Legal Consultancy & Aid Center-আইনি পরামর্শ ও সহায়তা কেন্দ্র

  • Home
  • Bangladesh
  • Mymensingh
  • Legal Consultancy & Aid Center-আইনি পরামর্শ ও সহায়তা কেন্দ্র

Legal Consultancy & Aid Center-আইনি পরামর্শ ও সহায়তা কেন্দ্র জমি-জমা, ক্রিমিনাল মামলা সহ যেকোন আইনি পরামর্শের জন্য আমাদের ইনবক্স/কল করুন।
017 10-47 93 90||01784-43 49 45

তালাক : আইনগত ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণে একটি বিস্তারিত ব্যাখ্যা১. তালাক মূলত স্বামীর একপাক্ষিক (Unilateral) অধিকার: ইসলামী শরী...
29/11/2025

তালাক : আইনগত ও ধর্মীয় দৃষ্টিকোণে একটি বিস্তারিত ব্যাখ্যা

১. তালাক মূলত স্বামীর একপাক্ষিক (Unilateral) অধিকার: ইসলামী শরীয়ত ও বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইনে তালাক সাধারণভাবে স্বামীর একতরফা ঘোষণা।
অর্থাৎ-স্বামী নিজ উদ্যোগে, স্ত্রীর সম্মতি ছাড়াই, নির্দিষ্ট নোটিশ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তালাক দিতে পারেন। এ কারণে তালাককে বলা হয়: One-sided right of the husband(খোলা তালাক ব্যতীত অন্য ক্ষেত্রে)।

২. তালাকের ধরন (Types of Divorce)
বাংলাদেশে কার্যকর তালাকের প্রধান তিনটি রূপ আছে—
(ক) তালাক (Talak)
•স্বামীর একতরফা তালাক।
(খ) খোলা/খুলা (Khula)
•স্ত্রী স্বামীর নিকট বিচ্ছেদ প্রার্থনা করেন।
•স্বামী সম্মতি দিলে বা আদালত বিচার করে মঞ্জুর করলে খোলা কার্যকর হয়।
✓এটি স্ত্রী স্বতঃসিদ্ধ অধিকার নয়; অনুমতি প্রয়োজন।
(গ) তালাক-এ-তাওফিজ / Delegated Divorce (খোলা তালাক)
স্বামী কাবিনের সময় বা পরে লিখিতভাবে স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা অর্পণ করলে,
স্ত্রী স্বামীর মতোই নিজে থেকেই তালাক দিতে পারেন। এটিই "খোলা তালাক" নামে পরিচিত।

৩. তালাকের প্রক্রিয়া (Legal Process of Talak):
তালাক দিতে চাইলে তাঁকে যা করতে হবে
ধাপ–১: তালাকের লিখিত নোটিশ দেওয়া
স্বামীকে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ/পৌরসভা/সিটি করপোরেশনের চেয়ারম্যান/মেয়র বরাবর তালাকের লিখিত নোটিশ পাঠাতে হয়।
একই নোটিশের কপি স্ত্রীকেও পাঠাতে হবে।

ধাপ–২: সালিশ (Arbitration) প্রক্রিয়া
চেয়ারম্যান ৩০ দিনের মধ্যে সালিশ গঠন করবেন।এ সময় দম্পতিকে মিল-মিশের চেষ্টা করা হয়।(এটা আমাদের দেশে বাস্তবিক প্রয়োগ নাই বললেই চলে)

ধাপ–৩: ৯০ দিনের অপেক্ষা (Iddat + Notice period): নোটিশের দিন থেকে ৯০ দিন বা স্ত্রীর এড্ডত শেষ হওয়া—যেটি পরে ঘটে, তালাক তখনই কার্যকর হবে।
এই ৯০ দিনের মধ্যে স্বামী তালাক ফিরিয়ে নিতে চাইলে, সেটাও সম্ভব।

