City Law Firm

City Law Firm "City Law Firm" is a Corporate Consultancy firm in Khulna, Bangladesh.

A comprehensive legal service provider in Bangladesh, is dedicated to delivering honest, effective, timely, and genuine legal assistance to its clients.

I am proud of my brother...
13/08/2026

I am proud of my brother...

03/08/2026
20/07/2026

জরুরী নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি:

সিটি ল' ফার্মের জন্য একজন দায়িত্বশীল, সৎ এবং কর্মঠ মুহুরি (Mohurar) আবশ্যক।

পদের নাম: মুহুরি (Mohurar)
কাজের ধরণ:
১। ফুল-টাইমযোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা
২। দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলার কোর্ট ফাইলিং এবং তদবির কাজে অভিজ্ঞ।
৩। সততা এবং সময়ানুবর্তিতা আবশ্যক।
৪। আদালতের নিয়মকানুন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে।

আবেদন প্রক্রিয়া:
আগ্রহী প্রার্থীদের অবিলম্বে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
যোগাযোগ:০১৭১৭-০১১৮১৯.

ঠিকানা: শাকিল প্লাজা, হোল্ডিল ৫০, বি কে রায় রোড, সিটি ল' ফার্ম, সোনাডাঙ্গা, খুলনা।

06/07/2026

হয়রানি মূলক চেকের মামলা থেকে বাঁচবেন যেভাবে: উচ্চ আদালতের নতুন নজির

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন (NI Act)-এর ১৩৮ ধারায় চেকে স্বাক্ষর থাকলেই আসামির সাজা এখন আর নিশ্চিত নয়। সাম্প্রতিক সময়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগ বেশ কিছু যুগান্তকারী রায়ে স্পষ্ট করেছেন যে—চেক ডিজঅনার মামলার ক্ষেত্রে কেবল চেক উপস্থাপনই যথেষ্ট নয়, বরং এর পেছনের লেনদেনের বৈধতা এবং সত্যতা প্রমাণ করা বাদীর জন্য বাধ্যতামূলক।

উচ্চ আদালতের এমন কিছু যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিচে তুলে ধরা হলো, যা ফাঁকা বা জামানতের চেকের মামলায় আসামির খালাস পাওয়ার পথ সুগম করেছে:

১. খণ্ডনযোগ্য অনুমান (Rebuttable Presumption)
যদিও এন.আই অ্যাক্টের ১৩৯ ধারায় বলা আছে, চেক থাকা মানেই ধরে নেওয়া হবে দেনা আছে। কিন্তু উচ্চ আদালত বলছেন, এটি একটি ‘খণ্ডনযোগ্য অনুমান’। আসামি যদি প্রমাণ করতে পারেন যে চেকটি সিকিউরিটি হিসেবে ছিল বা হারিয়ে গিয়েছিল এবং কোনো বাস্তব লেনদেন হয়নি, তবে তিনি খালাস পাবেন।

(নজির: মোঃ আবুল কাহের শাহিন বনাম ইমরান রশিদ এবং অন্যান্য, ২৫ বিএলসি (এডি), ১১৫)

২. বাদীর আর্থিক সামর্থ্য ও উৎসের প্রমাণ
বাদী চেকে উল্লেখিত বড় অঙ্কের টাকা আসামিকে দেওয়ার সামর্থ্য রাখতেন কি না, সেটি এখন আদালতের বড় বিবেচ্য বিষয়। নগদ টাকা দিয়ে থাকলে তার আয়ের উৎস এবং ইনকাম ট্যাক্স ফাইলে সেই টাকার উল্লেখ আছে কি না, তা যাচাই করা হতে পারে। কোনো চুক্তিপত্র বা সাক্ষী ছাড়া শুধু চেকের ওপর ভিত্তি করে মামলা হলে, আদালত আসামিকে ‘বেনিফিট অব ডাউট’ বা সন্দেহের সুবিধা দিয়ে খালাস দিতে পারেন।

