Tax with Joy

Tax with Joy Your Trusted Tax Partner.

01/09/2026

করমুক্ত সীমা ৩,৫০,০০০ থেকে বেড়ে ৪,০০,০০০ হয়েছে। শুনে মনে হয় কর কমেছে, তাই না?
অনেকের ক্ষেত্রে আসলে উল্টো।

কারণ একই সঙ্গে দুটো জিনিস বদলেছে যা কম আলোচনায় এসেছে:

১. ৫% ধাপটি পুরোপুরি বিলুপ্ত। আগে যে আয়ে ৫% কর হতো, এখন সেটিতে সরাসরি ১০%।

২. বিনিয়োগ রেয়াত ১৫% থেকে কমে ১০%। সর্বোচ্চ সীমাও ১০ লাখ থেকে নেমে ৭.৫ লাখ।

ফল কী? সীমা বাড়ায় আপনি কিছু সাশ্রয় করলেন, কিন্তু ধাপ আর রেয়াতে হারালেন বেশি। বিশেষ করে মধ্যম আয়ের করদাতাদের ক্ষেত্রে।

তাই "সীমা বেড়েছে, কর কমেছে" — এটা ধরে নেবেন না। নিজের সংখ্যা বসিয়ে দুই বছর মিলিয়ে দেখুন।

আপনার হিসাবে গতবারের তুলনায় কর বেড়েছে না কমেছে?

22/08/2026
শুধু অর্থবছরের ক্যালেন্ডার বদলাচ্ছে না-করব্যবস্থার হিসাবের ঘড়িও কি বদলাবে?পোষ্টটি লিখেছেন iftekhar Mahmud ,পোষ্টটি’র লিং...
21/08/2026

শুধু অর্থবছরের ক্যালেন্ডার বদলাচ্ছে না-করব্যবস্থার হিসাবের ঘড়িও কি বদলাবে?
পোষ্টটি লিখেছেন iftekhar Mahmud ,
পোষ্টটি’র লিংক বা পোষ্টটি বিন্দুমাত্র পরিবর্তন না করে হুবহু শেয়ার করতে পারবেন। কিন্তু পোষ্টটি’র কিছু অংশ কপি করা নিষেধ।

বাংলাদেশের অর্থবছর দীর্ঘদিন ধরে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পরিচালিত হয়ে আসছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্থবছর ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ করার উদ্যোগ অনুমোদিত হয়েছে।
বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী—
📌 ২০২৭–২৮ অর্থবছর হবে একটি ৯ মাসের অন্তর্বর্তী সময়কাল, অর্থাৎ জুলাই ২০২৭ থেকে মার্চ ২০২৮ পর্যন্ত।
📌 এরপর ২০২৮–২৯ অর্থবছর থেকে নতুন এপ্রিল–মার্চ অর্থবছর চালুর পরিকল্পনা রয়েছে।
এ পরিবর্তন বাস্তবায়নের জন্য আইন, প্রশাসনিক কাঠামো এবং সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ও সমন্বয় করতে হবে।
কিন্তু একজন করদাতার জন্য এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো—
❓ অর্থবছর পরিবর্তন হলে কি আয়বর্ষ, করবর্ষ ও আয়কর রিটার্নের হিসাবও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যাবে?
উত্তর হলো—এমনটি ধরে নেওয়া ঠিক হবে না।
কারণ সরকারি অর্থবছর এবং আয়কর আইনের আয়বর্ষ ও করবর্ষ একই বিষয় নয়।

🧑‍💼 একটি বাস্তবধর্মী পরিস্থিতি
ধরা যাক, একজন চাকরিজীবী করদাতার—
বেতন ও অন্যান্য আয় রয়েছে;
ব্যাংক আমানত থেকে সুদ আসে;
কিছু বিনিয়োগ রয়েছে;
উৎসে কর কর্তন করা হয়েছে;
নিয়মিত আয়কর রিটার্ন দাখিল করেন।
বর্তমান ব্যবস্থায় তিনি সাধারণত ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ের আয় ও সংশ্লিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আয়কর হিসাবের সঙ্গে পরিচিত।
এখন অর্থবছর এপ্রিল–মার্চে পরিবর্তনের খবর শুনে তিনি ভাবলেন—
“তাহলে কি আগামী বছর থেকেই আমার আয়কর রিটার্ন এপ্রিল থেকে মার্চ পর্যন্ত হিসাব করতে হবে?”
এখানেই সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝির সম্ভাবনা।

