Moulvibazar Bar Assiociation

Moulvibazar Bar Assiociation Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Moulvibazar Bar Assiociation, Lawyer & Law Firm, Court Road, Moulvi Bazar., Moulvi Bazar.

13/01/2016

তথ্য বিবরণী পেট্রল বোমা বা কোনো দাহ্য পদার্থ দিয়ে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা বা যানবাহনে অগ্নিসংযোগকারী কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রমে উস্কানিমূলক সহায়তার উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার করা হলে এর শাস্তি যাবজ্জী

13/01/2016

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এসকে) সিনহা বলেছেন, বিচার বিভাগের প্রতি যদি আঘাত চলে আসে এ বিচার বিভাগকে রক্ষা করবে কে? তিনি বলেন, সরকারের নির্বাহী বিভাগ আমাদের কাছ থেকে (বিচার বিভাগ

কালের আবর্তে একদিন হয়তো থাকবে না আদালত প্রাঙ্গনে বেড়ে উঠা শতবর্ষী এই কাঠাল গাছটি।
10/08/2015

কালের আবর্তে একদিন হয়তো থাকবে না আদালত প্রাঙ্গনে বেড়ে উঠা শতবর্ষী এই কাঠাল গাছটি।

জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্যাট আদালত  ভবন নিমা'ন কাজ সমাপ্তির পথে।  দ্রুত গতিতে কাজ চলছে ।
05/06/2015

জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্যাট আদালত ভবন নিমা'ন কাজ সমাপ্তির পথে। দ্রুত গতিতে কাজ চলছে ।

“ ২৮ এপ্রিল জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস “জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা কর্তৃক প্রতিবছরের ন্যায় এবারো “ ২৮ এপ্রিল জাতীয় আই...
27/04/2015

“ ২৮ এপ্রিল জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস “
জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা কর্তৃক প্রতিবছরের ন্যায় এবারো “ ২৮ এপ্রিল জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস “ পালন করতে যাচ্ছে। সারা দেশের ন্যায় মৌলভীবাজার জেলাস্থ “জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা মৌলভীবাজার জেলা কমিটি” এ দিবসটি যথাযথ মর্য্যাদা ও উৎসাহ উদ্দীপনায় পালন করার জন্য উদ্যোগ গ্রহন করেছে।
এ উপলক্ষে “জাতীয় আইনগত সহায়তা প্রদান সংস্থা মৌলভীবাজার জেলা কমিটি” কর্তৃক “বাতায়ন “ নামে একখানা ম্যাগাজিন প্রকাশ করেছে। আগামীকাল সকাল ৯ ঘটিকায় মৌলভীবাজার জেলা জজ আদালত প্রাঙ্গন হতে র‌্যালীর মাধ্যমে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস ২০১৫ এর আনুষ্টানিক ভাবে উদযাপিত হবে।

26/02/2015

মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবি সমিতির কার্য্য করী কমিটির বার্ষি ক নির্বা চন গতকাল ২৫-০২-২০১৫ ইং তারিখে অনুষ্টিত হয়। নির্বাচন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র আইনজীবি জনাব মির্জা সিরাজ উদ্দিন বেগ। নির্বাচনে সভাপতি পদে ৩ জন, সহ সভাপতি পদে ২ জন, সাধারন সম্পাদক পদে ৩ জন, সহ: সম্পাদক ( সাধারন) পদে ২ জন, সহ: সম্পাদক (লাইব্রেরী) পদে ২ জন, সহ: সম্পাদক ( ক্রীড়া ও সংস্কুতি) পদে ২ জন এবং সদস্য পদে ৭ জন সদস্য প্রতিদন্ধিতা করেন। নির্বাচনে সভাপতি পদে বিজয়ী হন জনাব মো:আব্দুল মোছাব্বির, সহ সভাপতি পদে- বাবু চাঁদ মুরারী সিংহ, সাধারন সম্পাদক পদে জনাব মিজানুর রহমান, সহ সম্পাদক (সাধারন) পদে- জনাব আনওয়ারুল ইসলাম, সহ সম্পাদক (লাইব্রেরী) পদে জনাব বদরুল ইসলাম, সহ সম্পাদক ( ক্রীড়া ও সংস্কুতি ) পদে- বাবু অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী, এবং সদস্য পদে: (১) শ্রীমতি জয়শ্রী দেব, (২) জনাব জালাল আহমদ রাজু, (৩) বাবু কৃপা সিন্ধু দাস (৪) বাবু মানিক কুমার দেব, (৫) জনাব নুরুল ইসলাম।

