Advocate Rayhan & Associate

Advocate Rayhan & Associate Lawyer

29/11/2025

ইচ্ছাকৃত ভাবে মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা বা বিপজ্জনক উপায়ে আঘাত দান করাঃ

দণ্ডবিধির ধারা ৩২৪ অনুযায়ী যদি কোন ব্যক্তি, ৩৩৪ ধারায় বর্নিত ক্ষেত্র ব্যতিরেকে অন্য কোন ক্ষেত্রে, গুলী ছুঁড়বার, ছুরিকাঘাত করার বা কর্তন করার যেকোন যন্ত্র, অথবা অন্য যেকোন যন্ত্র, যার ব্যবহারে মৃত্যু ঘটাবার সম্ভাবনা রয়েছে, অথবা আগুন বা উত্তপ্ত বস্তু কিংবা যেকোন বিষ দ্রব্য যা নিংশ্বাসের সাথে গ্রহণ করা, গলাধঃকরণ করা বা রক্তে গ্রহণ করা মানবদেহের পক্ষে ক্ষতিকর, অথবা যেকোন প্রাণীর সাহায্যে স্বেচ্ছাকৃতভাবে আঘাত প্রদান করে তবে, উক্ত ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে বা উভয়বিধ দন্ডে দন্ডিত হবে।

28/10/2025

সাধারণ আঘাত

দণ্ডবিধির ৩২৩ ধারা অনুযায়ী, যে কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে অন্যকে আঘাত করলে তাকে সর্বোচ্চ ১ বছরের কারাদণ্ড, ১ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে। এই ধারার অধীনে অপরাধটি অ-আমলযোগ্য ও জামিনযোগ্য এবং যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিচারযোগ্য।

অপরাধ: ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে আঘাত করা। এর মধ্যে ভোঁতা অস্ত্র ব্যবহার করে আঘাত করাও অন্তর্ভুক্ত।
শাস্তি:
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড।
১ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
অথবা, কারাদণ্ড ও জরিমানা উভয়ই।

আইনি বৈশিষ্ট্য:
অ-আমলযোগ্য: পুলিশ কোনো ওয়ারেন্ট ছাড়াই এই ধারার অধীনে অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে পারেনা।
জামিনযোগ্য: এই ধারার অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি জামিন পেতে পারেন।
বিচারযোগ্য: যেকোনো জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এই ধারার অধীনে মামলাটির বিচার করতে পারেন।
ক্ষতিপূরণ: আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তি ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করতে পারেন।

27/09/2025

গুরুতর আঘাত বা মারাত্মক জখম (Grievous Hurt)
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় মোট ৮ ধরণের গুরুতর আঘাত বা মারাত্মক জখমের (Grievous Hurt) উল্লেখ আছে। শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই “গুরুতর” বলে পরিগণিত করা যায়:-
১। পুরুষত্বহীন করণ।
২। যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
৩। যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
৪। যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
৫। যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
৬। মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
৭। কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
৮। এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়

22/08/2025

Attempt to murder খুনের চেষ্টা

ইংরেজী ‘attempt to murder’ শব্দের অর্থ হল খুনের চেষ্টা বা উদ্যোগ অর্থাৎ কোন ব্যক্তিকে খুন করার জন্য কোন অপরাধ কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে কিন্তু ভাগ্যক্রমে লোকটি খুন হওয়া থেকে বেঁচে গেছে, তখন এই অপরাধ কর্মকাণ্ডকে আমরা ‘attempt to murder’ বা খুনের উদ্যোগ/চেষ্টা বলে থাকি। অনেকেই এটাকে আবার half murder বা ‘অর্ধেক খুন’ ও বলে থাকে ।

দণ্ডবিধি ১৮৬০ এর ৩০৭ ধারায় বলা হয়েছে, “যদি কোন লোক এমন অভিপ্রায় বা অবগতি সহকারে বা এমন আশংকা জানার পরও এমন অবস্থায় এমন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের অপরাধে অপরাধী হবে, তাহলে সে লোক যেকোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার মেয়াদ দশ বছর পর্যন্ত হতে পারে ও জরিমানা-দণ্ডেও দণ্ডিত হবে”।

