LawWar.Win - Connecting People To Lawyers

  • Home
  • LawWar.Win - Connecting People To Lawyers

LawWar.Win -  Connecting People To Lawyers Bangladesh's first legal marketplace for connecting people to right lawyer. Copyright ID is CRW-17542.

Whether you hire a lawyer or do it yourself, this SDGs focused female friendly 360 legal tech startup is enough & beyond.

25/02/2022

A police officer from Delhi, India was drinking Coca-Cola while Virtual Court was going on, What happened next just Watch!!!

সকল উদ্দোক্তাদের জন্য এটা সুসংবাদ, একটি ব্যাবসা কেউ শুরু করতে গেলে তার কাগজপত্র বৈধতা প্রাপ্তি পেতে যতোটুকু ঝামেলা পোহাত...
03/02/2021

সকল উদ্দোক্তাদের জন্য এটা সুসংবাদ, একটি ব্যাবসা কেউ শুরু করতে গেলে তার কাগজপত্র বৈধতা প্রাপ্তি পেতে যতোটুকু ঝামেলা পোহাতে হয় সেটা অনেক কঠিন তাই অনেকে উদ্যোক্তা হতে গিয়ে পিচু হটে। একক পদ্ধতিতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে আরজেএসসিতে। এখন থেকে আর নামের ছাড়পত্র আলাদা ভাবে নিতে হবেনা। ১লা ফ্রেরুয়ারী ২০২১ সাল থেকে আরজেএসসিতে একক পদ্ধতিতে নিবন্ধন প্রক্রিয়া চালু হয়েছে। নাম থেকে শুরু করে রেজিস্ট্রেশন ফি সব একসাথে ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমেই জমা দেয়া যাবে।

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত আরো এক মাস বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড...
30/11/2020

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের আয়কর রিটার্ন জমা দেওয়ার সময় ৩১ শে ডিসেম্বর, ২০২০ পর্যন্ত আরো এক মাস বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এনবিআর

যারা জিরো রিটার্ন সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন, তাদের জ্ঞাতার্থেঃ

আপনি যদি e-TIN ধারি হন বা আপনার বার্ষিক আয় যদি ৪ লাখ টাকার কম ও মোট সম্পদের পরিমাণ ৪০ লাখ টাকার কম হয় তবে আপনি ১ পৃষ্টার এই নতুন ফরম পূরণের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন এবং যাঁরা আয়কর জিরো রিটার্ন জমা দিতে চান তিনিও এই ফরম পূরণের মাধ্যমে আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারবেন।
এ বছর অনলাইনে আয়কর নেয়া হচ্ছে না তাই কষ্ট করে আঞ্চলিক এলাকায় যেয়েই জমা দিতে হবে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: যারা জিরো রিটার্ন জমা দিতে চান তাঁদের সবার করযোগ্য আয় কিন্তু জিরো হবে না। সবচেয়ে ভালো হয় করযোগ্য আয় নির্ণয়ের সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি দেখে নিলে এবং যারা জিরো রিটার্ন জমা দিচ্ছেন তাঁরা সবাই কিন্তু মোট সম্পদের পরিমানের স্থানটি ফাঁকা রাখবেন না। আপনার সর্বোচ্চ যে সম্পদ থাকবে তা উল্লেখ করবেন।
কর নির্ণয়ের একটি নমুনা :
ধরি, আপনার বছরে মূল বেতন ৩,০০,০০০ টাকা এবং বাড়ি ভাড়া বাবদ পান ২,০০,০০০ টাকা। তাহলে মোট আয় দাড়ায় ৫,০০,০০০ টাকা। তাহলে তাঁর করযোগ্য আয় হবে (মোট আয় – মূল বেতনের ৫০%, এনবিআরের নীতিমালা অনুযায়ী) অর্থাৎ (৫,০০,০০০– ১,৫০,০০০) = ৩,৫০,০০০ টাকা। যেহেতু করযোগ্য আয় ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত করের পরিমাণ শূন্য টাকা সেহেতু তাঁর করের পরিমাণ হবে (৩,৫০,০০০ – ৩,০০,০০০) x ৫% = ২,৫০০ টাকা । ধরি আপনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশনে থাকেন তাই আপনাকে নূন্যতম কর ৫,০০০ টাকা দিতে হবে।

এবার আপনি আপনার হিসেব করে ফর্ম পূরণ করে সাথে আপনার NID এর ফটোকপি এবং অন্যান্য কাগজ সহ জমা দিন। ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট সহ জমা দিলে পরবর্তিতে অনেক সুবিধা পাবেন। ছবি সত্যায়িত করে নিবেন।

আরো কোন ইনফো দরকার হলে ইনবক্স করতে পারেন m.me/lawwar.win এ 😊 ধন্যবাদ।

26/09/2020

চালানপত্র ১০১

চালানপত্র কী ও কেন?

