শহীদ রফিক-জব্বার হল ছাত্রলীগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

  • Home
  • Bangladesh
  • Jahangirnagar
  • শহীদ রফিক-জব্বার হল ছাত্রলীগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

শহীদ রফিক-জব্বার হল ছাত্রলীগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা, শান্তি ,প্রগতি
ছাত্রলীগের মূলনীতি Pakistan's history was marked by political instability and economic difficulties.

When British India was partitioned and the independent dominions of India and Pakistan were created in 1947, the region of Bengal was divided along religious lines. The predominantly Muslim eastern half was designated East Pakistan — and made part of the newly independent state of Pakistan — while the predominantly Hindu western part became the Indian state of West Bengal. Dominion status was reje

cted in 1956 in favor of an "Islamic Republic within the Commonwealth." Attempts at civilian political rule failed and the government imposed martial law between 1958 and 1962 and again between 1969 and 1971. Soon after partition, frictions developed between East and West Pakistan, which were separated by more than 1,000 miles of Indian territory. East Pakistanis felt exploited by West Pakistan. Linguistic, cultural and ethnic differences contributed to the estrangement of East from West Pakistan. Bengalis strongly resisted attempts to impose Urdu as the country's sole official language. Responding to these grievances, Sheikh Mujibur Rahman on January 4, 1948 formed a students' organization called the Chhatra League. BCL, known as the East Pakistan Student League, formed on 4 January 1948. Naimuddin Ahmed became its first convener, Dabirul Islam became President and Khaleque Nawaz Khan became General Secretary. The League participated in the Bengali language movement, the 1962 "education commission" movement, the 1966 six point movement, and the 1969 "Egaro Dofa Andolon" (11 Point Movement). Nawaz Khan defeated incumbent Prime Minister of East Pakistan Nurul Amin in the Jukto Front election in 1954 in Nandail constituency of Mymensingh. BCL contributed to the 1969 Mass Upsurge, the 1971 Liberation War, the 1990 Anti-Autocracy Movement and others. They formed "Mujib Bahinee", separate from Freedom Fighters, under the direct supervision and guide of RAW but the war ended before they participated..

05/02/2024

একজন ওপেন হার্ট সার্জারির রোগীর জন্য জরুরী ভিত্তিতে ‘ও’ পজিটিভ রক্তের প্রয়োজন।

রোগীর নামঃ আঃ হামিদ
সার্জারী : ওপেন হার্ট সার্জারী
রক্তের গ্রুপঃ "ও" পজেটিভ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, নতুন বিল্ডিং,
৩য় তলা, কার্ডিয়াক বিভাগ।

মোবাইলঃ 01982853135

আমার ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুগন অথবা আপনাদের পরিচিত কারও পক্ষে রক্ত দেয়া সম্ভব হলে উপরে দেয়া নম্বরে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হলো। ধন্যবাদ।

06/11/2020

রাজনীতিতে যারা সাম্প্রদায়িকতা সৃষ্টি করে, তারা হীন, তারা নীচ, তাদের অন্তর ছোট। যে মানুষকে ভালোবাসে সে কোনদিন সাম্প্রদায়িক হতে পারে না।
- বঙ্গবন্ধু

30/05/2017

‘আপনি সুশীল, আমি ছাত্রলীগ। আমার অনেক দোষ, আপনি নিস্পাপ।
আপনি আমার ছবি ছাপান আপনার পত্রিকায়, আমি বহিস্কার হই, আপনার পত্রিকার কাটতি বাড়ে। আপনি শিবিরের হাতের ককটেলের ছবি ছাপাতে লজ্জা পান, আপনি সুশীল, আপনি নিরপেক্ষ।

শিবির আপনাকে মারতে এলে আপনি পরিবার ফেলে পালান, আমি শিবিরের বিরুদ্ধে অস্ত্র ধরি আপনার সন্তানকে রক্ষা করতে। আপনি সুশীল, আমি ছাত্রলীগ।

আমাকে মেরে ম্যানহোলে ফেলে রাখলে আমার লাশের ছবি তৃতীয় পাতায় এক কলাম, শিবিরের বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নিলে আমি প্রথম পাতার আট কলাম। আপনি সুশীল, আমি ছাত্রলীগ।
আপনি অবলীলায় ভুলে যান আমার অতীত দুস্কর্ম।
আমি ছাত্রলীগ, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা আমার ডিজাইনে আমার হাতে তৈরি। আমি ছাত্রলীগ, এদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে আমার ২৭ হাজার পূর্বসূরি শহীদ হয়েছে।

