাঃ-
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
=========================
বিঘা-কাঠার হিসাবঃ

১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা
============================
উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
============================
(*) ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়
= ২১৬০ বর্গফুট।
(*) ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়
= ৩৬০০ বর্গফুট।
(*) ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয় = ৭২০০ বর্গফুট।

এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন।
===========================

বিঃদ্রঃ ""তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।""
=============================
আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে।

যেমন –
(*) আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।
(*) আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
(*) ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট।

https://www.facebook.com/story.php?story_fbid=698399308968949&id=100063966573584&post_id=100063966573584_698399308968949...
21/08/2023

https://www.facebook.com/story.php?story_fbid=698399308968949&id=100063966573584&post_id=100063966573584_698399308968949&mibextid=Nif5oz

বাংলাদেশ ভূমি আইন অনুযায়ি জমির দলিল মোট ৯ প্রকার। যথাঃ-
(১) সাফ-কবলা দলিল;
(২) দানপত্র দলিল;
(৩) হেবা দলিল;
(৪) হেবা বিল এওয়াজ দলিল;
(৫) এওয়াজ দলিল;
(৬) বন্টন নামা দলিল;
(৭) অছিয়তনামা দলিল;
(৮) উইল দলিল; ও
(৯) নাদাবি দলিলবা মুক্তি নামা দলিল।

১) সাফ-কবলা দলিল
কোন ব্যক্তি তাহার সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় করে যে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্টারী করে দেন তাকে সাফ-কবালা বা বিক্রয় কবলা বা খরিদা কবলা বলা হয়। এই কবলা নির্ধারিত দলিল ষ্ট্যাম্পে লিখার পর দলিল দাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাবরেজিষ্টারী অফিসে উপস্থিত হয়ে দলিল সহি সম্পাদন করে গ্রহিতা অর্থাৎ খরিদ্দারের বরাবরে রেজিষ্টারী করে দিবেন। এই দলিল রেজিষ্টারী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলিলের তফছিলে লিখিত অর্থাৎ বিক্রিত ভূমির যাবতীয় স্বত্ব দলিল দাতা হতে বিলুপ্ত হয়ে দলিল গ্রহিতাতে অর্থাৎ খরিদ্দারের উপর অর্পিত হলো। দলিলদাতা ময় ওয়ারিশানক্রমে উক্ত জমি হতে নিঃস্বত্ববান হলেন।

২) দানপত্র দলিল
যে কোন সম্প্রদায়ের যে কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি দান করতে পারেন। এই দানপত্র দলিলে শর্তবিহীন অবস্থায় সকল প্রকার ক্ষমতা প্রদানের দান করতে হবে। স্বত্ব সম্পন্ধে দাতার কোন প্রকার দাবী থাকলে দানপত্র শুদ্ধ হবে না।

৩) হেবা দলিল
মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এই হেবা অর্থাৎ দানপত্র দলিল, এই দলিল কোনকিছুর বিনিময়ে নয়, কেবলমাত্র সন্তুষ্ট হয়ে এইরূপ দান করা হয়। কিন্তু এই হেবা সর্তবিহীন অবস্থায় দান বিক্রয়, কট রেহান ও রূপান্তর ইত্যাদি সকল ক্ষমতা প্রদানে দান বা হেবা করতে হবে। স্বত্ব সম্বন্ধে দাতার কোনরূপ দাবী থাকলে সেই দান বা হেবা শুদ্ধ হবে না এবং তা যে কোন সময় বাতিলযোগ্য। এরূপ দানপত্রে দাতার কোন স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে না।

