Advocateship guideline - adv jewel

Advocateship guideline - adv jewel ♦Advocateship guideline♦
【 Bar council mcq-written-viva
online preparation】

19/05/2025

Code of Civil Procedure, 1908 এর সংশোধনীসমূহ (অধ্যাদেশ নং-১৮, ২০২৫) তাং- ৮/০৫/২০২৫ ইং বিস্তারিত আলোচনা।

নিম্নে কোড অফ সিভিল প্রসিডিওর, ১৯০৮ এর অধ্যাদেশ নং-১৮, ২০২৫ অনুযায়ী আনীত প্রধান প্রধান সংশোধনীগুলো পয়েন্ট আকারে তুলে ধরা হলো:

১. মামলার আরজি হলফনামা দ্বারা প্রমাণ ( ধারা ২৬ এর সংশোধন): এখন থেকে প্রতিটি মামলার আরজিতে উল্লেখিত তথ্য হলফনামা (affidavit) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বৃদ্ধি (ধারা ৩৫ক এর সংশোধন): মিথ্যা বা হয়রানিমূলক মামলা বা দাবির ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ বিশ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি করে পঞ্চাশ হাজার টাকা করা হয়েছে।

২. আদেশ বা ডিক্রি জারিতে নির্বাহী কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ (ধারা ৯৪ক এর সংযোজন): আদালত কোনো ডিক্রি বা আদেশ জারির উদ্দেশ্যে নির্বাহী কর্তৃপক্ষ, যেমন আইন প্রয়োগকারী সংস্থা, কে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে সহায়তা করার এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবে।

৩. সমন জারির পদ্ধতিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার (আদেশ ৫, বিধি ৯ এর সংশোধন): সমন জারির শর্ট মেসেজ সার্ভিস (SMS), ভয়েস কল এবং ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং সার্ভিসের মতো আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের বিধান যুক্ত করা হয়েছে। তবে এর প্রমাণ অবশ্যই নথিতে রাখতে হবে।

৪. বাদী ও বিবাদীর বিবরণে অতিরিক্ত তথ্য সংযোজন (আদেশ ৭, বিধি ১ এর সংশোধন): মামলার আরজিতে বাদী এবং বিবাদীর নামের বিবরণ ও বাসস্থানের ঠিকানার পাশাপাশি তাদের ফোন বা মোবাইল নম্বর, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর (NID) এবং ইমেইল ঠিকানা (যদি থাকে) উল্লেখ করতে হবে।

৫. একতরফা ডিক্রি রদের সীমাবদ্ধতা (আদেশ ৯, বিধি ১৩ এর সংশোধন): একই বিবাদীর আবেদনে কোনো ডিক্রি এই নিয়মের অধীনে একাধিকবার রদ করা যাবে না।

৬. মামলা মূলতবির সংখ্যা হ্রাস (আদেশ ১৭, বিধি ১ এর সংশোধন): একটি মামলা সর্বোচ্চ ছয়বারের পরিবর্তে এখন চারবার মূলতবি করা যাবে।

৭. হলফনামার মাধ্যমে জবানবন্দি গ্রহণ (আদেশ ১৮, বিধি ৪ক এর সংযোজন): আরজি বা লিখিত জবাবে থাকা তথ্য বাদী বা বিবাদীকে মৌখিকভাবে পুনরায় বলতে বা অস্বীকার করতে হবে না। সকল ক্ষেত্রে বাদী বা বিবাদীর জবানবন্দি হলফনামার মাধ্যমে হবে এবং এরপর তাদের জেরা ও প্রয়োজনবোধে পুনরায় জেরা করা যাবে। এই হলফনামার একটি অনুলিপি আদালতে জমা দেওয়ার আগে অন্য পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে। হলফনামার সাথে দাখিলকৃত দলিলের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশ সাপেক্ষে হবে।

৮. বিভিন্ন ক্ষেত্রে খরচ বৃদ্ধি (আদেশ ১৮, বিধি ২০ এর সংশোধন): সাক্ষীর খরচ এবং অন্যান্য নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে প্রদেয় টাকার পরিমাণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। যেমন, "পাঁচ" এর পরিবর্তে "দশ", "দুই" এর পরিবর্তে "চার", "একশত" এর পরিবর্তে "দুইশত" এবং "সত্তর" এর পরিবর্তে "একশত চল্লিশ" শব্দগুলি প্রতিস্থাপিত হয়েছে।

৯. টাকা পরিশোধের ডিক্রি জারিতে বিশেষ বিধান (আদেশ ২১, বিধি ৩০ক এর সংযোজন):
আদালত ডিক্রি হোল্ডারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ডিক্রির টাকা অপরিশোধিত থাকা সাপেক্ষে দেনাদারকে অনধিক ছয় মাস দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখতে পারবে অথবা টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত আটকাদেশ বহাল থাকবে, যেটি আগে ঘটবে।
দেওয়ানি কারাগারে আটক দেনাদারের ভরণপোষণের খরচ সরকার বহন করবে।
নাবালক, অপ্রকৃতিস্থ, দেউলিয়া ঘোষিত অথবা উত্তরাধিকার সূত্রে মূল দেনাদারের স্থলাভিষিক্ত ব্যক্তিকে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে না।
দেনাদার কারাগারে থাকা অবস্থায় ডিক্রির টাকার কমপক্ষে ২৫% জমা দিয়ে বাকি টাকা ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধের বন্ড দিলে আদালত তাকে মুক্তি দেবে। বন্ডের শর্ত অনুযায়ী বাকি টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে অনধিক ছয় মাস দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা যাবে।
কোনো দেনাদারকে সম্পূর্ণ মেয়াদে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হলে, একই ডিক্রি জারি মামলায় বা একই ডিক্রি থেকে উদ্ভূত অন্য কোনো জারি মামলায় তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার বা আটক করা যাবে না।

১০. দেনাদারকে দেওয়ানি কারাগারে আটক রাখা হলেও তিনি ডিক্রির অপরিশোধিত টাকা পরিশোধের দায় থেকে অব্যাহতি পাবেন না।

১১. আর্থিক ডিক্রি জারিতে ভরণপোষণের বিধান বিলুপ্তি (আদেশ ২১, বিধি ৩৯ এর বিলুপ্তি): এই নিয়মটি বিলুপ্ত করা হয়েছে।

১২.সরাসরি ডিক্রি জারি (আদেশ ২১, বিধি ১০৪ এর সংযোজন):
তামাদি আইন সাপেক্ষে, যে মামলায় ডিক্রি দেওয়া হয়েছে সেই মামলার নথিতেই ডিক্রি জারির জন্য আবেদন গ্রহণ করতে পারবে এবং আদালত অবিলম্বে ডিক্রি জারির আদেশ দিতে পারবে। আপিল বা রিভিশন আদালত কর্তৃক নথি তলব করা হলে, এই উদ্দেশ্যে প্রস্তুতকৃত একটি পার্ট-ফাইলে আবেদন গ্রহণ করা যাবে।
ডিক্রি হোল্ডার বা ডিক্রি জারিতে বিক্রিত সম্পত্তির ক্রেতা যদি সম্পত্তি দখলে বাধাগ্রস্ত হন এবং আদালত এ বিষয়ে সন্তুষ্ট হন, তাহলে ডিক্রি হোল্ডার বা ক্রেতার আবেদনে আদালত কোনো ব্যক্তিকে বা প্রয়োজনে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে সম্পত্তির দখল বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবে।

১৩. আপিল পুনঃশুনানির সীমাবদ্ধতা (আদেশ ৪১, বিধি ২১ এর সংশোধন): এই নিয়মের অধীনে কোনো আপিল একাধিকবার পুনঃশুনানি করা যাবে না।
আপিলের নিষ্পত্তিতে "shall" শব্দের প্রতিস্থাপন (আদেশ ৪১, বিধি ২৪ এর সংশোধন): এই নিয়মে এবং এর উপান্তে উল্লিখিত "may" শব্দটির পরিবর্তে "shall" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হবে, যা আদালতের বাধ্যবাধকতা নির্দেশ করে।