Dinner 2015, held on 05.02.2015
15/02/2015

Dinner 2015, held on 05.02.2015

08/11/2014

প্রত্যেকের জন্য জানা খুবই জরুরী: মিথ্যা মামলার আইনি প্রতিকার
মাদারীপুর অর্পিত সম্পত্তি দপ্তরের তহশিলদার কপিলকৃষ্ণ গোলদার মাদারীপুর প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফরিদা বেগমসহ ছয়জনকে আসামি করে একটি সিআর মামলা দায়ের করেন (সিআর মামলা নম্বর ৫০৯/২০০০)। তহশিলদার কপিলকৃষ্ণ গোলদার আসামিদের বিরুদ্ধে এই মর্মে অভিযোগ করেন যে তর্কিত সম্পত্তি অর্পিত সম্পত্তি হওয়া সত্ত্বেও ওই সম্পত্তি গ্রাস করার লক্ষ্যে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে তাঁদের পক্ষে জমিটি ক্রয়ের একটি জাল দলিল তৈরি করেছেন, যা দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ধারায় দণ্ডযোগ্য অপরাধ।
বিজ্ঞ প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আসামি ফরিদা বেগমের স্বামীসহ (২ নম্বর আসামি আ· মজিদ মিয়া) ছয়জন আসামির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ আমলে নেন। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা দায়ের করেন। ১ নম্বর আসামি (ফরিদা বেগম) এবং ৩ নম্বর আসামি ও অন্যরা স্বেচ্ছায় বিজ্ঞ আদালতে হাজির হলে তাঁদের হাজতে প্রেরণ করা হয়। এর পরপরই আসামি ফরিদা বেগমের স্বামী আ· মজিদ মিয়া (২ নম্বর আসামি) মারা যান। মানবিক কারণে ফরিদা জামিন পান।
এরপর বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন উপরিউক্ত সিআর মামলার (নম্বর ৫০৯/২০০০) সামগ্রিক কার্যক্রমকে চ্যালেঞ্জ করে আসামিরা হাইকোর্ট বিভাগে একটি রিভিশনাল পিটিশন দায়ের করেন। তাঁদের যুক্তি, তাঁরা আইনগতভাবেই তর্কিত সম্পত্তি আইনানুগ মালিকের কাছ থেকে অর্জন করেছেন। এমনকি দেওয়ানি আদালত থেকে তাঁদের মালিকানা প্রাপ্তির ডিক্রিও অর্জন করেছেন। এ-সংক্রান্ত দলিলপত্রও তাঁরা পিটিশনের সঙ্গে সংযুক্ত করেন। (৫৯ ডিএলআর, ৩২৮)
হাইকোর্ট বিভাগের রায়ঃ
সরকারি কর্মচারী কপিলকৃষ্ণ গোলদার দণ্ডবিধির ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগে ফরিদা বেগমসহ অন্যদের বিরুদ্ধে যে সিআর মামলাটি (মামলা নম্বর ৫০৯/২০০০) দায়ের করেছিলেন, তা আইন অনুযায়ী চলতে পারে না। কিন্তু এ রকম একটি ভ্রান্ত মামলার কারণে ওই মামলার আসামি ফরিদা বেগমের জীবনে মানবিক বিপর্যয় নেমে এসেছিল। ফরিদা বেগম হাজতে থাকাকালে তাঁর স্বামী ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেছিলেন। একজন সরকারি কর্মচারী, যাঁর মূল দায়িত্ব যথোপযুক্ত আইনানুগ প্রক্রিয়ায় অর্পিত সম্পত্তি রক্ষা করা, খেয়ালের বশে ফৌজদারি মামলা দায়ের করে কোনো নাগরিকের অপূরণীয় ক্ষতি করা তাঁর দায়িত্ব নয়। এরূপ অবহেলা ও ঔদাসীন্য দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ। ওই অভিযোগে কপিলকৃষ্ণ গোলদারের বিরুদ্ধে ফরিদাসহ অন্য ভুক্তভোগীরা মামলা করতে পারেন। তাঁরা আলাদাভাবে ক্ষতিপূরণের জন্যও মামলা দায়ের করতে পারেন।
