Justice for Development Professionals

Justice for Development Professionals ....Its a platform to raise voice against injustices to the development professionals by their own e

30/08/2026

এনজিওর অনুদান বাড়ছেই, তবু ‘কর্মহীন’ চাকরি হারানোরা!
বছর দেড়েক আগে ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট (ইউএসএআইডি) ব্যাপক তহবিল হ্রাসের ঘোষণা দিলে হাজারো বাংলাদেশি হাজারো মানুষ চাকরি হারান, যাদের বড় অংশই এখনো কর্মহীন অবস্থায় রয়েছেন।
তখন বাংলাদেশ হারায় প্রায় ৭০০ মিলিয়ন ডলারের উন্নয়ন সহায়তা।
এটা তো আসলে একটা গ্লোবাল ইম্প্যাক্ট এবং বাংলাদেশ ইউএসএ বেইজড যে সকল প্রতিষ্ঠানগুলো ছিল, যেমন এবিটি, আরটিআই, এরকম আরও অনেকগুলো প্রতিষ্ঠান ছিল—যারা ইউএসএআইডির প্রজেক্টেই চলত, তাদের অপারেশনটা ক্লোজ করে দিতে হয়। সে সময় অনেক কঠিন সময়ের ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতা নেওয়ার পরপরই মার্কিন বিদেশি সহায়তা তলানিতে নামানোর ওই সিদ্ধান্ত নেন। তাতে বাংলাদেশে ইউএসএআইডির অর্থায়নে চলা ৫৯টি প্রকল্পের মধ্যে ৫৫টি বন্ধ হয়ে যায়।
অবশ্য মার্কিন সরকারের উন্নয়ন সংস্থার সহায়তায় ছেদ ঘটলেও বাংলাদেশে কার্যরত এনজিওগুলোতে বিদেশি অনুদান বেড়েছে। তার পরও কেন সেইসব কর্মীরা কাজ পাচ্ছেন না?
যারা একদম লো স্কিলড, আর একদম হাই স্কিলড—এদের অনেকেই চাকরি পাননি। হাই স্কিল্ডের হায়ার করা বাজেটের জন্য সমস্যা, আর লো স্কিলডরা প্রতিযোগিতা মূলক বাজারে কুলিয়ে উঠতে পারছেন না।

