আইনি পরামর্শ ও সহায়তা কেন্দ্র

আইনি পরামর্শ ও সহায়তা কেন্দ্র সকল প্রকার আইনগত পরামর্শ ও সেবা প্রদা?

03/05/2023

হাইকোর্টের নির্দেশনা,অবাধ্য স্ত্রীকে ভরণপোষণ দিতে স্বামী বাধ্য নয়।

(১৪ ডিএলআর, পৃষ্ঠা-৪৬৫)।

▪️হঠাৎ মিথ্যা মামলা হলে করণীয়ঃ ধরুন, কেউ আপনার বা আপনার কোন আত্মীয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ঠুকে দিলো। আপনি বুঝতে পারছেন ...
26/04/2023

▪️হঠাৎ মিথ্যা মামলা হলে করণীয়ঃ

ধরুন, কেউ আপনার বা আপনার কোন আত্মীয়ের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ঠুকে দিলো। আপনি বুঝতে পারছেন আপনার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

অথবা কেউ শত্রুতাবশত বা অন্য কোন কারনে আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ঠুকে দিলেন।
আপনি মামলার খবর শুনে যতটা হতবাক, তার চেয়েও দুশ্চিন্তায় পড়লেন, কিভাবে মিথ্যা মামলার অভিযোগ থেকে রেহাই পাবেন। পুলিশও মামলা গ্রহণ করে গ্রেপ্তার করলো এবং আদালতে চালান করে দিলো। তখন করণীয় কি হবে বা মামলা হতে কিভাবে মুক্তি পাওয়া যাবে এ বিষয়ে অনেকেরই ধারনা থাকে না। আবার মিথ্যা মামলা দায়ের করার পর মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হলে আপনিও মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারবেন। তাহলে আসুন এর করণীয় সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।

প্রথমে আপনাকে মনে রাখতে হবে, আপনি অপরাধী, না নিরপরাধ, সেটি মামলায় অভিযুক্ত হলেই নিশ্চিত করে বলা যাবে না। আইনের চোখে আপনার বিরুদ্ধে অপরাধ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আপনি নিরপরাধ। ধরুন, আপনার বিরুদ্ধে একটি ফৌজদারি মামলা হলো। আপনি দোষী বা নির্দোষ, সেটি পরে প্রমাণিত হবে।
কিন্তু প্রাথমিকভাবে আপনি যেন এ মামলা সুষ্ঠুভাবে মোকাবিলা করতে পারেন, সেই চেষ্টা করতে হবে।

▪️থানায় মামলা হলে করণীয় -

যদি আপনার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়, তাহলে এজাহারের কপিটি সংগ্রহের চেষ্টা করুন। আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করুন। মামলার এজাহারে দেখতে হবে, অভিযোগগুলো জামিনযোগ্য বা জামিনঅযোগ্য কি না। অভিযোগ তেমন গুরুতর না হলে এবং জামিনযোগ্য হলে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইতে পারেন।

যদি এমন হয় যে আপনি জানতে পারলেন না, আপনার বিরুদ্ধে থানায় এজাহার হয়েছে। পুলিশ এসে আপনাকে গ্রেপ্তার করল। আপনাকে থানায় নিয়ে গেল। গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে। তখন আপনার আইনজীবীর মাধ্যমে জামিনের আবেদন করতে হবে। যদি রিমান্ড চায় পুলিশ, তাহলে আপনার আইনজীবীর উচিত হবে রিমান্ড বাতিলের জন্য আবেদন করা। যদি জামিন দেন আদালত, তাহলে একজন পরিচিত জামিনদারের জিম্মায় আপনার জামিননামা সম্পাদন করতে হবে। যদি জামিন না হয়, তাহলে পর্যায়ক্রমে উচ্চ আদালতে আবেদন করতে হবে।

