Ilias Hossain ইলিয়াস হোসাইন।

Ilias Hossain ইলিয়াস হোসাইন। Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ilias Hossain ইলিয়াস হোসাইন।, Lawyer & Law Firm, Jamalpur Sadar Upazila.

06/08/2026

জমিও ছাড়ছে না, শরীকের অংশও দিচ্ছে না। তাহলে কি করবেন?

নিজের বৈধ জমি পাচ্ছেন না? অংশীদার বা সহ-শরীকরা জমি ভাগ করে দিতে রাজি হচ্ছে না?

শরীকরা অহেতুক ঝামেলা বা জোরজুলুম করছে দেখে মাথা গরম হওয়া স্বাভাবিক! কিন্তু আইন নিজের হাতে না তুলে, দেশের প্রচলিত আইন ব্যবহার করেই সঠিক প্রতিকার পাওয়া সম্ভব।

আইনে আপনার জন্য কী চমৎকার আইনি পথ রাখা আছে, জেনে নিন

আইন কী বলে?

যৌথ সম্পত্তিতে আইনত প্রতিটি ইঞ্চিতে আপনার সম-অধিকার আছে। যদি শরীকরা আপনাকে জমি বুঝিয়ে না দেয় বা আপসে বন্টন করতে রাজি না হয়, তবে আপনার মূল আইনি হাতিয়ার হলো “বাটোয়ারা মামলা” (Partition Suit)।

বাটোয়ারা আইন, ১৮৯৩ (The Partition Act, 1893):

এই আইনের ২ ধারা অনুযায়ী, জমিটি যদি এমন হয় যা বাস্তবে ভাগ করলে তার উপযোগিতা নষ্ট হয়ে যাবে, তবে আদালত পুরো সম্পত্তিটি নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত টাকা শরীকদের মধ্যে বন্টন করার আদেশ দিতে পারেন! (অর্থাৎ একগুঁয়েমি করলে শরীকরাও জমি ধরে রাখতে পারবে না)।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ (The Transfer of Property Act, 1882):

এই আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী, যৌথ সম্পত্তির যেকোনো শরীক তার প্রাপ্য অংশ হস্তান্তর বা দাবি করতে পারেন এবং হস্তান্তরিত অংশের সমান অধিকার নতুন গ্রহীতাও ভোগ করবেন।

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ (Code of Civil Procedure, 1908):

এই বিধির ২৬ আদেশ, ১৩ ও ১৪ নিয়ম (Order 26, Rule 13 & 14) অনুযায়ী আদালত একজন নিরপেক্ষ ‘অ্যাডভোকেট কমিশনার’ নিয়োগ করবেন, যিনি সরেজমিনে গিয়ে নকশা মেপে জমি বন্টন বা বন্টননামা রিপোর্ট তৈরি করবেন।

মহামান্য সুপ্রিম কোর্টের নজির (Case Laws)

সহ-শরীক হয়ে অপর শরীকের প্রাপ্য হক আটকে রাখা যাবে না—আদালতের রায় কিন্তু খুবই পরিষ্কার:

১. ৬৮ ডিএলআর (এডি) ২০৪ (68 DLR (AD) 204):

আপিল বিভাগ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন যে, কোনো শরীক যদি আপসে জমি ভাগ করতে না চায়, তবে আদালত কোনো পক্ষপাত ছাড়াই বিজ্ঞ কমিশনারের মাধ্যমে জমি বন্টন বা প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দেবেন।

২. ৫০ ডিএলআর (এইচসিডি) ২১১ (50 DLR (HCD) 211):

সহ-শরীকদের কাছ থেকে নিজের সঠিক অংশ বুঝিয়ে পাওয়ার জন্য ‘বাটোয়ারা মামলা’ই হলো একমাত্র ও সবচেয়ে উপযুক্ত আইনি প্রতিকার। যৌথ সম্পত্তিতে কোনো একক শরীক পুরো জমি জোরপূর্বক দখলে রাখতে পারে না।

আপনার পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ কী হবে?