15/08/2026

বেতন কম হলেও এই চাকরিগুলো কেন বেছে নিচ্ছেন তরুণেরা??
নতুন চাকরিপ্রার্থীরা জানতে চান, কাজের সময় কত দূর নমনীয়। অফিসে ছুটি কেমন পাওয়া যায়? বাড়ি থেকে কাজের সুযোগ আছে কি? চাকরির পাশাপাশি নিজের জীবন উপভোগ করা যাচ্ছে কি না, সেটাই এখন মূল আলোচনার বিষয়।
আন্তর্জাতিক নানা গবেষণাতেও এই পরিবর্তনের স্পষ্ট প্রমাণ মিলছে। বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ডেলয়েটের ‘২০২৬ জেন–জি অ্যান্ড মিলেনিয়াল সার্ভে’ এর একটি বড় উদাহরণ। সমীক্ষায় দেখা গেছে, তরুণদের কাছে কেবল বড় অঙ্কের বেতনই শেষ কথা নয়; কাজের পরিবেশ, মানসিক স্বস্তি এবং কাজের সঙ্গে ব্যক্তিজীবনের ভারসাম্য তাঁদের কাছে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের পরিপ্রেক্ষিতে উদীয়মান বেশ কিছু পেশায় তরুণেরা এখন আগ্রহী হচ্ছেন— কন্টেন্ট রাইটিং ও সোশ্যাল মিডিয়া পরিচালনা: এই পেশায় বেশির ভাগ সময় বাড়ি থেকে কাজ করার সুযোগ থাকে। এতে যাতায়াতের দীর্ঘ সময় বেঁচে যায়। একই সঙ্গে লেখার মাধ্যমে নিজস্ব সৃজনশীলতা প্রকাশের স্বাধীন সুযোগ মেলে।
অনলাইন টিচিং ও টিউটরিং: বিভিন্ন এডটেক বা অনলাইন প্ল্যাটফর্মে নির্দিষ্ট সময়ের বাইরে কাজের কোনো চাপ থাকে না। ফলে চাকরির পাশাপাশি নিজের পড়াশোনা বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতি সহজে নেওয়া যায়।
গ্রাফিকস ডিজাইন ও বেসিক আইটি সাপোর্ট: ছোট ব্যবসা বা টেক ফার্মগুলোতে কাজের সময়সীমা বেশ নির্দিষ্ট থাকে। প্রথাগত করপোরেট অফিসের তীব্র প্রতিযোগিতা না থাকায় কাজের মানসিক চাপ অনেক কম হয়।
ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ও ক্রিয়েটিভ এজেন্সি: শুরুর দিকে এই খাতে বেতনের অঙ্ক কিছুটা কম হতে পারে। তবে এখানকার কাজের পরিবেশ বেশ প্রাণবন্ত। বিভিন্ন খাতের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ তৈরি হয়, যা নতুন ক্যারিয়ার তৈরিতে সাহায্য করে।
অডিও কনটেন্ট ও পডকাস্ট প্রডিউসার: বাংলাদেশে অডিও মিডিয়ার প্রসার ঘটছে। এই পেশায় আধুনিক সাউন্ড টেকনোলজি ব্যবহারের সুযোগ থাকে। অডিও স্টোরিটেলিং শিখে ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের বড় ভিত্তি গড়া যায়।
কমিউনিটি ও ব্র্যান্ড এনগেজমেন্ট স্পেশালিস্ট: প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের অনলাইন গ্রুপ পরিচালনার কাজ এটি। ঘরে বসেই দেশি-বিদেশি ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজ করা যায়। এতে আধুনিক টেক-টুলস ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ে।
ইকো-সাসটেইনেবিলিটি ও গ্রিন প্রজেক্ট অ্যাসোসিয়েট: পরিবেশ ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা এই পেশার সম্ভাবনা চমৎকার। বৈশ্বিক বাজারে এই দক্ষতার বড় চাহিদা তৈরি হচ্ছে। নতুন কাজের অভিজ্ঞতা পেতে তরুণেরা এই সুযোগ নিচ্ছেন।
এ ধরনের চাকরিতে শুরুতেই হয়তো মোটা অঙ্কের অর্থ মিলছে না। তবে চাকরির পাশাপাশি অর্জিত হচ্ছে বহুমুখী দক্ষতা। যানজটের ধকল ও অতিরিক্ত মানসিক চাপ না থাকায় বেঁচে যাওয়া সময়টুকু তরুণেরা দারুণভাবে কাজে লাগাচ্ছেন।