নিম্ন আদালতে অব্যাহতি না পেলে পর্যায়ক্রমে উচ্চ আদালতের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে অভিযোগ জামিন-অযোগ্য হলে অনেককে হাইকোর্ট বিভাগে উপযুক্ত কারণ দেখিয়ে আগাম জামিন চাইতে দেখা যায়। হাইকোর্ট বিভাগ আগাম জামিন সাধারণত নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত দিয়ে থাকেন। এ মেয়াদের মধ্যেই নিম্ন আদালতে গিয়ে জামিননামা সম্পাদনের জন্য আবেদন করতে হবে। আদালতে প্রতি তারিখে হাজিরা দেওয়া বাধ্যতামূলক। কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়া অনুপস্থিত থাকলে আপনার জামিন বাতিল করে দিতে পারেন আদালত।

জামিন সাধারণত পুলিশ প্রতিবেদন হওয়ার আগেই চাইতে হয়। তবে পুলিশ অভিযোগপত্র দাখিল করার আগে উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণ দিয়ে আপনার বিরুদ্ধে যে মিথ্যা অভিযোগটি দায়ের করা হয়েছে, তা প্রমাণের চেষ্টা করুন। তদন্তকারী কর্মকর্তা আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগটির সত্যতা না পেলে আপনাকে নির্দোষ দেখিয়ে চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবেন। চার্জশিট বা অভিযোগপত্র হয়ে গেলে আপনার মামলাটি বিচারিক আদালতে বদলি হবে। অভিযোগ গঠনের দিন আপনাকে হাজির হয়ে নতুন করে পূর্বশর্তে জামিন চাইতে হবে এবং জামিননামা সম্পাদন করতে হবে। তখন আপনি মামলা থেকে অব্যাহতির জন্য আবেদন করতে পারেন।

▪️আদালতে মামলা হলে করণীয় -

যদি থানায় মামলা না হয়ে আদালতে মামলা (সিআর মামলা) হয়, তাহলে আদালত সমন দিতে পারেন কিংবা গ্রেপ্তারি পরোয়ানাও জারি করতে পারেন। এক্ষেত্রে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইতে হবে এবং পরবর্তী সময়ে মামলার কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হবে। মামলা সাক্ষ্য পর্যায়ে গেলে উপযুক্ত সাক্ষ্যপ্রমাণ উপস্থাপন করতে হবে। যদিও মামলার অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ যিনি মামলা করেন তাঁর ওপর বর্তায়। অনেক সময় মিথ্যা মামলা হলে মামলাকারী মামলা ঠুকে দেওয়ার পর আর হাজির হন না। এ ক্ষেত্রে কয়েকটি তারিখ যাওয়ার পর মামলা থেকে খালাস পাওয়ার জন্য আবেদন করার সুযোগ আইনে রয়েছে।

▪️হাইকোর্ট বিভাগে জামিন-

ক্ষেত্রবিশেষে হাইকোর্ট বিভাগে আগাম জামিন চাইতে পারেন। মনে রাখতে হবে, সিআর মামলায় অভিযুক্ত সব আসামি হাজির হলেই বিচারের জন্য মামলাটি বদলি করা হয়। আপনি কোনো কারণে হাজির না হলে আপনার জামিন বাতিল হতে পারে। পর্যায়ক্রমে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি হতে পারে। এতে হাজির না হলে আপনার মালামাল ক্রোকের আদেশ হতে পারে এবং আপনার অনুপস্থিতিতেই বিচার হতে পারে।

▪️মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে করণীয়-

সাক্ষ্যপ্রমাণে আপনি নির্দোষ প্রমাণিত হলে মিথ্যা অভিযোগকারী বা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে আপনি প্রচলিত আইনেই মামলা দায়ের করতে পারেন। এক্ষেত্রে আপনি তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত আইনি ব্যবস্থাও নিতে পারবেন। আইনে মিথ্যা মামলা দায়েরকারীর বিরুদ্ধে উপযুক্ত সাজার বিধান রয়েছে এবং আপনি চাইলেই ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

