এস,এস,সি ব্যাচ-২০০১, মাদারগঞ্জ

এস,এস,সি ব্যাচ-২০০১, মাদারগঞ্জ SSC BATCH 2001

22/04/2026

#শোক_সংবাদ #

চর গোলাবাড়ি নিবাসী আমাদের বন্ধু কায়ছার আহমেদের বাবা (মোঃ আব্দুল জলিল আকন্দ) আজ সকাল ১১ঃ০০ ঘটিকায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না- লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন,
মরহুমের নামাজের জানাজা আজ রাত ৯ঃ ঘটিকায় মরহুমের নিজ বাড়িতে অনুষ্ঠিত হবে।
মরহুমের রূহের মাগফেরাৎ কামনা করছি। আল্লহ মরহুমকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুন।
এস, এস, সি ব্যাচ ২০০১ গভীর ভাবে শোকাহত। পরিবারের সকলের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি। আল্লাহ্ শোকসন্তপ্ত পরিবারকে ধৈর্য ধরার ক্ষমতা দিন। আমিন।

24/06/2024
এস,এস,সি-২০০১ ব্যাচ, মাদারগঞ্জ এর সকল বন্ধুদের নিয়ে একসাথে ইফতারী করার উদ্দ্যেগ নেওয়া হয়েছে।তারিখঃ ১ মে,২০২২ খ্রি.      ...
25/04/2022

এস,এস,সি-২০০১ ব্যাচ, মাদারগঞ্জ এর সকল বন্ধুদের নিয়ে একসাথে ইফতারী করার উদ্দ্যেগ নেওয়া হয়েছে।

তারিখঃ ১ মে,২০২২ খ্রি.
২৯, রমজান
স্থানঃ সানশাইন একাডেমী, হাসপাতাল রোড, বালিজুড়ী, মাদারগঞ্জ, জামালপুর।

সে মতে ইফতার পার্টিতে সকল বন্ধুদের উপস্থিতি আন্তরিক ভাবে কামনা করছি। সকল বন্ধুদের উপস্থিত হওয়ার জন্য বিনিত অনুরুধ রইল।

31/10/2021

⚠️⚠️গীজারের গরম পানিতে গোসলের সময় গীজারের সুইচ বন্ধ করে নিতে হবে।
আপনার অসচেতনতায় হতে পারে মারাত্মক দুর্ঘটনা। তাই সচেতন হোন নিরাপদ থাকুন ⚠️⚠️

"আপনার পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আপনার সন্তান হওয়া উচিত না।" ছোটবেলায় মাকে দেখতাম, মাছের মাথাটা সবসময় আব্ব...
14/09/2021

"আপনার পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আপনার সন্তান হওয়া উচিত না।"

ছোটবেলায় মাকে দেখতাম, মাছের মাথাটা সবসময় আব্বার প্লেটে দিতে। খুব ছোটবেলা থেকেই বুঝতাম যে তিনি এই পরিবারের প্রথম শ্রেণীর মানুষ। তিনি যখন ঘুমাতেন, তখন আমরা উচ্চস্বরে কথা বলতাম না। তার সিদ্ধান্ত পছন্দ না হলে, তার সঙ্গে উচ্চস্বরে কথা বলার সাহস কখনই তৈরি হয়নি।
আবার দাদা-দাদী যখন বেড়াতে আসতেন, তখন মাকে দেখতাম আব্বার কিছু কিছু সুবিধা কমিয়ে দিতে। এটুকু ধারণা মা পরিষ্কার তৈরি করেছিলেন যে, সিনিয়ররা জুনিয়রদের চেয়ে অধিক শ্রদ্ধাভাজন এবং অধিক সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখেন। বাসায় সার্বক্ষণিক মায়ের সাহায্যকারী মানুষ থাকলেও ১০ বছর বয়স থেকেই নিজের কাপড় নিজেই ধুয়েছি, খাওয়ার পর নিজের প্লেট ধুয়ে রেখেছি। (এখনো কারো বাসায় গেলে অভ্যাস বসত প্লেট ধুয়ে ফেলি!)

আমার মায়ের কড়া নিষেধ ছিল যে সেই সাহায্যকারীকে আমরা কেউ কোন কাজ করতে বলতে পারবো না। সে শুধু মায়ের কথা ও তার দেয়া কাজ করবে!! নিজের প্রতিটি কাজ নিজেকেই করতে হতো।

এখন অবস্থা পাল্টেছে। যে কোন বাবা-মাকেই যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, আপনার পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কে? তারা নিঃসন্দেহে বলবে, তাদের সন্তান। তাদের সন্তান সোনার টুকরা, হীরার টুকরা, প্লাটিনামের টুকরা।

যদি প্রশ্ন করা হয়, কেন তারা এতটা গুরুত্বপূর্ণ, তারা এমন কি কাজ করেছে যে তারা এতটা গুরুত্বপূর্ণ। কেউ সদুত্তর দিতে পারবে না। তারা কোন কারণ ছাড়াই, কোন যোগ্যতা অর্জন ছাড়াই পরিবারের প্রথম শ্রেণীর সদস্য!!