আবার, যদি কোন লোক এমন অভিপ্রায় বা অবগতি সহকারে বা এমন আশংকা জানার পরও এমন অবস্থায় এমন কার্যের সাহায্যে কোন লোককে আঘাত করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের অপরাধে অপরাধী হবে, তাহলে সে লোক যাবজ্জীবন বা যেকোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে যার মেয়াদ দশ বছর পর্যন্ত হতে পারে ও জরিমানা-দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

তবে যদি ইতিমধ্যে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তিকে খুনের চেষ্টা বা উদ্যোগ করে, তবে সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে শাস্তি হবে একমাত্র মৃত্যুদণ্ড।

অত্র ধারার অপরাধ আমলযোগ্য, জামিনযোগ্য নয়, মীমাংসাযোগ্য নয়, দায়রা আদালত, চীফ জুডিসিয়াল/চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বা বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ১ম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক বিচার্য।

দন্ডবিধির ৩০৭ ধারার উপাদান
অত্র ধারার অপরাধ সংঘটনের জন্য যেসব উপাদান প্রয়োজন তা নিম্নে আলোচনা করা হল
১। অপরাধ সংঘটনের অভিপ্রায়
২। কতিপয় কাজের ফলে অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল এবং
৩। অপরাধ সংঘটনের উদ্যোগ নেয়া।

উচ্চ আদালতের কতিপয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
40 DLR (AD) 6 The State Vs. Tayub Ali মামলার সিদ্ধান্তে হয়েছে যে, “খুনের উদ্যোগ ছাড়া জখম করলে তা দণ্ডবিধির ৩২৪ থেকে ৩২৬ ধারার আওতায় জখম বলে বিবেচিত হবে। ক্ষেত্র বিশেষে আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা-কালীন অতিরিক্ত আই.ভি.ইনফিকশন দেওয়ার ফলে মারা যেতে পারে। কিংবা গুরুতর অপারেশনের ফলে মারা যেতে পারে। অনুরূপ ক্ষেত্রে আসামীদের অপরাধকে কিছুটা নমনীয় ভাবে দেখতে হয়। অর্থাৎ, দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার(খুন) পরিবর্তে ৩০৭ ধারা(খুনের চেষ্টা) মোতাবেক তুলনামূলক কম শাস্তি প্রদান করা যায়”।

7 DLR 430 Mohammad Vs. Somrat মামলার সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে যে, “দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার অপরাধ প্রমাণের জন্য এটা প্রমাণ করার দরকার হবে না যে, আসামীর নিক্ষিপ্ত আঘাতের ফলে ভিকটিমের মৃত্যু অনিবার্য ছিল”।

20 DLR 881 Yakub Ali Vs. The State মামলার সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে যে, “দন্ডবিধির ৩০৭ ধারার অভিযোগে ইহা প্রমাণ করা দরকার হয় না যে, অভিযুক্ত লোকের প্রদত্ত আঘাতটি মৃত্যু ঘটানোর জন্য যথেষ্ট ছিল। কোন আঘাত না দেয়া হলেও অত্র ধারানুসারে অপরাধ হতে পারে। আক্রমণকারী খুন করার ইচ্ছাপোষণ করে খুনের চেষ্টা করেছিল বলে প্রমাণ করতে পারলে যথেষ্ট হবে। তা হলে বন্দুক হাতে নিলে ৩০৭ ধারার অপরাধ হয় না”।

48 DLR(1996)(HCD)446 মামলার সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে যে, “Accused caused one grievous injury to each of injured prosecution witnesses and had not repeated the blow although they could do so and injuries caused by them also were not declared dangerous to life. Conviction of accused was altered from section 307 to section 324 PC”.

48 DLR(1996)(HCD)446 মামলার সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে যে, “ Accused giving a single hatchet blow but not repeating attack although nothing prevented him from doing so, conviction of accused under section 307 PC was altered to one under section 326 P.C. in circumstances.

Ibid: Reliable and unrebutted evidence proving charge burden of proving want of criminal intent is on accused.
Held- The onus of proving absence of criminal intent was on the accused and the Session Judge was using in drawing such inference.

