Joypurhat Judge Court

Joypurhat Judge Court Joypurhat judge court is one of the district-based subordinate court of the Supreme court of Bangladesh.

18/12/2020
18/12/2020

অনেকেই কোর্ট এর এক্সাম এর সিলেবাস/সাজেশন চেয়েছেন।বাস্ত্য থাকায় সম্ভব হয়নি।এখন সিভিলকোর্ট বন্ধ হওয়ায় কিছুটা ফ্রি।সাজেশন ২দিন পর পাবেন।

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার দেওড়া আশ্রয়ণ কেন্দ্রের গৃহবধূ আরতি রাণীকে ধর্ষণ করে হত্যা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়...
22/10/2019

জয়পুরহাটের আক্কেলপুর উপজেলার দেওড়া আশ্রয়ণ কেন্দ্রের গৃহবধূ আরতি রাণীকে ধর্ষণ করে হত্যা মামলায় সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ড.এ.বি.এম মাহমুদুল হক এ রায় দেন। একই সাথে দুজনের পাঁচ লক্ষ এবং পাঁচজনের এক লক্ষ টাকা করে জরিমানা করে আদালত।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আক্কেলপুর উপজেলার মারমা গ্রামের সোহেল তালুকদার,দেওড়া সোনারপাড়া গ্রামের আফজাল হোসেন,দেওড়া গুচ্ছগ্রামের রাহিন,দেওড়া সাখিদার পাড়ার ফেরদৌস আলী,দেওড়া সোনারপাড়ার মজিবর রহমান,জগতি গ্রামের রুহুল আমীন ও দেওড়া গুচ্ছগ্রামের আজিজার রহমান।
আদালত সুত্রে জানা গেছে,২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর রাতে দেওড়া আশ্রয়ণ কেন্দ্রের উজ্জল মহন্তের স্ত্রী আরতী রাণীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে আসামিরা গণধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় হাসপাতালে নেয়ার পথে আরতী রাণী মারা যায়। এ ঘটনায় ১০ অক্টোবর আরতী রাণীর স্বামী উজ্জল মহন্ত বাদী হয়ে সাত জনকে আসামি করে আক্কেলপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলায় দীর্ঘ শুনানীর পর জয়পুরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সকল আসামির মৃত‌্যুদণ্ডের আদেশ দেন। একই সাথে আসামি সোহেল ও ফেরদৌসের পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও অন্য সকলের এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন।
সরকার পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পিপি আইনজীবী ফিরোজা চৌধুরী এবং বাদী পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোস্তাফিজুর রহমান ও রফিকুল ইসলামসহ পাঁচজন।source and coursty:https://m.risingbd.com/bangladesh/news/316340/ধর্ষণ-করে-হত্যা-মামলায়-৭-জনের-মৃত্যুদণ্ড

09/08/2017

=1620610162
Rashedur Rahman Rajon added 3 new photos .
Ai haji saab k haram a paisi. I'd card , travel agency er nam kichui bolte pare na . Bangladesh hajj mission niya aschi . Naam afsar Ali , bari jopurhat. Kew chinen naki ? Tar Pete onek betha . Share den dekhi.
আই হাজি সাব কে কেও চিনেন? জয়পুরহাট বাড়ি, আই ডি কার্ড কিছুই নাই, টারাভেল আজেন্সি...
More — at Bangladesh Hajj Mission Makkkah .
See Translation
Yesterday at 8:02am · Seen Wed 8:02am · Sent from Messenger
Send
Like · Add Photos · Refresh
CHAT OPTIONS
Mark Unread
Delete
Delete Selected
Archive
Ban From Page
Report Spam or Abuse
Install Facebook on your Omega HD 2.0 and browse faster
Search
Your Pages
Help
Settings & Privacy
Listen to your favorite music all day long !
Report a Problem
Terms & Policies
Logout (Chayan Saha)
Back To Top
Facebook is Free
You can use

26/04/2017

একজন বিচারক বা বিচারপতির কাজ হচ্ছে অন্যায়কারীর বিচার করা। এই মহান দায়িত্ব পালন করতে যেয়ে তাকে অনেক কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয়। তার মধ্যে অন্যতম একটি হলো মৃত্যুদণ্ড প্রদান। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামীর আপন জনেরা যেভাবে কষ্ট পায়, একজন বিচারক এর মন ঠিক সম পরিমাণ কষ্টে কেঁদে ওঠে। কিন্তু তার কোনো উপায় নেই। তাকে স্রষ্টা এমন মহান দায়িত্ব পালন করতে দিয়েছে যে, আবেগ এখানে কাজ করে না। এই বিচারকাজ করতে যেয়ে তাকে অনেক নিয়মের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।খুব প্রচলিত একটি নিয়ম হলো একজন বিচারক যখন একজন আসামী কে মৃত্যুদণ্ড দেন তখন সাথে সাথেই কলমের নিব ভেঙে ফেলেন। এই নিয়মটি ব্রিটিশ আমল থেকে চলে আসছে। এই কলমের নিব ভেঙে ফেলার পেছনে আছে কয়েকটি কারণ -
:
১. কলমের নিব ভাঙা একটি প্রতিকী বিষয়। এটা দ্বারা বোঝায়, যে কলম একজনের জীবন নিয়েছে সেটা যেন আর কারো জীবন নিতে না পারে।
:
২. এটা বিচারক কে বিষণ্ণতা থেকে দূরে রাখে।কারণ তিনি আর মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নিতে পারবেন না।
:
৩. এমনটি করা হয় কারণ তিনি যেন আর মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে নিতে না চান।
:
৪. মৃত্যু একটি দুঃখজনক ব্যাপার এটা বোঝাতেই নিব ভাঙা হয়।

