আইন সেবা ও পরামর্শ কেন্দ্র

আইন সেবা ও পরামর্শ কেন্দ্র আইন বিষয়ক আইনি পরামর্শ পেতে ও আইনি প্রতিকার পেতে সাথে থাকুন।

04/01/2025

দেওয়ানী আইন।

#দেওয়ানীআইন #দেওয়ানীমামলা #ভাইরালভিডিও
#ভাইরালরিলস #বাংলাদেশেরআইন #আদালত।

04/01/2025

দেওয়ানী মোকদ্দমা কি..??
#ভাইরালভিডিও, #দেওয়ানীআইন #ফেইসবুকভিডিও

⚖️ দেওয়ানী আইন সম্পর্কে জানতে লাইক ফলো দিয়ে পেজের সাথে থাকুন।
01/01/2025

⚖️ দেওয়ানী আইন সম্পর্কে জানতে লাইক ফলো দিয়ে পেজের সাথে থাকুন।

দেওয়ানি মামলার শুরু:প্রতিটি দেওয়ানি মামলা শুরু হয় আরজি দাখিলের মাধ্যমে (ধারা ২৬, আদেশ ৭ বিধি ১)। ঞযব ঈড়ফব ড়ভ ঈরারষ চৎড়পব...
27/12/2024

দেওয়ানি মামলার শুরু:

প্রতিটি দেওয়ানি মামলা শুরু হয় আরজি দাখিলের মাধ্যমে (ধারা ২৬, আদেশ ৭ বিধি ১)। ঞযব ঈড়ফব ড়ভ ঈরারষ চৎড়পবফঁৎব, ১৯০৮ এর ১৫ ধারা অনুসারে প্রত্যেকটি মামলা অবশ্যই বিচার করার উপযুক্ত সর্বনিম্ন স্তরের আদালতে দায়ের করতে হবে।

দেওয়ানী মামলার বিভিন্ন স্তর:

ধাপ-১ঃ সেরেস্তাদারের নিকট মামলা দায়ের (বাদী একজন আইনজীবীর মাধ্যমে দায়ের করবেন)

ধাপ-২ঃ মামলা গ্রহন এবং নম্বর প্রদান। (সেরেস্তাদারের কাজ)

ধাপ-৩ ঃ বিবাদী/বিবাদীগণের প্রতি সমন ইস্যু (সেরেস্তাদারের কাজ)

ধাপ-৪ঃ সমন প্রাপ্তি সাপেক্ষে বিবাদীর উপস্থিতি (আদালতের জারিকারক বিবাদীকে সমন পৌছে দিবে)

ধাপ-৪.১ঃ বিবাদীর অনুপস্থিতি

ধাপ-৫ঃ বিবাদী লিখিত জবাব দাখিল করা (বিবাদী একজন আইনজীবীর মাধ্যমে করবেন)

ধাপ-৫.১ঃ একতরফা শুনানী (৪.১ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য অর্থ্যাৎ বিবাদী যদি সমন প্রাপ্তি হওয়া স্বত্বেও আদালত অনুপস্তিত থাকেন)

ধাপ-৬ঃ মিডিয়েশন (দেওয়ানী কার্যবিধি আইনের ৮৯ এ ধারা মোতাবেক বিজ্ঞ আদালত করবেন)

ধাপ-৬.১ একতরফা সাক্ষ্য গ্রহণ (৫.১ এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য)

ধাপ-৭ঃ ইস্যু গঠন (বিজ্ঞ আদালত করবেন)

ধাপ-৭.১ঃ একতরফা আদেশ (৬.১ মতে একতরফা সাক্ষ্য গ্রহন শেষে)

ধাপ-৮ঃ ৩০ ধারায় পদক্ষেপ (বাদীর ক্ষেত্রে)

ধাপ-৯ ঃ এস ডি (বিজ্ঞ আদালত করবেন)

ধাপ-১০ঃ চূড়ান্ত শুনানী (বাদী পক্ষ তাদের সাক্ষী এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বিজ্ঞ আদালত দাখিল করবেন এবং বিবাদী পক্ষ জেরা করবেন)

