Md.mahbubur Rahman

Md.mahbubur Rahman quite simple

"আল্লাহকে যারা বেসেছে ভালোদুঃখ কি আর তাদের থাকতে পারে"
25/01/2024

"আল্লাহকে যারা বেসেছে ভালো
দুঃখ কি আর তাদের থাকতে পারে"

A SOULFUL CREATION WITH THE LEGENDARY ARTISTS!একটি কালজয়ী সুপ্রসিদ্ধ গান "আল্লাহকে যারা বেসেছে ভালো" এই গানটি আপনাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার গান। আ....

21/02/2020

#আমার জীবনের উপলব্ধি #

শাহ্ আব্দুল হান্নান
-
আমি ৮০ বছর বয়স পার করেছি। এই দীর্ঘ জীবনে নিজের অনেক অভিজ্ঞতা ও উপলব্ধি হয়েছে। সেসব উপলব্ধি থেকে কিছু এটা পাঠকদেরকে অবিহিত করছি, যাতে তারা চিন্তার খোরাক পেতে পারেন। সব সময় আমি সংযত চিন্তা করেছি। গভীরভাবে ভেবেছি। কারণ সেই হিসেবে আমার উপলব্ধি হয়েছে যা পাঠকদের জন্য বিরাট উপকারী হতে পারে। একে একে আমার পনেরোটি উপলব্ধি নিম্নে উপস্থাপন করছি।

১. কাউকে যোগ্য লোক হতে হলে তার উচিত গুরুত্বপূর্ণ অনেক বই পড়া। এসব বই হতে পারে ইসলামের ওপর এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়ের ওপর। গণ্যমান্য লেখকের বই বাছাই করা উচিত। কারণ সব লেখকের উপলব্ধি সমান হয় না। যারা সিনিয়র লেখক, তারা অনেক চিন্তা করে লিখে থাকেন।

২. ইসলামের জন্য কাজ করতে হলে পবিত্র কুরআনের অর্থ প্রতি বছর অন্তত একবার পড়া উচিত। কুরআনের সাথে গভীর সংযোগ ছাড়া ইসলামের মহৎ কর্মী হওয়া সম্ভব নয়। কুরআন শরিফ অসাধারণ গ্রন্থ। এতে রয়েছে আল্লাহ তায়ালা সম্পর্কে বা তাওহিদ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা; নৈতিকতা সম্পর্কে ব্যাপক আলোচনা; শিরকের বিরুদ্ধে যুক্তি এবং অনৈতিকতার বিরুদ্ধে বড় শাস্তির ঘোষণা।

৩. ইসলামের জন্য যোগ্য লোক তৈরি করা জরুরি। এ জন্য সিনিয়র লোকদের উচিত ছাত্রছাত্রীদের নিয়ে ক্লাস করা। একেকটি ক্লাসে ১৫-২০ জন থাকতে পারে। এই কোর্স এক বা দুই বছরের জন্য হতে পারে। নিজে এ রকম ১০টি কোর্স করেছি। এসব কোর্স কুরআনভিত্তিক ও উন্নত ইসলামী সাহিত্যভিত্তিক হতে হবে।

৪. নারীদের সব সময় খুব গুরুত্ব দিতে হবে। তাদের ব্যাপক অংশগ্রহণ ছাড়া ইসলামের বা দেশের সত্যিকার কল্যাণ হতে পারে না। তাদের মর্যাদা ও অধিকার সুনিশ্চিত করতে হবে।

৫. বর্তমানে যেসব ইসলামী সংগঠন রয়েছে সেগুলোকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। সংগঠন ছাড়া বড় কাজ করা যায় না। প্রত্যেকেরই উচিত তার পছন্দের ইসলামী সংগঠনে যোগদান করা।

৬. অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বইগুলো বেশি করে ছড়িয়ে দেয়া দরকার। ইসলামী দাওয়াতের অগ্রগতি নির্ভর করে মানুষকে ইসলামী বই দেয়ার ওপর। বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বই। অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইসলামী বই ভালো করে ছড়ানো হয়নি। এসব গুরুত্বপূর্ণ বই ছড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।

৭. সমাজসেবার মাধ্যমে প্রত্যেকের উচিত নিজের গ্রাম বা এলাকার দারিদ্র্য দূর করা। সব কিছুই সরকার করতে পারে না। সে জন্য ব্যক্তি উদ্যোগের প্রয়োজন অনেক।

৮. মধ্যপন্থাই উত্তম। আল্লাহতায়ালা কুরআনের মধ্যপন্থার কথা বলেছেন। মুসলিম জাতিকে তিনি ‘মধ্যপন্থী’ উম্মত বলেছেন।

৯. হঠকারিতা ও বাড়াবাড়ি ভালো নয়। কুরআনের বিভিন্ন জায়গাতে বাড়াবাড়ির নিন্দা করা হয়েছে। সূরা নাহলের ৯০ আয়াতে আল্লাহ তায়ালা বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন।

