ময়মনসিংহ মেট্রোপলিটন ল ফার্ম আইনি পরামর্শ ০১৭১১৯২১৪১৬

  • Home
  • Bangladesh
  • Mymensingh
  • ময়মনসিংহ মেট্রোপলিটন ল ফার্ম আইনি পরামর্শ ০১৭১১৯২১৪১৬

ময়মনসিংহ মেট্রোপলিটন ল ফার্ম আইনি পরামর্শ ০১৭১১৯২১৪১৬ Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ময়মনসিংহ মেট্রোপলিটন ল ফার্ম আইনি পরামর্শ ০১৭১১৯২১৪১৬, Lawyer & Law Firm, আইনজীবি ভবন , ময়মনসিংহ নীচতল near lift, মোবাঃ ০১৭১১৯২১৪১৬, Mymensingh.

Advocate jahir uddin Akand
সিভিল ক্রিমিনাল ইনকামটেক্স মোবা 01711337019

কোর্ট ল চেম্বার
সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভবন নীচতলা
০১৭১১৯২১৪১৬

ময়মনসিংহ
১৬ পাদরি মিশন রোড আলিয়া মাদ্রাসা মোড় কৃষ্টপুর ময়মনসিংহ ০১৭১১৯২১৪১৬

26/02/2026

Nandail Mymensing law chamber Adv.Jahir akand 01711921416

26/02/2026

Advocate & Lawyer Chamber Mymensingh Mob:01711921416

26/02/2026
05/08/2025

ময়মনসিংহ মেট্রোপলিটন ল ফার্ম আইনি পরামর্শ ০১৭১১৯২১৪১৬ @

28/03/2025

আজকের বিষয় বিশ্ব নবীর সাক্ষাৎকার কল্পনার জগতে সত্যের সন্ধানে পবিত্র কোরআন থেকে কিছু প্রশ্নের উত্তর

বিশ্ব নবীকে আমি প্রশ্ন করলাম সমাজের অধিকাংশ মানুষই তারা জানেই না বিশ্বাস আর ভালো কাজ যে জান্নাত বা বেহেস্তের চাবি?

বিশ্বনবী উত্তর দিলেন ২ নাম্বার সুরা বাকারা ২৫ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে)
যারা ঈমান এনেছে এবং নেক কাজ করেছে তুমি তাদেরকে সুসংবাদ দাও যে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাতসমূহ।

(০২) আর যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে তারা জান্নাতের অধিবাসী। তারা সেখানে হবে স্থায়ী।[২:৮২]

(০৩) কিন্তু যারা তাদের রবকে ভয় করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত যার তলদেশে প্রবাহিত হবে নহরসমূহ, সেখানে তারা স্থায়ী হবে।[৩:১৯৮]

(০৪) আর যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে অচিরেই আমি তাদেরকে প্রবেশ করাব জান্নাতসমূহে যার তলদেশে প্রবাহিত রয়েছে নহরসমূহ। সেখানে তারা হবে স্থায়ী। সেখানে তাদের জন্য রয়েছে পবিত্র স্ত্রীগণ।[৪:৫৭]

(০৫) আর যারা ঈমান এনেছে এবং নেক আমল করেছে, অচিরেই তাদেরকে আমি প্রবেশ করাব জান্নাতসমূহে, যার তলদেশে প্রবাহিত হচ্ছে নহরসমূহ। সেখানে তারা হবে স্থায়ী। আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য। আর কথায় আল্লাহ অপেক্ষা অধিক সত্যবাদী কে?[৪:১২২]

(০৬) আর পুরুষ কিংবা নারীর মধ্য থেকে যে নেককাজ করবে এমতাবস্থায় যে সে মুমিন তাহলে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রতি খেজুর বীচির আবরণ পরিমাণ যুলমও করা হবে না।[৪:১২৪]

(০৭) আর যারা ঈমান এনেছে ও সৎকাজ করেছে আমি কোন ব্যক্তিকে তার সাধ্যের বাইরে দায়িত্ব অর্পণ করি না তারাই জান্নাতের অধিবাসী তারা সেখানে হবে স্থায়ী।[৭:৪২]

(০৮) নিশ্চয় যারা ঈমান আনে এবং নেক আমল করে, তাদের রব ঈমানের কারণে তাদেরকে পথ দেখাবেন, আরামদায়ক জান্নাতসমূহে যার তলদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত।[১০:৯]

(০৯) যারা ভালো কাজ করে তাদের জন্য রয়েছে শুভ পরিণাম (জান্নাত) এবং আরও বেশি। আর ধূলোমলিনতা ও লাঞ্ছনা তাদের চেহারাগুলোকে আচ্ছন্ন করবে না। তারাই জান্নাতবাসী। তারা তাতে স্থায়ী হবে।[১০:২৬]

(১০) নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে সৎকর্ম করেছে এবং বিনীত হয়েছে তাদের রবের প্রতি তারাই জান্নাতবাসী তারা সেখানে স্থায়ী হবে।[১১:২৩]

(১১) আর যারা ঈমান আনে এবং নেক আমল করে তাদের জান্নাতে প্রবেশ করানো হবে, যার তলদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত হবে।[১৪:২৩]

(১২) নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে নিশ্চয় আমি এমন কারো প্রতিদান নষ্ট করব না যে সুকর্ম করেছে।১৮:৩০]

এরাই তারা যাদের জন্য রয়েছে স্থায়ী জান্নাতসমূহ, যার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয় নদীসমূহ। সেখানে তাদেরকে অলংকৃত করা হবে স্বর্ণের চুড়ি দিয়ে এবং তারা পরিধান করবে মিহি ও পুরু সিল্কের সবুজ পোশাক। তারা সেখানে (থাকবে) আসনে হেলান দিয়ে। কী উত্তম প্রতিদান এবং কী সুন্দর বিশ্রামস্থল ![১৮:৩১]

(১৩) নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে তাদের মেহমানদারির জন্য রয়েছে জান্নাতুল ফেরদাউস।[১৮:১০৭]

(১৪) তবে তারা নয় যারা তাওবা করেছে, ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করেছে; তারাই জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের প্রতি কোন যুলম করা হবে না।[১৯:৬০]

(১৫) নিশ্চয় যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে দাখিল করবেন এমন জান্নাতে, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত। নিশ্চয়ই আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করেন।[২২:১৪]

(১৬) যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে নিশ্চয় আল্লাহ তাদেরকে দাখিল করবেন এমন জান্নাতে, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত। যেখানে তাদেরকে সোনার কাঁকন ও মুক্তা দ্বারা অলংকৃত করা হবে এবং যেখানে তাদের পোশাক-পরিচ্ছদ হবে রেশমের।[২২:২৩]

(১৭) সে দিনের বাদশাহী আল্লাহরই। তিনিই তাদের মধ্যে বিচার করবেন। সুতরাং যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তারা নিআমতপূর্ণ জান্নাতসমূহে অবস্থান করবে।[২২:৫৬]

(১৮) আর যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তারা জান্নাতের উদ্যানসমূহে থাকবে। তারা যা চাইবে, তাদের রবের নিকট তাদের জন্য তাই থাকবে। এটাই তো মহাঅনুগ্রহ।[৪২:২২]

(১৯) আর যারা ঈমান আনে ও সৎ কর্ম করে, তাদেরকে অবশ্যই আমি জান্নাতে কক্ষ বানিয়ে দেব, যার তলদেশ দিয়ে নদীসমূহ প্রবাহিত হবে, সেখানে তারা স্থায়ী হবে। কতইনা উত্তম আমলকারীদের প্রতিদান![২৯:৫৮]

(২০) অতএব যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে তাদেরকে জান্নাতে পরিতুষ্ট করা হবে।[৩০:১৫]

(২১) নিশ্চয় যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে নিআমতপূর্ণ জান্নাত;[৩১:৮]

(২২) যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, তাদের বাসস্থান হবে জান্নাত তারা যা করত তার আপ্যায়ন হিসেবে।[৩২:১৯]

(২৩) আর তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি এমন বস্তু নয় যা তোমাদেরকে আমার নিকটবর্তী করে দেবে। তবে যারা ঈমান আনে ও নেক আমল করে, তারাই তাদের আমলের বিনিময়ে পাবে বহুগুণ প্রতিদান। আর তারা জান্নাতের) সুউচ্চ প্রাসাদে নিরাপদে থাকবে।[৩৪:৩৭]

(২৪) কেউ পাপ কাজ করলে তাকে শুধু পাপের সমান প্রতিদান দেয়া হবে আর যে পুরুষ অথবা নারী মুমিন হয়ে সৎকাজ করবে, তবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে, সেখানে তাদেরকে অগণিত রিয্ক দেয়া হবে।’[৪০:৪০]

(২৫) নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে, আল্লাহ তাদেরকে জান্নাতে দাখিল করবেন। যার নিম্নদেশে নহরসমূহ প্রবাহিত হয়। কিন্তু যারা কুফরী করে তারা ভোগ-বিলাসে মত্ত থাকে এবং তারা আহার করে যেমন চতুষ্পদ জন্তুরা আহার করে। আর জাহান্নামই তাদের বাসস্থান।[৪৭:১২]