আমাদের সমস্যার জায়গা এখানেই। কোন অফিসে যদি এমডির পরিবর্তে জুনিয়র অফিসার বেশি গুরুত্ব পায়, তাহলে ঐ অফিসের শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে। যদি আর্মি জেনারেলের চেয়ে তার অধীনস্থ সৈন্যরা বেশি গুরুত্ব পায়। তাহলে ঐ আর্মি দিয়ে যুদ্ধ জয় সম্ভব না। আমাদের সন্তানরা জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই বুঝতে পারে, তারা পরিবারের প্রথম শ্রেণীর সদস্য, তাদের সুযোগ সুবিধা দেখার জন্যই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাদের বাবা-মাকে, যারা এই পরিবারের দ্বিতীয় শ্রেণির সদস্য। এবং তাদের নানা-নানী, দাদা-দাদীরা তৃতীয় শ্রেণির সদস্য!!

সন্তান যখন দেখবে, সে কোন যোগ্যতা অর্জন ছাড়াই এই পরিবারের প্রথম শ্রেণীর সদস্য, তখন সে এমনকি যোগ্যতা অর্জন করতেও চাইবে না। পরিবারে বাবা-মার অবস্থান সম্পর্কে, তাদের সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে ভুল ধারণা তৈরি হবে। দাদা-দাদীর সঙ্গে, নানা-নানীর সঙ্গে কিভাবে কথা বলতে হয়, এগুলো শিখবে না। সমাজের বয়োজ্যেষ্ঠদের সঙ্গে কিভাবে কথা বলতে হয় শিখবে না, কারণ সে তো জন্মগতভাবে প্রথম শ্রেণীর সুবিধাভোগী ব্যক্তি।

এখন মাঝে মাঝেই শোনা যায়, সন্তান মা-বাবার সঙ্গে জেদ করছে, তাকে কেন দামী মোবাইল ফোন কিনে দেওয়া হচ্ছে না, দামী ল্যাপটপ কিনে দেওয়া হচ্ছে না,..............................।

তারা এরকম করবে এটাই স্বাভাবিক, কারণ তারা এটা জেনে বা দেখে বড় হচ্ছে যে - তাদের সুবিধা দেওয়াই তাদের বাবা-মার দায়িত্ব। তারা কিভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করবে এটা তাদের ব্যাপার। বাবা-মা এখন আর চায় না যে তাদের সন্তান একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হোক। বাবা-মা তাদের সন্তানদের তাদের সামাজিক অবস্থান সম্পর্কে কখনই জানান না, সামাজিক দায়বদ্ধতা সম্পর্কে কখনো কিছু বলেন না। শুধু বলেন, বেটা/মা তোকে বিসিএস ক্যাডার হতে হবে, ডাক্তার হতে হবে, ইন্জিনিয়ার হতে হবে।

কতজন বাবা-মা আছে যে তাদের সন্তানদের বলে, বাবা/মা তোরা ভালো মানুষ হ?? সামাজিক দায়িত্ববোধ শূন্য, সামাজিক সম্পর্ক শূন্য এইসব ছেলেমেয়েরা সমাজকে, আমাদের সংস্কৃতিকে কিভাবে উপরে তুলবে?? এরা বরং যে কোন সময় সুবিধাজনক প্লাটফর্মে নিজেদেরকে শোষিত হতে দিতে অহংকার করবে। কোনটা লজ্জাবোধের বিষয়, কোনটা অহংকারের বিষয় - পার্থক্য তৈরি করতে পারবে না।

বাবা-মার প্রাথমিক দায়িত্ব সন্তানকে বিশাল চাকুরীজীবি বানানো না। বাবা-মার প্রাথমিক দায়িত্ব সন্তানকে একজন দায়িত্বশীল, বিবেকবান, সহানুভূতিশীল নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা। ছেলে মেয়ে নির্বিশেষে জীবন দক্ষতা (life skill) শেখানো যেন নিজের কাজ নিজে করতে পারে!!"

কৃতজ্ঞতা: John Rosemond, Psychologist

Collected

কিছু বন্ধু মিলে ঘুরে এলাম যমুনার পাড়ে,,,
27/08/2021

কিছু বন্ধু মিলে ঘুরে এলাম যমুনার পাড়ে,,,

25/08/2021

রিজিক নিয়ে আগে কখনো এভাবে ভাবি নি!!!