সুতরাং বলা যায় যে, যদি কোন লোক এমন অভিপ্রায় বা অবগতি সহকারে বা এমন আশংকা জানার পরও এমন অবস্থায় এমন কার্য করে, যার ফলে কোন ব্যক্তিকে খুন করার জন্য কোন অপরাধ কর্মকাণ্ড চালানো হয়েছে কিন্তু ভাগ্যক্রমে লোকটি খুন হওয়া থেকে বেঁচে গেছে, তখন এই অপরাধ কর্মকাণ্ডকে আমরা ‘attempt to murder’ বা খুনের উদ্যোগ/চেষ্টা বলে অভিহিত করা হয়।

19/07/2025

ফৌজদারি মামলার ধাপ

৬.চার্জ শুনানীঃ উপরোক্ত কোন প্রকিয়ায় বা স্বেচ্ছায় অভিযুক্ত ব্যক্তি হাজির হলে আদালত তাদের উপর আনীত অভিযোগ তাদের কে পড়ে শোনাবেন। তাদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করলে আদালত তার জন্য তাদের কে শাস্তি প্রদান করবেন। অভিযোগের সত্যতা অস্বীকার করলে উহার সত্যতা নিরূপনের জন্য সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের নিমিত্তে সাক্ষীদের প্রতি সমন এবং ক্ষেত্র বিশেষে অনান্য প্রসেস যেমনঃ witness warrant এবং ww বা Non Bailable Witness Warrant ইস্যু করা হয়। তবে চার্জ শুনানীতে যদি আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা নাই তাহলে বিচারে না গিয়ে আসামী/আসামীদের কে অব্যাহতি দেয়া হয়। চার্জ বা ডিসচার্জের বিরুদ্ধে রিভিশন করা যায় দায়রা জজ আদালতে।

৭। সাক্ষ্য গ্রহণ: এই পর্যায়ে ফরিয়াদী পক্ষের এডভোকেট মহোদয় ফরিয়াদী সহ তার মনোনীত সাক্ষীদের জবানবন্দী গ্রহণ করেন এবং আসামী পক্ষ তাদের জেরা করেন।

৮। রায় প্রদান: সাক্ষীদের সাক্ষ্য, নথিস্থ কাগজাত ও অনান্য পারিপার্শ্বিক অবস্থা বিশ্লেষণ করে আদালতের নিকট সন্দেহাতীতভাবে আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনানুসারে শাস্তি প্রদান করেন। কিন্তু অভিযোগ প্রমাণিত না হলে খালাস প্রদান করেন।

৯। আপীল: কোনও পক্ষ আদালতের প্রদত্ত রায়ে সন্তুষ্ট না হলে এখতিয়ার সম্পন্ন উচ্চ আদালতে আপীল করতে পারেন। আপীল আদালত নিম্ন আদালতে রায় বহাল রাখবে পারেন, খারিজ করতে পারেন কিংবা পুনঃবিচারের জন্য রিমান্ডে পাঠাতে পারেন।

উপরের ধাপগুলো পার হতে আরো অনেকগুলো বিষয় থেকে যায়৷ যেমন- তদন্ত প্রতিবেদন এর বিরুদ্ধে না-রাজি, পুনঃতদন্ত, বিচারের জন্য প্রস্তুত বা রেডি ফর ট্রায়াল, যেকোনও আদেশের বিরুদ্ধে রিভিশন, ট্রান্সফার মিসকেইস ইত্যাদি।

20/06/2025

ফৌজদারী আদালত, শ্রেণীবিভাগ ও দন্ড আরোপের ক্ষমতা

আমরা জানি বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট ফৌজদারী বিচার ব্যবস্হার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত হিসেবে বিবেচিত। বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৯৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট দুইটি বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত। যথা-হাইকোর্ট বিভাগ এবং আপীল বিভাগ। এখন প্রশ্ন হলো হাইকোর্ট বিভাগ কি তার আদি এখতিয়ার প্রয়োগ করে কাউকে মৃত্যুদন্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করতে পারবেন। আরো সহজ করে বললে হাইকোর্ট বিভাগ বিচারিক আদালত হিসেবে কাউকে মৃত্যুদন্ড কিংবা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত করতে পারবেন কিনা। সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১০- এ বলা হয়েছে, সংবিধান ব্যাখ্যার সাথে জড়িত জনগুরুত্বপূর্ণ মামলা হাইকোর্ট বিভাগ অধস্তন আদালত থেকে প্রত্যাহার করে এনে নিজে স্বয়ং মীমাংসা করতে পারবেন। তার মানে এক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ বিচারিক আদালত হিসেবে জনগুরুত্বপূর্ণ মামলা মীমাংসা করতে পারবেন। এছাড়াও বিশেষ আইনে বিশেষ ফৌজদারী আদালত গঠিত হতে পারে। যেমন-নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে গঠিত নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল একটি ফৌজদারী আদালত। সুপ্রীম কোর্ট এবং বিশেষ আইনে গঠিত ফৌজদারী আদালত ব্যতীত দুই শ্রেনীর ফৌজদারী আদালত রয়েছে। যথা- (১) দায়রা আদালতসমূহ (২) ম্যাজিস্ট্রেট আদালতসমূহ [ধারা-৬(১)]

ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৬ অনুযায়ী ফৌজদারী আদালতের শ্রেণীবিভাগ সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে,উচ্চ আদালত[সুপ্রীম কোর্ট] ব্যতীত দুই শ্রেনীর ফৌজদারী আদালত রয়েছে। (১) দায়রা আদালতসমূহ (২)ম্যাজিস্ট্রেট আদালতসমূহ [ধারা-৬(১)]

ম্যাজিস্ট্রেট দুই প্রকার। যথা-(১) জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (২) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট [ধারা-৬(২)]। জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটদেরকে জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন নিয়োগ দিয়ে থাকে। আর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ পেয়ে থাকেন।

মহানগর এলাকার বাহিরে চার ধরণের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রয়েছে। যথা- (১) চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (২) প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (৩) দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত (৪) তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত [ধারা-৬(৩)]। বাস্তবিকপক্ষে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে বলা হয় সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। আর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে বলা হয় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটকে মহানগর এলাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলা হয়। এই কথাটি বলা আছে ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা- [৬(৩)(b)]-তে।

মহানগর এলাকায় দুই ধরণের ম্যাজিস্ট্রেট আদালত রয়েছে। (১) চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত। (২) মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত [ধারা-৬(৩)] আমরা আগেই জেনেছি মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ও বলা হয়।

চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি। ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৩২ অনুযায়ী একজন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট ৫ বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা করতে পারেন। চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও একজন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট। কিন্তু তারা সর্বোচ্চ ৭ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারেন। এক্ষেত্রে তাদেরকে বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট বলা হবে। বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটদের দন্ড আরোপের ক্ষমতা [ধারা-২৯(গ) +ধারা-৩৩(ক)]ধারা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হবে। ফৌজদারী কার্যবিধির ২৯(গ) ধারায় বলা হয়েছে, সরকার হাইকোর্ট বিভাগের সাথে পরামর্শ করে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট অথবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে মৃত্যুদন্ড ছাড়া সকল অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা অর্পণ করতে পারবে। ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৩(ক) ধারায় বলা হয়েছে, ২৯(গ) ধারা ক্ষমতাবলে বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট [চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট] মৃত্যুদন্ড অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা ৭ বছরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতীত আইনে অনুমোদিত যেকোন কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবেন। তার মানে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবেন। ফৌজদারী কার্যবিধি অনুযায়ী প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটরা ৫ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড প্রদান করতে পারবেন। কিন্তু সরকার বিশেষ ক্ষমতা দিলে প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটরা ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবেন। আর সরকার কর্তৃক এই বিশেষ ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটদেরকে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কিংবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলা হয়। আশা করি বিষয়টা আপনাদেরকে পরিষ্কারভাবে বুঝাতে সক্ষম হয়েছি। ফৌজদারী কার্যবিধির ধারা-৬ এর উপধারা-৩ এর ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বলতে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটকে ও অন্তর্ভুক্ত করবে। তার মানে অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এবং অতিরিক্ত চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবেন।