১. দেওয়ানি আদালতে মামলা: সংশ্লিষ্ট এলাকার সহকারী জজ আদালতে একটি বাটোয়ারা মামলা (Partition Suit) দায়ের করুন।

২. অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Injunction): মামলা চলাকালীন শরীকরা যাতে জমি বিক্রি বা কোনো স্থায়ী স্থাপনা তৈরি না করতে পারে, সেজন্য দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ৩৯ আদেশ (Order 39) অনুযায়ী ‘অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার’ আবেদন করুন।

৩. কমিশনার দ্বারা বন্টন: আদালত থেকে নিরপেক্ষ কমিশনার এসে জমি মেপে আপনার অংশ বুঝিয়ে দেবেন এবং আপনার নামে পৃথক খতিয়ান ও নামজারি করার পথ সুগম হবে।

মনে রাখবেন: পেশিশক্তি বা মারামারি কোনো সমাধান নয়। আইনি পথে হাঁটলে আপনার বৈধ অধিকার আদায় হবেই।

04/08/2026

📅 মামলার পরবর্তী তারিখ (Date) জানুন খুব সহজেই!

এ জন্য রয়েছে দুটি সহজ উপায়—

১. "আমার আদালত" (Amar Adalat) অ্যাপের মাধ্যমে।
২. যেকোনো ইন্টারনেট ব্রাউজার (Google Chrome, Google ইত্যাদি) ব্যবহার করে।

🔹 পদ্ধতি-১: "আমার আদালত" অ্যাপের মাধ্যমে

১. Play Store-এ গিয়ে "আমার আদালত" লিখে সার্চ করুন এবং কমেন্টে সংযুক্ত ছবির অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
২. অ্যাপটি চালু করে "ই-কার্যতালিকা" অপশনে ক্লিক করুন।
৩. এরপর পর্যায়ক্রমে—

- বিভাগ নির্বাচন করুন।
- জেলা নির্বাচন করুন।
- আদালতের ধরন নির্বাচন করুন।

আদালত নির্বাচন করবেন যেভাবে—

✅ দেওয়ানি (Civil) মামলার জন্য: জেলা জজ আদালত
✅ ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মামলার জন্য: চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত অথবা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
✅ ট্রাইব্যুনালের মামলার জন্য: ট্রাইব্যুনাল
✅ অন্যান্য আদালতের জন্য: "সব দেখুন" অপশনে ক্লিক করুন।

৪. এরপর আপনার আদালতের নাম লিখুন। যেমন— "সিভিল জজ আদালত, বড়াইগ্রাম"।
৫. যে তারিখে আপনার মামলাটি কার্যতালিকায় ছিল, সেই তারিখ নির্বাচন করুন।
৬. "অনুসন্ধান" বাটনে ক্লিক করুন।

এবার আপনার মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ (Next Date) দেখতে পারবেন।

🔹 যদি অনলাইনে পরবর্তী তারিখ ফাঁকা দেখায়?

এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার প্রয়োজন নেই। অনেক সময় নথি এখনও সেরেস্তা থেকে আদালতে না আসা বা অন্যান্য প্রশাসনিক কারণে অনলাইনে পরবর্তী তারিখ সঙ্গে সঙ্গে আপডেট নাও হতে পারে। পরবর্তীতে নথি আদালতে উপস্থাপিত হলে বিচারক প্রয়োজনীয় আদেশ প্রদান করেন এবং তথ্য হালনাগাদ করা হয়।

🔹 পদ্ধতি-২: ব্রাউজারের মাধ্যমে

যদি অ্যাপ ব্যবহার করতে না চান, তাহলে যেকোনো ব্রাউজারে "Online Cause List" লিখে সার্চ করুন। এরপর উপরের একই নিয়ম অনুসরণ করে আপনার মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ দেখতে পারবেন।

📌 বিঃদ্রঃ এই বিষয়ে একটি ভিডিও স্ক্রিন রেকর্ডিং কমেন্টে সংযুক্ত করা হয়েছে।

⚖️ আইন ও আদালত-সংক্রান্ত এমন আরও গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যবহারিক তথ্য জানতে আমাদের পেজের সঙ্গে যুক্ত থাকুন।

ধন্যবাদ।
অ্যাডভোকেট ইলিয়াস হোসাইন
জজ কোর্ট, জামালপুর।

29/07/2026
এডভোকেট ইলিয়াস হোসাইনের তত্ত্বাবধানে বকশিগঞ্জে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চারা বিতরণ​বকশিগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি:পরিবেশ রক...
29/07/2026

