Ehsan & Associates Law Firm

Ehsan & Associates Law Firm Ehsan and Associates is an esteemed law firm. This law firm helps you to ensure your justice

Our chamber deals with all kinds of legal issues, including civil, criminal, company, VAT, tax, family matters.

11/12/2025
25/10/2025

৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার মামলা কিভাবে করবেন? বাদীর প্রমাণের বাধ্যবাধকতা | Specific Relief Act 9

https://youtu.be/TByPttf6NGU?si=BNUgPjohZgXvtJUo
11/10/2025

https://youtu.be/TByPttf6NGU?si=BNUgPjohZgXvtJUo

📌 ভিডিওর বিষয়:এই ভিডিওতে আমরা বিস্তারিতভাবে আলোচনা করেছি “সাধারণ ব্যতিক্রম” বলতে কী বোঝায়, বাংলাদেশ দণ্ডবিধি ...

11/10/2025

সাধারণ ব্যতিক্রম কী? | দণ্ডবিধি আইনের গুরুত্বপূর্ণ ধারা ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা

11/10/2025

সাধারণ ব্যতিক্রম কী? | দণ্ডবিধি আইনের গুরুত্বপূর্ণ ধারা ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে....১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।১ কাঠা = ১৬ ছটাক।২০ কাঠা = ১...
21/12/2024

জেনে রাখুন পরে কখনো কাজ দেবে....
১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট।
১ কাঠা = ৮০ বর্গগজ।
১ কাঠা = ১.৬৫ শতাংশ।
১ কাঠা = ১৬ ছটাক।
২০ কাঠা = ১ বিঘা।
৬০.৫ কাঠা = ১ একর।
=========================

১ একর = ১০০ শতাংশ।
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক।
১ একর = ৬০.৫ কাঠা।
=========================

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট।
১ বিঘা = ১৬০০ বর্গগজ।
১ বিঘা = ২০ কাঠা ।
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ।
=========================

১ শতাংশ =৪৩৫.৬ বর্গফুট ৬৫.৪৫ বর্গ ইঞ্চি।
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ।
৫ শতাংশ = ৩ কাঠা। = ১৩০৬.৮ বর্গফুট ।
=========================

১ অযুতাংশ = ৪ বর্গফুট ৫২.৩৬ বর্গ ইঞ্চি।
১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।
=========================
চট্টগ্রামের অধিবাসীদের জন্য নিচের হিসাবটা উপযোগী।
১ কানি = ১৬,৯৯০ বর্গফুট।
১ কানি = ৩৯ শতাংশ।
১ কানি = ২৩.৫ কাঠা।
১ কানি = ২০ গন্ডা।
=========================

১ গন্ডা = ১৬৯৯০ বর্গফুট।
১ গন্ডা = ২ শতাংশ।
১ গন্ডা = ১.২১ কাঠা।
২০ গন্ডা = ১ কানি ।
=========================

কানিঃ
কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি
কাচ্চা কানি
: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।
সাই কানিঃ
এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনা
২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর
১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট
১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ
১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার
১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক
১ একর = ১০ বর্গ চেইন
১ একর = ১০০ শতক
১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার
১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক
১ একর = ৬০.৫ কাঠা
১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট
বিঘা-কাঠার হিসাব
১ বিঘা = (৮০ হাত × ৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত
১ বিঘা = ২০ কাঠা
১ কাঠা = ১৬ ছটাক
১ ছটাক = ২০ গন্ডা

উপরোক্ত পরিমাপ পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি খুব সহজেই হিসাব করতে পারবেন আপনার ফ্ল্যাটটির পরিমাপ। তারপরও আপনাদের সুবিধার্থে আরও সহজভাবে তুলে ধরা হলো।
* ৩ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ২১৬০ বর্গফুট।
* ৫ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৩৬০০ বর্গফুট।
* ১০ কাঠার প্লটে মোট জমির পরিমাপ হয়= ৭২০০ বর্গফুট।
এই হিসাব পদ্ধতির মাধ্যমে এবার আপনি ঠিক করুন আপনি আপনার জায়গায় কোন আয়তনের ফ্ল্যাট নির্মাণ করবেন। তবে একটা বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যে, রাজউক ইমারত নির্মাণ আইনে মোট জমির এক তৃতীয়াংশ জায়গা খালি রাখতে হয় রাস্তা, ড্রেন ও আলো বাতাসের জন্য।

