Amicus Law Chamber & Associates

Amicus Law Chamber & Associates আইনী সহায়তায় আপনার পাশে আছি

হলফনামা—এফিডেভিট (বিস্তারিত আলোচনা) :বয়স/নাম/জন্ম তারিখ প্রভৃতি বিষয় সংশোধন এবং পরিবর্তন।এফিডেভিট (affidavit) বা হলফনাম...
03/02/2025

হলফনামা—এফিডেভিট (বিস্তারিত আলোচনা) :
বয়স/নাম/জন্ম তারিখ প্রভৃতি বিষয় সংশোধন এবং পরিবর্তন।

এফিডেভিট (affidavit) বা হলফনামা সম্পাদন করে আপনি আপনার সার্টিফিকেট, NID, জন্ম নিবন্ধন সনদ, পাসপোর্ট বা অন্য কোন ডকুমেন্টে লিপিবদ্ধ ভুল নাম বা বয়স, ভুল জন্মতারিখ, বাবা-মায়ের ভুল নাম প্রভৃতি ভুলভ্রান্তি সহজেই পরিবর্তন/শুদ্ধ করতে পারেন।

আমরা সাধারণত এফিডেভিট করি নোটারী পাবলিক কার্যালয়ে এবং ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে। যেখানেই করেন মূল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করায় সহায়তা করেন একজন এডভোকেট। একজন এডভোকেটের কাছে গেলে তিনিই আপনাকে এফিডেভিট প্রস্তুত করে সিল সিগনেচার দিয়ে সেটি প্রস্তুত করে দিবেন। সাধারণত ৩টি নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এই ধরনের এফিডেভিটের বিষয়বস্তু লিখতে হয়।

মূল নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে সংশোধনের বিষয়বস্তু লেখা হলে সেখানে যার নামধাম, বয়স বা অন্য কোনো বিষয় সংশোধন করা হবে, তার পাসপোর্ট সাইজের ফটো সংযুক্ত করতে হয়। এই ব্যক্তিকে হলফকারী বলা হয়। (যিনি সংশোধনের জন্য আবেদন করছেন, তিনি হলফকারী)

একজন ব্যক্তি ১৮ বছর বয়স্ক হলে তিনি নিজেই নিজের হলফনামা সম্পাদন করতে পারেন।
হলফনামা সম্পাদন করতে গেলে ভুল তথ্যের ডকুমেন্টের বিপরীতে একটা সঠিক তথ্যের ডকুমেন্ট লাগে। যেমন, NID বা জন্ম নিবন্ধন সনদে ভুল থাকলে SSC সার্টিফিকেট দিয়ে সেটি সংশোধন করা যায়।

অপ্রাপ্ত বয়স্ক হলে অর্থাৎ ১৮ বছরের নীচের কারো সার্টিফিকেট বা জন্ম নিবন্ধন সনদ বা অন্য কোনো ডকুমেন্টে লিপিবদ্ধ ভুল নাম, বয়স, জন্মতারিখ প্রভৃতি বিষয় সংশোধন করতে হলে সেক্ষেত্রে সেই অপ্রাপ্ত বয়স্ক ছেলে বা মেয়ের হয়ে হলফনামা সম্পাদন করতে পারেন তার বাবা, মা, প্রাপ্ত বয়স্ক ভাই, বোন, বা পরিবারের কেউ।

নাম/বয়স/জন্ম তারিখের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর এফিডেভিটে অবশ্যই প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেটের সাইন সিগনেচার লাগে।

আপনি যে কোনো জেলার একজন এডভোকেটের সহায়তায় হলফনামার চূড়ান্ত খসড়া সম্পাদন করতে পারেন। ধরুন, আপনার বাসা মেহেরপুর জেলায়। সেক্ষেত্রে আপনি নাটোর কোর্টের একজন এডভোকেটের কাছে হলফনামা সম্পাদন করে নিজের জেলার কোর্টে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে উপস্থাপন করে হলফনামায় ম্যাজিস্ট্রেটের সত্যায়ন সিল সিগনেচার নিতে পারেন।

