Advocate Md. Aziz Ullah Emon, LL.M- CU

Advocate Md. Aziz Ullah Emon, LL.M- CU Md Aziz Ullah Emon is an advocate of the High Court Division of the hon'ble Supreme Court of Bangladesh.

He studied LL.B(Hons) & LL.M from the Department of Law, University of Chittagong.

10/06/2022

জীবনের প্রথম সাকসেশন সার্টিফিকেট কেইস ফাইলিং!

২০০৭/০৮ সালে একদিন সন্ধ্যায় চেম্বারে আসিফ ভাই এলেন। চেম্বারে এসেই শ্রদ্ধেয় সিনিয়র স্যার জনাব সৈয়দ আহমেদ স্যারকে সালাম দিলেন এবং ড. নাইম ভাইকে নিয়ে স্যারের সাথে একটা মামলা ফাইল করার বিষয়ে আলোচনা করতে লাগলেন। আসিফ ভাই খুব সম্ভবত ড. নাইম ভাইয়ের স্কুলের সিনিয়র ভাই ছিলেন। আসিফ ভাইয়ের সদ্য প্রয়াত মায়ের ব্যাংক একাউন্টে রক্ষিত বেশ কিছু টাকা প্রায় ষাট লক্ষাধিক টাকার ওয়ারিশ উনার পুত্র কন্যারা এখন সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মামলা করে কোর্ট থেকে সার্টিফিকেট নিবেন এবং ব্যাংক থেকে উনার একাউন্টে রক্ষিত টাকা উত্তরাধিকার আইনানুসারে বন্টন করে নিবেন। স্যার আমাকে ফাইলটা বুঝিয়ে দিলেন এবং ড. নাইম ভাই বললেন,"ইমন তোমার কম্পিউটারে দেখবা.....ফোল্ডারে আমাদের আগের একটা সাকসেশন সার্টিফিকেট এর মামলার ফাইল আছে তুমি এই মামলাটা সেভাবেই রেডি কর। আর একটা পাওয়ার অভ এটর্ণিও রেডি করতে হবে যে সব ভাই বোনদেয়র পক্ষে একজন কোর্টে গিয়ে সাক্ষী দিবে। সেটাও পাবা ওই ফোল্ডারে।"
আমি ফাইলের কাগজগুলো পড়তে লাগলাম। ডেথ সার্টিফিকেট, ওয়ারিশান সনদপত্র,ব্যাংক স্টেটমেন্ট, জন্মসনদ, ছবি ইত্যাদি Peruse করতে লাগলাম। এরপর কম্পিউটারে সংশ্লিষ্ট ফোল্ডারে গিয়ে কাজ শুরু করলাম। ওরে বাবা! এই মামলায় তো কোন বিবাদী নাই! সব্বাই দেখি দরখাস্তকারী! কারণ, কোন ডিস্পিউট নাই পুত্র কন্যাদের মধ্যে৷ (অবশ্য বিবাদ থাকলে বা একাধিক স্ত্রী থাকলে যে বা যারা ওকালতনামায় সাইন দিবে না তাকে বিবাদী-অপরপক্ষ করতে হয়। এটাই নিয়ম।)
পিটিশন রেডি হলে সিনিয়র স্যারকে প্রিন্ট করে দেখালাম। স্যার কিছু কারেকশন করলেন এবং বললেন সাকসেশন সার্টিফিকেট ক্যান বি ফাইলড অনলি ফর Debts and securites. তখন জজকোর্টে সিনিয়র স্যার আর আমি যেতাম। ড. নাইম ভাই, ব্যারিস্টার সাইফুর রশিদ ভাই আর এডভোকেট খন্দকার শাহরিয়ার শাকির ভাই হাইকোর্ট এ যেতেন। মরহুম শফি ভাই ছিলেন আমাদের চেম্বারের ক্লার্ক। স্যারের চেম্বারের অভিজ্ঞ ক্লার্ক শফি ভাই। প্রায় ৩৩ বছর ধরে ঢাকা জজকোর্ট এ স্যারের মুহুরী ছিলেন। আর সিনিয়র স্যারের ওকালতির বয়স তখন ৪৭ বছর। (শফি ভাইয়ের বড় ছেলে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর করে জাপান থেকে পি এইচ ডি করে সরকারি ঊচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। উনার ছেলেরা উনাকে কোর্টের কাজ থেকে অবসর নিতে চাপ দিতেন। কিন্তু, উনি কোর্টে আসতেই স্বচ্ছন্দ বোধ করতেন।) খুব দক্ষ মুহুরী ছিলেন শফি ভাই এবং সিভিল মোকদ্দমায় প্রসিডিওরাল ব্যাপারে অনেক দক্ষ। (পরবর্তীতে আমার ঢাকা জজকোর্ট এর সকল দেওয়ানী মোকদ্দমায়ও আমি শফি ভাইকে রাখতাম হাজিরা ও পদক্ষেপ নিতে। মোকদ্দমার কোন স্টেপ আগে থেকেই জানিয়ে রাখতেন।)
সাকসেশন সার্টিফিকেট মামলার ফাইলিং এর দিন আসিফ ভাই এলেন কোর্টে। ফাইল করা হলো। নেক্সট ডেইট ধার্য্য করা হলো সমন জারির জন্য। শফি ভাই প্রসেস সারভারকে দায়িত্ব দিলেন জারির জন্য।
ইদানীং দেখি অনেক লইয়ার এভিডেভিড দিয়ে সাকসেশন সার্টিফিকেট মামলা দায়ের করে অজ্ঞতা বশত। এতে অবশ্য সেরেস্তাদার আপত্তি করেন না। কারণ, এভিডেভিট হলে সিল মারা ও হলফ নেওয়া উপলক্ষে আরও কিছু নগদ নেওয়া যায়!
আসলে যে কোন মামলা মোকদ্দমা ড্রাফট করার আগে সংশ্লিষ্ট অর্ডার রুল সেকশনসহ পূর্ববর্তী মামলার ঊচ্চ আদালতের নজীরগুলো স্টাডি করা ম্যান্ডাটরি। এতে সর্বোচ্চ ১/২ ঘন্টা ব্যয় হবে যদি সিভিল মোকদ্দমায় দক্ষ হয় সেই বিজ্ঞ আইনজীবী।
কয়দিন আগে এক মামলায় দেখলাম সাকসেশন সার্টিফিকেট এর এপ্লিকেশনের শেষাংশে প্রথমে Affidavit দিল! তারপর Verification!ও দিল এবং সর্বশেষে শপথনামাও দিল বিজ্ঞ! আইনজীবী! অদ্ভুত ব্যাপার! 😃😀 ব্যাপারটা এরকম যে কারও জ্বর হবার পর তাকে Napa, Ace আর Paracetamol তিন কোম্পানির ওষুধ একসাথে গুলিয়ে খাওয়াই দেওয়া আর কি! এতে ট্রিপল একশান বা রিয়্যাকশান হবার সমূহ সম্ভাবনা প্রকট।😃
ওকালতি করতে কোন আরজি বা এপ্লিকেশনে Verification এবং কোন এপ্লিকেশনে Affidavit দিতে হয় শেষাংশে তা জানা জরুরি। নচেৎ মোকদ্দমা দায়ের করার সময় সেরেস্তাদার কর্তৃক নাস্তানাবুদ হয়ে দেখেছি অনেককেই।
তাই, সংশ্লিষ্ট মামলা মোকদ্দমায় প্রাসঙ্গিক আইন অধ্যয়ন করে দরকার হলে কোন অভিজ্ঞতা সম্পন্ন সিনিয়র এর সাথে বা নিজের কোন সংশ্লিষ্ট আইনে অভিজ্ঞ বন্ধুকে জিজ্ঞাসা করে বা আরজি লিখিত জবাব দেখিয়ে বুঝে শুনে মোকদ্দমা দায়ের করলে ক্লায়েন্টও সহজে রিলিফ পেতে পারে। নতুবা পরবর্তীতে অর্ডার ৬ রুল ১৭ করতে হয় বারবার। যা কিঞ্চিৎ বিব্রতকর পরিস্থিতির উদ্ভব করে এবং বিবাদী অপর পক্ষ তখন তা চ্যালেঞ্জ করে মামলাটা নিষ্পত্তিতে বিলম্বিত করার চেস্টা করে।
আইনপেশায় অধ্যয়নের বিকল্প নাই।
ওই যে আমরা ছোট বেলায় পড়েছিলাম!
"ছাত্রনং অধ্যয়নং তপঃ"
আমাদের জন্য আইনজীবীনং অধ্যয়নং তপঃ হবে কি!
এপিলেট ডিভিশনের সম্মানিত সাবেক বিচারপতি ওহাব মিয়া স্যার আমাদের Bar Vocational Course এ বলতেন,"The more you read, the more you learn. The more you learn, the more you will earn. No learning, no earning."
সাকসেশন সার্টিফিকেট মামলাটার সংক্ষিপ্ত আলোচনা অন্য আরেকদিন হবে।
(চলবে)