ফৌজদারী কার্যবিধির ৯ ধারাতে দায়রা আদালত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, দায়রা আদালতে তিন ধরণের জজ থাকে। তারা হলেন দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা জজ। দায়রা আদালতের সর্বোচ্চ বিচারক হলেন দায়রা জজ। একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন। দায়রা আদালত হলো এক বা একাধিক জেলা নিয়ে গঠিত দায়রা বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ ফৌজদারী আদালত। দায়রা আদালত [Court of Session] মহানগর এলাকায় মহানগর দায়রা আদালত [Metropolitan Court of Session] নামে পরিচিত। ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারাতে দায়রা আদালতের দন্ড প্রদানের ক্ষমতা সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, দায়রা জজ এবং অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত হয়ে যেকোন দন্ড দিতে পারবে। তবে দায়রা জজ এবং অতিরিক্ত দায়রা জজ মৃত্যুদন্ড দিলে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন নিয়ে তা কার্যকর করতে হবে। আর যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারবে। দায়রা আদালতের বিচারকদেরকে সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিবেন। সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বিচার বিভাগীয় পদে দায়িত্বপালনকারী ম্যাজিস্ট্রেট পদে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিবেন। যেহেতু দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ এবং যুগ্ম দায়রা হলো বিচার বিভাগীয় পদ, তাই রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ১১৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী তাদেরকে নিয়োগ দিবেন।

17/05/2025

ফৌজদারী মামলার ধাপ

ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে কোন অভিযোগ আমলে নেওয়া হলে মামলা নিষ্পত্তি পর্যন্ত কয়েকটি ধাপ রয়েছে

১. সমন :- আসামী দের বিরুদ্ধে আদালত স্বাক্ষরিত সমন ইস্যু করা হয়। যেখানে আদালতে হাজির হবার জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ থাকে।

২. ওয়ারেন্ট :- সমনে উল্লেখিত তারিখে আসামী হাজির না হলে আদালত তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন। এরূপ প্রসেস কে W/A বা Warrant of Arrest বলা হয়।

৩. WP & A :- ওয়ারেন্ট এ উল্লেখিত তারিখে আসামীকে হাজির করা না গেলে বা আসামী পলাতক থাকলে আদালত তার বিরুদ্ধে WP & A (Warrant of Proclamation and Attachment) ইস্যু করেন।এটি ‘হুলিয়া’ বলে পরিচিত।

৪. পত্রিকা বিজ্ঞপ্তি :- WP & A এতে উল্লেখিত তারিখে আসামীকে হাজির করা না গেলে বা আসামী পলাতক থাকলে এবং আদালত তার বিরুদ্ধে দুটি বহুল প্রচলিত বাংলা পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের আদেশ দেন।

৫. অনুপস্থিতিতে বিচার :- পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের পরও উল্লেখিত তারিখে আসামী হাজির না হলে বা আসামী পলাতক থাকলে তার অনুপস্থিতিতে বিচার শুরু হয়। একে আইনের ভাষায় (Trial In Absentia) বলে........... চলমান

18/04/2025

ফৌজদারি মামলার ধাপ

পুলিশি মামলা: থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে এজাহার দায়েরের মাধ্যমে যে মামলা শুরু হয় তাই পুলিশি মামলা নামে পরিচিত। পুলিশি মামলাকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা হয়। একটি হলো ক) জিআর, ও খ) নন জিআর মামলা।

ক) জিআর মামলা: জি.আর মানে জেনারেল রেজিষ্ট্রার, থানায় যেসকল মামলা হয় তা জি আর (GR Case)। ফৌজদারী কার্যবিধির তফসিল অনুযায়ী দণ্ডবিধির যেসব অপরাধ আমলযোগ্য সেসব অপরাধ কোন থানার এখতিয়ারাধীন এলাকায় সংঘটিত হলে থানা সরাসরি মামলা নিতে পারে যা জি আর কেইস। ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারা মতে সাধারণত একটি জি আর মামলা শুরু হয় এফ.আই.আর (প্রাথমিক তথ্য বিবরণী) মাধ্যমে। জি আর মামলায় ১৫৬ ধারা মতে পুলিশ তদন্ত করে থাকেন। যা ফৌজদারি কার্যবিধির এই ধারা অনুসারে জি.আর কেস ফাইল হলে পুলিশ তৎক্ষণাৎ তদন্ত করে কিংবা অভিযোগের প্রাইমাফেসি (যা ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা) নির্ধারণ করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে পারেন, কোনওরকম আদালতের গ্রেফতারি পরোয়ানা ছাড়াই। সি.আর মামলায় আদালত সাধারণত তদন্ত শেষে সমন বা গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করলে কেবল তা কার্যকর করা যায়। আইনের মতে সকল ধরণের আমলযোগ্য অপরাধ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অপরাধ সুতরাং সকল ক্রিমিনাল কেস এ বাদী রাষ্ট্র।