চালানপত্র হলো মূসক আইনের অধীনে যত ধরণের দলিল সংরক্ষণ করতে হয়, তার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পণ্য/সেবা বিক্রয়ের সময় ক্রেতার হাতে যে ক্যাশমেমো বা ইনভয়েস দেয়া হয়, সেটাই মূসক চালানপত্র। মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন ২০১২ এর ধারা ৫১ অনুযায়ী মূসক ৬.৩ বা মূসক ৬.৯ ফরমে পণ্য/সেবা বিক্রয়ের সমর্থনে পণ্য/সেবার পরিমাণ, মূল্য ও মূসকের পরিমাণ উল্লেখ করে যে রশিদ বা ক্যাশমেমো দেয়, সেটিই হলো চালানপত্র। এটি হলো পণ্য/সেবার মালিকানা সংক্রান্ত দলিল। ধরা যাক, আপনি জমি ক্রয় করেছেন কিন্তু সাফ কবলা দলিল করাননি কিংবা আপনার দলিলটা জাল কিংবা জমির মালিক আগে অন্য কারো কাছে একই জমি বিক্রয় করেছেন। এরূপ ক্ষেত্রে আপনি যেমন জমির মালিকানা দাবি করতে পারবেন না, ঠিক তেমনি বৈধ মূসক চালানপত্র ছাড়া পণ্য/সেবার বৈধ মালিক হওয়া যায় না। চালানপত্র অবৈধ হলে মূসক ফাঁকি হয়, গৃহীত রেয়াত অবৈধ হয়ে যায়। যে ব্যবসায়ী ভুয়া বা অবৈধ মূসক চালানপত্রের মাধ্যমে পণ্য বা সেবা বিক্রয় করেন, তিনি প্রকারান্তরে ভোক্তা বা ক্রেতার দেয়া ভ্যাট আত্নসাৎ করেন।

চালানপত্র বৈধ হওয়ার শর্ত কী?

১. এটি কমপক্ষে দুই প্রস্তে ইস্যু করতে হবে। যার একটি ক্রেতা পাবেন। আরেকটি কপি বিক্রেতা নিজে ৫ বছর সংরক্ষণ করবেন।
২.ক্রমিক নম্বরের ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ণ রেখে চালানপত্র ইস্যু করতে হবে। অর্থাৎ ১ নং চালানের পর ২নং চালানই ইস্যু করতে হবে, ৩নং চালান ইস্যু করা যাবে না।
৩.সুনির্দিষ্ট করের ক্ষেত্রে মূসক চালানপত্র ইস্যুর সময় প্রকৃত মূল্য অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে। যেমন: ১টন এমএস রডের প্রকৃত মূল্য ৬০০০০ টাকা হলে ৫টন রডের চালানপত্রের হিসাব হবে নিম্নরূপ:
চালানপত্রের ৫নং কলামে একক মূল্য লিখতে হবে ৬০০০০/- টাকা। ৬ নং কলামে ৩০০০০০/-টাকা, ৯নং কলামে টনপ্রতি সুর্নিদিষ্ট মূসকের পরিমাণ ২০০০/- টাকা। ১০ নং কলামে মূসকের পরিমাণ ১০০০০/- টাকা এবং ১১নং কলামে মূসকসহ মূল্য হবে ৩,১০,০০০/-টাকা।
৪. কম্পিউটারে চালানপত্র ইস্যু করা যাবে।

মূসক চালানপত্র বাতিল করা যায় কি?