26/12/2016

বিচার বিভাগের অবদান
প্রকাশিত :২৫.১২.২০১৬, ৩:২৯ অপরাহ্ণ
দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর,
লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে
পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হয়ে আমরা
হয়েছি স্বাধীন, পেয়েছি সার্বভৌম
বাংলাদেশ। আমাদের এ স্বাধীনতা
একদিকে যেমন বেদনার, অন্যদিকে
বীরত্বের এবং পরম গৌরবের। আমার
বক্তব্যের শুরুতেই স্বাধীন বাংলাদেশের
স্বপ্নদ্রষ্টা, স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ও
কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। যিনি স্বপ্ন
দেখেছিলেন এমন এক স্বাধীন বিচার
বিভাগের- যেখানে শোষিত, নির্যাতিত
এবং অসহায় মানুষ স্বল্প খরচে দ্রুত
ন্যায়বিচার পাবে। যাদের রক্তের
বিনিময়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন
সার্বভৌম বাংলাদেশ-সে বীর
মুক্তিযোদ্ধা ও জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের
আজকের এ বিজয়ের মাসে জানাই
আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও গভীর শ্রদ্ধা। ২ লক্ষ
মা-বোন যারা স্বাধীনতার জন্য সম্ভ্রম
হারিয়েছেন তাঁদের প্রতি রইল গভীর
শ্রদ্ধা, আন্তরিক ভালোবাসা এবং
কৃতজ্ঞতা।
বিচার বিভাগের গুরুত্ব
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় বিচার
বিভাগের ভূমিকা অপরিসীম। আইনের
শাসন, মৌলিক মানবাধিকার, রাজনৈতিক,
অর্থনৈতিক ও সামাজিক সাম্য, স্বাধীনতা
ও সুবিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণীত
হয়েছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
আমাদের সংবিধানে রাষ্ট্রের তিনটি
অঙ্গ; আইন বিভাগ, শাসন বিভাগ ও বিচার
বিভাগের দায়িত্ব এবং স্বাতন্ত্রিক
বৈশিষ্ট্য স্পষ্টভাবে বিধৃত রয়েছে। তাই
বলা হয়—“The system of checks and balances is
applicable to all three and none must overstep
their respective limits. The inevitable tension
between the organs must be viewed as a creative
one, which ultimately results in strengthening the
foundations of constitutionalism”। তিনটি
অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ এর সীমিত
সম্পদ ও বাজেটের মাধ্যমে নিরন্তর
দায়িত্ব পালন করছে। বিচার বিভাগ-এর
উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে রাষ্ট্রের
আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা
পালন করছে। একটি দেশের বিচার
বিভাগের দক্ষতা এবং দ্রুত বিচারের উপর
ভিত্তি করে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা
আকৃষ্ট হয়। সর্বোপরি, বিচার বিভাগের কর্ম
দক্ষতার উপর একটি দেশের সভ্যতার
মাপকাঠি পরস্ফুিট হয়ে উঠে। অন্যকথায়
বলা যায় যে, কোনো দেশের সরকারের
কৃতিত্ব পরিমাপ করার সর্বোত্তম মাপকাঠি
হচ্ছে তাঁর বিচার বিভাগের দক্ষতা ও
যোগ্যতা।
বিচার বিভাগের অবদান
দেশের ভাবমূর্তি সমুজ্জ্বল করতে বিচার
বিভাগের অবদান অন্য কোনো বিভাগের
চেয়ে কোনো অংশে কম নয়। এ পর্যন্ত
রাষ্ট্রের সকল ক্রান্তিলগ্নে বিচার
বিভাগ উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তৈরি করতে সক্ষম
হয়েছে। যেখানে রাষ্ট্রের অন্য সকল
বিভাগ ও প্রতিষ্ঠান ব্যর্থ হয়েছে বিচার
বিভাগ সেখানেও সমহিমায় উজ্জ্বল। এর
কিছু দৃষ্টান্ত আপনাদের সামনে উপস্থাপন
করছি—
বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার বিচার
বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর
রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদেরকে
নৃশংসভাবে হত্যাকারীদের রক্ষার জন্য
Indemnity আইন প্রণীত করে দীর্ঘদিন বিচার
কাজ বন্ধ করা হয়েছিল, সুপ্রীম কোর্ট তা
অবৈধ বলে ঘোষণা করে। হত্যার বিচার
করে অপরাধীদেরকে আইন অনুযায়ী
শাস্তি প্রদান করে জাতিকে কলঙ্কমুক্ত
করেছে বিচার বিভাগ।
চার জাতীয় নেতার হত্যার বিচার
কারা অন্তরালে নৃশংসভাবে চার জাতীয়
নেতাকে হত্যার বিচার কাজও বন্ধ করা
হয়েছিল। এর বিচার স্বল্প সময়ের মধ্যে
নিষ্পত্তি করে, বিচার বিভাগ একটি অনন্য
দৃষ্টান্ত স্থাপন করে।
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
পাকিস্তানি সেনাবাহিনীকে গণহত্যা ও
মানবতা বিরোধী অপরাধ সংঘটনে যারা
সহায়তা জুগিয়েছিল সেই যুদ্ধাপরাধীদের
৪২ বছর পর বিচারের মুখোমুখি করা হয়।
তাদের কয়েকজনকে আন্তর্জাতিক অপরাধ
(ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর আওতায় আইন
অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হয়েছে। বিচার
কাজ এখনো চলছে। বিচার বিভাগ
মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধী অনেক Veteran
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে জনগণ তথা
বিশ্ববাসীর আস্থা অর্জন করেছে। এ
বিচার নুরেমবার্গ, সার্বিয়া ও
কম্বোডিয়ার যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের
সমপর্যায়ের স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে করা
হয়েছে এবং হচ্ছে। ফলে সমগ্র জাতির
দীর্ঘদিনের কাঙ্ক্ষিত বিচার পাওয়ার
