Adv Borhan Uddin Khan

Adv Borhan Uddin Khan Legal Dr. ⚖️ | Ethical | Experienced | Empathetic | Advocate | Bangladesh |
📞 01711258128 |
✉️ [email protected] Thank you for being with us�

Use the message button on our page for additional information.

আমি ভোট দিয়েছি।আপনারাও ভোট দিন।নিজের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করুন।
12/02/2026

আমি ভোট দিয়েছি।
আপনারাও ভোট দিন।
নিজের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করুন।

11/02/2026

ভোট একটি পবিত্র আমানত; তাই সঠিক যোগ্য প্রার্থীকে আপনার মূল্যবান ভোট দিন।

ন্যায়ের পথে চলা সহজ নয়, প্রতিদিনই আসে নতুন চ্যালেঞ্জ, নতুন প্রশ্ন, নতুন দায়। তবু বিশ্বাস রাখি—সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর ...
28/01/2026

ন্যায়ের পথে চলা সহজ নয়, প্রতিদিনই আসে নতুন চ্যালেঞ্জ, নতুন প্রশ্ন, নতুন দায়। তবু বিশ্বাস রাখি—সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোর শক্তিটুকু যিনি দেন, তিনিই প্রতিটি দিনের শেষে আমাকে কৃতজ্ঞ হতে শেখান।

আপনার যে কোন আইনগত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে আমাদেরকে আপনার সমস্যা হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ করে জানাতে পারেন।।।

অ্যাডভোকেট বোরহান উদ্দিন খান

27/01/2026

ভোট একটি আমানত।
সৎ, যোগ্য ও দেশপ্রেমিক প্রার্থীকে ভোট দিন।

সত্য ও ন্যায়বিচারের চূড়ান্ত বিজয়:​আইন পেশায় প্রতিটি মামলা কেবল নথিপত্রের সমষ্টি নয়, বরং এটি একজন মানুষের জীবনের গল্প, ধৈ...
21/01/2026

সত্য ও ন্যায়বিচারের চূড়ান্ত বিজয়:

​আইন পেশায় প্রতিটি মামলা কেবল নথিপত্রের সমষ্টি নয়, বরং এটি একজন মানুষের জীবনের গল্প, ধৈর্য এবং সত্য প্রতিষ্ঠার লড়াই। আজ দীর্ঘ সাত বছরের এক ক্লান্তিহীন আইনি যুদ্ধের সফল সমাপ্তি ঘটলো, যা আইনের শাসনের প্রতি আমাদের আস্থা আরও সুদৃঢ় করেছে।

​মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
​আদালত: যুগ্ম জেলা জজ, ১ম আদালত, ফেনী।
​মামলা নং: দায়রা ২২*/১৯
​ধারা: হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারা)
​দাবিকৃত চেকের অর্থ: ৪১ লক্ষ টাকা।

​দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্লেষণ এবং আইনি যুক্তিতর্কের শেষে বিজ্ঞ আদালত এই মামলার একমাত্র আসামিকে খালাস (Acquittal) প্রদান করেছেন। ৪১ লক্ষ টাকার মতো বিশাল অংকের দাবির বিপরীতে এই রায় প্রমাণ করে যে, সঠিক আইনি প্রস্তুতি এবং সত্যের শক্ত ভিত থাকলে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব।

​❝আইন শুধু শাস্তির বিধান দেয় না, আইনই নির্দোষের সুরক্ষা কবচ এবং ন্যায়ের পথপ্রদর্শক।❞

বোরহান উদ্দিন খান
এলএলবি (অনার্স), এলএলএম
এ্যাডভোকেট

বিশেষ দ্রষ্টব্য: আপনার যেকোনো আইনগত দেওয়ানী ও ফৌজদারি ও ট্যাক্স বিষয়ে সহজে কোন সমস্যার বিষয় জানিয়ে আমাদেরকে হোয়াটসঅ্যাপ করুন।

পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ে: আইন, ব্যাখ্যা ও বাস্তবতার সীমারেখাসম্প্রতি হাইকোর্ট বিভাগের একটি রায়কে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে...
13/01/2026

পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ে: আইন, ব্যাখ্যা ও বাস্তবতার সীমারেখা

সম্প্রতি হাইকোর্ট বিভাগের একটি রায়কে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা ও বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে। অনেকেই ধরে নিচ্ছেন—এখন থেকে প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়াই একাধিক বিয়ে করা বৈধ হয়ে গেছে। কিন্তু আইনের ভাষা ও বাস্তব প্রয়োগ সেই সরল সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে না।

বাংলাদেশে মুসলমানদের পারিবারিক বিষয়ে প্রযোজ্য প্রধান আইন হলো মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১। এই অধ্যাদেশের ধারা ৬–এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো ব্যক্তি বিদ্যমান স্ত্রী থাকা অবস্থায় পুনরায় বিয়ে করতে চাইলে তাকে অবশ্যই আরবিট্রেশন কাউন্সিলের পূর্বানুমতি নিতে হবে।

স্ত্রীর অনুমতি বনাম আইনি অনুমতি:
আইনে সরাসরি কোথাও “প্রথম স্ত্রীর লিখিত অনুমতি” শব্দবন্ধটি নেই—এই বিষয়টিই সাম্প্রতিক একটি রিট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগ উল্লেখ করেছেন বলে জানা যাচ্ছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অনুমতি দেওয়ার এখতিয়ার আইনসভা দিয়েছে আরবিট্রেশন কাউন্সিলকে, ব্যক্তিগতভাবে প্রথম স্ত্রীকে নয়।
তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভ্রান্তি দূর করা জরুরি।
স্ত্রীর অনুমতির কথা আইন সরাসরি না বললেও, আরবিট্রেশন কাউন্সিল সিদ্ধান্ত দেওয়ার সময় প্রথম স্ত্রীর মতামত, আপত্তি এবং পারিবারিক বাস্তবতা বিবেচনা করে থাকে—এটাই দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক ও বিচারিক চর্চা।

অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে:
এখনো অপরাধ
এই রায়ের ফলে আইন পরিবর্তিত হয়েছে—এমন ধারণার কোনো ভিত্তি নেই।
আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে করলে তা এখনো আইনত অপরাধ।

মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১-এর ধারা ৬(৫) অনুযায়ী, অনুমতি ব্যতিরেকে দ্বিতীয় বিয়ে করলে—
সর্বোচ্চ এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা
জরিমানা, অথবা
উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার বিধান রয়েছে।
এ ছাড়া দেনমোহরের সম্পূর্ণ অর্থ তাৎক্ষণিকভাবে পরিশোধযোগ্য হয়ে যায়—যা বাস্তবে অনেকেই উপেক্ষা করেন।
দণ্ডবিধির আলোকে অবস্থান
অনেক সময় দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪৯৪ (দ্বিতীয় বিয়ে/বিগ্যামি) প্রসঙ্গও আলোচনায় আসে। তবে মুসলমানদের ক্ষেত্রে এই ধারা সরাসরি প্রযোজ্য নয়, কারণ তাদের জন্য বিশেষ আইন হিসেবে মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ কার্যকর। এ বিষয়টি বিচারিকভাবে বহুবার স্বীকৃত।

শেষ কথা: আইন বদলায়নি, ব্যাখ্যা এসেছে
সারসংক্ষেপে বলা যায়—
✔ প্রথম স্ত্রীর অনুমতি আইনগতভাবে সরাসরি বাধ্যতামূলক নয়
✔ কিন্তু আরবিট্রেশন কাউন্সিলের অনুমতি অবশ্যই প্রয়োজন
✔ অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ে এখনো শাস্তিযোগ্য অপরাধ
✔ আইন অপরিবর্তিত আছে; আলোচনায় এসেছে কেবল একটি ব্যাখ্যামূলক পর্যবেক্ষণ
✔ এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের ঘোষণা এসেছে বলে জানা যাচ্ছে—চূড়ান্ত অবস্থান আসবে আপিল বিভাগ থেকে
আইনের বিষয় আবেগ বা গুজব দিয়ে নয়, ধারা ও বাস্তব প্রয়োগ বুঝে ব্যাখ্যা করা জরুরি। ভুল ব্যাখ্যা কেবল সামাজিক বিভ্রান্তিই বাড়ায়।

বোরহানউদ্দিন খান
এলএলবি (অনার্স), এলএলএম
অ্যাডভোকেট

যা পেয়েছি, যা পাইনি—সবকিছুর জন্যই মহান রবের শুকরিয়া। আলহামদুলিল্লাহ...
13/01/2026

যা পেয়েছি, যা পাইনি—সবকিছুর জন্যই মহান রবের শুকরিয়া। আলহামদুলিল্লাহ...