১০. শ্রমিকরা আমাদের দেশে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই বঞ্চিত। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে তারা উপযুক্ত মজুরি পান না। বাধ্য হয়ে তাদেরকে অনেক আন্দোলন করতে হয়। অথচ শ্রমিকদের সমস্যা বোঝা আমাদের সবারই দায়িত্ব।

১১. গৃহকর্মীদের/গৃহে যারা কাজ করে, তাদেরই খুবই কম মজুরি দেয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বর্তমানে তাদেরকে দুই থেকে তিন হাজার করে টাকা দেয়া হচ্ছে। অথচ এই মজুরি যা দেয়া উচিত তার অর্ধেকও নয়।

১২. যারা অফিসে কাজ করেন তাদের উচিত সব সাক্ষাৎপ্রার্থীকে সাক্ষাতের সুযোগ দেয়া। এর ফল খুব ভালো হয়। এমনকি সুবিচার করতেও এটা সহায়ক হয়ে থাকে।

১৩. অফিসের কাজ ফেলে রাখা উচিত নয়। কাজ ফেলে রাখলে পরে তা জটিলতা সৃষ্টি করে।

১৪. বিদেশ সফরে গেলে কিছু ইসলামী বই সাথে নিয়ে গেলে ভালো হয়। এতে বিদেশে ইসলামের দাওয়াত দিতে অনেক সুবিধা।

১৫. বিদেশ সফরে গেলে সেই দেশের স্থানীয় মসজিদ ও স্থানীয় ইসলামী সংগঠনের অফিস পরিদর্শন করে আসা উচিত। এতে উম্মাহর মধ্যে পারস্পরিক সর্ম্পক বৃদ্ধি পায়।

১৬. বিশ্বের বড় শক্তিগুলো আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সুবিচারের নীতি অনুসরণ করে না। তারা নিজেদের রাজনৈতিক ও ব্যবসায়ী স্বার্থে কাজ করে। অনেকসময় শোষণ করে।

১৭. সবর (ধৈর্য) মহা ওষুধ। সবর সব সময় সব অবস্থায় মানুষকে সাহায্য করে।

১৮. যে রাগারাগি করে, তার ভুল করার সম্ভাবনা বেশি।

১৯. সাধ্যমতো দান করা উচিত। দান করলে কেবল অন্যের নয়, নিজেরও কল্যাণ হয়।

২০. মানবজাতির সংশোধনের জন্য সাধ্যমতো ভালো কাজের আদেশ এবং মন্দ কাজের নিষেধ করা উচিত।

আমি নিজের উপলব্ধিগুলো বললাম। যদি এগুলো আপনাদের ভালো লেগে থাকে, তবে আপনারাও এগুলোকে আপনাদের কাজের ভিত্তি বানাতে পারেন।

লেখক : সাবেক সচিব, বাংলাদেশ সরকার

১৩–তেই ফলোয়ার ১৫ লাখ!শিশু জন্ম দেওয়ার আগে অন্য সব মায়ের মতো আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হয়েছিল শাকিলা ইমরোজকে। সেই রিপোর্ট অনুয...
09/02/2020

১৩–তেই ফলোয়ার ১৫ লাখ!

শিশু জন্ম দেওয়ার আগে অন্য সব মায়ের মতো আল্ট্রাসনোগ্রাম করতে হয়েছিল শাকিলা ইমরোজকে। সেই রিপোর্ট অনুযায়ী অনাগত শিশু ডাউন সিনড্রোম নিয়ে জন্মাবে বলে ডাক্তাররা আশঙ্কা প্রকাশ করেন। তবে ডাক্তারদের সেই আশঙ্কাকে ভুল প্রমাণিত করে বাস্তবে যে শিশুটি পৃথিবীতে এসেছিল, সে সম্পূর্ণ সুস্থ ও স্বাভাবিক। তখনই মা শাকিলা মনে মনে নিয়ত করেছিলেন, এই সন্তানটিকে তিনি কোরআনে হাফেজ বানাবেন। বাস্তবে সেটাই হয়েছে। তাঁর মেয়ে শুধু ত্রিশ পারা কোরআন শরিফ মুখস্থ করেনি, এখন সে সারা পৃথিবীর মুসলিম তরুণ সমাজের আইকন।
অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী মারইয়াম মাসুদ। বাবা-মা আর তিন বোনের সঙ্গে সে বাস করে নিউজার্সির সমারসেটে। বাবা–মা দুজনেই বাংলাদেশি। বাবা মাসুদুর রহমানের বাড়ি বগুড়া আর মা শাকিলার বাড়ি দিনাজপুর। তবে মারিয়ামের জন্ম ও বড় হয়ে ওঠা আমেরিকায়। ভিনদেশে, ভিন্ন সংস্কৃতিতে বেড়ে ওঠা একটি শিশু মাত্র নয় বছর বয়সে কোরআনে হাফেজ হয়েছে। মাত্র তিন বছর বয়স যখন, তখনই ওর সুরেলা কণ্ঠের কোরআন পাঠ বিস্মিত ও মুগ্ধ করত সবাইকে। সাত থেকে নয়, দুই বছর অক্লান্ত পরিশ্রমের পর অবশেষে মারইয়াম ত্রিশ পারা পবিত্র কোরআন মুখস্থ করেছে।