খ) নন জিআর মামলা: আমলযোগ্য মামলা সংঘটিত হওয়ার সংবাদ পেলে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেটিকে এজাহার হিসেবে গণ্য না করে সাধারণ ডায়েরি বা জিডি হিসেবে রেখে পুলিশি প্রবিধান ৩৭৭ অনুসারে জিডি এন্ট্রি করে সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে আদালতে নন-এফআইআর প্রসিকিউশন রিপোর্ট দায়ের করতে পারেন। এগুলো নন-জিআর মামলা নামে পরিচিত।

চলমান...............

29/03/2025

--------ফৌজদারি মামলার ধাপ------

দেওয়ানী অধিকার ও সম্পত্তির অধিকার ব্যতিত যেকোনো অপরাধ ফৌজদারি মামলার অন্তর্ভুক্ত। বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় দাঙ্গা হাঙ্গামা, ব্যক্তির জীবন হরণ, সাইবার ক্রাইম, অর্থসম্পদ লুটপাট, পাচার, আত্মসাৎ, বিশ্বাসভঙ্গ, প্রাণ নাশের হুমকি, বেআইনি সমাবেশ, যৌন হয়রানি, জালিয়াতি, মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান প্রভৃতি অপরাধে যেসব মামলা দায়ের করা হয় তাকে ফৌজদারি মামলা বলা হয়।এসব মামলায় আপরাধী দোষী সাব্যস্ত হলে জেল জরিমানা, যাবজ্জীবন এবং মৃত্যুদণ্ড হয়ে থাকে। সাধারণত ফৌজদারি মামলা দুইভাবে চিহ্নিত করা যায়-ক) আমলযোগ্য মামলা এবং আমল অযোগ্য মামলা।

ক) আমলযোগ্য মামলা: আইন মোতাবেক কিছু অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়াই গ্রেপ্তার করতে পারবে। এসব ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে প্রতিবেদন দিয়ে থাকেন। এসব অপরাধে যে মামলা হয় তাকে আমলযোগ্য মামলা বলা হয়। আবার আমলযোগ্য মামলাকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়, যথা: ১) একটি জি আর বা পুলিশি মামলা, অন্যটি ২) সি আর বা নালিশি মামলা।

খ) আমল অযোগ্য মামলা: কিছু অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ ওয়ারেন্ট ছাড়া গ্রেপ্তার করতে পারে না। অপরাধ সংঘটিত হলে পুলিশ সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে প্রসিকিডিশন ওয়ারেন্ট বা নন-এফআইআর মামলা আদালতে দাখিল করেন। এগুলো আমল অযোগ্য মামলা।এ ধরনের অপরাধের মামলা কোর্টের নন-জিআর রেজিস্ট্রারভুক্ত হয়ে পরিচালিত হয় বলে এ মামলাকে নন-জিআর মামলা বলা হয়।

নালিশি বা সিআর মামলা: ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে সরাসরি গিয়েও কোর্ট ফি দিয়ে বিচার প্রার্থনা করা যায়। ফৌজাদারী কার্যবিধির ১৯০ ধারা মতে ম্যাজিস্ট্রেট সি আর মামলা গ্রহণ করে থাকেন এবং ২০০ ধারা মতে নালিশকারীকে হলফপূর্বক জবানবন্দী গ্রহণ করে মামলা রুজু করেন। সি আর মামলা গ্রহণের পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে অভিযোগ সম্পর্কে সন্দেহ আছে তাহলে তিনি সে মুহূর্তে মামলা গ্রহণ করে ২০২ ধারা মতে তদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে ১৭৩ ধারা মতে আদালতে রিপোর্ট পেশ করেন। রিপোর্ট পাওয়ার পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি দেখেন যে ঘটনার সত্যতা নেই তাহলে তিনি ২০৩ ধারা মতে মামলা খারিজ করে দিতে পারেন। এক্ষেত্রে পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে পুনঃতদন্ত চেয়ে নালিশকারী চাইলে নারাজী দাখিল করতে পারে অথবা ম্যাজিস্ট্রেট নিজে চাইলেও পুনঃতদন্তের নির্দেশ দিতে পারেন। এরপর ধাপে ধাপে মামলার বিচার শুরু হয়, রেজিস্ট্রার মামলা নথিভুক্ত করে পরিচালিত হওয়ার কারণে এগুলোকে সি আর মামলা বলা হয়।