আর যারা রেডি ফ্ল্যাট কিনবেন তারা এই হিসাবটি জেনে রাখুন। কেননা ফ্ল্যাট বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানগুলো ফ্ল্যাটের মোট আয়তন ছাড়াও সিড়ি, ফ্ল্যাটের সামনে, পিছনে, সাইডের খালি জায়গাও ফ্লাটের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করে থাকে।

যেমন –
* আপনি যদি ৯০০ বর্গফুটের একটি ফ্ল্যাট কেনেন তাহলে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ৬০০ থেকে ৬৫০ বর্গফুট।
* আর যদি ১২০০ বর্গফুট হয় সেক্ষেত্রে ৭৮০ থেকে ৮৫০ বর্গফুট হবে আপনার মূল ফ্ল্যাটের আয়তন।
* ১৬০০ বর্গফুট আয়তনের ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে সব কিছু বাদ দিয়ে মূল ফ্ল্যাটের আয়তন হবে ১২০০ থেকে ১২৫০ বর্গফুট
CS/RS

16/11/2024

Hi everyone! 🌟 You can support me by sending Stars - they help me earn money to keep making content you love.

Whenever you see the Stars icon, you can send me Stars!

13/11/2024

Estoppel নীতি কি? জানুন এর উপাদান ও প্রযোজ্যতা | Estoppel Explained in Bangla

“জমি/ফ্লাট তৈরি বাড়ি ক্রয়কালে ক্রেতাকে যা যা জানতে হবে/সংগ্রহ করতে হবে"১। মূল দলিল বা বিক্রয় রশিদসহ দলিল সংগ্রহ করতে ...
06/11/2024

“জমি/ফ্লাট তৈরি বাড়ি ক্রয়কালে ক্রেতাকে যা যা জানতে হবে/সংগ্রহ করতে হবে"

১। মূল দলিল বা বিক্রয় রশিদসহ দলিল সংগ্রহ করতে হবে।
২। সকল বায়া দলিল সংগ্রহ করতে হবে।
৩। সার্টিফাইড/সি.এস./এস.এ ./আর.এস./ডিপি পরচা/সিটি জরিপ পরচা সংগ্রহ করতে হবে।
৪। ডি.সি.আর. ও প্রস্তাবনাসহ সার্টিফাইড মিউটেশন পর্চা সংগ্রহ করতে হবে।
৫। হালনাগাদ খাজনা দাখিলা / রশিদ ও হোল্ডিং ট্যাংক্স সংগ্রহ করতে হবে।
৬। নন-ইনকামবারেন্স সার্টিফিকেট (এন.ই.সি) ও তৎসংশ্লিষ্ট জমাকৃত ফিসের রশিদ।
৭। আইনজ্ঞ আইনজীবি কর্তৃক জমির ত্রুটিবিহীন যত্ন এবং চেইন ডকুমেন্ট সঠিক আছে মর্মে মতামত সংগ্রহ করতে হবে।
৮। ক্রেতা ও বিক্রেতার (গণের) জাতীয় পরিচয়পত্র/পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
৯। (ক) মৌজা ম্যাপ (সি.এস./এস.এ. আর. এস. নকশা) ও (খ) স্বাক্ষর ও সিলসহ সার্ভেয়ার কর্তৃক নকশা ।
১০। প্রস্তাবিত জমি/ফ্লাট তৈরি বাড়িটি ঋণের দায়ে কোন ব্যাংক বা সংস্থার নিকট দায়বন্ধ কিনা?
১১। প্রস্তাবিত জমি/ফ্লাট তৈরি বাড়িটি অন্য কারো নিকট বায়না রেজিস্ট্রি করা আছে কিনা যাচাই করতে হবে?
১২। প্রস্তাবিত জমি/ফ্লাট তৈরি বাড়িটিতে চলাচলের রাস্তা আছে কিনা?
১৩। প্রস্তাবিত জমি/ফ্লাট তৈরি বাড়িটিতে কোন মামলা মোকদ্দমা ভুক্ত আছে কিনা তা জেনে নিতে হবে। মামলা মোকদ্দমা ভুক্ত জমি/ফাট অন্য না করাই ভালো।
১৪। (ক) যথাযথ কর্তৃপক্ষের নকশা অনুমোদনপত্র/বাড়ীর অনুমোদিত প্লান/ট্রাকচারাল ডিজাইন ও (খ) তৎসংশ্লিষ্ট জমাকৃত ফিসের রশিদ ও (গ) জমি ব্যবহারের ছাড়পত্র।
১৫। ভূমি অফিস/সাব-রেজিস্টার অফিস/রেকর্ড রুম হতে জমির সঠিকতা স্ব-শরীরে যাচাই করতে হবে।
১৬। উত্তোরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে ওয়ারিশান সনদ/বন্টননামা দলিল সংগ্রহ করতে হবে। বন্টননামা দলিল না থাকলে অবশ্যই ওয়ারিশদের নামে নামজারি খতিয়ান থাকতে হবে।
১৭। বাড়িটি জমিটি ড্যাপ প্লান মুক্ত কিনা?
১৮। জমির নিচে দিয়ে গ্যাস লাইন গেছে কিনা যাচাই করতে হবে।
১৯। মেমোরেন্ডাম অব আর্টিকেলস অব এসোসিয়েশন (বিক্রেতা কোম্পানি হলে)।
২০। সার্টিফিকেট অব ইনকরপোরশন (বিক্রেতা কোম্পানি হলে)।
২১। ফরম-১২ (বিক্রেতা কোম্পানি হলে)।
২২। জমির মালিক ও ডেভেলপার কোম্পানির মধ্যে সম্পাদিত চুক্তিনামা (বিক্রেতা কোম্পানি হলে)।
২৩। সর্বশেষ মালিক বা বিক্রেতার জাতীয় পরিচয়পত্র (যথাযথ কর্তৃপক্ষ বা নেট হতে) যাচাই করতে হবে।
২৪। সর্বশেষ মালিক বা বিক্রেতার বর্তমান অবস্থান, কর্মস্থল, মোবাইল নম্বর, ওয়ারিশগনের তথ্য জানতে হবে ও সংরক্ষন করতে হবে।
২৫। সর্বশেষ মালিক বা বিক্রেতার নামে জমি/ফ্লাট তৈরি বাড়িটিতে (নাম, মোবাইল নম্বর ও তফসিল সহ) সাইন বোর্ড থাকলে ভালো।
২৬। জমি/ফ্লাট তৈরি বাড়ি ক্রয় করার পূর্বে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় “লিগাল নোটিশ" প্রকাশ করা যেতে পারে।
২৭। বায়না চুক্তি করার পর জমি/ফ্লাট তৈরি বাড়িটিতে (নাম, মোবাইল নম্বর ও তফসিল সহ) অবশ্যই সাইন বোর্ড টানাতে হবে।
------------------------------------ধন্যবাদ------------------------------
#ভূমি #মৌজা #আইন #দলিল #জমি #ফ্লাট #খতিয়ান