মারইয়াম এখন গাইড ইউএস টিভিতে ‘কোরআন উইথ মারইয়াম’ শীর্ষক শিশুদের একটি অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করছে। মারইয়াম বহু জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে প্রথম হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে। ইউটিউবে তার ভিডিও দেখতে সবার খুব আগ্রহ। মারিয়ামের ভেরিফায়েড ফেসবুক ও ইউটিউব মিলে সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা ইতিমধ্যে ১৫ লাখ ছাড়িয়ে গেছে। তার বেশির ভাগ অনুসারী আমেরিকা ও যুক্তরাজ্যের।
মারিয়ামের বাবা মাসুদুর রহমান পেশায় একজন সফটওয়্যার আর্কিটেক্ট। ব্যারাইজন ওয়ারলেস টেকনিক্যাল টিমের সদস্য তিনি। তিনিই মেয়ের ইউটিউব ও ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে দেন।
মারইয়াম বর্তমানে নিউজার্সির গভর্নর ফিল মারফির একটি প্রচার কাজে সাহায্য করছে। ‘ইন্টারফেইথ হিউম্যানেটারিয়ান’ কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত সে। কিছুদিন আগে একটি ইন্টারফেইথ ইভেন্টে অতিথি বক্তা হিসেবে অংশ নেয় মারইয়াম, যেখানে সিনেটর বব মেনেনডেজ ও কংগ্রেসম্যান ফ্রাঙ্ক পেলোনসহ বহু প্রভাবশালী ও বিখ্যাত মানুষ উপস্থিত ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার টেলিভিশন চ্যানেল ওয়ানফোরকিডস এবং মালয়েশিয়ান চ্যানেলে ‘ওমর’ ও ‘হানা শো’তে কাজ করে মারইয়াম। বিশ্বজুড়ে পিতৃমাতৃহীন শিশুদের নিয়ে কাজ করা সংস্থা ইসলামিক রিলিফ ইউএসএর সম্মানিত দূত সে। সম্প্রতি সে সিরিয়া ও ইয়েমেনের এতিম শিশুদের জন্য ২৫ হাজার ডলার সংগ্রহ করেছে, যা বাংলাদেশি টাকায় ২১ লাখ।
বিশ্বকে পাল্টে দেওয়ার স্বপ্ন দেখে কোরআনে হাফিজা মারইয়াম মাসুদ। অনেকে বলেন, আজকালের দিনে দ্বীন ও দুনিয়ার মধ্যে সমন্বয় রাখা কঠিন। কিন্তু মারিয়াম সেটা করে দেখিয়েছে। সে যে শুধু কোরআনের আয়াত সুন্দরভাবে তিলাওয়াত করে, তা নয়, ধর্ম সম্পর্কেও গভীর ও প্রকৃত জ্ঞান রাখে।
পবিত্র কোরআনে হাফেজা হওয়ার জন্য মারইয়াম প্রথমে ধন্যবাদ জানায় আল্লাহ তায়ালাকে। তারপর অবশ্যই বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণার কথা উল্লেখ করে। অবাক ব্যাপার হল, মারিয়াম কোন নির্দিষ্ট হিফজের স্কুলে কখনো ভর্তি হয়নি। মায়ের মুখে শুনে কোরআন মুখস্থ করেছে সে। সেই কথা বলতে গিয়ে সে জানায়, ‘আমার মা প্রচণ্ড পরিশ্রম করেছে আমার জন্য। আমাকে শেখানোর প্রস্তুতি হিসেবে মা তাজবিদ কোর্স সম্পন্ন করেছেন। নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে অধ্যয়ন করেছেন। এখনো তিনি আল মাগরিব ইনস্টিটিউটে অধ্যয়ন করছেন।’
মেয়েকে কোরআন মুখস্থ করানোর জন্য অনেক কৌশল অবলম্বন করতে হয়েছে মাকে। কারণ মাঝে মাঝে শিশু কন্যার মতো মনে হতো, এত লম্বা সুরা মুখস্থ রাখা খুব কঠিন। অনেক সময় সে বলত, আর পারবে না সে। তখন মারইয়ামের মা বলতেন, ‘চল একটা প্রতিযোগিতা করি। কে কত তাড়াতাড়ি এই পৃষ্ঠা মুখস্থ করতে পারি, যে পারবে সে–ই জয়ী হবে।’ এভাবে মা আর মেয়ের প্রতিযোগিতা চলত। কখনো মেয়ে বাড়িতে খেলা করছে, মা ঘরের কাজ করছেন। কাজ করতে করতেই মা তার মুখস্থ সুরাগুলো পাঠ করতেন, মেয়ে শুনে শুনে মুখস্থ করত। স্কুলে যাওয়ার সময় গাড়ির সিডিতে সুরা দেওয়া হতো। মারিয়াম কখনো মুখস্থ করত, কখনো মুখস্থ করা সুরাটা আবার ঠিক আছে কিনা দেখত। স্কুল থেকে আসার পথে একই কাজ করত সে। এভাবেই কাজটা সহজ হয়ে যায়।