ধাপ-১১ঃ অধিকতর শুনানী (বাদী পক্ষ তাহার প্রয়োজনীয় আরও সাক্ষী দিবেন উক্ত সাক্ষীকে বিবাদীপক্ষ জেরা করবেন। পরবর্তীতে বিবাদীপক্ষ সাক্ষী দিবেন এবং বাদী পক্ষ জেরা করবেন।)

ধাপ-১২ঃ যুক্তিতর্ক (বাদী ও বিবাদীপক্ষের আইনজীবী করবেন)

ধাপ-১৩ঃ রায় প্রচার (বিজ্ঞ আদালত করবেন)

ধাপ- ১৪ঃ ডিক্রি প্রস্তুতকরণ (বিজ্ঞ আদালত করবেন)

সিদ্ধান্তের ভিত্তি:

The Code of Civil Procedure, ১৯০৮ এর ২নং আদেশের ৩নং রুল অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি একই কজ অব অ্যাকশনের অধীনে একাধিক দাবির দাবিদার হলে তাকে সব দাবি একসাথে চাইতে হবে।

২নং আদেশের ২(৩)নং রুল অনুযায়ী, কোন ক্ষেত্রে বাদি মোকদ্দমার একই বিষয়বস্তু সম্পর্কে বহু সংখ্যক প্রতিকার দাবী করার অধিকারী হলে সে সমস্ত বা তন্মধ্যে যে কোন প্রতিকার দাবী করে মোকদ্দমা দাখিল করতে পারে। অবশ্য এক্ষেত্রে আদালতের অনুমতি ছাড়া উক্ত ধরণের প্রতিকারগুলোর মধ্যে কোন দাবী না করে থাকলে পরে সেরূপ কোন প্রতিকার দাবী করা চলবে না। সুতরাং, যদি একাধিক দাবীর দাবিদার হয়ে কিছু দাবি চায় এবং কিছু দাবি না চায় তাহলে যে দাবি বা দাবিগুলো না চাইবে সেসব দাবি পরিত্যাগ করেছে বলে গণ্য হবে। ওই সব দাবি নিয়ে নতুন করে কোন মামলা করতে পারবেনা। তাছাড়া এই রুলের ওষষঁংঃৎধঃরড়হ এ উপরিউক্ত সমস্যার সমাধানও দেওয়া আছে।

26/12/2024
16/12/2024

দেওয়ানী মোকদ্দমা।

16/12/2024

মহান বিজয় দিবস ২০২৪ ইং।
সকলকে বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

15/12/2024

আমার সেরা স্টার প্রেরককে আমি অসংখ্য ধন্যবাদ জানাতে চাই। সহায়তা করার জন্য অনেক ধন্যবাদ!

আব্দুল্লাহ আহম্মেদ সুমন

এছাড়া আইনটির অধীনে কোন কোন জনগোষ্ঠী আদালতের কাছে পারিবারিক সমস্যা নিয়ে যেতে পারবে কিংবা আইনটি শুধু মুসলমান সম্প্রদায়ের জ...
15/12/2024

এছাড়া আইনটির অধীনে কোন কোন জনগোষ্ঠী আদালতের কাছে পারিবারিক সমস্যা নিয়ে যেতে পারবে কিংবা আইনটি শুধু মুসলমান সম্প্রদায়ের জন্যই কিনা? আইনের এই বিভ্রান্তি পরে অবশ্য আদালতের বেশ কয়েকটি যুগান্তকারী রায়ের মধ্যদিয়ে নিরসন হয়েছে। যেমন কৃষ্ণপদ তালুকদার বনাম গীতশ্রী তালুকদার (১৪, বিএলডি, ১৯৯৪, ৪১৫) হাইকোর্ট বিভাগ কেবল মুসলিমদের জন্য পারিবারিক আদালতগুলো গঠিত বলে অভিমত দিয়ে বলে, 'যেহেতু পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫-এর ৫ ধারায় স্পষ্ট করে বলা আছে, পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১-এর সাপেক্ষে নির্ধারিত হবে। তাই একথা বলার আর অবকাশ থাকে না, অধ্যাদেশের ৫ ধারায় যে পাঁচটি বিষয়ে পারিবারিক আদালতের এখতিয়ার আছে, এসব ক্ষেত্রে শুধু মুসলিম প্রার্থীরাই আদালতের কাছে আসতে পারবে।'