৪) হেবা বিল এওয়াজ
এই হেবা বিল এওয়াজ মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি দানপত্র দলিল এই দানও সন্তুষ্ট হয়ে করা হয় বটে। কিন্তু ইহা কোন কিছুর বিনিময়ে হয়ে থাকে, যেমন- পবিত্র কোরআন, জায়নামাজ, তছবিহ, মোহরানার টাকা, এমন কি যে কোন জিনিষের বিনিময়েও হতে পারে, যেমন আংটি ইত্যাদি। এই হেবা বিল এওয়াজ দলিল সম্পূর্ণ শর্তবিহীন অবস্থায় গ্রহিতা যাবতীয় হস্তান্তর ও রূপান্তরের সকল প্রকার ক্ষমতার অধিকারী হবে এবং দাতার যাবতীয় স্বত্ব গ্রহিতাতে অর্পিত হবে। দাতার স্বার্থে কোন প্রকার স্বত্ব দাতার জন্য সংরক্ষিত থাকলে দলিল শুদ্ধ হবে না। এই হেবা বিল এওয়াজ অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে। এই হেবা বিল এওয়াজ যদি টাকা বিনিময়ে হয় এবং ক্রমিক ওয়ারিশী সূত্রে আগে পরে তিন ধাপের পরের ব্যক্তিকে বা তৃতীয় ব্যক্তিকে হেবা বিল এওয়াজ মুলে দান করে থাকে তা হলে শরীক কর্তৃক জানার তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে প্রিয়েমশান করতে পারে।

৫) এওয়াজ দলিল
যে কোন সম্প্রদায়ের বা একই সম্প্রদায়ের বা একই বংশের বা কোন ব্যক্তি যে কোন ব্যক্তির সহিত তাহাদের লপ্ত ও সুবিধা মত একের ভূমি অপরকে দিতে পারেন অর্থাৎ পরস্পর এওয়াজ পরিবর্তন সরতে পারেন। এই দলিল অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে।
এওয়াজ পরিবর্তন দলিলের একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হলো: ক এর জমি খ এর বাড়ীর নিকট এবং খ এর জমি ক এর বাড়ীর নিকট। উভয়ের জমিই উভয়ের বেলপ্ত। কাজেই ক তার জমি খ কে এবং তার জমি ক কে দিয়ে উভয়ে একটি দলিল সম্পাদন করে রেজিষ্টারী করে নিল। একেই এওয়াজ পরিবর্তন দলিল বলে। এই দলিলের কেহ প্রিয়েমশান করতে পারে না।

৬) বন্টনমানা দলিল
শরিকগণের মধ্যে সম্পত্তি ক্রমে নিজ নিজ ছাহাম প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ছাহামের বাবদ যে দলিল করতে হয় তাকে বন্টননামা দলিল বলে। একই সম্পত্তিতে মালিক একই বংশের লোককে সাধারণত শরিক বলা হয়। শরিক দুই প্রকারের, যথা- উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক ও কোন শরিক হতে খরিদ সূত্রে শরিক। ইংরেজীতে বলা হয় কো-শেয়ারার বাই ইনহেরিটেন্স এন্ড কো-শেয়ারার বাই পারচেজ। বন্টননামা দলিল করবার সময় সকল শরিকগণ দলিলে পক্ষভুক্ত থেকে ও দস্তখত করে বন্টননামা দলিল করতে হবে। কোন একজন শরিক বাদ থাকলে বন্টননামা শুদ্ধ হবেনা। বন্টননামা দলিল রেজিষ্টারী করতে হবে কিন্তু ঘরোয়াভাবে বন্টন করে সকল পক্ষগণ যদি বন্টননামা দলিলে দস্তখত করে থাকেন তা হলেও বন্টননামা কার্যকরী হতে পারে। যদি শরিকগণ আপোষ মতে বন্টন করতে রাজী না হন তাহলে যে কোন শরিক বন্টনের জন্য আদালতে নালিশ করতে পারেন।

৭) অছিয়তনামা দলিল
কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি কাউকে বা তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে অছিয়তকারী ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সকলকে না দিয়ে যদি একজনকে বা কোন তৃতীয় ব্যক্তিকে প্রদান করে থাকেন এবং অছিয়তকারীর মৃত্যুর পর যদি তাহার উত্তরাধিকারীগণ দাবী উত্থাপন করেন তাহলে যাকে সম্পত্তি অছিয়ত করা হলো সেই ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে এবং অবশিষ্ট দুই তৃতীয়াংশের মালিক উত্তরাধিকারী দের মধ্যে সকলেই হবেন।

৮) উইল দলিল
হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক তাদের নিজস্ব সম্পত্তি তাদের আত্মীয়দের মধ্যে যাকে ইচ্ছা উইল করে দিতে পারেন। যিনি উইল করলেন তিনি জীবিত কালে একের অধিক উইল করতে পারেন। কিন্তু সর্বশেষ যে উইল করলেন কেবল ঐটাই কার্যকরী হবে।