মূসক চালানপত্র একবার ইস্যু করা হলে তা বাতিল করা যায় না। এমনকি কাটা ছেড়া করা যায় না। তবে ক্রেডিট নোট এবং ডেবিট নোটের মাধ্যমে সংশোধন করা যায়। ক্রেডিট নোট ও ডেবিট নোট উভয়ই হলো সংশোধিত মূসক চালানপত্র। চালানপত্রে মূসকের পরিমাণ (ক্ষেত্রমত সম্পূরক শুল্ক) ভুলবশত: বা ভুল ব্যাখ্যার কারণে কম বা বেশি হলেই কেবল সরবরাহকারী কর্তৃক ক্রেতার অনুকূলে ক্রেডিট নোট অথবা ডেবিট নোট ইস্যু করতে হয়।
ভুলবশত: বা ভুল ব্যাখ্যার কারণে সরবরাহকারী কর্তৃক মূসক চালানপত্রে মূসক বা সম্পূরক শুল্ক বা উভয়ই বেশি উল্লেখ করা হয় অথবা কোন কারণে যদি ক্রেতা কর্তৃক আংশিক বা সম্পূর্ণ পণ্য বা সেবা ফেরত প্রদান করা হয়, সেক্ষেত্রে মূসক ৬.৭ ফরমে ক্রেডিট নোট ইস্যু করতে হয়। এর মাধ্যমে করদায়িতার হ্রাসকারী সমন্বয় ঘটে অর্থাৎ করভার কমে।
ভুলবশত: বা ভুল ব্যাখ্যার কারণে সরবরাহকারী কর্তৃক মূসক চালানপত্রে মূসক বা সম্পূরক শুল্ক বা উভয়ই কম উল্লেখ করা হলে বা পণ্য ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে মূসক ৬.৮ ফরমে ডেবিট নোট ইস্যু করতে হয়। এর মাধ্যমে করদায়িতার বৃদ্ধিকারী সমন্বয় ঘটে অর্থাৎ নিবন্ধিত ব্যক্তির করভার বৃদ্ধি পায়।

এক নজরে চালানপত্র সংক্রান্ত কতিপয় তথ্য

🍀 প্রতিটি গাড়ির জন্য অথবা প্রতিটি সরবরাহের জন্য আলাদা আলাদা চালানপত্র ইস্যু করতে হবে।
🍀 প্রতিটি ক্রেতার জন্য (একই গাড়িতে সরবরাহ করা হলেও) আলাদা চালানপত্র ইস্যু করতে হবে।
🍀 মূসক-৬.৩ চালানের হিসাব বিক্রয় রেজিস্টার মূসক-৬.২ তে এন্ট্রি করতে হবে।
🍀 মূসক-৬.৩ চালানসমূহ ব্যবসাস্থলে ৫ বছর সংরক্ষণ করতে হবে।
🍀প্রজ্ঞাপন দ্বারা অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য বা সেবা সরবরাহের ক্ষেত্রে অবশ্যই ৬.৩ চালানপত্র ইস্যু করতে হবে। এটি অব্যাহতি পাওয়ার পূর্বশর্ত।
🍀 রপ্তানীর ক্ষেত্রেও মূসক ৬.৩ চালানপত্র ইস্যু করতে হবে।
🍀 সাব-কন্ট্রাক্ট বা চুক্তিভিত্তিক উৎপাদনের ক্ষেত্রে মূসক ৬.৪ ফরমের মাধ্যমে উপকরণ স্থানান্তর করতে হবে। এটিও এক ধরণের চালানপত্র।
🍀 কেন্দ্রীয় নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন ইউনিট বা শাখাসমূহের পণ্য স্থানান্তর বা চলাচলের ক্ষেত্রে মূসক ৬.৫ ব্যবহার করতে হয়।

To know more inbox us at m.me/lawwar.win

আমদানি নীতি আদেশ 🌏🌏🌏🌏🌏🌏🌏The Imports & Exports Control Act 1950 এর Section 3(1) অনুযায়ী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে Import ...
20/09/2020

আমদানি নীতি আদেশ
🌏🌏🌏🌏🌏🌏🌏

The Imports & Exports Control Act 1950 এর Section 3(1) অনুযায়ী বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে Import Policy Orders (IPO)বা আমদানি নীতি আদেশ জারী করা হয়। কাস্টমস এর সহযোগী আইনের মধ্যে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমদানি নীতি আদেশ ২০১৫-২০১৮ এর প্রধান প্রধান নীতি সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো।