৩. মহাজনি ঋণ ও সুদের কারবার
অনেক সময় চাপে ফেলে বা সুদের ব্যবসার বিপরীতে ব্ল্যাঙ্ক (ফাঁকা) চেক নেওয়া হয়। বাদী যদি বৈধ লেনদেন প্রমাণ করতে ব্যর্থ হন, তবে আদালত একে "পাওনা টাকার অস্তিত্বহীনতা" হিসেবে গণ্য করবেন এবং আসামি দণ্ড পাবেন না।

(নজির: ৬৪ ডিএলআর, পৃষ্ঠা ৪২০)

৪. জামানত বা সিকিউরিটি চেক
ব্যবসা বা অন্য কোনো চুক্তির জামানত হিসেবে চেক দেওয়া হলে এবং সেই চুক্তির শর্ত লঙ্ঘিত না হলে, চেক ডিজঅনার হলেও ১৩৮ ধারায় সাজা দেওয়া যাবে না।

(নজির: আব্দুল আওয়াল বনাম রাষ্ট্র, ৬৩ ডিএলআর (আপিল বিভাগ), পৃষ্ঠা ৭২)

৫. প্রতিদানহীন চেক কার্যকর নয়
আইন অনুযায়ী, প্রতিদান (Consideration) ছাড়া যেমন চুক্তি হয় না, তেমনি প্রতিদান ছাড়া কোনো হস্তান্তরযোগ্য দলিলও কার্যকর হয় না। দেনা-পাওনা বা বৈধ লেনদেন প্রমাণ করতে না পারলে আসামি খালাস পাবেন।

(নজির: লোকমান বনাম আয়ুব আলী এবং রাষ্ট্র, ৩৮ বিএলডি, পৃষ্ঠা ৬১৬-৬২০)

একটি জরুরি সতর্কতা
উচ্চ আদালতের এই সিদ্ধান্তগুলো মূলত ভুয়া ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষার জন্য। তবে মনে রাখতে হবে—যদি বৈধ চুক্তি থাকে এবং লেনদেনটি ব্যাংকিং চ্যানেল বা অকাট্য দালিলিক প্রমাণ দ্বারা সমর্থিত হয়, তবে চেক ডিজঅনারের শাস্তি (১ বছরের কারাদণ্ড ও চেকের অঙ্কের তিন গুণ পর্যন্ত জরিমানা) আগের মতোই কঠোরভাবে বলবৎ থাকবে।

02/07/2026

"Alhamdulillah, it has been an incredibly hectic week with immense work pressure. Even the last day of the week was overly stressful. Managing the mental toll amidst all this workload felt much harder this time, and I found myself losing my temper easily. (Sometimes I feel like age is finally catching up with me!) Despite everything, I tried my best to stay in control. Thankfully, my colleagues and juniors were a huge help throughout this time. They are truly amazing, and I couldn't have managed this pressure without them. May Allah be my helper. May He increase my halal earnings and grant me the means to settle all my debts and liabilities quickly. Wishing for beautiful days ahead to spend peacefully with my family. Ameen."

মৃত ব্যক্তির নামে মোকাদ্দমা দায়ের করে পরবর্তীতে ওয়ারিশদের পক্ষভুক্ত করার কোনো সুযোগ নেইলাহোর হাইকোর্টের Civil Revision N...
01/07/2026

মৃত ব্যক্তির নামে মোকাদ্দমা দায়ের করে পরবর্তীতে ওয়ারিশদের পক্ষভুক্ত করার কোনো সুযোগ নেই

লাহোর হাইকোর্টের Civil Revision No.6103 of 2024 মামলার একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ আইনি পর্যালোচনা:

দেওয়ানি কার্যবিধির সঠিক প্রয়োগ এবং আদালতের একতিয়ারের প্রশ্নে একটি মামলা কতখানি আইনসিদ্ধ হতে পারে, তা নিয়ে সম্প্রতি লাহোর হাইকোর্ট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেছে। Civil Revision No.6103 of 2024 মামলাটিতে মাননীয় বিচারপতি মুহাম্মদ সাজিদ মেহমুদ সেঠি স্পষ্ট সিদ্ধান্ত দিয়েছেন যে, মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার কোনো আইনি অস্তিত্ব থাকে না এবং পরবর্তীতে সংশোধনীর মাধ্যমেও এটিকে জীবিত করা সম্ভব নয়। রায়ের শেষে আদালত এটিকে আইনগত নজির হিসেবে প্রকাশের যোগ্য বা "Approved for Reporting" হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

নিচে মামলার পটভূমি, পক্ষসমূহের আইনি লড়াই, আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের বিশ্লেষণ তুলে ধরা হলো:

১. মামলার প্রাথমিক পরিচিতি:
আদালতের নাম: লাহোর হাইকোর্ট, লাহোর (বিচার বিভাগ)।
মামলা নম্বর: Civil Revision No.6103 of 2024।
শুনানির তারিখ: ২২ জুন, ২০২৬।
আবেদনকারী: আব্দুল আজিজ (মৃত) তাঁর বৈধ ওয়ারিশগণের মাধ্যমে।
প্রতিপক্ষ: মোসাম্মত আয়েশা বিবি এবং অন্যান্য।

২. ঘটনার কালপঞ্জি ও মামলার প্রেক্ষাপট:
মামলাটির গভীরতা এবং আইনগত জটিলতা বুঝতে এর গুরুত্বপূর্ণ তারিখ ও ঘটনাপ্রবাহ জানা আবশ্যক:

১০ই ডিসেম্বর, ১৯৮৮: একটি কথিত জমি বিক্রয় চুক্তি সম্পাদিত হয়, যেখানে দাবি করা হয় আব্দুল আজিজ প্রতিপক্ষের (বাদীদের) অনুকূলে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে সম্মত হয়েছিলেন।

০৬ই ডিসেম্বর, ১৯৮৯: চুক্তি সম্পাদনের মাত্র এক বছরের মাথায় মূল বিবাদী আব্দুল আজিজ মৃত্যুবরণ করেন।

০২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬: আব্দুল আজিজের মৃত্যুর দীর্ঘ ৭ বছর পর, প্রতিপক্ষ/বাদীরা দেওয়ানি আদালতে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের মাধ্যমে স্বত্ব ও দখল পাওয়ার দাবি জানিয়ে মামলা দায়ের করেন।

মামলার মধ্যবর্তী পর্যায়: মামলার কার্যধারা চলাকালীন বাদীরা জানতে পারেন যে আব্দুল আজিজ অনেক আগেই মারা গেছেন। ফলশ্রুতিতে, বাদীরা দেওয়ানি আদালতে আবেদন করে মৃত ব্যক্তির বৈধ ওয়ারিশদের মামলায় পক্ষভুক্ত করেন।

নিম্ন আদালতের রায়: নিম্ন আদালত এবং পরবর্তীতে আপিল আদালত (অতিরিক্ত জেলা জজ) ০৫ জানুয়ারি, ২০২৪ তারিখে বাদীদের পক্ষে ডিক্রি জারি করেন এবং রায় বহাল রাখেন। এই রায়ের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ হয়ে ওয়ারিশগণ হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন দায়ের করেন।

৩. পক্ষসমূহের আইনি লড়াই ও যুক্তি:
আবেদনকারী (ওয়ারিশগণ)-র পক্ষে যুক্তি:
আবেদনকারীদের পক্ষে বিজ্ঞ কৌশলী অত্যন্ত জোরালোভাবে যুক্তি দেখান যে, সমগ্র মামলাটি শুরু থেকেই আইনগতভাবে অবৈধ ছিল। কারণ একজন মৃত ব্যক্তির কোনো আইনি ব্যক্তিত্ব বা দেওয়ানি অস্তিত্ব থাকে না, ফলে তাঁর বিরুদ্ধে কোনো আইনি কার্যধারা শুরু করা যায় না। একক বিবাদী যদি মামলা দায়েরের পূর্বেই মারা যান, তবে আদালতের সামনে কোনো বৈধ বিরোধ বা নালিশ সৃষ্টি হয় না। সুতরাং, পরবর্তীতে ওয়ারিশদের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে এই মূলগত আইনি ত্রুটি কোনোভাবেই নিরাময় বা সংশোধন করা সম্ভব নয়।