👉আপনারা  #জমির_দলিল ২ টি উপায়ে উঠাতে পারবেন।জমির  #দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি !!☝️প্রথম উপায় : প্রথমে নিচের তিনটি ধাপ অন...
06/11/2024

👉আপনারা #জমির_দলিল ২ টি উপায়ে উঠাতে পারবেন।
জমির #দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি !!

☝️প্রথম উপায় : প্রথমে নিচের তিনটি ধাপ অনূসরণ করুণ!
১) প্রথম ধাপ : প্রথমে #জমির দাগ নাম্বার জানুন।
আপনি যে দাগটি জানেন সেটা কি দাগ তা নিশ্চিত হোন ?
আপনি যে দাগটি জানেন সেটা
cs দাগ, না RS দাগ, না BS দাগ নিশ্চিত হোন ।
🤚 https://www.bdlandsurveyor.com/2019/09/cs-sa-rs-city-brs-cs-sa-rs-city-brs-cs.html
২) ধাপ ২:দাগ নম্বর জেনে খতিয়ান নাম্বার জানুন।
কোথা থেকে জানবেন? ইউনিয়ন ভূমি বা তফসিল অফিস হতে।
৩) ধাপ ৩: খতিয়ানে যদি নামজারি বা খারিজ করা থাকে তাহলে দেখুন কার নামে নামজারি করা। নামজারি বা জমাভাগের কেস বা নথি বের করে নিন। নামজারি বা খারিজের নথিতে দলিলের নাম্বার দেয়া থাকে ওইখান থেকে দলিল নাম্বার নিয়ে নকল বা সার্টিফাইড কপির জন্য আবেদন করবেন।
👆কোথায় করবেন? জেলা রেকর্ড রুম অথবা সাব রেজিস্ট্রি অফিস। আপনার জমির দলিল যদি বর্তমান সাল থেকে ৫-৬ বছর আগের হয় তাহলে সাব রেজিস্টি অফিস হতে দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি নিতে পারবেন।
আর দলিল টি যদি অনেক বছর আগের হয় তাহলে জেলা রেজিস্ট্রার অফিস এর জেলা রেকর্ড রুম হতে সংগ্রহ করতে হবে।
✌️উপায় ২:- তিনটি ধাপ অনুসরণ করে দলিল নম্বর বা দলিল না পান তখন দলিল তল্লাশি বা সার্চ করতে হবে।
🔎 তল্লাশি বা সার্চ করতে যা যা লাগবে -
🚩 সম্ভাব্য সাল।
🚩 দলিল দাতা ও গ্রহীতার নাম।
🚩 দলিল দাতা ও গ্রহীতার বাবার নাম।
🚩 দাগ নম্বর ও মৌজার নাম।

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কি !!!

