My Lawyer

My Lawyer আইন জানা এবং আইনি সহায়তা ও পরার্মশ পাবার একটি র্নিভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান ।

06/02/2025

পারিবারিক সমস্যা সম্বলিত মামলাগুলো কি কি? এ ধরণের মামলা কোথায় করবেন?

পারিবারিক সমস্যা সম্বলিত মামলা পরিচালনার জন্য FAMILY COURTS ORDINANCE 1985 এর অধীনে পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করা হয়। এতে সকল সহকারি জজের আদালতকে পারিবারিক আদালত বলা হয়েছে।

পারিবারিক আদালতকে নিম্নউল্লেখিত বিষয়াদির বিচারের একচ্ছত্র অধিকার দেয়া হয়েছে। সেগুলো হলোঃ
১। বিবাহ বিচ্ছেদ
২। দাম্পত্য জীবন পুনরুদ্ধার
৩। দেনমোহর
৪। ভরণপোষণ
৫। সন্তানের লালনপালন ও অভিভাবক

কোথায় মামলা করবেন? বা আদালতের এখতিয়ার।
১। বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ সম্পর্কিত মামলাঃ
পারিবারিক সমস্যা সম্বলিত মামলা করতে হয় পারিবারিক আদালতে। সাধারণত যেখানে মামলার কারণ উদ্ভব হয় বা ঘটনাটি সংগঠিত হয় সেখানখার এখতিয়ারাধীন আদালতে মামলা করতে হয়। অথবা স্বামী স্ত্রী যেখানে বসবাস করতেন বা সর্বশেষ যেখানে ছিলেন। তবে বিবাহ বিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ সম্পর্কিত মামলা হলে স্ত্রী সচরাচর যেখানে থাকেন সেখানেও মামলা দায়ের করা যাবে।

২। স্বামী কি দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য?
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ১০ ধারা অনুযায়ী স্বামী দেনমোহর আদায় করা থেকে কোন ভাবে রেহাই পাবেনা। স্ত্রী যখনি দাবি করবেন তখনই স্বামী দেনমোহর পরিশোধ করতে বাধ্য। কাবিন নামায় যদি দেনমোহর কীভাবে পরিশোধ করা হবে বিষয়ে বিস্তারিত লেখা না থাকে তাহলে ধার্যকৃত দেনমোহরের পুরুটাই আদায় করতে হবে।

৩। ভরণ পোষণ না দিলে কি করবেন?
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ৯ ধারা অনুযায়ী স্ত্রী স্বামী থেকে ভরণ পোষণ পাওয়ার অধিকারী। স্বামী যদি স্ত্রীকে ভরণ পোষণ দিতে ব্যর্থ হয় তাহলে স্ত্রী (ইউনিয়ন পরিষদের/জেলা পরিষদে পৌরসভার চেয়ারম্যান/ মিউনিচিপল এরিয়াতে মেয়র বা প্রশাসক/ ক্যান্টনমেন্ট এরিয়াতে সংশ্লিষ্ট দায়িত্ব পালনের জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত ব্যক্তির) কাছে আবেদন করতে পারেন। চেয়ারম্যান আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি আরবিট্রেশন কমিটি গঠন করবেন। এ কমিটি ভরণ পোষণের পরিমাণ ধার্য করে একটি সার্টিফিকেট ইস্যু করবেন যা স্বামী ভরন পোষণ হিসেবে স্ত্রীকে প্রদান করতে হবে। কমিটির ধার্য কৃত পরিমাণ নিয়ে কোন পক্ষ অসন্তুষ্ট হলে নির্দিষ্ট সময়ের আগে নির্দিষ্ট ফি দিয়ে সহকারি জজ এর কাছে উক্ত সার্টিফিকেট রিভিশনের জন্য দরখাস্ত বা আপিল করতে পারবেন। এক্ষেত্রে তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত গণ্য হবে। স্বামী ভরণ পোষণ আদায় না করলে ভূমি করের ন্যায় আদায় করা হবে।

04/02/2025

বিশেষ বিবাহ (Special Marriage) কি?

বিশেষ বিবাহ হল এমন বিবাহ যেখানে ধর্মীয় পরিচয় ব্যতিরেকে যাবতীয় কার্যাবলী যথাযথ ভাবে পালন করা হয় এবং সেক্ষেত্রে বিশেষ বিবাহ আইন ১৮৭২ অনুসরণ করা হয়।

কারা বিয়ে করতে পারবে এই আইনের অধীনেঃ

১. যারা কোনো ধর্মের অনুসারী নয়।

২. ভিন্ন ধর্মের দু’জন ব্যক্তি যারা ধর্ম ত্যাগের ঘোষণা দিয়েছে।

৩. আইনে উল্লেখিত আট ধর্ম ছাড়া অন্য যে কোনো ধর্মের ব্যক্তিরা ধর্ম ত্যগ না করেই এই বিয়ের সুবিধা নিতে পারে। যেমনঃ ব্রাহ্মরা।

৪. হিন্দু ধর্মের ভিন্ন বর্ণের দু’জন ব্যক্তি ধর্ম ত্যাগ না করেই বিশেষ বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারে।