আমার ব্যক্তিগত অনুমান, আমাদের দেশে দায়ের করা ফৌজদারি মামলাসমূহের শতকরা প্রায় ৭০ ভাগ মামলা উল্লিখিত (৫৯ ডিএলআর, ৩২৮) মামলাটির মতো। আমাদের দেশের গরিব মানুষদের হয়রানি করার জন্য মিথ্যা অভিযোগে দায়ের করা হয়ে থাকে। সবার পক্ষে ফরিদা বেগমের মতো উচ্চ আদালতে যাওয়া সম্ভব হয় না। নানা প্রতিকূলতার কারণে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ২১১ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধের অভিযোগ এনে পাল্টা মামলা করাও সম্ভব হয় না। এ অবস্থায় কেবল সংশ্লিষ্ট আদালতই পারে স্বতঃপ্রণোদিতভাবে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা অভিযোগ আনয়নকারীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে।
ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশঃ
মিথ্যা নালিশ আনয়নকারী সব ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধি ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ করা যায়। কোনো পুলিশ কর্মকর্তা আমলযোগ্য নয়, এ রকম কোনো মামলায় মিথ্যা প্রতিবেদন দিলে তাঁর বিরুদ্ধেও এ ধারা অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ প্রদান করা যায়।
রিভিশনঃ
দায়রা জজ আদালত ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫-এর ৪৩৯(এ) ধারা অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ রিভিশন করতে পারেন।
আপিলঃ
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৩) ধারা অনুযায়ী, দায়রা জজ আদালতে আপিল করা যায়।
আমাদের দেশের বিজ্ঞ আদালতসমূহ যদি সতর্কতার সঙ্গে নিয়মিতভাবে মিথ্যা মামলাসমূহের ক্ষেত্রে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুযায়ী মিথ্যা অভিযোগ আনয়নকারী পক্ষকে কারাদণ্ড ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ প্রদান করেন, তাহলে প্রথম দিকে আদালতে কাজের পরিধি বাড়লেও একটা পর্যায়ে মিথ্যা মামলা দায়েরের সংখ্যা দ্রুতগতিতে হ্রাস পাবে। ফলে একদিকে যেমন স্তূপীকৃত মামলার সংখ্যা হ্রাস পাবে, অন্যদিকে মিথ্যা মামলায় ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ অন্তত তাদের আর্থিক ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারবে।