10/01/2026

ইসলামে তালাককে বৈধ রাখা হলেও এটি যে অত্যন্ত অপছন্দনীয়—এ কথা আমাদের ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধে বারবার স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু আইনের কাগজের বাইরে একটু দাঁড়িয়ে যদি একবার এই মেয়েটার জীবনের দিকে তাকাই—তাহলে হৃদয় না কেঁপে পারে না। 😥
একটি বিচ্ছেদ শুধু স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক ভাঙে না; ভেঙে দেয় স্বপ্ন, নিরাপত্তা আর ভবিষ্যতের ভরসা। একজন সন্তান, একজন নারী—নিঃশব্দে যে কষ্ট বয়ে বেড়ায়, তা কোনো রায়ের পাতায় ধরা পড়ে না।

আইনজীবী হিসেবে প্রতিদিন অনেক মামলা দেখি, কিন্তু মানুষ হিসেবে এমন দৃশ্য আমার চোখও অশ্রুসিক্ত করে। 😭

আইন ন্যায়বিচারের কথা বলে, আর বিবেক বলে—সংযম, দায়িত্ব আর সহমর্মিতার কথা।
দোয়া করি, পৃথিবীর কোনো সন্তান যেন এমন দুঃখের ভার বইতে না হয়। 🥲

"আজ ​২০২৫ সালের শেষ কোর্ট কর্মদিবস"আজ ছিল বছরের শেষ কর্মদিবস। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার বিয়োগান্তক সংবাদে মনটা ভারাক্রান্...
31/12/2025

"আজ ​২০২৫ সালের শেষ কোর্ট কর্মদিবস"

আজ ছিল বছরের শেষ কর্মদিবস। কিন্তু বেগম খালেদা জিয়ার বিয়োগান্তক সংবাদে মনটা ভারাক্রান্ত হয়ে রইল সারাদিন।

​প্রকৃতি আজ রৌদ্রোজ্জ্বল হলেও হৃদয়ের আকাশটা মেঘলা। ঠিক যেন—

"কয়েকদিনের শৈত্যপ্রবাহের পর আজ আকাশে সূর্য দেখা গেল...
কিন্তু আজই যেন আকাশের চাঁদটা ডুবে গেল।"
​বিনম্র শ্রদ্ধা।

​একটি অধ্যায়ের সমাপ্তি। ওপারে ভালো থাকবেন।

"জামিন নিয়ে পলাতক হলেই ‘খুনি’ নয়: উচ্চ আদালতের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ও ফৌজদারি বিচারিক বিশ্লেষণ"​​বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচ...
17/12/2025

"জামিন নিয়ে পলাতক হলেই ‘খুনি’ নয়: উচ্চ আদালতের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ও ফৌজদারি বিচারিক বিশ্লেষণ"

​বাংলাদেশের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় একটি সাধারণ ধারণা প্রচলিত আছে যে,
"পাপী মন সব সময় পুলিশ দেখে ভয় পায়" বা কোনো আসামি যদি জামিন নিয়ে পলাতক হয়, তবে ধরে নেওয়া হয় যে সে অপরাধটি করেছে বলেই আদালতের মুখোমুখি হতে ভয় পাচ্ছে।

কিন্তু আইন কি কেবল এই ধারণার ওপর ভিত্তি করে কাউকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার মতো গুরুতর অপরাধে (খুন) সর্বোচ্চ সাজা দিতে পারে?

​বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ #বাবুল ওরফে ফখরুল বনাম রাষ্ট্র (ফৌজদারি), ১৫ এএলআর (২০১৯)(১) এডি ১৫৮-১৬১ মামলায় যে সিদ্ধান্ত প্রদান করেছেন, তা ফৌজদারি ন্যায়বিচারের ইতিহাসে একটি মাইলফলক এবং আইনের শাসনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

এই রায়ের মূল প্রতিপাদ্য হলো—শুধুমাত্র জামিন নিয়ে পলাতক থাকার কারণে কোনো আসামির বিরুদ্ধে অন্য কোনো প্রত্যক্ষ বা পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্যপ্রমাণ ছাড়া তাকে ৩০২ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা যাবে না।

​একজন ফৌজদারি আইনজীবী হিসেবে এই রায়টিকে আমি বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ও ফৌজদারি কার্যবিধির আলোকে বিশ্লেষণ করতে চাই। ​আইনের দৃষ্টিতে ‘পলাতক’ থাকা এবং সাক্ষ্য আইন ​আমাদের সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ধারা ৮ অনুযায়ী, কোনো অপরাধ সংঘটনের পর আসামির আচরণ (যেমন—পালিয়ে যাওয়া, আত্মগোপন করা) একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা (Relevant Fact)। প্রসিকিউশন প্রায়শই আসামির পলাতক থাকাকে তার অপরাধী মনের (Mens Rea) বহিঃপ্রকাশ হিসেবে আদালতে উপস্থাপন করে। ​কিন্তু প্রাসঙ্গিক ঘটনা এবং অপরাধ প্রমাণের জন্য পর্যাপ্ত সাক্ষ্য—এই দুটির মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাৎ রয়েছে। ফৌজদারি বিচারের মূল ভিত্তি হলো "Presumption of Innocence" বা যতক্ষণ পর্যন্ত দোষ প্রমাণিত না হচ্ছে, ততক্ষণ আসামিকে নির্দোষ গণ্য করা। এবং এই দোষ প্রমাণের বোঝা (Burden of Proof) সম্পূর্ণভাবে রাষ্ট্রপক্ষের ওপর ন্যস্ত থাকে, যা তাদের "যুক্তিসঙ্গত সন্দেহের ঊর্ধ্বে" (Beyond Reasonable Doubt) প্রমাণ করতে হয়।

​আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণের সারমর্ম
​আলোচ্য মামলায় আপিল বিভাগ স্পষ্ট করেছেন যে, পলাতক থাকা আসামির আচরণের একটি অংশ হতে পারে, কিন্তু এটি কখনোই অপরাধের স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রমাণ (Substantive Evidence) নয়।

​কেন এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ?
​১. পলাতক থাকার ভিন্ন কারণ: একজন ব্যক্তি কেবল অপরাধী বলেই পলাতক হয় না। সে পুলিশের হয়রানির ভয়ে, মিথ্যা মামলায় ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কায়, মামলা পরিচালনার আর্থিক সামর্থ্য না থাকায়, অথবা ভুল আইনি পরামর্শেও পলাতক হতে পারে। তাই কেবল পলাতক থাকার ওপর ভিত্তি করে খুনের মতো গুরুতর অপরাধের দায় চাপানো ন্যায়বিচারের পরিপন্থী।

​২. প্রসিকিউশনের দায়িত্ব: এই রায় প্রসিকিউশন বা রাষ্ট্রপক্ষকে তাদের মূল দায়িত্বের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তাদের দায়িত্ব হলো আসামি খুনটি করেছে কিনা তা প্রত্যক্ষদর্শী, ফরেনসিক রিপোর্ট বা শক্তিশালী পারিপার্শ্বিক সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করা। তারা মূল অপরাধ প্রমাণ না করে কেবল আসামির জামিন পরবর্তী আচরণের ওপর নির্ভর করে মামলা জিততে পারে না।

​৩. সাক্ষ্যের কররোবরেশন (Corroboration): পলাতক থাকার বিষয়টি তখনই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে যখন অপরাধের অন্যান্য শক্তিশালী প্রমাণ আদালতে বিদ্যমান থাকে। তখন পলাতক থাকার ঘটনাটি সেই প্রমাণগুলোকে আরও জোরালো করে (Corroborate)। কিন্তু যেখানে মূল অপরাধের অন্য কোনো ভিত্তি নেই, সেখানে পলাতক থাকা একটি শূন্যগর্ভ যুক্তি মাত্র।