এডভোকেট সাহেব আপনাকে পুরো ডকুমেন্ট প্রস্তুত করে দিবে। আপনি সেই ডকুমেন্ট নিয়ে সরাসরি কোর্টে প্রবেশ করে সেখানে এডভোকেট বা মুহুরীদের জিজ্ঞাসা করবেন, কোন কোর্টে আপনার উপজেলার এফিডেভিটে ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব সিল সিগনেচার সত্যায়ন করেন। তারা আপনাকে বলে দিবে। সেই কোর্টের বিল্ডিং বা রুমে প্রবেশ করে “কোন ব্যক্তি পেশকার” জানতে চাইবেন। পেশকারের কাছে আপনার এফিডেভিট জমা দিবেন। কোর্টের মামলার কাজ মোটামুটি শেষ হলে আপনার নাম ধরে কোর্টে ডাকলে আপনি দাঁড়িয়ে যাবেন। ম্যাজিস্ট্রেট আপনাকে কী সংশোধন করতে চান, কেন সংশোধন করতে চান — জানতে চাইবে। আপনার সংশোধনের কারণ বলবেন। আপনার মূল ডকুমেন্ট এবং আইনীজীবী কর্তৃক প্রস্তুতকৃত এফিডেভিটের চূড়ান্ত পেপারস সঙ্গে নিয়ে যাবেন।

এটা সহজ একটা ব্যাপার। এতো প্যারা নেওয়ার মত কিছু নয়।

◉ প্রয়োজনে: 01711227878
অথবা ফেসবুকে আমাদের মেসেজ দিন অথবা কমেন্টে জিজ্ঞাসা করুন।...............................................

# # কেন হলফনামা (এফিডেভিট) সম্পাদন করতে হয়??

বাংলাদেশে হলফনামা বা এফিডেভিট করার মাধ্যমে বিভিন্ন আইনি, প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত কাজে সুবিধা পাওয়া যায়। এর উপকারিতা হলো:

১. আইনি সুরক্ষা

– হলফনামা একটি আইনি দলিল হিসেবে কাজ করে। এটি কোনো তথ্য বা ঘটনার সত্যতা প্রমাণের জন্য আদালতে গ্রহণযোগ্য।

– এটি আপনার বক্তব্য বা দাবিকে প্রমাণ করার ক্ষেত্রে কার্যকর।

২. প্রমাণ উপস্থাপন সহজ করা

– এটি বিভিন্ন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ হিসেবে কাজ করে, যেমন পরিচয়, মালিকানা, বা দায়িত্ব গ্রহণ।

– জমি-জমার মালিকানা বা উত্তরাধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে সাহায্য করে।

৩. আদালত বা প্রশাসনিক কাজে সময় বাঁচায়

– অনেক কাজের জন্য সরাসরি কোর্টে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না, হলফনামার মাধ্যমে তা দ্রুত নিষ্পত্তি করা যায়।

৪. তথ্য বা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করা

– যে কোনো তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করার জন্য এটি একটি আনুষ্ঠানিক দলিল।

উদাহরণস্বরূপ, জন্ম তারিখ সংশোধন, নাম পরিবর্তন বা বিবাহিত অবস্থা প্রমাণ করা।

৫. কোর্টে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ

– কোর্টে উপস্থাপন করার জন্য হলফনামা একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।

– বিশেষ করে ফৌজদারি ও দেওয়ানি মামলায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

৬. চুক্তি ও অঙ্গীকারে বাধ্যবাধকতা তৈরি করা

– ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক চুক্তিতে হলফনামা সুনির্দিষ্ট বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।

– দায়িত্ব ও শর্ত লঙ্ঘন করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়।

৭. প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজতর করা

– বিভিন্ন সরকারি সেবা, যেমন পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয়পত্র, ভিসা, বা লাইসেন্সের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়।

– সরকারি বা বেসরকারি কাজের ক্ষেত্রে হলফনামা বাধ্যতামূলক অনেক সময়।

৮. দায়মুক্তি নিশ্চিত করা

– জমি বিক্রি, গাড়ি বিক্রি বা সম্পত্তি হস্তান্তরের সময় দায়মুক্তির হলফনামা আইনি জটিলতা থেকে রক্ষা করে।