আমি ছাত্রলীগ, বাংলাদেশ নামটি জাতির পিতার নির্দেশে আমিই প্রথম উচ্চারণ করেছিলাম। আপনি সুশীল, আমি ছাত্রলীগ, মন্দ বালক। আপনার দরোজায় যখন ঘাতকের করাঘাত তখন আমিই আপনাকে রক্ষার জন্য জীবন দিতে প্রস্তুত।
ভালো থাকবেন জনাব সুশীল।’
- মাহবুবুল হক শাকিল।

19/10/2016

বাংলাদেশে প্রাচীনতম দলগুলোর একটি আওয়ামী লীগ। এই দেশের যত অর্জন, আন্দোলন সংগ্রাম আর ইতিহাসের বাঁকে বাঁকে জড়িয়ে আছে দলটির নাম। অসাম্প্রদায়িক আর সাধারণ, খেটে খাওয়া মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে যুগে যুগে বহু নেতা তৈরি হয়েছে এই দলে। তৃণমূল পর্যায় থেকে উঠে আসা এসব নেতাকে ধীরে ধীরে দল পরিচালনায় অন্তর্ভূক্ত করে সফল হয়েছে আওয়ামী লীগও।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৯টি জাতীয় সম্মেলন হয়েছে আওয়ামী লীগের। এই সম্মেলনে দলের শীর্ষ পর্যায় থেকে কার্যনির্বাহী কমিটি পর্যন্ত নির্বাচিত হয়েছেন শত শত নেতা। তবে এখন পর্যন্ত সভাপতি হয়েছেন সাত জন। এর মধ্যে বর্তমান সভাপতি শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ সাতবার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী তিনবার সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এ ছাড়া আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ দুইবার এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামান ও আবদুল মালেক উকিল একবার করে সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। আর সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন একবার নির্বাচিত হয়েছেন দলের আহ্বায়ক।

এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন নয় জন। সবচেয়ে বেশি চারবার করে হয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জিল্লুর রহমান। এ ছাড়া তাজউদ্দিন আহমেদ তিনবার, আবদুর রাজ্জাক ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী দুইবার করে, প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক এবং আবদুল জলিল একবার করে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন পুরান ঢাকার রোজ গার্ডেনে গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে জন্ম নেয় পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ। পরে ১৯৫৫ সালের তৃতীয় জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে সব ধর্ম, বর্ণের প্রতিনিধি হিসেবে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেয় আওয়ামী লীগ।

শুরু থেকেই মাঠ পর্যায় থেকে উঠে আসা নেতারা নেতৃত্ব দিয়েছেন দলটিকে। প্রভাবশালী বা অভিজাত হিসেবে পরিচিতরা সেভাবে আসেনি এই দলে।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ পর‌্যন্ত দলটির ১৯টি নিয়মিত জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে দলটিতে আসেন নতুন মুখ।

দলটির ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান নাদিমের সব কটি জাতীয় সম্মেলনের নথিপত্র জোগাড় করেছেন দলের প্রতি মমত্ববোধ থেকে। ঢাকাটাইমসকে তিনি দিয়েছেন এসব নথিপত্র।

ঢাকাটাইমসকে আসাদুজ্জামান নাদিম বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটেও এসব তথ্য নেই। কিন্তু বাঙালির ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত দলটির সব তথ্য অন্তত নেতা-কর্মীদের জানা দরকার। সে জন্যই আমি এই চেষ্টা করেছি। এতে দল যদি উপকৃত হয়, তাহলে নগন্য কর্মী হিসেবে আমি নিজেকে ধন্য মনে করবো।’

পাকিস্তান আমল

আতাউর রহমান খানের সভাপতিত্বে প্রথম জাতীয় সম্মেলনে প্রতিনিধি ছিল প্রায় ৩০০জন। উদ্বোধনী ভাষণ দেন মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। পরে প্রতিনিধিদের সমর্থনে ৪০ সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই সম্মেলনে সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক হন শামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হন শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৩ সালের ৩ থেকে ৫ জুলাই মুকুল সিনেমা হলে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় সম্মেলন। এই সম্মেলনেও সভাপতি নির্বাচিত হন মাওলানা ভাসানী। আর দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদটি পান শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৫ সালের ২১ থেকে ২৩ অক্টোবর রূপমহল সিনেমা হলে তৃতীয় সম্মেলনে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত হয় দলের। দলের নাম থেকে একটি ধর্মের নাম বাদ দিয়ে অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ ঘটে আওয়ামী লীগের। এ সম্মেলনে প্রথমকবারের মত পাঁচজন নারীও অংশ নেন। এ সম্মেলন পুনরায় নির্বাচিত হন মাওলানা ভাসানী ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৫৭ সালে চতুর্থ সম্মেলনের আগে দলের মধ্যে বিভক্তির পর আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন মাওলানা ভাসানী। ১৩ জুন আরমানিটোলার নিউ পিচকার হাউজে এবং পরদিন গুলিস্তান সিমেনা হলে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে প্রতিনিধি ছিল আটশত জন। এ প্রতিনিধিদের ভোটে মাওলানা আব্দুর রশীন তর্কবাগীশ ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এবং শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

