Legal & Estate Consultancy

Legal & Estate Consultancy Legal & Estate Consultancy is a consultancy firm which is based on Legal issues.

Trust Deed !!
05/02/2020

Trust Deed !!

Arbitration !!
05/02/2020

Arbitration !!

Information !!
29/12/2019

Information !!

25/04/2019
উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অবশ্যই মানতে হবে ।।
16/04/2019

উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অবশ্যই মানতে হবে ।।

প্রয়োজনীয় ।।
16/04/2019

প্রয়োজনীয় ।।

গুরুত্বপূর্ণ  !!
16/04/2019

গুরুত্বপূর্ণ !!

ভাওতাবাজির দিন শেষ !!
16/04/2019

ভাওতাবাজির দিন শেষ !!

????
01/01/2019

????

05/07/2018

জাপানীরা কেন বাঙালিদের ভালোবাসে?
জাপানীরা ১৯৩৭ সালে নানকিং (এখন নানজিং) এ চাইনিজদের কচুকাটা করেছিলো। খুন -ধর্ষণ মিলিয়ে এমন নৃশংসতা কমই দেখেছে বিশ্ব। The flowers of war নামে একটি মর্মস্পর্শী মুভি আছে এই গণহত্যা নিয়ে। জাপানীরা এর আগে পরেও লাখে লাখে মরেছে-মেরেছে। শেষতক দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জব্দ জাপান বাধ্য হয়েই রক্তের নেশা ছেড়ে জাতি গঠনে মনোযোগ দিয়েছিলো বলেই আজ তারা পৃথিবীর অন্যতম সভ্য জাতিতে পরিণত হতে পেরেছে। এই জাতি গঠনের পিছনে জাপানীরা চিরকৃতজ্ঞ কুষ্টিয়ায় জন্ম নেয়া একজন বাঙালির কাছে। মিত্রপক্ষের চাপ সত্বেও ইন্টারন্যাশনাল যুদ্ধাপরাধ টাইব্যুনালের 'টোকিও ট্রায়াল' ফেজে এই বাঙালি বিচারকের দৃঢ অবস্থানের কারণেই জাপান অনেক কম ক্ষতিপূরণের উপরে বেঁচে গিয়েছিলো। নয়তো যে ক্ষতিপূরণের বোঝা মিত্রপক্ষ ও অন্য বিচারকরা চাপিয়ে দিতে চেয়েছিলেনন তার দায় এখন পর্যন্ত টানতে হতো জাপানকে। সেক্ষেত্রে ঋণের বোঝা টানতে টানতে জাতি গঠনের সুযোগই আর পাওয়া হতোনা জাপানের। সেসময়ই জাপানী সম্রাট হিরোহিতো কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে বলেছিলেন, "যতদিন জাপান থাকবে বাঙালি খাদ্যাভাবে, অর্থকষ্টে মরবেনা। জাপান হবে বাঙালির চিরকালের নি:স্বার্থ বন্ধু।" এটি যে শুধু কথার কথা ছিলোনা তার প্রমাণ আমরা এখনো দেখতে পাই। জাপান এখনো বাংলাদেশের সবচে নি:স্বার্থ বন্ধু। এই ঘটনার প্রায় ৬৫ বছর পর ঢাকার গুলশানে হোলি আর্টিসান হামলায় প্রাণ গেলো নয় জাপানিজ বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারের। জাপান তখনও পাশে ছিলো বাংলাদেশের।

আর কুষ্টিয়ায় জন্ম নেয়া সেই বাঙালি বিচারকের নাম এখনো জাপানী পাঠ্যপুস্তকে পাঠ্য। তাঁর নামে জাপানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বেশ কিছু মেমোরিয়াল ও মনুমেন্ট। এই বিস্মৃত বাঙালির নাম বিচারপতি রাধাবিনোদ পাল (১৮৮৬-১৯৬৭)। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও হেগের আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক ছাড়াও জীবদ্দশায় অনেক বড় বড় দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আগে তিনি কুষ্টিয়ায় নিজ গ্রামের স্কুল ও রাজশাহী কলেজের ছাত্র ছিলেন। কর্মজীবনের শুরুতে ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজে প্রভাষক ছিলেন। কিছুদিন ময়মনসিংহ কোর্টে আইন ব্যবসাও করেছিলেন।