09/08/2026

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফিউচার অব জবস রিপোর্ট–২০২৫ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে ১৭ কোটি নতুন চাকরি সৃষ্টি হবে। আবার প্রায় সাড়ে ৯ কোটি চাকরি বিলুপ্ত হবে। ফলে প্রায় সাড়ে সাত কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফিউচার অব জবস রিপোর্ট–২০২৫ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বে ১৭ কোটি নতুন চাকরি সৃষ্টি হবে। আবার প্রায় সাড়ে ৯ কোটি চাকরি বিলুপ্ত হবে। ফলে প্রায় সাড়ে সাত কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি হবে।
একই প্রতিবেদনে দেখা যায়, শতকরা হারে সবচেয়ে দ্রুত বাড়বে যেসব পেশা, তার শীর্ষে রয়েছে বিগ ডেটা স্পেশালিস্ট (১১০ শতাংশ), এরপর ফিনটেক ইঞ্জিনিয়ার (৯০ শতাংশ) এবং এআই ও মেশিন লার্নিং স্পেশালিস্ট (৮২ শতাংশ)। এরপরের সারিতে আছে সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপার (৫৭ শতাংশ), সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট (৫৩ শতাংশ) এবং ডেটা অ্যানালিস্ট ও সায়েন্টিস্ট (৪১ শতাংশ)। এই তালিকা থেকেই বোঝা যায়, শুধু একটি নির্দিষ্ট পেশা নয়; বরং প্রযুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা ও ডেটাভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা আগামী দিনে সমানভাবে বাড়বে। এই পরিবর্তনের গতি এতটাই দ্রুত যে ভবিষ্যতের চাকরির বাজার সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা কঠিন।
মানুষের ইতিহাসে এই প্রথম এমন একটি সময় এসেছে, যখন কেউ নিশ্চিতভাবে জানে না ২০ বা ৩০ বছর পর চাকরির বাজার কেমন হবে।
এ কারণেই কম্পিউটার সায়েন্স, ডেটা সায়েন্স, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং ও তথ্যপ্রযুক্তি–সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোর গুরুত্ব আগামী দিনে আরও বাড়বে। পাশাপাশি মেশিন লার্নিং, রোবোটিকস, সাইবার নিরাপত্তা ও ইন্টারনেট অব থিংসের (আইওটি) মতো ক্ষেত্রেও দক্ষ জনবলের চাহিদা দ্রুত বৃদ্ধি পাবে।
এআই কেবল কম্পিউটার সায়েন্সের বিষয় নয়। ব্যবসায় শিক্ষা, চিকিৎসাবিজ্ঞান, কৃষি, আইন কিংবা সাংবাদিকতা, প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই এখন এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ছে। আইনে এআই–চালিত নথি বিশ্লেষণ, কৃষিতে ডেটাভিত্তিক ফলন পূর্বাভাস কিংবা চিকিৎসায় রোগনির্ণয়ে এআইয়ের ব্যবহার তারই প্রমাণ। তাই যে বিষয়েই কেউ পড়াশোনা করুক না কেন, প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়া এবং তা কাজে লাগানোর দক্ষতা অর্জন করা এখন প্রায় অপরিহার্য। ভবিষ্যতে প্রতিটি পেশায় প্রযুক্তি একটি সহায়ক দক্ষতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হওয়া যাবে কীভাবে। প্রথমত, এআই–সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিকে ভয় না পেয়ে এর সঙ্গে পরিচিত হতে হবে, কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে শিখতে হবে। দ্বিতীয়ত, এমন দক্ষতা গড়ে তুলতে হবে, যা এআই সহজে অনুকরণ করতে পারে না। যেমন নেতৃত্ব, কার্যকর যোগাযোগ, সৃজনশীল চিন্তা, সমস্যা সমাধান ও মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলার সক্ষমতা। তৃতীয়ত, শিক্ষাজীবন শেষ হলেই শেখা থেমে যাবে, এই ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে আজীবন শেখার মানসিকতা গড়ে তুলতে হবে।

23/07/2026

এআই দ্রুত বৈশ্বিক চাকরির বাজার বদলে দিচ্ছে। বড় কোম্পানিগুলো কর্মী খরচ কমাতে এআইয়ে বিনিয়োগ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এআই যেন চাকরি না কেড়ে নেয়, সে জন্য এখনই নীতি নির্ধারণ জরুরি।
নোবেলজয়ী একাধিক অর্থনীতিবিদ সতর্ক করে বলেছেন, এআই যেন চাকরি হারানোর কারণ না হয়ে বরং মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করে—সে জন্য এখনই নীতি নির্ধারণ প্রয়োজন।াবিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতের চাকরির বাজারে টিকে থাকতে হলে কর্মীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতার পাশাপাশি সৃজনশীলতা, সমস্যা সমাধান, নেতৃত্ব এবং মানবিক যোগাযোগের দক্ষতা বাড়াতে হবে। এআই যে অনেক কাজের ধরন বদলে দেবে, তা নিয়ে সন্দেহ কম। তবে কোন পেশা পুরোপুরি বিলুপ্ত হবে আর কোন পেশা নতুন রূপে টিকে থাকবে—তা এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত নয়।