13/04/2022
Before filing a C.R. Case in the C.M.M. Court, Dhaka, the learned advocates must follow the direction.
23/03/2022

Before filing a C.R. Case in the C.M.M. Court, Dhaka, the learned advocates must follow the direction.

25/09/2021

"Whether you have a case or no case, go to court daily."
Like my revered senior(Advocate Syed Ahmed Sir) I reiterate the same to all newly enrolled learned advocates.
At first, you must go to district court to learn the basic art of litigation. Although it’s arduous and tough to cope with the environment of the crowded court or combatting traffic jam and hot summer sweat! you will definitely learn many things in return.
So, go to court daily whether you have a case or no case!
Don't lose heart.
"The more you learn, the more you earn.
No learning, no earning." (Justice Abdul Wahhab Miah)

24/06/2021

মামলার বাদীর পরিচয় নিশ্চিতে হাইকোর্টের ৫ নির্দেশনা

থানায় বা আদালত-ট্রাইব্যুনালে এজাহার বা অভিযোগ দায়ের করার সময় অভিযোগকারীর পরিচয় যথাযথভাবে নিশ্চিতের লক্ষ্যে পাঁচ দফা নির্দেশনা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত ভার্চ্যুয়াল হাইকোর্ট বেঞ্চ ১৪ জুন এ আদেশ দেন। পূর্ণাঙ্গ আদেশটি গতকাল বুধবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে।