(২৬) নিশ্চয় যারা ঈমান আনে এবং সৎকর্ম করে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। যার তলদেশে প্রবাহিত হবে নহরসমূহ। এটাই বিরাট সফলতা।[৮৫:১১]

উপরোক্ত কুরানের আয়াতগুলো আয়াতের খন্ডিত অংশ দেওয়া হয়েছে কারণ আপনাদের প্রত্যেকের ঘরে পবিত্র কুরান রয়েছে চাইলে খুলে দেখতে পারেন তাহলে আরো ভালো করে বুঝতে পারবেন ইনশাল্লাহ।

আসুন আমরা সবাই জীবনে একবার হলেও পবিত্র কোরআন মাতৃভাষায় পড়ি এবং অর্থ বুঝে বুঝে পড়ি

৪৪ নাম্বার সূরা দোখানের ৫৮ নাম্বার আয়াতে বলা হয়েছে)
অতঃপর আমি তো তোমার ভাষায় কুরআনকে সহজ করে দিয়েছি যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।[৪৪:৫৮]

আমি এই পেইজে আমার যাবতীয়র পোস্টে কোরআনের আয়াতের ব্যাপারে যা কিছু বলছি তা নিতান্তই আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধি। কেউ আমার ব্যক্তিগত উপলব্ধিকে চূড়ান্ত বিধান বা আল্লাহর চূড়ান্ত বাণী মনে করে অন্ধ ভাবে অনুসরণ করবেন না কারণ আপনার কাজের দায় বিচার দিবসে আমি বহন করব না প্রত্যেকে তার নিজ নিজ কর্মের জন্য দায়ী থাকবে।

আমার লেখায় যদি কোন ভুল থাকে তাহলে আমাকে ক্ষমা করবেন
কারণ ভুল মানুষই করে থাকে আপনারা আমার ভুল ধরিয়ে দিলে আমি উপকৃত হব

মো: আব্দুল জব্বার মন্ডল, সহকারী পরিচালক, ঢাকা মেট্রো-১, জাতীয় ভো‘ক্তা সংর‘ক্ষণ অধিদ‘প্তর।এইবার রমজানে বাজার সি‘ন্ডি কে‘ট...
28/03/2025

মো: আব্দুল জব্বার মন্ডল, সহকারী পরিচালক, ঢাকা মেট্রো-১, জাতীয় ভো‘ক্তা সংর‘ক্ষণ অধিদ‘প্তর।

এইবার রমজানে বাজার সি‘ন্ডি কে‘টদের ঘুম হা‘রা‘ম করার একমাত্র কারি গর। ভো‘ক্তা হিসেবে উনি আপনার কেমন পছন্দ? জানান মন্তব্য করে!

(১৯৬১-১৩ ডি.এল.আর-২৩০): দেওয়ানী মোকদ্দমা (বাটোয়ারা)যে সকল নারী স্বামীর বাড়ি বসবাসের গৃহ থাকা স্বত্বেও বাবার গৃহ (ভিটে বা...
28/03/2025

(১৯৬১-১৩ ডি.এল.আর-২৩০): দেওয়ানী মোকদ্দমা (বাটোয়ারা)

যে সকল নারী স্বামীর বাড়ি বসবাসের গৃহ থাকা স্বত্বেও বাবার গৃহ (ভিটে বাড়ি) থেকেও ভাগের অংশ চাচ্ছেন, তাদের জন‍্য :

বিবাহ জনিত কারনে পৈত্রিক ভিটায় বোনের দখল:
একজন উত্তরাধিকারিনী পৈত্রিক ভিটায় অবস্থিত কোন বসতগৃহ বা কুটিরে বিবাহ পযর্ন্ত সহ-অংশীদার হিসেবে বিবেচ্য হবেন। পরবর্তীতে উত্তরাধিকারিনীর (কন্যা সন্তান) অন্যত্র বিবাহ হলে, তিনি আগন্তুক হিসেবে বিবেচিত হবেন। তাই তিনি উক্ত পৈত্রিক ভিটায় অবস্থিত বসতগৃহ বা কুটিরের কোন একচ্ছত্র অংশ দাবী করতে পারেন না। এ কারনে বাটোয়ারা মামলায় উত্তরাধিকারিনীর (কন্যা সন্তান) বসতগৃহ বা কুটিরের অংশ বিশেষ প্রাপ্তির বিষয়টি বিবেচিত হয় না। কারন উক্ত সম্পত্তিতে উত্তরাধিকারী (পূত্র সন্তান) গণের মধ্যে বিবাদ বা বিরোধ বৃদ্ধি পাবে (১৯৬১-১৩ ডি.এল.আর-২৩০)

বিস্তারিত : সাধারণত বোনেরা পৈতৃক সম্পত্তির সব জায়গা জমিরই 2:1 অনুপাতে অংশীদার। যেহেতু মেয়েদের ঠিকানা হয় শশুর বাড়ি তাই বাপের বাড়ির গৃহের অংশ তাদের ব‍‍্যবহার করার দরকার পড়েনা। এছাড়াও একটা পর্যায় বোনেরা বাপের বাড়ির জমি পেলেই জমি অন‍্যের কাছে বেচে চলে যায়।অন‍্যদিকে ছেলেদের বাপের গৃহই সম্বল তাই সামাজিক আর পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় পিতৃ গৃহের বা ভিটে বাড়ির জমির দেয়া যায় না। বোনেদের ভিটে থেকে জমি নিতেই হবে এটা অমানবিক দাবী।

কোন মেয়ে যদি এইসব বুঝেও বাবার গৃহ বা বসতবাড়ি থেকেই জমি নিতেই হবে অন‍্য জায়গায় নেবো না এমন আচরন করে তাহলে বুঝতে হবে সে তার ভাইকে কষ্ট দেয়ার জ‍ন‍্য অথবা অতিরিক্ত লোভের বর্শবর্তী হয়েই এইসব ঝামেলা করতে চাচ্ছে ।

ধর্মীয় নির্দেশ অনুযায়ী নিজের ভাইদের কষ্ট দেয়া নিশ্চয় জায়েয কাজ হয় না। ভাইদের বাবার গৃহটাই যখন শেষ সম্বল তখন এই দিকে নজর না দেওয়াই ভালো। তাই ভাইদের উচিত সমানুপাতিকভাবে অর্থাৎ যাতে বোনের হক কোনোভাবেই বিনষ্ট না হয় এমন জমি থেকে তার অংশ বুঝিয়ে দেওয়া।