22/02/2025

দেওয়ানী মোকদ্দমার ধাপ

রিভিশন
নিম্ন আদালতের রায়ে মামলার যেপক্ষ সংক্ষুদ্ধ হবে বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে সেই পক্ষ উক্ত রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আইন দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেওয়ানী কার্যবিধি- ১৯০৮ এর ধারা ১১৫ অনুযায়ী রিভিশন করতে পারেন। রিভিশন আদালত শুনানী অন্তে নিম্ন আদালতের রায় বহাল বা বাতিল করতে পারেন।

আপীল
নিম্ন আদালতের রায়ে মামলার যেপক্ষ সংক্ষুদ্ধ হবে বা ক্ষতিগ্রস্ত হবে সেই পক্ষ উক্ত রায়ের বিরুদ্ধেউচ্চ আদালতে আইন দ্বারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দেওয়ানী কার্যবিধি- ১৯০৮ এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী আপীল করতে পারেন। আপীল আদালত শুনানী অন্তে নিম্ন আদালতের রায় বহাল বা বাতিল করতে পারেন । এগুলো হলো দেওয়ানী মামলার ধাপ স্তর সমূহ । এছাড়াও দেওয়ানী আদালতে মামলা চলাকালীন সময়ে পক্ষগনের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিভিন্ন প্রকারের দরখাস্তর আবেদন করতে পারেন

26/01/2025

দেওয়ানী মোকদ্দমার ধাপ

ডিক্রি জারী
কোড অফ সিভিল প্রসিডিউর- 1908-এর আদেশ-21 অনুসারে, কেউ ডিক্রি জারির জন্য আদালতে আবেদন করতে পারেন। আদালত কোনো মামলায় ডিক্রি পাশ করলে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ডিক্রি কার্যকর করার নির্দেশনা থাকলে, সেই অনুযায়ী, বিবাদী ডিক্রি কার্যকর না করলে, বাদী ডিক্রি জারি করার জন্য আদালতে আবেদন করতে পারেন।

রিভিউ
দেওয়ানী কার্যবিধির 114 ধারা- 1908 অনুসারে, যদি পক্ষগুলি মামলার বিচার চলাকালীন গুরুত্বপূর্ণ নথিগুলি সম্পর্কে আদালতকে অবহিত করতে ব্যর্থ হয় বা যদি উল্লিখিত নথিগুলি মামলার রেকর্ডে থাকে তবে বিচারে প্রমাণিত না হয় ভুলবশত বা অন্য কোনো বৈধ কারণে ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত হলে, সংক্ষুব্ধ পক্ষ সেই আদালতে আবেদন করতে পারে...........

18/12/2024

দেওয়ানী মোকদ্দমার ধাপ

রায় ঘোষণা:
সাধারণত যুক্তিতর্ক শুনানির পর আদালত একটি নির্দিষ্ট তারিখে মামলার রায় ঘোষণা করেন। সিভিল প্রসিডিউর কোড- অর্ডার-২০ অফ 1908-এর বিধি 1 অনুযায়ী, মামলার শুনানি শেষ হওয়ার 7 দিনের মধ্যে আদালত রায় ঘোষণা করবেন বলে বলা হয়েছে। রায়ে, পক্ষের জবানবন্দির সংক্ষিপ্ত বিষয়বস্তু, বাদী-বিবাদীর সাক্ষীদের পরীক্ষা, সাক্ষ্য বিশ্লেষণ, বিচারের বিষয়, সিদ্ধান্তের বিষয়ে যৌক্তিক আলোচনা, চূড়ান্ত আদেশ ইত্যাদি লিপিবদ্ধ করা হয়।

ডিক্রি প্রদান:
দেওয়ানী মামলা কার্যবিধি- 1908-এর আদেশ-20 বিধি-5(a) অনুযায়ী, আদালত রায় ঘোষণার সাত দিনের মধ্যে ডিক্রি প্রস্তুত করবেন।............

Address

Kulaura Moulvibazar
Maulvi Bazar

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 14:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Rayhan & Associate posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share