​উপসংহার:
​দণ্ডবিধির ৩০২ ধারার অভিযোগ প্রমাণিত হলে আসামির মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে। এমন একটি মামলায় যেখানে মানুষের জীবন-মরণের প্রশ্ন জড়িত, সেখানে কেবল অনুমানের ওপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নেওয়া অত্যন্ত বিপজ্জনক।

​আপিল বিভাগের এই রায়টি নিম্ন আদালতগুলোর জন্য একটি স্পষ্ট নির্দেশিকা। বিচারকদের এখন থেকে আরও সতর্ক থাকতে হবে যে, আসামির অনুপস্থিতি যেন তার বিরুদ্ধে একমাত্র সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য না হয়। অন্যদিকে, তদন্তকারী কর্মকর্তাদের জন্যও এটি একটি বার্তা—মামলা প্রমাণের জন্য তাদের আরও বস্তুনিষ্ঠ সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

​পরিশেষে বলা যায়, এই রায় ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা এবং আসামির ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারকে আরও সুসংহত করেছে। আবেগ বা ধারণার বশবর্তী হয়ে নয়, বরং ठोस সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই কেবল কাউকে অপরাধী সাব্যস্ত করা উচিত—এটাই আইনের শাসন।

লেখক:
বোরহান উদ্দিন খান
এল এল বি (অনার্স), এল এল এম
এডভোকেট

মহান বিজয় দিবস – ১৬ ডিসেম্বর১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ...
16/12/2025

মহান বিজয় দিবস – ১৬ ডিসেম্বর

১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে এক তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭১ সালের এই দিনে দীর্ঘ সংগ্রাম, ত্যাগ ও প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।

মহান বিজয় দিবস আমাদের স্বাধীনতার মূল্য, জাতীয় ঐক্য এবং দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। এই দিনটি থেকে শিক্ষা নিয়ে দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করার প্রেরণা জোগায়।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সকল শহীদ ও বীরত্বপূর্ণ অবদানকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন।

ধন্যবাদান্তে:
বোরহান উদ্দিন খান
এলএলবি (অনার্স), এলএলএম
এডভোকেট

“আইনজীবী হওয়ার পথচলা…”কয়েক বছর আগে বার কাউন্সিলের অনুমতি পাওয়ার সেই মুহূর্তটা আজও চোখে ভাসে।অনেকেই পারিবারিক বা সামাজ...
10/12/2025

“আইনজীবী হওয়ার পথচলা…”

কয়েক বছর আগে বার কাউন্সিলের অনুমতি পাওয়ার সেই মুহূর্তটা আজও চোখে ভাসে।
অনেকেই পারিবারিক বা সামাজিক প্রভাবের কারণে এ পেশায় আসে—কিন্তু আমি এসেছি নিজের ইচ্ছেতে, নিজের স্বপ্নে।

ছোটবেলা থেকেই ভাবতাম—একদিন কালো গাউন পরবো, আদালতের করিডোরে আত্মবিশ্বাসের সাথে ‘গটগট’ করে হাঁটবো, মানুষের পাশে দাঁড়াবো, অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়বো। সেই স্বপ্নটাই ধীরে ধীরে বাস্তবের রূপ নিল।

এখন প্রতিদিনের ব্যস্ততা, মামলা–মোকাদ্দমা, ফাইলের ভিড়, সিনিয়রদের পরামর্শ, ক্লায়েন্টের আস্থা—সব মিলিয়ে নতুন এক অধ্যায়ের যাত্রা।
চড়াই-উতরাই আছে, সংগ্রাম আছে—তবুও পথচলা থেমে নেই। কারণ এ পথটাই আমার ভালোবাসার পথ, আমার পেশার গর্ব।

এভাবেই এগিয়ে চলছি…
নিজেকে আরও প্রস্তুত করছি, আরও শক্ত করে দাঁড়ানোর জন্য।

Address

Feni
3900

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Adv Borhan Uddin Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Adv Borhan Uddin Khan:

Share