প্রয়োজনে যোগাযোগ করেন

28/03/2025

# হিসাবগুলো জেনে রাখুন, জীবন চলার পথে কাজে লাগবে ।এডভোকেট মোঃ জহির উদ্দিন আকন্দ ০১৭১১৩৩৭০১৯

1 ফুট = 12 ইঞ্চি
1 গজ = 3 ফুট
1 মাইল = ১৭৬০ গজ
1 মাইল ≈ 1.61 কিলোমিটার
1 ইঞ্চি = 2.54 সেন্টিমিটার
1 ফুট = 0.3048 মিটার
1 মিটার = 1,000 মিলিমিটার
1 মিটার = 100 সেন্টিমিটার
1 কিলোমিটার = 1,000 মিটার
1 কিলোমিটার ≈ 0.62 মাইল
# ক্ষেত্রঃ
1 বর্গ ফুট = 144 বর্গ ইঞ্চি
1 বর্গ গজ = 9 বর্গ ফুট
1 একর = 43560 বর্গ ফুট
# আয়তনঃ
1 লিটার ≈ 0.264 গ্যালন
1 ঘন ফুট = 1.728 ঘন ইঞ্চি
1 ঘন গজ = 27 ঘন ফুট
# ওজনঃ
1 আউন্স ≈ 28.350 গ্রাম
1 cvDÛ= 16 আউন্স
1 cvDÛ ≈ 453.592 গ্রাম
1 এক গ্রামের এর্কসহস্রাংশ = 0.001
গ্রাম
1 কিলোগ্রাম = 1,000 গ্রাম
1 কিলোগ্রাম ≈ 2.2 পাউন্ড
1 টন = 2,200 পাউন্ডের
===========================
# যারা মিলিয়ন, বিলিয়ন, ট্রিলিয়ন হিসাব জানেন না।:-
১ মিলিয়ন=১০ লক্ষ
১০ মিলিয়ন=১ কোটি
১০০ মিলিয়ন=১০ কোটি
১,০০০ মিলিয়ন=১০০ কোটি
আবার,
১,০০০ মিলিয়ন= ১ বিলিয়ন
১ বিলিয়ন=১০০ কোটি
১০ বিলিয়ন=১,০০০ কোটি
১০০ বিলিয়ন=১০,০০০ কোটি
১,০০০ বিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
আবার,
১,০০০ বিলিয়ন=১ ট্রিলিয়ন
১ ট্রিলিয়ন=১ লক্ষ কোটি
১০ ট্রিলিয়ন=১০ লক্ষ কোটি
১০০ ট্রিলিয়ন=১০০ লক্ষ কোটি
১,০০০ ট্রিলিয়ন=১,০০০ লক্ষ কোটি।
===========================
১ কুড়ি = ২০টি
১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা
১ ভরি = ১৬ আনা ;
১ আনা = ৬ রতি
১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত
১ কেজি = ১০০০ গ্রাম
১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি
১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি ১ লিটার = ১০০০ সিসি
১ মণ = ৪০ সের
১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ;
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ) 1 মিলিয়ন = 10 লক্ষ
1 মাইল = 1.61 কি.মি ;
1 কি.মি. = 0..62
1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ;
1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি
1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ;
1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম
1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ;
1 পাউন্ড = 16 আউন্স
1 গজ= 3 ফুট ;
1 একর = 100 শতক
1 বর্গ কি.মি.= 247 একর
===========================
★ # সুত্র-১)সমান্তর ধারার ক্রমিক সংখ্যার যোগফল-
(যখন সংখ্যাটি1 থেকে শুরু)
1+2+3+4+......+n হলে এরূপ ধারার সমষ্টি= [n(n+1)/2]
n=শেষ সংখ্যা বা পদ সংখ্যা
s=যোগফল
# প্রশ্নঃ 1+2+3+4+…………+100 =?
# সমাধানঃ[n(n+1)/2] = [100(100+1)/2] = 5050
★ # সুত্রঃ2)সমান্তর ধারার বর্গ যোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে,-
প্রথম n পদের বর্গের সমষ্টি
S= [n(n+1)2n+1)/6]
(যখন 1² + 2²+ 3² + 4²........ +n²)
# প্রশ্নঃ(1² + 3²+ 5² + ....... +31²) সমান কত?
# সমাধানঃS=[n(n+1)2n+1)/6]
= [31(31+1)2x31+1)/6] (এখানে n=শেষ সংখ্যা,31)
★ # সুত্রঃ3)সমান্তর ধারার ঘনযোগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে-
প্রথম n পদের ঘনের সমষ্টি
S= [n(n+1)/2]2
(যখন 1³+2³+3³+.............+n³)
# প্রশ্নঃ1³+2³+3³+4³+…………+10³=?
# সমাধানঃ [n(n+1)/2]2 = [10(10+1)/2]2 = 3025(উঃ)
★ # সুত্রঃ4)পদ সংখ্যা ও পদ সংখ্যার সমষ্টি নির্নয়ের ক্ষেত্রেঃ
পদ সংখ্যা N= [(শেষ পদ – প্রথম পদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি] +১
# প্রশ্নঃ5+10+15+…………+50=?
# সমাধানঃ পদসংখ্যা = [(শেষ পদ – প্রথমপদ)/প্রতি পদে বৃদ্ধি]+ ১
= [(50 – 5)/5] + 1 =10
সুতরাং পদ সংখ্যার সমষ্টি = [(5 + 50)/2] x 10 = 275(উঃ)
★ # সুত্রঃ৫)n তম পদ=a + (n-1)d
এখানে, n =পদসংখ্যা, a = ১ম পদ, d= সাধারণ অন্তর
# প্রশ্নঃ 5+8+11+14+.......ধারাটির কোন পদ 302?
# সমাধানঃধরি, n তম পদ =302
বা, a + (n-1)d=302
বা, 5+(n-1)3 =302
বা, 3n=300
বা, n=100(উঃ)
★ # সুত্রঃ6)সমান্তর ধারার ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল-S=M² এখানে,M=মধ্যেমা=(১ম সংখ্যা+শেষ সংখ্যা)/2
# প্রশ্নঃ1+3+5+.......+19=কত?
# সমাধানঃS=M²={(1+19)/2}²=(20/2)²=100(উঃ)
===========================
ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করার একটি effective টেকনিক!
❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 5 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
(০১) 13/5= 2.6 (ক্যালকুলেটর ছাড়া মাত্র ৩ সেকেন্ডে এটি সমাধান করা যায়)
টেকনিকঃ 5 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 2 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 13*2=26, তারপর থেকে 1 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 2.6 ।
(০২) 213/5=42.6 (213*2=426)
0.03/5= 0.006 (0.03*2=0.06 যার একঘর আগে দশমিক বসালে হয় 0.006) 333,333,333/5= 66,666,666.6 (এই গুলা করতে আবার ক্যালকুলেটর লাগে না কি!)
(০৩) 12,121,212/5= 2,424,242.4
এবার নিজে ইচ্ছেমত 5 দিয়ে যে কোন সংখ্যাকে ভাগ করে দেখুন, ৩.৫ সেকেন্ডের বেশি লাগবে না!!
❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 25 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
০১. 13/25=0.52 (ক্যালকুলেটর ছাড়া মাত্র ৩ সেকেন্ডে এটিও সমাধান করা যায়)
টেকনিকঃ 25 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 4 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 13*4=52, তারপর থেকে 2 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.52 ।
০২. 210/25 = 8.40
০৩. 0.03/25 = 0.0012
০৪. 222,222/25 = 8,888.88
০৫. 13,121,312/25 = 524,852.48
❖ ক্যালকুলেটর ছাড়া যে কোন সংখ্যাকে 125 দিয়ে ভাগ করার একটি effective টেকনিক
০১. 7/125 = 0.056
টেকনিকঃ 125 দিয়ে যে সংখ্যাকে ভাগ করবেন তাকে 8 দিয়ে গুণ করুন তারপর ডানদিক থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিন। কাজ শেষ!!! 7*8=56, তারপর থেকে 3 ঘর আগে দশমিক বসিয়ে দিলে 0.056 ।
০২. 111/125 = 0.888
০৩. 600/125 = 4.800
===========================
আসুন সহজে করি ...
টপিকঃ ১০ সেকেন্ডে বর্গমূল নির্ণয়।
বিঃদ্রঃ যে সংখ্যাগুলোর বর্গমূল ১ থেকে ৯৯ এর মধ্যে এই পদ্বতিতে তাদের বের করা যাবে খুব সহজেই। প্রশ্নে অবশ্যই পূর্ণবর্গ সংখ্যা থাকা লাগবে। অর্থাৎ উত্তর যদি দশমিক ভগ্নাংশ আসে তবে এই পদ্বতি কাজে আসবেনা।
** অনেক বড় পোস্ট। অবশ্যই মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে এবং প্র্যাকটিস করতে হবে। নয়ত ৫ মিনিটের মাথায় ভুলে যাবেন।
তবে আসুন শুরু করা যাক। শুরুতে ১ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যার বর্গ মুখস্থ করে নিই। আশা করি এগুলো সবাই জানেন। সুবিধার জন্যে আমি নিচে লিখে দিচ্ছি-
1 square = 1
2 square = 4
3 square = 9
4 square = 16
5 square = 25
6 square = 36
7 square = 49
8 square = 64
9 square = 81
এখানে প্রত্যেকটা বর্গ সংখ্যার দিকে খেয়াল করলে দেখবেন, সবার শেষের অংকটির ক্ষেত্রে -
*১ আর ৯ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (1, 81);
*২ আর ৮ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(4, 64);