দলের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে। ৬ মার্চ থেকে ৮ মার্চ পর‌্যন্ত অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিল প্রায় একহাজার। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক হিসাবে পুনরায় নির্বাচিত হন মাওলানা তর্কবাগীশ ও শেখ মুজিবুর রহমান।

১৯৬৬ সালের ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনটি ছিল আওয়ামী লীগের জন্য ঐতিহাসিক একটি সম্মেলন। এ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুর ছয়দফা দলীয় ফোরামে পাস হয়। ১৮ থেকে ২০ মার্চ হোটেল ইডেনে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের মাধ্যমে দলের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিবুর রহমান। আর প্রথমবারের মতো সাধারণ সম্পাদক হন তাজউদ্দীন আহমেদ। এতে কাউন্সিলর ও ডেলিগেটের সংখ্যা ছিল এক হাজার ৪৪৩ জন।

১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যখন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় কারাগারে আটক তখন অনুষ্ঠিত হয় দলের সপ্তম জাতীয় সম্মেলন। ১৯ থেকে ২০ অক্টোবর হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম। প্রায় এক হাজার চারশত ৫৩ জন কাউন্সিলর ও ডেলিগেট এতে অংশ নেন। এতে আবার শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি ও তাজউদ্দীন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক পুনঃনির্বাচিত হন।

১৯৭০ সালের উত্তাল সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের অষ্টম জাতীয় সম্মেলন। এ সম্মেলনের মাধ্যমে ছয় দফা ও ১১ দফা গ্রহণ করে রাজনৈতিক ও সাংগঠনিকভাবে নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি নেয়। ৭০ সালের ৪ থেকে ৫ জুন হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে কাউন্সিলর ছিল এক হাজার ১৩৮ জন। কাউন্সিলরদের ভোটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি ও তাজউদ্দীন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

স্বাধীন বাংলাদেশে সম্মেলন

১৯৭২ সালের ৭ থেকে ৮ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের প্রথম এবং সব মিলিয়ে নবম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১১২, সার্কিট হাউজ রোডে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে। যুদ্ধবিদ্ধস্ত দেশের পুর্নগঠন এবং পুর্নবাসনসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের জন্য শপথ নিয়ে এ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি ও জিল্লুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

বঙ্গবন্ধুর সভাপতির পদ ত্যাগ

আওয়ামী লীগের ১০ম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালের ১৮ জানুয়ারি থেকে ২০ জানুয়ারি পর‌্যন্ত। ১১২ সার্কিট হাউজ রোডে দলীয় কারর‌্যলয়ে সামনে অনুষ্ঠিত এ কাউন্সিলে কাউন্সিলর ছিল এক হাজার ৫৬৬ জন এবং ডেলিগেট ছিল তিন হাজার। এ সম্মেলনে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন, ভারতসহ ২২টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। এ সম্মেলনের মাধ্যমে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান দলীয় পদ থেকে পদত্যাগ করেন।

এতে এ এইচ এম কামরুজ্জামান সভাপতি ও তাজউদ্দীন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৭৫ সালের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বপরিবারের নিহত হওয়ার তৎকালীন সামরিক সরকারের ভয়ে আওয়ামী লীগ নেতারা ঘরছাড়া হয়। এতে নেতৃত্ব শূন্য হয় দলটি। এমন একটি পরিস্থিতিতে ১৯৭৭ সালের ৩ থেকে ৪ এপ্রিল হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে দলের ১১তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে কাউন্সিলর ছিলেন প্রায় একহাজার ৪০০ জন এবং ডেলিগেটও সমসংখ্যক ছিল। এতে দলের আহ্বায়ক নির্বাচিত হন সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দিন।

এর পরের বছর ১৯৭৮ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে অনুষ্ঠিত হয় দলটির ১২ তম জাতীয় সম্মেলন। ৩ থেকে ৫ মার্চ হোটেল ইডেন প্রাঙ্গণে প্রায় এক হাজার ৫০০ কাউন্সিলর এবং সমসংখ্যক ডেলিগেট নিয়ে অনুষ্ঠিত হয় এ সম্মেলনটি। এতে সভাপতি নির্বাচিত হন আবদুল মালেক এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আবদুর রাজ্জাক।