⚖️ আইনি ভিত্তি: অর্থবছর আর আয়বর্ষ এক বিষয় নয়
বর্তমান আয়কর আইন, ২০২৩-এ করবর্ষ এবং আয়বর্ষের ধারণা বিদ্যমান আইনি কাঠামোর সঙ্গে সম্পর্কিত।
সাধারণভাবে একটি নির্দিষ্ট আয়বর্ষে অর্জিত আয় সংশ্লিষ্ট পরবর্তী করবর্ষে আয়কর ব্যবস্থার আওতায় আসে।
অন্যদিকে, সরকারি অর্থবছর হলো রাষ্ট্রীয় বাজেট, সরকারি আয়-ব্যয় ও আর্থিক হিসাব পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত একটি সময়কাল। অর্থাৎ—
সরকারি অর্থবছর পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেই আয়কর আইনের প্রতিটি সময়সীমা, আয়বর্ষ, করবর্ষ, রিটার্ন দাখিলের সময় বা উৎসে করের সমন্বয় ইতোমধ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তিত হয়ে গেছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাবে না।
এ ধরনের পরিবর্তনের জন্য সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি, প্রশাসনিক নির্দেশনা এবং বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ার সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।

🔄 ৯ মাসের অন্তর্বর্তী সময়কাল কেন গুরুত্বপূর্ণ?
এখানে একটি বিশেষ বিষয় রয়েছে।
বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭–২৮ অর্থবছর জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসের একটি অন্তর্বর্তী অর্থবছর হিসেবে বিবেচিত হওয়ার কথা।
এখন প্রশ্ন হলো— এই ৯ মাসের সময়কালকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে—
আয়বর্ষ কীভাবে নির্ধারিত হবে?
করবর্ষের সংজ্ঞায় পরিবর্তন আসবে কি?
ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের রিটার্ন কোন সময়কাল ধরে প্রস্তুত হবে?
কোম্পানির হিসাববছর ও আয়কর হিসাবের মধ্যে কী ধরনের সমন্বয় প্রয়োজন হবে?
উৎসে কর্তিত কর কোন সময়ের বিপরীতে সমন্বয় হবে?
পূর্ববর্তী সময়ের ক্ষতি বা কর-সমন্বয় কীভাবে পরিচালিত হবে?
এসব প্রশ্নের চূড়ান্ত উত্তর সংশ্লিষ্ট আইনগত ও প্রশাসনিক পরিবর্তন কার্যকর হওয়ার পরই স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হবে।
তাই এখনই নিজের হিসাবপদ্ধতি পরিবর্তন করে ফেলা যুক্তিসঙ্গত নয়।

📊 বাস্তব উদাহরণ
ধরা যাক, একজন করদাতার বর্তমান হিসাব অনুযায়ী—
বার্ষিক চাকরিজীবী আয়: ৳১২,০০,০০০
ব্যাংক সুদ: ৳১,২০,০০০
অন্যান্য বৈধ আয়: ৳৮০,০০০
মোট আয় = ৳১৪,০০,০০০
এর বিপরীতে—
ব্যাংক সুদের ওপর উৎসে কর্তিত কর: ৳১২,০০০
বেতন থেকে কর্তিত কর: প্রযোজ্য পরিমাণ
অন্যান্য কর সমন্বয়: প্রযোজ্য আইন অনুযায়ী
বর্তমান আইনি কাঠামোয় আয় ও করের হিসাব যে আয়বর্ষের জন্য প্রযোজ্য, সেই কাঠামো অনুসরণ করেই রিটার্ন প্রস্তুত করতে হবে।
ভবিষ্যতে অর্থবছরের পরিবর্তনের ফলে যদি আয়কর আইনের সময়কালেও পরিবর্তন আনা হয়, তাহলে একই ৳১৪,০০,০০০ আয় কোন সময়সীমার মধ্যে পড়বে—সেটি নতুন আইন বা নির্দেশনার ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।
অর্থাৎ—
📌 ক্যালেন্ডার পরিবর্তন মানেই করের হিসাব স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন নয়।