এই মেধাবী বাঙালিকে আমরা প্রায় কেউই মনে রাখিনি। বাঙালির মেধাগত বীরত্বের এই চমৎকার অধ্যায়টা জানে খুব অল্প মানুষ! অথচ কত ঠুনকো বিষয়ই না বাঙালি মানসে পায় সীমাহীন গুরুত্ব!
বাংলাদেশের সঙ্গে জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্ক বরাবরই ভালো। রাজনৈতিক বা অন্যান্য নানা ইস্যুতে চীন-আমেরিকা এমনকি ভারতের মতো বন্ধুরাষ্ট্রও যেখানে অনেকসময় বাংলাদেশের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, সেখানে জাপান সবসময়ই বাংলাদেশের বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশ বন্যায় আক্রান্ত হলে বড় রকমের ত্রাণ আর অর্থসাহায্য এসেছে, একের পর এক রাস্তাঘাট আর সেতু নির্মিত হয়েছে জাইকা কিংবা জাপান সরকারের সরাসরি অর্থায়নে। বিশ্বব্যাংক নানা সময়ে বাংলাদেশকে ঋণ দিতে আপত্তি জানালেও, জাইকা বরাবরই দুহাত বাড়িয়ে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশের সাহায্যে। আমাদের এই দেশটার প্রতি জাপানের খুব ছোট্ট হলেও যে একটা সফট কর্নার আছে, সেটা তো নিশ্চিত।

বাঙালী বা বাংলাদেশীদের প্রতি জাপানীদের অন্যরকমের আবেগ থাকাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। একজন বাঙালী যে জাপানের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন, যিনি বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে জাপানের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছিলেন, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে যুদ্ধাপরাধের দায়ে বিশাল অঙ্কের জরিমানা থেকে রক্ষা করেছিলেন দেশটাকে। এখনও জাপানের অনেকে তাকে ঈশ্বরের মতো সম্মান করে। মানুষটার নাম ড. রাধাবিনোদ পাল, তিনি ছিলেন অবিভক্ত ভারতের কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি। তার জন্ম হয়েছিল বর্তমান বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলায়।
বিচারপতি রাধাবিনোদ পাল কি এমন করেছিলেন জাপানের জন্যে, যে সেদেশের মানুষ তাকে এমন সম্মান দিয়েছে, এখনও দিচ্ছে?

ঘটনাটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরের সময়কার। অক্ষশক্তির দেশগুলো হেরে গেছে মিত্রশক্তির কাছে। জাপান-জার্মানী-ইতালীকে বিচারের কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে, চলছে যুদ্ধাপরাধের বিচার। জাপানী জেনারেল হিদোকি তোজোর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল নানকিং গণহত্যার। চীনের লক্ষ লক্ষ মানুষ নিহত হয়েছিল জাপানের সেনাদের আক্রমণে। এই বিচারের নাম ছিল টোকিও ট্রায়াল। রাধাবিনোদ পাল ছিলেন এই ট্রাইব্যুনালের এগারোজন বিচারকের একজন।

ট্রায়ালে জাপানের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়, গণহত্যার জন্যে প্রত্যক্ষ্য ও পরোক্ষভাবে জাপানের প্রতিটা মানুষকে দায়ী করা হয়। হিদোকি তোজোর ফাঁসি এবং জাপানকে বড় অঙ্কের জরিমানা করার দাবী জানানো হয় মিত্রশক্তির দেশগুলোর পক্ষ থেকে। বিচারকদের প্রায় সবাই মিত্রশক্তির দাবীর ব্যাপারে একমত প্রকাশ করলেও, বেঁকে বসেন বাঙালী রাধানাথ পাল। তিনি বলেন, নানকিং গণহত্যা করে জাপান যুদ্ধাপরাধ করেছে এটা শতভাগ সত্যি। কিন্ত জাপানের বিচারের সঙ্গে সঙ্গে হিরোশিমা আর নাগাসাকিতে যারা বোমা ফেলে লক্ষ লক্ষ নিরপরাধ মানুষকে হত্যা করেছে, যারা এই পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ছিল, যারা আদেশ দিয়েছে- সবার বিচার করতে হবে। আর এগুলো যেহেতু একই ধরনের অপরাধ, এই টোকিও ট্রায়ালেই এই অপরাধগুলোর বিচার করা যাবে।

