Cyber & Legal Aid

Cyber & Legal Aid This is a page where you can share your cyberspace related threats or problems and you will get here possible solutions and Legal support as well.

03/10/2021
বিভাগীয় শহরগুলোতে সাইবার ট্রাইব্যুনালের যাত্রা শুরু হলো। এতে করে সবাইকে মামলা করতে আর ঢাকায় আসতে হবে না।এতে করে দূর দূরা...
11/04/2021

বিভাগীয় শহরগুলোতে সাইবার ট্রাইব্যুনালের যাত্রা শুরু হলো। এতে করে সবাইকে মামলা করতে আর ঢাকায় আসতে হবে না।এতে করে দূর দূরান্তের বিচারপ্রার্থী ভুক্তভোগীদের ভোগান্তি কমবে।

18/07/2020
12/07/2020

সাইবার স্পেসে নারীর প্রতি সহিংসতা

গণতান্ত্রিক এই দেশে সবারই মত প্রকাশের অধিকার আছে। হালের তরুণ - তরুণীর মত প্রকাশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে এখন সোশ্যাল মিডিয়া। ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ,টুইটার,লিংকড-ইনের মতো সোস্যাল সাইটগুলো এখন বেশ জনপ্রিয়। কিন্তু মত প্রকাশের অধিকারের অসাবধানতার সুযোগে অনেকেই এর অপব্যবহার করছে। যা অন্যের জীবন বিপন্ন করে তুলছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং নারীরাও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রবেশ করছেন। আমাদের দেশের নারীরা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সক্রিয়। এই মাধ্যম ব্যাবহার করে তথ্য আদান প্রদান এর পাশাপাশি, কেনা-কাটা থেকে শুরু করে নানান পরামর্শ এবং আলোচনার জন্য ইন্টারনেট এর সাহায্য নিচ্ছেন। ইন্টারনেট এর সুফল যেমন আমরা ভোগ করছি তেমন কুফল থেকেও রেহাই মিলছে না! সাইবার বুলিং, ব্ল্যাকমেইল, অনলাইন হ্যারাসমেন্ট হয়ে গিয়েছে এখন নারীর জীবনে নিত্য নৈমত্তিক ব্যাপার।

ইন্টারনেটে সংগঠিত অপরাধ সমূহকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম। আর এই সাইবার ক্রাইমের সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছে কিশোরী,তরুণী এমনকি যে কোন বয়সের নারীরা। নিয়মিত এদের সম্মুখীন হতে হয় এই ধরনের অযাচিত সমস্যার। এ সকল সমস্যার কোন সমাধান খুঁজে না পেয়ে হতাশ হয়ে অনেকে আত্মহত্যার পথ পর্যন্ত বেছে নিচ্ছেন।

নারীদের সাথে ঘটে যাওয়া সাইবার ক্রাইম এর ধরনঃ

১। ভাইরাস অ্যাটাক, হ্যাকিং, পরিচয় চুরি ও ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার।
২। ফেইক আইডি, ফেইক ই-মেইল ব্যবহার করে সুনামহানি ও অপপ্রচার সাইবার বুলিং।
৩। অন্যায় হুমকি, সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট ও অনলাইন অ্যাবিউজ।
৪। একান্ত ব্যক্তিগত ও স্পর্শকাতর ছবি ছড়িয়ে দেওয়া।
৫। অনলাইন ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক পন্থায় অর্থ আদায়, মানসিক টর্চার ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা।

নিম্নলিখিত অনলাইন নিরাপত্তা টিপসগুলি আপনার সোশ্যাল নেটওয়ার্কের তথ্য পরিচালনা করতে সাহায্য করতে পারেঃ