৯) নাদাবী দলিল
কোন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট কোন সম্পত্তিতে তার স্বত্ত্বাধিকার নাই মর্মে অথবা স্বত্ত্বাধিকার ত্যাগ করছেন মর্মে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করে দিতে পারেন। এরূপ দলিলকে নাদাবী দলিল বলে।

#দলিল #জমি

05/10/2022
07/04/2022

ইফতারের পর হার্ট এটাক বাড়ছে :
সতর্ক হতে হবে:
ইফতারের পর হাসপাতালে হার্ট অ্যাটাক নিয়ে ভর্তি হওয়ার হার অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি।অনেকে হার্ট এটাকের ব্যাথা কে ভুল করে এসিডিটির পেইন মনে করে এন্টাসিড বা ইনো খেয়ে আরো বেশী অসুস্থ হয়ে বা তীব্র বুকের ব্যাথা নিয়ে রমজান মাসে সন্ধ্যা বেলা ইফতারির পর চিকিৎসক এর চেম্বারে বা হসপিটালের ইমারজেন্সী বিভাগে চলে আসেন। ইসিজি করার পর প্রতীয়মান হয় যে উনার হার্ট এটাক হয়েছে এবং ততক্ষণে জটিলতা বেড়ে যায়।

যেকোনো ভারী খাবার দাবারের পর হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। প্রচুর খাবার একসাথে গেলে সেগুলোকে সামাল দেয়ার জন্য পাকস্থলীকে তার কাজ অনেক বেশি বাড়িয়ে দিতে হয়। বেশি কাজ মানেই বেশি শক্তি। এই অতিরিক্ত শক্তির জন্য তার রক্তও দরকার হয় বেশি। কিন্তু এই রক্ত সে পাবে কই?
পাকস্থলীর মোটামোটি কাছের প্রতিবেশী যেহেতু হার্ট, তখন হার্টকে স্যাক্রিফায়েস করতে হয় বেশ খানিকটা রক্ত। আর ঠিক তখনই ঘটে যেতে পারে দুর্ঘটনা।

রোজায় সারাদিন না খেয়ে আমরা স্বাভাবিকভাবেই বেশ ক্ষুধার্ত থাকি। ব্রেইন বারবার সিগনাল পাঠাতে থাকে - খাবার দাও, খাবার দাও।
টেবিলে সাজানো সুস্বাদু সব খাবার আর ব্রেইনের সিগনালের ফাঁদে আমরা খুব সহজেই ধরা পড়ে যাই। গোগ্রাসে প্রচুর খাবার গিলতে থাকি।
তারপর আমাদের অজান্তেই শরীরের মধ্যে চলতে থাকে আন্তঃপ্রতিবেশী রক্ত আদান-প্রদান। কখনো কখনো হজম প্রক্রিয়াকে তরান্বিত করতে শরীরের বিভিন্ন অর্গান বা অংগ থেকে পাকস্থলী বা স্টম্যাক এর দিকে রক্তের ডাইভারসন হয়, এর মাঝে হৃদপিন্ড বা হার্ট অন্যতম যেখানে রক্ত চলাচলে স্বল্পতা ঘটে।ফলশ্রুতিতে ভারী খাবার দাবারের ২ ঘন্টার মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বেড়ে যায় প্রায় চারগুণ।

তাই, ইফতারে খাবার কম খান। দরকার হলে অল্প অল্প করে ২/৩ বারে খান।
নিজের স্বজনদের খাবারের দিকেও খেয়াল রাখুন।

Collected

https://lm.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Fmohona24.com%2F%3Fp%3D202885&h=AT2jghcCbewS-j6c1_Xt2Be1OtHWC9e8MDm8VUhgXn_...
09/12/2021

https://lm.facebook.com/l.php?u=https%3A%2F%2Fmohona24.com%2F%3Fp%3D202885&h=AT2jghcCbewS-j6c1_Xt2Be1OtHWC9e8MDm8VUhgXn_ywjkkOzWkBgdnbZ3SMdgpgV5wKp651VtZdYVTvDUG_-135aBcoub66coATX3dNEm-S6SB6v2OQRujfj3AfEEsbinY

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্বিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদকে পি;টি;য়ে হ;;ত্যা মামলায় ২০ জনকে মৃ;;ত্যুদ;ণ্ড ও ৫ জ...