৯. বিশ্বাসযোগ্যতা বৃদ্ধি

– হলফনামা নোটারি বা ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা সত্যায়িত হয়, যা এর বৈধতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি করে।

১০. আইনগত নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ বিরোধ প্রতিরোধ

– এটি একটি আইনি রেকর্ড হিসেবে ভবিষ্যতে বিরোধ এড়াতে সাহায্য করে।

– সম্পত্তি, দায়িত্ব বা অন্য কোনো বিষয়ে অযথা মামলা এড়ানো সম্ভব।

১১. সরকারি নিয়ম-কানুন মেনে চলা

– সরকারি নীতি ও বিধি মেনে চলার ক্ষেত্রে এটি কার্যকর।

– বিভিন্ন সরকারি ফর্ম বা দরখাস্তের ক্ষেত্রে হলফনামা অপরিহার্য।

১২. দাবি বা প্রতিশ্রুতি প্রমাণ করা

– বিদেশ ভ্রমণ, পড়াশোনা বা ব্যবসায়িক কাজে হলে এটি আপনার প্রতিশ্রুতি বা দাবিকে নিশ্চিত করে।

পরিশেষে বলা যায়, হলফনামা আইনি কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজন মেটাতে অপরিহার্য।

◉ প্রয়োজনে: 01711-227878
অথবা ফেসবুকে আমাদের মেসেজ দিন অথবা কমেন্টে জিজ্ঞাসা করুন।
...............................................

বাংলাদেশে সাধারণত যেসব ক্ষেত্রে হলফনামা (এফিডেভিট) করতে হয়:

১. নাম পরিবর্তন বা সংশোধন
– নামের বানান সংশোধন।
– নাম পরিবর্তনের জন্য হলফনামা।

২. জন্ম তারিখ সংশোধন
– জন্ম সনদে তারিখ সংশোধন।
– শিক্ষাগত সনদে তারিখ সংশোধন।

৩. সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়
– জমি বা সম্পত্তির মালিকানা নিশ্চিতকরণ।
– উত্তরাধিকার নির্ধারণ।
– জমির ভোগদখল সংক্রান্ত ঘোষণাপত্র।

৪. বিবাহ বা তালাক সম্পর্কিত বিষয়
– বিবাহিত, অবিবাহিত বা তালাকপ্রাপ্ত হওয়ার ঘোষণা।
– পুনরায় বিবাহের অনুমতি বা প্রয়োজনীয়তা নিশ্চিতকরণ।

৫. শিক্ষাগত উদ্দেশ্যে
– শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তথ্য নিশ্চিতকরণ।
– শিক্ষাগত যোগ্যতার মিথ্যা তথ্য প্রদান না করার অঙ্গীকার।
– বিদেশে পড়াশোনার জন্য হলফনামা।

৬. নাগরিকত্ব বা পরিচয় নিশ্চিতকরণ
– নাগরিকত্ব প্রমাণ করার জন্য।
– জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট সংশোধনের জন্য।

৭. আবেদনপত্রের তথ্য যাচাই
– সরকারি বা বেসরকারি চাকরির আবেদনপত্রের তথ্য সঠিক প্রমাণ করতে।
– ব্যাবসায়িক লাইসেন্স আবেদন সংক্রান্ত হলফনামা।

৮. কাজের ভিসা বা ইমিগ্রেশন
– বিদেশগামী কর্মীর তথ্য নিশ্চিতকরণ।
– পারিবারিক স্পন্সরশিপের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় হলফনামা।

৯. ব্যক্তিগত প্রতিশ্রুতি বা অঙ্গীকার
– নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের প্রতিশ্রুতি।
– কোনো প্রতিষ্ঠানের শর্ত মেনে চলার অঙ্গীকার।

১০. ঘটনা বা সত্যতা নিশ্চিতকরণ
– নির্দিষ্ট ঘটনার সত্যতা প্রমাণ।
– আদালতে সত্যায়িত তথ্য প্রদান।
– উত্তরাধিকারীর প্রকৃত সংখ্যা নিশ্চিতকরণ।