❌ করদাতারা যে ভুলগুলো করতে পারেন
১️⃣ সংবাদ দেখে রিটার্নের সময়কাল নিজের মতো পরিবর্তন করা
সরকারি অর্থবছরের পরিবর্তনের খবর শুনেই আয়কর হিসাব এপ্রিল–মার্চে শুরু করে দেওয়া সঠিক পদ্ধতি নয়।
২️⃣ “অর্থবছর” ও “আয়বর্ষ” একই মনে করা
দুটি বিষয় পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও আইনগতভাবে সবসময় একই অর্থ বহন করে না।
৩️⃣ ৯ মাসের অন্তর্বর্তী সময়কাল উপেক্ষা করা
এই বিশেষ সময়কাল ভবিষ্যতে হিসাব, কর ও কর-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
৪️⃣ উৎসে করের দলিল ও আয়বর্ষের মিল যাচাই না করা
ব্যাংক সুদ, বেতন, বিভিন্ন সেবা বা অন্যান্য উৎস থেকে কর্তিত করের সনদ কোন সময়ের জন্য প্রযোজ্য—এটি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা জরুরি।
৫️⃣ আইন পরিবর্তনের আগে অনুমানের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া
কর-সংক্রান্ত বিষয়ে “সম্ভবত এমন হবে” ধরে হিসাব করলে পরবর্তীতে তথ্য সংশোধন বা অতিরিক্ত কর-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন হতে পারে।

📁 করদাতার করণীয়
অর্থবছর পরিবর্তনের এই সময়ে কিছু বিষয় বিশেষভাবে গুছিয়ে রাখা ভালো—
✅ আয় ও ব্যয়ের হিসাব নিয়মিত সংরক্ষণ করুন।
✅ ব্যাংক হিসাবের বিবরণী ও ব্যাংক সুদের সনদ সংরক্ষণ করুন।
✅ উৎসে কর্তিত করের প্রমাণপত্র সংরক্ষণ করুন।
✅ বেতন, ব্যবসা বা পেশাগত আয়ের দলিল আলাদা করে রাখুন।
✅ বিনিয়োগ, সম্পদ ও দায়সংক্রান্ত নথিপত্র হালনাগাদ রাখুন।
✅ ভবিষ্যতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নতুন নির্দেশনা প্রকাশিত হলে তা বর্তমান আইন ও পূর্ববর্তী প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিলিয়ে দেখুন।

💡 একটি গুরুত্বপূর্ণ ভুল ধারণা দূর করা প্রয়োজন
অনেকে ভাবতে পারেন—
“অর্থবছর এপ্রিল–মার্চ হলে আমার আয় বেড়ে বা কমে যাবে, কিংবা করও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলে যাবে।”
বাস্তবে অর্থবছরের সময়সীমা পরিবর্তন মূলত রাষ্ট্রীয় বাজেট, সরকারি হিসাব, উন্নয়ন ব্যয়, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের সময়চক্র পরিবর্তনের বিষয়।
এতে একজন করদাতার কর-দায়, আয়বর্ষ, করবর্ষ বা রিটার্নের পদ্ধতিতে কী প্রভাব পড়বে—তা নির্ভর করবে প্রযোজ্য আইন এবং ভবিষ্যতে জারিকৃত সংশ্লিষ্ট বিধি, সংশোধনী ও নির্দেশনার ওপর।

👨‍💼 পেশাগত পর্যবেক্ষণ
আয়কর রিটার্ন শুধু একটি নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করার বিষয় নয়।
এটি একজন করদাতার—
আয়,
উৎসে কর্তিত কর,
বিনিয়োগ,
সম্পদ,
দায় এবং
আর্থিক তথ্যের
মধ্যে একটি আইনসম্মত ও সামঞ্জস্যপূর্ণ কর-সংক্রান্ত নথি তৈরি করার প্রক্রিয়া।
আর যখন রাষ্ট্রীয় অর্থবছরের মতো একটি মৌলিক সময়কাঠামো পরিবর্তিত হয়, তখন শুধু “নতুন তারিখ” জানলেই যথেষ্ট নয়।
বোঝা জরুরি—
কোন পরিবর্তনটি শুধু প্রশাসনিক, আর কোন পরিবর্তনটি সরাসরি আয়কর আইন ও করদাতার কর-সংক্রান্ত দায়বদ্ধতাকে প্রভাবিত করছে।