21/11/2021

জমি ক্রয়ের নিয়মাবলীঃ

জমি ক্রয়ের নিয়মাবলী সম্পর্কে জানার আগে আপনাকে দলিল, খতিয়ান, সি এস খতিয়ান, আর এস খতিয়ান , বি এস খতিয়ান, খানাপুরি, নামজারি, পর্চা, তফসিল, চিটা, খাজনা, দাখিলা, ডিসিআর, পয়স্তি, সিকস্তি, ফারায়েজ, ওয়ারিশ, দখলনামা, বায়নামাসহ আরো যে সকল বিষয়গুলো জানা দরকার তা নিচে নিম্নে দেওয়া হলোঃ-

দলিল:

লিখিত বিবরণ যা আইনত সাক্ষ্য প্রমাণ হিসেবে আদালতে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা হয়।

খতিয়ানঃ-

গ্রাম বা মৌজা ভিত্তিতে জমির মালিকদের যাবতীয় ভূ-সম্পত্তির বিবরণ, তথ্য ও উপাত্ত জরিপ করে জমির যেই রেকর্ড তৈরি করা হয় তাকে ‘খতিয়ান’বলা হয় । খতিয়ানে কালেক্টারের নাম, দখলদারের নাম, জমির দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ, জমির ধরণ ও ট্যাক্সের হার ইত্যাদি তথ্য লিপিবদ্ধ করা হয়। আমাদের দেশে অনেক রকম খতিয়ান রয়েছে। এর মধ্যে প্রচলিত খতিয়ানগুলো হলো, সিএস খতিয়ান, এস এ খতিয়ান ও আরএস খতিয়ান।

সি এস খতিয়ানঃ-

জমি পরিমাপের জন্য ১৯১০সাল থেকে ১৯২০ সালের ভেতর সরকারী কর্মকর্তা বা আমিনরা দেশের প্রতিটি জমি/ভূ-খন্ড পরিমাপ করেন। সেই জরিপের তথ্যের ভিত্তিতে ভু-খন্ডগুলোর আয়তন, ভৌগলিক অবস্থান ও ব্যবহারের ধরণ ইত্যাদি জানার জন্য তারা মৌজার নকশা, প্রত্যেকটি জমির মালিক বা দখলদারের বিবরণসহ ঐ আমলে যে খতিয়ান তৈরি করেন তাহাকেই সিএস খতিয়ান হিসেবে অভিহিত করা হয়।

এস এ খতিয়ানঃ-

জমি পরিমাপের জন্য ১৯৫০ সালে জমিদারি মাইগ্রেশন ও প্রজাস্বত্ব আইন পাস হওয়ার পর সরকার জমিদারি অধিগ্রহণ করে নেন এবং সরকারি জরিপ কর্মচারীরা মাঠে না গিয়ে সরোজমিনে সি এস খতিয়ানটি সংশোধন করেন । মূলত নতুন এই খতিয়ানটিকে এস এ খতিয়ান নামে অভিহিত করা হয়।এই খতিয়ানটিকে সর্বপ্রথম বাংলা ১৩৬২ সনে প্রস্তুত করা হয়। তখন থেকে এই খতিয়ানটি ৬২’র খতিয়ান নামেও পরিচিত।

আর এস খতিয়ানঃ-

আগের জমি পরিমাপের জরিপে উল্লেখিত ভুল ত্রুটি সংশোধনের জন্য আবার একটি জরিপ করা হয়, যেটি আর এস খতিয়ান নামে পরিচিত। আমরা উপরেই জেনেছি এস এ জরিপের ভিত্তিতে খতিয়ান তৈরি করার সময় সরকারী কর্মচারীরা জমিগুলো পরিদর্শন করেনি এবং সরোজমিনে তদন্তের অনেক ভুল রয়েছে।