(ক) অবাধে আমদানিযোগ্য পণ্য: এ জাতীয় পণ্য আমদানি তে কোন শর্ত নেই। যে কোন বাণিজ্যিক আমদানিকারক এল সি খুলে তা আনতে পারবেন। যেমন : জামা, জুতা, ছাতা ইত্যাদি।

(খ) শর্তযুক্ত পণ্য: এ জাতীয় পন্য আমদানিতে কিছু শর্ত থাকে তা পরিপালন সাপেক্ষে আমদানি ও খালাসযোগ্য। যেমন : গুড়ো দুধ, হাঁস মুরগীর খাদ্য।

(গ) নিষিদ্ধ পণ্য : এ জাতীয় পণ্য আমদানি হলে কোন ভাবেই খালাসযোগ্য নয়। যেমন: আফিম, হেরোইন, অশ্লীল প্রকাশনা।

(গ) সকল পণ্য LC/LCA খুলে প্রতিযোগিতামূলক মূল্যে আমদানি করতে হবে। (সরকারী/কূটনৈতিক/ব্যক্তিগত আমদানি ব্যতিত)

(ঘ) এলসি/এলসিএ খোলার তারিখ হতে ক্যাপিটাল মেশিনারি ক্ষেত্রে ১৭ মাস ও অন্যান্য ক্ষেত্রে ৯ মাসের মধ্যে পণ্য আমদানি করতে হবে। এর ব্যত্যয় হলে এলসি মেয়াদ চলে গেলে তা সংশোধন করতে হবে।

(ঙ) পণ্যের/মোড়কের গায়ে country of origin লেখা থাকতে হবে। এছাড়াও কান্ট্রি অফ অরিজিন সার্টিফিকেট (রপ্তানিকারক দেশের চেম্বার অফ কর্মাস থেকে ইস্যুকৃত) থাকতে হবে।

(চ) ৫০০০ ইউএস ডলারের অধিক মূল্যের চালানের ক্ষেত্রে ২% মোড়কের গায়ে আমদানিকারকের TIN লেখা থাকতে হবে।

(ছ) পন্যের ইনভয়েসে Commercial Description, C&F value, HS Code যথাযথ থাকতে হবে।

(জ) ইসরাইলী পণ্য আমদানি করা যাবে না।

(ঝ) কোয়ারেন্টাইন : খাদ্য শস্য চাল, গম, ডাল, ছোলা পন্যের ক্ষেত্রে উদ্ভিদ ও সংগনিরোধ (সরকারী) ডিপার্টমেন্ট হতে কোয়ারেন্টাইন সনদ (ফাইটোসেনিটারী সার্টিফিকেট) দাখিল সাপেক্ষে পন্য খালাসযোগ্য হবে।

(ঞ) তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষা : কিছু খাদ্যজাতীয় পন্য খালাসে Radiation free / Fit for human consumption /Health certificate থাকতে হবে। যেমন : গুড়া দুধ খালাসের পূর্বে নমুনা তুলে পারমানবিক শক্তি কমিশন থেকে তেজস্ক্রিয়তা পরীক্ষা করাতে হবে এবং তেজস্ক্রিয়তা মাত্রা সিজিয়াম ১৩৭ এর নিচে থাকতে হবে। শিশু/ মনুষ্য খাদ্যের টিন, প্যাকেট, বস্তার গায়ে পন্যের উৎপাদনের তারিখ ও মেয়াদকাল উল্লেখ থাকতে হবে। খাদ্য তৈরীর উপকরণ প্যাকেটের গায়ে উল্লেখ থাকতে হবে। গুড়া দুধের ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক দেশ থেকেও উল্লেখিত সনদ দাখিল করতে হবে।

(ট) ক্যামিকেল: আমদানি ক্ষেত্রে আধারের গায়ে ক্যামিকেল এর বর্ণনা থাকতে হবে। সালফারসহ বিস্ফোরক জাতীয় ক্যামিকেল এর ক্ষেত্রে বিস্ফোরক অধিদফতর এর অনুমতি পত্র থাকতে হবে। বিষ জাতীয় হলে কৃষি মন্ত্রনালায়ের ছাড়পত্র থাকতে হবে।বিশেষ করে ড্রামের গায়ে হুশিয়ার/সাবধান/বিষ জাতীয় পন্য / শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন এ ধরণের বানী বাংলা ও ইংরেজীতে লেখা থাকতে হবে।

