আইনের পথে আলো

Call Directions Website Contact the practice

আইনের পথে আলো I am Advocate Palash mondal
Bangladesh supreme court.

28/09/2026

হিন্দু স্ত্রী আলাদা থাকলে কি Maintenance পাবেন?😍😇

28/09/2026

চেক ডিজঅনার মামলায় বড় পরিবর্তন!🤨😇
#চেক

28/09/2026

রেজিস্ট্রি হলেই মালিক? আইনের সত্য জানলে অবাক হবেন!😇
#দলিল

ফ্ল্যাট হস্তান্তরে ডেভেলপার দেরি করছে? চুপ থাকবেন না! চুক্তি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দাবি, আইনি নোটিশ পাঠানো ও মামলা করার অধি...
28/09/2026

ফ্ল্যাট হস্তান্তরে ডেভেলপার দেরি করছে? চুপ থাকবেন না! চুক্তি অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দাবি, আইনি নোটিশ পাঠানো ও মামলা করার অধিকার আপনার আছে। নিজের অধিকার জানুন, প্রতারিত হবেন না।
#জমি

গ্রামে ছোটখাটো বিরোধ মিটাতে সালিশ বসানো আমাদের সমাজের বহু পুরনো রীতি, কিন্তু প্রশ্ন হলো- সালিশে জরিমানা করা বা সামাজিকভা...
25/09/2026

গ্রামে ছোটখাটো বিরোধ মিটাতে সালিশ বসানো আমাদের সমাজের বহু পুরনো রীতি, কিন্তু প্রশ্ন হলো- সালিশে জরিমানা করা বা সামাজিকভাবে শাস্তি দেওয়া কি আইনসম্মত? বাস্তবতা হলো, বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে গ্রাম্য সালিশ বা সালিশি পরিষদকে কোনো আদালতের সমান ক্ষমতা দেওয়া হয়নি। সালিশদাররা শুধুমাত্র উভয়পক্ষের সম্মতিতে মীমাংসা বা রফা করাতে পারেন, কিন্তু জোরপূর্বক জরিমানা আদায়, বেত্রাঘাত, সামাজিক বয়কট, গ্রাম থেকে বহিষ্কার বা কোনো ধরনের শারীরিক শাস্তি দেওয়ার আইনি এখতিয়ার তাদের নেই। যদি কোনো সালিশ পরিষদ জোরপূর্বক জরিমানা আদায় করে বা কাউকে সামাজিকভাবে হেয় বা নির্যাতন করে, তাহলে তা দণ্ডবিধি অনুযায়ী অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে এবং ভুক্তভোগী থানায় জিডি বা মামলা করতে পারেন। এমনকি গ্রাম্য আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ীও ইউনিয়ন পরিষদ পরিচালিত গ্রাম আদালতের একটি নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের ক্ষমতা থাকলেও, তা মানতে বাধ্য করার কোনো দণ্ডমূলক ক্ষমতা নেই আইনবহির্ভূত সালিশের। তাই সালিশের নামে কেউ যদি অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রয়োগ করে বা মানবাধিকার লঙ্ঘন করে, তার প্রতিকার আইনের মাধ্যমেই সম্ভব। "আইনের পথে আলো" - আইন জানুন, অধিকার বুঝুন।

25/09/2026

শুধু স্বত্ব ঘোষণার মামলা করলেই কি জমি ফেরত পাব?😇🙂
#জমি

25/09/2026

স্বামী থেকে আলাদা স্ত্রী ভরণপোষণ হারাবেন?😇😍

অনেকেই মনে করেন তালাক শুধু স্বামীই দিতে পারেন, স্ত্রীর কোনো অধিকার নেই। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন! মুসলিম পারিবারিক আইন অনুয...
25/09/2026