প্রত্যাশা অনেকাংশেই পূরণ হয়েছে।
জেএমবি এবং জঙ্গিদের বিচারের
ক্ষেত্রে বিচার বিভাগের অবদান
জেএমবির নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড ও বিচারক
হত্যা মামলার রায় প্রদান করে সব ধরনের
সন্ত্রাসের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স
দেখিয়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা এবং
আইনের শাসন সুদৃঢ় করেছে বিচার বিভাগ।
১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা
১০ ট্রাক অস্ত্র মামলায় দ্রুত বিচার করে
বিচার বিভাগ এধরনের ঘৃণিত
অপরাধীদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান
করে জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম
হয়েছে।
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের বিচার
পূর্বতন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের অল্প কয়েক
দিনের মধ্যে বিডিআর বিদ্রোহ ঘটিয়ে
সরকার তথা পুরো দেশকে অস্থিতিশীল
করার জন্য চেষ্টা করা হয়েছিল। বিডিআর
হত্যা মামলা কোন্ আদালতে বিচার হবে
সে নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি করার প্রচেষ্টা
ছিল। সর্বোচ্চ আদালত এর উপদেষ্টামূলক
এখতিয়ার প্রয়োগ করে এ বিষয়ে
গ্রহণযোগ্য সমাধান দিয়েছেন। যার ফলে
বিডিআর হত্যাকাণ্ডের মতো জঘন্য
অপরাধের দ্রুত বিচার নিষ্পত্তি সম্ভব
হয়েছে।
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতির
বিধান বাতিল
গণতন্ত্রকে বিকশিত করার জন্য গণতান্ত্রিক
সরকারের প্রয়োজন। গণতান্ত্রিক
সরকারের স্থলে অগণতান্ত্রিক সরকার
সমাধান নয়। এটি রাজনীতিবিদদের
দেউলিয়াপনা। ত্রয়োদশ সংশোধনীর
ফলে অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকার
পদ্ধতির মাধ্যমে জাতীয় নির্বাচনকে
একটি মহলের খেয়ালখুশি মতো
পরিচালনার ব্যবস্থা হয়েছিল। ত্রয়োদশ
সংশোধনী আইন রাষ্ট্রের মূলভিত্তি
জনগণের সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রের
প্রজাতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক পরিচয় খর্ব
করায় দেশের সর্বোচ্চ আদালত তা
অসাংবিধানিক ও অবৈধ বলে ঘোষণা
করে। উক্ত সংশোধনী বাতিল করে
গণতান্ত্রিক কাঠামো শক্তিশালী করতে
নির্দেশ প্রদান করে বিচার বিভাগ। ফলে
জনগণের সার্বভৌমত্ব এবং ভোটাধিকার
প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
পঞ্চম ও সপ্তম সংশোধনী বাতিল এবং
সামরিক শাসন অবৈধ ঘোষণা
দেশের সর্বোচ্চ আদালত পঞ্চম
সংশোধনী এবং সপ্তম সংশোধনী বাতিল
করে ঐতিহাসিক রায় প্রদান করে। পবিত্র
সংবিধান থেকে সামরিক আইন তথা
সামরিক শাসকদের সংশোধিত ও
সন্নিবেশিত বিধানসমূহ মুছে ফেলে
দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিচার
বিভাগের এই আদেশের ফলে সামরিক
শাসনের সম্ভাবনা চিরতরে নির্বাসিত
হয়েছে এবং গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রা ব্যাহত
করার সুযোগ পরাহত হয়েছে।
বিচারক স্বল্পতা
নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও বিচারকগণ
আন্তরিকভাবে তাদের উপর অর্পিত
দায়িত্ব পালন করায় বিগত বছরগুলোর
তুলনায় মামলা নিষ্পত্তির পরিমাণ
উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
জনসংখ্যার অনুপাতে বাংলাদেশের
বিচারকের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য।
আমেরিকায় ১০ লক্ষ মানুষের জন্য ১০৭ জন,
কানাডায় ৭৫ জন, ইংল্যান্ডে ৫১ জন,
অস্ট্রেলিয়ায় ৪১ জন, ভারতে ১৮ জন
বিচারক রয়েছে। অথচ বাংলাদেশে ১০
লক্ষ মানুষের জন্য মাত্র ১০ জন বিচারক
রয়েছে। জনসংখ্যা এবং মামলার সংখ্যা
অনুপাতে বিচারক নিয়োগ প্রদান করা এখন
সময়ের দাবি। বর্তমানে আপিল বিভাগে ৯
জন এবং হাইকোর্ট বিভাগে ৮৯ জন
বিচারকের মধ্যে ৩ জন বিচারক International
Crimes Tribunal-এর বিচারকের দায়িত্ব
পালন করছেন। এর মধ্যে ৪ জন বিচারক গুরুতর
অসুস্থ। ফলে বিভিন্ন সময় বেঞ্চ গঠনের
সময় আমাকে হিমশিম খেতে হয়। এদের মধ্য
হতে ২০১৭ সালে ৭ জন বিচারক অবসর গ্রহণ
করবেন। ফলে বেঞ্চ গঠনে জটিলতা
আরো প্রকট হবে। ২০১৬ সালের আগস্ট
মাসে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ
আলোচনার পর উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে
সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আমি
৮ জন অতিরিক্ত বিচারক নিয়োগের জন্য
সরকারকে পরামর্শ প্রদান করি। দীর্ঘ
আলোচনার পর পারস্পরিক সম্মতির
ভিত্তিতে এ সুপারিশ প্রেরণ করা হলেও
দীর্ঘ চার মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও এ
নিয়োগ প্রক্রিয়া আলোর মুখ দেখেনি।
দেশের নিম্ন আদালতসমূহে বিচারকের
শূন্য পদ
নিম্ন আদালতের বিচারকের অনুমোদিত পদ
সংখ্যা ১৬৫৫; এর মধ্যে ৩৮৭টি পদ শূন্য
রয়েছে। অবশিষ্ট ১২৬৮ জন বিচারক দ্বারা
২৭ লক্ষাধিক মামলা নিষ্পত্তি করা অসম্ভব।
তাছাড়া প্রতিদিন নতুন মামলা দায়ের
হচ্ছে। সঙ্গত কারণে বর্তমানে শূন্য পদে
দ্রুত বিচারক নিয়োগ দেওয়া আবশ্যক।
বিশেষ আদালতসমূহের স্থান সংকুলানের
তীব্র অভাব
প্রায়শই সরকার নতুন আইন করে বিভিন্ন
ধরনের ট্রাইব্যুনাল যেমন—নারী ও শিশু
নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল, এসিড অপরাধ দমন
ট্রাইব্যুনাল, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল,
স্পেশাল জজ, পরিবেশ আদালত, পরিবেশ
আপিল আদালত, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল,
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল
ইত্যাদি ট্রাইব্যুনাল গঠন করছে। এ সকল
ট্রাইব্যুনালের জন্য কোনো পৃথক আদালত
ভবন, পরি-কাঠামো নির্মাণ এবং রেকর্ড রুম
ও বসার জায়গা অপরিহার্য হলেও সরকার এ
বিষয়ে সব সময় উদাসীন। পৃথক আদালত ভবন,
অবকাঠামো না থাকায় ব্রিটিশ আমলের
নির্মিত জরাজীর্ণ ভবনে অস্বাস্থ্যকর
পরিবেশে একাধিক বিচারক এক এজলাস
সময় ভাগাভাগি করে বিচারকার্য
চালিয়ে যাচ্ছে।
নিম্ন আদালতের বিভিন্ন পদে পদায়নের
ক্ষেত্রে প্রধান বিচারপতি হিসেবে
আমি গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহে সত্, দক্ষ ও মেধাবী
বিচারক নিয়োগ দিতে চাইলেও আমাকে
নানা বাধার সম্মুখীন হতে হয়।
ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অবকাঠামোগত
সমস্যা
বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সুপ্রিম কোর্টের
আপিল বিভাগের একটি ঐতিহাসিক
রায়ের মাধ্যমে ২০০৭ সালের পহেলা
নভেম্বর নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার
বিভাগ পৃথক হয়ে এর যাত্রা শুরু করে।
অনেক চ্যালেঞ্জ নিয়ে পৃথকীকৃত বিচার
বিভাগ সামনের দিকে এগিয়ে যেতে শুরু
করে। তীব্র অবকাঠামোগত সমস্যা ও নানা
প্রতিকূলতা সত্ত্বেও জুডিশিয়াল
ম্যাজিস্ট্রেটগণ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে
দ্রুত ও গুণগত বিচার নিষ্পত্তি নিশ্চিত করার
ফলে বিচার বিভাগের ওপর জনগণের
আস্থা ক্রমশ বাড়তে থাকে। কিন্তু
দুর্ভাগ্যের বিষয় দীর্ঘ ৯ বছর অতিক্রান্ত
হলেও অদ্যাবধি ম্যাজিস্ট্রেসির জন্য
পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামোগত স্থাপনা নির্মিত
হয়নি। ৪২টি জেলায় ম্যাজিস্ট্রেসি
বিল্ডিং নির্মাণের প্রকল্প গৃহীত হলেও এ
পর্যন্ত মাত্র ৪টি জেলায় বিল্ডিং
আংশিক হস্তান্তর করা হয়েছে। ৮টি
জেলায় ম্যাজিস্ট্রেসি বিল্ডিং নির্মাণ
কাজ সম্পন্ন হলেও ফার্নিচারের অভাবে
তা এখনও ব্যবহার উপযোগী হয়নি। ২১টি
জেলায় বিল্ডিং নির্মাণের কাজ ধীর
গতিতে চলছে। ৯টি জেলায় বিল্ডিং
নির্মাণের কাজ শুরুই হয়নি। অধিকন্তু ২৫টি
জেলা জজ আদালতের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ
কাজেও উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি
সাধিত হয়নি। ফলশ্রুতিতে ১৭০ জন
বিচারককে এজলাস ভাগাভাগি করে
বিচার কাজ পরিচালনা করতে হচ্ছে। এতে
বিচারিক কর্মঘণ্টার পূর্ণ ব্যবহার সম্ভব হচ্ছে
না।
বিচার বিভাগের জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি
সুবিধা
মামলা ব্যবস্থাপনায় সংস্কার এবং দক্ষ
সেবাদানের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ
প্রযুক্তির কোনো বিকল্প নেই।
সফ্টওয়্যারের সহায়তায় কোনো মামলার
তথ্য এখন সার্চ কমান্ড দিয়ে বের করা
সম্ভব। তথ্য প্রযুক্তির সর্বশেষ সুবিধাগুলো
ব্যবহার করে সকল নাগরিকের কাছে
তাদের পছন্দের ডিভাইসে মামলার তথ্য
পাঠানোর কাজটিও নিশ্চিত করা কঠিন
কাজ হবে না। সুপ্রিম কোর্টে আমরা তথ্য
প্রযুক্তির সুবিধা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা
অনেক আগেই উপলব্ধি করি। কারণ তথ্য
প্রযুক্তি দিয়েই কাজের গতি কয়েক গুণ
বৃদ্ধি এবং সেবার জন্য অপেক্ষমাণ সর্বশেষ
ব্যক্তির কাছে পৌঁছানো সম্ভব। বিচার
ব্যবস্থার ডিজিটাইজেশনের পথে এরই
মধ্যে আমরা কিছু এগিয়েও গিয়েছি।
সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ডিজিটাল
বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকারাবদ্ধ।
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এবং a2i-এর
যৌথ উদ্যোগে বিচার বিভাগীয় তথ্য
বাতায়ন তৈরি করা হয়েছে। বিচার
বিভাগের জন্য মনিটরিং ড্যাশ বোর্ড
তৈরি করা হচ্ছে। উচ্চ ও নিম্ন আদালতে
ই-কোর্ট ব্যবস্থা চালু, ডিজিটাল পদ্ধতিতে
রেকর্ড ধারণ ও সংরক্ষণ, জেলা ভিত্তিক ও
কেন্দ্রীয় কারাগারের মধ্যে ভিডিও
কনফারেন্সের সুবিধা চালু, দেশের বিচার
ব্যবস্থায় ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন
সিস্টেমের প্রচলন এবং বিচারিক
কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার
তিন বছর মেয়াদি ই-জুডিশিয়ারি প্রকল্প
গ্রহণ করার বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের
উদ্যোগে বহুদূর এগিয়েছে। নিম্ন
আদালতসহ সুপ্রিম কোর্টে ই-জুডিশিয়ারি
প্রকল্প গ্রহণের জন্য আমি ব্যক্তিগতভাবে
মাননীয় পরিকল্পনা মন্ত্রী ও তথ্য ও
যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের
প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা
করি এবং এ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৪০০
কোটি টাকা প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়া
হয়। Pre-ECNAC মিটিংয়ে আইন, বিচার ও
সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কয়েকজন কর্মকর্তা
এ প্রকল্পের