প্রতিপক্ষ (বাদীগণ)-র পক্ষে যুক্তি:
প্রতিপক্ষের বিজ্ঞ কৌশলী নিম্ন আদালতের রায়কে সমর্থন করে যুক্তি দেন যে, মামলা দায়েরের সময় বাদীরা আব্দুল আজিজের মৃত্যুর বিষয়ে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত ছিলেন। যখনই তারা বিষয়টি জানতে পারেন, তখনই সৎ উদ্দেশ্যে মৃত ব্যক্তির বৈধ ওয়ারিশদের মামলায় পক্ষভুক্ত করার আবেদন জানান। বাদীরা তাঁদের এই যুক্তিকে প্রতিষ্ঠিত করতে ভারতের পাটনা হাইকোর্টের একটি পুরোনো নজির (AIR 1961 PATNA 480) উপস্থাপন করেন।

৪. হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ও আইনি নীতি বিশ্লেষণ:
উভয় পক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে মাননীয় বিচারপতি মামলাটির গুণাগুণ পর্যালোচনার পূর্বে এর ভিত্তিমূলক আইনি প্রশ্নটি নির্ধারণ করেন: "একক বিবাদীর মৃত্যুর পর তাঁর বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা আইনগতভাবে চলতে পারে কি না এবং পরবর্তী সময়ে ওয়ারিশদের পক্ষভুক্ত করে এই ত্রুটি দূর করা যায় কি না?"
আদালত তাঁর রায়ে নিম্নলিখিত যুগান্তকারী আইনি ব্যাখ্যা প্রদান করেন:

মৃত ব্যক্তির বিচারিক অক্ষমতা: আইন কেবল জীবিত প্রাকৃতিক ব্যক্তি বা আইনগত সত্ত্বাকেই চেনে, যারা মামলা করতে পারে বা যাদের বিরুদ্ধে মামলা করা যেতে পারে। মৃত ব্যক্তির বিচারিক কার্যধারায় অংশ নেওয়ার বা বিবাদী হওয়ার কোনো দেওয়ানি অস্তিত্বই থাকে না।

অজ্ঞতা একতিয়ার তৈরি করতে পারে না:
নিম্ন আদালতের এই যুক্তি হাইকোর্ট সম্পূর্ণ প্রত্যাখ্যান করেন যে— বাদীরা মৃত্যুর বিষয়ে জানতেন না বিধায় ওয়ারিশদের পক্ষভুক্তিতে ত্রুটি দূর হয়েছে। আদালত বলেন, আদালতের একতিয়ার কোনো পক্ষের ব্যক্তিগত অজ্ঞতার দ্বারা তৈরি হতে পারে না। মামলা দায়েরের তারিখের বস্তুনিষ্ঠ সত্যটিই এখানে বিচার্য, আর সত্য হলো বিবাদী তখন জীবিত ছিলেন না।

Order I Rule 10 এবং Order XXII-এর অপপ্রয়োগ:
আদালত স্পষ্ট করেন যে, দেওয়ানি কার্যবিধির এই বিধানগুলো কেবল তখনই প্রযোজ্য হয় যখন একটি বৈধভাবে দায়েরকৃত মামলা ইতিমধ্যেই আদালতে বিচারাধীন থাকে এবং সচল মামলার কোনো পক্ষ চলাকালীন অবস্থায় মারা যান। যে মামলা শুরু থেকেই মৃত বা অস্তিত্বহীন, সেখানে সংশোধন বা পক্ষান্তরের মাধ্যমে নতুন করে প্রাণসঞ্চার করা আইনিভাবে অসম্ভব।