৪. খোলা/খুলা (Khula) – স্ত্রী উদ্যোগ নিলে স্ত্রী খোলা চাইতে পারেন—
স্বামীর নিকট আবেদন করে স্বামীর সম্মতিতে বা স্বামী অস্বীকার করলে আদালতে গিয়ে। তবে খুলা কখনোই স্বয়ংক্রিয় নয়।
এটি স্বামী সম্মতিতে অথবা আদালতের আদেশের মাধ্যমে কার্যকর হয়। এ কারণে খোলা তালাক একতরফা নয়, বরং অনুমতিনির্ভর।

৫. Delegated Divorce বা খোলা তালাক (Talak-e-Tawfeez):-
এটি হলো তালাক বিষয়ক সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম। কাবিননামার ১৮ নং কলাম এই কলামে প্রশ্ন থাকে—
➡️ স্ত্রীকে কি তালাক দেওয়ার ক্ষমতা অর্পণ করা হয়েছে?
যদি “হ্যাঁ” লেখা থাকে — স্ত্রীও একপাক্ষিকভাবে তালাক দিতে পারবেন।
তিনি নিজেই নোটিশ দিয়ে স্বামীকে তালাক দিতে পারেন।
যদি “না” লেখা থাকে — স্ত্রী এ ক্ষমতা পাবেন না।

৬. Delegated Divorce কার্যকর করার নিয়ম-
যদি স্ত্রী তালাকের ক্ষমতা পেয়ে থাকেন-
1. চেয়ারম্যান/মেয়র বরাবর তালাকের নোটিশ পাঠাবেন
2. স্বামীকে নোটিশ দেবেন
3. একই ৯০ দিনের প্রক্রিয়া অনুসরণ করবেন
অর্থাৎ প্রক্রিয়াটি স্বামী কর্তৃক তালাকের প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

সারসংক্ষেপ

•তালাক = স্বামীর একতরফা অধিকার
•খোলা/খুলা = স্ত্রীর অনুরোধে, স্বামীর সম্মতি বা আদালতের আদেশে
•Delegated Divorce / তালাক-এ-তাওফিজ (কাবিননামা ১৮ নং কলাম)
– স্ত্রীকে ক্ষমতা দেওয়া থাকলে
– স্ত্রীও নিজের উদ্যোগে তালাক দিতে পারেন
এটিই তালাক আইনের মূল কাঠামো।

✍️
হাবিবুল্লাহ বেলালি(মারুফ)
অ্যাডভোকেট
জজকোর্ট, ময়মনসিংহ
ফোন: 01710-479390

নতুন সংশোধনীতে দ্রুত সময়ে মামলা নিষ্পত্তিতে এখন কোন বাধা রইলো না।Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025.
08/05/2025

নতুন সংশোধনীতে দ্রুত সময়ে মামলা নিষ্পত্তিতে এখন কোন বাধা রইলো না।
Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025.