এডভোকেট ইলিয়াস হোসাইনের তত্ত্বাবধানে বকশিগঞ্জে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চারা বিতরণ
​বকশিগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি:
পরিবেশ রক্ষা ও সবুজ বেষ্টনী গড়ে তোলার লক্ষ্যে জামালপুরের বকশিগঞ্জে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বিভিন্ন মাদরাসায় ফলজ গাছের চারা বিতরণ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।
​আজ বুধবার দুপুরে এডভোকেট ইলিয়াস হোসাইনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে উপজেলার 'শহীদ তিতুমীর মডেল মাদরাসা' ও 'দারুল কোরআন মোহাম্মদীয়া কওমী মাদরাসা'সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রজাতির ফলের চারা বিতরণ করা হয়।
​বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ছাড়াও স্থানীয় ৯ নং ওয়ার্ড শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি, সহ-সভাপতি এবং এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। কোমলমতি শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের হাতে বিভিন্ন ফলজ গাছের চারা তুলে দেওয়ার সময় মাদরাসা প্রাঙ্গণে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। চারা পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
​স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও পুষ্টির চাহিদা পূরণে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের এই উদ্যোগ অত্যন্ত প্রশংসনীয়। এ ধরনের সামাজিক ও পরিবেশবান্ধব কার্যক্রম এলাকার পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
​কর্মসূচির বিষয়ে তত্ত্বাবধায়ক এডভোকেট ইলিয়াস হোসাইন জানান, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশন সবসময় মানবকল্যাণ ও সামাজিক উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সবুজ ও সুন্দর পৃথিবী উপহার দিতে আমাদের এই বৃক্ষরোপণ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

​ #এডভোকেট_ইলিয়াস_হোসাইন ুন্নাহ_ফাউন্ডেশন #বকশিগঞ্জ #জামালপুর #বৃক্ষরোপণ_অভিযান #পরিবেশ_রক্ষা #চারা_বিতরণ

21/07/2026

একটি ঐতিহাসিক জেরা: কীভাবে একটি প্রশ্নেই ভেঙে পড়েছিল মিথ্যা সাক্ষীর সাজানো গল্প!

(ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে আমেরিকার কিংবদন্তি আইনজীবী Hon. Joseph H. Choate-এর একটি বিখ্যাত জেরা-কৌশল, যা পরবর্তীতে The Art of Cross-Examination গ্রন্থে ক্লাসিক উদাহরণ হিসেবে স্থান পায়।)

আইনজীবীদের কাছে একটি কথা খুবই পরিচিত—একজন মিথ্যা সাক্ষীকে পরাজিত করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো তাকে নিজের কথার জালেই আটকে ফেলা।

এই ঘটনার নায়ক ছিলেন আমেরিকার কিংবদন্তি ট্রায়াল আইনজীবী Joseph H. Choate।

মামলার ঘটনা:

একজন বিবাহিত নারী আদালতে মামলা করলেন। তার দাবি, একজন স্টক ব্রোকারের কাছে থাকা কিছু বন্ড ও সিকিউরিটিজ তার নিজের সম্পত্তি এবং সেগুলো তাকে ফেরত দিতে হবে।

মামলার শুনানিতে নারীর স্বামী সাক্ষী হিসেবে দাঁড়িয়ে শপথ করে বললেন—

"বন্ডগুলো আমার নয়, আমার স্ত্রীর। আমি তার অজান্তে সেগুলো নিয়ে আমার শেয়ার ব্যবসার জামানত হিসেবে ব্রোকারের কাছে রেখেছিলাম। আমার স্ত্রী কখনোই আমাকে অনুমতি দেননি।"

প্রথম শুনে কথাগুলো বিশ্বাসযোগ্যই মনে হচ্ছিল।

কিন্তু Joseph H. Choate বুঝতে পারলেন, গল্পের কোথাও একটা বড় অসঙ্গতি আছে।

তিনি সাক্ষীকে সরাসরি মিথ্যাবাদী বললেন না।

বরং ধীরে ধীরে এমন কিছু সাধারণ প্রশ্ন করতে শুরু করলেন, যেগুলোর উত্তর দিতে সাক্ষীর কোনো অসুবিধা হচ্ছিল না।

জেরা শুরু হলো...