স্কুলে পড়াশোনার পাশাপাশি কীভাবে কোরআন চর্চা ও ইউটিউবে নিজের চ্যানেলে সময় দেয় মারইয়াম? বিষয়টা সহজ নয়। কিন্তু সে এই কাজটিকে সহজ করে নিয়েছে। বাসায় ফিরে প্রথমেই সে সব হোম ওয়ার্ক শেষ করে ফেলে। তারপর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেয়। এরপরে মাগরিবের নামাজ শেষ করে পবিত্র কোরআন নিয়ে বসে। মারইয়াম মনে করে, কোন কিছু পরিকল্পনার সঙ্গে নিয়মিত করতে থাকলে ফল পাওয়া যায়।
ভয়েজ অব আমেরিকার সঙ্গে কথা বলছে মারইয়াম
ভয়েজ অব আমেরিকার সঙ্গে কথা বলছে মারইয়াম
ভবিষ্যতে ইসলামিক স্কলার হতে চান মারইয়াম, যাতে আগামী প্রজন্ম পবিত্র কোরআন পড়তে ও তার বাণীর সৌন্দর্য অনুধাবন করতে পারে। বাংলাদেশে কিংবা আমেরিকায় যারা বাঙালি আছেন, তাদের মধ্যে মেয়েদের কোরআনে হাফিজা হওয়ার সংখ্যা খুব কম। ভারত ও পাকিস্তানের মেয়েদের মধ্যে বরং কোরআনে হাফিজার সংখ্যা অনেক বেশি। বাংলাদেশের মানুষ অনেকেই বিশ্বাস করে, কোরআন শরিফে হাফেজ হওয়া শুধু পুরুষদের কাজ। এ নিয়ে মারইয়ামের অভিমত, ‘মহানবী (স.)–এর সাহাবিদের মধ্যে নারীরাও ছিলেন। যেমন আয়শা (রা.) অনেক নির্ভরযোগ্য হাদিস দিয়েছেন। আর ভুলে গেলে চলবে না খাদিজা (রা.) প্রথম ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিলেন। ইসলামের মনীষী ও কোরআনে হাফেজ রাবিয়া বসরীর কথা সবাই জানে।
মারইয়াম মনে করে, কোরআন শরিফ মুখস্থ করা মানে সিঁড়ির প্রথম ধাপে আছে সে। এখন তাকে কোরআনকে বুঝতে হবে। তার অর্থ জানতে হবে। সেই মতো জীবন পরিচালনা করতে হবে।
মারইয়ামের বয়সী অন্য দশটি মেয়ের মতো সেও এখন অবসর পেলে ছোট বোনের সঙ্গে খেলা করে। আবহাওয়া চমৎকার থাকলে বাইক চালায় বোনের সঙ্গে। বড় বোন মাইশার সঙ্গে বাসার সামনে লনে ব্যাডমিন্টন খেলে, ট্যাবে গেমসও খেলে। তবে সবকিছু করে স্কুলের পড়াশোনা ও কোরআন পাঠ করার পর। পুরো কোরআনে মারইয়ামের সবচেয়ে প্রিয় সুরা হল সুরা আল ইউসুফ। কারণ এর একটা কাহিনি আছে।
নিউজার্সির সমারসেটে যেখানে মারইয়ামের জন্ম ও বেড়ে ওঠা, সেখান থেকে নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসে আসতে গাড়িতে সোয়া এক ঘণ্টার মতো লাগে। ২০০৬ সালের মার্চে জন্ম হয় তার। ছোট থেকেই তার মধ্যে অন্যরকম এক ক্ষমতা আবিষ্কার করতে পারে বাবা-মা। মুখস্থ রাখার অসামান্য ক্ষমতা ওর। মা শাকিলা ধর্মপ্রাণ একজন মানুষ। তিনি বেশ সময় দেন মেয়েকে। মূলত তার কারণে নয় বছর বয়সে কোরআনে হাফেজ হয় মারইয়াম। এর আগে মাত্র আট বছর বয়সে ইকনা কনফারেন্সে প্রায় ২০ হাজার মানুষের সামনে কোরআন তিলাওয়াত করে সে চমকে দেয় সবাইকে। মারইয়ামের কণ্ঠের গভীরতা ও মাধুর্য সবার হৃদয়কে স্পর্শ করে। বিশ্বজুড়ে এখন তার লাখ লাখ অনুসারী। পৃথিবীর যে প্রান্তেই যায়, হাজার হাজার মানুষ ভিড় করে তাকে এক নজর দেখার জন্য।
এই মারইয়ামের আরেকটা পরিচয় আছে। দস্যু বনহুরের লেখক রোমেনা আফাজের প্রপৌত্রী সে। অর্থাৎ বাবা মাসুদুর রহমানের দাদি হলেন এই লেখক, যার রহস্য রোমাঞ্চ কাহিনি ছিল এক কালে বাঙালির সবচেয়ে প্রিয় আকর্ষণ। ২০১০ সালে স্বাধীনতা পদক পান লেখিকা রোমেনা আফাজ।
মারইয়ামের বড় বোন মায়িশা মাসুদ নিউজার্সির রাটগার ইউনিভার্সিটিতে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়াশোনা করছে। ছোট বোন ফাতিমা মাসুদের বয়স মাত্র পাঁচ বছর। এই বয়সেই সে পবিত্র কোরআন শরিফের চার পারা মুখস্থ করেছে। বোন মারইয়ামের মতোই সে খুব ভালো বক্তা। বহু আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নিয়েছে এরই মধ্যে। মারইয়াম ও বোন ফাতিমা বহু দেশ সফর করেছে, যার মধ্যে আছে যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কানাডা, সৌদি আরব, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ড। তাদের সফরের উদ্দেশ্য ছিল তরুণ সমাজের মধ্যে পবিত্র কোরআনের বাণী পৌঁছে দেওয়া।