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় কাজগুলো সঠিকভাবে করলে হারিয়ে যাওয়া দলিল সহজে পাওয়া যাবে। অনেক সময় অসাবধানতা বা দূর্ঘটানাজনিত কারনে মূল্যবান দলিল বা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে যায়।যেমনঃ- কোন দুর্ঘটনায় বা আগুনে পুড়ে যাওয়ার কারনে বা বন্যার প্রাকৃতিক দুর্যোগে মূল্যবান কাগজ বা দলিল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।ঠিক এই সময় হারানো কাগজ ফিরে পাবার জন্য বা কাগজের নকল সংগ্রহ করার জন্য পুলিশের সাহায্য নেয়া যাবে।

আমরা জানি কোন ব্যক্তির প্রয়োজনীয় কাগজপত্র হারিয়ে গেলে অতি দ্রুত সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়ে জিডি করতে হয়। জিডি করার পর পুলিশ অভিযোগকারীকে জিডির একটা কপি এবং কপির সাথে একটি নম্বর প্রদান করবেন। সেটিকে আপনার সংরক্ষণ করে রাখতে হবে। এরপর পুলিশ হারিয়ে যাওয়া কাগজ খুঁজে বের করার চেষ্টা করবেন বা নকল বা নতুন কাগজপত্র বা দলিল প্রদান করার জন্য অনুমতি প্রদান করবেন।

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়
জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়
উদাহরণঃ-

ধরূণ আপনার বাবা আজিজ পৈত্রিকসূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা জমি ভোগদখল করাকালে ২ বছর পূর্বে মারা যান।আপনার বাবা আজিজের মৃত্যুর পর এক পুত্র আব্দুল হক প্রামানিক ও এক কন্যা সেলিনা বেগম ওয়ারিশ থাকেন। আপনার বাবার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ১৬ বিঘা সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান, এসএ এবং আরএস খতিয়ান এবং আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামের দলিলগুলোর ফটোকপি থাকলেও মূল কাগজপত্র খুঁজে পান নাই ।

মূল কপি কি প্রকারে সংগ্রহ করবেন সে বিষয়টা তুলে ধরা হলোঃ-

আপনি আপনার বাবা আজিজের মৃত্যুকালে রেখে যাওয়া ঐ সম্পত্তির সি.এস খতিয়ান ও এসএ এবং আরএস খতিয়ানের জাবেদা নকল ভোলা কলেক্টরেট অফিস (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়) রেকর্ড রুম হতে নির্দিষ্ট জাবেদা নকলের ফরমে আবেদন করে জাবেদা নকল তুলতে পারবেন। এছাড়া আপনার দাদা (পিতামহ) এর নামীয় দলিল ভোলা জেলা রেজিষ্টার অফিস হতে জাবেদা নকল তুলতে পারবেন। আপনি দলিলের ফটোকপি দেখে দলিলের নম্বর অনুসারে জাবেদা নকলের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয় আর ও মাধ্যম
দলিলের নকল (Certified Copy) প্রাপ্তির নিয়মাবলীঃ-

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(১) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পরিশোধ সাপেক্ষে, যে কোন ব্যক্তি ১ নং (স্থাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত দলিলের) ও ২ নং (রেজিস্ট্রি করতে অস্বীকার করা দলিলের) রেজিস্টার বহি ও ১ নং রেজিস্টার বহি সম্পর্কিত সূচিবহি পরিদর্শন করতে পারে এবং উক্ত আইনের ৬২ ধারার বিধানাবলি সাপেক্ষে উক্ত দলিলের সার্টিফাইড কপি গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(২) ধারা মোতাবেক, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিল সম্পাদনকারী বা তার এজেন্ট এবং সম্পাদনকারীর মৃত্যুর পর যে কোন আবেদনকারী ৩ নং নিবন্ধিত উইলের রেজিস্টার ৩ নং লিপিবদ্ধ বিষয়ের (অর্থাৎ উইল বা অছিয়ত দলিলের নকল বা সার্টিফাইড কপি) এবং ৩ নং বহি সম্পর্কিত সূচিপত্রের নকল গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৩) ধারা মতে, প্রয়োজনীয় ফিস পূর্বে পরিশোধ সাপেক্ষে, দলিলের সম্পাদনকারী বা দাবীদার ব্যক্তি বা তার এজেন্ট অথবা প্রতিনিধি ৪ নং বহিতে লিপিবদ্ধ বিষয়ের নকল গ্রহন করতে পারে।