১৪. পক্ষগণের অনুপস্থিতিতে আপিলের রায় (আদেশ ৪১, বিধি ৩০ এর সংশোধন): আপিল শুনানির জন্য ডাকা হলে যদি কোনো পক্ষ বা তাদের আইনজীবী কেউই উপস্থিত না থাকেন, এবং আপিল আদালত যদি মনে করেন যে নথিতে থাকা তথ্যাদি আপিলের গুণাগুণের ভিত্তিতে নিষ্পত্তির জন্য যথেষ্ট, তাহলে লিখিত কারণ উল্লেখপূর্বক অবিলম্বে বা আদালত কর্তৃক নির্ধারিত তারিখে খোলা আদালতে রায় ঘোষণা করতে পারবে।

19/05/2025

২০২৫ সালের দেওয়ানি কার্যবিধি,১৯০৮ (সংশোধন) অধ্যাদেশ বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার এনেছে, যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে মামলা নিষ্পত্তির গতি বৃদ্ধি, হয়রানিমূলক মামলার সংখ্যা হ্রাস এবং ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করা। নিচে সংশোধনের প্রধান দিকগুলো তুলে ধরা হলো:

১. সমন জারি পদ্ধতিতে ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার

✓ সমন জারি এখন থেকে টেলিফোন, এসএমএস, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার ইত্যাদি ডিজিটাল মাধ্যমে করা যাবে।

✓ এর ফলে সমন জারির প্রক্রিয়া দ্রুত ও সহজ হবে।

২. সাক্ষ্যগ্রহণে এফিডেভিটের ব্যবহার

✓ বাদী ও বিবাদীর মৌখিক জবানবন্দির পরিবর্তে এফিডেভিটের মাধ্যমে লিখিত বক্তব্য গ্রহণ করা হবে।

✓ এই লিখিত বক্তব্যের ওপরই জেরা সম্পন্ন হবে, যা সময় ও খরচ কমাবে।

৩. সময় চাওয়ার সীমা নির্ধারণ

✓ মামলায় পক্ষগণ সর্বোচ্চ ৪ বার সময় চাইতে পারবে।

✓ এর ফলে মামলার দীর্ঘসূত্রতা কমবে।

৪. হয়রানিমূলক মামলায় জরিমানা বৃদ্ধি

✓ ভুয়া বা হয়রানিমূলক মামলায় জরিমানা ২০,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৫০,০০০ টাকা করা হয়েছে।

✓ এর মাধ্যমে মিথ্যা মামলার প্রবণতা কমবে।

৫. রায় বাস্তবায়নে জারি মামলার প্রয়োজনীয়তা হ্রাস

✓ রায়ের সঙ্গে সঙ্গেই তা বাস্তবায়নের নির্দেশনা থাকবে, ফলে আলাদা জারি মামলা করার প্রয়োজন হবে না।

৬. মামলার তালিকা ও শুনানি প্রক্রিয়া নির্ধারণ

✓ প্রতিদিনের শুনানির জন্য কতটি মামলা নেওয়া যাবে তা নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে বিচারক ও আইনজীবীদের কাজের চাপ সুষম হয়।

৭. বাদী ও বিবাদীর তথ্যের বাধ্যতামূলক প্রদান

✓ মামলা দায়েরের সময় বাদীকে নিজের এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিবাদীর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, ই-মেইল, মোবাইল নম্বর ইত্যাদি তথ্য প্রদান করতে হবে।


সংশোধনের উদ্দেশ্য:

✓ বিচার প্রক্রিয়াকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করা।

✓ মামলার দীর্ঘসূত্রতা ও হয়রানি কমানো।

✓ ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি করে প্রক্রিয়া সহজ করা।

✓ বিচারপ্রার্থীদের সময় ও খরচ কমানো।

20/04/2025
07/01/2025

ফৌজদারী আপীল ফাইল করার স্টেপ সমূহ:

১। ওকালতনামায় বারের সীল লাগানোর জন্য বার এসোসিয়েশন এর রিসিপশনে যেতে হবে। ওকালতনামায় সীলের জন্য জমা দিয়ে প্রয়োজনীয় টাকা পরিশোধ করলে বারের সীল লাগানো হবে।

২। সীল লাগানোর পরে স্ট্যাম্প ভেন্ডরের নিকট থেকে আপীলের মেমোতে ও জামিনের আবেদনে (যদি থাকে) কোর্ট ফি লাগাতে হবে। দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল হলে আপীল মেমোতে কোর্ট ফি লাগে না।

৩। স্ট্যাম্প রিপোর্টার এর নিকট নিয়ে গিয়ে আপীল মেমোটি জমা দিলে স্ট্যাম্প রিপোর্টার আপীল মেমোতে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প লাগানো হয়েছে কিনা পরীক্ষা করে দেখবেন।

৪। এরপর আপীল মেমো নিয়ে আপনাকে ফৌজদারি আপীল ফাইলিং সেকশনে যেতে হবে। সেখানে দায়িত্বরত ব্যক্তির নিকট আপনার ফাইলটি দিলে সেকশনের দায়িত্বরত ব্যক্তি আপীলটি এন্ট্রি করে একটি এন্ট্রি নম্বর দিবেন। এন্ট্রি নম্বর পড়ার পরে আপীল মেমোর মূল পিটিশনসহ সবকিছু হুবহু দুই সেট ফটোকপি করতে হবে।

সেকেন্ড জজের কপি সাজানো

ফটোকপি হয়ে যাওয়ার পরে পূর্বে সাদা কাগজে প্রিন্টকৃত আপীল মেমোর সাথে ফটোকপি করা এনেক্সারগুলো সংযুক্ত করে সেলাই করতে হবে।

চেম্বার কপি

চেম্বারে সংরক্ষণ এর জন্য মূল আপীল মেমো সহ সব কিছু একসেট ফটোকপি করে রাখতে হবে।
৫। এন্ট্রি নম্বর পড়ার পরে ফৌজদারি আপীল সেকশনে আপীল মেমোটি নিয়ে যেতে হবে। উক্ত সেকশনে দায়িত্বরত কর্মকর্তা/কর্মচারী আপীল রেজিস্ট্রারে আপীলটি নিবন্ধন করবেন এবং ফৌজদারি আপীল নম্বর দিবেন। উক্ত নম্বরটি অবশ্যই নোট করে নিতে হবে। আপীল মেমোটি এ শাখায় সংরক্ষিত থাকবে।

৬। আপীল মেমোর সাথে জামিনের আবেদন থাকলে হলফনামা কমিশনারের নিকট জামিনের আবেদনসহ হলফকারীকে সাথে নিয়ে যেতে হবে। হলফনামা কমিশনার জামিনের আবেদনের প্রত্যেক পাতা দেখবেন এবং প্রতি পাতায় ও এনেক্সারে সাইন করবেন। যদি জামিনের আবেদন না থাকে তাহলে হলফনামা কমিশনার এর নিকট যাওয়ার প্রয়োজন নেই।

৭। এভাবেই আপনার আপীলটি সেকশনে ফাইল হবে। এরপর আপনার কাজ হবে জামিনের আবেদন (যদি থাকে) এর কপি এটর্নি জেনারেল অফিসে প্রদান করে মুল, কপিতে রিসিভ করে নেয়া। অতঃপর সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের বেঞ্চ অফিসারের নিকট জামিনের আবেদনটি সকাল ১০ ঘটিকার আগে দাখিল করতে হবে।

৮। এরপর আপনার কাজ হলো আপীলের গ্রহণযোগ্যতা শুনানী করা। এজন্য যে বেঞ্চে আপীল এর গ্রহণযোগ্যতা শুনানী করতে চান আপনাকে উক্ত বেঞ্চে মেনশনের জন্য নির্ধারিত সময়ে মেনশন স্লিপ জমা দিয়ে মেনশন করতে হবে।

19/10/2024

আইনের যে ইংরেজি গুলোর বাংলা না জানা অপূরনীয় ক্ষতি!!