অনেকেই মনে করেন তালাক শুধু স্বামীই দিতে পারেন, স্ত্রীর কোনো অধিকার নেই। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন! মুসলিম পারিবারিক আইন অনুযায়ী একজন স্ত্রীও সম্পূর্ণ বৈধভাবে তালাক দিতে পারেন — শুধু জানতে হবে সঠিক পদ্ধতি। যদি কাবিননামায় "তালাকে তাফভিজ" ক্ষমতা স্ত্রীকে দেওয়া থাকে, তাহলে তিনি নিজেই সরাসরি তালাক ঘোষণা করতে পারেন, ঠিক স্বামীর মতোই। আর যদি সেই ক্ষমতা না থাকে, তাহলেও স্ত্রীর হাতে রয়েছে "খোলা তালাক" নেওয়ার অধিকার — যেখানে স্বামীর সম্মতিক্রমে বা প্রয়োজনে আদালতের মাধ্যমে বিবাহ বিচ্ছেদ সম্পন্ন করা যায়। এছাড়া মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৯৩৯ অনুযায়ী স্ত্রী নির্দিষ্ট কিছু কারণ দেখিয়ে (যেমন- নির্যাতন, ভরণপোষণ না দেওয়া, নিখোঁজ থাকা, পাগলামি বা যৌন অক্ষমতা) সরাসরি পারিবারিক আদালতে মামলা করেও তালাকের ডিক্রি নিতে পারেন। প্রতিটি পদ্ধতির নিয়ম, নোটিশ পাঠানোর সময়সীমা ও কার্যকরের ধাপ আলাদা — তাই সঠিক প্রক্রিয়া না জানলে ভবিষ্যতে জটিলতা তৈরি হতে পারে। "আইনের পথে আলো" - সাথেই থাকুন, আইন জানুন, অধিকার বুঝুন।

25/09/2026

"ভাই-বোন সম্পত্তি ভাগ করতে রাজি না হলে কী করবেন?"😇🥲
#জমি

আপনি কি জানেন, মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় কোনো নারী কর্মীকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া যায় না? বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী...
24/09/2026

আপনি কি জানেন, মাতৃত্বকালীন ছুটির সময় কোনো নারী কর্মীকে চাকরি থেকে বাদ দেওয়া যায় না? বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ অনুযায়ী নারী কর্মী সন্তান প্রসবের আগে ৮ সপ্তাহ ও পরে ৮ সপ্তাহ, মোট ১৬ সপ্তাহ মাতৃত্বকালীন ছুটি পাওয়ার অধিকারী। এই সময়ে ছুটির কারণে বা গর্ভাবস্থার অজুহাতে চাকরিচ্যুত করা, বরখাস্তের নোটিশ দেওয়া কিংবা প্রাপ্য বেতন-সুবিধা আটকে রাখা আইনত অন্যায়। মালিক এমন করলে শ্রম আদালতে প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ আছে। তবে মনে রাখবেন, দুই বা তার বেশি জীবিত সন্তান থাকলে এই সুবিধা প্রযোজ্য নয়। তাই ছুটির আগে লিখিত নোটিশ দিন এবং সব কাগজপত্র যত্নে সংরক্ষণ করুন।
এবার আসি কাবিননামার কথায়। অনেকেই জানেন না, কাবিননামার ১৮ নম্বর কলামে স্বামী চাইলে স্ত্রীকে তালাকের ক্ষমতা অর্পণ করতে পারেন। সেখানে "হ্যাঁ" লেখা থাকলে এবং নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ হলে স্ত্রী নিজেই তালাক দিতে পারেন। মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী তালাকের নোটিশ সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সিটি করপোরেশনের মেয়রকে দেওয়া বাধ্যতামূলক। নোটিশ দেওয়ার ৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হয়, আর স্ত্রী গর্ভবতী থাকলে সন্তান প্রসব পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। তাই বিয়ের সময় কাবিননামা ভালোভাবে পড়ে বুঝে সই করুন এবং একটি কপি নিজের কাছে রাখুন।
আইন জানা মানেই নিজের অধিকার রক্ষা করা। পোস্টটি শেয়ার করুন, যাতে আরও মানুষ সচেতন হন। আপনার কোনো আইনি প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে জানান। আইনের পথে আলো-র সঙ্গে থাকুন।
#নারীর_অধিকার

Address

৩৩ জুলেখা ভিলা, আগরবাতি গলি, রুম নাম্বার ৩০৭।
Dhaka
১১০০

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আইনের পথে আলো posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to আইনের পথে আলো:

Shortcuts

Share