16/10/2016

বাংলাঃ
___________
সাহিত্য অংশের জন্য মোহসিনা নাজিলার "শীকর "। ব্যাকরণের জন্য ৯ম-১০ম শ্রেণীর বাংলা ব্যাকরণ বা হায়াৎ মাহমুদের ব্যাকরণ বইটি (যেকোন একটি হলেই চলবে)। এগুলোর পাশাপাশি যদি সম্ভব হয় (না দেখলে ও সমস্যা নাই) ৯ম-১০ম শ্রেণীর বাংলা বইয়ের গদ্য ও কবিতার লেখক পরিচিত দেখতে পারেন। সাথে রাখবেন প্রফেসরস /এসিউরেন্স/
ওরাকলের যেকোন একটি বই।
:
ইংরেজিঃ
____________
গ্রামারের জন্য আপনার কাছে যে বইটি সবচেয়ে সহজ মনে হয় সে বইটি পড়তে পারেন। তবে হাইস্কুলের এডভান্স (চৌধুরী এন্ড হোসাইন) বইটি থেকে গ্রামার অংশ দেখতে পারেন। অথবা এসিউরেন্স কিংবা কলেজিয়েট ইংলিশ গ্রামার বইটির ও সাহায্য নিতে পারেন (যেকোন একটি)। সাথে রাখবেন এসিউরেন্স বইটি (যদি সম্ভব হয়) । আর অনুশীলনের জন্য অবশ্যই "ইংলিশ ফর কম্পিটিটিভ এক্সাম " বইটি প্রতিদিন পড়বেন। যারা এই বইটি একবার ভালভাবে শেষ করতে পারবে আমার বিশ্বাস ইংরেজি প্রিলির অংশে যেকোন নিয়োগ পরীক্ষায় তার দুর্দান্ত পারফরমেন্স থাকবে।
:
আর অবশ্যই নিয়মিত "common mistakes in English "by TJ Fitikides বইটি পড়বেন নিয়মিত। খুব ছোট কিন্তু দুর্দান্ত বই এটি।
:
বাংলাদেশ বিষয়াবলীঃ
_______________________
প্রফেসরস /ওরাকল এর যেকোন এটি বই। আজকের বিশ্ব বইটি। ৯ম-১০ম শ্রেণীর ইতিহাস বই। সাথে প্রতিদিন জাতীয় সংবাদপত্রে চোখ রাখতে হবে।
:
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীঃ
________________________
প্রফেসরস /ওরাকল এর যেকোন এটি বই। আজকের বিশ্ব বইটি। সাথে প্রতিদিন জাতীয় সংবাদপত্রে চোখ রাখতে হবে।
:
গণিতঃ
___________
শাহীন'স গণিত বইটি দেখতে পারেন অথবা প্রফেসরস বা ওরাকলের যেকোন একটা। সাথে অবশ্যই ৭ম থেকে ১০ম শ্রেণীর গণিত গুলো দেখতে হবে। বাজারে শর্টকাট টেকনিকের অনেক বই আছে। দয়া করে এগুলো আপাতত পড়বেন না। গণিত করবেন গণিতের মত। এ কাজটি আপনাকে লিখিত পরীক্ষায় ও ভাল কাজ দিবে। তবে পরীক্ষার ১মাস আগে শর্টকাট টেকনিকগুলো অনুশীলন করতে পারেন। কিন্তু এখন নয়।
:
বিজ্ঞানঃ
___________
৯ম-১০ম শ্রেণীর সাধারণ বিজ্ঞান বইটি। সাথে প্রফেসরস /ওরাকলের যে কোন একটি। পাশাপাশি যদি সম্ভব হয় (না হলেও সমস্যা নাই) ৯ম-১০ম শ্রেণীর জীববিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞান বইটি সিলেবাসের সাথে মিল রেখে পড়তে পারেন।
:
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তিঃ
________________________
উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (মুজিবুর রহমানের) বইটি, সাথে ইজি কম্পিউটার বইটি। বিকল্প হিসেবে প্রফেসরস /ওরাকলের বইটি রাখতে পারেন। তবে যাদের কাছে উচ্চ মাধ্যমিক কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বইটি কঠিন মনে হয় তারা সেটি বাদ দিয়ে উপরের গুলো পড়লেও চলবে।
:
ভূগোলঃ
__________
৯ম-১০ম শ্রেণীর ভূগোল বইটি। সাথে প্রফেসরস /ওরাকলের যেকোন ১টি। তবে এখানের বেশিরভাগ পড়াই আপনার বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলীতে পড়া হয়ে যাবে।
:
নৈতিকতা,মূল্যবোধ ও সুশাসনঃ
________________________________
:
উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি (২য় পত্র) বইয়ের সুশাসন অধ্যায়টি পড়তে পারেন। সাথে প্রফসরস/
ওরাকলের যেকোন একটি। তবে এ বিষয়টি প্রায় সম্পুর্ণ কমনসেন্স থেকেই আসবে।
:
মানসিক দক্ষতাঃ
___________________
প্রফেসরস এবং ওরাকল ২টাই কিনবেন। বিগত বছরের প্রিলি ও লিখিত পরীক্ষার মানসিক দক্ষতার প্রশ্নগুলো বুঝে বুঝে সমাধান করবেন।
:
এগুলোর সাথে অবশ্যই একটা ভাল মানের জব সলিউশন থাকা চাই। রুটিন করে এ বিষয়গুলো পড়বেন। সাথে অবশ্যই জব সলিউশন থেকে প্রতিদিন ৩/৪সেট প্রশ্ন শেষ করবেন। যদি নিয়মিত সময় দিয়ে পড়তে পারেন তবে নিশ্চিত করে বলছি আপনার বিসিএস বা অন্য যেকোন সরকারি চাকরি হবেই হবে, আজ নয়তো কাল। বিসিএস এর প্রস্তুতি নিলে আপনাকে আর অন্যকোন সরকারি চাকরীর প্রস্তুতি নিতে হবেনা। বিসিএস প্রস্তুতি হল সকল চাকরির সেরা প্রস্তুতি।
:
যেকোন কাজ কঠিন হতে পারে,কিন্তু অসাধ্য নয়। অতীতে অনেকে ক্যাডার হয়েছে,আপনিও হবেন। অনেকেই যোগ্যতা ভিত্তিক চাকরী পেয়েছে,আপনিও পাবেন। আপনি ভয়ে হতাশ হয়ে গেলে,কাছের বন্ধুরা হয়তো ২দিন সান্তনা দিতে আসবে,কিন্তু চাকরি দিতে কেউ পারবেনা। অতএব চাকরি যেহেতু করতেই হবে,সুতরাং পড়তেই হবে। এসব বিষয়ে তথ্য উপাত্তসহ প্রচুর মোটিভেশনাল লেখা প্রতিনিয়ত আমার ব্যক্তিগত টাইমলাইনে দিয়েছি। অতএব, চেষ্টায় মুক্তির একমাত্র উপায়।

14/09/2016

ছন্দে ছন্দে Preposition শিখুন
নগর, শহর, দেশ,
এদের আগে in বসিয়ে করবে বেশ।
সপ্তাহ, মাস, বছর, ঋতু, দশক, যুগ, শতাব্দী,
এদের আগে in বসানো হয় আজ অব্দি।
প্রভাত, দুপুর, গোধূলি, রাত,
এদের আগে at বসিয়ে করবে বাজিমাত।
সময়ের আগে at বসে, দিনের আগে on,
দিনের অংশ ভাগে in না বসালে,
করবে তবে Wrong।
Festival-এ at, নম্বরেও at, with হয়
বস্তুতে,
এইভাবে preposition শিখবে আনন্দ আর ফুর্তিতে।
Person-এ by, পাশে বুঝাতেও
by, (যানবাহনের আগে) কিন্তু in a car,
দক্ষতায় অদক্ষতায় at না বসালে
সব হবে ছারখার।
ছোট হলে at, বড় হলে in, কখন হয়?
এই পার্থক্য না বুঝলে মনে থাকবে ভয়।
বাহির থেকে ভিতরে into ব্যবহার করো,
ভিতর
থেকে বাহিরে হয় out of,
Preposition না বুঝলে মুড থাকবে off।
লেগে (স্পর্শ করে) থাকলে on হয়, নইলে
হয়
above,
Since, for বুঝ না, কেন নাও ভাব?
শুরু থেকে বুঝাতে since হয়, নইলে হয় for,
গতি বুঝাতে (উপর দিয়ে) over, নিচে হয়
under,
Preposition আসলেই খুব মজার। মাত্রা
(স্তর)
বুঝাতে হয় below,
Preposition শিখতে পেরে, আমি আছি খুব
ভালো।
On- এ গিয়ে গতি হলে শেষ হয় onto,
সাথে বুঝাতে with হয়, দিক বুঝাতে to.
কোনো কিছুর ভিতর দিয়ে যেতে হয়
through
(বাধা থাকলে)।
এ পাশ থেকে ওপাশে যেতে হয় across,
(বাধা না
থাকলে)।
Preposition শিখলে নেই কোনো
Loss
এর বুঝাতে of হয় Boss.....