▪️আরেকটি কথা, যদি মিথ্যা মামলার শিকার হয়েই যান কেউ, তাহলে আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মামলাটি লড়ে যেতে হবে। যদি দলিলপত্র ও সাক্ষ্যপ্রমাণ ঠিক থাকে, তাহলে মিথ্যা মামলা থেকে রেহাই মিলবে। মামলা থেকে পালিয়ে থাকা বুদ্ধিমানের কাজ নয়। এতে আপনার অনুপস্থিতিতেই সাজা হয়ে যেতে পারে। তবে ফৌজদারি মামলায় জামিনের বিষয় জড়িত থাকে। জামিন বিষয়ে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হতে পারে। মিথ্যা মামলা হলে রেহাই মিলে। থানায় মামলা হলে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে যথাযথ সত্যতাসহ যাবতীয় দলিল উপস্থাপন করতে হবে।
যদি আপনার বিরুদ্ধে দেওয়ানি মোকদ্দমা হয়, তাহলে জবাব দাখিলের জন্য আদালত আপনাকে সমন পাঠাবেন। নির্ধারিত তারিখে হাজির হয়ে আইনজীবীর মাধ্যমে জবাব দাখিল করতে হবে। পরবর্তী সময়ে মোকদ্দমা ধারাবাহিকভাবে এগোবে।

মনে রাখতে হবে আইনের চোখে আমরা সবাই সমান। এটাও মনে রাখতে হবে অপরাধী হলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে, আর নিরপরাধ হলে আপনি মুক্তি পাবেন।

দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে আসুন আমরা সবাই জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন করি।
19/11/2022

দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দিয়ে আসুন আমরা সবাই জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন করি।

12/10/2022

কখনো নিজের জমিতে অন্যকে থাকতে দিবেন না। কেননা এমন অনেকেই যাহারা তাদের জমি অন্যকে দয়া করে থাকতে দিছে বা রক্ষণাবেক্ষণ করতে দিছে।। পরবর্তীতে যখন জরিপ আসছে তখন সেই রক্ষণাবেক্ষণকারী সেই জমি নিজের নামে রেকর্ড করে নিয়েছে।। যার জমি তার কোনো খবর নাই।। অপ্রিয় হলেও সত্য এদেশের অধিকাংশ মানুষ ভালো না, অকৃতজ্ঞ ।।

⛔ কোর্ট ম্যারেজ কি এবং কিভাবে করতে হয়?⛔ তালাক দেওয়ার নিয়ম বা পদ্ধতি কি?⛔ দেনমোহর কি এবং পরিশোধের পদ্ধতি কি?নিম্নে  বিস্ত...
15/09/2022

⛔ কোর্ট ম্যারেজ কি এবং কিভাবে করতে হয়?
⛔ তালাক দেওয়ার নিয়ম বা পদ্ধতি কি?
⛔ দেনমোহর কি এবং পরিশোধের পদ্ধতি কি?
নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হইল -

⛔ আমাদের দেশে এখনও অধিকাংশ মানুষ বিবাহ, মোহরানা এবং তালাক সম্পর্কে ভুল ধারনা পোষণ করেন। সাধারণ মানুষ বিবাহ ও মোহরানা নিয়ে যে ভুল ধারণাগুলো পোষন করেন এই বিষয়ে আইন কি বলে চলুন তা জেনে নেই।

⛔ মুসলিম বিবাহ:
বিবাহের আরবি শব্দ হলো ‘নিকাহ’। ইসলামে বিবাহ হলো একটি দেওয়ানি চুক্তি এবং বিবাহের অন্যতম দুইটি প্রধান শর্ত হলো এক পক্ষ কর্তৃক প্রস্তাব প্ৰদান এবং অন্য পক্ষ কর্তৃক প্রস্তাব গ্রহণ। মুসলিম বিবাহ প্রাপ্ত বয়স্ক দুই জন পুরুষ বা একজন পুরুষ ও দুইজন নারী সাক্ষীর উপস্থিতিতে সম্পাদন করতে হয়।
মুসলিম আইনে সাবালকত্ব বা বয়ঃসন্ধি বিবাহের যোগ্যতা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু বাল্যবিবাহ নিরোধ আইন, ২০১৭ অনুযায়ী ছেলে ও মেয়ের বিয়ের বয়স যথাক্রমে ২১ ও ১৮ বছরে নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখিত বয়সের চেয়ে কম বয়সে ছেলে বা মেয়ের বিবাহ হলে বিবাহটি বৈধ তবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