প্রথম নির্দেশনায় বলা হয়, অভিযোগ/এজাহারে অভিযোগকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর, ক্ষেত্রমতে পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করতে হবে।

এজাহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র না থাকলে সে ক্ষেত্রে এজাহারকারীকে শনাক্তকারী ব্যক্তির জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর উল্লেখ করতে হবে বলে দ্বিতীয় নির্দেশনায় বলা হয়।

তৃতীয় নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বিশেষ বাস্তব পরিস্থিতিতে জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট নম্বর সহজলভ্য না হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা এজাহারকারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য স্বীয় বিবেচনায় অন্যান্য যথাযথ পদ্ধতি গ্রহণ করবেন।

চতুর্থ নির্দেশনায় বলা হয়, আদালত কিংবা ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিলের ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট না থাকলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবী অভিযোগকারীকে শনাক্ত করবেন।

অভিযোগকারী প্রবাসী কিংবা বিদেশি নাগরিক হলে সংশ্লিষ্ট দেশের পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করতে হবে বলে পঞ্চম নির্দেশনায় বলা হয়।

ধর্ষণ, মারধর, চুরি, মানব পাচার—এমন সব অভিযোগে দেশের ১৩টি জেলায় করা ২০টি মামলার চক্করে রাজধানীর শান্তিবাগের বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী একরামুল আহসানকে ১ হাজার ৪৬৫ দিন কারাভোগ করতে হয়। এ অবস্থায় ওই সব মামলা ‘মিথ্যা’ উল্লেখ করে মামলা দায়েরে সম্পৃক্ত বা বাদীকে খুঁজে বের করতে তদন্তের নির্দেশনা চেয়ে গত ৭ জুন হাইকোর্টে রিট করেন ৫৫ বছর বয়সী একরামুল। রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ১৪ জুন হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন।

রিট আবেদনকারীর (একরামুল) বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক ওই সব মামলা দায়ের জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে ৬০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দিতে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই সঙ্গে মামলা বা অভিযোগ দায়েরের ক্ষেত্রে বাদীর পরিচয় নিশ্চিতে কয়েক দফা নির্দেশনা দেন আদালত।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী এমাদুল হক বশির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অরবিন্দ কুমার রায় ও বিপুল বাগমার।

মারধর, প্রতারণা, চুরি, অ্যাডিস নিক্ষেপ, মানব পাচার, ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের অভিযোগে ১৩টি জেলায় একরামুলের বিরুদ্ধে ৪৯টি মামলা হয় বলে জানান তাঁর আইনজীবী এমাদুল হক বশির। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, এসব মামলার মধ্যে কোনোটিতে বাদীকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। আবার কোনোটিতে সাক্ষী আসেননি। এদিক বিবেচনায় ৩৬টি মামলায় ইতিমধ্যে একরামুল নিম্ন আদালত থেকে খালাস পেয়েছেন। বাকি ১৩টি মামলা বিচারাধীন। ৪৯টি মামলার মধ্যে ২০টি মামলায় ১ হাজার ৪৬৫ দিন কারাভোগ করেছেন একরামুল। হয়রানির উদ্দেশ্যে ‘মিথ্যা’ মামলা দিয়ে তাঁকে কারাগারে রাখা তাঁর ব্যক্তিস্বাধীনতার লঙ্ঘন উল্লেখ করে রিটটি করা হয়।
আইনজীবীর তথ্যমতে, ঘটনার শুরু ২০১১ সালে। মারধরের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের এক মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাসূত্রে ওই বছরের ১৭ নভেম্বর কারাগারে যান একরামুল। একে একে তাঁর সামনে আসতে থাকে মামলা। পরোয়ানাসূত্রে ১৩টি জেলায় নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। একবার জামিনে বের হন, পরে আবার অন্য মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা সূত্রে তাঁকে আবার কারাগারে যেতে হয়। আবার কোনো মামলাসূত্রে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। এর মধ্যে মানব পাচারের অভিযোগে চাঁদপুরের এক মামলায় গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি জামিনে মুক্তি পান একরামুল। মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়ে একরামুল রিট করেন। নারায়ণগঞ্জের কুতুবপুরে অবস্থিত আনোয়ার ডাইং অ্যান্ড প্রিন্টিংয়ের মালিক তিনি।

20/06/2021

অধস্তন দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালত এবং ট্রাইব্যুনালসমূহে শারীরিক উপস্থিতিতে রোববার থেকে স্বাভাবিক বিচার কার্যক্.....

13/05/2021

Eid Mubarak to all.
Taqabbal Allahu minna wa minkum.

Address

Dhaka
1207

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 15:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801717660131

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Advocate Md. Aziz Ullah Emon, LL.M- CU posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Advocate Md. Aziz Ullah Emon, LL.M- CU:

Share