*৩ আর ৭ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে (9, 49);
*৪ আর ৬ এর বর্গের শেষ অংক মিল আছে(16, 36);
এবং ৫ একা frown emoticon
এদ্দুর পর্যন্ত বুঝতে যদি কোন সমস্যা থাকে তবে আবার পড়ে নিন।
উদাহরণ ১ঃ 576 এর বর্গমূল নির্ণয় করুন।
১ম ধাপঃ যে সংখ্যার বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে তার এককের ঘরের অংকটি দেখবেন। এক্ষেত্রে তা হচ্ছে '6' ।
২য় ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে সে সংখ্যার বর্গের শেষ অংক 6 তাদের নিবেন। এক্ষেত্রে 4 এবং 6 । আবার বলি, খেয়াল করুন- 4 এবং 6 এর বর্গ যথাক্রমে 16 এবং 36; যাদের এককের ঘরের অংক কিনা '6' । বুঝতে পেরেছেন? না বুঝলে আবার পড়ে দেখুন।
৩য় ধাপঃ 4 / 6 লিখে রাখুন খাতায়। (আমরা উত্তরের এককের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 4 অথবা 6; কিন্তু কোনটা? এর উত্তর পাবেন ৮ম ধাপে, পড়তে থাকুন ...)
৪র্থ ধাপঃ প্রশ্নের একক আর দশকের অংক বাদ দিয়ে বাকি অংকের দিকে তাকান। এক্ষেত্রে এটি হচ্ছে 5 ।
৫ম ধাপঃ উপরের লিস্ট থেকে 5 এর কাছাকাছি যে বর্গ সংখ্যাটি আছে তার বর্গমূলটা নিন। এক্ষেত্রে 4, যা কিনা 2 এর বর্গ। (আমরা উত্তরের দশকের ঘরের অংক পেয়ে গেছি, যা হচ্ছে 2 )
৬ষ্ঠ ধাপঃ 2 এর সাথে তার পরের সংখ্যা গুন করুন। অর্থাৎ 2*3=6
৭ম ধাপঃ চতুর্থ ধাপে পাওয়া সংখ্যাটা (5) ষষ্ঠ ধাপে পাওয়া সংখ্যার (6) চেয়ে ছোট নাকি বড় দেখুন। ছোট হলে ৩য় ধাপে পাওয়া সংখ্যার ছোটটি নেব, বড় হলে বড়টি। (বুঝতে পেরেছেন? নয়ত আবার পড়ুন)
৮ম ধাপঃ আমাদের উদাহরণের ক্ষেত্রে 5 হচ্ছে 6 এর ছোট, তাই আমরা 4 / ৬ মধ্যে ছোট সংখ্যা অর্থাৎ 4 নেব।
৯ম ধাপঃ মনে আছে, ৫ম ধাপে দশকের ঘরের অংক পেয়েছিলাম 2? এবার পেয়েছি এককের ঘরের অংক 4 । তাই উত্তর হবে 24 !
কঠিন মনে হচ্ছে? একদমই না, কয়েকটা প্র্যাকটিস করে দেখুন। আমার মতে ১০ সেকেন্ডের বেশি লাগার কথা না।
উদাহরণ ২ঃ 4225 এর বর্গমূল বের করুন।
মনে আছে 5 যে একা ছিল? সে একা থাকায় আপনার কাজ কিন্তু অনেক সোজা হয়ে গেছে। দেখুন কেন -
- প্রশ্নের শেষ অংক 5 হওয়ায় উত্তরের এককের ঘরের অংক হবে অবশ্যই 5 ।
- প্রশ্নের একক ও দশকের ঘরের অংক বাদ দিয়ে দিলে বাকি থাকে 42 ।
- 42 এর সবচেয়ে কাছের পূর্ণবর্গ সংখ্যা হচ্ছে 36, যার বর্গমূল হচ্ছে 6 ।
- তাই উত্তর হচ্ছে 65 !
===========================
১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ২৫ টিঃ
২,৩,৫,৭,১১,১৩,১৭,১৯,২৩,২৯,৩১,৩
৭,৪১,৪৩,৪৭,৫৩,৫
৯,৬১,৬৭,৭১,৭৩,৭৯,৮৩,৮৯, এবং ৯৭।
১-১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যার যোগফল
১০৬০।
১-১০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা ৪ টি।
এভাবে ১-১০,১১-২০...... ১০০ পর্যন্ত
মৌলিক
সংখ্যা হল ৪,৪,২,২,৩,২,২,৩,২,১
-
প্রশ্নঃ ১ কিমি সমান কত মাইল ?
উত্তরঃ ০.৬২ মাইল।
প্রশ্নঃ ১ নেটিক্যাল মাইলে কত মিটার ?
উত্তরঃ ১৮৫৩.২৮ মিটার।
প্রশ্নঃ সমুদ্রের পানির গভীরতা মাপার
একক ?
উত্তরঃ ফ্যাদম।
প্রশ্নঃ ১.৫ ইঞ্চি ১ ফুটের কত অংশ?
উত্তরঃ ১/৮ অংশ।
১মাইল =১৭৬০ গজ।]
প্রশ্নঃ এক বর্গ কিলোমিটার কত একর?
উত্তরঃ ২৪৭ একর।
প্রশ্নঃ একটি জমির পরিমান ৫ কাঠা হলে,
তা কত বর্গফুট হবে?
উত্তরঃ ৩৬০০ বর্গফুট।
প্রশ্নঃ এক বর্গ ইঞ্চিতে কত বর্গ
সেন্টিমিটার?
উত্তরঃ ৬.৪৫ সেন্টিমিটার।
প্রশ্নঃ ১ ঘন মিটার = কত লিটার?
উত্তরঃ ১০০০ লিটার।
প্রশ্নঃ এক গ্যালনে কয় লিটার?
উত্তরঃ ৪.৫৫ লিটার।
প্রশ্নঃ ১ সের সমান কত কেজি?
উত্তরঃ ০.৯৩ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ মণে কত কেজি?
উত্তরঃ ৩৭.৩২ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ টনে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০০ কেজি।
প্রশ্নঃ ১ কেজিতে কত পাউন্ড??
উত্তরঃ ২.২০৪ পাউন্ড।
প্রশ্নঃ ১ কুইন্টালে কত কেজি?
উত্তরঃ ১০০কেজি।
British & U.S British U.S
1 gallons = 4.5434 litres = 4.404
litres
2 gallons = 1 peck = 9.8070 litres
= 8.810 litres
ক্যারেট কি?
উত্তরঃ মূল্যবান পাথর ও ধাতুসামগ্রী
পরিমাপের একক ক্যারেট ।
1 ক্যারেট = 2 গ্রাম
বেল কি?
উত্তরঃ পাট বা তুলা পরিমাপের সময় ‘বেল’
একক হিসাবে ব্যবহৃত হয় ।
1 বেল = 3.5 মণ (প্রায়) ।
=
সূক্ষ্ণকোণ : এক সমকোণ (৯০º) অপেক্ষা ছোট
কোণকে সূক্ষ্ণকোণ বলে।
০৩. স্থুলকোণ : ৯০º অপেক্ষা বড় কিন্তু
১৮০º
অপেক্ষা ছোট কোণকে স্থুলকোণ বলে।
০৪. সমকোণ : একটি রেখা অপর একটি রেখার
উপর লম্ব হলে সমকোণ সৃষ্টি হয়।
০৫. সরলকোণ : যে কোণের পরিমাণ ১৮০º
কোণের সমান তাকে সরল কোণ বলে।
০৬. পূরক কোণ : দুটি কোণের সমষ্টি ৯০º
এর
সমান হয় তবে একটি কোণকে অপর কোণের
পূরক কোণ বলে।
০৭. সম্পূরক কোণ : দুটি কোণের সমষ্টি
১৮০º
এর সমান হলে, একটি কোণকে অপর কোণের
সম্পূরক কোণ বলে।
০৮. পৃবৃদ্ধ কোণ : দুই সমকোণ (১৮০º)
অপেক্ষা
বড় কিন্তু চার সমকোণ (৩৬০º) অপেক্ষা
ছোট
কোণকে প্রবৃদ্ধ কোণ বলে।
===========================
বৃত্ত সম্পর্কিত তথ্য:-
1. পূর্ণ বক্ররেখার দৈর্ঘ্য কে বলা হয়? =
পরিধি
2. পরিধির যেকোন অংশকে বলা হয় = চাপ
3. পরিধির যেকোন দুই বিন্দুর সংযোগ
সরলরেখাকে বলা হয় = জ্যা ( বৃত্তের ব্যাস
হচ্ছে বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা)
4. বৃত্তের কেন্দ্রগামী সকল জ্যা-ই = ব্যাস
5. কেন্দ্র থেকে পরিধি পর্যন্ত দূরত্বকে
বলা
হয় = ব্যাসার্ধ
বৃত্ত সম্পর্কিত কিছু সূত্র:
1. বৃত্তের ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = πr²
( যেখানে r বৃত্তের ব্যাসার্ধ)
2. বৃত্তের পরিধির সূত্র = 2πr
3. গোলকের পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল = 4πr²
4. গোলকের আয়তন = 4πr³÷3
===========================
ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল:-
সাধারণ ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ১/২
ভূমিXউচ্চতা
সমকোণী ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = ১/২
সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের গুণফল
সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = a/4√
(4b2-
a2) যেখানে, a= ভূমি; b= অপর বাহু
সমবাহু ত্রিভূজের ক্ষেত্রফল = √(3/4)a2
যেখানে, a = যে কোন বাহুর দৈর্ঘ্য
চতুর্ভূজের ক্ষেত্রফল
===========================
আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য x প্রস্থ
বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (বাহু)২
সামন্তরিক ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = ভূমি x
উচ্চতা
অন্যান্য সূত্রাবলী
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২ (দৈর্ঘ্য +
প্রস্থ)
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4 x এক বাহুর
পরিমাণ
===========================
সহজভাবে মনে রাখার কিছু সুত্রঃ
১) জোড় সংখ্যা + জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৪ + ৮ = ১২
২) জোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৪ + ৭ = ১১
৩) বিজোড় সংখ্যা + বিজোড় সংখ্যা =
জোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৫ + ৭ = ১২
৪) জোড় সংখ্যা × জোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৮ × ৪ = ৩২
৫) জোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা = জোড়
সংখ্যা ; যেমনঃ ৮ × ৩ = ২৪
৬) বিজোড় সংখ্যা × বিজোড় সংখ্যা =
বিজোড় সংখ্যা ; যেমনঃ ৫ × ৭ = ৩৫