26/12/2024

জেনে নিন জমির দলিলে সংক্ষিপ্ত শব্দের পূর্ণরূপ।

১. এওয়াজ = বিনিময়।
২. এজমালি = যৌথ মালিকানা।
৩. কিঃ = কিস্তি।
৪. কিত্তা/কাতে = জমির অংশ।
৫. খারিজ = বাতিল।
৬. গং = সকল।
৭. চৌঃ = চারদিকের সীমানা।
৮. ছানি = পুনঃবিবেচনার জন্য প্রার্থনা।
৯. ছোলেনামা = আপোষ
১০. জঃ = জমা।
১১. জং = স্বামী।
১২. জোতদার = জমির মালিক।
১৩. জোত = জমিদারের অধীনে প্রজার স্বত্ববিশিষ্ট জমি।
১৪. তসদিক = সত্যায়ন।
১৫. তোক = ভাগ।
১৬. তৌজি = প্রাপ্য খাজনার বিবরণপত্র।
১৭. দং = দল।
১৮. নিম/নিপসি = অর্ধেক।
১৯. নোনাবাড়ি = বসতবাড়ি।
২০. পিং = পিতা।
২১. বিতং = বিস্তারিত।
২২. মং = একত্রে।
২৩. মোং = মোকাম
২৪. মৌরাশি = পুরুষানুক্রমে কোন ভূমি ভোগ দখল করা।
২৫. রায়ত = দখলি প্রজা।
২৬. লায়েক = উপযুক্ত।
২৭. সাং = ঠিকানা।
২৮. হেবা = দান। [সংকলিত]
২৯. হেবা বিল এওয়াজ = কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।
৩০. বাটা দাগ = কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।
৩১. অধুনা = বর্তমান।
৩২. রোক = নগদ।
৩৩. ভায়া = বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।
৩৪. দান সূত্র = কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।
৩৫. দাখিল খারিজ = কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।
৩৬. তফসিল = তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।
৩৭. খারিজ = যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।
৩৮. খতিয়ান = প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।
৩৯. এওয়াজ সূত্র = সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।
৪০. অছিয়তনামা = যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকেঅছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।
৪১. তফসিল = বিক্রিত জমির তালিকা।
৪২. নামজারী = অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।
৪৩. অধীনস্থ স্বত্ত্ব = উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।
৪৪. টেক = নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।
৪৫. টাভার্স = ঘের জরিপ।
৪৬. ঠিকা রায়ত = নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।
৪৭. ঢোল সহরত = কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।
৪৮. তামিল = আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।
৪৯. তামাদি = খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।
৫০.তুদাবন্দী=সীমানানির্দেশ।
৫১. তহশিল = খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।
৫২. তলবানা = সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।
৫৩. তলববাকী = বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।
৫৪. তালুক = নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।
৫৫. তরমিম = শুদ্ধকরণ।
৫৬. তরতিব = শৃংখলা।
৫৭. তৌজি = ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার জোতকেও তৌজি বলা হয়।
৫৮. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
৫৯. দর পত্তনী = পত্তনীর অধীন। দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট
৬০. প্রজা = দখলদার হিসেবে যে প্রজার স্বত্ত্ব আছে।
৬১. দশসালা বন্দোবস্ত = দশ বৎসরের মেয়াদে বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।
৬২. দিয়ারা = পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।
৬৩. দাগ নম্বর = মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর বলে।
৬৪. দরবস্ত = সমুদয়।
৬৫. ইন্তেহার = ঘোষণাপত্র।
৬৬. এস্টেট = ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে
জমিদারী বা এস্টেট বলে।
৬৭. ওয়াকফ = ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।
৬৮. কিত্তা = চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে এক একটি কিত্তা বা পট বলে।
৬৯. কিস্তোয়ার জরিপ = গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার।
৭০. কিস্তি = নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।
৭১. কায়েম স্বত্ত্ব = চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।
৭২. কবুলিয়ত = মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।
৭৩. কটকোবালা = সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয় তাহাকে কটকোবালা বল।
৭৪. কান্দা = উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও কান্দা বলে।
৭৫. কিসমত = মৌজার অংশকে কিসমত বলে।
৭৬. কোলা ভূমি = বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা ভূমি বলে।
৭৭. কোল = নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে তাহাকে কোল বলে।
৭৮. খানাপুরী = প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।
৭৯. খামার = ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার, খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।
৮১. খাইখন্দক = ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।
৮২. খিরাজ = কর, খাজনা।
৮৩. খানে খোদা = মসজিদ।
৮৪. খসড়া = জমির মোটামুটি বর্ণনা।
৮৫. গর বন্দোবস্তি = যে জমির কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নাই।
৮৬. গরলায়েক পতিত = খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত বলে।
৮৭. গির্বি = বন্ধক।
৮৮. চক = থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক বলে।
৮৯. জমা বন্দী = খাজনার তালিকা।
৯০. চাকরাণ = জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি
দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।
৯১. চাঁদা = জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা বলে।
৯২. চটান = বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে চটান বলে।
৯৩. চালা = উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)
৯৪. চর = পলিমাটি গঠিত ভূমি।
৯৫. জবর-দখল = জোরপূর্বক দখল।
৯৬. জমা = এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।
৯৭. জোত = এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।
৯৮. জজিরা = নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয় তাহাকে জজিরা বলে।
৯৯. জায়সুদী = হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়, যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।
১০০. জালি = এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে জন্মে।
১০১. আলামত – ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর, মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে। আমলনামা- কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে আমনামা বলে।
১০২. আসলি = মূল ভূমি। আধি = উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ বলে।
১০৩. ইজারা = ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।
১০৪. ইয়াদদন্ত = স্মারকলিপি।
১০৫. নথি = রেকর্ড।
১০৬. দেবোত্তর = দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।
১০৭. দেবিচর = যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।
১০৮. দিঘলি = নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী একপ্রকার প্রজা।
১০৯. নক্সা ভাওড়ন = পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।
১১০. নামজারী = ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী বলে। নাম খারিজ বা জমা খারিজ = ১৬ আনা জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬ আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জাম খারিজ বলে।
১১১. হেবা বিল এওয়াজ = কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।
১১২. বাটা দাগ = কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।
১১৩. অধুনা = বর্তমান।
১১৪. রোক = নগদ।
১১৫. ভায়া = বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।
১১৬. দান সূত্র = কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।
১১৭. দাখিল খারিজ = কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।
১১৮. তফসিল = তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।
১১৯. খারিজ = যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।
১২০. খতিয়ান = প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে। জরিপ = সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই সার্ভে করা হইয়া থাকে।
১২১. তফসিল = বিক্রিত জমির তালিকা।
১২২. নামজারী = অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।
১২৩. অধীনস্থ স্বত্ত্ব = উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।
১২৪. টেক = নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।
১২৫. টাভার্স = ঘের জরিপ।
১২৬. ঠিকা রায়ত = নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।
১২৭. ঢোল সহরত = কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।
১২৮. তামিল = আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।
১২৯. তামাদি = খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।
১৩০.তুদাবন্দী=সীমানানির্দেশ।
১৩১. তহশিল = খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।
১৩২. তলবানা = সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।
১৩৩. তলববাকী = বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।
১৩৪. তালুক = নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।
১৩৫.তরমিম = শুদ্ধকরণ।
১৩৬. তরতিব = শৃংখলা।