১। ইনবক্সে ব্যক্তিগত সংবেদনশীল ছবি এবং তথ্য আদান প্রদানে বিরত থাকুন।
২। জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট এবং যে কোন ধরনের পরিচয় পত্রের ছবি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন।
৩। পাবলিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যাবহার থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকুন এবং আপনার ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ড আদান প্রদানে বিরত থাকুন।
৪। অনলাইন কেনাকাটায় পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য বাক্তিগত তথ্য সংরক্ষন করা থেকে বিরত থাকুন।
৫। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সহ যেকোন অন্যান্য ওয়েবসাইটে সন্দেহজনক, সংবেদনশীল, চটকদার, চটুল, সংবাদ সম্বলিত লিঙ্ক গুলোতে ক্লিক করা অথবা কনটেন্ট। সফটওয়্যার ডাউনলোড করার আগে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
৬। যে কোন অনলাইন অ্যাকাউন্ট এ তথ্য আদান প্রদান করে লগ আউট করতে অবশ্যই ভুলবেন নাহ
৭। বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না।
৮। অনলাইনে রাষ্ট্র বিরোধী, জঙ্গিবাদ, উস্কানিমূলক এবং অন্যান্য বেআইনি তথ্য/ সংবাদ আদান প্রদানে বিরত থাকুন।
৯। পর্ণগ্রাফিক ভিডিও কনটেন্ট তৈরি, ছবি বিকৃতি ও ব্যাঙ্গাত্বক বার্তা অনালাইনে ছড়ানো এবং এগুলো দ্বারা কাউকে ব্যাকমেইল করা থেকে বিরত থাকুন।
১০। মত প্রকাশের স্বাধীনতা আপনার মৌলিক অধিকার হওয়া সত্ত্বেও অনলাইনে মিথ্যা বিকৃত, অসন্মানজনক, গুজব এবং হয়রানিমূলক মন্তব্য বা ব্যক্তিগত বার্তা আদান- প্রদানে বিরত থাকুন।

সর্বোপরি উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো সংক্রান্ত যে কোন ধরনের হয়রানির স্বীকার হলে সবার আগে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনীকে জানান। মনে রাখবেন দিনের শেষে আপনার সম্পর্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার। আবেগের বশবর্তী হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের ক্ষতি করবেন না।

24/06/2020

Most of these women are victims of sexual harassment, hacking, cyber-pornography, and blackmailing

22/06/2020

সাইবার স্পেসে নারীর প্রতি সহিংসতা

গণতান্ত্রিক দেশে সকলের-ই মত প্রকাশের অধিকার আছে। আর মত প্রকাশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মাধ্যম হচ্ছে এখন সোশ্যাল মিডিয়া। কিন্তু মত প্রকাশের অধিকারের নামে অনেকেই এর অপব্যবহার করছে যা অন্যের জীবন বিপন্ন করে তুলছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে এবং নারীরাও যুগের সাথে তাল মিলিয়ে ডিজিটাল দুনিয়ায় প্রবেশ করেছেন। আমাদের দেশের নারীরা এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সক্রিয়। এই মাধ্যম ব্যাবহার করে তথ্য আদান প্রদান এর পাশাপাশি, কেনা-কাটা থেকে শুরু করে নানা ধরনের পরামর্শ এবং আলোচনার জন্য ইন্টারনেট এর সাহায্য নিচ্ছেন। ইন্টারনেট এর সুফল ভোগ করার পাশাপাশি নানা কুফল ও ভোগ করতে হচ্ছে। সাইবার বুলিং, অনলাইন হ্যারাসমেন্ট হয়ে গিয়েছে নারীর নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার।

ইন্টারনেটে সংগঠিত অপরাধ সমূহকে বলা হয় সাইবার ক্রাইম। আর এই সাইবার ক্রাইমের সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছে কিশোরী,তরুণী এমনকি যে কোন বয়সের নারীরা। নিয়মিত এদের সম্মুখীন হতে হয় তাদের নানান সমস্যার। এ সকল সমস্যার কোন সমাধান খুঁজে না পেয়ে হতাশ হয়ে অনেকে আত্মহত্যার পথ পর্যন্ত বেছে নিচ্ছেন।