অমিত কুমার দে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, বরগুনা তথ্যসূত্র : prothom-alo.

27/10/2014

ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় দলিলাদি লিখন, সরকারি হিসাব ও অফিসের কাজ ইত্যাদি যাবতীয় বিষয়ে ভূমির পরিমাপ হলো:

(১) ডেসিমেল বা শতাংশ বা শতক

(২) কাঠা,

(৩) বিঘা এবং

(৪) একর

এই পরিমাপ সর্ব এলাকায় সর্বজন গৃহীত। এটা “সরকারি মান”( Standerd Measurement) বলে পরিচিত।

উক্ত পরিমাপের কতিপয় নিম্নে প্রদান করা হলোঃ

ইঞ্চি, ফুট ও গজঃ

১২” ইঞ্চি = ১ ফুট

৩ ফুট= ১ গজ

(৩) ভূমি যে কোন সাইজের কেন ভূমির দের্ঘ্য ও প্রস্থে যদি ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে এটা ১.০০ একর (এক একর) হবে।

যেমনঃ ভূমির দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ সুতরাং ২২০ গজ×২২ গজ= ৪৮৪০ বর্গগজ।

বর্গগজ/বর্গফুট অনুযায়ী শতাংশ ও একরের পরিমাণঃ

৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর ধরে

৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর

৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর

১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা

১৪৫২০বর্গগজ= ১ বিঘা

৪৮.৪০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ

৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ

৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা

৭২১.৪৬ বর্গগজ= ১ কাঠা

৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক

৪৫.০৯ বর্গফুট= ১ কাঠা

২০ বর্গহাত = ১ ছটাকা

১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত (প্রামাণ সাই)

কাঠা, বিঘা ও একরের মাপঃ

১৬ ছটাক = ১/ কাটা

০.০১৬৫ অযুতাংশ = ১/কাঠা

০.৩৩ শতাংশ বা ০.৩৩০০ অযুতাংশ = ১ বিঘা

২০ (বিশ) কাঠা = ১ বিঘা

৩ বিঘা = ১.০০ একর।

টিকাঃ

একশত শতাংশ বা এক হাজার সহস্রাংশ বা দশ হাজার অযুতাংশ= ১.০০ (এক) একর। দশমিক বিন্দুর (.) পরে চাষ অঙ্ক হলে অযুতাংশ পড়তে হবে।

মিলিমিটার ও ইঞ্চিঃ

১ মিলিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়)

১ সেন্টিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়)

১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি বা ৩.২৮ ফুট/ ১.০৯৩ গজ (প্রায়)

১০০০ মিটার = ১ কিলোমিটার

১ কিলোমিটার= ১১ শত গজ

২ কিলোমিটার = (সোয়া মাইল)

১৭৬০ গজ = ১ মাইল

১৩২০ গজ = পৌন এক মাইল।

৮৮০ গজ = আধা মাইল

৪৪০ গজ = পোয়া মাইল।

১ বর্গ মিটার = ১০.৭৬ বর্গফুট (প্রায়)

১ হেক্টর = ২.৪৭ একর (প্রায়)

১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার (প্রায়)

গান্টার শিকল জরীপঃ

ভূমির পরিমাপ পদ্ধতি সঠিক এবং সহজ করার জন্য ফরাসী বিজ্ঞানী এডমন্ড গান্টা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্যে ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্য ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে তার নাম অনুসারেই এই শিকলের নামকরণ করা হয় গান্টার শিকল। আমাদের দেশে গান্টার শিকল দ্বারা জমি জরিপ অত্যন্ত জনপ্রিয়। একর, শতক এবং মাইলষ্টোন বসানোর জন্য গান্টার শিকল অত্যন্ত উপযোগী। এই শিকলের দৈর্ঘ্য ২০.৩১ মিটার (প্রায়) বা ৬৬ ফুট

গান্টার শিকল ভূমি পরিমাপের সুবিধার্থে একে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয় থাকে। এর প্রতিটি ভাগকে লিঙ্ক বা জরীপ বা কড়ি বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।

প্রতি এক লিঙ্ক = ৭.৯২ ইঞ্চি

দৈর্ঘ্য ১০ চেইন ×প্রস্থে ১ চেইন = ১০ বর্গ চেইন = ১ একর

গান্টার শিকলে ১০ লিঙ্ক বা ৭৯.২ ইঞ্চি পর পর নস বা ফুলি স্থাপন করা হয় (নস ফুলি)

২০ লিঙ্ক বা ১৫৮.৪ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-

৩০ লিঙ্ক বা ২৩৭.৩ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-

৪০ লিঙ্ক বা ৩১৬.৮ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-

৫০ লিঙ্ক বা ৩৯৬.০ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-

৮০ গান্টার বা ১৭৬০ গজ পর স্থাপিত হয়- মাইল ষ্টোন

একর শতকে ভূমির পরিমাপ

১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল

১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক

১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর

আমাদের দেশে জমি-জমা মাপ ঝোকের সময় চেইনের সাথে ফিতাও ব্যবহার করা হয়। সরকারি ভাবে ভূমি মাপার সময় চেইন ব্যবহার করা হয় এবং আমিন সার্ভেয়ার ইত্যাদি ব্যাক্তিগণ ভূমি মাপার সময় ফিতা ব্যবহার করেন। ভূমির পরিমান বেশি হলে চেইন এবং কম হলে ফিতা ব্যবহার করাই বেশি সুবিধাজনক।