সেজন্য পুনরায় জরিপের মাধ্যমে নতুন খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়। সারা দেশে এই জরিপ এখনও সমাপ্ত করা হয় নি, কিন্তু অনেক জেলায় নিজস্ব আর এস খতিয়ান চূড়ান্ত ভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা নিজেরাই মাঠে গিয়ে জমিগুলো পরিমাপ করে এই খতিয়ান প্রস্তুত করেন। বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় খতিয়ানটি বি এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।

বি এস খতিয়ান:

জমি পরিমাপের জরিপে উল্লেখিত সর্ব শেষ জরিপটি ১৯৯০ সালে পরিচালনা করা হয়। রাজধানী ঢাকায় এই জরিপটি ঢাকা মহানগর জরিপ নামেও পরিচিত।

খানাপুরিঃ-

খানাপুরি মূলত খতিয়ান প্রস্তুত করার সময় ভূমি জরিপ ও তদন্ত করার পর মৌজার নকশা প্রস্তুতি এর জন্য খতিয়ান ফরমের কলামের তথ্য পূরণকে খানাপুরি বলা হয়।

নামজারি:

নামজারি মূলত কোন ব্যক্তি ক্রয়সূত্রে বা উত্তরাধিকার সূত্রে, বা যেকোন ধরণের সূত্রে হোক কোন জমির নতুন মালিক হন, তাহলে সে মালিকের নাম সরকারি খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে নামজারি বলা হয় ।

পর্চা:

একটি চূড়ান্ত খতিয়ান প্রস্তুত করার আগে অবশ্যই উক্ত জমির মালিকের কাছে খসড়া খতিয়ানের কপি জমি মালিকদের দেয়া হয়ে থাকে তাকে মাঠ পর্চা বলা হয়। মাঠ পর্চাটি রেভিনিউ বা রাজস্ব অফিসারের দ্বারা সত্যায়িত করানোর পর যদি কারো আপত্তি থাকে তাহলে তা শুনানির পর আবার চূড়ান্ত ভাবে প্রকাশিত হয়। আর এই চূড়ান্ত খতিয়ানের কপি কে পর্চা বলা হয়।

তফসিল:

তফসিলে মৌজার নাম, খতিয়ানের নাম্বার, দাগ নম্বর, জমির চৌহদ্দি, জমির পরিমাণ সহ আরো নানা রকম তথ্য উল্লেখ থাকে।এক কথায় জমির সামগ্রিক পরিচয় বহন করে এমন বিবরণকে তফসিল বলা হয়।

চিটা:

জমির পরিমাণ, ধরণ ইত্যাদির পূর্ণ বিবরণকে চিটা বলা হয়।সম্পত্তি বাটোয়ারা বা ভাগের মামলায় প্রাথমিক ডিক্রীকে চূড়ান্ত ডিক্রীতে পরিণত করার পূর্বে অ্যাডভোকেট কমিশনার সম্পত্তি বাটোয়ারার সকল পক্ষদের জমি সরেজমিনে পরিমাপ করার পরেই পরামর্শ দেন।অ্যাডভোকেট কমিশনার জমিটির যে খসড়া ম্যাপ তৈরি করেন তাকে চিটা বা চিটা দাগ বলা হয়।

খাজনাঃ-

জমি ব্যবহারের জন্য সরকার বার্ষিক ভাবে দখলদারের কাছ থেকে যে কর আদায় করে তাকে জমির খাজনা বলা হয়।

দাখিলাঃ-

(ফর্ম নাম্বার- ১০৭৭) তে সরকার বা সম্পত্তির মালিককে জমির খাজনা দেয়া সময় একটি নির্দিষ্ট ফর্ম বা রসিদ প্রদান করতে হয় । এই ফর্মটিকে দাখিলা বা খাজনার রসিদ বলা হয়।

ডিসিআরঃ-

জমি/ ভূমির কর ব্যতীত অন্যান্য সরকারী পাওনা আদায় করার পর নির্ধারিত রসিদ/(ফর্ম নাম্বার ২২২) দেয়া হয় তাকে ডিসিআর বলা হয়।