♥৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর

৪৩৫৬০ বর্গফুট = ১ একর

১৬১৩ বর্গগজ = ১ বিঘা

১৪৫২০ বর্গফুট = ১ বিঘা

৮০.১৬ বর্গগজ = ১ কাঠা

৭২১.৪৬ বর্গফুট = ১ কাঠা

৪৮.৪০ বর্গগজ = ১ শতাংশ

৪৩৫.৬০ বর্গফুট = ১ শতাংশ

৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক

৪৫.০৯ বর্গফুট = ১ ছটাক

১.১৯৬ বর্গগজ = ১ বর্গমিটার

১০.৭৬ বর্গফুট = ১ বর্গমিটার

♥পরিমানসম্পাদনা

১ কাঠা = ১৬ ছটাক

১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ

১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ

১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ

১ বিঘা = ২০ কাঠা

১ একর = ১০০ শতাংশ

১ একর = ৬০.৬ কাঠা

১ একর = ৩.০৩ বিঘা

টিকা: একশত শতাংশ বা, এক হাজার সহস্রাংশ বা, দশ হাজার অযুতাংশ = ১ একর। দশমিক বিন্দুর (.) পরে চার অঙ্ক হলে অযুতাংশ পড়তে হবে।

♥১ ছটাক = ২০ গন্ডা

১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট

১ কাঠা = ১৬ ছটাক

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট

১ বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত

১ বিঘা = ২০ কাঠা

১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট

♥= ''খতিয়ান'' কি?
= ''সি এস খতিয়ান'' কি?
= ''এস এ খতিয়ান'' কি?
= ''আর এস খতিয়ান'' কি?
= ''বি এস খতিয়ান'' কি?
=“দলিল” কাকে বলে?
=“খানাপুরি” কাকে বলে?
= ''নামজারি'' কাকে বলে ?
=“তফসিল” কাকে বলে?
=“দাগ” নাম্বার/''কিত্তা'' কাকে বলে?
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
= ''পর্চা'' কাকে বলে ?
= ''চিটা'' কাকে বলে ?
= ''দখলনামা'' কাকে বলে ?
= “খাজনা” ককে বলে?
= ''বয়নামা'' কাকে বলে ?
= ''জমাবন্দি'' কাকে বলে ?
= ''দাখিলা'' কাকে বলে ?
= ''DCR'' কাকে বলে ?
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে ?
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
= ''হুকুমনামা'' কাকে বলে ?
= ''জমা খারিজ'' কাকে বলে ?
= ''মৌজা'' কি/ কাকে বলে ?
= “আমিন” কাকে বলে?
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
= “সিকস্তি” কাকে বলে ?
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''''
=খতিয়ানঃ
মৌজা ভিত্তিক এক বা একাধিক ভূমি
মালিকের ভূ-সম্পত্তির বিবরণ সহ যে
ভূমি রেকর্ড জরিপকালে প্রস্ত্তত করা
হয় তাকে খতিয়ান বলে। এতে
ভূমধ্যাধিকারীর নাম ও প্রজার নাম,
জমির দাগ নং, পরিমাণ, প্রকৃতি,
খাজনার হার ইত্যাদি লিপিবদ্ধ
থাকে। আমাদের দেশে বিভিন্ন
ধরনের খতিয়ানের উপস্থিতি লক্ষ্য
করা যায়। তন্মধ্যে সিএস, এসএ এবং
আরএস উল্লেখযোগ্য। ভূমি জরিপকালে
ভূমি মালিকের মালিকানা নিয়ে
যে বিবরণ প্রস্তুত করা হয় তাকে
“থতিয়ান” বলে। খতিয়ান প্রস্তত করা হয়
মৌজা ভিত্তিক।
= সি এস খতিয়ানঃ
১৯১০-২০ সনের মধ্যে সরকারি আমিনগণ
প্রতিটি ভূমিখণ্ড পরিমাপ করে উহার
আয়তন, অবস্থান ও ব্যবহারের প্রকৃতি
নির্দেশক মৌজা নকশা এবং
প্রতিটি ভূমিখন্ডের মালিক
দখলকারের বিররণ সংবলিত যে
খতিয়ান তৈরি করেন সিএস খতিয়ান
নামে পরিচিত।
=এস এ খতিয়ানঃ
১৯৫০ সালের জমিদারি অধিগ্রহণ ও
প্রজাস্বত্ব আইন পাসের পর সরকার
জমিদারি অধিগ্রহণ করেন। তৎপর
সরকারি জরিপ কর্মচারীরা
সরেজমিনে মাঠে না গিয়ে সিএস
খতিয়ান সংশোধন করে যে খতিয়ান
প্রস্তুত করেন তা এসএ খতিয়ান নামে
পরিচিত। কোনো অঞ্চলে এ খতিয়ান
আর এস খতিয়ান নামেও পরিচিত।
বাংলা ১৩৬২ সালে এই খতিয়ান
প্রস্তুত হয় বলে বেশির ভাগ মানুষের
কাছে এসএ খতিয়ান ৬২র
খতিয়ান নামেও পরিচিত।
= আর এস খতিয়ানঃ
একবার জরিপ হওয়ার পর তাতে
উল্লেখিত ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য
পরবর্তীতে যে জরিপ করা হয় তা আরএস
খতিয়ান নামে পরিচিত। দেখা যায়
যে, এসএ জরিপের আলোকে প্রস্তুতকৃত
খতিয়ান প্রস্তুতের সময় জরিপ
কর্মচারীরা সরেজমিনে তদন্ত করেনি।
তাতে অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়ে
গেছে। ওই ত্রুটি-বিচ্যুতি দূর করার জন্য
সরকার দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে
সরেজমিনে ভূমি মাপ-ঝোঁক করে
পুনরায় খতিয়ান প্রস্তুত করার উদ্যোগ
নিয়েছেন। এই খতিয়ান আরএস খতিয়ান
নামে পরিচিত। সারাদেশে এখন
পর্যন্ত তা সমাপ্ত না হলেও অনেক
জেলাতেই আরএস খতিয়ান
চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
সরকারি আমিনরা মাঠে গিয়ে
সরেজমিনে জমি মাপামাপি করে এই
খতিয়ান প্রস্তুত করেন বলে তাতে
ভুলত্রুটি কম লক্ষ্য করা যায়।
বাংলাদেশের অনেক এলাকায় এই
খতিয়ান বি এস খতিয়ান নামেও
পরিচিত।
= বি এস খতিয়ানঃ
সর্ব শেষ এই জরিপ ১৯৯০ সা পরিচালিত
হয়। ঢাকা অঞ্চলে মহানগর জরিপ
হিসাবেও পরিচিত।
= “দলিল” কাকে বলে?
যে কোন লিখিত বিবরণ আইনগত সাক্ষ্য
হিসাবে গ্রহণযোগ্য তাকে দলিল বলা
হয়। তবে রেজিস্ট্রেশন আইনের বিধান
মোতাবেক জমি ক্রেতা এবং
বিক্রেতা সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য
যে চুক্তিপত্র সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি
করেন সাধারন ভাবেতাকে দলিল
বলে।
= “খানাপুরি” কাকে বলে?
জরিপের সময় মৌজা নক্সা প্রস্তুত করার
পর খতিয়ান প্রস্তুতকালে খতিয়ান
ফর্মের প্রত্যেকটি কলাম জরিপ
কর্মচারী কর্তৃক পূরন করার প্রক্রিয়াকে
খানাপুরি বলে।
= নামজারি কাকে বলে ?
ক্রয়সূত্রে/উত্তরাধিকার সূত্রে অথবা
যেকোন সূত্রে জমির নতুন মালিক হলে
নতুন মালিকের নাম সরকারি
খতিয়ানভুক্ত করার প্রক্রিয়াকে
নামজারী বলা হয়।
= “তফসিল” কাকে বলে?
জমির পরিচয় বহন করে এমন বিস্তারিত
বিবরণকে “তফসিল” বলে। তফসিলে,
মৌজার নাম, নাম্বার, খতিয়ার
নাম্বার, দাগ নাম্বার, জমির চৌহদ্দি,
জমির পরিমাণ সহ ইত্যাদি তথ্য
সন্নিবেশ থাকে।
= “দাগ” নাম্বার কাকে বলে? / কিত্তা
কি ?
দাগ শব্দের অর্থ ভূমিখ-। ভূমির ভাগ বা
অংশ বা পরিমাপ করা হয়েছে এবং
যে সময়ে পরিমাপ করা হয়েছিল সেই
সময়ে ক্রম অনুসারে প্রদত্ত ওই পরিমাপ
সম্পর্কিত নম্বর বা চিহ্ন।
যখন জরিপ ম্যাপ প্রস্তুত করা হয় তখন
মৌজা নক্সায় ভূমির সীমানা
চিহ্নিত বা সনাক্ত করার লক্ষ্যে
প্রত্যেকটি ভূমি খন্ডকে আলাদা
আলাদ নাম্বার দেয়া হয়। আর এই
নাম্বারকে দাগ নাম্বার বলে। একেক
দাগ নাম্বারে বিভিন্ন পরিমাণ ভূমি
থাকতে পারে। মূলত, দাগ নাম্বার
অনুসারে একটি মৌজার অধীনে ভূমি
মালিকের সীমানা খূটিঁ বা আইল
দিয়ে সরেজমিন প্রর্দশন করা হয়।