1) Abatement of suit (মোকদ্দমা বাতিল)
2) Abetment (অপসহায়তা)
3) Abduction (জোরপূর্বক অপহরণ)
4) Accomplice (দুষ্কর্মের সহচর)
5) Acquittal (খালাশ)
6) Actionable claim (নালিশযোগ্য দাবী)
7) Actus reus (দোষাবহ কার্য)
8) Ad-Interim Injunction (অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞা)
9) Admission (স্বীকৃতি)
10) Ad-Valorem (মুল্যানুপাতিক)
11) Adverse Possession ( বিরুদ্ধ দখল)
12) Anticipatory bail (আগাম জামিন)
13) Arbitration ( সালিস)
14) Assault (আক্রমণ)
15) Audi alterem partem (অপরপক্ষকে শোনা)
16) Bail (জামিন)
17) Burden of proof ( প্রমানের ভার)
18) CR Case/Complaint registered case (সি আর মামলা)
19) Cancellation of instrument( দলিল বাতিল)
20) Cheating (প্রতারণা)
21) Cognizable offense (আমলযোগ্য অপরাধ)
22) Cognizance (অপরাধ আমলে নেওয়া)
23) Common intention (সাধারণ অভিপ্রায়)
24) Complaint (নালিশ)
25) Conclusive proof (চূড়ান্ত প্রমাণ)
26) Confession (দোষস্বীকারোক্তি বা স্বীকারোক্তি)
27) Criminal breach of trust (অপরাধমুলক বিশ্বাসভঙ্গ)
28) Criminal conspiracy (অপরাধমুলক ষড়যন্ত্র)
29) Criminal force (অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
30) Criminal trespass (অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ)
31) Cross claim (পাল্টা দাবী)
32) Cross examination (জেরা)
33) Declaratory decree (ঘোষণামূলক ডিক্রি)
34) Dacoity (ডাকাতি)
35) Decree holder (ডিক্রিদার)
36) Defamation (মানহানি)
37) Defense witness (সাফাই সাক্ষ্য)
38) Discharge (অব্যহতি)
39) Discretionary power (বিবেচনামুলক ক্ষমতা)
40) Dismissal of suit (মোকদ্দমা খারিজ)
41) Documentary evidence ( দালিলিক সাক্ষ্য)
42) Double jeopardy (দোবারা সাজা)
43) Dumb witness (বোবা সাক্ষ্য)
44) Dying declaration ( মৃত্যুকালীন ঘোষণা)
45) Easement (ব্যবহার স্বত্ব)
46) Estoppel (প্রতিবন্ধক বা স্ব-কার্যজনিত বাধা)
47) Exparte decree ( একতরফা ডিক্রি)
48) Expert opinion (বিশেষজ্ঞ মতামত)
49) Extortion (বলপুর্বক আদায়)
50) Extra judicial confession (বিচার বহির্ভূত দোষ স্বীকার)
51) Fabricating false evidence ( মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি)
52) Final decree (চূড়ান্ত ডিক্রী)
53) FIR/First Information Report (প্রাথমিক তথ্য বিবরণী)
54) Fixed court fee (নির্ধারিত কোর্ট ফি)
55) Forgery (জালিয়াতি)
56) Fraud (প্রতারণা)
57) Fugitive Accused ( ফেরারি আসামী)
58) Further Investigation (অধিকতর তদন্ত)
59) G.D/General Dairy ( সাধারণ ডায়েরি)
60) G.R Case/ General Registered case ( জি. আর মামলা)
61) Giving false evidence (মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান)
62) Hearsay evidence ( শ্রুত সাক্ষ্য)
63) Hostile witness (বৈরী সাক্ষ্য)
64) Hurt (জখম)
65) Inherent power of the court (আদালতের অনতর্নিহিত ক্ষমতা)
66) Injunction (নিষেধাজ্ঞা)
67) Inquest Report (সুরতহাল প্রতিবেদন)
68) Inquiry (অনুসন্ধান)
69) Investigation (তদন্ত)
70) Judgment debtor (দায়িক)
71) Judgement in Personam (ব্যক্তিপ্রভাবি রায়)
72) Judgement in rem (বস্তুর বিরুদ্ধে রায়)
73) Judicial confession (বিচারিক দোষস্বীকারোক্তি)
74) Judicial notice (জুডিশিয়াল নোটিশ)
75) Judicial Review (বিচার বিভাগীয় পুনর্বিবেচনা)
76) Jurisdiction (আদালতের এখতিয়ার)
77) Leading questions (ইঙ্গিতবাহি প্রশ্ন)
78) Lease (ইজারা)
79) Legal disability (বৈধ অপারগতা/আইনগত অক্ষমতা)
80) Legal representative (বৈধ প্রতিনিধি/আইনানুগ প্রতিনিধি)
81) Lex fori (স্থানীয় আদালতের আইন)
82) Life Imprisonment (যাবজ্জীবন কারাদণ্ড)
83) Local Investigation (স্থানীয় তদন্ত)
84) Locus standi (মামলা করার অধিকার)
85) Mandatory Injunction (বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা)
86) Martial Law (সামরিক আইন)
87) May presume (অনুমান করতে পারে)
88) Mediation (সালিস)
89) Mens Rea (অপরাধি মন)
90) Mens profits (অন্তরবর্তিকালিন মুনাফা)
91) Minor (নাবালক)
92) Mischief (ক্ষতি/অনিষ্ট সাধন)
93) Misrepresentation ( মিথ্যা বর্ণনা)
94) Non-Cognizable offense (আমল অযোগ্য অপরাধ)
95) Ordinance (অধ্যাদেশ)
96) Parole (প্যারোল- কোন কয়েদিকে শর্তসাপেক্ষে মুক্তি দেওয়া)
97) Pauper suit (নিঃস্ব ব্যক্তির মোকদ্দমা)
98) Perpetual Injunction (চিরস্থায়ি নিষেধাজ্ঞা)
99) Plaint (আরজি)
100) Pleadings (প্লিডিংস- আরজি বা লিখিত জবাব)
101) Police dairy (তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ হয়)
102) Police report (পুলিশ প্রতিবেদন)
103) Post mortem (ময়না তদন্ত)
104) Preamble (প্রস্থাবনা)
105) Precedent (নজির)
106) Pre-emption (অগ্রক্রয়)
107) Preliminary decree (প্রাথমিক ডিক্রী)
108) Presumption (অনুমান)
109) Preventive detention (নিবর্তনমূলক আটক)
110) Preventive relief (প্রতিরোধমূলক প্রতিকার)
111) Primary evidence (প্রাথমিক সাক্ষ্য)
112) Private defense (ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা)
113) Private document( বেসরকারি দলিল)
114) Public document (সরকারি দলিল)
115) Procedural law (পদ্ধতিগত আইন)
116) Punitive detention ( শাস্তিমূলক আটক)
101) Police dairy (তদন্তের অগ্রগতি যে ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ হয়)
102) Police report (পুলিশ প্রতিবেদন)
103) Post mortem (ময়না তদন্ত)
104) Preamble (প্রস্থাবনা)
105) Precedent (নজির)
106) Pre-emption (অগ্রক্রয়)
107) Preliminary decree (প্রাথমিক ডিক্রী)
108) Presumption (অনুমান)
109) Preventive detention (নিবর্তনমূলক আটক)
110) Preventive relief (প্রতিরোধমূলক প্রতিকার)
111) Primary evidence (প্রাথমিক সাক্ষ্য)
112) Private defense (ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষা)
113) Private document( বেসরকারি দলিল)
114) Public document (সরকারি দলিল)
115) Procedural law (পদ্ধতিগত আইন)
116) Punitive detention ( শাস্তিমূলক আটক)
117) Quasi contract (প্রায় চুক্তি বা উপচুক্তি)
118) Receiver ( তত্বাবধায়ক)

11/09/2024

চুরির সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা কতো?