১১. ব্যবসা বা আর্থিক বিষয়
– অংশীদারিত্ব প্রতিষ্ঠার হলফনামা।
– ঋণ পরিশোধ সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি।

১২. মালপত্র বা গাড়ি সংক্রান্ত বিষয়
– গাড়ির মালিকানা হস্তান্তরের জন্য।
– হারানো মালপত্র পুনরুদ্ধারের জন্য।

১৩. আইনি বিষয়ে পূর্ণক্ষমতার ঘোষণা
– পাওয়ার অফ অ্যাটর্নি হিসেবে কাউকে নিযুক্ত করার জন্য।
– আইনজীবী বা প্রতিনিধিকে ক্ষমতা দেওয়ার জন্য।

১৪. অন্যান্য বিশেষ ঘোষণা
– নির্দিষ্ট কোনো শর্ত মেনে চলার অঙ্গীকার।
– ধর্মান্তরিত হওয়ার ঘোষণা।
– দায়িত্ব গ্রহণ বা দায়িত্ব ত্যাগের ঘোষণা।

১৫. পারিবারিক উত্তরাধিকার সংক্রান্ত বিষয়
– উত্তরাধিকার সনদ পেতে হলফনামা।
– সম্পত্তির ভাগাভাগি নিশ্চিতকরণ।

১৬. দত্তক বা শিশু গ্রহণ সংক্রান্ত হলফনামা
– দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রে ঘোষণা।
– শিশু লালন-পালনের দায়িত্ব গ্রহণের অঙ্গীকার।

১৭. মৃত্যুজনিত বিষয়
– মৃত্যু সনদের সংশোধন।
– মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির উত্তরাধিকার নিশ্চিতকরণ।

১৮. ধর্মীয় বা সামাজিক সংক্রান্ত বিষয়
– ধর্মান্তরিত হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।
– সামাজিক অবস্থানের পরিবর্তনের প্রমাণ।

১৯. ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব বা চুক্তি সংক্রান্ত
– ব্যবসায়িক চুক্তি সম্পাদনের অঙ্গীকার।
– ব্যবসার মালিকানা স্থানান্তরের জন্য হলফনামা।

২০. অনুদান বা দান সংক্রান্ত হলফনামা
– সম্পত্তি বা অর্থ দানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।
– দানের শর্তাবলী নিশ্চিতকরণ।

২১. হারানো নথি বা দলিল সংক্রান্ত
– গুরুত্বপূর্ণ নথি হারানোর বিষয়ে ঘোষণা।
– দলিল পুনরায় ইস্যু করার আবেদন।

২২. শিক্ষা ঋণ বা ব্যাংক ঋণের ক্ষেত্রে
– ঋণ শর্তাবলী মেনে চলার অঙ্গীকার।
– গ্যারান্টি প্রদানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।

২৩. বিমা সংক্রান্ত বিষয়
– বিমার শর্ত নিশ্চিতকরণ।
– বিমার দাবির তথ্য সঠিক প্রমাণ করার জন্য।

২৪. বিদেশ ভ্রমণ বা প্রবাস সংক্রান্ত
– পাসপোর্ট ইস্যু বা সংশোধনের জন্য।
– ভ্রমণের উদ্দেশ্য নিশ্চিতকরণ।

২৫. অস্থায়ী বা স্থায়ী ঠিকানার ঘোষণাপত্র
– ঠিকানা পরিবর্তনের বিষয়ে ঘোষণা।
– ভাড়া নেওয়া বাড়ির ঠিকানা নিশ্চিতকরণ।

২৬. শিক্ষার্থী বা কর্মচারীর চরিত্র সনদ
– চরিত্রের বিষয়ে হলফনামা।
– পূর্ব প্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থলে আচরণ নিশ্চিতকরণ।

২৭. ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ
– ক্রীড়া বা সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার শর্ত মেনে চলার অঙ্গীকার।