(ঠ) ঔষধ ও এর কাঁচামাল : ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর এর প্রত্যায়ন এবং Block list এটি অন্তর্ভূক্ত থাকতে হবে।

(ড) Scrap/স্ক্রাপ: এলুমিনিয়াম, আয়রন স্ক্রাপ, স্ক্রাপ পেপার: এগুলোর সাথে সংশ্লিষ্ট প্রকৃত শিল্প কারখানা যাদের আছে তারা পোষক দপ্তর এর (মন্ন্রনালয়, সমিতি, চেম্বার, নিয়ন্ত্রন কারী) এর প্রদত্ত হিস্যা অনুযায়ী আমদানি করতে পারেন।

(ঢ) পুরাতন মেশিনারী: যেমন : Textile Machinary এ ক্ষেত্রে আমদানি মেশিনারি আরো ১০ বছর চলবে আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন সার্ভে প্রতিষ্ঠান প্রদত্ত Life spun certificate থাকতে হবে। এটা পন্য Shipment বা জাহাজীকরণের পূর্বেই ইস্যু করতে হবে।

(ণ) পুরাতন ইঞ্জিন ও জেনারেটর : ৫ বছরের অধিক পুরাতন আমদানি করা যাবে না। এক্ষেত্রেও পুরাতন মেশিনারির মত সার্ভে সার্টিফিকেট থাকতে হবে।

( ত) রিকন্ডিশনগাড়ী : ৫ বছর অধিক পুরাতন গাড়ী আমদানি করা যাবে না। পুরাতন গাড়ী প্রস্তুতকারক দেশ থেকে আমদানি করতে হবে। সংশ্লিষ্ট দেশের অটোমোবাইল এসোসিয়েশন এর সনদ ও রেজিস্ট্রেশন ক্যান্সেলেশন সনদ থাকতে হবে। ৩য় কোন দেশ থেকে রিকন্ডিশন গাড়ী আমদানি করা যাবে না। অর্থাৎ জাপানে তৈরি গাড়ী শুধু জাপান থেকেই আমদানি করতে হবে। তবে বিদেশে বসবাসকারী ব্যক্তি তার ব্যবহৃত গাড়ীটি ৫ বছর অধিক পুরাতন না হওয়ার শর্তে ৩য় দেশ থেকে আনতে পারবেন।

(থ) BSTI: কিছুকিছু পন্য বি এস টি আই পরীক্ষায় নির্ধারিত মান অর্জন সাপেক্ষে খালাসযোগ্য। যেমন : Table Fan, tiles, বিস্কুট, সাবান, কসমেটিকস ইত্যাদি।

(দ) নমুনা পন্য: একজন আমদানিকারক বার্ষিক তিন লক্ষ টাকার নমুনা পন্য এলসি/এল সি এ ছাড়াই আমদানি করতে পারবেন।তবে নমুনা পন্য খালাসের সময় আমদানি নিবন্ধন সনদ বা IRC এর পিছনে এন্ট্রি দিয়ে দেবেন।

(ধ) আমদানি নিষিদ্ধ পন্য:
১. পুরাতন অফিস সরঞ্জাম : ফটোকপি মেশিন, ফ্যাক্স, টেলিফোন,
২. জাল মুদ্রা, জাল নোট।
৩. ধর্মীয় আঘাত হানে এমন বই পুস্তক, পোস্টার, সিডি।
৪. অশ্লীল বই, ম্যাগাজিন, চিত্র, চলচ্চিত্র ইত্যাদি।
৫. Off-grade / Sub-standard / job lot/ stock lot নিম্ন মানের পন্য।
৬. সকল প্রকার বর্জ (Wastage) জাতীয় পণ্য।
৭. Bangladesh Survey ডিপার্টমেন্ট প্রকাশিত এর মানচিত্র এর বাইরে এমন কোন মানচিত্র, যেখানে বাংলাদেশকে সঠিকভাবে দেখান হয়নি।
৮.আফিম, হেরোইন, ঘন চিনি(Sodium Cyclamate),কৃত্রিম সরিষার তেল