তার এই বক্তব্য শুনে হতভম্ব হয়ে গিয়েছিল বাদবাকী বিচারক আর মিত্রপক্ষের আইনজীবিরা। জেনারেল হিদোকি তোজোকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন বাকী বিচারকেরা, আটশো পৃষ্ঠার এক রায়ে তাদের যুক্তিগুলোকে স্তব্ধ করে দিয়েছিলেন রাধাবিনোদ পাল।

তার দেয়া রায় জাপানের পক্ষে যাওয়ায় দেশে ফিরে বেশ বিপাকে পড়তে হয়েছিল রাধাবিনোদ পালকে। ভারতের সরকার তখনও বৃটিশদের অনুগত। প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু প্রকাশ্যে তার সমালোচনা করেছিলেন। তিনি তখন হাইকোর্টে যাওয়া কমিয়ে দিয়েছিলেন, কলকাতার বাড়িতেই কাটতো বেশিরভাগ সময়।

রাধাবিনোধ পালের এই সাহসিকতার কথা জাপানীরা ভোলেনি। তাকে ‘জাপানবন্ধু ভারতীয়’ হিসেবে ঘোষণা দেয় জাপান সরকার। তার নামে জাপানে মন্যুমেন্ট স্থাপন করা হয়েছে, জাপানের স্কুলের পাঠ্যবইতে একটা অধ্যায় আছে তাকে নিয়ে, জাপানী শিশুরা বই পড়েই জানতে পারছে তার সম্পর্কে। ১৯৬৬ সালে সম্রাট হিরোহিতো তাকে জাপানের জন্যে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রীয় পদক ‘পার্পল রিবন’ এ ভূষিত করেছিলেন।

এখনও কেউ জাপানের কিয়েতো শহরের রিজোয়েন গোকুকু নামের মন্দিরে গেলে রাধাবিনোদ পালের আবক্ষমূর্তিটা দেখতে পাবেন সেখানে। জাপানের রাষ্ট্রীয় চ্যানেলে তার মৃত্যুদিবসে তাকে নিয়ে ঘন্টাব্যাপী প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়েছে, সেখানে তাকে উল্লেখ করা হয়েছে জাপানের চির উপকারী বন্ধু হিসেবে। জাপানী আর ইংরেজী ভাষায় তাকে নিয়ে লেখা ৩০৯ পৃষ্ঠার একটা বই প্রকাশ করেছে জাপান সরকার। কয়েকবছর আগে জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে ভারত সফরে এসে ভারতীয় পার্লামেন্টে বক্তৃতা দেয়ার সময় শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেছেন এই মানুষটার কথা। শিনজো আবে কলকাতায় ছুটে গিয়েছিলেন শুধু রাধাবিনোদ পালের ৮১ বছর বয়েসী ছেলের সাথে দেখা করবেন বলে!

বাংলাদেশের কয়জন মানুষ রাধাবিনোদ পালের নাম জানেন? একজন বাঙালী বিচারক জাপানীদের কাছে ঈশ্বরের সম্মান পেয়ে আসছেন যুগ যুগ ধরে, তার নামটাও কি আমরা জানি? জাপানের এনএইচকে টেলিভিশনের পক্ষ থেকে প্রামাণ্যচিত্র তৈরির আগে একদল প্রতিনিধি এসেছিল কুষ্টিয়াতে, যেখানে রাধাবিনোদ পালের জন্ম। কুষ্টিয়ার মিরপুরে রাধাবিনোদ পালের পিতৃভূমিতে তার নামে হাসপাতাল করে দিতে চেয়েছিল জাপান সরকার। কিন্ত রাজনৈতিক দুর্বৃত্তরা সেই জায়গাগুলো দখল করে আছে অনেক আগে থেকে, সেকারণে কিছুই করা সম্ভব হয়নি।

১৯৬৭ সালের ১০ই জানুয়ারী কলকাতায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করা এই গুণী মানুষটা জন্মেছিলেন এই বাংলায়, এখানকার মাটিতে। জাপানীরা তাকে নিয়ে গর্ব করে, রাধাবিনোদ পালের মতো একজন মানুষকে তারা তাদের ক্রান্তিলগ্নে পাশে পেয়েছিল। আমরা কি রাধাবিনোদ পালকে নিয়ে গর্ব করতে পারি?

তথ্যসূত্র- নিউইয়র্ক টাইমস, লাইভমিন্ট ডটকম,

04/06/2018

#পৃথিবীর_প্রথম_আইনজীবী_কে?