২৮. প্রকল্প বা সংস্থা অনুমোদন
– প্রকল্পের কার্যক্রমের বৈধতার প্রমাণ।
– সংস্থার কার্যক্রমে অংশগ্রহণের প্রতিশ্রুতি।

২৯. কাস্টমস বা আমদানি-রপ্তানি সংক্রান্ত
– কাস্টমস শুল্ক বা কর সংক্রান্ত বিষয়ে হলফনামা।
– আমদানি-রপ্তানির সত্যতা নিশ্চিতকরণ।

৩০. সামাজিক বা দাতব্য কাজের বিষয়ে হলফনামা
– দাতব্য কাজ পরিচালনার প্রতিশ্রুতি।
– সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ।

৩১. নাগরিকত্ব আবেদন সংক্রান্ত
– বিদেশি নাগরিকত্বের জন্য আবেদনকালে প্রয়োজনীয় হলফনামা।
– দ্বৈত নাগরিকত্বের শর্ত মেনে চলার অঙ্গীকার।

৩২. বিদেশি শিক্ষা বা প্রশিক্ষণ গ্রহণ
– বিদেশি প্রতিষ্ঠানের কাছে তথ্য প্রদান নিশ্চিতকরণ।
– প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফেরার প্রতিশ্রুতি।

৩৩. অবসরকালীন সুবিধা দাবি
– পেনশন বা অবসরকালীন সুবিধার জন্য।
– চাকরি শেষে কোনো অভিযোগ না থাকার ঘোষণা।

৩৪. মালপত্র হারানো বা পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত
– পাসপোর্ট, এনআইডি, সার্টিফিকেট হারানো হলে।
– হারানো ডকুমেন্ট পুনরুদ্ধারের জন্য হলফনামা।

৩৫. অভিভাবকত্ব ও ভরণপোষণ সংক্রান্ত
– সন্তানের ভরণপোষণের দায়িত্ব নেওয়ার হলফনামা।
– কোর্টে অভিভাবকত্বের মামলা সংক্রান্ত ঘোষণা।

৩৬. শ্রমিক নিয়োগ ও চুক্তি সংক্রান্ত
– কর্মচারী নিয়োগের শর্ত নিশ্চিতকরণ।
– বিদেশে কর্মসংস্থানের শর্ত মানার প্রতিশ্রুতি।

৩৭. চাকরি ছাড়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা
– চাকরি ত্যাগের সত্যতা প্রমাণ।
– প্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থলের কোনো দেনা নেই নিশ্চিতকরণ।

৩৮. মেডিকেল বা স্বাস্থ্য বিষয়ক
– চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্য চাওয়ার হলফনামা।
– অঙ্গ দান বা চিকিৎসা সেবার শর্ত মেনে চলার অঙ্গীকার।

৩৯. নির্বাচন সংক্রান্ত হলফনামা
– প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে তথ্য নিশ্চিতকরণ।
– নির্বাচনে অংশগ্রহণের শর্ত মেনে চলার প্রতিশ্রুতি।

৪০. আইনগত উত্তরাধিকারী ঘোষণা
– সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হিসেবে দাবির জন্য।
– পরিবারের প্রকৃত সদস্য সংখ্যা নিশ্চিতকরণ।

৪১. ব্যবসা বা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নবায়ন
– লাইসেন্সের শর্ত মেনে চলার অঙ্গীকার।
– পূর্ববর্তী কোনো অভিযোগ নেই এমন ঘোষণা।

৪২. শপথ গ্রহণ বা প্রতিজ্ঞা
– অফিসে দায়িত্বগ্রহণের সময় শপথ নেওয়া।
– সরকারি বা বেসরকারি কাজে শর্ত মেনে চলার প্রতিশ্রুতি।

৪৩. দাতা সদস্য হিসেবে অঙ্গীকার
– দাতা সদস্য হিসেবে কোনো সংস্থার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার প্রতিশ্রুতি।
– অনুদানের ক্ষেত্রে শর্ত মেনে চলা।

৪৪. মালিকানা প্রত্যাখ্যান
– নির্দিষ্ট সম্পত্তি বা মালিকানা ত্যাগের ঘোষণা।
– দায়মুক্তির হলফনামা।