Collected..

16/12/2024
সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি।
04/12/2023

সবার অবগতির জন্য জানাচ্ছি।

02/11/2023

মৌখিক চুক্তি মাধ্যমে অনেকে partnership business শুরু করেন। শুরুতে ভাল সম্পর্ক থাকলেও একটা সময় আস্থাহীনতার সৃষ্টি হয়। ব্যবসার পরিধি বৃদ্ধি পায় সাথে সাথে মনোমালিন্য ও ভুল বুঝাবুঝি বৃদ্ধি পেতে থাকে। একটা সময় সেই প্রভাবটি পড়ে ব্যবসার উপরে।
তাই কোন partnership business শুরু করার আগে আপনাদের উচিত হবে -
✓ commercial law সম্পর্কে মোটামুটি ধারনা আছ এমন একজন আইনজীবীরর পরামর্শ নেওয়া।
✓ partnership deed তৈরী করা
✓ partnership deed নন-জুডিশিয়াল স্টাম্পে প্রিন্ট দিয়ে notarized করা।
✓ প্রয়োজন হলে নিবন্ধন করে নেওয়া

21/09/2023

প্রশ্ন-১
একজন জানতে চেয়েছেন, পিতার মৃত্যুর পর নাবালক সন্তানের সম্পত্তি মাতা বিক্রয় করতে পারবে কিনা?