দাগকে কোথাও কিত্তা বলা হয়।
= “ছুটা দাগ” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে প্রাথমিক অবস্থায়
নকশা প্রস্তুত অথবা সংশোধনের সময়
নকশার প্রতিটি ভূমি এককে যে
নাম্বার দেওয়া হয় সে সময় যদি কোন
নাম্বার ভুলে বাদ পড়ে তাবে ছুটা
দাগ বলে। আবার প্রাথমিক পর্যায়ে
যদি দুটি দাগ একত্রিত করে নকশা পুন:
সংশোধন করা হয় তখন যে দাগ নাম্বার
বাদ যায় তাকেও ছুটা দাগ বলে।
= পর্চা কীঃ / “পর্চা” কাকে বলে?
ভূমি জরিপকালে চূড়ান্ত খতিয়ান
প্রস্তত করার পূর্বে ভূমি মালিকদের
নিকট খসড়া খতিয়ানের যে অনুলিপি
ভুমি মালিকদের প্রদান করা করা হয়
তাকে “মাঠ পর্চা” বলে। এই মাঠ পর্চা
রেভিনিউ/রাজস্ব অফিসার কর্তৃক
তসদিব বা সত্যায়ন হওয়ার পর যদি
কারো কোন আপত্তি থাকে তাহলে
তা শোনানির পর খতিয়ান
চুড়ান্তভাবে প্রকাশ করা হয়। আর
চুড়ান্ত খতিয়ানের অনুলিপিকে “পর্চা”
বলে।
= চিটা কাকে বলে?
একটি ক্ষুদ্র ভূমির পরিমাণ, রকম ইত্যাদির
পূর্ণ বিবরণ চিটা নামে পরিচিত।
বাটোয়ারা মামলায় প্রাথমিক
ডিক্রি দেয়ার পর তাকে ফাইনাল
ডিক্রিতে পরিণত করার আগে
অ্যাডভোকেট কমিশনার সরেজমিন
জমি পরিমাপ করে প্রাথমিক ডিক্রি
মতে সম্পত্তি এমনি করে পক্ষদের
বুঝায়ে দেন। ওই সময় তিনি যে খসড়া
ম্যাপ প্রস্তুত করেন তা চিটা বা
চিটাদাগ নামে পরিচিত।
= দখলনামা কাকে বলে?
দখল হস্তান্তরের সনদপত্র। সার্টিফিকেট
জারীর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তি
কোনো সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে
নিলে সরকার পক্ষ সম্পত্তির ক্রেতাকে
দখল বুঝিয়ে দেয়ার পর যে সনদপত্র
প্রদান করেন তাকে দখলনামা বলে।
সরকারের লোক সরেজমিনে গিয়ে
ঢোল পিটিয়ে, লাল নিশান উড়ায়ে
বা বাঁশ গেড়ে দখল প্রদান করেন।
কোনো ডিক্রিজারির ক্ষেত্রে
কোনো সম্পত্তি নিলাম বিক্রয় হলে
আদালত ওই সম্পত্তির ক্রেতাকে দখল
বুঝিয়ে দিয়ে যে সার্টিফিকেট
প্রদান করেন তাকেও দখলনামা বলা
হয়। যিনি সরকার অথবা আদালতের
নিকট থেকে কোনো সম্পত্তির
দখলনামা প্রাপ্ত হন, ধরে নিতে হবে
যে, দখলনামা প্রাপ্ত ব্যক্তির
সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিতে দখল আছে।
= “খাজনা” ককে বলে?
সরকার বার্ষিক ভিত্তিতে যে প্রজার
নিকট থেকে ভূমি ব্যবহারের জন্য যে
কর আদায় করে তাকে খাজনা বলে।.
= বয়নামা কাকে বলে?
১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির
২১ আদেশের ৯৪ নিয়ম অনুসারে কোনো
স্থাবর সম্পত্তির নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত
হলে আদালত নিলাম ক্রেতাকে
নিলামকৃত সম্পত্তির বিবরণ সংবলিত
যে সনদ দেন তা বায়নামা নামে
পরিচিত।
বায়নামায় নিলাম ক্রেতার নামসহ
অন্যান্য তথ্যাবলি লিপিবদ্ধ থাকে।
কোনো নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হলে
ক্রেতার অনুকূলে অবশ্যই বায়নামা
দিতে হবে।
যে তারিখে নিলাম বিক্রয় চূড়ান্ত হয়
বায়নামায় সে তারিখ উল্লেখ করতে
হয়।
= জমাবন্দিঃ
জমিদারি আমলে জমিদার বা
তালুকদারের সেরেস্তায় প্রজার নাম,
জমি ও খাজনার বিবরণী লিপিবদ্ধ
করার নিয়ম জমাবন্দি নামে পরিচিত।
বর্তমানে তহশিল অফিসে অনুরূপ রেকর্ড
রাখা হয় এবং তা জমাবন্দি নামে
পরিচিত।
= দাখিলা কাকে বলে?
সরকার বা সম্পত্তির মালিককে
খাজনা দিলে যে নির্দিষ্ট ফর্ম বা
রশিদ ( ফর্ম নং১০৭৭) প্রদান করা হয় তা
দাখিলা বা খাজনার রশিদ নামে
পরিচিত।
দাখিলা কোনো স্বত্বের দলিল নয়,
তবে তা দখল সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ
বহন করে।
= DCR কাকে বলে?
ভূমি কর ব্যতিত আন্যান্য সরকারি
পাওনা আদায় করার পর যে নির্ধারিত
ফর্মে (ফর্ম নং ২২২) রশিদ দেওয়া হয়
তাকে DCR বলে।
=“কবুলিয়ত” কাকে বলে?
সরকার কর্তৃক কৃষককে জমি বন্দোবস্ত
দেওয়ার প্রস্তাব প্রজা কর্তৃক গ্রহণ করে
খাজনা প্রদানের যে অঙ্গিকার পত্র
দেওয়া হয় তাকে কবুলিয়ত বলে।
= “ফারায়েজ” কাকে বলে?
ইসলামি বিধান মোতাবেক মৃত
ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করার নিয়ম ও
প্রক্রিয়াকে ফারায়েজ বলে।
= “ওয়ারিশ” কাকে বলে?
ওয়ারিশ অর্থ উত্তরাধিকারী । ধর্মীয়
বিধানের অনুয়ায়ী কোন ব্যক্তি উইল
না করে মৃত্যু বরন করলেতার স্ত্রী,
সন্তান বা নিকট আত্মীয়দের মধ্যে
যারা তার রেখে যাওয়া সম্পত্তিতে
মালিক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন এমন
ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ওয়ারিশ বলে।
= হুকুমনামা কাকে বলে?
আমলনামা বা হুকুমনামা বলতে
জমিদারের কাছ থেকে জমি বন্দোবস্ত
নেয়ার পর প্রজার স্বত্ব দখল প্রমাণের
দলিলকে বুঝায়। সংক্ষেপে বলতে
গেলে জমিদার কর্তৃক প্রজার বরাবরে
দেয়া জমির বন্দোবস্ত সংক্রান্ত
নির্দেশপত্রই আমলনামা।
= জমা খারিজ কিঃ
জমা খারিজ অর্থ যৌথ জমা বিভক্ত
করে আলাদা করে নতুন খতিয়ান সৃষ্টি
করা। প্রজার কোন জোতের কোন জমি
হস্তান্তর বা বন্টনের কারনে মূল
খতিয়ান থেকে কিছু জমি নিয়ে নুতন
জোত বা খতিয়ান খোলাকে জমা
খারিজ বলা হয়। অন্য কথায় মূল খতিয়ান
থেকে কিছু জমির অংশ নিয়ে নতুন
জোত বা খতিয়ান সৃষ্টি করাকে জমা
খারিজ বলে।
= “মৌজা” কাকে বলে?
CS জরিপ / ক্যাডষ্টাল জরিপ করা হয়
তখন থানা ভিত্তিক এক বা একাধিক
গ্রাম, ইউনিয়ন, পাড়া, মহল্লা অালাদা
করে বিভিন্ন এককে ভাগ করে ক্রমিক
নাম্বার দিয়ে চিহ্তি করা হয়েছে।
আর বিভক্তকৃত এই প্রত্যেকটি একককে
মৌজা বলে।। এক বা একাদিক গ্রাম
বা পাড়া নিয়ে একটি মৌজা ঘঠিত
হয়।
= “আমিন” কাকে বলে?
ভূমি জরিপের মাধ্যমে নক্সা ও
খতিয়ান প্রস্তত ও ভূমি জরিপ কাজে
নিজুক্ত কর্মচারীকে আমিন বলে।
= “কিস্তোয়ার” কাকে বলে?
ভূমি জরিপ কালে চতুর্ভুজ ও মোরব্বা
প্রস্তত করার পর সিকমি লাইনে চেইন
চালিয়ে সঠিকভাবে খন্ড খন্ড ভুমির
বাস্তব ভৌগলিক চিত্র অঙ্কনের
মাধ্যমে নকশা প্রস্তুতের পদ্ধতিকে
কিস্তোয়ার বলে।
= “সিকস্তি” কাকে বলে?
নদী ভাংঙ্গনের ফলে যে জমি নদী
গর্ভে বিলিন হয়ে যায় তাকে
সিকন্তি বলে। সিকন্তি জমি যদি ৩০
বছরের মধ্যে স্বস্থানে পয়ন্তি হয়
তাহলে সিকন্তি হওয়ার প্রাক্কালে
যিনি ভূমি মালিক ছিলেন তিনি বা
তাহার উত্তরাধিকারগন উক্ত জমির
মালিকানা শর্ত সাপেক্ষ্যে প্রাপ্য
হবেন।
= “পয়ন্তি” কাকে বলে?
নদী গর্ভ থেকে পলি মাটির চর পড়ে
জমির সৃষ্টি হওয়াকে পয়ন্তি বলে।
--------------------------
আপনার এবং আপনার ভবিষ্যৎ প্রজন্মের
বসবাস উপযোগী বসতভিটা এবং
চাষাবাদযোগ্য
জমিকে নির্ভেজাল রাখতে আপনি
সচেতন হোন।

