02/01/2026
ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫-এ ধার্য প্রধান শাস্তি ও জরিমানাগুলো সংক্ষেপে দেয়া হলো (বাংলাদেশের এই নতুন অধ্যাদেশের খবরের ভিত্তিতে): 
🧑⚖️ প্রধান শাস্তি / জরিমানা (সংক্ষেপ)
1. পাবলিক প্লেসে ধূমপান / তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার
— এখন সর্বোচ্চ ৳২,০০০ পর্যন্ত জরিমানা (আগে ছিল মাত্র ৳৩০০)। 
2. ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষেধ সর্বত্র
— পাবলিক পরিবহন ও সকল জনসমাগম স্থানে ধূমপান/তামাক সেবন নিষিদ্ধ। 
3. তামাক পণ্যের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা ও প্রদর্শন
— সকল মাধ্যমে (প্রিন্ট, টিভি, ই-মিডিয়া, সোশ্যাল মিডিয়া) সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ — লঙ্ঘন হলে জরিমানাসহ আইনি ব্যবস্থা। 
4. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও শিশু পার্ক সংলগ্ন বিক্রয়
— কোন ব্যক্তি বা ব্যবসায়ী ১০০ মিটার এর মধ্যে তামাক পণ্য বিক্রি করতে পারবে না; ব্যর্থ হলে ৳৫,০০০ জরিমানা।
— দ্বিতীয় বা পুনরাবৃত্তি ক্ষেত্রে জরিমানার পরিমাণ ডাবল হতে পারে। 
5. ই-সিগারেট/ভেপ/নতুন তামাকজাত পণ্য ব্যবহার
— এগুলোর ব্যবহারের ওপরও জরিমানা ধার্য করা হয়েছে (কিছু ক্ষেত্রে ৳৫,০০০ পর্যন্ত)। 
6. উৎপাদন/আমদানি/ব্যবসা
— ই-সিগারেট, ভেপ, হিটেড তামাক, নিকোটিন পাউচ ইত্যাদি পণ্যে উৎপাদন, আমদানি, বিক্রি, ব্যবহার অপরাধ হিসাবে ঘোষণা —
— দণ্ড: **সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ফাইন সর্বোচ্চ ৳৫,০০,০০০, বা উভয়ই। 
7. লিয়েন্স বাতিল ও মালামাল জব্দ
— কোম্পানি/ব্যবসায়ী যদি বরাদ্দ বিধান ভাঙে, তাহলে লাইসেন্স বাতিল এবং মালামাল জব্দ করার বিধানও যোগ করা হয়েছে।