⛔ মুসলিম বিবাহ নিবন্ধন :
মুসলিম বিবাহ ও বিচ্ছেদ নিবন্ধন আইন, ১৯৭৪ এর ৩ ধারা অনুযায়ী মুসলিম বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। এই আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী বিবাহ নিবন্ধক নিজেই যদি বিবাহ সম্পাদন করেন তাহলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবেই বিবাহ নিবন্ধন করবেন। তবে অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক বিবাহ সম্পাদিত হয়ে থাকলে, বর বিয়ে সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে বিবাহ নিবন্ধকের কাছে গিয়ে বিয়ে রেজিস্ট্রি করে নিবেন। বিবাহ নিবন্ধন না করলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন।

⛔ কোর্ট ম্যারেজ:
প্রচলিত অর্থে কোর্ট ম্যারেজ বলতে সাধারণত হলফনামার মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিয়ের ঘোষণা দেওয়াকেই বোঝানো হয়ে থাকে। এ হলফনামাটি ২০০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখে নোটারি পাবলিক কিংবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। এটি বিয়ের ঘোষণামাত্র। অর্থাৎ এ হলফনামার মাধ্যমে বর-কনে নিজেদের মধ্যে আইন অনুযায়ী বিয়ে হয়েছে, এ মর্মে ঘোষণা দেয় । কেউ চাইলে বিয়ে সম্পাদন ও নিবন্ধনের আগে / পরে হলফনামার মাধ্যমে বিয়ের ঘোষণা দিতে পারে।

⛔ মোহরানা ও তালাক নিয়ে আইনের বিধান:
আমাদের সমাজে একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে- যদি স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে তালাক দেওয়া হয় তাহলে স্বামীকে দেনমোহর পরিশোধ করতে হবে না। এটি একটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা।
স্ত্রী তালাক দিলেও স্বামীকে মোহরানা পরিশোধ করতে হবে। স্ত্রী তালাক প্রদানের পর মোহরানা, ইদ্দতকালীন ভরণপোষণ ও বকেয়া ভরণপোষণ (যদি থাকে) এর জন্য পারিবারিক আদালতে মামলা দায়ের করতে পারবেন।
স্ত্রী যদি বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে চান তাহলে তখন দেখতে হবে কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামটিতে তালাকের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে কিনা, যদি ১৮ নম্বর কলামে ক্ষমতা দেওয়া হয়, তাহলে খুব সহজেই মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর বিধান অনুসরণ করে নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন।
তবে ক্ষমতা প্রদান করা না থাকলে, মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ এর ২ ধারায় উল্লেখিত ৯ টি কারণের এক বা একাধিক কারণে স্ত্রী আদালতের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন।
এছাড়াও আরো ২ভাবে স্ত্রী কর্তৃক বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটানো যায়, একটি হলো খুলা তালাক ও অপরটি হলো মুবারাত।
খুলা তালাকের ক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীকে তালাকের প্রস্তাব প্রদান দেন এবং স্বামী উক্ত প্রস্তাব গ্রহণ করেন। এই ক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীকে প্রতিদান দেন। সাধারণত স্ত্রী প্রতিদানস্বরূপ সম্পূর্ণ বা আংশিক মোহরানার দাবি পরিত্যাগ করে থাকেন।
মুবারাত হচ্ছে স্বামী ও স্ত্রী উভয়েই বিবাহ বিচ্ছেদ চায়, উভয়ে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে চুক্তির মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটানো।

তাছাড়া অত্র পেইজে ইতিপূর্বে অনেক আইনগত পরামর্শ পোস্ট করা আছে, আপনি চাইলে সেগুলো পড়তে পারেন। তাছাড়া নিত্যনতুন বিভিন্ন আইনগত তথ্য পেতে আমাদের সাথে থাকুন।
প্রয়োজনে কল করুন 01755329000

খতিয়ান বা রেকর্ড সংশোধন এর পদ্ধতি
21/08/2022

খতিয়ান বা রেকর্ড সংশোধন এর পদ্ধতি

10/07/2022

Address

Zero Point Mymensingh
Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইনি পরামর্শ ও সহায়তা কেন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to আইনি পরামর্শ ও সহায়তা কেন্দ্র:

Share