16/08/2016

#লিখেছেন : Md: Khairul Alam
=================
#প্রাথমিক আলোচনা।
সাধারণত লাভ-ক্ষতি নির্ধারিত হয় ক্রয়মূল্যের উপর। যেমন:
#৪০০০ টাকায় একটি সাইকেল বিক্রি করায় ১০০০ টাকা ক্ষতি হলে শতকরা ক্ষতির হার কত?
#এখানে ৪০০০ টাকায় ১০০০ টাকা ক্ষতি বললে ভুল হবে । কারণ ৪০০০ টাকা ক্রয়মূল্য নয় বরং বিক্রয়মূল্য। সুতরাং আগে ক্রয়মূল্য ৪০০০+১০০০ = ৫০০০ এনে তারপর বলতে হবে ৫০০০ টাকায় ক্ষতি ১০০০ টাকা । সুতরাং ক্ষতির হার ২০% ( ৫ভাগের ১ ভাগ = ২০%)
#মুলকথা : লাভ - ক্ষতির হার বের করার জন্য একটা পণ্য আপনি কত টাকায় বিক্রি করলেন তা গুরত্বপূর্ণ নয় বরং পণ্যটি ক্রয় করতে আপনাকে কত টাকা খরচ করতে হয়েছে তা গুরুত্বপূর্ণ।
#ফলমুলের বা সংখ্যা জাতীয় প্রশ্নের লাভ-ক্ষতির ক্ষেত্রে যেটা বিক্রয়সংখ্যা সেটাই ক্রয়মুল্য। যেমন:
১)একজন দোকানদার ৫ টি লেবু যে দামে কিনে, ৪টি লেবু সেই দামে বিক্রি করে। তার শতকরা কত লাভ হবে? (থানা শি:অফিসার-০৫)
#অথবা টাকায় ৫টি লেবু ক্রয় করে টাকায় ৪টি লেবু বিক্রি করলে কত লাভ হবে?
#অথবা ১০টাকায় ৫টি কিনে ১০টাকায় ৪টি অথবা ১০০ টাকায় ৫টি শার্ট কিনে ১০০টাকায় ৪টি বিক্রি করলে শতকরা কত লাভ হবে? ( এখানে টাকার পরিমান গুরুত্বপূর্ণ নয় বরং সমান সমান টাকা দেখতে হবে)
#ব্যাখ্যা সহ সমাধান:
প্রশ্নটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে ১টি লাভ হয়েছে। কিন্তু ৫টিতে ১টি লাভ ভাবলে ২০% লাভ আাবার ৪টিতে ১টি লাভ ভাবলে ২৫% লাভ হবে। (অপশনে দুটোই থাকে)
#সবসময় বিক্রয় সংখ্যার উপর হিসেব করতে হবে। তাই উত্তর হবে ৪টি তে ১টি লাভ বা ৪ভাগের ১ ভাগ = ২৫% ।
#কেন এমন (ক্রয়মূল্যের জায়গায় বিক্রয়সংখ্যা) হয় তার ব্যাখ্যা:
==============================
========
#প্রশ্ন দেখে লেখা যায় ৫টির ক্রয়মুল্য ৫টাকা হলে = ৪টির বিক্রয়মূল্যও ৫টাকা।
এখন যে ৪টি ৫টাকায় বিক্রি হল সেগুলো কেনা হয়েছিল ৪টি ৪টাকায় ( যেহেতু ৫টির ক্রয়মূল্য ৫টাকা। ) তাহলে লাভ হলো ৫-৪ = ১ টাকা।
৪টাকায় ১টাকা লাভ হলে ১০০ টাকায় লাভ হবে ২৫ টাকা বা ২৫%
#যারা মনে করেন সুত্রানুযায়ী করতে ভালো লাগে তাদের জন্য সুত্রটি হল (100/
বিক্রয়সংখ্যা )*ক্রয় ও বিক্রয়মূল্যের ব্যাবধান।
#সুত্রানুসারে >>> 100/4 = 25% ( বুঝে বুঝে করলে সুত্রটি এমনিতেই হয়ে যাবে)
#মনে রাখুন:
===========
1. সাধারণ অংকে যেটা ক্রয়মূল্য সংখ্যার অংকগুলোটতে বিক্রয় সংখ্যাটিই হচ্ছে ক্রয়মূল্য।
2. লাভ-ক্ষতি হিসেব হয় টাকার উপর ফলমুলের সংখ্যার উপর নয়।
3. বেশি সংখ্যক কিনে কম সংখ্যক বিক্রি করেই আগের টাকা আসলে লাভ কিন্তু কম কিনে একই টাকার জন্য বেশি বিক্রি করতে হলে ক্ষতি হয়।
4. ক্রয় সংখ্যা ও বিক্রয় সংখ্যা সমান না করে লাভ-ক্ষতি হিসেব করা যাবে না।
যেমন: হালি ২৪টাকা কিনে ২টা ১৫টাকায় বিক্রি করলে কত লাভ বা ক্ষতি হবে। ৪টি =৪টি অথবা ২টি =২টি না এনে শুধু টাকা দেখলে লাভের পরিবর্তে ক্ষতি মনে হবে।
#অারো কয়েকটি দেখুন:
২)টাকায় ৩ টি দরে জিনিস ক্রয় করে টাকায় ২ টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে? (২৬তম বিসিএস+ ৩৫তম বিসিএস - মানসিক দক্ষতা) (২টাতে ১টি )
৩)টাকায় ১০ টা দরে আমলকি ক্রয় করে, ৮ টা দরে বিক্রয় করলে, শতকরা কত লাভ হবে? (অষ্টম শ্রেণী ২.৩)
৪)১২টি পেন্সিলের ক্রয়মূল্য ৮টি পেন্সিলের বিক্রয়মূল্যের সমান। লাভের হার কত?
৫)৬ টি কমলার ক্রয়মূল্য ৫ টি কমলার বিক্রয়মূল্যের সমান হলে শতকরা লাভ কত? (প্রা:বি:প্র:শি
:নি:-০৬)
৬ )The selling price of 15 items equals the cost of 20 items. What is the percentage profit earned by the seller? (BB AD -:-12 )
(5 From 15 So 33.33%)
#ক্ষতি হবে কখন?? যখন কম কিনে বেশি বিক্রি হবে তখন ক্ষতি হবে।
==============================
==========
৭)টাকায় ৪ টি করে লিচু কিনে ৫ টা করে বিক্রয় করলে শতকরা কত ক্ষতি হবে? (প্রা:বি:প্র:শি
:নি:-১১) (Help: ৫ টাতে ১টি ক্ষতি হলে শতকরা ক্ষতির হার ২০%)
৮)এক ব্যক্তি চাল বিক্রয় করে দেখল যে, ২৫ কেজি চালের বিক্রয়মূল্য ২০ কেজি চালের ক্রয়মূল্যের সমান। তার শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হল? (প্রা:বি:সহ:শি:নি:-১২) (কম কিনে বেশি বিক্রি তাই ক্ষতি ২০%^)
৯) If the cost price of 20 articles is equal to the selling price of 25 articles, what is the % profit or loss made by merchant? (Islami bank BD Ltd.officer(women) 2012) (Here loss 5 for 25 so 20%)
#প্রাকটিস করুন:
--------------------
১০)Apples are bought at the rate of 8 per 100 Taka and sold at the rate of 5 per 100 Taka. What is the gain or loss in this process? (Janata Bank Off:- 2009)
a.82.5%
b.75%
c.72%
d.64%
e. none of these
ans. e
#নোট : (এখানে টাকা না দেখে ৫টাতে ৩টা লাভ ১০০টাতে ৬০টা বা ৬০% দেখুন।)
১১) ৮ টি প্যান্টের বিক্রয়মূল্য ১০ টি প্যান্টের ক্রয়মূল্যের সমান হলে শতকরা লাভ কত?(প্রা:বি:প্র
:শি:নি:-১২) (৮ এ ২লাভ= ৪ভাগের ১ ভাগ=২৫%)
১২)২৫ কেজি চাল যে দরে কেনা যায়, ২০ কেজি চাল সে দরে বিক্রি করলে শতকরা কত লাভ হয়? (প্রা:বি:সহ:শি:নি:-১৩) (২০ এ ৫লাভ= ৪ভাগের ১ ভাগ=২৫%)
১৩)৩০ মিটার কাপড় যে মূল্যে ক্রয় করে সেই মূল্যে ২০মিটার কাপড় বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ বা ক্ষতি হবে? (অষ্টম শ্রেণী ২.৩)
: Khairul's Basic Math
============================
(গত শুক্রবারের ইসলামী ব্যাংকের একটি পরীক্ষায় নিচের প্রশ্নটি এসেছে। )
Joy ‍লিখেছেন = একটা ম্যাথ পারিনি। সেটা হল
১৪) ১৫টির বিক্রি মুল্য ২০টির ক্রয় মুল্যের সমান হলে কত লাভ হয়েছে? (নিজে পারবেন না??)
#এত সহজ একটা প্রশ্নের উত্তর নিজে থেকে কয়েক সেকেন্ডে না পারায় বুঝলাম তিনি নিচের ছবিটার নিয়মে ট্রাই করেছেন। তাই এই নোটটি লিখলাম।
==============================
==========যে কোন সমস্যা কমেন্ট করে জানান। গণিতের সমস্যা সমাধানে আমি সাধ্য অনুযায়ী সাপোর্ট দেয়ার চেষ্টা করবো। আপনারা আমার পোস্টগুলো বেশি বেশি মানুষের কাছে পৌছানোর নিমিত্তে নিয়মিত লাইক + কমেন্ট ও শেয়ার করে সহযোগীতা করবেন। ধন্যবাদ ।
#আমার লেখা সবগুলো নোট (50টার মধ্যে 20 মত ) + ইউটিউব এ আমার কিছু ভিডিও এর লিংক আমার টাইমলাইনের একসাথে দেয়া আছে। যাদের প্রয়োজন সার্চ করুন।