♥আনা গন্ডা সম্পর্কিত খতিয়ান
আনা, গন্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল সম্পর্কিত খতিয়ান ( সি.এস, এস.এ, আর.এস, আর.ও.আর খতিয়ান) হইতে হিস্যা বাহির করার ক্যালকুলেটর-
ক্যালকুলেটর ব্যবহার করার সুবিধার জন্য নিম্নে আনা, গণ্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল এর সাংকেতিক চিহ্ন সমুহের একটি ছক দেওয়া হল। আনা, গণ্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল যখন খতিয়ানে ব্যবহার হয় তখন আনা, গণ্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল-কে ১ এর ভগ্নাংশ বুঝতে হবে । ১ বলতে ১৬ আনা বুঝায় । ১ = ১৬ আনা ; ১ আনা বলতে সম্পূর্ণ অংশের ১৬ ভাগের ১ অংশ বুঝায় । খতিয়ানের সম্পূর্ণ অংশকে বিভিন্ন ইউনিটে ভাগ করা হয়। যেমন-
১ আনা =২০ গণ্ডা ; ১ গণ্ডা = ৪ কড়া ; ১ কড়া = ৩ ক্রান্তি ; ১ ক্রান্তি = ২০ তিল ;
আনা সংক্রান্ত
⁄ = ১ আনা
৵ = ২ আনা
৶ = ৩ আনা
৷ = ৪ আনা
৷⁄ = ৫ আনা
৷৵ = ৬ আনা
৷৶ = ৭ আনা
৷৷ = ৮ আনা
৷৷⁄ = ৯ আনা
৷৷৵ = ১০ আনা
৷৷৶ = ১১ আনা
৸ = ১২ আনা
৸ ⁄ = ১৩ আনা
৸৵ = ১৪ আনা
৸৶ = ১৫ আনা
১ = ১৬ আনা
গণ্ডা সংক্রান্ত
১ = ১ গণ্ডা
২ = ২ গণ্ডা
৩ = ৩ গণ্ডা
৪ = ৪ গণ্ডা
৫ = ৫ গণ্ডা
৬ = ৬ গণ্ডা
৭ = ৭ গণ্ডা
৮ = ৮ গণ্ডা
৯ = ৯ গণ্ডা
১০ = ১০ গণ্ডা
১১ = ১১ গণ্ডা
১২ = ১২ গণ্ডা
১৩ = ১৩ গণ্ডা
১৪ = ১৪ গণ্ডা
১৫ = ১৫ গণ্ডা
১৬ = ১৬ গণ্ডা
১৭ = ১৭ গণ্ডা
১৮ = ১৮ গণ্ডা
১৯ = ১৯ গণ্ডা
কড়া সংক্রান্ত
৷ = ১ কড়া
৷৷ = ২ কড়া
৸ = ৩ কড়া
ক্রান্তি সংক্রান্ত
৴ = ১ ক্রান্তি
৴৴ = ২ ক্রান্তি
তিল সংক্রান্ত
১ = ১ তিল
২ = ২ তিল
৩ = ৩ তিল
৪ = ৪ তিল
৫ = ৫ তিল
৬ = ৬ তিল
৭ = ৭ তিল
৮ = ৮ তিল
৯ = ৯ তিল
১০ = ১০ তিল
১১ = ১১ তিল
১২ = ১২ তিল
১৩ = ১৩ তিল
১৪ = ১৪ তিল
১৫ = ১৫ তিল
১৬ = ১৬ তিল
১৭ = ১৭ তিল
১৮ = ১৮ তিল
১৯ = ১৯ তিল
আনা, গণ্ডা, কড়া, ক্রান্তি, তিল সংক্রান্ত খতিয়ানে জমির পরিমান নির্ণয়ের ক্যালকুলেটর
জমি পরিমাপের ক্ষেত্রে দেশীয় হিসাবে আনা, গণ্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল প্রচলিত একটি হিসাব।
আনা, গণ্ডা, কড়া, ক্রান্তি ও তিল -এর পারস্পরিক সম্পর্ক নিম্নরূপ-
১্ কানি / আনা = ১৭,২৮০ বর্গফুট ; ১ আনা =২০ গণ্ডা ;
১্ গণ্ডা = ৮৬৪ বর্গফুট ; ১ গণ্ডা = ৪ কড়া ;
১্ কড়া = ২১৬ বর্গফুট ; ১ কড়া = ৩ ক্রান্তি ;
১্ ক্রান্তি = ৭২ বর্গফুট ; ১ ক্রান্তি = ২০ তিল ;
১ তিল =৩.৬ বর্গফুট ।

কাঠা পরিমাপক
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট = ৮০ বর্গগজ
১ কাঠা = ৬৬.৮৯ বর্গমিটার
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ কাঠা = ৩২০ বর্গহাত
২০ কাঠা = ১ বিঘা
৬০ কাঠা = ১ একর
১৪৮২০ কাঠা = ১ বর্গকিলোমিটার
১৪৮.২ কাঠা = ১ হেক্টর
কানি পরিমাপক
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট = ১৬১৯ বর্গমিটার = ৪০০০০ বর্গলিংক = ৮০ করা
১ কানি = ৭৬৮০ বর্গহাত = ১৯৩৬ বর্গগজ = ১২০ শতাংশ
১ কানি = ২০ গন্ডা = ৪০ একর
১ কানি = ২০ গন্ডা=৪০০০০ বর্গলিংক
১ কানি = ২৪ কাঠা
বিঘা পরিমাপক
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ = ১ পাকি
১ বিঘা =২০ কাঠা
১ বিঘা = ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ৩৩০০০ বর্গলিংক
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ বিঘা = ১৪৪০০ বর্গফুট = ১৩৩৮ বর্গ মিটার
১ বিঘা = ১৬ গন্ডা ২ করা ২ ক্রান্তি
৩ বিঘা = ১ একর (মোটামুটি) = ১৬০০ বর্গইয়ার্ড
৭৪১ বিঘা=১৪৮২০
কাঠা=১০৬৭০৪০০ বর্গফুট =৯৯১৬৭২
বর্গমিটার= ১বর্গকিলোমিটার=২৪৭একর
৭.৪১বিঘা=১৪৮.২কাঠা=১০৬৭০৪ বর্গফুট =৯৯১৩ বর্গমিটার=১
হেক্টর=২.৪৭একর
জেনে নিন খতিয়ান, পর্চা, চিটা, দখলনামা, বয়নামা, জমাবন্দি, দাখিলা, হুকুমনামা, জমা খারিজ, মৌজা কি?
পাকি পরিমাপক
১ পাকি = ১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ
১ পাকি = ২০ কাঠা = ৩৩ শতাংশ
শতাংশ নির্ণয়ের সুত্র
১.৬৫ শতাংশ = ১ কাঠা = ১৬৫
অযুতাংশ =৭২০ বর্গফুট
(মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১ শতক = ৪৩৫.৬ বর্গফুট
(মোটামুটি)
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
৩৩ শতাংশ = ১ পাকি = ১ বিঘা =
২০ কাঠা
১ শতাংশ =১৯৩.৬ বর্গহাত
২৪৭.১০৫ শতাংশ = ১ আয়ের
একর পরিমাপক
১ একর = ১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) =
৪৩৫৬০ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ৪৩৫৬৯ বর্গফুট
১ একর = ১০০ শতক = ১০০০০০ বর্গলিংক
১ একর = ১৯৩৬০ বর্গহাত
১ একর = ৪৮৪০ বর্গগজ
১ একর = ৪০৪৭ বর্গ মিটার = ০.৬৮০ হেক্টর
৬৪০ একর = ১ বর্গমাইল
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ একর = ২ কানি ১০ গন্ডা ( ৪০ শতক কানি অনুসারে)
২৪৭ একর = ১ বর্গকিলোমিটার
হেক্টর পরিমাপক
১ হেক্টর=২.৪৭একর
১ হেক্টর = ৭.৪১বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৮.২কাঠা
১ হেক্টর = ১০৬৭০৪ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১০০০০ বর্গমিটার =৯৯১৩ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ১.৪৭ একর
১ আয়ের = ২৮.৯ বিঘা
১ হেক্টর = ১৪৭.১০৫ শতক
১ হেক্টর = ৪৭৮৯.৫২৮ বর্গহাত
১ হেক্টর = ১০৭৬৩৯ বর্গফুট
১ হেক্টর = ১১৯৫৯.৮৮২ বর্গগজ
১ হেক্টর = ৭.৪৭৪ বিঘা
১ হেক্টর = ১০০ আয়ের
গন্ডা পরিমাপক
১ গন্ডা = ৪ করা= ৮৬৪ বর্গফুট = ৬ বিঘা
২০ গন্ডা = ১ কানি = ৪০০০০ বর্গলিংক = ১ ছতাক
১ গন্ডা = ৩৮৪ বর্গহাত
১ গন্ডা = ৯৬.৮ বর্গগজ
১ গন্ডা = ৮০.২৫ বর্গমিটার
চেইন পরিমাপক
১ চেইন = ৬৬ ফুট = ১০০ লিংক = ৮৮ হাত
১ চেইন = ২২ গজ = ২০.১২ মিটার = ৭৯২ ইঞ্চি
১০ বর্গচেইন = (৬৬*৬৬০) = ৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর
১ বর্গচেইন = ১০০০০০ বর্গলিংক = ১ একর
১০ বর্গচেইন = ১৯৩৬০ বর্গ হাত
করা পরিমাপক
১ করা = ৩ কানি = ২১৬ বর্গফুট
১ করা = ২৪.২ বর্গগজ
১ করা = ২০.০৬ বর্গমিটার
৪ করা= ৮৬৪ বর্গফুট = ১ গন্ডা
১ করা = ৯৬ বর্গহাত
১ কানি = ৭২ বর্গফুট = ২০ তিল
৩.৬ বর্গফুট = ১ তিল
১ করা = ৪ কাক
লিংক পরিমাপক
২০০০ বর্গলিংক = ৪ করা = ১ গণ্ডা
৫০০ বর্গলিংক = ৩ কান্তি = ১ করা
ক্রান্তি তিল পরিমাপক
১ ক্রান্তি = ১৬০.৬৬ বর্গলিংক = ২০ তিল = ৬.৬৮ বর্গ মিটার
৮.৩৩ বর্গলিংক = ১ তিল = ১.৬ বর্গহাত
১ ক্রান্তি = ৩২ বর্গহাত
১ তিল = ০.৩৩৪ বর্গমিটার = ০.৪০ বর্গগজ
১ ক্রান্তি = ২০ তিল = ৮.০৬ বর্গগজ
ধুল পরিমাপক
1 কন্থ = 6 ডন্ট = ৭২ বর্গফুট
1 ধন্ধ = ৭ ধুল = ১২ বর্গফুট
১ ধুল = ৩০ রেনু = ১.৭১ বর্গফুট
১ রেনু = ০.০৫৭ বর্গফুট
৮ হাত নল
12 নল * 10 নল = 12