৪৫. পরিবহন সংক্রান্ত হলফনামা
– গাড়ি বিক্রি বা মালিকানা স্থানান্তর।
– ভাড়া চালকদের জন্য শর্ত মেনে চলার প্রতিশ্রুতি।

৪৬. আইনি কার্যক্রমে উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ
– আদালতে উপস্থিত থাকার প্রতিশ্রুতি।
– মামলা বা অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সত্যায়ন।

৪৭. বিয়ের নিবন্ধন সংক্রান্ত
– ইসলামি শরীয়াহ অনুযায়ী বিবাহের হলফনামা।
– আদালতে বিয়ের নিবন্ধনের জন্য।

৪৮. বিদেশি সাহায্য বা ভিসার শর্ত পূরণ
– ভিসার শর্ত পূরণে অঙ্গীকার।
– সাহায্যের ক্ষেত্রে তথ্য সঠিক নিশ্চিতকরণ।

এগুলো ক্ষেত্রে নিয়মিত এবং প্রায়ই বাংলাদেশে হলফনামা সম্পাদনের প্রয়োজন হয়। ...............................................

◉ প্রয়োজনে: 01711227878
অথবা ফেসবুকে আমাদের মেসেজ দিন অথবা কমেন্টে জিজ্ঞাসা করুন।...............................................

আইন বিষয়ে আরো লেখা পড়তে এই পেইজ লাইক/ফলো দিয়ে রাখুন।

১। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে এফিডেভিটের মাধ্যমে কীভাবে NID/সার্টিফিকেট/পাসপোর্ট প্রভৃতি কাগজপত্রের জন্ম তারিখ, নাম ইত্যাদি সংশোধন করা যায়? (নোটারী পাবলিক এবং প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট আদালত)

২। ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট এবং জেলা দায়রা আদালতে কীভাবে জামিনের আবেদন করতে হয়?

৩। মিস কেস কীভাবে করতে হয়?

৪। যৌন হয়রানি, ধর্ষণ মামলা কোথায় কীভাবে করতে হয়? নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের অধীনে অন্যান্য মামলা কীভাবে করতে হয়?

৫। প্রতারণা (ফোর টুয়েন্টি) মামলা কীভাবে করা যায়?

৬। চেক ডিসঅনার মামলা কীভাবে করা যায়?

৭। মার্ডার কেইস (হত্যা মামলা) এবং এটেম্পট টু মার্ডার (হত্যা চেষ্টা মামলা) কীভাবে করা যায়? মারামারি, আঘাত এবং গুরুতর আঘাত পেলে কীভাবে মামলা করতে হয়?

৮। জমি-জমার মামলা কোথায় কীভাবে করা যায়?

৯। দেনমোহর প্রাপ্তির মামলা কীভাবে করা যায়? Child Custody মামলা কীভাবে করা যায়? স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তালাক/ডিভোর্স হওয়ার পর বাচ্চাকে নিজের কাছে রাখার মামলা কীভাবে করতে হয়?

১০। জমি জমা নিয়ে বিরোধ হলে কীভাবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে CrPC ১৪৪/১৪৫ ধারায় মামলা করা যায়?

১১। অন্য কেউ এসে আপনাকে নিজের বাড়ি বা জমি থেকে উচ্ছেদ করলে বা সেই জমি-জমা জবর-দখল করলে, কীভাবে সেই জমি-জমা ফেরত পাওয়া যায়?

১২। কাউকে টাকা ধার দিলে সেই টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য কীভাবে মামলা করতে হয়?

উপরের বিষয়গুলো পাশাপাশি আরও বিভিন্ন আইনী সমস্যায় সমাধানের পূর্ণ ধারণা পেতে আমাদের পেইজ ফলো করে রাখুন ...

এই পোস্টটা জনস্বার্থে শেয়ার করা হলো।

◉ প্রয়োজনে: 01711227878
অথবা ফেসবুকে আমাদের মেসেজ দিন অথবা কমেন্টে জিজ্ঞাসা করুন।

Address

Judge Court
Gazipur
1740

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amicus Law Chamber & Associates posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share