10/07/2024



একনজরে দণ্ডবিধি ১৮৬০/Penal Code 1860
দণ্ডবিধি: মূল আইন/ Substantive Law
পাশ: ১৮৬০ সালের ৬ই অক্টোবর
কার্যকর: ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারি
ধারা: ৫১১টি
পরিচ্ছেদঃ ২৩টি
আইন : ১৮৬০ সালের ৪৫নং আইন

অধ্যায়ঃ ২
ধারাঃ ৮- লিঙ্গ ( Gender)
ধারাঃ ৯- বচন (Number)
ধারাঃ ১০- পুরুষ মহিলা( Man, Women)
ধারাঃ ১১- ব্যক্তি( person)
ধারাঃ ১২ -জনগন( public)
ধারাঃ ১৪- রাষ্ট্রিয় কর্মচারী (servant of the state)
ধারাঃ ১৭- সরকার ( Government)
ধারাঃ ১৯- জজ( Judge)
ধারাঃ ২০- বিচারালয় ( Court of Justice)
ধারাঃ ২১- ১২ প্রকারের, সরকারী কর্মচারী (Public servant)
ধারাঃ ২২- অস্থাবর সম্পত্তি (Moveable property)
ধারাঃ ২৩- অবৈধ লাভ(Wrongful gain)/অবৈধ ক্ষতি( Wrongful loss)
ধারাঃ ২৪- অসাধুভাবে(Dishonestly)
ধারাঃ ২৫- প্রতারণামূলকভাবে( Fraudulently)
ধারাঃ ২৬- বিশ্বাস করার কারন (Reason of believe)
ধারাঃ ২৭- কোন ব্যক্তি সম্পত্তি যখন তার স্ত্রী, কেরানী,ভিত্যের অধিকারে থাকে তখন তার সম্পত্তি বলে গন্য হবে
ধারাঃ ২৮- নকলকরন( Counterfeit)
ধারাঃ ২৯ - দলিল ( Document)
ধারাঃ ৩০- মূল্যবান জানানত (Valuable Security)
ধারাঃ ৩১- উইল( A Will)
ধারাঃ ৩৩ - কার্য, বিচ্যুতি( Act,Omission)
ধারাঃ ৩৪- অভিন্ন অভিপ্রায়( Common intention)
ধারাঃ ৩৫ - অপরাধ মূলক জ্ঞান এবং অভিপ্রায় দ্বারা যখন সংঘটিত হল
ধারাঃ ৩৬ - আংশিক কার্য বা কার্য বিচ্যুতি দ্বারা যখন অপরাধ সংঘটিত হয়
ধারাঃ ৩৭ - কতিপয় অপরাধের সংঘটন
ধারাঃ ৩৮ -একই কার্যে ভিন্ন ভিন্ন অপরাধ সংঘটন
ধারাঃ ৩৯- ইচ্ছাকৃতভাবে ( Voluntarily)
ধারাঃ ৪০- অপরাধের সংজ্ঞা (Offence)
ধারাঃ ৪১- বিশেষ আাইন (Special Law)
ধারাঃ ৪২- স্হানীয় আইন( Local Law)
ধারাঃ ৪৪- ক্ষতি( Injury)
ধারাঃ ৪৫- জীবন (Life)
ধারাঃ ৪৬- মৃত্যু(Death)
ধারাঃ ৪৭- প্রানী(Animal)
ধারাঃ ৪৮- জাহাজ( Vessel)
ধারাঃ ৪৯- বছর, মাস(Year,Mounth)
ধারাঃ ৫০- ধারা( Section)
ধারাঃ ৫১- হলফ( Oath)
ধারাঃ ৫২- সরল বিশ্বাস ( Good faith)
ধারাঃ ৫২(ক) আশ্রয়( Harbour)

অধ্যায়ঃ ৩- সাজা প্রসঙ্গে/Of Punishment
ধারাঃ ৫৩- দন্ডের প্রকারভেদ
ধারাঃ ৫৪- মৃত্যদন্ড হ্রাসকরণ
ধারাঃ ৫৫- যাবজ্জীবন দণ্ড হ্রাসকরণ বা পরিবর্তন
ধারাঃ ৫৫(ক)- রাস্ট্রপতির বিশেষ অধিকার সংরক্ষন
ধারাঃ ৫৭- সাজার মেয়াদের ভগ্নাংশ
ধারাঃ ৬৩- অর্থদন্ডের পরিমাণ উল্লেখ না থাকলে
ধারাঃ ৬৪- অর্থদন্ড অনাদায়ে কারাদণ্ডের আদেশ
ধারাঃ ৬৫- উভয়দন্ডের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড
ধারাঃ৬৬- কারাদন্ড ও অর্থদন্ড প্রদানে কারাদণ্ড অনাদায়ে অর্থদন্ড বুঝাবে সশ্রম, বিনাশ্রম
ধারাঃ ৬৭- শুধুমাত্র অর্থদন্ডের ক্ষেত্রে অর্থদণ্ড অনাদায়ে কারাদণ্ড
 ৫০ টাকা অতিক্রম নাহলে ২ মাস
 ১০০ টাকা অতিক্রম না হলে ৪ মাস
 ১০০ টাকার অধিক হলে ৬ মাস

ধারাঃ ৬৮- অর্থদন্ড আদায়ে কারামুক্তি
ধারাঃ ৬৯- অর্থদন্ড আনুপাতিক অংশ আদায়ে কারামুক্তি
ধারাঃ ৭০- অর্থদন্ড আদায়ের সময়
ধারাঃ ৭৩- নির্জন কারাবাস/ Solitary confinement
৬ মাসের অধিক না হলে নির্জন কারাবাস ১ মাস ;
১ বছরের অধিক না হলে নির্জন কারাবাস ২ মাস ;
১ বছরের অধিক হলে নির্জন কারাবাস ৩ মাস। )
নির্জন কারাবাস সর্বসাকুল্যে ৩ মাসের অধিক হবে না

ধারাঃ ৭৪- নির্জন কারাবাসের সীমা
অধায়ঃ ৪- সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ/ General Exception
ধারাঃ ৭৬- কোন কাজ করতে আইনগত বাধ্য ভেবে স্বদবিশ্বাসে করলে তা অপরাধ নয়
ধারাঃ ৭৭- বিচারকের কাজ অপরাধ নয়
ধারাঃ ৭৮- আদালতের আদেশে কৃতকাজ অপরাধ নয়
ধারাঃ ৭৯- আইনত ন্যায়সঙ্গত কোন লোক কতৃক সম্পাদিত কোন কাজ যা ন্যায়সঙ্গত বলে সরল বিশ্বাসে মনে করে করা হয়েছে
ধারাঃ ৮০- আইনানুগ কার্যসম্পাদনকালে বিপত্তি বা দুর্ঘটনা
ধারাঃ ৮১- অন্যবিধ ক্ষতিরোধের উদ্দেশ্যে সম্পাদিত কোন ক্ষতিকরকার্য যা অপরাধমূলক অভিপ্রায় ব্যতীত করা হয়েছে।
ধারাঃ ৮২- নয়বছরের শিশু কতৃক সম্পাদিত কার্য অপরাধ নয়
ধারাঃ ৮৩- নয় বছরের অধিক কিন্তু বারো বছরের কম বয়সি অপরিনত বুদ্ধিসম্পন্ন শিশুর কার্য অপরাধ নয়
ধারাঃ ৮৪- অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কাজ অপরাধ হিসেবে গন্য হবেনা
ধারাঃ৮৫- অনিচ্ছাকৃত নেশাগ্রস্থ হওয়ার ফলে কৃতকাজ
ধারাঃ ৮৮- উপকার করতে গিয়ে সম্পাদিত কোন কার্য
ধারাঃ ৮৯- শিশুর বা অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির অভিভাবকের সম্মতিক্রমে, উপকার করতে গিয়ে সম্পাদিত কোন কার্য
ধারাঃ ৯২- সম্মতি ব্যতীত উপকার করতে গিয়ে সম্পাদিত কোন কার্য
ধারাঃ ৯৩- সরল বিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ
ধারাঃ ৯৪- ভীতি প্রদর্শনের কারণে কৃতকাজ
ধারাঃ ৯৫-সামান্য ক্ষতিকারককাজ