নারীদের সাথে ঘটে যাওয়া সাইবার ক্রাইম এর ধরনঃ

১। ভাইরাস অ্যাটাক, হ্যাকিং, পরিচয় চুরি ও ব্যক্তিগত তথ্যের অপব্যবহার।
২। ফেইক আইডি, ফেইক ই-মেইল ব্যবহার করে সুনামহানি ও অপপ্রচার সাইবার বুলিং।
৩। অন্যায় হুমকি, সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট ও অনলাইন অ্যাবিউজ।
৪। একান্ত ব্যক্তিগত ও স্পর্শকাতর ছবি ছড়িয়ে দেওয়া।
৫। অনলাইন ব্ল্যাকমেইল ও অনৈতিক রূপে অর্থ আদায়,মানসিক ভাবে টর্চার ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা।

নিম্নলিখিত অনলাইন নিরাপত্তা টিপসগুলি আপনার সোশ্যাল নেটওয়ার্কের তথ্য পরিচালনা করতে সাহায্য করতে পারেঃ

১। ইনবক্সে ব্যক্তিগত সংবেদনশীল ছবি এবং তথ্য আদান প্রদানে বিরত থাকুন।
২। জাতীয় পরিচয় পত্র, পাসপোর্ট এবং যে কোন ধরনের পরিচয় পত্রের ছবি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকুন।
৩। পাবলিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক ব্যাবহার থেকে যথাসম্ভব বিরত থাকুন এবং আপনার ওয়াইফাইয়ের পাসওয়ার্ড আদান প্রদানে বিরত থাকুন।
৪। অনলাইন কেনাকাটায় পাসওয়ার্ড এবং অন্যান্য বাক্তিগত তথ্য সংরক্ষন করা থেকে বিরত থাকুন।
৫। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম সহ যেকোন অন্যান্য ওয়েবসাইটে সন্দেহজনক, সংবেদনশীল, চটকদার, চটুল, সংবাদ সম্বলিত লিঙ্ক গুলোতে ক্লিক করা অথবা কনটেন্ট। সফটওয়্যার ডাউনলোড করার আগে সাবধানতা অবলম্বন করুন।
৬। যে কোন অনলাইন অ্যাকাউন্ট এ তথ্য আদান প্রদান করে লগ আউট করতে অবশ্যই ভুলবেন নাহ
৭। বিভিন্ন অ্যাকাউন্টের জন্য একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করবেন না।
৮। অনলাইনে রাষ্ট্র বিরোধী, জঙ্গিবাদ, উস্কানিমূলক এবং অন্যান্য বেআইনি তথ্য/ সংবাদ আদান প্রদানে বিরত থাকুন।
৯। পর্ণগ্রাফিক ভিডিও কনটেন্ট তৈরি, ছবি বিকৃতি ও ব্যাঙ্গাত্বক বার্তা অনালাইনে ছড়ানো এবং এগুলো দ্বারা কাউকে ব্যাকমেইল করা থেকে বিরত থাকুন।
১০। মত প্রকাশের স্বাধীনতা আপনার মৌলিক অধিকার হওয়া সত্ত্বেও অনলাইনে মিথ্যা বিকৃত, অসন্মানজনক, গুজব এবং হয়রানিমূলক মন্তব্য বা ব্যক্তিগত বার্তা আদান- প্রদানে বিরত থাকুন।

সর্বোপরি উপরে উল্লেখিত বিষয়গুলো সংক্রান্ত যে কোন ধরনের হয়রানির স্বীকার হলে সবার আগে সংশ্লিষ্ট আইন-শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনীকে জানান। মনে রাখবেন দিনের শেষে আপনার সম্পর্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব আপনার। আবেগের বশবর্তী হয়ে ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নিজের ক্ষতি করবেন না।

22/06/2020

ফিশিং হলো সোশাল ইঞ্জিনিয়ারিং নামক এক কৌশলের উদাহরণ। এই কৌশলের ফাঁদে পরলে হারাতে পারেন আপনার অনেক মূল্যবান তথ্য....