পিতা একজন নাবালকের শরীর ও সম্পত্তির স্বাভাবিক অভিভাবক অর্থাৎ যে কোন আইনগত প্রয়োজনে আদালতের অনুমতি ব্যতিত নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে।

অন্যদিকে, মাতা সন্তানের স্বাভাবিক অভিভাবক (natural guardian) না। একজন মা স্বাভাবিকভাবে নাবালক সন্তানের সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারে না কিন্তু আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত হলে তিনিও আইনগত প্রয়োজনে নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবেন। এজন্য তাকে-

√ MFLO,1985(বর্তমানে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩) এর ৫ ধারা অনুযায়ী অভিভাবক নিযুক্তির জন্য মামলা দায়ের করতে হবে।
√ আদালত অভিভাবক সনদ ইস্যু করবে
√ তারপর নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয় করার জন্য পারমিশনের মামলা দায়ের করতে হবে।

যখন আদালত কর্তৃক পারমিশন পাবে তখন মাতা নাবালকের সম্পত্তি বিক্রয় করতে পারবে।

20/09/2023

ভরণপোষণ কি?
খাদ্য, বস্ত্র, অন্নসহ একজন মানুষ জীবন ধারণের যে জিনিস গুলো প্রয়োজন তাই ভরণপোষণ।
পিতা-মাতার ভরণপোষন আইনের ২খ অনুযায়ী ভরণপোষণ হলো খাওয়া-দাওয়া, বস্ত্র, চিকিৎসা ও বসবাসের সুবিধা এবং সঙ্গ প্রদান।

✓কে কার কাছে ভরণপোষন দাবী করতে পারে?
•স্ত্রী স্বামীর নিকট।
•সন্তান পিতার নিকট।
•পিতা-মাতা সন্তানের নিকট।
•দাদা-দাদী/নান-নানী নাতির নিকট।

✓কোথায় কার কাছে ভরণপোষনের দাবি উত্থাপন করা যাবে?
•চেয়ারম্যান/মেয়রের নিকট।
•পারিবারিক আদালতের নিকট।

✓স্ত্রী কখন ভরণপোষণ পাবে না-
১. স্ত্রী স্বামীর নিষেধাজ্ঞা সত্বেও যেখানে স্বামী অবস্থান করে সেখানে ভিন্ন অন্যত্র বসবাস করলে।
২. স্ত্রী বন্দিদশায় থাকলে। তবে স্বামী বন্দিদশায় থাকলে স্ত্রী ভরণপোষন হতে বঞ্চিত হবে না।
৩. স্ত্রী অন্যায়ভাবে অবাধ্য হয়ে স্বামীর অনুমতি ছাড়া অসংগত কারণে স্বামীর গৃহ ত্যাগ করলে।
৪. স্ত্রী ধর্মত্যাগ করলে
৫. স্ত্রীর অবাধ্যাচারণে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটলে।
৬. স্বামীর মৃত্যুজনিত কারণে ইদ্দত পালনরত থাকলে; তবে শর্ত হলো যে, বিধবা অন্তঃসত্তা হলে গর্ব খালাস না অবধি ভরণপোষণ পাবে।

(মিতা খান বনাম হেমায়েত বিবি, ১৪ ডিএলআর, হাইকোর্ট, পৃষ্ঠা-৪৫৫)।

তবে কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণে স্ত্রী আলাদা বসবাস করলে স্বামী ভরণপোষণ দিতে বাধ্য। (মোঃ ইব্রাহিম হোসেন সরকার বনাম মোসা. সোলেমান্নেসা (১৯৬৭, ১৯ ডি এল আর পৃষ্ঠা ৭৫১)। (সংগৃহীত)

02/09/2023

যৌতুক মামলা কি শুধুই নারীরা করতে পারে??