শেখ হাসিনা যুগ

১৯৮১ সালের ১৩ তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আসেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। দলীয় ঐক্যধরে রাখার জন্য এ সম্মেলনের মাধ্যমে নেতৃত্বে আনা হয় বঙ্গবন্ধু কন্যাকে। ৮১ সালের ১৪ থেকে ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিল তিন হাজার ৮৮৪ জন। সভায় শেখ হাসিনা সভাপতি ও আব্দুর রাজ্জাক সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরে ১৯৮২ সালে আব্দুর রাজ্জাক দলত্যাগ করলে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হন সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী। দলের নেতৃত্ব পাওয়ার পর দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু কন্যা।

১৯৮৭ সালের ১ থেকে ৩ জানুয়ারি পর‌্যন্ত ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত হয় আওয়ামী লীগের ১৪ তম জাতীয় সম্মেলন। এতে কাউন্সিলর ও ডেলিগেট ছিল প্রায় চার হাজার। সম্মেলনে শেখ হাসিনা সভাপতি ও সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

এরপর ১৯৯২ সালের ১৯ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে দলের ১৫ তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এ সম্মেলনে কার্যনির্বাহী কমিটির মেয়াদ দুই থেকে বাড়িয়ে তিন বছর মেয়াদী করা হয়। এতে কাউন্সিলর ছিল প্রায় দুই হাজার ৫০০ ও ডেলিগেটও ছিল সম সংখ্যক। এতে শেখ হাসিনা সভাপতি ও জিল্লুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

১৯৯৭ সালের অনুষ্ঠিত ১৬ তম জাতীয় সম্মেলন আওয়ামী লীগের জন্য বিশেষ গুরুত্বের। কারণ প্রায় ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসার পর অনুষ্ঠিত হয় জাতীয় সম্মেলন। ৬ থেকে ৭ মে আউটার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এত কাউন্সিলে কাউন্সিলর ছিল প্রায় দুই হাজার ৫১৬ এবং ডেলিগেটও ছিল সমসংখ্যক। এতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুনঃনির্বাচিত হন শেখ হাসিনা ও জিল্লুর রহমান।

২০০২ সালে আওয়ামী লীগ যখন বিরোধী দলে তখন পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত হয় দলের ১৭ তম জাতীয় সম্মেলন। এ সম্মেলনে সভাপতি শেখ হাসিনা এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন আব্দুল জলিল।

২০০৭ সালের পট পরিবর্তনের পর ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসে দলটি। এরপর ২০০৯ সালের ২৪ জুলাই অনুষ্ঠিত হয় দলটির ১৮ তম জাতীয় সম্মেলন। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে দলের নেতৃত্বে বেশকিছু পরিবর্তন হয়। দল থেকে বাদ পড়েন একএগারো সময়ের বিতর্কিতরা। এ সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

২০১২ সালে ২৯ ডিসেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হয় দলটির ১৯তম জাতীয় সম্মেলন। সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পুর্ননির্বাচিত হন শেখ হাসিনা ও সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম।

ঢাকাটাইমস/১৮অক্টোবর/টিএ/ডব্লিউবি

15/10/2016

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রী এলেন, আমেরিকা ঠিক।
চীনা প্রেসিডেন্ট এলেন, চীন উন্নয়নের শরীক হল, চীন ঠিক।
বিশ্ব ব্যাংক এর প্রেসিডেন্ট আসবেন, টাকা আসবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা- মোদী বৈঠক কাল। দক্ষিন এশিয়া ঠিক।

বিশ্বের রোল মডেল বাংলাদেশ।

06/10/2016

জয় ভাইয়ের নাম "জয়" কিভাবে হলো?