এখন থেকে, আর্থিক লেনদেনে চেকের পাশাপাশি করতে হবে বৈধ চুক্তিপত্র। অর্থের দাবি মেটাতে শুধু চেক দিলেই হবে না, এখন থেকে প্রম...
17/09/2020

এখন থেকে, আর্থিক লেনদেনে চেকের পাশাপাশি করতে হবে বৈধ চুক্তিপত্র। অর্থের দাবি মেটাতে শুধু চেক দিলেই হবে না, এখন থেকে প্রমাণ করতে হবে দেবার কারণও। সাজার জন্য থাকতে হবে বৈধ চুক্তিপত্র এবং চুক্তিপত্রের লঙ্ঘন। একটি চেক ডিজঅনার মামলার পূর্ণাঙ্গ রায়ে এমন নির্দেশনা দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

অর্থের দাবি মেটাতে শুধু চেক দিলেই হবে না, এখন থেকে প্রমাণ করতে হবে দেবার কারণও। সাজার জন্য থাকতে হবে বৈধ চুক্তিপত্...

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিগণের আত্মসমর্পণ...
05/07/2020

চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি/ব্যক্তিগণের আত্মসমর্পণ সম্পর্কিত প্র্যাকটিস নির্দেশনা সংক্রান্ত!

For more inbox us directly @ m.me/lawwar.win

জমি ও ফ্লাটের দলিল রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন ফি যেখানে ২% ছিল, তা কমে ১% করা হয়েছে, যা আগামী ৫ জুলাই, ২০২০ খ্রিঃ...
04/07/2020

জমি ও ফ্লাটের দলিল রেজিস্ট্রির ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন ফি যেখানে ২% ছিল, তা কমে ১% করা হয়েছে, যা আগামী ৫ জুলাই, ২০২০ খ্রিঃ তারিখ থেকে কার্যকর হবে।

বাংলাদেশের ভূমি আইন সংক্রান্ত আপডেটগুলো নিয়মিত মেইল পেতে http://bit.ly/lwwlandupdates ফিলাপ করুণ; চাইলে ইনবক্সেও জিজ্ঞেস করতে পারেন m.me/lawwar.win

17/06/2020

উত্তরাধিকারের ক্ষেত্রে হিন্দু আইনের বিধানঃ

কোন ব্যক্তি ধর্মান্তরিত হলে এরপর সে তার নতুন ধর্মের পারিবারিক আইনের দ্বারা পরিচালিত হবে।

১৮৫০ সালে বৃটিশরা The Caste Disabilities Removal Act নামে একটি আইন পাস করেছিলো। এই আইন পাস হওয়ার পর এবং এই আইন রদ হওয়ার পূর্বকাল পর্যন্ত কেউ ধর্মান্তরিত বা জাতিচ্যুত হওয়ার কারণে উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত হতো না। ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে গভর্ণর জেনারেল লর্ড ডালহৌসীর উদ্যোগে এটি পাস হয়।

এই বিতর্কিত আইনকে ধর্মীয় স্বাধীনতা আইনও বলে অনেকেই আখ্যায়িত করতেন। সমালোচনা আছে যে ধর্মান্তর উৎসাহিত করার জন্য এই আইন করা হয়েছিল।

এই আইনটি ১৯৭৩ সালের ৮ নং আইন THE BANGLADESH LAWS (REVISION AND DECLARATION) ACT 1973 দ্বারা বাতিল করা হয়েছে এবং পাশাপাশি ১৯৭৩ সালের এই আইনটির ১ নং ধারার মাধ্যমে Retrospective effect দিয়ে ১৮৫০ সালের আইনটির রদ ও রহিতকরণ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকেই কার্যকরী হয়েছে বলে দেখানো হয়েছে।

ফলে বাংলাদেশের 🇧🇩 জন্মলগ্ন থেকেই ধর্মান্তর দ্বারা উত্তরাধিকারের উপর প্রাচীন হিন্দু আইনের প্রতিক্রিয়া বলবত হয়েছে। ধর্মান্তরিত হলে এখন আর কেউ উত্তরাধিকার লাভ করে না।

15/06/2020

The High Court today observed that no patient -- infected with Covid-19 or not -- can be denied treatment at any hospital of the country.