৫. ভিন্ন ধর্মের দু’জন ব্যক্তি জদি তারা হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, জৈন এই চার ধর্মের যেকোনো দুটির অনুসারী হয় তবে ধর্ম ত্যাগের ঘোষণা ছাড়াই তা করতে পারে।

এই আইনের অধীণে বিয়ের নিয়ম:

১. রেজিস্ট্রার: বিশেষ বিবাহ আইনে বিয়ের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত রেজিস্ট্রার রয়েছে।

২. নোটিশ: বিয়ের দুই পক্ষের মধ্যে যে কোনো একটি পক্ষ রেজিস্ট্রারের কাছে ১৪ দিন আগে বিয়ের নোটিশ পাঠাবে। যদি না এই সময়ের মধ্যে কেউ আপত্তি করে থাকে তবেই বিয়ে সম্পন্ন করা যাবে।

এই আইনের অধীণে বিয়ে একটি দেওয়ানী চুক্তি সুতরাং সম্মতি অত্যন্ত জরুরী। বিয়ের দুই পক্ষ রেজিস্ট্রার ও তিনজন সাক্ষীর সামনে “আমি ‘ক’ কে আইনত স্ত্রী/ স্বামী হিসেবে গ্রহণ করছি”- এই রকম ঘোষণা দেবে। এই ক্ষেত্রে ইসলাম ধর্মে যেমন মহিলা সাক্ষী হলে হবেনা, কিংবা দুইজন মহিলা মিলে একজন পুরুষের সমান এই ধরণের বিধান নেই।

বিয়ে বিচ্ছেদ:
এই আইনের অধীনে বিয়ে করলে বিয়ে বিচ্ছেদের সময় ১৮৬৯ সালের “ডিভোর্স আইন” দ্বারা বিয়ে বিচ্ছেদ সম্পাদন করতে হয়।

03/02/2025

পুলিশ চাইলেই কি গুলি চালাতে পারে?

Police Regulations Bengal (PRB) হলো পুলিশের জন্য পূর্ণাঙ্গ আচরণ-বিধান। কর্তব্য-কর্ম সম্পাদনে পুলিশ বিভাগের সব সদস্য এ আচরণ-বিধান মেনে চলতে বাধ্য। দাঙ্গা ও গোলযোগের সময় পুলিশ কখন, কীভাবে, কতটা গুলি বা আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করবে সে বিষয়ে পুলিশ প্রবিধানের চতুর্থ অধ্যায়ের ষষ্ঠ পরিচ্ছেদে বিস্তারিত বলা আছে। ১৫৩ ধারায় পুলিশকে তিনটি ক্ষেত্রে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে-
১. ব্যক্তির আত্মরক্ষা বা সম্পত্তি রক্ষার অধিকার প্রয়োগে,
২. বেআইনি সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করতে এবং
৩. কতিপয় পরিস্থিতিতে গ্রেপ্তার কার্যকর করার জন্য (ধারা ১৫৩-ক)।
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৬ ধারার অধীনেও পুলিশের বল প্রয়োগ চলে। শক্তি প্রয়োগে কেউ গ্রেপ্তার, প্রতিরোধ বা এড়ানোর চেষ্টা করলেই কেবল আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করতে হবে, তবে তাতে যেন মৃত্যুর ঘটনা না ঘটে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডযোগ্য কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হলেই এ ক্ষেত্রে মৃত্যু ঘটানো যায় (ধারা ১৫৩-ঘ)। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইনের আশ্রয়লাভ প্রত্যেক নাগরিকের এবং সাময়িকভাবে বাংলাদেশে অবস্থানরত ব্যক্তির অবিচ্ছেদ্য অধিকার। এমন কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে না, যাতে কোনো ব্যক্তির জীবন, স্বাধীনতা, দেহ, সুনাম বা সম্পত্তির হানি ঘটে। ৩২ অনুচ্ছেদ হুঁশিয়ার করছে, কতিপয় ব্যতিক্রম ছাড়া জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা থেকে কোনো ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না। ৩৫(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ফৌজদারি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত। স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচার লাভের অধিকারী হবেন। অন্যদিকে এ বিষয়ে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণাপত্রের অবস্থান আরও কঠোর। ওই ঘোষণাপত্রের ৩ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যেকেরই জীবনধারণ, স্বাধীনতা ও ব্যক্তি নিরাপত্তার অধিকার রয়েছে। ৭ অনুচ্ছেদ ঘোষণা করছে, আইনের কাছে সকলেই সমান। কোনোরূপ বৈষম্য ছাড়া সকলেই আইনের দ্বারা সমান সুরক্ষা পাবে। ১০ অনুচ্ছেদ জানাচ্ছে, প্রত্যেকেরই তার অধিকার ও দায়িত্বসমূহ এবং তার বিরুদ্ধে আনীত যেকোনো ফৌজদারি অভিযোগ নিরূপণের জন্য পূর্ণ সমতার ভিত্তিতে একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ বিচার-আদালতে ন্যায্যভাবে ও প্রকাশ্যে শুনানি লাভের অধিকার আছে। ১১(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অপরাধে অভিযুক্ত হলে প্রত্যেকেরই আত্মপক্ষ সমর্থনের নিশ্চয়তা দেয় এমন গণ-আদালত কর্তৃক আইনানুযায়ী দোষী সাব্যস্ত না হওয়া পর্যন্ত নির্দোষ বলে বিবেচিত হওয়ার অধিকার আছে। অতএব, উপরিউক্ত বিধি-বিধান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, নাশকতাকারীকে বিচার ছাড়া ‘দেখামাত্র গুলির নির্দেশ’ কেবল বেআইনি-ই নয়, এটা একই সঙ্গে অসাংবিধানিক এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদেরও পরিপন্থী।