মনিজা রহমান
০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০,
প্রথম আলো

06/04/2019

মুফাসসির ও আলেমদের উদ্দেশ্যে আল্লামা কামাল উদ্দিন জাফরি ।

27/03/2019

বর্তমান মুসলিম পরিবার কিভাবে ফ্যামেলি কাউন্সেলিং করবে ?

27/03/2019

নামাজে কি সূরা ফাতিহা পড়তেই হবে?

''১৪০০ বছর আগে এই পৃথিবীকে আলোকিত করা একজন ভিনদেশী, ভিন্নভাষী ব্যাক্তি, কি করে আজ শত শত কোটি হৃদয়ের স্পন্দন''
26/03/2019

''১৪০০ বছর আগে এই পৃথিবীকে আলোকিত করা একজন ভিনদেশী, ভিন্নভাষী ব্যাক্তি, কি করে আজ শত শত কোটি হৃদয়ের স্পন্দন''

যারা বোঝে না, ১৪০০ বছর আগে এই পৃথিবীকে আলোকিত করা একজন ভিনদেশী, ভিন্নভাষী ব্যাক্তি, কি করে আজ শত শত কোটি হৃদয়ের স্প...

25/03/2019

"আমাদের সন্তানেরা রোবট নয় প্রকৃত মানুষ হোক "

17/03/2019

প্রশ্নঃ মৃত ব্যক্তির জন্য কুরআন পড়া কি জায়েজ? উত্তরে সাইয়্যিদ কামাল উদ্দিন জাফরী।

২০২২ সালের পর টিকে থাকবে না ইসরাইল!!!ইসরাইল এখন অনেক দুর্বল ও অনিরাপদ। ইসরাইলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন বহু ইসরাইলি নাগরিক উদ্ব...
16/09/2018

২০২২ সালের পর টিকে থাকবে না ইসরাইল!!!

ইসরাইল এখন অনেক দুর্বল ও অনিরাপদ। ইসরাইলের ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন বহু ইসরাইলি নাগরিক উদ্বিগ্ন ও সন্দিহান। ভেতর থেকেই ইসরাইলের ধ্বসে-পড়া এবং ধ্বংস ও বিলীন হওয়ার কথা ইসরাইলের পৃষ্ঠপোষকদের কণ্ঠেও ধ্বনিত হচ্ছে। এসবই প্রমাণ করে- ইসরাইলের যুদ্ধে জেতার দিন পুরোপুরি শেষ হয়ে গেছে। ইসরাইল যুদ্ধ বাধালে সে যুদ্ধ তার ইচ্ছায় শেষ হবে না। আর যুদ্ধ যদি প্রলম্বিত ও দীর্ঘায়ত হয় তাহলে ইসরাইল ভয়াবহ ও অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতির শিকার হবে এবং তা ইসরাইলের অস্তিত্বকেই করবে হুমকিগ্রস্ত।

২০১৩ সালের ১২ মার্চ Holiday পত্রিকায় মার্কিন লেখক Kevin Barrett প্রণীত 'Kissinger, US intelligence endorse a world without Israel' – এ প্রবন্ধে বলা হয়েছে: কতিপয় সংবাদ প্রতিবেদনে প্রকাশ, প্রাক্তন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডঃ হেনরি কিসিঞ্জার এবং আরো ষোলটি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা একমত প্রকাশ করেছেন যে অতি নিকট ভবিষ্যতে ইসরাইল আর টিকে থাকবে না।

‘নিউইয়র্ক পোস্ট’ কিসিঞ্জারের উদ্ধৃতি দিয়ে লিখেছে- দশ বছরের মধ্যে ইসরাইল আর থাকবে না। অর্থাৎ কিসিঞ্জারের মতে ২০২২ সালে ইসরাইল আর বিদ্যমান থাকবে না। কিসিঞ্জারের মতো মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যদিও নির্দিষ্ট করে সময়-সীমার কথা উল্লেখ করেনি কিন্তু তারা ( ১৬টি গোয়েন্দা সংস্থা ) ৮২ পৃষ্ঠার একটি বিশ্লেষণ প্রকাশ করেছে এ শিরোনামে: একটি ইসরাইলোত্তর মধ্যপ্রাচ্যের জন্য প্রস্তুতি ( Preparing for a Post-Israel Middle East )