ইতিহাসের প্রথম আইনজীবীকে খুঁজতে হলে একশত দুইশত বছর আগে নয় পাক্কা ২৫০০ বছর আগে চলে যেতে হবে । প্রাচীন ইরাকের বিখ্যাত শহর সেই ব্যবিলনে । যা শাসিত হতো আসিরীয় সম্রাট নেবুচাঁদনেজারের হাতে । তাদের লোকাল বিচার ব্যবস্থা ছিল অনেকাংশে আমাদের মতই । গ্রাম্য পঞ্চায়েত বা ইউনিয়ন পরিষদ মতো ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করে বিচার কার্য চালানো হতো ‘কাউন্সিল অব এল্ডার্স’ তথা স্থানীয় মুরব্বীদের দিয়ে ।
এই নগরীর এক অংশে সুজানা নামক এক অপূর্বা রমণীর বসবাস । যার রূপ , সৎচরিত্র ও ধার্মিকতা ছিল সর্বজনবিদিত । তাঁর স্বামী , মাতা-পিতা , শ্বশুর- শাশুড়ি নিয়ে তার সুখের সংসার । ঘটনাক্রমে তাঁর উপর দুই কাউন্সিল অব এল্ডার্সের সদস্যের কুদৃষ্টি পড়ে । ঘটনাক্রমে সুজানা পার্শ্ববর্তী এক বাগানবাড়িতে স্নান করছিলেন । তার ব্যক্তিগত দাসীর অনুপস্থিতিতে তারা তাকে কুপ্রস্তাব দেন । সুজানা স্বাভাবিকভাবে অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে তা প্রত্যাখ্যান করেন । ফলে তারা তাকে ধর্ষণে উদ্যত হলে সুজানা চিৎকার করলে তারা পালিয়ে যান এবং পরে তাকে দেখে নেওয়া হবে হুমকি দেওয়া হয় ।
পরবর্তীতে 'কাউন্সিল অব এল্ডার্স' সুজানার বিরুদ্ধে নিজেদের আদালতে ব্যভিচারের অভিযোগ আনে এবং উক্ত দুই সদস্য নিজেরাই মামলার চাক্ষুষ সাক্ষী হিসেবে আদালতে বলেন, সুজানা জনৈক যুবকের সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হবার দৃশ্যটি তারা স্বচক্ষে দেখেছেন এবং তাতেই সুজানাকে দোষী মর্মে রায় প্রচার করা হয় । ব্যস আর যায় কই ! এতদিন যারা সুজানার প্রশংসায় পঞ্চমুখ আজ তারই বিনা প্রশ্নে সুজানার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করে । সে যুগে নারীদের ব্যভিচারের শাস্তি ছিল পাথর ছুঁড়ে হত্যা করা (এই যুগে ব্যভিচারের শাস্তি হয় কেবল পুরুষের) । সেদিন পুরো ব্যাবিলন নগরী চলে এসেছিল তাদের কথিত (!) সৎ-ধার্মিক সুজানার মৃত্যু দেখতে । সেদিন কেউ কোন প্রশ্ন তুলেনি । সুজানার স্বামীও কোন প্রতিবাদ করেনি । জনতার উল্লাসধ্বনির মাঝে হঠাতই দানিয়েল নামক এক যুবক চিৎকার করে বললেন -'আমি বিশ্বাস করি না সুজানা অপকর্মটি করেছেন ।' জনতার উল্লাসধ্বনি থেমে গেল । দানিয়েল এই দুই 'কাউন্সিল অব এল্ডার্স'-এর সদস্যকে পৃথকভাবে কিছু প্রশ্ন করার অনুমতি চান । জনগণ অনুমতি দিল ।
দানিয়েল উভয় জনকে পৃথকভাবে দুটো প্রশ্ন করলেন । তারা সুজানাকে কখন এবং কোথায় ব্যভিচারে লিপ্ত হতে দেখেছেন। উত্তরে একজন জানালেন 'তিনি চাঁদনী রাতে একটি গাছের নিচে সুজানাকে অপকর্ম করতে দেখেছেন । এরপর দ্বিতীয়জন জানালেন 'দিনের আলোতে ফসলের মাঠে অপকর্মটি হয়েছিল। যথারীতি উপস্থিত জনতা ক্ষোভ ফেটে পড়ল। জনগণের চাপে উক্ত দুই বৃদ্ধকেই মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করা হয় । এইভাবেই দুই চরিত্রহীন এবং লম্পট বৃদ্ধের রক্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেল ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থার সাক্ষ্যগ্রহণের পদ্ধতি ।
সর্বশেষঃ এই বিখ্যাত ঘটনাটি লিখা আছে বাইবেলে । ঐতিহাসিকগণ তাকে একজন সাহসী যুবক হিসেবে আখ্যা দিয়ে থাকেন। ইহুদি ও খ্রিস্টানরা তাঁকে আল্লাহ প্রেরিত বিশেষ মানব এবং মুসলমানরা একজন নবী স্বীকার করেন । অন্যদিকে আইন বিজ্ঞানের শিক্ষক,আইন পেশার লোকজন এবং বিচারাঙ্গনের বিচারকগণ তাকে লিখিত ইতিহাসের নির্ভীক মানবিক সাহস সম্পন্ন একজন স্পষ্টভাষী বাকপটু মানুষরূপে মানব জাতির প্রথম আইনজীবী হিসেবে সম্মান দেন।