16/07/2016

প্রথমেই আসা যাক কোন পার্টের জন্য কি কি বই লাগবে:
Mathematics:
1. Previous 10 years questions
2.Official GMAT Review
3.Nova's Math GRE
4. Manhattan GMAT
Analytical Puzzle:
1. Previous 10 years questions
2. GRE Big Book
3.Official GMAT review(Critical reasoning)
4. Barron's GRE (12 th Edition)
Verbal:
1. Previous 10 years questions
Sentence Completion, Analogy, Synonym, Antonym,Reading Comprehension:
1. GRE Big book
2. Barron's SAT
Grammar, Error Detection, Sentence Correction:
1. Cliff's Toefl
2.Official GMAT Review
-------------------------------------
এখন আসা যাক কোন বই কিভাবে পড়বেন
শুরুতে গ্রামার করতে চাইলে Cliff's Toefl আগে পড়ুন । পেজ নাম্বার-৩৯ থেকে শুরু করে পেজ ১৯৬ পর্যন্ত গ্রামারের রুলসগুলো ভালোভাবে পড়ে নিন । এরপর এই বইয়ের মিনি টেস্টগুলো করে ফেলুন । এরপর Official GMAT Review টা ধরতে পারেন । এখানকার কমপক্ষে ১০০ Sentence Correction বুঝে বুঝে করতে পারলে IBA সহ BCS/ Bank Jobs/ EMBA এক্সামের গ্রামার পার্ট নিয়ে আর চিন্তা করতে হবে না ইনশাআল্লাহ্ !
Sentence Completion এর জন্য GRE Big Book এর কোন বিকল্প এখনও তৈরী হয়নি । যদিও আইবিএর sentence completion গুলো আরো সহজ হয় তারপরও প্রেফার করবো Big Book 27 টা টেস্টের কম্পক্ষে ১৫ টা টেস্ট ভালোভাবে শেষ করুন ।
রিডিং কম্প্রিহেনশনের জন্য IBA এর BBA, MBA আগের বছরের প্রশ্নগুলো শলভ করলেই চলবে । তবে বেটার প্র্যাকটিসের জন্য GMAT review দেখতে পারেন ।
এবার আসা যাক ম্যাথ পার্টে । ম্যাথের বেসিক রুলস শিখার জন্য Manhattan GMAT & Official GMAT এর ম্যাথ পার্টের রুলসগুলো ভালোভাবে দেখুন । আর প্র্যাকটিসের জন্য Official GMAT Review এর যে ২২০+ ম্যাথ আছে সেগুলো শেষ করে ফেলুন । এরপর আইবিএর আগের বছরের প্রশ্নগুলো ভালোভাবে দেখুন ।
এনালাইটিক্যাল পাজলের বেসিক জিনিসগুলো ধরতে Barron's GRE 12 th edition টা দেখতে পারেন । আসা করি কনসেপ্ট ক্লিয়ার হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্ । ফারদার প্র্যাকটিসের জন্য GRE Big Book. ক্রিটিক্যাল রিসোনিংয়ের জন্য Official GMAT.
That's All ! Have a nice preparation