আত্মরক্ষার অধিকার প্রসঙ্গে/Private Defense
ধারাঃ ৯৬- আত্মরক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদিত কাজ
ধারাঃ ৯৭- দেহ ও সম্পত্তি রক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার
ধারাঃ ৯৮- অপ্রকৃতিস্থ ব্যক্তির কার্যের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার
ধারাঃ ৯৯- যেসমস্ত কার্যের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যায়না

ধারাঃ ১০০- যেসকল ক্ষেত্রে নিজ দেহ রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে মৃত্যু ঘটানো যায়
ধারাঃ ১০১- যেক্ষেত্রে অনুরুপ অধিকার মৃত্যু সংগঠন ব্যতীত অন্য ক্ষতি সংগঠনের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে
ধারাঃ ১০২- দেহ রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে প্রারম্ভ বা স্থিতিকাল
ধারাঃ ১০৩- যেসকল ক্ষেত্রে নিজ সম্পত্তি রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে মৃত্যু ঘটানো যায়
ধারাঃ ১০৪- যেক্ষেত্রে অনুরুপ অধিকার মৃত্যু সংগঠন ব্যতীত অন্য ক্ষতি সংগঠনের ক্ষেত্রে হয়ে থাকে
ধারাঃ ১০৫- সম্পত্তি রক্ষার জন্য আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগে প্রারম্ভ বা স্থিতিকাল

অধ্যায়ঃ ৫- অপরাধের সহায়তা প্রসঙ্গে/Of Abetment
ধারাঃ ১০৭- অপরাধে সহায়তা
ধারাঃ ১০৮-দুস্কর্মে সহায়তাকারি
ধারাঃ ১০৯- অপরাধে সহায়তার সাজা
ধারাঃ ১১১- যে কার্যের জন্য সহায়তা করা হয়েছে সেই কার্য ছাড়া অন্যকার্য সম্পাদিত হলে
ধারাঃ ১১৫- মৃত্যুদন্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডনিয় অপরাধে সহায়তার শাস্থি/ অপরাধ সংঘটিত না হলে বা হলে সেক্ষেত্রে শাস্থি।
ধারাঃ ১১৬- কারাদন্ডে দন্ডনিয় অপরাধে সহায়তার শাস্থি/ অপরাধ সংঘটিত না হলে সেক্ষেত্রে শাস্থি।
ধারাঃ ১১৮- মৃত্যু দন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অপরাধের যড়যন্ত্র গোপনকরনকরন

ধারাঃ ১১৯- সরকারী কর্মচারী কতৃক অপরাধের যড়যন্ত্র গোপনকরন যা বিবারন করা তার কর্তব্য ছিলো

অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র/Criminal Conspiracy
ধারাঃ ১২০(ক)- অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র
ধারাঃ ১২০(খ)- অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের শাস্থি

অধ্যায়ঃ ৬- রাষ্ট্রবিরোধি অপরাধ প্রসঙ্গে/Of Offences against the state
ধারাঃ ১২১- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বা যুদ্ধ ঘোষণার উদ্যোগ গ্রহন করা বা যুদ্ধ ঘোষণায় সহায়তা করা
ধারাঃ ১২১(ক)- ১২১ ধারা অনুযায়ী দন্ডনিয় অপরাধ সংঘটনের জন্য ষড়যন্ত্র
ধারাঃ ১২২- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য অস্ত্রশস্ত্র ইত্যাদি সংগ্রহ করা
ধারাঃ ১২৩- যুদ্ধ সুগম করারা উদ্দেশ্য ষড়যন্ত্র

ধারাঃ ১২৩(ক) - রাষ্ট্রসৃষ্টির নিন্দাকরণ ও উহার সার্বভৌমত্ব বিলোপ দাবী করা
ধারাঃ ১২৪- সরকারী দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা বা বাধা প্রদানে রাষ্টপতি বাসরকার প্রমূখে আক্রমণ

ধারাঃ ১২৪(ক) রাষ্ট্রদ্রোহিতা
ধারাঃ ১২৫- বাংলাদেশের সহিত মৈত্রি বন্ধনে আবদ্ব ঐশীয় শক্তির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করন
ধারাঃ ১২৬- বাংলাদেশের সাথে শান্তিতে বসবাসকারীর শক্তির রাজ্যের এলাকার সাথে লুন্ঠন অনুষ্ঠান

ধারাঃ ১২৮- সরকারী কর্মচারীদের স্বেচ্ছাকৃতভাবে পালিয়ে যেতে দেওয়া

ধারাঃ ১২৯ -অবহেলাবসত সরকারী কর্মচারীদের পালিয়ে যেতে দেওয়া

ধারাঃ ১৩০- যুদ্ধ অপরাধীদের পালিয়ে যেতে সাহায্যে করা, আশ্রয় দান

অধ্যায়ঃ ৮- জনগনের শান্তিভঙ্গের অপরাধ প্রসঙ্গে/Of offences against the public tranquility)
ধারাঃ১৪১- বেআইনি সমাবেশ ( Unlawful Assembly)
ধারাঃ১৪২- বেআইনি সমাবেশের সদস্য হিসেবে অংশগ্রন বা সদস্য হিসেবে গন্য হওয়া।
ধারাঃ১৪৩- শাস্তি, ৬ মাস বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৪৪- অস্ত্র দ্বারা বেআইনি সমাবেশ, শাস্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৪৫- বেআইনি ছত্রভঙ্গ, শাস্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৪৬-দাঙ্গা ( Rioting)
ধারাঃ১৪৭- দাঙ্গার শান্তি ২ বছরের বা অর্থদন্ড
ধারাঃ১৪৮- মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা দাঙ্গা সংঘটিত হলে শাস্তি, ৩ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৪৯- সাধারণ উদ্দেশ্য, শাস্তি মূল অপরাধের সমান
ধারাঃ১৫১- বেআইনি সমাবেশ নিষিদ্ধ জানিয়াও উপস্থিত হলে , শাস্তি ৬ মাস বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৫২- দাঙ্গা ইত্যাদি দমন কালে সরকারি কর্মচারী কতৃক আক্রমণ, শাস্তি, ৩ বছরের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ১৫৯- মারামারি ( Affray)
ধারাঃ১৬০- মারামারির শাস্তি, ১ মাস বা ১০০ টাকা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।

অধ্যায়ঃ ৯
ধারাঃ ১৬২- সরকারী কর্মচারী বেআইনি ভাবে বকশিস গ্রহণ, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা ধারাঃ উভয়দন্ড
ধারাঃ ১৬৩ - সরকারী কর্মচারী ব্যক্তিগত ভাবে বকশিস গ্রহণ, শাস্তি, ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ ১৬৪- ১৬২ এবং ১৬৩ ধারায় সহায়তা করলে শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ ১৬৫- সরকারী কর্মচারী কতৃক সরকারি কর্মচারীর নিকট থেকে মূল্যবান জিনিস গ্রহন শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ ১৬৮- সরকারী কর্মচারী সরকারি চাকরি কালিন অন্য ব্যবস্য করতে পারবে না, শাস্তি, ১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড

ধারাঃ১৭১(ক)- প্রার্থীসমূহ( Candidate),নির্বাচনাধিকার( Electoral right)
ধারাঃ ১৭১(খ)- ঘুষ (Bribery
ধারাঃ ১৭১(ঙ)- ঘুষের শাস্তি, ১ বছরের যে কোন মেয়াদের বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ ১০ অধ্যায়,
ধারাঃ ১৭২- সরকারি কর্মচারী কতৃক নিদর্শিত সমন, নোটিশ এড়িয়ে আত্মগোপন করলে
১ মাস / ৫০০ টাকা
ধারাঃ ১৭৩ ধারা- সমন প্রকাশনায় বাধা
১ মাস / ৫০০ টাকা
বিচারালয় হলে - ৬ মাস / ১০০০ টাকা
ধারাঃ ১৭৪- সরকারী কর্মচারীদের আদেশ অমান্য করলে ১ মাস / ৫০০ টাকা
ধারাঃ ১৮৮- সরকারী কর্মচারী কতৃক ঘোষণার অমান্য, ১ মাস ২০০ টাকা
বিচারিক আদালতে ঘোষণা অমান্য, ৬ মাস, ১০০০