বিভিন্ন প্রকারের আঞ্চলিক পরিমাপ

আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে বিভিন্ন প্রকারের মাপ ঝোক প্রচলিত রয়েছে। এগুলো হলো কানি-গন্ডা, বিঘা-কাঠা ইত্যাদি। অঞ্চলে ভেদে এই পরিমাপগুলো আয়তন বিভিন্ন রকমের হয়ে তাকে। বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমির পরিমাপ বিভিন্ন পদ্ধতিতে হলেও সরকারি ভাবে ভূমির পরিমাপ একর, শতক পদ্ধতিতে করা হয়। সারাদেশে একর শতকের হিসাব সমান।

কানিঃ

কানি দুই প্রকার। যথা-

(ক) কাচ্চা কানি

(খ) সাই কানি

কাচ্চা কানি : ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।

সাই কানিঃ এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা

২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর

১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট

১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ

১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার

১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক

১ একর = ১০ বর্গ চেইন

১ একর = ১০০ শতক

১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার

১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক

১ একর = ৬০.৫ কাঠা

১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট

বিঘা-কাঠার হিসাব

১ বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত

১ বিঘা = ২০ কাঠা

১ কাঠা = ১৬ ছটাক

১ ছটাক = ২০ গন্ডা

১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট

১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট

লিঙ্ক এর সাথে ফুট ও ইঞ্চির পরিবর্তন

লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি

৫ লিঙ্ক = ৩ ফুট ৩.৬ ইঞ্চি

১০ লিঙ্ক = ৬ ফুট ৭.২ ইঞ্চ

১৫ লিঙ্ক = ৯ ফুট ১০.৮ ইঞ্চি

২০ লিঙ্ক = ১৩ ফুট ২.৪ ইঞ্চি

২৫ লিঙ্ক = ১৬ ফুট ৬.০ ইঞ্চি

৪০ লিঙ্ক = ২৬ ফুট ৪.৮ ইঞ্চি

৫০ লিঙ্ক = ৩৩ ফুট

১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট

এয়র হেক্টর হিসাব

১ হেক্টর = ১০,০০০

১ হেক্টর = ২.৪৭ একর

১ হেক্টর = ৭.৪৭ বিঘা

১ হেক্টর = ১০০ এয়র

25/02/2014

মৌলভীবাজার জেলা আইনজীবি সমিতির নির্বাচন সু-সম্পন্ন হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল হচ্ছে: সভাপতি পদে বিজয়ী বাবু রমা কান্ত দাশ গুপ্ত, সহ সভাপতি পদে- জনাব আমিরুল ইসলাম পংকি, সাধারন সম্পাদক পদে জনাব সাইয়েদ মঈন উদ্দিন (জুনেল) সহ সাধারন সম্পাদক পদে- বাবু দীপ্তেন্দু কুমার দাস গুপ্ত (কাজল) ক্রীড়া সম্পাদক পদে- বাবু অনিরুদ্ধ চক্রবর্তী, এবং সদস্য পদে: জনাব মাহবুবুল আলম শামীম, জনাব তাজুল ইসলাম, বাবু অঞ্জন সুত্রধর, বাবু বাসুদেব ভট্রাচার্য্য, এবং জনাব হাফিজ আব্দুল আলিম নির্বাচিত হয়েছেন। সাহিত্য সম্পাদক পদে: বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন জনাব তোফায়েল আহমেদ। উল্লেখ্য যে, সাধারন সম্পাদক পদে উভয় প্রার্থী সমান সমান ভোট প্রাপ্ত হওয়ায় সংবিধান অনুসারে লটারীর মাধ্যমে সাধারন সম্পাদক নির্বাচনের বিধান থাকায় উক্ত পদে লটারীর মাধ্যমে বিজয়ী হলেন জনাব সাইয়েদ মঈন উদ্দিন। নির্বাচন কমিশনার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন সিনিয়র আইনজীবি জনাব মির্জা সিরাজ উদ্দিন বেগ।

Address

Court Road, Moulvi Bazar.
Moulvi Bazar
3200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Moulvibazar Bar Assiociation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share