21/06/2020

সোস্যাল মিডিয়া এখন আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। গ্রাম থেকে শহর সর্বত্র আজ ইন্টারনেটের মায়াবী জাল বিস্তৃত। সহজ.....

21/06/2020

Watch India's leading Cyber Law Expert and Supreme Court Advocate, Pavan Duggal explains how one can create an expert career path in Cyber Law by following t...

19/06/2020

মেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক, কী করবেন?
গুগলের ই-মেইল সার্ভিস সারা বিশ্বেই জনপ্রিয়। আর তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই হ্যাকারদের অন্যতম জনপ্রিয় বিষয়ও জিমেইল। এতে অনেকেরই গুরুত্বপূর্ণ মেইল অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়। তখন কী করবেন? চিন্তার কিছু নেই। নিচের কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করলে হ্যাক হওয়া জিমেইল অ্যাকাউন্ট ফিরে পাবেন-

স্টেপ ১: অ্যাকাউন্ট রিকভারি পেজে যান।
স্টেপ ২: আপনি পাসওয়ার্ড মনে করতে না পারলে 'Try different question’ এ ক্লিক করুন।
স্টেপ ৩: এবার আপনার রিকভারি ইমেল অথবা ফোন নম্বর দিন।
স্টেপ ৪: রিকভারি ইমেল অথবা ফোন নম্বরে গুগল রিকভারি কোড পাঠাবে।
স্টেপ ৫: এছাড়াও আপনি সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর দিয়ে পাসওয়ার্ড রিসেট করতে পারেন।
স্টেপ ৬: রিকভারি ইমেল বা ফোন নম্বরে কোডটি এলে সেটি Gmail এ দিলে নতুন পাসওয়ার্ড সেট করার অপশন আসবে।
স্টেপ ৭: এরপর গুগল আপনাকে একটি সিকিউরিটি চেকের মধ্য দিয়ে নেবে। সেটা আপনি ভালোভাবে সম্পন্ন করুন এবং সিকিউরিটি ইনফরমেশন পরিবর্তন করুন।

19/06/2020

"ফেইসবুক পেইজ" হ্যাক ঠেকাতে কি করবেন?

প্রতিনিয়ত হ্যাক হচ্ছে আমাদের কারো না কারো ফেইসবুক আইডি,হ্যাকাররা শুধু টাকা নিয়েই ক্ষান্ত হচ্ছেনা,সাথে নিয়ে নিচ্ছে আইডির সবকিছু।

যার মধ্যে আইডিতে থাকা পেইজ অন্যতম।

এখনকার হ্যাকারদের প্রথম টার্গেট থাকে বড় বড় পেইজ হ্যাক করা,সেকারনেই তারা পেইজ এডমিনদের টার্গেট করে,তারপর পেইজ হ্যাক করে,যা কিনা একজন পেইজ মালিকের জন্য অপূরনীয় ক্ষতি,তাই আজকের পোস্ট পেইজ সেইফ রাখার পদ্ধতি নিয়ে।

প্রথমতঃ
পেইজ সেইফ রাখার জন্য প্রথমেই যেটা করতে হবে সেটা হলো পেইজে বিজনেস একাউন্ট এড রাখা।

দ্বিতীয়তঃ
যেহেতু পেজে অনেক সময় অনেক এডমিন রাখা হয় সেহেতু যে কোন একজন এডমিনের আইডি হ্যাক হলে পেইজ হ্যাক হয়ে যেতে পারে চিরতরে,কেননা পেইজের একজন এডমিন যে কোন এডমিন কে রিমুভ করতে পারে,এখানে পেইজ ক্রিয়েটর এডমিনের কোন আলাদা সুবিধা থাকে না,ক্রিয়েটরকেও যে কোন এডমিন রিমুভ করতে পারে,তাই পেইজে অবশ্যই বিজনেস একাউন্ট এড রাখতে হবে।

Address

42/43 Purana Paltan, Robin Tower, Dhaka
Fulbaria

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cyber & Legal Aid posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category