উত্তরঃ না। নারীদের পাশাপাশি পুরুষ ও করতে পারে।
যদি কোন তার স্বামীর স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে বেশি কিছু দাবি করেন এবং না দিলে সংসার করবে না বলে হুমকি দেন তাইলে স্বামীও স্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌতুক মামলা দায়ের করতে পারবেন।

•লিগ্যাল নোটিশ বা উকিল নোটিশ•লিগ্যাল নোটিশ বা উকিল নোটিশ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা1. লিগ্যাল নোটিশ বা উকিল নোটিশ কি?নোটি...
21/07/2023

•লিগ্যাল নোটিশ বা উকিল নোটিশ•

লিগ্যাল নোটিশ বা উকিল নোটিশ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা

1. লিগ্যাল নোটিশ বা উকিল নোটিশ কি?
নোটিশ অর্থ হলো এক ধরনের বিজ্ঞপ্তি যার মাধ্যমে কোন ঘটনা সম্পর্কে অন্যকে জ্ঞান বা ধারনা দেওয়া। অন্যের অবগতির জন্যও নোটিশ দেওয়া হয়।

লিগ্যাল নোটিশ বা উকিল নোটিশ হলো কোন সংস্থা বা ব্যাক্তিকে এমন কোন বিষয়ে আইনগত ভাবে আইনজীবীর মাধ্যমে অবহিত করা যা পালন না করলে নোটিশদাতা নোটিশ গ্রহিতার বিরূদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন মর্মে ঘোষনা দেন। এই রূপ লিগ্যাল নোটিশ মূলত কারো বিরূদ্ধে কোন আইন পদক্ষেপ গ্রহনের চুড়ান্ত সংকেত। এবং এর উদ্দেশ্য হলো নোটিশ গ্রহিতাকে নোটিশে উল্লিখিত বিষয় সম্পর্কে অবহিত করা।

2. লিগ্যাল নোটিশ কেন দিবেন?
কারো বিরূদ্ধে যে কোন ধরনের আইনগত পদক্ষেপ গ্রহনের পূর্বে তাকে নোটিশ দিয়ে একটি সুযোগ প্রদান করা । যাতে করে নোটিশ পেয়ে নোটিশদাতার দাবি পূরনে রাজি হয়ে যায়। তাহলে আর পরবর্তী কোন পদক্ষেপ নেয়ার প্রয়োজন হয়না। এছাড়াও লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করে নোটিশ দাতা আইনী সুবিধা পাওয়ার একটি বড় আত্নরক্ষামূলক ব্যবস্থা।

3. লিগ্যাল নোটিশ কখন দিবেন?
পারিবারিক বিষয়, জমিজমা থেকে শুরু করে যেকোনো বিষয়ে যেকোনো আইনি বিরোধ থাকলেই উকিল নোটিশ পাঠানো যায়। মূলত আর্থিক বা প্রশাসনিক বিষয়গুলোতে লিগ্যাল নোটিশ প্রদানের প্রয়োজনীয়তা বেশী হয়। তাই অর্থ সম্পত্তি বা ব্যবসায়িক বা প্রশাসনিক কোন অনিয়ম, অবহেলা বা অর্থ আদায় সংক্রান্ত কোন বিষয় হয়ে থাকে তাহলে যত দ্রুত সম্ভব লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করতে হবে।

4.নোটিশে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয় এবং অনুরোধ করা হয় উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিরোধের সমাধান করতে। নতুবা নোটিশ দাতা নোটিশ গ্রহীতার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা করবে মর্মে সতর্ক করে দেওয়া হয়।

5.কিভাবে লিগ্যাল নোটিশ দিবেন?
একজন আইনজীবীর মাধ্যমে প্রতিপক্ষের কাছে অভিযোগকারীর অভিযোগ তুলে ধরা হয় উকিল নোটিশের মাধ্যমে।
লিগ্যাল নোটিশ সাধারনত আইনজীবীর মাধ্যমে প্রদান করতে হয়। এছাড়াও প্রশাসনিক অনেক কর্মকর্তারও লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করতে পারেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সচেতন হোন।
11/07/2023

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সচেতন হোন।

Address

Shahid Syed Nazrul Islam Building, District And Sessions Judge Court
Mymensingh
2200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal Consultancy & Aid Center-আইনি পরামর্শ ও সহায়তা কেন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category