রিজিকের সর্বনিম্ন স্তরঃ টাকা , পয়সা , অর্থ , সম্পদ ।
সর্বোচ্চ স্তরঃ শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা ।
সর্বোত্তম স্তরঃ পুণ্যবান স্ত্রী ও পরিশুদ্ধ নেক সন্তান।
পরিপূর্ণ স্তরঃ মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ।
রিজিক খুব গভীর একটি বিষয় যদি আমরা বুঝতে পারি । আমি পুরাে জীবনে কত টাকা আয় করবাে সেটা লিখিত , কে আমার জীবনসঙ্গী হবে সেটা লিখিত , কবে কোথায় মারা যাবাে সেটা লিখিত । আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে , আমি কতগুলাে দানা ভাত দুনিয়াতে খেয়ে তারপর মারা যাবাে সেটা লিখিত । একটি দানাও কম না , একটিও বেশি না ।

ধরেন এটা লিখিত যে আমি সারাজীবনে ১ কোটি টাকা আয় করবাে , এই সিদ্ধান্ত আল্লাহ্ তায়ালা নিয়েছেন ।
আমি হালাল উপায়ে আয় করবাে না হারাম উপায়ে আয় করবাে সেই সিদ্ধান্ত আমার ।
যদি ধৈর্য ধারণ করি , আল্লাহ্ তায়ালার কাছে চাই , তাহলে হালাল উপায়ে ওই ১ কোটি আয় করেই আমি মারা যাবাে , হারাম উপায়ে হলেও ওই ১ কোটিই ... নাথিং মাের , নাথিং লেস !
আমি যেই ফলটি আজকে টেকনাফ বসে খাচ্ছি , সেটা হয়ত ইতালি কিংবা থাইল্যান্ড থেকে ইমপাের্ট করা । ওই গাছে যখন মুকুল হয়েছে তখনই এটা নির্ধারিত যে সেটি আমার কাছে পৌঁছাবে । এর মধ্যে কত পাখি ওই ফলের উপর বসেছে , কত মানুষ এই ফলটি পাড়তে গেছে , দোকানে অনেকে এই ফলটি নেড়েচেড়ে রেখে গেছে , পছন্দ হয় নি , কিনে নি । এই সব ঘটনার কারণ একটাই , ফলটি আমার রিজিকে লিখিত । যতক্ষণ না আমি কিনতে যাচ্ছি , ততক্ষণ সেটা ওখানেই থাকবে ।
এর মধ্যে আমি মারা যেতে পারতাম , অন্য কোথাও চলে যেতে পারতাম , কিন্তু না । রিজিকে যেহেতু লিখিত আমি এই ফলটি না খেয়ে মারা যাবাে না ।

রিজিক জিনিসটা এতােটাই শক্তিশালী ! কিংবা যেই আত্মীয় কিংবা বন্ধু - বান্ধব আমার বাসায় আসছে , সে আসলে আমার খাবার খাচ্ছে না । এটা তারই রিজিক , শুধুমাত্র আল্লাহ্ তায়ালা আমার মাধ্যমে তার কাছে পৌঁছে দিচ্ছেন । হতে পারে এর মধ্যে আমাদের জন্য মঙ্গল রয়েছে ।
আলহামদুলিল্লাহ্ ...

কেউ কারােটা খাচ্ছে না , যে যার রিজিকের ভাগই খাচ্ছে । আমরা হালাল না হারাম উপায়ে খাচ্ছি সেটা নির্ভর করছে আমি আল্লাহ্ তায়ালার উপর কতটুকু তাওয়াক্কাল আছি , কতটুকু ভরসা করে আছি ।

আল্লাহ তা'আলা বলেন ,
দুনিয়ায় বিচরণকারী এমন কোনাে প্রাণী নেই , যার রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহর ওপর নেই । তাদের স্থায়ী এবং অস্থায়ী অবস্থানস্থল সম্পর্কে তিনি অবহিত । সব কিছুই একটি সুস্পষ্ট কিতাবে লেখা আছে ।
( সুরা হুদ : আয়াত ৬ )

যে আল্লাহকে ভয় করে , আল্লাহ তার জন্য কোনাে না কোনাে পথ বের করে দেবেন । আর তাকে ( এমন উৎস থেকে ) রিজিক দেবেন যা সে ধারণাও করতে পারবে না ।
( সুরা ত্বালাক : আয়াত ২-৩ ) }

আল্লাহ্ তায়ালা আমাদের সকলকে সঠিক পথে রিজিক তালাশের তৌফিক দান করুন ।
আমীন ।

সংগৃহীত।

Address

Madarganj
2041

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এস,এস,সি ব্যাচ-২০০১, মাদারগঞ্জ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category