পয়স্তিঃ-

নদী গর্ভ থেকে পলিমাটির স্তর জমে যে নতুন জমির সৃষ্টি হয় তাকে পয়ন্তি বলা হয়।

সিকস্তিঃ-

নদী ভাঙ্গনের ফলে বিশেষ জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায় তাহলে তাকে সিকস্তি বলা হয় এবং সেই সিকস্তি জমি যদি পরবর্তী ৩০ বছরের মধ্যে পূনরায় আগের অবস্থানে ফিরে আসে তাহলে জমিটি সিকন্তি হওয়ার সময় যে মালিক ছিলেন তিনি অথবা তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে হতে জমিটির মালিকানা পাবেন।

ফারায়েজঃ-

ইসলামী বিধান অনুযায়ী মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়মকে ফারায়েজ বলা হয়।

ওয়ারিশঃ-

ওয়ারিশ শব্দটির অর্থ হচ্ছে উত্তরাধিকারী। ধর্মীয় বিধান অনুযায়ী কোন ব্যক্তি উইল না করে মারা গেলে তার স্ত্রী, সন্তান কিংবা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে থেকে এক বা একাধিক ব্যক্তি তার রেখে যাওয়া সম্পত্তির মালিক হবেন।সে সকল ব্যক্তিবর্গকে মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশ বলা হয়।

দখলনামাঃ-

দখলনামা হচ্ছে দখল বা মালিকানা পরিবর্তন ও হস্তান্তরের সনদপত্র বা সারটিফিকেট প্রদান করা। ক্রেতা একটি সম্পত্তি নিলামে ক্রয় করার পর সরকার পক্ষ ক্রেতাকে তার সম্পত্তিটির দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর একটি সার্টিফিকেট প্রদান করে সেই সার্টিফিকেটটিকেই দখলনামা বলা হয়।

বায়নামাঃ-

১৯০৮ সালের দেওয়ানি আইনের কার্যবিধির ২১ নং আদেশের ৯৪ নম্বর নিয়ম অনুসারে কোন স্থায়ী সম্পত্তি নিলামে চূড়ান্ত বিক্রি ঘোষিত হলে আদালত ক্রেতাকে একটি সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে।এতে নিলামকৃত জমি সংক্রান্ত সব রকম বিস্তারিত তথ্য দেয়া থাকে।এই সার্টিফিকেট বা সনদকে বায়নামা বলা হয় ।

জমি ক্রয়ের নিয়মাবলী মধ্যে আর ও কিছু করনীয় কাজঃ-

জমি কেনার আগে বিশেষ করে জমি বিক্রেতার মালিকানা এবং জমির বিভিন্ন দলিল ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। বিস্তারিত নিচে ক্রমান্বয়ে দেওয়া হলোঃ-