14/07/2016

-----বিসিএস পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বইসমূহ----- ---------১)বিসিএস প্রিলিমিনারী পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বইসমূহ---------- ১)লাল নীল দীপাবলি [হুমায়ন আজাদ] ২)ভাষা জিজ্ঞাসা [সৌমিত্র শেখর] ৩)নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড কতৃক নির্ধারিত ব্যাকরণ বই English : 1)Saifur's newest grammar 2)English for competitive examination 3)An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman গণিত ও মানসিক দক্ষতা : ১)৬ষ্ট হতে দশম শ্রেণী পর্যন্ত গণিত টেক্সট বইয়ের সমাধান ২)প্রফেসরস মানসিক দক্ষতা ৩)ইউটিউবে বিসিএস মানসিক দক্ষতার কিছু লেকচার আছে যা সার্চ দিলেই পাবেন বাংলাদেশ বিষয়াবলী : ১)নবম দশম শ্রেণীর সমাজ বিজ্ঞান ও ইতিহাস বই ২)শর্ট কার্ট বিসিএস বাংলাদেশ বিষয়াবলী [আরিফুর রহমান] আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী : ১)আজকের বিশ্ব ২)প্রফেসরস আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী তথ্য প্রযুক্তি :Easy computer ভূগোল: নবম দশম শ্রেণীর ভূগোল বই সাধারন বিজ্ঞান : ১)নবম দশম শ্রেণীর পদার্থ,রসায়ন ও জীব বিজ্ঞান বই ২)জামিল'স বিজ্ঞান আর প্রতিদিন যে কাজগুলো আমি করেছিলাম তা হল- ১) দৈনিক প্রথম আলোর হতে সাম্প্রতিক তথ্যের উপর ৫০/৬০ টি নৈর্ব্যক্তিক প্রশ্নোত্তর তৈরি করা।অবশ্যই প্রিলি পরীক্ষার অন্তত ১ মাস আগে এই কাজটি বাদ দিতে হবে কারণ ততদিনে প্রিলির প্রশ্ন তৈরি হয়ে যায়। ২)প্রফেসরস জব সলুশন হতে প্রতিদিন অন্তত ৩/৪ টি প্রিলি পরীক্ষার প্রশ্ন পত্র বুঝে বুঝে সলভ করেছি। -------২)বিসিএস লিখিত পরীক্ষার জন্য কিছু রেফারেন্স বই-------- বিসিএস লিখিত পরীক্ষার জন্য গাইড বইয়ের (প্রফেসর'স পাবলিকেশন ফলো করা যেতে পারে) চেয়ে কিছু রেফারেন্স বুক স্টাডি করলে অনেক কাজে দিবে।তাই বিসিএস লিখিত পরীক্ষার জন্য যে সকল রেফারেন্স বই প্রয়োজন তার তালিকা দিলাম- ১)বাংলা(১ম ও২য় পত্র) i)উচ্চতর স্বনির্ভর বিশুদ্ধ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ ii)বিসিএস রিটেনের বিগত বছরের প্রশ্ন iii)বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা (ড. সৌমিত্র শেখর) iv)বাংলাপিডিয়া থেকে "বাংলা সাহিত্য "অংশ ২)ইংরেজি(১ম ও ২য় পত্র) i)Saifurs Newest grammar ii)S.M. Zakir Hussain এর Tactics for Effective Reading and Critical Thinking. iii)সামারি লেখার অভ্যাস গঠনের জন্য প্রতিদিন "Daily Star" এর Editorial অংশ ভালভাবে পড়ুন এবং তার সামারি তৈরি করুন। iv) সঠিক শব্দ বিন্যাসে অলংকৃত করতে ফলো করতে পারেন "Saifur's IELTS Writing " এই বইটি সেই সাথে আরও ভাল হয় যদি S.M. Zakir Hussain রচিত "Effective Writing Skills For Advanced Learners " বইটি পড়তে পারেন v)Practical English Usage by Michael Swan ৩)গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা i) মাধ্যমিক বীজগণিত ও জ্যামিতি (৯ম-১০ম শ্রেণী) ii)মাধ্যমিক উচ্চতর গণিত (৯ম-১০ম শ্রেণী) iii)নিম্ন মাধ্যমিক গণিত (৮ম শ্রেণী ও ৭ম শ্রেণী ) iv)বিসিএস রিটেনের বিগত বছরের প্রশ্ন ৪ সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি i)মাধ্যমিক পদার্থ বিজ্ঞান (৯ম-১০ম শ্রেণী) ii)মাধ্যমিক রসায়ন বিজ্ঞান (৯ম-১০ম শ্রেণী) iii)মাধ্যমিক জীব বিজ্ঞান (৯ম-১০ম শ্রেণী) iv)ডা জামিল'স রিটেন গাইড v)উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান (১১শ-১২শ শ্রেণী) vi)বিসিএস রিটেনের বিগত বছরের প্রশ্ন ৫)বাংলাদেশ বিষয়াবলী (১ম ও ২য় পত্র) i)দৈনিক প্রথম আলো ii)উইকিপিডিয়া ও বাংলাপিডিয়া iii)বাংলাদেশের সংবিধান এবং আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট iv) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট v)অর্থনৈতিক সমীক্ষা vi)বিসিএস রিটেনের বিগত বছরের প্রশ্ন ৬)আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী i) International Relations and Bangladesh / ইন্টার্ন্যাশনাল রিলেশনস এন্ড বাংলাদেশ - Harun Ar Rashid (হারুন আর রশীদ) ii)আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সংগঠন ও পররাষ্ট্রনীতি (শাহ মো: আব্দুল হাই) iii)মাসিক জাতিসংঘ সংবাদ (যে কোন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থগারে পাওয়া যাবে) iv)বিবিসি ব্লগ,সাপ্তাহিক রোববার ম্যাগাজিন v)Daily Star,New York Times vi) উইকিপিডিয়া এবং বিসিএস রিটেনের বিগত বছরের প্রশ্ন।

Address

Joypurhat Sadar
Joypur
5900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Joypurhat Judge Court posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Joypurhat Judge Court:

Share