নির্মল কান্তি দাস বনাম শ্রীমতী বিভা রানী (১৪, ১৯৯৪, বিএলডি, ৪১৩) মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ সম্পূর্ণ ভিন্ন রায় প্রদান করে। আদালত তার রায়ে বলেন, ৫ ধারায় যাই থাকুক না কেন, ৩ ধারায় কিন্তু এ কথা বলা আছে যে, বাংলাদেশে প্রচলিত- অন্য যে আইনে যে বিধানই থাকুক না কেন, পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ ১৯৮৫ প্রাধান্য পাবে। এ থেকে বোঝা যায় মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১, ১৯৮৫ সালের অধ্যাদেশের অধীনে থাকবে। তাই এ মামলায় আদালত তার রায়ে বলেন, এই কারণে একজন মুসলমান স্ত্রীর মতো একজন হিন্দু মহিলাও ভরণপোষণের জন্য পারিবারিক আদালতে অবশ্যই মামলা করতে পারবে। এরপর মেহের নিগার বনাম মো. মজিবুর রহমান (১৪, বিএলডি, ১৯৯৪, ৪৬৭) মামলাতেও আদালত একই রকম রায় প্রদান করে।

বিয়ের কাবিননামা খাঁটি, বৈধ, জাল কিংবা নকল কিনা এরকম প্রশ্ন উত্থাপন ছাড়া প্রার্থী ও প্রতিবাদীর মধ্যে বিয়ে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণসহ তাদের দেনমোহর ও ভরণপোষণ প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পারিবারিক আদালত এখতিয়ার সম্পন্ন। অনুরূপ ক্ষেত্রে একই বিষয়ে স্বত্বের মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রয়োজন নেই; কারণ একথা কেউ নিশ্চিতভাবে বলতে পারে না, অনুরূপ মামলাটি কখন নিষ্পত্তি হবে। অধিকন্তু এটা অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য ব্যর্থ করার জন্য ব্যবহৃত হতে পারে। (শফিকুল হক বনাম মিনা বেগম, ৫৪, ডিএলআর, পৃষ্ঠা-৪৮১)।

অন্য একটি মামলায় বিয়ে সম্পন্ন হয়েছিল কিনা এমন প্রশ্ন উত্থাপিত না হওয়া সত্ত্বেও পারিবারিক আদালত উক্ত বিষয় নিষ্পত্তি করতে এখতিয়ার সম্পন্ন মর্মে মহামান্য আপিল বিভাগ সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। (শাহ আলম বনাম ফরিদা বেগম, ২ এমএলআর (আপিল বিভাগ), পৃষ্ঠা-১৫৩, ২, বিএলসি (আপিল বিভাগ), পৃষ্ঠা-৯২)। কাবিননামা রেজিস্ট্রিকৃত হয়নি এ অজুহাতে বিয়ে অবৈধ ঘোষণা করা যায় না। (১৯৯৮ বিএলডি ৩২৯)। তবে পারিবারিক আদালতে সন্তানের বৈধতা সম্পর্কে প্রশ্ন নিষ্পত্তিযোগ্য নহে। (এনএলআর ১৯৯১ সিভিল ৫৪৮)।

তবে পারিবারিক আদালতের একতরফা ডিক্রির বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে সেকশন ৯ (৬) ধারায় ডিক্রি বাতিলের আবেদন করতে পারে। বাদীকে প্রমাণ করতে হবে, একতরফায় হাজির না হওয়ার যুক্তিসঙ্গত কারণ ছিল। (পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ, ১৯৮৫)। পারিবারিক আদালতের মামলায় প্রেরিত সমন সেকশন ৭(১)(গ) ধারার বিধান মতে ডাকযোগে জারি করা যায়। জারি অন্তে প্রাপ্তি স্বীকার আদালতে ফেরত এলে বা নিতে অস্বীকার করলে জারি বলে গণ্য হবে। সঠিক ঠিকানায় প্রেরিত হলে ডাকে পাঠানোর তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে প্রাপ্তি স্বীকার ফেরত না এলেও তা জারি বলে গণ্য হবে।

Address

Habiganj Sadar

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইন সেবা ও পরামর্শ কেন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category