৫. উচ্চ আদালতের সুপ্রতিষ্ঠিত নজিরসমূহ:
হাইকোর্ট তাঁর সিদ্ধান্তকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সুপ্রিম কোর্ট ও উচ্চ আদালতের বেশ কয়েকটি ঐতিহাসিক আইনি নজিরের ওপর নির্ভর করেছেন:
1. 2001 SCMR 1 (Hafiz Brothers (Pvt.) Ltd. v. Pakistan Industrial Credit and Investment Corporation Ltd.)
মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলার কার্যধারা অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

2. 2013 SCMR 464 (Muhammad Yar (deceased) through L.Rs. and others v. Muhammad Amin (deceased) through L.Rs. and others): সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট রায় দিয়েছিলেন যে, মৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা আইনগতভাবে শূন্য এবং একে পুনরুজ্জীবিত করা যায় না।

3. PLD 2007 Lahore 180 (Ch. Muhammad Tufail Khan alias Tufaul Muhammad through Legal Representatives v. Zari Taraqiati Bank Limited through Branch Manager):
এই মামলায় বলা হয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে বাদীর একমাত্র আইনি উপায় হলো তামাদি বা সীমাবদ্ধতা আইনের অধীনে ওয়ারিশদের বিরুদ্ধে নতুন করে মোকাদ্দমা দায়ের করা। তবে এই নতুন মামলার ক্ষেত্রে ওয়ারিশদের পক্ষে সমস্ত আইনগত প্রতিরক্ষা এবং তামাদির আর্গুমেন্ট উন্মুক্ত থাকবে।

৬. চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ও রায়:
লাহোর হাইকোর্ট সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, নিম্ন আদালতসমূহ একতিয়ারসংক্রান্ত এই মৌলিক প্রশ্নটি উপেক্ষা করে মামলার গুণাগুণে প্রবেশ করেছেন, যা আইনগতভাবে মারাত্মক ত্রুটি।
আদালতের চূড়ান্ত আদেশ:
ক) দেওয়ানি রিভিশন আবেদনটি মঞ্জুর করা হলো।
খ) নিম্ন আদালত এবং আপিল আদালতের প্রদত্ত সমস্ত রায় ও ডিক্রি বাতিল করা হলো।
গ) প্রতিপক্ষ/বাদীগণের মূল মোকাদ্দমাটি শুরু থেকেই আইনগতভাবে অক্ষম ও অচল হওয়ায় সম্পূর্ণভাবে খারিজ করা হলো।
ঙ) মামলার খরচ বাবদ কোনো পক্ষকে কোনো আর্থিক আদেশ দেওয়া হয়নি।

এই রায়টি দেওয়ানি বিচার ব্যবস্থার একটি মৌলিক স্তম্ভকে স্মরণ করিয়ে দেয়। এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, মামলার বাদীকে অবশ্যই মোকাদ্দমা দায়েরের দিন বিবাদীর জীবিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। যা শুরু থেকেই শূন্য বা আইনগতভাবে মৃত, আদালত বা কোনো পক্ষান্তরের আবেদন তাকে কখনোই পুনরুজ্জীবিত করতে পারে না।

Welcome to City Law Firm, a premier legal practice led by Advocate Mohammad Moinul Islam (Jibon). Based in Khulna, we of...
14/06/2026

Welcome to City Law Firm, a premier legal practice led by Advocate Mohammad Moinul Islam (Jibon). Based in Khulna, we offer comprehensive legal counsel, litigation services, and corporate advice. Our firm represents clients across both the Khulna Judge Court and the High Court Division of the Supreme Court of Bangladesh. We handle criminal defense, civil litigation, family law, property disputes, and corporate legal matters. At City Law Firm, we are committed to upholding justice, delivering strategic legal solutions, and protecting our clients' rights with integrity and professionalism. Contact us today to schedule a consultation with our expert legal team.

Address

House No. 50, Shakil Plaza, Dalmil Mor Besides 19 Number Word Councilor Office
Khulna
9100

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 14:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when City Law Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share