১৬টি মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা একমত যে, ইসরাইল আরব বসন্ত, ইসলামী জাগরণ এবং ইরানের উত্থানের সমম্বয়ে গঠিত ফিলিস্তিনপন্থী ভবিষ্যৎ শক্তিকে মোকাবেলা ও প্রতিহত করতে পারবে না।

ইরানের মহান নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনী ২০১৬ সালে বলেছিলেন: আগামী ২৫ বছরের মধ্যে ইসরাইলের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে। ইসরাইল যদি (ইরানকে আক্রমণ করার মতো ) কোনো ভুল বা অন্যায় করে বসে তাহলে আমরা তেল আবিব এবং হাইফা নগরীকে মাটির সাথে মিশিয়ে দেব।

২০০৭ সালের ১২ ডিসেম্বরে ইসরাইলী সংবাদপত্র ইয়েদিঔত আহারোনৌত ynet news.com/ opinion : Gabi Sheffer-প্রণীত 'We won’t win in Gaza' তথা 'আমরা গাজায় কখনো জিততে পারব না' শীর্ষক প্রবন্ধে বলা হয়েছে: আইডিএফ তথা ইসরাইলী প্রতিরক্ষা বাহিনী গত ৩০ বছরে একটি যুদ্ধেও জেতেনি। বিশেষভাবে প্রণিধানযোগ্য যে গাজা পুনর্দখল করা হলে তা যুদ্ধ জেতার মতো এক অলীক ধারণার দিকে পরিচালিত করবে।
ফরেন পলিসি জার্নাল ও নিউ ইয়র্ক পোস্ট, ২৮ জুলাই ২০১৮

স্বামী সংসার নি‌য়ে একজন দা‌য়িত্ববান নারীর অসাধারণ ভাবনা !  #সংসার_ভাবনা।১- প্রথমে জানতে হবে জামাইরা কি চায়। আমরা বিয়ের আ...
14/09/2018

স্বামী সংসার নি‌য়ে একজন দা‌য়িত্ববান নারীর অসাধারণ ভাবনা !

#সংসার_ভাবনা।

১- প্রথমে জানতে হবে জামাইরা কি চায়। আমরা বিয়ের আগে সংসার নিয়ে যতটা সুখ স্বপ্ন দেখি, জামাইরা দেখে তার বহুগুন বেশী। তবে তারা সংসার নিয়ে যতটা দেখে তারচেয়ে বেশী দেখে বউ নিয়ে। হ্যা বউ। প্রতিটা ছেলের কাছে পরম আকাঙ্ক্ষিত পরম আরাধ্য বস্তু। এই বউ নিয়ে স্বপ্ন দেখার সময় কি তারা ঝগড়া করার স্বপ্ন দেখে? বউকে সারাদিন বকা দেয়ার ভুল ধরার স্বপ্ন দেখে? অবশ্যই না। তবে কেন এই আচরন গুলো করে?

কারন তারা বাহিরে যতটা শক্ত, ভিতরে ততটাই ভঙুর নরম। সেই নরম যায়গাটা কোন মেয়ের কাছে খুলে দেয়া নিরাপদ মনে করেনা তারা। কঠিন আচরনের আবরনে ঢেকে রাখে। আর অনেকক্ষেত্রে সেটাই উচিত। এমনিতেই তারা তাদের প্রাপ্য সম্মান আনুগত্য পায়না, যদি নরম হত তাহলে কি ঘটত কে জানে। আমাদের মেয়েদের চিন্তার গভীরতা অনেক কম, অনেক কম। তাদের মনের নরম যায়গাটা ছুতে হলে আগে তাদের এই আস্থাটা অর্জন করতে হবে, যে আমার দ্বারা তোমার আত্বসম্মান কখনই আঘাতপ্রাপ্ত হবেনা।

তারা চায় বউ তার সম্মান করুক, আনুগত্য করুক। স্ত্রীর কাছে ছোট হওয়াকে মারাত্বক ভয় পায়। অন্তত বাহিরের লোকের সামনে তারা স্ত্রীর কাছ থেকে পরিপূর্ন আনুগত্য চায়। এই জিনিসটা উনাদেরকে দিয়ে দেন। সাকিবা আপু একটু আগে লিখেছে yes boss বলতে। কথাটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে। yes boss বলা শিখে যান। সেই দিন দূরে না যেদিন বস কিছু বলার আগেই চিন্তা করবে আপনার উপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে না তো! কারন বললেই তো আপনি মেনে নিবেন। আবার মেনে নিয়ে যদি কোন খারাপ কিছু ঘটে সেটাও তো উনি দেখবে। তার সব সিদ্ধান্তই যে সঠিক না সেটা তাকে মুখে না বলে বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বুঝতে দিন। নিজেই তখন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আলোচনা করতে আসবে।