শেষ কথা
বাংলাদেশের অর্থবছর জুলাই–জুন থেকে এপ্রিল–মার্চে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত পরিবর্তন।
সরকারের ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭–২৮ অর্থবছর হবে ৯ মাসের অন্তর্বর্তী সময়কাল এবং ২০২৮–২৯ অর্থবছর থেকে নতুন এপ্রিল–মার্চ অর্থবছর চালুর কথা রয়েছে।
তবে একজন সচেতন করদাতার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—
অর্থবছর পরিবর্তনের খবর শুনে নিজের আয়কর হিসাব, আয়বর্ষ বা রিটার্নের সময়কাল অনুমানের ভিত্তিতে পরিবর্তন না করা।
প্রযোজ্য আইন, সংশোধনী, সরকারি প্রজ্ঞাপন, বিধি এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার ভিত্তিতেই কর-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া নিরাপদ।
❓ আপনার আয়কর রিটার্নে প্রদর্শিত আয়, উৎসে কর্তিত কর, ব্যাংক লেনদেন এবং সম্পদ বৃদ্ধির হিসাব—সবগুলো কি একই প্রযোজ্য সময়কালের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ?

সতর্কতা:
এই পোস্টটি সাধারণ কর-সচেতনতার উদ্দেশ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। নির্দিষ্ট করদাতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন, দলিলপত্র এবং ব্যক্তিগত বা ব্যবসায়িক পরিস্থিতি অনুযায়ী কর-প্রভাব ভিন্ন হতে পারে। অর্থবছর পরিবর্তনসংক্রান্ত আইনগত ও প্রশাসনিক বাস্তবায়নের অগ্রগতির সঙ্গে নতুন নির্দেশনা প্রযোজ্য হতে পারে।

📌 e-TIN বন্ধ/বাতিল করবেন যেভাবেআপনার e-TIN আর প্রয়োজন না থাকলে নির্দিষ্ট আইনগত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে TIN বাতিলের জন্য আবেদন...
19/08/2026

📌 e-TIN বন্ধ/বাতিল করবেন যেভাবে

আপনার e-TIN আর প্রয়োজন না থাকলে নির্দিষ্ট আইনগত শর্ত পূরণ সাপেক্ষে TIN বাতিলের জন্য আবেদন করতে পারেন।

🌐 প্রথমে অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান

👉 NBR (জাতীয় রাজস্ব বোর্ড):
"nbr . gov . bd"

👉 NBR e-Tax/e-Return:
"etaxnbr . gov . bd"

📱 ধাপে ধাপে যা করবেন

১️⃣ আপনার TIN সার্টিফিকেট বের করুন
সার্টিফিকেটে থাকা Tax Zone ও Tax Circle দেখে সংশ্লিষ্ট কর অফিস/সার্কেল শনাক্ত করুন।

২️⃣ TIN বাতিলের উপযুক্ত কারণ আছে কি না নিশ্চিত করুন
যেমন—
• বর্তমানে TIN-এর প্রয়োজন নেই
• আয়কর রিটার্ন দেওয়ার আইনগত প্রয়োজন আর নেই
• ব্যবসা/আয়ের উৎস বন্ধ হয়েছে
• ভুলবশত/একাধিক TIN হয়েছে
• অন্যান্য বৈধ কারণ

বর্তমান আয়কর আইন, ২০২৩-এর ধারা ২৬২-তে TIN নিবন্ধন বাতিলের বিভিন্ন পরিস্থিতি উল্লেখ রয়েছে।

৩️⃣ সংশ্লিষ্ট উপ-কর কমিশনারের কাছে বাতিলের আবেদন করুন
NBR-এর FAQ অনুযায়ী, TIN-এর প্রয়োজন না থাকলে সংশ্লিষ্ট কর সার্কেলের উপ-কর কমিশনারের কাছে কারণ উল্লেখ করে আবেদন করা যায়। কর্তৃপক্ষ আবেদন, পরিদর্শন বা শুনানির ভিত্তিতে TIN-এর কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করতে পারেন।

৪️⃣ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত রাখুন
সাধারণত প্রয়োজন হতে পারে—
• TIN Certificate
• NID-এর কপি
• বাতিলের কারণ
• প্রয়োজন অনুযায়ী রিটার্ন/অন্যান্য কাগজপত্র

৫️⃣ আবেদন অনুমোদন হলে TIN বাতিল/নিষ্ক্রিয় করা হবে।

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

শুধু TIN থাকলেই যে সবার একইভাবে রিটার্ন দিতে হবে বা সবাই TIN বাতিল করতে পারবেন—বিষয়টি এমন নয়। আপনার বর্তমান আয়, পেশা, ব্যবসা এবং রিটার্ন দাখিলের বাধ্যবাধকতার ওপর বিষয়টি নির্ভর করে।