02/02/2025

যাচ্ছে, তারপরও বাড়ির লক্ষী ঘর থেকে চলে যাচ্ছে না।

গির্জার অনুষ্ঠান : শুরুতে গির্জার প্রবেশ পথে যাজক বর-কনেকে বরণ করে নেয়। তারপর বর-কনে দুজনের মধ্যে মালা বদল করা হয়। এরপর কনের সিঁথিতে সিদুর পরিয়ে দেওয়া হয়।

ঘরে তোলা : এই অনুষ্ঠানে উঠানের দিকে মুখ করে বড় পিঁড়ির উপরে বর-কনেকে দাঁড় করানো হয়। এরপর বর-কনে সাদা-লাল পেড়ে শাড়ির উপর দিয়ে হেঁটে ঘরে ওঠে। এ সময় বর ও কনে একে অপরের কনিষ্ঠ আঙুল ধরে থাকে।

বৌদ্ধ বিয়ে
বাংলাদেশে বৌদ্ধ বিয়ে লোকাচার ও বৌদ্ধ শাত্র অনুসারে হয়। বৌদ্ধ বিয়ে সম্পর্কে জানান, মেরুল-বাড্ডার আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারের প্রধান ধর্মগুরু ধর্ম মিত্র মাহাথেরো।

প্রথমত পাত্র পাত্রী নির্বাচনের পর সামাজিকভাবে সবাইকে জানিয়ে তারিখ ঠিক করে বৌদ্ধ বিহারে পাত্র-পাত্রীকে নিয়ে আসা হয়। এখানে মঙ্গল প্রদিপ জ্বালিয়ে বুদ্ধের পুজা করা হয়। ত্রি স্বরণ পঞ্চশীল পুজার মাধ্যমে বৌদ্ধ ভিক্ষুকের আশির্বাদ গ্রহণের মাধ্যমে বিয়ে সম্পন্ন হয়।

এরপর একজন গৃহী তাদের সামাজিক অনুশাসন প্রদান করে।

‘কোর্ট ম্যারেজ’ মানেই বিয়ে নয়
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তানজিম আল ইসলাম জানান, আইনে ‘কোর্ট ম্যারেজ’ বলে কোনো বিধান নেই এবং এর কোনো ভিত্তিও নেই। এটি একটি লোকমুখে প্রচলিত শব্দ।

তিনি আরও জানান, ‘কোর্ট ম্যারেজ’ বলতে সাধারণত হলফনামার মাধ্যমে বিয়ের ঘোষণা দেওয়াকেই বোঝান হয়ে থাকে। এ হলফনামাটি ২০০ টাকার নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে লিখে নোটারি পাবলিক কিংবা প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে সম্পন্ন করা হয়ে থাকে।

এ হলফনামাটি সম্পন্ন করলেই আইন অনুযায়ী বিয়ে সম্পন্ন হয়ে গেছে, এটি বলা যাবে না। এটি বিয়ের ঘোষণামাত্র। অর্থাৎ এ হলফনামার মাধ্যমে বর-কনে নিজেদের মধ্যে আইন অনুযায়ী বিয়ে হয়েছে, এ মর্মে ঘোষণা দেয়।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে পারিবারিক আইন অনুযায়ী প্রথমে বিয়ে সম্পন্ন করতে হবে। তারপর তারা ইচ্ছা করলে এ হলফনামা করে রাখতে পারেন।

পারিবারিক আইন অনুযায়ি বিয়ে না করে শুধু এ হলফনামা সম্পন্ন করা উচিত নয়।

বিশেষ বিবাহ আইন
তানজিম জানান, ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বিয়ের ক্ষেত্রে ১৮৭২ সালের বিশেষ বিয়ে আইন রয়েছে।

এই আইন অনুযায়ী বিশেষ বিয়ের জন্য একজন রেজিস্টার থাকে। প্রথমত বৈধ বিয়ে করা হচ্ছে এই হিসেবে এফিডেভিট করতে হয়, পরে রেজিস্টারের কাছে হলফনামা জমা দেয়।

এর ১৪ দিন পর একটি নোটিশ দেওয়া হয়। পরে নোটিশ নিয়ে রেজিস্টারের কাছে গেলে বিয়ে নিবন্ধিত করা হয়।

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when My Lawyer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category