24/05/2026
- টাকা ধার দেওয়ার কোনো লিখিত ডকুমেন্ট বা চুক্তিপত্র না থাকলেও আইনিভাবে টাকা ফেরত পাওয়ার সুযোগ রয়েছে...
এক্ষেত্রে নিচের পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করতে পারেন:
১. প্রমাণ সংগ্রহ করুন: সরাসরি চুক্তিপত্র না থাকলেও বিকল্প প্রমাণগুলো গুছিয়ে নিন।
যেমন: ব্যাংকিং লেনদেন বা মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ/নগদ) এর স্টেটমেন্ট। টাকা লেনদেন বা পাওনা স্বীকার করার বিষয়ে কোনো মেসেজ (SMS/WhatsApp/Messenger)। টাকা দেওয়ার সময় উপস্থিত ছিলেন এমন কোনো সাক্ষীর সাক্ষ্য। টাকা চাওয়ার পর তিনি যদি কিছুটা সময় চেয়ে থাকেন, তবে সেই ফোনালাপের রেকর্ড।
২. লিগ্যাল নোটিশ পাঠান: একজন আইনজীবীর মাধ্যমে তাকে একটি লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। এতে টাকার পরিমাণ এবং পরিশোধের একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ করুন। অনেক সময় আইনি নোটিশ পাওয়ার পর দেনাদার টাকা ফেরত দিয়ে দেন।
৩. সালিশ বা স্থানীয় মিমাংসা: স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি বা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/মেম্বারের মাধ্যমে সালিশের আয়োজন করতে পারেন। সেখানে পাওনা স্বীকার করলে সেটি লিখিত আকারে রাখার চেষ্টা করুন।
৪. সিভিল স্যুট বা দেওয়ানি মামলা: যদি অন্য কোনো উপায়ে কাজ না হয়, তবে 'মানি রিকভারি স্যুট' (Money Recovery Suit) বা টাকা আদায়ের মামলা করা যায়। আপনার কাছে থাকা মেসেজ, সাক্ষী বা ব্যাংক স্টেটমেন্ট তখন আদালতে প্রমাণ হিসেবে গণ্য হবে।
৫. জিডি বা ফৌজদারি ব্যবস্থা: যদি দেনাদার টাকা নিয়ে অস্বীকার করেন বা প্রতারণা করেন, তবে থানায় জিডি বা আদালতে দণ্ডবিধির ৪০৬/৪২০ ধারায় প্রতারণার মামলা করার সুযোগ থাকে।
আইনিটিপস: ভবিষ্যতে যে কাউকেই টাকা ধার দেওয়ার সময় অন্তত একটি সাধারণ স্ট্যাম্প পেপারে সই বা একটি চেক সিকিউরিটি হিসেবে রাখার চেষ্টা করবেন।।
তানিয়া আক্তার রেশমী
অ্যাডভোকেট
জেলা ও দায়রা জজ আদালত , ময়মনসিংহ।।
Email- [email protected]