(১)জমি কেনার আগে অবশ্যই জমির মালিকানা যাচাই করতে হবে।
(২) ২০০৫ সাল থেকে জমি বিক্রয় দলিল সম্পাদন করার নতুন নিয়ম চালু হয়েছে যেটি উল্লেখ বরা হয়েছে জমির পূর্ববর্তী ন্যূনতম ২৫ বছরের মালিকানার ধারাবাহিক বিবরণ আছে কিনা তা উল্লেখ করতে হবে।
(৩) জমির মালিক অ্যাটর্নি নিয়োগ করেছে কি না জানতে হবে।
(৪) একজনের নামের জমি অন্য একজন ভুয়া দলিল দেখিয়ে বিক্রি করছে কি না জানতে হবে।
(৫) প্রস্তাবিত জমিটির সর্বশেষ রেকর্ডে বিক্রয়কারীর নাম উল্লেখ আছে কি না জানতে হবে।
(৬) সিএস, আরএসসহ অন্যান্য খতিয়ানের সাথে মিল আছে কিনা জানতে হবে।
(৭) ।প্রস্তাবিত জমিটি বিক্রয়কারীর দখলে আছে কিনা জানতে হবে।
(৮) সরোজমিনে নকশার সঙ্গে জমিটির বাস্তব মিল আছে কিনা দেখতে হবে।
(৯) জমির মালিক উত্তরাধিকারসূত্রে মালিক নাকি ক্রয়সূত্রে মালিক তা জানতে হবে ।
(১০) জমিটি সরকারি সংস্থা অধিগ্রহণ করেছে কি না জানতে হবে।
(১১) জমিটি নামজারি করা হয়েছে কি না দেখতে হবে।
(১২) জমিটি অর্পিত সম্পত্তি কি না তা জানতে হবে।
(১৩) ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা আছ কি না জানতে হবে।
(১৪) ভূমির কর না দেওয়ার কারণে কোনো সার্টিফিকেট মামলা আছে কি না জানতে হবে।
(১৫) জমিটির ওপর কোন মামলা আছে কি না জানতে হবে।
(১৬) জমির দলিল সঠিক আছে কি না দেখতে হবে।
(১৭) বিক্রেতার কাছ থেকে বিশেষ করে ভায়া দলিল নিতে হবে।
(১৮) সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে খোজ নিয়ে দেখতে হবে দলিলের ক্রমিক নম্বর, দলিল নম্বর ঠিক আছে কি না।
(১৯) ভালো করে দেখতে হবে দলিলের তারিখ, কাগজ, সিল ইত্যাদিতে কোন ভুল আছে কিনা ।
(২০) দান করা জমি হলে দলিল সম্পাদনের তারিখ দেখে কবে জমিতে গ্রহীতা দখলে গেছে তা যাচাই করতে হবে।
(২১) সম্পন্ন হওয়া বিক্রীত দলিলের দলিল লেখকের নাম ঠিকানা জেনে সরেজমিন কথা বলে নেওয়া দরকার।
(২২) পুরাতন দলিল ও নতুন দলিল যেমন (১) শিরোনাম (২) সাফ কবলা (৩) বায়না পত্র ইত্যাদি দেখতে হবে৷
(২৩) দলিল সম্পাদনকারী তথা জমি দাতা (বিক্রেতা) আইনের দৃষ্টিতে সাবালক ও সুস্থ মস্তিষ্কে সম্পন্ন কিনা তা যাচাই করে নিতে হবে৷
(২৪) স্বত্ত্বের বর্ণনা: জমি দাতার মালিকানার ভিত্তি, দলিল মূলে হলে পূর্বের দলিলের নম্বর ও তারিখ পর্চা/খতিয়ান ইত্যাদি৷
(২৫) দলিলে প্রস্তাবিত জমির তফশিল যেমন জেলার নাম, উপজেলার নাম, রেজিস্ট্রি অফিসের নাম, মৌজার নাম, দাগ নং খতিয়ান নম্বর জমিটি কোন শ্রেণীর যেমন ভিটা, নাকি দলা, নাকি ডাঙ্গা নাকি জলাভূমিতে তা দেখতে হবে৷
(২৬) জমিটির চৌহদ্দি ঠিক আছে কিনা উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম পাশের জমির বর্ণনা সহ মালিকের নাম উল্লেখ করতে হবে৷

পরিশেষে বলা যায় যে জমি ক্রয়ের আগে আপনাকে দলিল, খতিয়ান, সি এস খতিয়ান, আর এস খতিয়ান , বি এস খতিয়ান, খানাপুরি, নামজারি, পর্চা, তফসিল, চিটা, খাজনা, দাখিলা, ডিসিআর, পয়স্তি, সিকস্তি, ফারায়েজ, ওয়ারিশ, দখলনামা, বায়নামাসহ আরো অনেক বিষয় সম্পর্কে জানা দরকার এতে করে একজন ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয় উপকৃত হবেন এবং একজন ক্রেতা প্রতারণার হাত থেকে মুক্তি পাবেন।

https://youtu.be/PPjkJVMRbTo
14/11/2021

https://youtu.be/PPjkJVMRbTo

জীবন কারো জন্য থেমে থাকে না। জীবন জীবনের গতিতে চলতে থাকে আর আমাদেরকে তাই সময়ের প্রয়োজনে তা চালিয়ে নিতে হয়। তেমনি স...

http://lawyersclubbangladesh.com/2021/10/12/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0...
12/10/2021

http://lawyersclubbangladesh.com/2021/10/12/%e0%a6%b9%e0%a6%bf%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%81-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%a7%e0%a6%ac%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%81/

হিন্দু বিধবা নারীরা শুধু বসতভিটা নয়, স্বামীর সব সম্পত্তিতে ভাগ পাবেন; এমন রায় প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। এক্ষেত্রে .....

Address

Pabna

Telephone

+8801611286743

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Practicing as Lawyer in the Judge Court of Pabna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share