অধ্যায়ঃ ১১
ধারাঃ ১৯১- মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান (Giving false evidence)
ধারাঃ ১৯২- মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করা ( Fabracation false evidence)
ধারাঃ ১৯৩- শাস্তি, বিচারক হলে ৭ বছেরর
বিচার বহিভূত হলে, ৩ বছরের
ধারাঃ ১৯৪- মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান
ধারাঃ ১৯৫- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত করার উদ্দেশ্য হলে, মূল অপরাধের ব্যবস্থিত শাস্তি।
ধারাঃ ১৯৬- মিথ্যা জানার পরও সাক্ষ্য সত্য বলে ব্যবহার করা, মিথ্যা অপরাধের শাস্তি
ধারাঃ ১৯৭- মিথ্যা সাটিফিকেট ইস্যু এবং স্বক্ষর করা, মিথ্যা অপরাধের শাস্তি
ধারাঃ ১৯৮- মিথ্যা জানার পরও মিথ্যা সাটিফিকেট সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করার শাস্তি মিথ্যা অপরাধের শাস্তি
ধারাঃ ২০০- মিথ্যা জানার পরও কোন ঘোষণা মিথ্যা হিসাবে ব্যবহার করা, মিথ্যা অপরাধের অনুরুপ শাস্তি
ধারাঃ ২০১- সাক্ষীকে গোপন করার জন্য সাক্ষ্য অদৃশ্য করা।
ধারাঃ ২০২- মিথ্যা তথ্য প্রদানে বাধ্য ইচ্ছকৃত ত্রুটি
শাস্তি।
ধারাঃ ২০৩- অনুষ্ঠিত অপরাধ সম্পর্কে মিথ্যা তথ্য
প্রদান।
ধারাঃ ২০৪- তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে মিথ্যা সাক্ষ্য দ্বারা দলিল বিনিষ্ট করা।
ধারাঃ ২০৫- দেওয়ানী ও ফৌজদারি মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান।
ধারাঃ ২০৯- আদালতে মিথ্যা দাবী উত্থাপন।
ধারাঃ ২১১- ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্য মিথ্যা অভিযোগ
ধারাঃ ২১২- অপরাধীকে আশ্রয়দানের সাজা
ধারাঃ ২৩০ ধারাঃ মুদ্রা(Coin), বাংলাদেশের মুদ্রার সংজ্ঞা ( Definied Bangladesh coin)
ধারাঃ ২৩১- মুদ্রাজালকরন( Counterfeiting coin) শাস্তি, ৩ বছরের
ধারাঃ ২৩২- বাংলাদেশের মুদ্রা জালকরন (Conutrefeiting Bangladesh coin)শাস্তি, যাবজ্জীবন, ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ২৩৩- মুদ্রার যন্ত্র তৈরি বা বিক্রিয়
ধারাঃ ২৩৪- বাংলাদেশের মুদ্রার যন্ত্র তৈরি বা বিক্রিয়, শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ২৫৫- সরকারী স্টাম্প জাল করন
শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, ১০ বছরের
ধারাঃ ২৫৬- সরকার স্টাম্প জালকরনের যন্ত্রপাতি দখলে রাখা, শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ২৫৭- সরকারী স্টাম্প জালকরনের যন্ত্রপাতি বিক্রিয়, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ২৫৮- জাল সরকারি স্টাম্প বিক্রিয়,শাস্তি ৭ বছরের
ধারাঃ ২৫৯- জাল সরকারি স্টাম্প দখলে রাখা,শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ২৬০- জাল বলে জানার পরও সরকারি স্টাম্প খাঁটি হিসাবে ব্যবহার করা

অধ্যায়ঃ ১৩
ধারাঃ ২৬৪- মিথ্যা ওজনের জন্য যন্ত্র প্রতারণামূলক ব্যবহার
ধারাঃ ২৬৫- মিথ্যা ওজন ও বাটখারা প্রতারণামূলক ব্যবহার
ধারাঃ ২৬৬- মিথ্যা ওজনের যন্ত্র দখলে রাখা।
ধারাঃ ২৬৭ ধারাঃ মিথ্যা বাটখারা বা মাপকাঠি তৈরি বা বিক্রয়।

অধ্যায়ঃ ১৪
ধারাঃ ২৬৮- গন উপদ্রব ( Public nuisance)
ধারাঃ ২৬৯- অবহেলাজনিত কার্য বা কার্যের ফলে জীবন বিপন্নকারী সংক্রমন বিস্তার লাভ, শাস্তি, ৬ মাস

ধারাঃ ২৯২ ধারাঃ অশ্লীল পুস্তক বিক্রয়
ধারাঃ ২৯৩ ধারাঃ অল্পবয়স্ক ( ২০ বছরের কম) ব্যক্তির নিকট অশ্লীল পুস্তক বিক্রয়
ধারাঃ ২৯৪ ধারাঃ অশ্লীল কার্য বা সঙ্গীত করা

অধ্যায়ঃ১৫
ধারাঃ ২৯৫- ধর্মীয় অবমাননায় উপাসনালয়ে ক্ষতি
ধারাঃ ২৯৬- ধর্মীয় সমাবেশ গোলযোগ সৃষ্টি করার
ধারাঃ ২৯৭-গোরস্থানে অনধিকার প্রবেশ, শাস্তি, ১ বছরের
ধারাঃ ২৯৮- ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে কোন কার্য বা শব্দসমূহ