রেজিস্ট্রেশন আইন ১৯০৮ এর ৫৭(৪) ধারা মতে, ৩ নং ও ৪ নং বহিতে লিখিত বিষয়ের তল্লাশি, সাব-রেজিস্ট্রার এর মাধ্যমে করা যাবে।

জমির দলিল
জমির দলিল হারিয়ে গেলে করণীয়
কিভাবে দলিল তল্লাশ করবেন?
যদি মূল দলিল থাকে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের রেজিস্ট্রি কার্যক্রম শেষ হলে মূল দলিলের শেষ পৃষ্টার উল্টোদিকে “দলিলটি কত সালের, কত নম্বর বালাম বইয়ের, কত পৃষ্ঠা থেকে কত নম্বর পৃষ্ঠায় নকল করা হয়েছ, তা লিখে সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষর করতে হয় । এভাবে খুব সহজে সহজেই রেজিস্ট্রি অফিসে থেকে দলিলের নকল উঠানো যায়/পাওয়া যায়।

মূল দলিল না থাকলে- রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি শেষ হলে দলিলের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি তথ্য নিয়ে সূচিবহি তৈরি করা হয়। একটি সূচিবহি তৈরি হয় দলিলে উল্লিখিত জমির দাতা/বিক্রেতা, গ্রহিতা/ক্রেতা বা অন্য কোন পক্ষের নাম দিয়ে, আর একটি তৈরি হয় জমির মৌজার নাম দিয়ে।

দলিলের নকল প্রাপ্তির আবেদনের নিয়মাবলিঃ
রেজিস্ট্রেশন বিধিমালা ২০১৪ এর ১০৮ অনুচ্ছেদে সূচিবহি তল্লাশ ও দলিলের নকলের জন্য আবেদনের নিয়মাবলী লিপিবদ্ধ আছে।
এ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে সকল ক্ষেত্রে তল্লাশ ও পরিদর্শনের জন্য কোন ফিস পরিশোধযোগ্য নহে, সে সকল ক্ষেত্র ব্যতিত, সকল ক্ষেত্রে নকলের জন্য আবেদন দাখিল করিবার পূর্বে (৩৬ নং ফরম অনুযায়ী) তল্লাশ ও পরিদর্শনের জন্য আবেদন করিতে হইবে। এরপর ৩৭ নং ফরমে নকলের জন্য আবেদন করিতে হইবে।

◆ জমি নামজারির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।যা যা লাগবেঃ১) জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি২) এস এ খতিয়ান, আর ...
05/11/2024

◆ জমি নামজারির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

যা যা লাগবেঃ
১) জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি
২) এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি
৩) ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়
৪) ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)
৫) বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়
৬)মোবাইল নাম্বার
৭) এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র
৮) কর/খাজনার রশিদ

🔴প্রথম কাজঃ
এইসবগুলা ডকুমেন্ট নিয়ে নাগরিক/কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন। একটা আইডি নাম্বার পড়বে বা কেস নাম্বার এটা আপনার মোবাইলে সাথে সাথে এসএমএস পাবেন।

🔴দ্বিতীয় কাজঃ
আবেদন ফাইল কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যাবে তদন্তে আপনার সব কিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠাবে উপজেলা ভূমি অফিসে।

🔴তৃতীয় কাজঃ এসিল্যান্ড অফিস আপনাকে একটি শুনানির তারিখ দিবে এসএমএসের মাধ্যমে। কাজ সম্পন্ন হলে তারপর ডিসিআর ফি দিয়ে দুই একদিন পর অনলাইনে কিউআর কোডযুক্ত নামজারি তুলতে পারবেন।

পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগতে পারে। মোট খরচ হবে ১১৭০ টাকা।

Address

Rabeya Manzil, Jessore Satkhira Main Road, Mohanpur, ManirampurBazar, Jashore. (next To Pratibha School)
Monirampur
7440

Telephone

+8801718124616

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ehsan & Associates Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ehsan & Associates Law Firm:

Share