16/07/2026

কোন চাকরি টিকবে আর কোনটি যাবে: এআই যুগে দেশের বেসরকারি চাকরিজীবীদের ভবিষ্যৎ।
বেসরকারি চাকরি। এমনিতেই কাজের চিরন্তন চাপ, তার ওপর এখন যুক্ত হয়েছে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। চ্যাটজিপিটি বা ক্লডের মতো প্রযুক্তিগুলো এখন আর শুধু শখের জিনিস নয়, সরাসরি আমাদের কাজের টেবিলে এসে বসেছে।
এআই আপনার কেরানিগিরির খাটুনি হয়তো কমিয়ে দেবে, কিন্তু মানুষের আবেগ, তাৎক্ষণিক বুদ্ধি আর আসল সৃজনশীলতার সামনে রোবট এখনো জিরো। প্রযুক্তির এই নতুন বাজারে কার চাকরিটা থাকবে, আর কার ফাইল বন্ধ হবে?
প্রাথমিক স্তরের রুটিন কাজ এআই দ্রুত গ্রাস করছে। তবে গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে একটি প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, আনুষ্ঠানিক কাজ রোবট করলেও বড় ঝুঁকি নেওয়া আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য মানুষের মগজই শেষ কথা।
যাঁরা শুধু গতানুগতিক বা মাঝারি মানের রিপোর্ট লিখতেন, তাঁদের বাজার খারাপ। কিন্তু আসল সৃজনশীলতা, মানুষের মনস্তত্ত্ব আর আবেগ রোবটের সিলেবাসে নেই। মাঠপর্যায়ের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা বা মানুষের জীবনঘনিষ্ঠ গল্প কোনো যন্ত্র অনুভব করতে পারে না।
ইন্টারনাল লজিস্টিকস সামলানো কিংবা সার্ভার রুম ও যন্ত্রপাতির হুটহাট মেকানিক্যাল ত্রুটি মেটানো—এসব এআইয়ের সিলেবাসেই নেই। মানুষের এই তাৎক্ষণিক উপস্থিত বুদ্ধি এবং হাতের সূক্ষ্ম কাজ রোবট চাইলেও সহজে ‘কপি’ করতে পারবে না। ফলে এই স্তরের কাজগুলো এখনো পুরোপুরি সুরক্ষিত।
সোজা কথা, আতঙ্কিত হয়ে লাভ নেই। যাঁরা শুধু মুখস্থ বা একঘেয়ে কাজের গণ্ডিতে আটকে থাকবেন, তাঁরা চাকরিক্ষেত্র থেকে ছিটকে যাবেন। আর যাঁরা এআইকে শত্রু না ভেবে নিজের কাজের ব্যক্তিগত সহকারী বানিয়ে নেবেন, রুটিরুজির লড়াইয়ে তাঁরাই নেতৃত্ব দেবেন।

29/06/2026

বাজেটে এবারও বেসরকারি চাকরিজীবীদের ঘুমের মধ্যে বেতন কমে যাচ্ছে?
কিভাবে বেতন কমছে?
আয়কর স্ল্যাব পরিবর্তনঃ
আমাদের সরকারের সবচেয়ে সহজ আদায়যোগ্য কর হচ্ছে ব্যক্তিগত আয়কর। কারণ, সবার বেতন ব্যাংকে যায়, অফিস থেকেই ট্যাক্স কেটে রাখা হয়, এমনকি কারও বেতন ১৫ হাজার টাকা হলেও টিন খোলার বাধ্যবাধকতা আছে। ফলে এনবিআর মোটামুটি বিনা পরিশ্রমেই ট্যাক্স পেয়ে যায়। বেতনভোগী কর্মজীবীরা হলেন এনবিআরের সহজতম টার্গেট, কারণ তাঁদের টাকা পাওয়ার আগেই কেটে নেওয়া যায়।
এবারের বাজেটে করকাঠামোয় কী হলো, সেটা বুঝতে আগের কাঠামোর সঙ্গে তুলনা দরকার।
২০২৪-২৫ সালের কাঠামোয় প্রথম ৩,৫০,০০০ পর্যন্ত শূন্য শতাংশ, পরবর্তী ১,০০,০০০ পর্যন্ত ৫ শতাংশ, পরবর্তী ৪,০০,০০০ পর্যন্ত ১০ শতাংশ এবং এর পরে ধাপে ধাপে ১৫, ২০, ২৫ ও ৩০ শতাংশ।
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ কাঠামোয় প্রথম ৩,৭৫,০০০ পর্যন্ত শূন্য শতাংশ, পরবর্তী ৩,০০,০০০ পর্যন্ত সরাসরি ১০ শতাংশ এবং এর পরে ১৫, ২০, ২৫ ও ৩০ শতাংশ।
পার্থক্যটা লক্ষ করুন। ৫ শতাংশের ধাপটাই তুলে দেওয়া হয়েছে। মানে করমুক্ত সীমার পরপরই ১০ শতাংশে লাফ। স্ল্যাবের সংখ্যা সাত থেকে কমিয়ে ছয় করা হয়েছে। যার বার্ষিক করযোগ্য আয় ৬ লাখ টাকা, তাঁর কর বাড়বে প্রায় ১২.৫ শতাংশ। মানে বেতন কমে গেল।