তাই শুধু “১ ক্লিকে TIN বন্ধ” বলা ঠিক নয়। নিরাপদভাবে NBR-এর অফিসিয়াল নির্দেশনা অনুসরণ করে আবেদন করুন।

📌 অফিসিয়াল তথ্য:
"NBR-এর আয়কর

🔗 অনলাইন e-Return:
"etaxnbr . gov . bd"
জনস্বার্থে তথ্যটি শেয়ার করুন।

🚨 ব্যাংকে টাকা জমা আছে? রিটার্ন জমা না দিলে কিন্তু কাটা যাবে ৫০% অতিরিক্ত ট্যাক্স!বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব তফসিলি ব্যাংকে...
15/08/2026

🚨 ব্যাংকে টাকা জমা আছে? রিটার্ন জমা না দিলে কিন্তু কাটা যাবে ৫০% অতিরিক্ত ট্যাক্স!

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব তফসিলি ব্যাংকের জন্য জারি হলো নতুন ও কড়া নির্দেশনা। ব্যাংকের আমানত ও উৎসে কর সংক্রান্ত বিষয়ে যে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়েছে:

🔴 ট্যাক্স রিটার্নের প্রমাণপত্র বা PSR না দিলে ব্যাংকের সুদের ওপর নির্ধারিত হারের চেয়ে ৫০% অতিরিক্ত ট্যাক্স কাটা হবে।

🟡 সঞ্চয়ী, স্থায়ী কিংবা মেয়াদী - সব ধরনের আমানতের মুনাফা থেকেই প্রাপকের ধরণ অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে কর কর্তন বাধ্যতামূলক।

🟢 ব্যাংকগুলোর অবহেলার কারণে যাতে রাজস্ব না হারায়, সেজন্য গ্রাহকের কর্তন করা ট্যাক্স দ্রুত সরকারি কোষাগারে জমাদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

🔵 জুন মাসের কর্তনকৃত ট্যাক্স পরবর্তী দিন বা ৭ দিনের মধ্যে এবং অন্যান্য মাসের ট্যাক্স পরের মাসের প্রথম ২ সপ্তাহের মধ্যে জমা দিতে হবে।

🟣 কেটে নেওয়া ট্যাক্সের টাকা ব্যাংকগুলো আর নিজেদের কোনো সাধারণ লেজার বা অ্যাকাউন্টে জমা রেখে সময়ক্ষেপণ করতে পারবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এই কঠোর পদক্ষেপের ফলে সরকার সময়মতো রাজস্ব পাবে এবং কর ফাঁকি কমবে। এর প্রভাবে সাধারণ ব্যাংক গ্রাহকদের মধ্যে সঠিক সময়ে ট্যাক্স রিটার্ন জমা দেওয়ার প্রবণতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে। আপনার কি মনে হয়? 🫡

12/08/2026

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) নতুন নিয়ম অনুযায়ী উপহার বা দানে করের বিধানগুলো :

■ করমুক্ত সম্পর্ক: স্বামী-স্ত্রী,বাবা-মা,সন্তান এবং আপন ভাই-বোনের উপহারে কোনো কর নেই।

■ করযোগ্য সম্পর্ক: শ্বশুরবাড়ির লোকজন (শ্বশুর-শাশুড়ি, শ্যালক-শ্যালিকা),বন্ধু বা অন্য আত্মীয়দের উপহারে কর দিতে হবে।

■ ভাই-বোনের সুবিধা: প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ বা আপন ভাই-বোনের দান এখন থেকে পুরোপুরি করমুক্ত।

■ ব্যাংকিং বাধ্যবাধকতা: ৫ লাখ টাকার বেশি উপহার অবশ্যই ব্যাংকের মাধ্যমে নিতে হবে, নাহলে কর দিতে হবে।

■ রিটার্ন দাখিল: উপহার করমুক্ত হলেও তা দাতা ও গ্রহীতা উভয়কে আয়কর রিটার্নে দেখাতে হবে।

■ সম্পত্তির ধরন: নগদ টাকা, জমি বা ফ্ল্যাট—সব ধরনের উপহারের ক্ষেত্রেই এই নিয়ম প্রযোজ্য।

Address

Mirpur
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tax with Joy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share