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞ সদস্যরা এখন থেকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে স্থাপিত বুথে বিনামুল্যে করানো টেস্ট করাতে পা...
12/06/2020

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির বিজ্ঞ সদস্যরা এখন থেকে সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গনে স্থাপিত বুথে বিনামুল্যে করানো টেস্ট করাতে পারবেন।

রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ১২:৩০ পর্যন্ত প্রতিদিন ৭জন বিজ্ঞ সদস্য এ সুযোগ পাবেন। কোন সদস্যের করোনা উপসর্গ দেখা দিলে ডাক্তারের ব্যবস্থাপত্রের আলোকে সমিতির সম্পাদকের প্রত্যয়ন সাপেক্ষে এ টেস্ট করানো যাবে। টেস্টের পূর্বে সমিতি অফিস থেকে অনুমোদন পত্র গ্রহণ করতে হবে।

কালকে থেকে ঢাকা থেকে বের হতে এবং ঢাকায় ঢুকতে হলে *মুভমেন্ট পাশ লাগবে। চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পুলিশ অনলাইনে আবেদনের ম...
20/05/2020

কালকে থেকে ঢাকা থেকে বের হতে এবং ঢাকায় ঢুকতে হলে *মুভমেন্ট পাশ লাগবে। চলমান পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ পুলিশ অনলাইনে আবেদনের মাধ্যমে যথোপযুক্ত কারণ দেখিয়ে বাইরে যাবার পারমিশন দিচ্ছে। আবেদনের ঠিকানা-

https://movementpass.police.gov.bd

উক্ত লিংকে ঢুকে মুভমেন্ট পাসের জন্য আবেদন করতে হবে। মুভমেন্ট পাস ক্লিক করে আপনার মোবাইল নাম্বারটি প্রবেশ করাতে হবে। অতঃপর আপনার মোবাইলে একটি OTP code চলে যাবে। OTP Code প্রবেশ করালে আপনি পাস এর জন্য আবেদন করতে পারবেন।

মুভমেন্ট পাস এর জন্য কি কি লাগবে?
১. যে থানা এলাকা থেকে যাবেন
২. যে থানা এলাকায় যাবেন
৩. আপনার নাম
৪. লিঙ্গ
৫. বয়স
৬. ভ্রমণের কারণ
৭. পাস ব্যবহারের তারিখ ও সময়
৮. পাশের মেয়াদ শেষের তারিখ ও সময়
৯. পরিচয় পত্র
১০. নিজস্ব গাড়ি কি
১১. আপনার ছবি

যে সকল কারণে আপনি বাইরে যেতে পারবেন:
১. মুদি মালামাল কেনাকাটা
২. কাঁচা বাজার
৩. ঔষধ ক্রয়
৪. চিকিৎসা
৫. চাকরি
৬. কৃষিকাজ
৭. পণ্য পরিবহন
৮. পণ্য সরবরাহ
৯. ত্রাণ বিতরণ
১০. পাইকারি/খুচরা ক্রয়
১১. পর্যটন
১২. মৃতদেহ সৎকার
১৩. ব্যবসা
১৪. অন্যান্য

পরিচয় পত্র হিসেবে কি কি ব্যবহার করা যাবে?
১. জাতীয় পরিচয় পত্র
২. ড্রাইভিং লাইসেন্স
৩. পাসপোর্ট
৪. জন্ম নিবন্ধন
৫. স্টুডেন্ট আইডি

আপনাকে প্রতিবার যাতায়াতের জন্য পাস নিতে হবে, একটি পাস একবার ব্যবহারযোগ্য। যাওয়া এবং আসার জন্য দুইটি আলাদা পাসের আবেদন করুন।

সঠিক ভাবে আবেদন করা হলে মুভমেন্ট পাস পেয়ে যাবেন। পুলিশ চেকপোস্টে এ উক্ত পাসটি দেখাবেন।

আপনার পরিবার ও আপনজন যেন করোনাভাইরাস এর ভয়াবহতা থেকে মুক্ত থাকে সে কারণে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে সকলকে আইন মেনে ভ্রমণ করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

*সংযুক্তি: মুভমেন্ট পাসের নমুনা।

Address


Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LawWar.Win - Connecting People To Lawyers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to LawWar.Win - Connecting People To Lawyers:

  • Want your practice to be the top-listed Law Practice?

Share