20/02/2018

দুনিয়ার সবচাইতে দামী কয়েকজন উকিল-

আলবার্ট স্টেইনোজ।
১। এক নম্বরে আছেন আলবার্ট স্টেইনোজ। তিনিও একজন আমেরিকান উকিল, ৯৯.৩১ কেসে তিনি জিতেছেন। কোন কোন কেসে তিনি শত কোটি ডলার ফি নেন। সাধারনত তার ফি প্রতি ঘন্টায় ১৫০০০ ডলার!

বেন্জামিন সিভিলেট্টি
২। দুই নম্বরে আছে বেন্জামিন সিভিলেট্টি আমেরিকার বিখ্যাত উকিল। প্রতি ঘন্টায় তার ফী আশী হাজার টাকা( ৮০,০০০)।

ওয়াচাই থংথান
৩। ওয়াচাই থংথান একজন তাই উকিল, বড় ব্যাবসায়ী। থাইল্যান্ডে সাবেক প্রধানদন্ত্রী তাকসিন সিনাওয়াত্রার মামলা লড়ে খ্যাতি কুড়িয়েছেন। ১.১ বিলিয়ন ডলারের মালিক।

ব্রাংকা।
৪। ব্রাংকা, বিনোদনের জগতের উকিল। একসময় ব্যান্ডে ছিলেন মিউজিক তার প্রিয় বিষয়, ৫০ মিলিয়ন ডলারের মালিক, ফী সম্পর্কে বলা যয়না।

থমাস মাসাউ
৫। পাঁচ নম্বরে আছে থমাস মাসাউ। তিনি মাইকেল জ্যাকসনের মামলা লড়ে বিখ্যাত হয়ে গেছেন। দয়ালু মানুষ কিন্তু জায়গামত বড় অংকের ফী নেন। ২৫ মিলিয়ন ডলারের মালিক। ফী প্রকাশ করা হয় না।

জর্ডান সাহেব
৬। ছয় নম্বরে আছে জর্ডান সাহেব। একজন মানবাধিকার কর্মী, অনেকের উপকার করতে চেস্টা করেন, সাথে অন্যদের কাছ থেকে বিশাল অংকের ফী নেন।

জো বায়েজ
৭। জো বায়েজ একজন আমেরিকার উকিল। কলেজ জীবনে খারাপ রেজাল্টের জন্য ফ্লোরিডার বারে তাকে জায়গা দেয়া হয় নি পরে তার নিজের দক্ষতায় তিনি সারা আমেরিকাতে নাম করে ফেলেন। সারা উত্তর আমেরিকাতে তার অনেক নাম। কেস নিলে হারেন না! তার ফী টা গোপনীয়।

হরিষ সালভে
৮। আট নম্বরে আছে ভারতের হরীষ সালভে। ভারতে সব বেশি বড় বড় কেস লরেন, বিশেষ করে রাজনীতিবিদ, শিল্পপতি আর পুঁজিপতিদের মামলাই তিনি নিয়ে থাকেন। একদিনের জন্য তার ফী হল গিয়ে ৩০ লাখ রুপী! একটা তো শুনলেন, বাকীগুলো আর বলবনা বলা যাবেনা তয় বুঝে নিন।

Address

Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Legal & Estate Consultancy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share