28/06/2026

বাজেটে এবারও বেসরকারি চাকরিজীবীদের ঘুমের মধ্যে বেতন কমে যাচ্ছে?
আজ সকালে ঘুম থেকে উঠে আপনি দেখলেন বেতন এসেছে। কিন্তু হাতের কাছের হিসাব মেলালে বুঝবেন, আগের চেয়ে কম। এটা কোনো ভুল নয়, এটা ব্যবস্থা।
প্রতিবছর বাজেট আসে এবং মোটামুটি সবার আশায় গুড়ে বালি পড়ে। বিগত ফ্যাসিস্ট রেজিম চলে যাওয়ার পর সবাই আশা করেছিল মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য একটা যুগোপযোগী বাজেট হবে। কিন্তু ২০২৬-২৭ বাজেটেও সেই গণ্ডি থেকে বের হতে পারল না সরকার। ফলাফল প্রতিবছরের ন্যায় এবারও আমাদের বেতন কমছে।
এই কমা হচ্ছে দুই ভাবে: ট্যাক্সের চাপ এবং মুদ্রাস্ফীতি। আর এটা করতে হচ্ছে সরকারের অতিরিক্ত ব্যয় এবং নিজেদের অক্ষমতার জন্য কর আদায় কম হওয়ার ঘাটতি মেটাতেই।

https://fsdgbd.org/ ক্ষুদ্র প্রচেষ্ট আমাদের । কোনো বিদেশেী সাহায্য না নিয়ে নিজের অনুদান ও আমার বই বিক্রির অর্থে প্রতিবন্...
26/06/2026

https://fsdgbd.org/ ক্ষুদ্র প্রচেষ্ট আমাদের । কোনো বিদেশেী সাহায্য না নিয়ে নিজের অনুদান ও আমার বই বিক্রির অর্থে প্রতিবন্ধি কিশোরীদের জীবনটা একটু সহজ করার জন্য কাজ করছি আমারা। আপনিও যুক্ত হতে পারেন । প্রথমত: এদেরকে খুঁজে বের করতে হয়, দ্বিতয়ত: আমাদের দেয়া সহায়তা যাতে ঠিক মতো কাজে লাগে তার ফলো-আপ করতে হয় । খরচ কমানোর জন্য স্থানীয় আগ্রহী ব্যক্তির উপর নির্ভর করি আমরা। আপনিও যুক্ত হতে পারেন: https://www.facebook.com/share/p/1Ef9zRmyVP/

26/06/2026

এনজিওতে দীর্ঘ জীবন কাজ করে যে দক্ষতা আপনি অর্জন করেছিলেন তা এখন কি কাজে লাগাচ্ছেন?