2- প্রত্যেক পুরুষ তার সঙ্গীর চোখে হিরো হতে চায়। আমরা যেমন চাই আমাদের সৌন্দর্য দেখে তারা মুগ্ধ হোক। তারা চায় তাদের সাহসিকতা, দায়ীত্বশীলতা, পুরুষত্ব আমাদেরকে মুগ্ধ করুক। অথচ আমরা এমন নাদান, মুগ্ধ হবার বদলে সুক্ষ খোচা দিয়ে তাদের পুরুষত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে বেশী পছন্দ করি, হিরোর বদলে বানিয়ে দেই হিরো আলম। ফলাফল খোচার বদলে খোচা, তারপর আবার খোচা। চলতেই থাকে। আমি যখন একটা বাকা কথা বলি সে নির্লিপ্ত থাকে। আমি আগে ভাবতাম গায়ে লাগেনা। এখন বুঝি গায়ে ঠিকই লাগে। আমার কোন কাজের ভুল ধরার মাধ্যমে সেটার প্রতিফলন হয়। এটা কেউ ইচ্ছা করে করেনা। কেউ বারবার আপনার ভুল ধরছে, সেটা যত যৌক্তিকই হউক, আপনি হয়ত চুপ করে থাকলেন, কিন্তু আপনার সামনে যখনই তার কোন ভুল আসবে আপনি সাথে রি এক্ট করে ফেলবেন খুব স্বাভাবিক ভাবেই। তাই আসুন খোচাখুচি বাদ দেই। প্রশংসার তেলে চুবিয়ে চুবিয়ে তাদেরকে চকচকে হিরো বানিয়ে রাখি। আফটার অল সে রাজা হলে আমরাই তো রানী।

৩- আপনি তার সাথে কি আচরন করছেন আর সে কি করছে এভাবে মাপতে যাবেন না। সে আপনার উপর দায়ীত্বশীল, আপনি না। আপনার ভালো মন্দের দায় তার উপর। যেমন আপনার উপর আপনার সন্তানের ভালো মন্দের দায়। তাই মাপতে হলে সন্তানের সাথে আপনার আচরন দিয়ে মাপুন। বাচ্চারা যেমন আপনার সব সিদ্ধান্ত সব নিষেধাজ্ঞার কারন বোঝেনা, আপ্নিও তেমন বুঝেন না এটা মেনে নিন। পুরুষ মানুষের দূরদর্শিতা এবং চিন্তার গভীরতা একটু বেশীই থাকে সাধারনত৷ সে যদি ভুল সিদ্ধান্ত নেয় তাকে তার ভুল থেকে শিখতে দিন। বলে বলে শেখানোর দরকার নাই, সম্ভবও না।

৪- আমরা মেয়েরা নিজেদেরকে যতটা দুর্বল আর অসহায় মনে করি, আদতে আমরা তা না। আল্লাহপাক ছেলেদেরকে শারিরীক শক্তি দিয়ে তাদের মনের চাবি মেয়েদের হাতে দিয়ে দিয়েছে। আমরা সে চাবিটা ঠিকমত চালাতে জানিনা। উলটো খারাপ ব্যাবহার, অবাধ্যতা, উদাসিনতার মাধ্যমে চাবিটাই হাতছাড়া করে ফেলি। পুরুষরা নারীর উপর অতিমাত্রায় নির্ভরশীল, তাদেরকে মিষ্টি কথায় ভোলানো এমন কোন কঠিন কাজ না। হ্যা যদি আপনি মনে করেন "আমিই কেন শুধু মিষ্টি কথা বলব", অথবা "আমি ভাই সোজা সাপটা কথা বলি, স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড, অত ভনিতা জানিনা" তাহলে আপনাকে আমার কিছু বলার নেই। কোন কথাটা কোথায় কখন কিভাবে বললে সর্বোত্তম রেসাল্ট আসবে এই জ্ঞান থাকাটা খুব জরুরি। তবে অনেকে রেসাল্ট চায় না। শুধুই তর্কে জিততে চায়।

৫- সে কেন আমাকে বোঝেনা। নাহ, বোঝেনা সে বোঝেনা, জাতীয় সমস্যা। আমার একসময় মেইন সমস্যা ছিলো এটা৷ সময় আমাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে আমি তাকে বুঝি এরচেয়েও কম। একটা দুই বাচ্চার মা সারাদিন ঘরে বসে কি করে এটা বোঝা একটা পুরুষের পক্ষে সম্ভব না, দরকারই বা কি বুঝানোর। যদি বলতে আসে সারাদিন ঘরে বসে করো কি? মুচকি হেসে বলে দেন "ও তুমি বুঝবে না"। ভুল ধরছে? ভালোত, একটা সারাক্ষন ভুল ধরার মানুষ থাকা খারাপ কিছুনা। নিজেকে শোধরানোর কি সুন্দর সুযোগ!