সমাধানের ক্ষেত্রে ২০ তিল = ১ ক্রান্তি, ৩ ক্রান্তি = ১ কড়া, ৪ কড়া = ১ গণ্ডা, ২০ গণ্ডা = ১ আনা ধরে সমাধান করা হয়েছে।

আধুনিকালে একরে অংশ লেখার (অযুতাংশে) নমুনা :
০.০০২৫ একর = কোয়ার্টার শতাংশ
০.০০৫ একর = আধা শতাংশ
০.০০৭৫ একর = পৌনে এক শতাংশ
০.০১ একর = এক শতাংশ
০.০১২৫ একর = সোয়া শতাংশ
০.০১৫০ একর = দেড় শতাংশ
০.০১৭৫ একর = পৌনে দুই শতাংশ
০.০২ একর = দুই শতাংশ
০.১০ একর = দশ শতাংশ
১.০ একর = ১ একর = ১০০ শতাংশ

জমি পরিমাপের মেট্রিক বনাম ব্রিটিশ পদ্ধতি :
১ বর্গ ইাঞ্চ = ৬. ৪৫ বর্গসেন্টিমিটার
১ বর্গফুট = ৯২৯ বর্গসেন্টিমিটার
৯ বর্গফুট = .৮৩৬ বর্গমিটার
১ বর্গগজ = ৪.৮৪ বর্গমিটার
৬৬.৮৯ বর্গমিটার = ১ কাঠা
১৩৩৭.৮ বর্গমিটার = ১ বিঘা
১৪৪ বর্গ ইাঞ্চ = ১ বর্গফুট
৯ বর্গফুট = ১ বর্গগজ
৪৮৪ বর্গগজ = ১ বর্গগজ চেইন
৪৩৫.৬ বর্গফুট = ১ শতক
১০ বর্গ চেইন = ১ একর
১ একর = ৩ বিঘা ৯ ছটাক
১০ মিলিমিটার = ১ সেন্টিমিটার
১০ সেন্টিমিটার = ১ ডেসিমিটার
১০ ডেসিমিটার = ১ মিটার
১০ মিটার = ১ ডেকামিটার
১০ ডেকামিটার = হেক্টোমিটার
১০ হেক্টোমিটার = ১ কিলোমিটার
১০০০ মিটার = ১ কিলোমিটার
১ সেন্টিমিটার = ০.৩৯ ইঞ্চি
৩০ সেন্টিমিটার = ১ ফুট
১ ডেসিমিটার = ৩.৯৪ ইঞ্চি
১ মিটার = ৩৯.৯৮ ইঞ্চি
১ ডেকামিটার = ৩২.৮২ ফুট
১ হেক্টোমিটার = ১০৯.৬৮ গজ
১ কিলোমিটার = ১০৯৩.৮৪ গজ

জমি পরিমাপের দেশীয় ব্রিটিশ পদ্ধতি :
১ হাত = ১৮ ইঞ্চি
১ বর্গহাত = ৩২৪ বর্গইঞ্চি
৪ বর্গহাত = ১ বর্গগজ
৫ বর্গগজ = ১ ছটাক
১৬ ছটাক = ১ কাঠা আবার ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট
২০ কাঠা = ১ বিঘা আবার ১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ
১ চেইন = ১০০ লিংক
১ চেইন = ৬৬ ফুট
১ চেইন = ২২ গজ
১ চেইন = ২০.১২ মিটার
১০ চেইন = ১ ফার্লং
৮ র্ফালং = ১ মাইল আ ১৭৬০ গজ।

বিভিন্ন এককে জমির পরিমাণ নির্ণয় :
চেইন ঃ
১ চেইন = ৭৯২ ইঞ্চি
১ চেইন = ৬৬ ফুট
১ চেইন = ২২ গজ
১ চেইন = ৪৪ হাত
১ চেইন = ২০.১২ মিটার
১ চেইন = ১০০ লিংক

বর্গহাত ঃ
১.৬ বর্গহাত = ১ তিল
৩২ বর্গহাত = ১ ক্রান্তি বা ২০ তিল
৯৬ বর্গহাত = ১ কড়া
৩৮৪ বর্গহাত = ১ গণ্ডা
৬৪০০ বর্গহাত = ১ বিঘা
৭৬৮০ বর্গহাত = ১ কানি

বর্গফুট ঃ
৩.৬ বর্গফুট = ১ তিল
৭২ বর্গফুট = ১ ক্রান্তি
২১৬ বর্গফুট = ১ কড়া
৮৬৪ বর্গফুট = ১ গন্ডা
১৪,৪০০ বর্গফুট = ১ বিঘা
১৭,২৮০ বর্গফুট = ১ কানি

হেক্টর ঃ
১ হেক্টর = ১০,০০০ বর্গমিটার
১ হেক্টর = ১১,৯৬০ বর্গগজ
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর
১ হেক্টর = ৭.৪৭ বিঘা

এক একর সম্পত্তিকে বিভিন্ন এককে তুলনামূলক বিশ্লেষণ:
১ একর = ১০০ শতক;
১ একর = ১০ বর্গচেইন;
১ একর = ৬০.০৬ কাঠা (৩৩ শতাংশে ১ বিঘা হিসাবে);
১ একর = ৩ বিঘা ৯ ছটাক;
১ একর = ২ কানি ১০ গণ্ডা ( ৪০ শতাংশে কানি ও ২ শতাংশে গণ্ডা ধরে);
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার;
১ একর = ৪,৮৪০ বর্গগজ;
১ একর = ১৯,৩৬০ বর্গহাত;
১ একর = ৪৩,৫৬০ বর্গফুট;
১ একর = ১,০০,০০০ বর্গলিংক।

এক বিঘা সম্পত্তিতে বিভিন্ন এককে তুলনামূলক বিশ্লেষণ:
১ বিঘা = ২০ কাঠা; ১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গফুট
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ;

Address

আইনজীবি ভবন , ময়মনসিংহ নীচতল Near Lift, মোবাঃ ০১৭১১৯২১৪১৬
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ময়মনসিংহ মেট্রোপলিটন ল ফার্ম আইনি পরামর্শ ০১৭১১৯২১৪১৬ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share