24/06/2026

সাঁওতালি মায়েদের সাফল্য.......
সুমী মুর্মুর প্রতি আমাদের অভিবাদন l
মাঠপর্যায়ে কোনো রকম বাইরের সাহায্য বা বড় তহবিল ছাড়া কেবল নিজস্ব উদ্যোগ ও সদিচ্ছায় কীভাবে একটি সমাজকে বদলে দেওয়া যায়, তার একটি অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন রাজশাহীর সুমী মুর্মু। তাঁর প্রচেষ্টায় পবা উপজেলার ভুগরইল খ্রিষ্টানপাড়া গ্রামে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য দেখা গেছে। সেখানে একদিকে শ্রেণিকক্ষে শিশুরা পড়াশোনা করছে, আর ঠিক তার পাশেই বসে মায়েরা সুই-সুতা নিয়ে কাঁথা বুনছেন। আর এই কাঁথা বিক্রির টাকাতে চলছে সেই বিদ্যালয়।
এই গল্পটা মূলত সাঁওতালি মায়েদের, যাঁরা একসময় তীব্র অভাবের তাড়নায় মাঠে দিনমজুরের কাজ করতেন। এই সফলতার পেছনের কারিগর সুমী মুর্মু নিজে এক লড়াকু নারী। নানা পারিবারিক ও অর্থনৈতিক বাধা অতিক্রম করে, বিয়ের পর সন্তান কোলে নিয়ে পড়াশোনা চালিয়ে তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা অর্জন করেছিলেন। একটি বেসরকারি ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি যখন দেখলেন নিজ সম্প্রদায়ের মায়েরা মাঠের কাজে ব্যস্ত থাকায় শিশুরা ধুলামাটি মেখে বড় হচ্ছে এবং অবধারিতভাবে অশিক্ষা, মাদক ও বাল্যবিবাহের বৃত্তে আটকে যাচ্ছে, তখন তিনি আত্মকর্মসংস্থানের পথ বেছে নেন।
সুমী মুর্মুর এমন উদ্যমী চিন্তা আজ ১৭২ জন আদিবাসী নারীর ভাগ্য বদল করেছে। তাঁদের কেউ মাসে সাড়ে তিন হাজার থেকে শুরু করে ১৫ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করছেন। যে মায়েরা আগে নিজের জন্য একটা সাধারণ ওষুধ কিনতে পারতেন না, তাঁরা আজ সংসারে অর্থ জোগাচ্ছেন এবং সবচেয়ে বড় কথা—তাঁদের সন্তানদের সুশিক্ষিত করার সুযোগ পাচ্ছেন।
সুমী মুর্মুর এই মহৎ উদ্যোগের সবচেয়ে সুন্দর দিকটি হলো—এটি কেবল নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতাই দেয়নি, বরং একটি ঝরে পড়া জনগোষ্ঠীর শিক্ষার আলো জ্বালিয়ে রেখেছে। একটি বেসরকারি সংস্থা প্রকল্প শেষে স্কুল বন্ধ করে চলে যাওয়ার পর ভুগরইল ও সন্তোষপুর গ্রামের আদিবাসী শিশুদের ভবিষ্যৎ যখন অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছিল, তখন সুমী তাঁর কাঁথা বিক্রির লভ্যাংশ থেকে স্কুল দুটির দায়িত্ব নেন। বর্তমানে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে নিবন্ধিত এই স্কুলগুলোতে কোনো জাতিগত বিভেদ নেই। সেখানে সাঁওতাল শিশুদের সঙ্গে একই মমতায় পড়াশোনা করছে বাঙালি মুসলিম ও হিন্দু সম্প্রদায়ের শিশুরাও। এটি আমাদের সম্প্রীতির এক অনন্য উদাহরণ।
আমাদের দেশে বড় বড় ঋণখেলাপি আর অর্থ পাচারের খবরের ভিড়ে সুমী মুর্মু ও সাঁওতাল নারীদের বোনা নকশিকাঁথাগুলো যেন একেকটি আশার আলো। কোনো সরকারি বা বিদেশি অনুদান ছাড়াই সম্পূর্ণ স্বনির্ভর এই মডেলটি দেশের অন্য পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর জন্যও একটি অনুকরণীয় পাঠ হতে পারে। আমরা আশা করব, সুমী মুর্মুর মতো সমাজবদলের কারিগরেরা সরকারি–বেসরকারি পর্যায়ে পৃষ্ঠপোষকতা ও স্বীকৃতি পাবেন।

Address

Mirpur
1211

Telephone

01816736682

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Justice for Development Professionals posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Justice for Development Professionals:

Shortcuts

Share