চোট: আপনি যখন শেয়ার বাজারে ব্যবসা শুরু করেছিলেন, তখন লাভ করার আশাই করেছিলেন, তাই না?

সাক্ষী: অবশ্যই। আমি লাভ করার জন্যই ব্যবসা করেছিলাম।

চোট: তবে আপনি নিশ্চয়ই জানতেন, বাজার সব সময় অনুকূলে থাকে না?

সাক্ষী: হ্যাঁ, সেটা ঠিক।

চোট: আপনি বলছেন, বন্ডগুলো আপনার নিজের ছিল না?

সাক্ষী: জি, সেগুলো আমার স্ত্রীর ছিল।

চোট: এবং আপনার স্ত্রী আপনাকে এগুলো ব্যবহার করার অনুমতিও দেননি?

সাক্ষী: না, দেননি।

চোট: আপনি যখন ব্রোকারের কাছে এগুলো জামানত হিসেবে জমা দিলেন, তখন কি তাকে বলেছিলেন যে এগুলো আপনার নিজের সম্পত্তি নয়?

সাক্ষী: না, সেটা বলিনি।

আদালত তখনও বুঝতে পারেনি—এই সাধারণ প্রশ্নগুলোর পেছনে কী পরিকল্পনা লুকিয়ে আছে।

তারপর এল সেই প্রশ্ন, যা পুরো মামলার মোড় ঘুরিয়ে দিল।

শেষ প্রশ্ন

Joseph H. Choate শান্ত কণ্ঠে বললেন—

«"আচ্ছা বলুন তো, যদি আপনার ব্যবসায় লোকসান হতো এবং ব্রোকার সেই বন্ডগুলো বিক্রি করে দিত, তাহলে আপনি কাকে প্রতারণা করার ইচ্ছা করেছিলেন—আপনার স্ত্রীকে, নাকি ব্রোকারকে?"»

এক মুহূর্তে আদালত নিস্তব্ধ।

সাক্ষীও নীরব।

কারণ—

যদি তিনি বলতেন "স্ত্রীকে", তাহলে তিনি নিজেই স্বীকার করতেন যে স্ত্রীর সম্পত্তি আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্য ছিল।

আর যদি বলতেন "ব্রোকারকে", তাহলে স্বীকার করতে হতো যে তিনি ব্রোকারকে প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য দিয়ে জামানত রেখেছিলেন।

দুই উত্তরই তার নিজের বিরুদ্ধে যেত।

সাক্ষী সন্তোষজনক কোনো উত্তর দিতে পারলেন না।

তার নীরবতাই আদালতের সামনে তার বক্তব্যের দুর্বলতা প্রকাশ করে দিল।

শিক্ষণীয় বিষয়

এই ঘটনাটি আইনজীবীদের একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়—

Cross-examination-এর শক্তি অনেক প্রশ্নে নয়, বরং সঠিক সময়ে করা একটি সঠিক প্রশ্নে।

একজন দক্ষ আইনজীবী কখনো সাক্ষীর সঙ্গে তর্ক করেন না; তিনি এমনভাবে প্রশ্ন করেন, যাতে সাক্ষী নিজেই নিজের বক্তব্যের অসঙ্গতি প্রকাশ করে ফেলেন।

এ কারণেই Joseph H. Choate-এর এই জেরা আজও ট্রায়াল অ্যাডভোকেসির ইতিহাসে একটি ক্লাসিক উদাহরণ হিসেবে আলোচিত।

20/07/2026

প্রোসেস ফুড খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।

20/07/2026

#সূরাফাতিহা #কোরআনতেলাওয়াত #তিলাওয়াত #আলহামদুলিল্লাহ #ইসলাম #দোয়া #কুরআন

20/07/2026

নিজের সন্তানকে কোরআন শিক্ষা দান করুক।

#সূরাফাতিহা #কোরআনতেলাওয়াত #তিলাওয়াত #আলহামদুলিল্লাহ #ইসলাম #দোয়া #কুরআন

Address

Jamalpur Sadar Upazila

Telephone

+8801316872799

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ilias Hossain ইলিয়াস হোসাইন। posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ilias Hossain ইলিয়াস হোসাইন।:

Shortcuts

Share