"১৯৭০ সালের কথা। সন্তানসম্ভবা শেখ হাসিনা প্রথম মা হতে চলেছেন। সন্তানের জন্য বাবার কাছ থেকে তিনি কিছু পছন্দসই নাম চাইলেন। প্রতিদিন রাতে খাবার টেবিলে বসে হাসিনা তার সন্তানের নাম চান। দেশের নাম নিরুপণ করা নিয়ে ব্যস্ত বঙ্গবন্ধু 'এই যা আজও ভুলে গেছি, কাল পাবি' বলে দিনের পর দিন চালিয়ে দেন। হাসিনা এক পর্যায়ে খুব মন খারাপ করেন। তাই দেখে একদিন বাবার মন নরম হয়। তিনি তাঁর নিজের কক্ষে গিয়ে তাঁর প্রথম নাতির নামের সন্ধানে ধ্যানে বসেন এবং তাঁর প্রত্যাশিত প্রিয় নামটি দ্রুত পেয়েও যান। নাম পেয়ে উত্তেজিত হয়ে কন্যা হাসুকে ডাকতে ডাকতে তিনি সিঁড়ি দিয়ে নিচে নেমে আসেন। তারপর বাড়ির সবাইকে উদ্দেশ্য করে উচ্চকণ্ঠে জানান যে, অবশেষে হাসিনার ছেলের নাম পাওয়া গেছে, নাম পাওয়া গেছে। ছেলের নাম হবে "জয়"। তিনি বার কয়েক প্রাণভরে মহানন্দে উচ্চারণ করেন তাঁর পেয়ে যাওয়া প্রিয় নামটি- জয় জয় জয়...। হাসিনা মুগ্ধ হাতে কলম দিয়ে কাগজে ছেলের নাম লেখেন, জয়। তারপর পিতার দিকে মুখ তুলে প্রশ্ন করেন, আর যদি মেয়ে হয়? মুহূর্তে বঙ্গবন্ধুর মুখ শুকিয়ে চুন। ঠিকই তো, হতেই তো পারে। কিন্তু এই কথাটি তাঁর উর্বর মস্তিষ্কে কেন যে এলো না, তিনি তা ভেবে পান না। তাঁর লজ্জিত গম্ভীর ও বিব্রত মুখের দিকে তাকিয়ে হাসিনার মায়া হয়। তিনি পিতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, 'ঠিক আছে, পরে দিয়েন'। বঙ্গবন্ধু মুখ ঘুরিয়ে নিজ কক্ষে ফিরে যাচ্ছিলেন। কিন্তু দু'সিঁড়ি উপরে উঠেই আবার ফিরে দাঁড়ালেন, এবার তাঁর মুখে অট্টহাসি। বললেন, 'বুঝেছি বুঝেছি, দেখিস তোর মেয়ে হবে না, ছেলেই হবে। মেয়ে হলে আমার মনে ঠিকই মেয়ের নাম আসতো। হা হা হা...'।"

(জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে পাওয়া এই ঘটনা নির্মলেন্দু গুণ তাঁর 'আত্মকথা ১৯৭১' আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে লিখেছেন। পৃষ্ঠা নম্বর : ৭৭)

শিক্ষক ছাত্রলীগ নেতা হতে পারে না কখনো। ছাত্রলীগ তকমা লাগাবেন না প্লিজ।
05/10/2016

শিক্ষক ছাত্রলীগ নেতা হতে পারে না কখনো। ছাত্রলীগ তকমা লাগাবেন না প্লিজ।

প্রিয় দেশবাসীআমার সালাম নিবেন। আমাকে সরকার গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে। কোথায় জানি না। আমি আপনাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও অর্...
16/07/2016

প্রিয় দেশবাসী
আমার সালাম নিবেন। আমাকে সরকার গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে। কোথায় জানি না। আমি আপনাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যেই সারাজীবন সংগ্রাম করেছি। জীবনে কোন অন্যায় করিনি। তারপরও মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। উপরে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন ও আপনারা দেশবাসী আপনাদের উপর আমার ভরসা।
আমার প্রিয় দেশবাসী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের কাছে আবেদন কখনও মনোবল হারাবেন না। অন্যায়ের প্রতিবাদ করবেন। যে যেভাবে আছেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুক্ষে দাঁড়াবেন। মাথা নত করবেন না। সত্যের জয় হবেই। আমি আছি আপনাদের সাথে আমৃত্যু থাকব। আমার ভাগ্যে যা-ই ঘটুক না কেন আপনারা বাংলার জনগনের অধিকার আদায়ের জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যান। জয় জনগনের হবেই।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়বই। দুখী মানুষের মুখে হাসি ফোটাবই।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
শেখ হাসিনা
১৬/০৭/২০০৭

30/05/2016

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চারটি ছাত্রী হলে ছাত্রলীগের হল কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক পদে ৬ জন ছাত্রীকে

30/05/2016

প্রতিনিধি, জাবি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) চারটি ছাত্রী হলে ছাত্রলীগের হল কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক পদে ৬ জন ছাত্রীকে মনোনীত করা হয়েছে। রো…

বিশ্ব নেতৃবৃন্দের মাঝে আমাদের প্রিয় নেত্রী  শেখ হাসিনা।জাপানে জি৭ সম্মেলনে।
27/05/2016

বিশ্ব নেতৃবৃন্দের মাঝে আমাদের প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনা।

জাপানে জি৭ সম্মেলনে।

Address

Jahangirnagar University
Jahangirnagar
1342

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when শহীদ রফিক-জব্বার হল ছাত্রলীগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share