অধ্যায়ঃ ১৬
ধারাঃ ২৯৯- অপরাধজনক নরহত্যা ( Culpable Homicide)( ৩ টি ব্যাখ্যা)
ধারাঃ ৩০০- খুন (Muder)(প্রথম অংশে, ৪ টি অনুচ্ছেদ ১।অভিপ্রায় ২। জ্ঞান ৩। জখমের ধরন ৪। আসন্ন বিপদজনক অপরাধ দ্বারা) (দ্বিতীয় অংশে, ৫ টি ব্যতিক্রম)
ধারাঃ ৩০১- কোন ব্যক্তিকে খুন করার উপক্রমে অন্য আরেক জনকে খুন, শাস্তি খুনের সমান শাস্তি
ধারাঃ ৩০২- খুনের শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৩- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দন্ডিত ব্যক্তি কতৃক খুন, শাস্তি, মৃত্যুদন্ড
ধারাঃ ৩০৪- অপরাধজনক নরহত্যা শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৪(ক)- অবহেলাজনিত অপরাধ শাস্তি, ৫ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৪(খ)- বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে বা অশ্ব চালিয়ে মৃত্যু ঘটানোর অপরাধ, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
ধারাঃ ৩০৫- শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তিকে আত্মহত্যার সহায়তাকরন, শাস্তি, মৃত্যুদন্ডবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৬- আত্মহত্যার সহায়তাকরন, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৭- হত্যার উদ্যোগ, শাস্তি, ১০ বছরের।
হত্যার উদ্দেশ্য আঘাত, শাস্তি, যাবজ্জীবন।
হত্যার উদ্যোগ নিয়ে আঘাত করিলে আঘাতের ফলে মৃত্যু, শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৮- আপরাধজনক নরহত্যার উদ্যোগ, শাস্তি, ৩ বছরের
অপরাধজনক নরহত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত, শাস্তি ৭ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩০৯- আত্মহত্যার চেষ্টা, শাস্তি, ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩১০- ঠগ (সংজ্ঞা)
ধারাঃ ৩১১- ঠগের শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
(গর্ভপাত সংক্রান্ত অপরাধ)
ধারাঃ ৩১২- গর্ভপাতকরন, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড।
নারী আসন্ন প্রসবা হলে (বিচলন অনুভব করলে),শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ৩১৩- স্ত্রী লোকটির সন্মতি ছাড়া গর্ভপাত করলে, শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩১৪- গর্ভপাতের উদ্দেশ্যে নারীর মৃত্যু সংঘটিত হলে, শাস্তি, ১০ বছরের
ধারাঃ ৩১৫- শিশু ভূমিষ্টতে বাধা দান, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩১৬- জীবন্ত অজাত শিশুর মৃত্যু ঘটানোর শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড।
ধারাঃ ৩১৭- পিতা- মাতা বা অভিভাবক ১২ বছরের কম বয়সী শিশুকে পরিত্যাগ, শাস্তি, ৭ বছের
ধারাঃ ৩১৮-গোপনে শিশুর মৃত্যুদেহ অপসারণ করে জন্ম গোপনকরন, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়দন্ড
আঘাত ( Hurt)
ধারাঃ ৩১৯- আঘাত(Hurt) সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩২০- গুরুতর আঘাত ( Grievous Hurt)৮ শ্রেণির আঘাত
১। পুরুষত্বহীনতা ;
২। যে কোন চোখের দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্টকরন;
৩। যে কোন কানের শ্রবণশক্তি চিরতরে নষ্টকরন ;
৪। অঙ্গ বা গ্রন্থির বিকৃতকরন;
৫। অঙ্গ না গ্রন্থির কর্মশক্তির চিরতরে নষ্টকরন;
৬। মস্তিষ্ক বা মুখমন্ডল বিকৃতকরন;
৭। হাড় বা দন্ত ভঙ্গ বা গ্রন্তিচ্যুতকরন;
৮। কোন বক্তিকে এমন আঘাত যা ২০ দিন মেয়াদের জন্য বা তার সাধারণ পেশায় অনুসরণ করতে কর্মক্ষমতা থেকে অক্ষম করে তোলে।
ধারাঃ ৩২১- ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩২২ -ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩২৩ - ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাতের শাস্তি, ১ বছরের, ১০০০ টাকা
ধারাঃ ৩২৪- ইচ্ছাকৃতভাবে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৩২৫ - ইচ্ছাকৃতভাবে অস্ত্র দ্বারা আঘাতের শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ৩২৬ ইচ্ছাকৃতভাবে অস্ত্র দ্বারা গুরুতর আঘাতের শাস্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩২৬(ক) ৩২০(২),(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী (দুই চোখ বা এসিড দ্বারা মুখমন্ডল নষ্ট)অপরাধের শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৩০- স্বচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে স্বীকারোক্তি আদায়, শাস্তি, ৩ বছরের
ধারাঃ ৩৩১ - স্বচ্ছাকৃতভাবে বলপ্রয়োগ করে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৩৩২ সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য পালনে সেচ্ছকৃতভাবে বাধা দানে আঘাত, শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ৩৩৩ সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য পালনে সেচ্ছকৃতভাবে বাধা দানে গুরুতর আঘাতের শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড

ধারাঃ ৩৩৮ (ক) ধারাঃ বেপরোয়াভাবে গাড়ি বা অশ্ব চালিয়ে গুরুতর আঘাত করে যার ফলে মানুষের জীবন বা অন্যের ব্যক্তগত জীবন বিপন্ন হয়, শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড।