৬- আমরা সবাই কমবেশী অলসতা নামক মহামারীতে আক্রান্ত। নিজেদের যত্ন নিন, সুস্থ থাকুন, আর ধুমিয়ে কাজ করুন। কাজ শেষে ভাববেন না এত কাজ করলাম কেউ তো কৃতজ্ঞ হয়না। বরং নিজে কৃতজ্ঞ হোন, আলহামদুলিল্লাহ আমি আমার কাজগুলো করতে পেরেছি। একটা যায়গা তো আছেই যেখানে সব প্রতিদান জমা থাকে। যেখানে অবিচার হবেনা কারো সাথেই।

৭- মানুষের খারাপ আচরন ইগ্নোর করবেন কিভাবে? শশুরবাড়িতে কেউ একটা বাজে কথা বলল? প্রথমেই ইগ্নোর করার দরকার নেই। ভেবে দেখেন আপনি সত্যিই এই ভুলটা করেন কিনা। যদি করেন সাথে সাথে স্বীকার করে নেন। হ্যা এরকম তো হওয়া উচিত না, আমিও ভেবেছি, এই এই কারনে পারছিনা। চেষ্টা করবো। কিছু না বলে চুপচাপ থেকে ভেতরে ভেতরে গজগজ করবেন না। আর যদি ভুলটা আপনার মধ্যে না থাকে? তাহলে তো কোন কথাই নেই৷ যে খারাপ আচরন করছে এটা তার সমস্যা। সে অবুঝ। নিজের ভুল বুঝতে পারছেনা। তার জন্য দোয়া করে দেন। আল্লাহ উনাকে তুমি বুঝ দিয়ে দাও।

৮- শাশুরিকে বশ করার মন্ত্র বলে দেই আসেন। অল্প বয়সী শাশুরিকে বশ করবেন প্রশংসা দিয়ে। তার কর্মদক্ষতা, রান্না, ম্যানেজমেন্টের প্রশংসা করুন৷ শিখতে চান। সংসারের বিষয়ে উনার পরামর্শ নিন। মাঝে মাঝে উনার ছেলের নামে বিচার দেন। জামাইর কাছে শাশুরির বদনাম করার চেয়ে শাশুরির কাছে জামাইর বদনাম করা অধিক ফলপ্রসু৷ সিরিয়াস বিচার না, সে তো আমি বললে শুনে না আপনি বললে শুনবে এই টাইপের বিচার।শাশুরি স্বস্থি পাবে যাক, ছেলে তাহলে পুরোপুরি বউয়ের হয়ে যায়নি, বউয়ের সাথেও উল্টাপাল্টা করে।
আর শাশুরি যদি বয়স্ক হয় তাহলে শুধু গল্প করেন উনার সাথে। সময় দেন উনাকে। বৃদ্ধ বয়সে সবাই খুব লোনলি ফিল করে। নিজের ছেলেমেয়েরাও পাশে থাকেনা। উনাকে শুধু বলবেন ছোটবেলার গল্প বলতে, বিয়ের সময়ের গল্প বলতে, একবার উস্কে দিয়ে এরপর শুধু চুপচাপ বসে থাকবেন। দেখবেন কিভাবে বলে যাবে। শুনতে শুনতে একসময় দেখবেন আপনি আপনার খারুস শাশুরির প্রেমে পড়ে গেছেন।

৯- সবচেয়ে শেষ এবং সবচেয়ে জরুরি টিপস, আমল জোরদার করুন। রবের সাথে সম্পর্ক মজবুত করুন। সকাল সন্ধ্যার আমল মিস দিবেন না। দৈনিক তিলাওয়াত মিস দিবেন না। ইনশাআল্লাহ কোন বদনজর কোন ব্ল্যাক ম্যাজিক সংসারে অশান্তি আনতে পারবেনা। বাচ্চাদেরকে এবং স্বামীকেও নজরের দোয়া পড়ে পড়ে ফু দিয়ে রাখবেন৷ নিজের এবং সন্তানদের মধ্যে আমলের অভ্যাস গড়ে তুলবেন। স্বামীর সাথে আমল নিয়ে ঘ্যান ঘ্যানানো যাবেনা। সে আপনার অধীনস্ত না। তার জন্য আপনি জিজ্ঞেসিত হবেন না। তার জন্য শুধু দুয়া করবেন। সে হয় আপনাকে দেখে বদলাবে আর না হয় আপনার দুয়ায় নিজে নিজে বদলাবে। আপনার কথায় কখনোই বদলাবে না। বরং কথার দ্বারা হিতে বিপরীত হবার রেকর্ড বেশী৷
সবগুলো টিপস নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে দেয়া। জানিনা সব মিলিয়ে কার কতটুকু উপকার হবে। একটা সুখের মুহূর্তও যদি কারও সংসারে আসে আমার লেখা সার্থক৷ এই লেখা গুলো এখানের জন্যই। সেকুলারদের এগুলো দেখিয়ে মার খেতে যাবেন না। স্বামীর আনুগত্য কেন করতে হবে এই প্রশ্নের উত্তর দিতেই ভিমড়ি খাবেন। এখানে আশা করি এমন প্রশ্ন কারো মাথায় নেই। সবার জন্য অনেক অনেক দুয়া আর ভালোবাসা।

(লে‌খিকার নাম পাওয়া যায়‌নি)

Address

Dhaka
1207

Telephone

+8801703392660

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md.mahbubur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Md.mahbubur Rahman:

Share