অধ্যায়ঃ ১৭
ধারাঃ ৩৩৯- অবৈধ বাধা (Wrongful Restraint)সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৪০- অবৈধ আটক(Wrongful Confinement) সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৪১-অবৈধ বাধার শাস্তি, ১মাস /৫০০ টাকা
ধারাঃ ৩৪২- অবধৈ আটকের শাস্তি, ১ বছর /১০০০ টাকা
ধারাঃ ৩৪৩- ৩ বা ততোধিক দিন কোন ব্যক্তিকে আটকের শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৪৪- ১০ বা ততোধিক দিন কোন ব্যক্তিকে আটকের শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৪৯- বলপ্রয়োগ ( Force)
ধারাঃ ৩৫০-অপরাধজনক বলপ্রয়োগ(Criminal Force)
ধারাঃ ৩৫১- আক্রমন (Assault)
ধারাঃ ৩৫২- বলপ্রয়োগ ও আক্রমণের শান্তি, ৩ মাস / ৫০০ টাকা
ধারাঃ ৩৫৩- সরকারী কর্মচারী কর্তৃক কতব্য পালন কালে বাধাদান শাস্তি, ৩ বছরের
ধারাঃ ৩৫৪ -নারীর শ্লীলতাহানি করনে আক্রমণ, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৩৫৯-অপহরণ( Kidnapping) সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৬০- বাংলাদেশ থেকে অপহরণ ( পুরুষের বয়স ১৪, নারীর বয়স, ১৬)
ধারাঃ ৩৬১-অভিভাবকের নিকট থেকে অপহরণ
ধারাঃ ৩৬২- অপবাহন (Abducation)
ধারাঃ ৩৬৩- অপহরণের শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ৩৬৪- খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণ
ধারাঃ ৩৬৪(ক)- ১০ বছরের নিচে কোন বয়সী ব্যক্তিকে খুন করার উদ্দেশ্য অপহরণ
শাস্তি, মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৬৫ধারাঃ গোপনীয় ও বেআইনীভাবে কোন ব্যক্তিকে অপহরণ, শান্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৬৬ ধারাঃ বিবাহের প্রলোভনে যৌন- সহবাস, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৬৬ (ক)- যৌন - সহবাসের জন্য বালিকা (১৮ বছরের) আমদানি, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৬৬(খ)- বিদেশ থেকে বালিকা(২১ বছরের) আমদানি, শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৭২- বেশ্যাবৃত্তের জন্য বালিকা বিক্রিয়, শান্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৭৩ - বেশ্যাবৃত্তের জন্য বালিকা ক্রয়, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৭৫- ধর্ষন (Rape)(৫ টি কারন থাকলে ধর্ষন বলে গন্য হবে)
১।কোন ব্যক্তর ইচ্ছার বিরুদ্ধে ;
২। কোন ব্যক্তির সন্মাতির বিরুদ্ধে ;
৩। সন্মতি নিয়ে, কিন্তুু কোন ভয় দেখিয়ে ;
৪। স্ত্রীলোকটি কোন পুরুষ ব্যক্তিকে তার স্বামী মনে করে অবৈধ যৌন - সহবাস সংঘটন করিলে
৫। সন্মতিসহ বা সন্মতি ব্যতীত স্ত্রীর বয়স ১৪ বছরের হলে
ব্যতিক্রমেঃ স্ত্রীর বয়স ১৩ বছরের কম হবে না,
ধারাঃ ৩৭৬- ধর্ষনের শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড
স্ত্রীর বয়স ১২ বছরের কম হলে, শান্তি ২ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৭৭- কোন পুরুষ বা নারী বা পশু দ্বারা অস্বাভাবিক অপরাধ( Unnateral affence)
শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
(চুরির অপরাধ)
ধারাঃ ৩৭৮ -চুরির ( Theft)সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৭৯- শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৮০ - গৃহে, তাবুতে বা জলযানে চুরি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৮১ -কেরানি বা চাকর কতৃক চুরি, শাস্তি, ৭ বছরের
ধারাঃ ৩৮২ - চুরির উদ্দেশ্যে আঘাত, শান্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৮৩ -;বলপূর্বক গ্রহণ( Extortion) ( ছিনতাই)
ধারাঃ ৩৮৪ - বলপূর্বক গ্রহণের শাস্তি, ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৩৮৫ - বলপূর্বক গ্রহণের উদ্দেশ্যে আঘাত,শাস্তি, ১৪ বছরের যা ৫ বছরের কম হবে না
ধারাঃ ৩৮৬- মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের ভয়ে দেখানোর উদ্দেশ্যে বলপূর্বক গ্রহণ, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড।
ধারাঃ ৩৮৭- বলপূর্বক গ্রহণের ভয় দেখিয়ে মৃত্যু বা গুরুতর আঘাত, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৯০- দস্যুতা ( Robbery)সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৯২- ১০ বছরের কারাদণ্ড।
রাত্রিবেলায় দস্যুতা সংঘটন, ১৪ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৯৩ - দস্যুতার উদ্যোগ, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৩৯৪- দস্যুতার উদ্দেশ্যে আঘাত, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৯১- ডাকাতির(Dacoity) সংজ্ঞা
ধারাঃ ৩৯৫- শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড
ধারাঃ ৩৯৬- খুনসহ ডাকাতি,শান্তি, মুত্যদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ১০ বছেরর যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৯৭- মৃত্যু বা গুরুতর আঘাতের উদ্দেশ্যে দস্যুতা বা ডাকাতি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৯৮- মারাত্মক অস্ত্র দ্বারা আঘাতের ভয়ে রেখে দস্যুতা বা ডাকাতি, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৩৯৯- ডাকাতির প্রস্তুতি, শান্তি ১০ বছরের
ধারাঃ ৪০০- ডাকাতির দলভুক্ত হওয়া, শাস্তি যাবজ্জীবন, ১০ বছরের
ধারাঃ ৪০১- চোরের দলভুক্ত হওয়া, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০২- ডাকাত সমবেত দলে যোগদান, শাস্তি,৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৩- অপরাধমূলক সম্পত্তি আত্মসাৎ( Dishonestly misappropriation of property) ( অস্থাবর সম্পত্তি) শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৪- মৃত্যু ব্যক্তির সম্পত্তি আত্মসাৎ, শাস্তি, যে কোন মেয়াদের ৩ বছরের
মৃত্যু ব্যক্তির চাকর বা ক্লার্ক কতৃক সম্পত্তির আত্মসাৎ, শাস্তি,৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৫ -অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust)( স্থাবর - অস্থাবর সম্পত্তি)
ধারাঃ ৪০৬ - শাস্তি, যে কোন মেয়াদের ৩ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৭- বাহক কতৃক সম্পত্তির বিশ্বাসভঙ্গ, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৮ ধারাঃ কেরানী বা চাকর কতৃক বিশ্বাসভঙ্গ
শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪০৯- সরকারী কর্মচারী কতৃক, ব্যাংকার,বানিজ্যিক প্রতিনিধি এজেন্ট কতৃক সম্পত্তির বিশ্বাসভঙ্গকরন, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড।
ধারাঃ ৪১০- চোরাই মাল( Stolen property)
ধারাঃ ৪১১- চোরাই মালের শাস্তি - ৩ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৪১২- ডাকাতি সংঘটনকালে চোরাইমাল গ্রহণ, শান্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৪১৩- অভ্যাসগতভাবে চোরাইমাল দখলে রাখা, শান্তি, যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৪১৪- চোরাই মাল লুকিয়ে রাখা, শাস্তি, ৩ বছরের কারাদণ্ড যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৪১৫- প্রতারণা (Cheating)
ধারাঃ ৪১৬- ছদ্মবেশ প্রতারণা
ধারাঃ ৪১৭- প্রতারনার শাস্তি, ১ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৪১৯- অপরের রুপ ধারনপূর্বক প্রতারণা, শান্তি ৩ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪২০- প্ররোচনা বা সম্পত্তি সমর্পন করার জন্য প্রতারণা, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪২৫- অনিষ্ট করন( Mischief)
ধারাঃ ৪২৬ -শাস্তি, ৩ মাস
ধারাঃ ৪২৭- ৫০ টাকা বা ততোধিক টাকার ক্ষতি
শাস্তি, ২ বছরের
ধারাঃ ৪২৮- ১০ টাকা জন্তুু হত্যা শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড, শাস্তি, ২ বছরের যে কোন কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪৪১- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ( Criminal trespass)
ধারাঃ ৪৪২- অপরাধমূলক গৃহপ্রবেশ( House trespass)
ধারাঃ ৪৪৩ -সঙ্গোপনে অনধিকপ্রবেশ(Lurking house trespass)
ধারাঃ ৪৪৪-রাত্রিবেলায় সঙ্গোপনে অনধিক গৃহ প্রবেশ( Lurking house trespass by night)
ধারাঃ ৪৪৫-অপথে গৃহপ্রবেশ (House -braking)( ৫টি উপায়ে)
ধারাঃ ৪৪৬ - রাত্রিবেলায় অপথে গৃহপ্রবেশ (House braking by night)
ধারাঃ ৪৪৭-অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ শাস্তি, ৩ মাস / ৫০০ টাকা জরিমানা
ধারাঃ ৪৪৮-অপরাধমূলক গৃহপ্রবেশ, শাস্তি, ১ বছরের / ১০০০ টাকা জরিমানা
ধারাঃ ৪৪৯- মৃত্যুদণ্ড সংঘটনের অভিপ্রায়ে অনধিক প্রবেশ, শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৪৫০ - যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দন্ডিত করার অভিপ্রায়ে অনধিকার প্রবেশ, শাস্তি, ১০ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড

অধ্যায়ঃ১৮
ধারাঃ ৪৬৩-জালিয়াতি ( Forgery)
ধারাঃ ৪৬৪-মিথ্যা দলিল প্রস্তুত করার হয় ( ৩ টি পন্থায়)
ধারাঃ ৪৬৫ -জালিয়াতির শাস্তি, ২ বছরের
ধারাঃ ৪৬৬ -ধারাঃ আদালতের নথিপত্র, সরকারি রেজিস্ট্রার জালকরন, শাস্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৪৬৭ -মূল্যবান জামানত,উইল জালকরন, শাস্তি, যাবজ্জীবন বা ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং অর্থদন্ড
ধারাঃ ৪৬৮- প্রতারণার উদ্দেশ্যে জালিয়াতি, শান্তি, ৭ বছরের যে কোন মেয়াদের
ধারাঃ ৪৬৯ -সুনাম হানির উদ্দেশ্যে জালিয়াতি, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড

অধ্যায়ঃ ২০
ধারাঃ ৪৯৩- প্রতারণার উদ্দেশ্যে স্বামী -স্ত্রী রুপে সহবাস, শাস্তি, ১০ বছরের
ধারাঃ ৪৯৪- স্বামী -স্ত্রী জীবিত থাকা অবস্থায় পুনরায় বিবাহ, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪৯৫- পূর্বের বিবাহ গোপন রেখে পুনরায় বিবাহ, শাস্তি, ১০ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪৯৬ -আইনসঙ্গত বিবাহ ছাড়া বিবাহ করিলে, শাস্তি, ৭ বছরের কারাদণ্ড
ধারাঃ ৪৯৭ -ব্যভিচার

অধ্যায়ঃ২১
ধারাঃ ৪৯৯- মানহানির( Defamation) সংজ্ঞা
ধারাঃ ৫০০- মানহানির শাস্তি, ২ বছরের যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ড বা অর্থদন্ড বা উভয়ই
ধারাঃ ৫০১ -মানহানিকর বলে পরিচিত বিষয় বলে মুদ্রিত বা খোদাইকরন,
ধারাঃ ৫০২- মানহানিকর বলে পরিচিত বিষয় মুদ্রিত বা খোদাইকরন বিক্রয়, শাস্তি, ২ বছরের কারাদণ্ড

অধ্যায় ঃ ২২
ধারাঃ ৫০৩- অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শন ( Criminal intimidation)
ধারাঃ ৫০৬- অপরাধমূলক ভীতিপ্রদর্শনের শাস্তি
ধারাঃ ৫০৭- বেনামি চিঠিপত্রের মাধ্যমে অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ধারাঃ ৫০৯- কোন নারিনি শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে কথা, অঙ্গভঙ্গি বা কোন কাজ করা
ধারাঃ ৫১০- নেশাগ্রস্থ লোক কতৃক প্রকাশ্যে অসদাচরণ
ধারাঃ ৫১১- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা কারাদন্ডে দণ্ডনীয় অপরাধের উদ্যেগ এর সাজা।

Address

Lalmonirhat

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocateship guideline - adv jewel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocateship guideline - adv jewel:

Share